Tag: সুস্মিতা সেন

  • জীবনে এসেছে অসংখ্য পুরুষ, তবু সারাজীবনই একাকী বলিউডের যে পাঁচ নায়িকা

    ২০-এর কোঠা পেরোলেই নারীদের শুনতে হয়, ‘বিয়েটা কবে হচ্ছে?’। তবে সেই যুগ বদলেছে। ছক ভাঙছেন নারীরা। কেউ সময়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নির্দিষ্ট বয়সের বাইরে গিয়ে বিয়ে করছেন। আবার কেউ ছক ভেঙে থেকে গেছেন একাকী। তবু তারা একাকিত্বে ভোগেন না। 

    বরং বীরসদর্পে বুঝিয়ে দিচ্ছেন— নারীরা একা ভালোই থাকতে পারে। দেখে নেওয়া যাক বিনোদন জগতের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বলিউডের এই একাকী ও সাহসী নারীদের। জেনে নেওয়া যাক এমন সাহসী সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ কী।

    প্রথমেই উঠে আসছে সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের নাম। রণদীপ হুদা, মিলিন্দ সোমান, বিক্রম ভাট, ললিত মোদিসহ বহু পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। সবশেষে কাশ্মীরি মডেল রোহমান শলের সঙ্গে দীর্ঘদিন একত্রবাস করছেন। বন্ধুত্ব রাখলেও সম্পর্ক টেকেনি তাদের। বিয়ে এখনো করেননি সুস্মিতা। তবে দুই কন্যাসন্তানকে দত্তক নিয়েছিলেন অল্প বয়সেই। তাদের সঙ্গে ভালোই আছেন অভিনেত্রী। বহু নারীকে অনুপ্রাণিতও করেছেন সুস্মিতা সেন।

    এদিকে বলিউডের আরেক শক্তিশালী অভিনেত্রী টাবু। বয়স তার কাছে সংখ্যা মাত্র। এখনো তার রূপ ও ব্যক্তিত্বের কাছে কুপোকাত অনেকেই। ৩০ বছর বলিউডে কাটিয়ে ফেলেছেন। সম্পর্কের গুঞ্জনও রয়েছে। কিন্তু ঘোষিত সম্পর্কে কখনই থাকতে দেখা যায়নি টাবুকে। ৫২ বছর বয়সি অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন—একাকী বিষয়টি আমি নেতিবাচক হিসেবে দেখি না। শুধু সম্পর্ক নয়; সুখ আসতে পারে বহু জায়গা থেকে। কখনো একা লাগলে সেটি নিজে সামলে ওঠা যায়। কিন্তু ভুল সঙ্গীর সঙ্গে সারাজীবন কাটানো আরও যন্ত্রণাদায়ক।

    অন্যদিকে ক্যারিয়ারের শুরুতে ঝড় তুলেছিলেন অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল। তার শিক্ষাগত যোগ্যতাও আলোচনায় উঠে এসেছে বারবার। কিন্তু একসময় বলিউডের সঙ্গে বেড়েছে তার দূরত্ব। বেশ কয়েকটি সম্পর্কেও জড়িয়েছেন তিনি। তবু অভিনেত্রী একাকী। বিয়ে না করেও দিব্যি আছেন আমিশা প্যাটেল। বছরখানেক আগে ‘গদর ২’ সিনেমাতেও নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রী।

    এ ছাড়া বলিউড অভিনেত্রী নার্গিস ফাকরি ‘রকস্টার’ সিনেমায় রণবীর কাপুরের সঙ্গে তার রসায়ন সাড়া ফেলেছিল। পর্দার বাইরেও রণবীরের সঙ্গে তার রসায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা সময়ে উদয় চোপড়ার সঙ্গে সম্পর্কে থেকেছেন অভিনেত্রী। কিন্তু ভেঙে যায় সেই সম্পর্ক। এরপর একা থাকার সিদ্ধান্তই নেন নার্গিস ফাকরি।

    সবশেষে বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রেখা বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু একাকিনী সাহসিনীদের তালিকায় তার নাম বাদ দেওয়া যায় না। ১৯৯০ সালে শিল্পপতি মুকেশ আগারওয়ালকে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের সাত মাসের মাথায় মুকেশ আত্মহত্যা করেন। এরপর একাই থেকে গেছেন রেখা। তবে মনে মনে তিনি নাকি অমিতাভ বচ্চনকেই ভালোবেসেছেন। আর বিয়ের পথে যাননি অভিনেত্রী। যদিও সাজের অংশ হিসেবে সিঁথিতে সিঁদুর পরেন রেখা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না সুস্মিতা সেন

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন মাত্র ১৮ বছর বয়সেই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী তার ব্যক্তিত্বের জন্য যতটা আলোচিত হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি চর্চিত হয়েছেন ব্যক্তিগত জীবনের জন্যও। 

    অভিনেত্রী তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বারবার আলোচনা-সমালোচনায় এসেছেন। তবুও কোনো দিনই সম্পর্ক নিয়ে গোপনীয়তায় বিশ্বাসী নন সুস্মিতা। কখনো রণদীপ হুডা, কখনো মুম্বাইয়ের রেস্তরাঁর মালিক হৃতিক ভাসিন, কখনো পরিচালক বিক্রম ভাট, আবার কখনো ললিত মোদি। এমনকি বয়সে অনেক ছোট রহমান শলের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার।

    আসছে নভেম্বরে ৫০-এর ঘরে পা দিতে চলেছেন এ লাবণ্যময়ী। তবুও সংসার জীবন শুরু করেননি।  এ নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভক্ত-অনুরাগীরা অনেকবার তার ইচ্ছা ও পরিকল্পনার কথা জানতে চেয়েছেন। 

    সুস্মিতা জানিয়েছেন বিয়ে করার ইচ্ছা রয়েছে তার।  তবে বিয়ের জন্য কোনো ধরাবাঁধা বয়সের গণ্ডিতে নিজেকে আটকে রাখতে নারাজ নায়িকা।  সুস্মিতা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুলেন এ অভিনেত্রী। 

    সুস্মিতা বলেন, আমি বিয়ে করতে চাই। কিন্তু এমন একটা মানুষকে পেতে তো হবে। আসলে বিয়ে তো মনের বন্ধন। কাউকে দেখে সেই অনুভূতিটাও আসতে হবে তাই না? যে দিন এমন কোনো পুরুষ জীবনে আসবে, যাকে দেখে মনে হবে একেই বিয়ে করা যায়, সে দিন করব কিংবা আমার যে চাহিদার তালিকা রয়েছে সেগুলো মিলে গেলেই বিয়ে করে নেব। তার আগে এই বেশ ভাল আছি।

    ২০২১ সালে রহমান শলের সঙ্গে প্রেমের ইতি টানেন সুস্মিতা। এরপর অভিনেত্রীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছে ললিত মোদির। বছর দুয়েক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ললিত মোদির সঙ্গে সুস্মিতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ভাইরাল হয়। তখন ললিত অভিনেত্রীকে ‘অর্ধাঙ্গিনী’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। তবে সে সম্পর্কেও ফাটল ধরে পরে। 

    বিয়ে না করলেও দুই সন্তানের মা সুস্মিতা। অল্প বয়েসেই দুটি কন্যা সন্তান দত্তক নিয়েছেন তিনি। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • আমার যে চাহিদার তালিকা রয়েছে, সেগুলো মিলে গেলেই বিয়ে করব: সুস্মিতা

    মাত্র ১৮ বছর বয়সেই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন। সেই খ্যাতির ছটা শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সীমানা পেরিয়ে তার জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে। ১৯৯৪ সালে ১৮ বছর বয়সে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়ার মুকুট জয় করেন অভিনেত্রী। পরে মিস ইউনিভার্সের (১৯৯৪) মুকুটও জয় করেন তিনি।

    সুস্মিতাই প্রথম বাঙালি তথা প্রথম ভারতীয় হিসেবে মিস ইউনিভার্সের মুকুট লাভ করেন। কিন্তু এখনো অভিনেত্রী চিরকুমারীই রয়ে গেছেন। তবে বিয়ের জন্য কোনো ধরাবাধা বয়সের গণ্ডিতে নিজেকে আটকে রাখতে নারাজ সুস্মিতা সেন। বিয়ে নিয়ে তার কী পরিকল্পনা সে কথাই জানালেন অভিনেত্রী।

    সুস্মিতা তার ব্যক্তিত্বের জন্য যতটা আলোচিত হয়েছেন, ততটাই চর্চিত হয়েছেন ব্যক্তিগত জীবনের জন্য। বলা ভালো— তার প্রেমজীবন নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। তবু কোনো দিনই সম্পর্ক নিয়ে গোপনীয়তায় বিশ্বাসী নন অভিনেত্রী। কখনো রণদীপ হুডা, কখনো মুম্বাইয়ের রেস্তোরাঁর মালিক হৃতিক ভাসিন, কখনো পরিচালক বিক্রম ভাট, কখনো ললিত মোদি, আবার কখনো বয়সে অনেক ছোট রোহমান শলের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তার।

    বয়স তার পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই। তবু ঘরবাঁধা হয়নি। যদিও সুস্মিতা ছকভাঙা। বিয়ে করেননি কিন্তু দুই সন্তানের মা। অল্প বয়সে দুই কন্যা দত্তক নিয়েছেন। যদিও গত বছর থেকে সুস্মিতার সঙ্গে সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে সাবেক প্রেমিক রোহমান শলকে। তবে কি ফের তারা সম্পর্কে জড়িয়েছেন? ভবিষ্যতে কি বিয়ে করবেন সুস্মিতা? যদিও বিয়ে করার ইচ্ছা রয়েছে তার বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা বলেন, আমি বিয়ে করতে চাই। কিন্তু এমন একটা মানুষকে পেতেও হবে তো। আসলে বিয়ে তো মনের বন্ধন। কাউকে দেখে সেই অনুভূতিটাও আসতে হবে, তাই না? যেদিন এমন কোনো পুরুষ জীবনে আসবে, যাকে দেখে মনে হবে একেই বিয়ে করা যায়, সেদিন করব; কিংবা আমার যে চাহিদার তালিকা রয়েছে, সেগুলো মিলে গেলেই বিয়ে করে নেব। তার আগে এই বেশ ভালো আছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘নিষ্ঠুর সন্ত্রাসবাদী’ হতে চাননি সুস্মিতার সাবেক প্রেমিক রোহমান

    বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুসন্দরী সুস্মিতা সেনের সাবেক প্রেমিক রোহমান শল। মডেলিং দিয়ে যাত্রা শুরু তার। তবে বর্তমানে এ অভিনেতা মনোনিবেশ করছেন অভিনয়ে। ক্রমশ বলিউডে নিজের জায়গা পাকপোক্ত করে নিচ্ছেন রোহমান। সম্প্রতি একটি চরিত্র নিয়ে এ কাশ্মীরি মডেল-অভিনেতা জানিয়েছেন তিনি কখনো চাননি ‘নিষ্ঠুর সন্ত্রাসবাদী’ হয়ে উঠতে। তবে কী চেয়েছেন সুস্মিতার সাবেক প্রেমিক?

    ২০২১ সালে ‘আজাদি’ নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে প্রথম অভিনয় করেছিলেন রোহমান শল। কিন্তু সেই ছবি এখনো আলোর মুখ দেখেনি। তবে সম্প্রতি তার অভিনীত ‘আমরণ’ ছবিটি নিয়ে এ মুহূর্তে চর্চায় রয়েছে। ছবিতে এক সন্ত্রাসবাদীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোহমান শল। তার চরিত্রের নাম আসিফ ওয়ানি। নিষ্ঠুর ও নির্মম সিদ্ধান্ত নিতে হাত কাঁপে না তার। পর্দায় সেই চরিত্র নাকি সফলভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন রোহমান। ইতোমধ্যে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে তার অভিনয়। 

    কিন্তু সন্ত্রাসবাদীর চরিত্রে অভিনয় করবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন এ কাশ্মীরি মডেল-অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রোহমান শল বলেন, আমার চরিত্র এবং এই ছবিটা যে মানুষ গ্রহণ করবে, তা আমি আশা করিনি। এই খলচরিত্রে অভিনয় করা নিয়ে আমি সংশয়ে ছিলাম। কিন্তু মানুষ সত্যিই পছন্দ করছে আমার চরিত্রকে। তিনি বলেন, ছবিতে আমি খুবই নিষ্ঠুর। ওই চরিত্রের ওপর তাই দর্শকদের রাগ ও ঘৃণা হচ্ছে। খলচরিত্রে অভিনেতা তো এভাবেই সফল হয়। মানুষের প্রতিক্রিয়া ও উৎসাহই তো আমাদের কাছে সব বলে জানান এ অভিনেতা।

    এই নিষ্ঠুর আতঙ্কবাদী হয়ে উঠতে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল রোহমানকে। পরিচালক প্রথমে নাকি বলেছিলেন, রোহমান নাকি খুবই মিষ্টি। তার মধ্যে নিষ্ঠুরতার অভাব রয়েছে। 

    অভিনেতা বলেন, পরিচালক বলেছিলেন— ‘রোহমান, তোমার চোখের মধ্যে আমি ব্যাপারটা দেখতে পাই ঠিকই, কিন্তু তুমি খুবই মিষ্টি। খুবই ভদ্র দেখতে তুমি। তাই এবার চুল লম্বা করা শুরু কর।’ তিনি বলেন, আমি খুবই পরিশীলিতভাবে চলাফেরা করি। কিন্তু পরিচালক চেয়েছিলেন— আমার হাঁটাচলার মধ্যেও যেন নির্মমতা ফুটে ওঠে। 

    উল্লেখ্য, ‘আমরণ’ ছবিতে রোহমান ছাড়াও রয়েছেন সাই পল্লবী, রাহুল বোস প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কৈশোরে কাকে ভালোবেসে সব টাকা উড়িয়েছিলেন সুস্মিতা?

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের বিশ্বজুড়ে রয়েছে অসংখ্য অনুরাগী রয়েছে। এখনও বড় পর্দায় তার ছবি মুক্তি পেলে প্রেক্ষাগৃহ ভরে ওঠে মুহূর্তে। তার স্টাইলকে ছাপিয়ে যাবে এমন অভিনেতার সংখ্যাও হাতেগোনা। চুলের স্টাইল, কায়দা করে হাঁটা দেখলে আজও অনেকে বলেন ‘উফফ পুরো সালমান খান।’ ভাইজানের এই ভক্তের তালিকায় রয়েছে তাবড় সেলিব্রিটিরাও। তেমনই একজন সাবেক বিশ্ব সুন্দরী সুস্মিতা সেন।

    সম্প্রতি সুস্মিতা সালমান খান সম্পর্কিত একটি মজার ঘটনা শেয়ার করেছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি সালমানকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন। ১৯৯৯ সালে ‘বিবি নং ১’ ছবিতে সালমানের সঙ্গে কাজ করেছিলেন সুস্মিতা। তবে অভিনেতার প্রতি নাকি কৈশোর থেকেই আলাদা আকর্ষণ ছিল। ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ মুক্তির পর সালমানের প্রতি তার আবেগ আরও বেড়ে যায়।

    শিপ্রা নীরজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা বলেন, একটা সময় তিনি তার সমস্ত পকেট মানি সালমানের পোস্টার কিনতে ব্যয় করতেন। বাড়ি সাজানোর সময়ও নিজে দাঁড়িয়ে থাকতেন, যাতে তার পরিবারের সদস্যরা পোস্টারগুলো ফেলে না দেন।

    সুস্মিতা বলেন, ‘আমি পকেট মানি দিয়ে সালমানের পোস্টার কিনতাম। সেই সময় ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ মুক্তি পেয়েছিল। তাই আমার কাছে সেই সিনেমার একটি পায়রার ছবিও রাখা ছিল। কারণ, একটাই সালমান খান ওই পায়রাকে ছুঁয়েছেন।

    এমনকি সুস্মিতার বাবা-মাও নাকি তাকে সবসময় ভয় দেখাতেন। হোমওয়ার্ক সময়মতো না হলে তারা পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলবেন। তাই তিনি সময়মতো পড়াশোনা ঠিক করে নিতেন। সুস্মিতার কথায়, আমি মানুষটির প্রেমে পড়েছিলাম।

    ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ ছবির সাফল্যের মাধ্যমে সালমান খান রাতারাতি স্টার হয়ে যান। এর অনেক বছর পর ‘বিবি নং ১’-এর সেটে অভিনেতার সঙ্গে দেখা হয় সুস্মিতার। এরপর থেকে সুস্মিতা ও সালমানের বন্ধুত্ব জমে ওঠে। এমনকি সালমানের সঙ্গে বন্ধুত্ব হওয়ার পর সুস্মিতা তাকে তার মনের কথাও জানিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২০ বছর পর লাল শিফনে প্রত্যাবর্তন ‘ম্যায় হুঁ না’র চাঁদনীর

    এই সেদিনও ‘রকি অ্যান্ড রানি কি প্রেম কাহানি’তে শিফন শাড়িতে অনুরাগীদের বুকে ঢেউ তুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তবে লাল শিফনে সুস্মিতাকে দেখে ভক্তরা বলছেন, শিফন শাড়ির ওপরে কীভাবে প্রভুত্ব করতে হয়, তা দেখিয়ে দিয়েছেন বঙ্গসুন্দরী। ২০ বছর পরে লাল শিফনে প্রত্যাবর্তন ‘ম্যায় হুঁ না’র চাঁদনীর। নেপথ্যে ‘ধুম তানা’ বাজল কি?

    নেপথ্যে নাগারে বাজছে ‘ধুম তানা ধুম তানা ধুম তানা ধুম তানা ধুম তা…’। আর তালে তালে পা ফেলে লাল শিফনের আঁচল উড়িয়ে চুল ওড়াতে ওড়াতে এগিয়ে আসছেন একসময়ের আলোচিত জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন। দেখে আপামার ভারতবাসী তো কোন ছাড়, বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানেরও হাঁটু দুর্বল।

    দুই হাত ছড়িয়ে তার প্রিয় পোজ দিতে গিয়ে মাটিতে বসেই পড়লেন। ‘ম্যায় হু না’ সিনেমার সেই দৃশ্য ছিল বলিউডের ক্লাসিক বাণিজ্যিক ছবির একটি বৈগ্রাহিক মুহূর্ত। ২০ বছর পর সুস্মিতা সেই মুহূর্তের স্মৃতিকে আরও একবার তাজা করে তুললেন। লাল শিফন পরে হাজির হলেন লেন্সের সামনে। আর দেখা গেল, ম্যায় হু নার কেমিস্ট্রির প্রফেসর মিস চাঁদনি চোপড়ার কেমিস্ট্রি আবার একই রকম জীবন্ত হয়ে উঠেছে। লাল রঙের শিফন শাড়িতে তিনি এখনো আগের মতোই বহ্নিশিখা।

    বলিউডের নায়িকা আর তাদের শিফন শাড়ি ওড়ানো অবতার বরাবরই ভক্তকূলে সমাদর পেয়েছে। সেটি ছবির নির্মাতারাও ভালো করে জানেন। তাই পুরোনো ফর্মুলা এ যুগেও যখন তখন কাজে লাগান। 

    এই সেদিনও ‘রকি অ্যান্ড রানি কি প্রেম কাহানি’তে শিফন শাড়িতে ভক্তদের বুকে ঢেউ তুলেছেন আলিয়া। তবে লাল শিফন শাড়িতে সুস্মিতাকে দেখে ভক্তরা বলছেন— শিফন শাড়ির ওপর কীভাবে প্রভুত্ব করতে হয়, তা দেখিয়ে দিয়েছেন বঙ্গসুন্দরী।

    সুস্মিতার চেহারার নিখুঁত আদল ফুটে উঠেছে লাল শিফনে। অথচ কোথাও কোনো বাড়তি দেহ প্রদর্শনের প্রয়োজন পড়েনি। লাল শাড়ির সঙ্গে সামান্যই অলঙ্কার পরেছেন। সুস্মিতা কানে মুক্তোর দুল, বাঁ হাতে এক খানি আংটি আর শাড়িতে একটি সাদা চিতার আদলের ব্রোচ। তাতেই তার থেকে চোখ ফেরানো দায়। অনুরাগীদের কেউ কেউ ওই রূপে সুস্মিতাকে দেখে ম্যায় হুঁ নার প্রসঙ্গ টেনেছেন। 

    কেউ কেউ বলেছেন, ছবি দেখে মনে মনে ধুম তানা ধুম তানা বাজনা বাজতে শুরু করেছে তাদের। তবে ছবিতে সুস্মিতার পাশাপাশি আলাদা করে ফ্যাশন জগতের নজর টেনেছে তার সাদা চিতা ব্রোচও। সুস্মিতা যদিও জানিয়েছেন, ওই ব্রোচ এবং যেটুকু গহনা তিনি পরেছেন, তার সবটাই তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্পর্কের নানা উত্থান-পতন নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন সুস্মিতা

    তিনি তারকা। তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা, কাঁটাছেড়া কম হয়নি। সে সব সামলেও কীভাবে সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার মানসিক চাপ সামলেছেন বলিউড সেনসেশন সুস্মিতা সেন? বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের কথা বলেছেন অভিনেত্রী। সম্পর্ক সামলে রাখতে কী করা উচিত, সম্পর্ক ভাঙলে কী করতে হয়, ব্যক্তিগত জীবন যখন না চাইতেও প্রকাশ্যে এসে পড়ে, তখন কী করবেন, সবই শেখা যায় সুস্মিতার কাছ থেকে। 

    মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ৪৮ পূর্ণ করলেন সুস্মিতা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে সম্পর্কের নানা উত্থান-পতন নিয়ে ভক্তদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    ১। একটা সম্পর্কে যদি একে অপরের কথা বুঝতেই অসুবিধা হতে শুরু করে, যদি একজন আর একজনকে ভুল বুঝতে শুরু করেন, তবে সেই সম্পর্ক শেষ হতে বাধ্য। ভুল বোঝাবুঝির কারণ থাকে মূলত একটাই। কোনো একজন বা দু’জনই হয়তো স্পষ্ট করে নিজের কথা বলতে পারছেন না বা পারেননি। এ ক্ষেত্রে সম্পর্ককে বাঁচানোর উপায় থাকে একটাই। নিজের অনুভূতির কথা জোর দিয়ে বলুন। কারও নিজে থেকে বুঝে নেওয়ার উপর ছেড়ে দেবেন না।

    ২। সম্পর্ক শব্দটা খুব সুন্দর একটা শব্দ। আমি আমার জীবনে অনেকরকম সম্পর্কে থেকেছি। অধিকাংশ সম্পর্কই আমাকে মানুষ হিসাবে আরও উন্নত হতে সাহায্য করেছে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, কোনো সম্পর্কই গ্যারান্টি কার্ড নিয়ে আসে না। আমি এমনও দম্পতি দেখেছি, যারা ধূমধাম করে ২৫ বছরের দাম্পত্য উদযাপন করেছেন এবং তার দিনকয়েকের মধ্যেই আলাদা হয়ে গেছেন। আমার মনে হয় সম্পর্কের বয়স যখন বাড়ে, তার সঙ্গে আমরাও পরিণত হই। প্রক্রিয়াটা কখনও দীর্ঘমেয়াদি হয়। কখনও দ্রুত থেমে যায়।

    ৩। ১৬ বছর বয়সে শুধু ডেটিং করাটাই আমার কাছে দারুণ ব্যাপার ছিল। এখন এক জন পুরুষ সঙ্গীর কাছে আমার অনেক কিছু চাওয়ার আছে। সেই চাওয়া আর পাওয়ার মিল হওয়া সহজ নয়। তবে পাওয়ার অঙ্ক মেলাতে যদি অপেক্ষা করতে হয়, করতে হবে।

    ৪। সঙ্গীর বিশ্বস্ততা নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন। কেউ কেউ ভাবেন শারীরিকভাবে সঙ্গে থাকাটাই বিশ্বস্ততার একমাত্র প্রমাণ। কিন্তু আমি বলব আমার পাশে থাকা মানুষটিকে যদি মনে মনে ভাবে আমাকে এর কাছে ফিরতে হবে, তবে তাকে কি বিশ্বস্ততা বলা যায়। মনে যদি অন্য কেউ থাকে, এবং শারীরিক ভাবে সে যদি আমার সঙ্গে থাকে, তবে তাকেও তো বিশ্বস্ততা বলা যায় না।

    ৫। আমি মনে করি আমি থুব সৌভাগ্যবান, যে আমার জীবনে সঙ্গী হিসাবে কিছু দারুণ পুরুষকে পেয়েছি আমি। সাবেক সম্পর্কগুলোকে আমি এভাবেই দেখি।

    ৬। যেকোনো সম্পর্কের শুরুতেই একে অপরকে জানা যায় না। প্রথম প্রথম সবই ভাল থাকে। সম্পর্ক যত পরিণত হয়, ততই একে অপরের আসল দিকগুলো প্রকাশ্যে আসতে থাকে। একে অপরকে বুঝতে বুঝতে যথন পরষ্পরের প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বাস তৈরি হয়, তখনই বুঝবেন, এ বার আপনি সম্পর্ককে পরিণতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

    ৭। আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কে যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে, আমি দেখেছি, সবাই তা নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে। অনেকে অনেকরকম মতামতও দিয়েছে। কিন্তু লোকে বললেই শুনতে হবে, কে বলেছে। আমি যখনই এমন পরিস্থিতিতে পড়েছি এবং বিরক্ত হয়েছি, মনে মনে ভেবেছি, তোরা যা খুশি বল, আমি শুনব। আমি আমার কাজ করব। আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলার অধিকার কারও নেই। সেটা শুনে গুরুত্ব দেওয়ারও প্রয়োজন নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্লিনিকের বাইরে প্রেমিকের সঙ্গে সুস্মিতা, যা বললেন ইশারায়

    রোহমান শল ও বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেনকে একসঙ্গে দেখা গেল বান্দ্রা এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে। কিন্তু  ক্যামেরা দেখেই ইশারায় ছবি তুলতে নিষেধ করেন এ অভিনেত্রী।

    রোহমান শলের সঙ্গে সুস্মিতা সেনের সম্পর্ক কি এখনো রয়েছে, নাকি বিচ্ছেদ হয়ে গেছে? এ নিয়ে চর্চা অব্যাহত। এক সময় তারা নিজেরাই সামাজিকমাধ্যমে জানিয়েছিলেন—সম্পর্কে ইতি টানছেন। কিন্তু তার কিছু দিন পর থেকেই ফের একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। 

    অভিনেত্রী হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে সুস্মিতার সঙ্গে ছায়াসঙ্গীর মতো থাকছেন রোহমান শল। এবার ফের একসঙ্গে দেখা গেল বান্দ্রা এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রীর ছবি তুলতে তৎপর হয়ে ওঠেন ফটোসাংবাদিকরা। কিন্তু ক্যামেরা দেখেই ইশারায় ছবি তুলতে নিষেধ করেন তিনি।

    জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরে দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন সুস্মিতা সেন। সে জন্য চিকিৎসকের কাছে যান অভিনেত্রী। গোটা মুখ অবশ করে দেওয়া হয় তার। তাতেই কথা বলতে অসুবিধা হয়, হাসতেও পারেননি তিনি। ফটোসাংবাদিকদের বুঝিয়ে দেন দাঁতের যন্ত্রণার কথা। যদিও সুস্মিতা জানান, কয়েক দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যাবেন তিনি। বরাবরই ফটোসাংবাদিকদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো অভিনেত্রীর। তাদের ওপর কখনই খুব বেশি বিরক্ত প্রকাশ করতে দেখা যায়নি তাকে। কিন্তু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে তাদের দেখামাত্রই খানিক অবাক হয়ে জানতে চান—এখানে আছি জানলেন কীভাবে?

    উল্লেখ্য, একটি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠানে পরিচয় হয় সুস্মিতা সেন ও রোহমান শলের। এরপর পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ জুটি বিয়ের পরিকল্পনাও করেন বলেও শোনা যায়। তাদের বাগদানের গুঞ্জনও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এটি গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ থাকে।

    সুস্মিতাকে বিয়ের পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হলে এক সাক্ষাৎকারে রোহমান শল বলেছিলেন— সুস্মিতা তার মেয়ে ও আমি ইতোমধ্যে একটি পরিবার। কিছু সময় আমি তাদের বাবা, মাঝে মাঝে তাদের বন্ধু, আবার আমাদের লড়াইও হয়। আমরা একটা সাধারণ পরিবারের মতোই থাকি এবং এটা উপভোগ করি। তাই কবে বিয়ে করছি এ ধরনের প্রশ্ন নিয়ে চিন্তা করি না।

    তবে প্রেমিকের সঙ্গে সুস্মিতার ব্রেকআপের গুঞ্জন এবারই প্রথম নয়। গত ফেব্রুয়ারিতেও তাদের সম্পর্কের ফাটলের গুঞ্জন চাউর হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমিকের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে সেই গুঞ্জনে জল ঢেলেছিলেন সুস্মিতা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার জীবনে কোনো পুরুষ নেই: সুস্মিতা সেন

    গত দুই বছর ধরেই সিঙ্গেল আছেন। তেমন কিছুই ঘটেনি বলে জানান একসময়ের আলোচিত বাঙালি সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন। সম্প্রতি রিয়া চক্রবর্তীর শো চ্যাপ্টার ২-এর প্রথম পর্বে হাজির হয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন বলিউড অভিনেত্রী। 

    ললিতের সঙ্গে প্রেম অস্বীকার করে সাবেক রোহমান শলের হাত ধরেই ঘুরতে দেখা গিয়েছিল এ অভিনেত্রীকে। এরপরই নেটিজেনদের ধারণা— সুস্মিতার জীবনে পুরোনো প্রেমই আবার নতুন করে ফিরেছে। 

    সুস্মিতা বলেন, ‘আমার জীবনে কোনো পুরুষ নেই। বহুদিন ধরেই আমি সিঙ্গেল আছি। সেটিও প্রায় দুই বছর হয়ে গেল। ২০২১ সাল থেকে আমি কোনো সম্পর্কে নেই। আমার জীবনে কিছু অবিশ্বাস্যরকম চমৎকার মানুষ আছে, যারা আমার বন্ধু। তারা সবাই একমুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছেন, কখন আমি ওদের ফোন করে বলব— দেখ, আমি গাড়ি বের করছি, পেছনের সিটে বসো। আমরা গাড়ি চালিয়ে গোয়ায় ঘুরতে যাব।’

    সুস্মিতা আরও বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমি কারও প্রতি আগ্রহী নই। বিরতি নেওয়ার মূল কারণ— আমি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে ছিলাম, আর সেটি ছিল অনেকটা লম্বা সময়।’
     রোহমান শল সম্পর্কে তিনি বলেন, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তারা একে অপরের থেকে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গেই দেখা যায় দুজনকে। সে বিষয়ে সুস্মিতা বলেন, ‘আমরা বন্ধু হিসেবে শুরু করেছিলাম, বন্ধুই রয়েছি! সম্পর্ক অনেক আগেই শেষ, শুধু ভালোবাসা রয়ে গেছে।’  

    এ সাবেক বিশ্বসুন্দরী বলেন, তিনি সম্পর্ক ভাঙলেও সেটা নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত করতে দেন না। সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজের অনেকটা দিয়ে দেন। ভালোবাসা, যত্ন, এনার্জি থেকে শুরু করে সেই ব্যক্তিকে নিজের বাড়িতেও নিয়ে যান, তার সন্তানদের জীবনেও প্রবেশ করতে দেন। তবে যখন বুঝতে পারেন সম্পর্কটি তার জন্য বিষাক্ত হয়ে উঠছে, তখন কোনো অনুশোচনা এবং অপরাধবোধ ছাড়াই সেখান থেকে দূরে চলে যান। 

    সুস্মিতা বলেন, সততা শ্রদ্ধার সমান। যদি কেউ তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহলে সেই নকল আবেগ তিনি ধরে রাখতে চান না। তার জীবনের সবটা জুড়ে আছে, মেয়েদের জন্য কী ভালো হতে পারে, সেটিই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সঠিক পুরুষ পেলেই বিয়ে করবেন সুস্মিতা

    মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব উঠেছিল বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের মাথায়। এর পর কেটেছে ৩০ বছর। বারবার প্রেমে পড়েছেন তিনি। কিন্তু ৫০-এর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আজও অবিবাহিতা নায়িকা। তবে সম্প্রতি বিয়ে ও সাবেক প্রেমিকদের নিয়ে মুখ খুলেছেন সুস্মিতা।

    rnrn

    এক সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা জানান, সঠিক পুরুষ জীবনে এলেই বিয়ে করবেন। তা হলে কি সাবেক কেউ-ই সুস্মিতার কাছে সঠিক পুরুষ ছিলেন না।

    rnrn

    ১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্সের মুকুট মাথায় ওঠে সুস্মিতার। ১৯৯৬ সালে ‘দস্তক’ ছবির মাধ্যমে বলিউড জগতে পা রাখেন সুস্মিতা। প্রথম ছবি বক্স অফিসে একেবারে ফ্লপ। তবে রুপালি পর্দায় সুস্মিতার রূপের ঝলকানি নজর কাড়ে। তার পর বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন। তবে বলিউডে মাটি শক্ত করতে পারেননি সুস্মিতা। 

    rnrn

    সেই সময়ই সুস্মিতার সঙ্গে নাম জড়ায় অভিনেতা রণদীপ হুডার। শোনা যায়, রণদীপের সঙ্গে নাকি লিভ ইনে ছিলেন সুস্মিতা। কিন্তু সে প্রেম বেশি দিন টেকেনি। এর পরই সুস্মিতার জীবনে আসেন কাশ্মীরি মডেল রোহমান শল। বেশ কয়েক বছর রোহমানের সঙ্গে প্রেম করে হঠাৎ বিচ্ছেদ।

    rnrn

    দুই বছর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়— ললিত মোদির সঙ্গে নাকি বিয়ে সেরে ফেলেছেন সুস্মিতা। এমনকী লোলিতের সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ বেশ কয়েকটা ছবি ভাইরাল হয়। তবে সুস্মিতা এই খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন। তার পরই সুস্মিতার প্রেমের গল্পে টুইস্ট। ফের সুস্মিতার জীবনে এন্ট্রি নেন রোহমান শল। এখন তারা দুজনে একসঙ্গে আছেন।

    rnrn

    সুস্মিতা বলেন, ‘বিয়ে করার জন্য আমি কখনই সামাজিক চাপ কিংবা বয়সকে পাত্তা দিই না। তার চেয়ে বরং সঠিক মানুষটাকে গুরুত্ব দিই। যেদিন এমন কোনো পুরুষ জীবনে আসবে, যাকে দেখে মনে হবে, হ্যাঁ, একেই বিয়ে করা যায়, তখন করব। তার আগে এই বেশ ভালো আছি।’

    rnrn

    সাবেক প্রেমিকদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে সুস্মিতা বলেন, ‘সাবেকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখাটা কঠিন। তবে যদি ব্রেকআপে তিক্ততা না থাকে তো, বন্ধুত্ব রাখাই যায়।’

    বিনোদন ডেস্ক