Tag: সিদ্দিকুর

  • মনোনয়নবঞ্চিত সিদ্দিককে নিয়ে উপহাস সাবেক স্ত্রীর!

    চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক।

    rnrn

    এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত। 

    rnrn

    শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এ প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

    rnrn

    এদিকে প্রার্থী চূড়ান্তের ঘোষণার পর পরই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন সিদ্দিকুর রহমানের সাবেক স্ত্রী মডেল মারিয়া মিম। সেখানে তিনি উপহাস করে লেখেন, খালি কলসি বাজে বেশি!

    rnrn

    ধারণা করা হচ্ছে, এই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি তার সাবেক স্বামীকেই উপহাস করেন। এমনকি সেই স্ট্যাটাসের বেশিরভাগ কমেন্টেও সবাই সেটাই বলেছেন।

    rnrn

    এদিকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের। এর পর গভীর রাতে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-১৭ আসনের জন্য আমাকে সিলেকশন করেননি। সে কারণে একটু মন খারাপ। কিন্তু মন খারাপ হলে মানুষ কী করে, মানুষ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যায়। সে জন্য আমিও ঘুরতে আসছি দুবাইয়ে এবং কেনাকাটা করতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনোনয়ন না পেয়ে মন খারাপ সিদ্দিকের, যা বললেন ফেসবুক লাইভে

    ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত। 

    শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এ প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

    চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া এই আসনে নৌকা পেতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন কেন্দ্রীয়, স্থানীয় নেতা, অভিনেতা, ব্যবসায়ী ও সাবেক আমলাসহ মোট ২২ জন।

    এর মধ্যে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন ছোটপর্দার অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানও।

    কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাশেষে গণভবনের বাইরে এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

    এদিকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের। এর পর গভীর রাতে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-১৭ আসনের জন্য আমাকে সিলেকশন করেননি। সে কারণে একটু মন খারাপ।’

    ‘কিন্তু মন খারাপ হলে মানুষ কী করে, মানুষ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যায়। সে জন্য আমিও ঘুরতে আসছি দুবাইয়ে এবং কেনাকাটা করতে। অনেকেই আছে যে মন খারাপ হলে ঘুরলে এবং কেনাকাটা করলে মন ভালো হয় আমারও তাই। আমি আওয়ামী লীগের লোক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মানুষ এবং প্রধানমন্ত্রীর আদর্শের সৈনিক। নৌকার মানুষ আমি। আমি সেই জায়গা থেকে বলতে চাই— ঢাকা-১৭ আসন থেকে যাকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে আমি সত্যিকার অর্থে মানুষটার পক্ষেই কাজ করব, নৌকার পক্ষে কাজ করব। কারণ আমি নৌকার বাইরের মানুষ না। আমি আওয়ামী লীগের,’ বলেন এ অভিনেতা। 

    ওই ভিডিওবার্তায় সিদ্দিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যারা যারা এই নৌকার মাঝি হওয়ার জন্য নমিনেশন পেপার উঠিয়েছিলেন, আমি ছাড়াও ২১ জন। এই ২১ জনের মধ্যে আমার বাবার সমতুল্য মানুষও ছিল। আমি তাদের একটা কথা বলতে চাই— দিনশেষে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সৈনিক হয়ে বাঁচতে চাই, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে বাঁচতে চাই। সে জন্য আমি বলব, আসুন আমরা সবাই মিলে উন্নয়নের মার্কায়, নৌকার পেছনে থাকি। নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যা যা করার দরকার সেগুলো করি।’

    ছোটপর্দার এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি বলতে চাই— প্রধানমন্ত্রী যাকে নৌকার কাণ্ডারি করে ঢাকা-১৭ আসনের জন্য নমিনেশন দিয়েছেন, আমরা সবাই যদি তার জন্য কাজ করি, আমার মনে হয় সেটি হবে সত্যিকারে আওয়ামী লীগের পরিচয় দেওয়া। আমি আশা করব গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট এবং ভাসানটেক এলাকার মানুষগুলো একত্রিত হয়ে নৌকাকে জয়ী করবে আগামী উপনির্বাচনে।’

    সিদ্দিকুর বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে হয়তো বা আমাদের দেখতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন যে তার যোগ্যতার মাপকাঠিতে আমরা আসলেই যোগ্যতা অর্জন করেছি, তা হলে এখান থেকে আমাদের যে কারও একজনকে দেখতে পারেন এই ঢাকা-১৭ আসনের জন্য বা বাংলাদেশের অন্য একটা জায়গার জন্য। সর্বোপরি সবাইকে বলব— অচিরেই ফিরে আসব বাংলাদেশে। সবাই ভালো থাকবেন, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসতে পারি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভুল বোঝাবুঝির অবসান

    বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা ও ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল শোবিজ অঙ্গনে। এমন শোকের সময় তার আসন থেকে এমপি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে সমালোচিত হন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। এতে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলও।

    rnrn

    এক ভিডিওবার্তায় সিদ্দিককে এক হাত নিয়েছিলেন তিনি। ফলে দুজনের মধ্যে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। এবার সেই দ্বন্দ্বের অবসান হলো। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ডিপজলের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন সিদ্দিক। সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশিদ ও চিত্রনায়ক জায়েদ খান।

    rnrn

    ছবিটির সঙ্গে ক্যাপশনে সিদ্দিক লেখেন— আলোচনা শব্দটির সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত। আমি সবসময়ই মনে করি, যে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয় ক্ষোভ থেকে। এই ক্ষোভকে পুষে রাখলে অন্য কিছু রূপ নেয়। সচেতন ও ভালো মানুষ হিসেবে ক্ষোভকে অন্য রূপ দেওয়া উচিত নয়।

    rnrn

    এর পর তিনি লেখেন, আলোচনার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে, আর আমরা সামান্য ভুল বোঝাবুঝি শেষ করতে পারব না। তাই আলোচনার মাধ্যমে আজ বড়ভাই ডিপজল ভাইয়ের সঙ্গে যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল তার অবসান হলো।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • এত লাফালাফি করাটা আপনার ঠিক হয়নি: সিদ্দিককে ডিপজল

    নায়ক ফারুক মারা যাওয়ার পর দিনই এ নায়কের ঢাকা-১৭ আসনে এমপি নির্বাচনের ঘোষণা দেন সিদ্দিকুর রহমান। শুধু তাই নয়, চলচ্চিত্রের মিয়া ভাইখ্যাত অসুস্থ হওয়ার পর পরই সিদ্দিক এমপি নির্বাচনের ইচ্ছা পোষণ করে নিজেকে জানান দেন।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার এ বিষয় নিয়ে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে মুখ খুলেছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

    rnrn

    ক্ষোভ প্রকাশ করে ডিপজল বলেছেন, মামা (ফারুক) যখন থেকে অসুস্থ, তখন থেকেই তিনি (সিদ্দিকুর) এমপি নির্বাচনের জন্য লাফালাফি আরম্ভ করেছেন। তিনি এমপি নির্বাচন করতেই পারেন। যে কেউ নির্বাচন করতে পারে। উনি (ফারুক) মারা যাওয়ার আগেও লাফালাফি করেছেন। শুধু তাই নয়, উনার লাশ কবরে না নামার আগেই উনি ঘোষণা দিয়ে দিলেন নির্বাচন করবেন। এতে চরম কষ্ট পেয়েছি এবং মনঃক্ষুণ্ন হয়েছি।

    rnrn

    তিনি বলেন, নেত্রী যদি পছন্দ করেন উনাকে মনোনয়ন দিতেই পারেন। তবে ওই আসনে অনেক মানুষ আছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আছেন । স্থানীয় অনেক প্রভাবশালীও আছেন।

    rnrn

    সিদ্দিকুর রহমানের জন্মস্থান টেনে ডিপজল বলেন, আপনার দেশের (গ্রামের) বাড়ি যেখানে, সেখানে গিয়ে নির্বাচন করেন। সুযোগ পেতেও পারেন। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র গুলশান। এখানে যেই নির্বাচন করুক আশপাশে সবার জানা থাকতে হবে। আপনি এসেই ঘোষণা দিচ্ছেন, নির্বাচন করবেন। এটি ঠিক না। আমিও কিন্তু ওই আসনের ভোটার। অন্তত একটু সময় নিতে পারতেন। সমঝোতায় আসতে পারতেন।

    rnrn

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, একটা মানুষকে ইজ্জত দিতে পারতেন। ফারুক যেমন তেমন মানুষ নন। উনি তারকাদের কিংয়ের ওপরে। উনার মৃত্যুর ৭ দিন পর কিংবা ৪০ দিন পর নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে আসতে পারতেন। এত লাফালাফি করাটা আপনার ঠিক হয়নি। না করাটাই আমি বেটার মনে করি। এ ব্যাপারে আমি প্রচণ্ড মনঃক্ষুণ্ন এবং ব্যথিত হয়েছি। মানুষ রঞ্জিত করে, তবে নিজেকে এতটা রঞ্জিত করা আপনার ঠিক হয়নি।

    rnrn

    সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ১৫ মে পরপারে পাড়ি জমান বাংলা চলচ্চিত্রের মিয়া ভাইখ্যাত নায়ক ও ঢাকা-১৭ (গুলশান-বনানী) আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ওরফে ফারুক। এতে তারকাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ফারুকের দাফন-কাফান হওয়ার আগেই তার আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। এ নিয়ে চলছে সর্বমহলে সমালোচনার ঝড়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লাশ কবরে নামার আগেই সিদ্দিকের নির্বাচনের ঘোষণা, ক্ষোভ ঝাড়লেন ডিপজল

    সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ১৫ মে পরপারে পাড়ি জমান বাংলা চলচ্চিত্রের মিয়া ভাইখ্যাত নায়ক ও ঢাকা-১৭ (গুলশান-বনানী) আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ওরফে ফারুক। এতে তারকাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ফারুকের দাফন-কাফান হওয়ার আগেই তার আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। এ নিয়ে চলছে সর্বমহলে সমালোচনার ঝড়।

    rnrn

    নায়ক ফারুক মারা যাওয়ার পর দিনই এ নায়কের ঢাকা-১৭ আসনে এমপি নির্বাচনের ঘোষণা দেন সিদ্দিকুর রহমান। শুধু তাই নয়, চলচ্চিত্রের মিয়া ভাইখ্যাত অসুস্থ হওয়ার পর পরই সিদ্দিক এমপি নির্বাচনের ইচ্ছা পোষণ করে নিজেকে জানান দেন।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার এ বিষয় নিয়ে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে মুখ খুলেছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ক্ষোভ প্রকাশ করে ডিপজল বলেছেন, মামা (ফারুক) যখন থেকে অসুস্থ, তখন থেকেই তিনি (সিদ্দিকুর) এমপি নির্বাচনের জন্য লাফালাফি আরম্ভ করেছেন। তিনি এমপি নির্বাচন করতেই পারেন। যে কেউ নির্বাচন করতে পারে। উনি (ফারুক) মারা যাওয়ার আগেও লাফালাফি করেছেন। শুধু তাই নয়, উনার লাশ কবরে না নামার আগেই উনি ঘোষণা দিয়ে দিলেন নির্বাচন করবেন। এতে চরম কষ্ট পেয়েছি এবং মনঃক্ষুণ্ন হয়েছি।

    rnrn

    তিনি বলেন, নেত্রী যদি পছন্দ করেন উনাকে মনোনয়ন দিতেই পারেন। তবে ওই আসনে অনেক মানুষ আছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আছেন । স্থানীয় অনেক প্রভাবশালীও আছেন।

    rnrn

    সিদ্দিকুর রহমানের জন্মস্থান টেনে ডিপজল বলেন, আপনার দেশের (গ্রামের) বাড়ি যেখানে, সেখানে গিয়ে নির্বাচন করেন। সুযোগ পেতেও পারেন। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র গুলশান। এখানে যেই নির্বাচন করুক আশপাশে সবার জানা থাকতে হবে। আপনি এসেই ঘোষণা দিচ্ছেন, নির্বাচন করবেন। এটি ঠিক না। আমিও কিন্তু ওই আসনের ভোটার। অন্তত একটু সময় নিতে পারতে। সমঝোতায় আসতে পারতেন।

    rnrn

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, একটা মানুষকে ইজ্জত দিতে পারতেন। ফারুক যেমন তেমন মানুষ নন। উনি তারকাদের কিংয়ের ওপরে। উনার মৃত্যুর ৭ দিন পর কিংবা ৪০ দিন পর নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে আসতে পারতেন। এত লাফালাফি করাটা আপনার ঠিক হয়নি। না করাটাই আমি বেটার মনে করি। এ ব্যাপারে আমি প্রচণ্ড মনঃক্ষুণ্ন এবং ব্যথিত হয়েছি। মানুষ রঞ্জিত করে, তবে নিজেকে এতটা রঞ্জিত করা আপনার ঠিক হয়নি।
    rn 

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক