Tag: সিদ্ধার্থ

  • মা, স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে সিদ্ধার্থের পোস্ট

    মা হতে চলেছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। গর্ভে বাড়ছে সন্তান,
    তবুও কাজ থেকে ছুটি নেননি। শুধু তাই নয় মেট গালার মঞ্চ কাঁপিয়েছেন। অভিনেত্রীর মুকুটে
    জুড়েছে নতুন পালক।

    গর্ভবতী কিয়ারাকে মা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রা।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্ট্রাগ্রামে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের মায়ের
    সঙ্গে থাকা একটি ছবি পোস্ট করেছে এ অভিনেতা। ওই পোস্টে মা ছাড়াও স্ত্রী কিয়ারা ও শাশুড়ির
    কথা বলেছেন তিনি।

    পোস্টে সিদ্ধার্থ লেখেন, ‘মা তোমাকে ভালোবাসি। সবকিছু শুরু হয়েছে তোমাকে
    দিয়ে। কিন্তু এবারের মা দিবস একটু বিশেষ। কারণ, এটা শুধু মায়ের নয়। এবার মা, শাশুড়িমা
    এবং এই নতুন ক্লাবে অংশ নেওয়া কির (কিয়ারা) হাত ধরে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে।’

    ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। দেখতে
    দেখতে গুটি গুটি পায়ে দাম্পত্যের দুবছর কাটিয়ে ফেলেন। বিয়ের দ্বিতীয় জন্মদিন পার হতেই
    অনুরাগীদের সুখবর দেন এ তারকাজুটি। জানিয়েছিলেন তারা মা-বাবা হতে চলেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সন্তান পৃথিবীতে আসার আগে বড় পদক্ষেপ নিলেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা!

    বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি গত ফেব্রুয়ারি মাসেই সুখবর দিয়েছেন— এবার দুই থেকে তিন হতে চলেছেন তারা। সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে তারকা দম্পতি জানিয়েছেন, তাদের সংসারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য। এ মুহূর্তে নতুন কোনো কাজ হাতে নেননি সিদ্ধার্থ। গোটা সময়টাই স্ত্রী কিয়ারাকে দিতে চান তিনি। এর মাঝেই হবু সন্তানের জন্য নতুন এক পদক্ষেপ করলেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।

    গতকাল বুধবার (২৬ মার্চ) কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ মুম্বাইয়ে বাড়ি খুঁজতে বের হন। যদিও ফটোসাংবাদিকদের দাবি— তারা ইতোমধ্যে বাড়িটি কিনে ফেলেছেন। নতুন বাড়ির অন্দরসজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরী খান। তাদের সঙ্গে গৌরীকে দেখামাত্রই শুরু হয়েছে জল্পনা, তা হলে হবু সন্তানের ঘরের সাজসজ্জার দায়িত্ব গৌরীকে দিতে চান তারকা দম্পতি। নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে এই ভিডিও। 

    এদিন কিয়ারার পরনে ছিল কালো প্যান্ট ও গোলাপি রঙের জামা। সিদ্ধার্থকে জলপাই রঙের কার্গো প্যান্ট ও নীল শার্টে দেখা যাচ্ছে। দুজনেরই মুখে ছিল মাস্ক। কিয়ারার ওজন খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেই মত অনুরাগীদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিং সেটে স্বামী থাকলে কাজ করব না: বিদ্যা

    বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান একটা সময় কাজ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। অভিনেত্রীর কাজের সময় সিদ্ধার্থ থাকবে না সেটে, তা না হলে সেই কাজ ছেড়ে দেবেন বলেও তিনি জানিয়েছিলেন। পরে নির্মাতাদের তরফে অভিনেত্রীকে আশ্বস্ত করা হয় যে, শুটিং সেটে সিদ্ধার্থ থাকবেন না।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত জীবন ক্যামেরার আড়ালে রাখতেই বেশি পছন্দ করেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কাপুরের সঙ্গে দাম্পত্যের এক যুগ কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। বেশ কয়েক বছর প্রেমপর্বের পর ২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সাতপাকে বাঁধা পড়েন দুজনে। পেশাগত দিক থেকে একই ক্ষেত্রে বিচরণ করলেও স্বামীর সঙ্গে কাজ করতে নারাজ অভিনেত্রী। একসময় প্রকাশ্যে এমনই জানিয়েছিলেন বিদ্যা। কিন্তু কেন? এর উত্তরে যে কথা বললেন অভিনেত্রী।

    বিদ্যা বালান বলেন, পেশাগত ও ব্যক্তিগত দিক সবসময় পৃথক রাখা উচিত। সম্পর্কে যেমন পেশার প্রভাব পড়া উচিত নয়, ঠিক তেমনই ব্যক্তিগত সমীকরণের জেরে পেশা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মুশকিল। আরও একটি ব্যাখ্যা রয়েছে অভিনেত্রীর। অন্য পরিচালক বা প্রযোজকদের সঙ্গে পেশাদারের মতো করেই মত আদানপ্রদান করতে পারেন বিদ্যা। সে ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসুবিধা হলে সরাসরি বলতে পারেন। কিন্তু সিদ্ধার্থের সঙ্গে সেই সহজ কথোপকথন হবে না বলেই জানান অভিনেত্রী। সেখানে পেশাদারিত্ব ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত সমীকরণ প্রকট হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থেকেই যায়। বিশেষত পারিশ্রমিক নিয়ে মধ্যস্থতা করতে পারবেন না নিজের স্বামীর সঙ্গে। বিদ্যা বলেন, সিদ্ধার্থের সঙ্গে যেহেতু আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আমার মনে হবে ওর সঙ্গে লড়াই করতে পারি, যা বলছি তা নিয়ে জোর করতে পারব।

    এ অভিনেত্রী  বলেন, তার ও সিদ্ধার্থের মধ্যে প্রায়ই তর্কবিতর্ক হয়। পেশার কারণে নিজেদের মধ্যে বাড়তি দ্বন্দ্ব তৈরি করতে চান না তিনি। তিনি বলেন, এমনও হয়েছে— বাড়িতে অশান্তি এড়াতে কিছু চিত্রনাট্য ছেড়েও দিতে হয়েছে তাদের। ব্যক্তিগত সম্পর্ক তার কাছে মূল্যবান। তাই সচেতনভাবেই স্বামীর সঙ্গে কাজ করা এড়িয়ে যান অভিনেত্রী। 

    বিদ্যা বালান বলেন, অতীতে ‘ঘনচক্কর’ ছবিতে সিদ্ধার্থের সঙ্গে কাজ করতে হয়েছিল, যে অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর ছিল না। সেই সময় কাজ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন বলেও জানান অভিনেত্রী। পরে নির্মাতাদের তরফে অভিনেত্রীকে আশ্বস্ত করা হয় যে, বিদ্যার কাজের সময় সিদ্ধার্থ থাকবেন না সেটে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অনুমতি না নিয়েই প্রতিদিন সিদ্ধার্থের সঙ্গে যে কাণ্ড ঘটান অদিতি

    প্রায় তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দরি ও সিদ্ধার্থের। বিয়ের পাঁচ মাস আগে অর্থাৎ গত ২৭ মার্চ বাগদান সারেন তারা। এরপর সদ্য সাতপাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী অদিতি ও সিদ্ধার্থ।

    সম্প্রতি বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আনেন এ দম্পতি। এবার স্বামী-স্ত্রী হলেন তারা। তবে বছরখানেক আগে একত্র বাস শুরু করেন এ জুটি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অদিতি বলেন, প্রতিদিন সকালে উঠেই সিদ্ধার্থের সঙ্গে এমন একটি কাণ্ড ঘটান, যা শিশুসুলভ আনন্দ দেয় তাকে।

    গত মার্চে আংটিবদলের পর অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দরি ও সিদ্ধার্থের বিয়ের অনুষ্ঠানেই ছিল গোপনীয়তার মোড়ক। শুধু পরিবার ও আত্মীয়-পরিজনের উপস্থিতিতে ছোট করেই অনুষ্ঠান সারেন তারা। অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় তেলেঙ্গানার রঙ্গনায়ক স্বামী মন্দিরে। তখনই জানা গিয়েছিল— বিয়ের অনুষ্ঠানেও গোপনীয়তা বজায় রাখবেন তারা। হায়দরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে ওয়ানাপার্থি শহরে ৪০০ বছরের পুরোনো একটি মন্দিরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন অদিতি ও সিদ্ধার্থ। পরিবার এবং নিকট বন্ধুবান্ধবই উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। তবে দম্পতি ঠিক কবে বিয়ে করেছেন, সেই তারিখ তারা প্রকাশ করেননি। স্বামী সিদ্ধার্থের সঙ্গে প্রতিটা মুহূর্তই যে হাসি ও আনন্দে পূর্ণ সে কথা জানিয়েছেন অদিতি। 

    পাশাপাশি সিদ্ধার্থ জানান, প্রতিদিন সকালে উঠে আগেই সিদ্ধার্থকে ঘুম থেকে তুলে দেয় অদিতি। কারণ অদিতির দিন শুরু হয় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতেই ভালোবাসেন তিনি। যদিও স্বভাবটা আয়ত্তে আসেনি সিদ্ধার্থের। অভিনেতা বলেন, অদিতি উঠে যায় সকালে। আমাকে ডাকে তার পর প্রায় চোখে পানি নিয়ে উঠি আমি। আর সেটি দেখে যে কী আনন্দ পায় ও। স্বামীর কথা শুনেই হাসি অদিতির ঠোঁটে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আনুশকা-দীপিকার সাবেক প্রেমিকের বিয়ে

    ভারতের শিল্পপতি বিজয় মাল্যের ছেলে সিদ্ধার্থ মাল্যের রঙিন জীবন নিয়ে এক সময় কম চর্চা হয়নি। এবার বিয়ে করেছেন সিদ্ধার্থ মাল্য! এক সময় বলিউড নায়িকা দীপিকা পাডুকোন ও আনুশকার সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্ক ছিল বিজয়-পুত্রের। 

    rnrn

    রণবীর কাপুরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই দীপিকার জীবনে এসেছিলেন সিদ্ধার্থ। একসঙ্গে ‘ডিনার ডেট’ থেকে আইপিএল ভিআইপি স্ট্যান্ডে আচমকাই দীপিকাকে জড়িয়ে ধরে সিদ্ধার্থের চুম্বন- কোনো কিছুই নজর এড়ায়নি ছবিশিকারিদের। 
    rnপ্রেম ভাঙার পর বার বার দীপিকার দিকেই আঙুল তুলেছেন সিদ্ধার্থ। সেই সিদ্ধার্থ এ বার বিয়ে করলেন দীর্ঘ দিনের প্রেমিকা জ্যাসমিনকে। এর মাঝেই আবার কানাঘুষা চলছে- দীপিকার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন নাকি আনুশকার সঙ্গে প্রেম করতেন সিদ্ধার্থ!

    rnrn

    ২০১৪ সালে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে সিদ্ধার্থ স্বীকার করেছিলেন তার সঙ্গে আনুশকার প্রেমের গুঞ্জন তিনিও শুনেছেন। 

    rnrn

    সে সময় সিদ্ধার্থ বলেছিলেন, ‘আসলে আনুশকার সঙ্গে আমার মোটে দুবার দেখা হয়েছে। সেই দুবারই অবশ্য দীপিকা ছিল আমার সঙ্গে। কখনো আনুশকার সঙ্গে তেমন কিছু ব্যক্তিগত যোগাযোগ হয়নি।’

    rnrn

    শনিবার ২২ জুন লন্ডনে বিয়ের পর্বটি সারেন সিদ্ধার্থ। এ দিকে এই মুহূর্তে বিরাট কোহলিকে বিয়ে করে দুই সন্তান নিয়ে সংসার সাজিয়েছেন আনুশকা। অন্যদিকে খুব শীঘ্রই মা হতে চলেছেন দীপিকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করেননি অদিতি-সিদ্ধার্থ, দিলেন নতুন খবর

    বুধবার থেকে বলিউড সরগরম। খবর ছড়ায়, অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দরি এবং সিদ্ধার্থ নাকি গোপনে বিয়ে সেরেছেন। তেলেঙ্গানার রঙ্গনয়কস্বামী মন্দিরে নাকি বিয়ে সেরেছেন যুগল। তবে বিয়ের সেই খবর উড়িয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবারে অন্য খবর জানালেন যুগল। সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্ট করে তারা তাদের বাগদানের খবর প্রকাশ্যে এনেছেন।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে সিদ্ধার্থের সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন অদিতি। সেই ছবিতে যুগলের আঙুলে বাগদানের আংটি স্পষ্ট। 

    rnrn

    ছবির সঙ্গে অদিতি লেখেন, ‘ও সম্মতি দিল। আমাদের বাদগান সম্পন্ন হয়েছে।’ 

    rnrn

    এভাবেই বিয়ের গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন তারা। ২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দক্ষিণী ছবি ‘মহা সমুদ্রম’-এর সেটে আলাপ অদিতি ও সিদ্ধার্থের। ছবির সেট থেকেই তাদের বন্ধুত্ব, তার পর প্রেম। 

    rnrn

    বাগদান সম্পন্ন হতেই সিদ্ধার্থ এবং অদিতির বিয়ে নিয়ে কৌতূহল দানা বেঁধেছে। কিন্তু বিয়ের তারিখ নিয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি এই যুগল।

    rnrn

    ২০০৩ সালে ছোটবেলার বান্ধবী মেঘনাকে বিয়ে করেছিলেন সিদ্ধার্থ। দীর্ঘস্থায়ী হয়নি সেই বিয়ে। তিন বছরের মধ্যেই ভাঙে সম্পর্ক। ২০০৭ সালে আইনত বিবাহবিচ্ছেদ হয় সিদ্ধার্থের। 

    rnrn

    অদিতির গল্পটাও খানিকটা একই রকমের। মাত্র ২১ বছরেই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা সত্যদীপ মিশ্রের সঙ্গে বিয়ে হয় অদিতির। তবে চার বছর পর বিয়ে ভাঙে নায়িকারও। ২০১৩ সালে আলাদা হন দুজনে। এবার সিদ্ধার্থ-অদিতির বিয়ের অপেক্ষা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘোড়ায় চাপিয়ে কিয়ারাকে নিয়ে কোথায় গেলেন সিদ্ধার্থ?

    গত বছর ৭ ফেব্রুয়ারি মরুভূমির মাঝে সূর্যগড় প্রাসাদে সাতপাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে ঘোড়সওয়ারে মত্ত দুজনে। পড়ন্ত বিকালে স্ত্রী কিয়ারাকে প্রেমের ইস্তাহার সিদ্ধার্থের।

    বিয়ের পর কিয়ারা যখন তাদের বিয়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমের পাতায় প্রকাশ করেন, আপত্তি জানিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। তবে এক বছরে যেন বদলে গেলেন তিনি। স্ত্রী কিয়ারার সঙ্গে ঘোড়ার পিঠে চড়ে সূর্যাস্ত দেখছেন, এমনই একটি ছবির ক্যাপশনে লেখেন— ‘যাত্রা নয়, গন্তব্যে পৌঁছনটাই গুরুত্বপূর্ণ, তুমিই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সঙ্গী।’ 

    ২০২১ সালে ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার জীবনীর ওপর ভিত্তি করে মুক্তি পেয়েছিল ‘শেরশাহ’। বিষ্ণুবর্ধন পরিচালিত এই ছবিতে প্রথম জুটি বাঁধেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। জুটি হিসাবে দশর্কের মনেও জায়গা করে নিয়েছিলেন তারা। 

    সিদ্ধার্থকে স্বামী হিসেবে পেয়ে বেশ খুশি কিয়ারা, তার প্রমাণ বিভিন্ন সময় সামাজিক মাধ্যমের পাতায় দিয়েছেন অভিনেত্রী। কফি উইথ করণের অষ্টম সিজনে এসে কিয়ারা বলেন, ‘বিয়ে করে আমি সুখী।’ 

    যদিও স্ত্রীকে নিয়ে কখনওই বিশেষ কিছু বলতে শোনা যায়নি অভিনেতাকে। তবে বছরপূর্তিতে আবেগে ভাসলেন অভিনেতাও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকার মঞ্চে আবারও ‘সিদ্ধার্থ’, ৫ দিনে ৭টি শো

    নাট্যদল আরশিনগর-এর চতুর্থ প্রযোজনা ‘সিদ্ধার্থ’। নোবেলজয়ী বিখ্যাত সাহিত্যিক হেরমান হেসের লেখা উপন্যাসটির নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ও নির্দেশক রেজা আরিফ। 

    rnrn

    গত বছর আগস্টে মঞ্চে আসে নাটকটি। টানা তিন দিনে চারটি প্রদর্শনী হয়েছিল তখন। উপন্যাসের মতো নাটকটিও দর্শকদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। সবকটি শো-ই হাউজফুল ছিল। এমনকি টিকিট না পেয়ে সেবার ফিরে যেতে হয়েছে অনেক দর্শককে। 

    rnrn

    নন্দিত এই নাটকটি আবারও মঞ্চে আলো ছড়াতে আসছে। এবার আরশিনগর টানা পাঁচ দিনে সাতটি প্রদর্শনী করবে। ২৬ থেকে ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হবে সিদ্ধার্থ। প্রথম দুইদিন ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে দুটি করে প্রদর্শনী এবং ২৮, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় থাকবে নাটকটির একটি করে শো।

    rnrn

    গৌতম বুদ্ধের আরেক নাম সিদ্ধার্থ হলেও হেরমান হেসের সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধ নয়। নির্দেশক রেজা আরিফ বলেন, “গৌতম বুদ্ধের ঔজ্জ্বল্যে আড়াল হয়ে পড়া গৌতমের ব্যক্তিগত মনোজগতের রঙে সিদ্ধার্থকে আঁকা হয়েছে।” 

    rnrn

    নাটকের গল্পে দেখা যাবে, ব্রাহ্মণ কুমার সিদ্ধার্থ পিতার অমতে ঘর ছাড়ে, সন্ন্যাস গ্রহণ করে।দীর্ঘ তিনবছর সন্ন্যাসব্রতের কঠোর সাধনা, আত্ম-নিগ্রহ, উপবাস, দৈহিক নির্যাতনের পর সন্ন্যাস ত্যাগ করে। এরপর সৌভাগ্য হয় বুদ্ধের সাক্ষাৎ লাভ ও উপদেশ শোনার আশ্চর্য অভিজ্ঞতার। কিন্তু বুদ্ধের শিষ্যত্ব গ্রহণ না করে পথে বেরিয়ে পড়ে সিদ্ধার্থ। পথে দেখা হয় নগরের শ্রেষ্ঠ বারাঙ্গনার, পরিচয় হয় নতুন এক জীবনের সাথে। সে জীবনের নাম সংসার- সন্তান লাভের খেলা। 

    rnrn

    দীর্ঘ কুড়ি বছর সে জীবনের নেশায় বুদ হয়ে থাকার পর সিদ্ধার্থের মনে হয় এ খেলা শেষ হয়েছে। এ খেলা একবার, দুবার, দশবার ভালো লাগে- কিন্তু বারবার এ খেলার প্রয়োজন আছে কি? মাত্রাতিরিক্ত ভুরিভোজনের পর যেমন খাদ্যের উপর আকর্ষণ চলে যায়, খাদ্য দেখলে যেমন বমিভাব হয়, সংসারের উপর সিদ্ধার্থের তেমনই বিতৃষ্ণা জাগে। সিদ্ধার্থ সে জীবন ত্যাগ করে আশ্রয় নেয় নদীর কাছে। নদীর কাছে থাকতে থাকতে সিদ্ধার্থ শেখে নদীর ভাষা। উপলব্ধি করে জীবনের বৃহত্তর মানে। জীবন ও মৃত্যু, পাপ ও পূণ্য, বোধ ও নির্বুদ্ধিতা- সবকিছুরই প্রয়োজন আছে জীবনে। এ সকল অভিজ্ঞতা জীবনকে পূর্ণ করে। এ অভিজ্ঞতার নামই জ্ঞান। যা কাউকে শেখানো যায় না; অর্জন করতে হয়। নির্দেশনা প্রসঙ্গে রেজা আরিফ বলেন- “প্রযোজনাটির চূড়ান্ত মনোযোগ জীবনোপলব্ধির প্রতি, বাহ্যিক আভরণে নয়।”

    rnrn

    যারা ১ম বার মঞ্চে ‘সিদ্ধার্থ’ দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই নির্দেশকের এই বক্তব্যের সাথে একমত হবেন। নাটক শেষ করে জীবন সম্পর্কে নতুন ধারণা  আর অজস্র প্রশ্ন নিয়ে বের হবেন থিয়েটার থেকে। তবে বাহ্যিক আভরণের দিকে যে নির্দেশক একেবারেই মনযোগী নন, সে কথাও পুরোপুরি ঠিক নয়। মঞ্চে অভিনেতাদের দৃষ্টিনন্দন কোরিওগ্রাফি, কম্পোজিশন আর আলোর অপূর্ব ব্যবহার মুগ্ধতা ছড়ায় মুহুর্মুহু।

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে কিয়ারার সঙ্গে বিয়ের ভিডিও ভাইরাল করতে চাননি সিদ্ধার্থ

    বলিউড তারকা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার আলিয়ার সঙ্গে প্রেমটা পরিণতি পায়নি। তবে কিয়ারা আদভানির সঙ্গে প্রেম পূর্ণতা পেয়েছে।  

    rnrn

    গত বছর ৭ ডিসেম্বর জয়সলমেরে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন সিদ্ধার্থ-কেয়ারা। এর পর তারকা দম্পতি সেখান থেকে পৌঁছান দিল্লিতে। ৯ ডিসেম্বর সেখানেই ছিল তাদের প্রথম রিসেপশন। তার পর ১২ ডিসেম্বর ছবি সিদ্ধার্থ-কিয়ারার মুম্বাই রিসেপশন। সেখানে হাজির ছিলেন বলিউডের বড় বড় তারকারা। 

    rnrn

    সিদ্ধার্থ-কেয়ারা রাজস্থানের সেই রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠানের নানান মুহূর্ত ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে সিদ্ধার্থ সেটিকে ভাইরাল করতে চাননি। 

    rnrn

    সিদ্ধার্থ বলছেন, তিনি নাকি কখনো চাননি, তাদের বিয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওঠে আসুক। 
    rnসিদ্ধার্থ আরও বলেছেন, এ বিষয়টি একেবারেই পরিকল্পিত ছিল না। আমি বিয়ের ওই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার বিরুদ্ধে ছিলাম। এ ক্ষেত্রে মণীশ ও কিয়ারাকেই কৃতিত্ব দেওয়া ভালো। 

    rnrn

    ওরাই বলে, এটা বের করা যাক। কারণ আমি ভেবেছিলাম এটি বাধ্যতামূলক মনে হতে পারে এবং আমরা এটি দিচ্ছি। আমার মনে হয়েছিল এই ভিডিও পোস্ট করলে এটা জোর করে করা হয়েছে বলে মনে হতে পারে।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, কফি উইথ করণের ৮ সিজনে সিদ্ধার্থ ছাড়াও দেখা গেছে রণবীর সিং-দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলি খানসহ অনেক তারকাকে। 

    rnrn

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবার কার প্রেমে পড়লেন শেহনাজ গিল?

    গত অক্টোবরে মুক্তি পেয়েছে শেহনাজ গিলের দ্বিতীয় ছবি 'থ্যাংকস ফর কামিং। তবে কাজের ফাঁকে ফাঁকে ঘুরতে বেজায় ভালোবাসেন তিনি। তাই তো ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন প্রকৃতির খোঁজে। 

    সম্প্রতি প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়ানোর সেই ছবি-ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তাতে তিনি প্রকৃতির প্রতি তার প্রেমের কথা উল্লেখ করেছেন। 

    ছবিতে যেন দেখে মনে হচ্ছে প্রকৃতিই তার নতুন প্রেমিক। দুই পাশে গাছ-গাছালি। তার মাঝখান দিয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন শেহনাজ। তার প্রফুল্ল মুখে হাসি দেখে অনুরাগীদের মনেও শান্তি বিরাজ করছে। তাদেরও মনে হয়েছে, শেহনাজের হারিয়ে যাওয়া আনন্দ ফিরে আসছে।

    সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর শেহনাজের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন সিদ্ধার্থের মা এবং কিছু কাছের বন্ধু। ধীরে-ধীরে ছন্দে ফিরেছিলেন শেহনাজ। তাকে আগলে রেখেছিলেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। মুখে হাসি ফিরে পেতে সময় লেগেছিল শেহনাজের। ওজন ঝরিয়েছিলেন বিস্তর।

    ওজন কমানো নিয়ে শেহনাজ বলেছিলেন, ‘আমার আগের মিষ্টি চেহারাটাই ভালো লাগত। কোনো মেয়েকে মোটা দেখলে তার প্রতি আমার বিতৃষ্ণা জন্মায় না। বরং সেটাই আমার ভালো লাগে।’

    আরও পড়ুন: 

    ২০২১ সালে প্রয়াত হয়েছিলেন ছোটপর্দার অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিল গোটা বলিউড। জীবন তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল তার প্রেমিকা অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের। বিগ বস ১৩ সিজনের অংশগ্রহণকারী ছিলেন শেহনাজ-সিদ্ধার্থ। সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্ব ও প্রেম। সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর হাসতেই ভুলে গিয়েছিলেন শেহনাজ। তা দেখে দুঃখে ছিলেন শেহনাজের অনুরাগীরাও। 

    বিনোদন ডেস্ক