Tag: সিঁথি সাহা

  • সিঁথির সঙ্গে বাংলাদেশি গানে কণ্ঠ দিলেন বলিউডের সেলিম মার্চেন্ট

    বলিউডের জনপ্রিয় সুরকার সেলিম মার্চেন্ট প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।  কোনো বাংলা ভাষার গানে এটিই কার প্রথম কণ্ঠ দেওয়া। তার সঙ্গে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলাদেশি গায়িকা সিঁথি সাহা। 

    ‘বৃষ্টি বিলাস’ শিরোনামে গানটির কথা লিখেছেন সোমেশ্বর অলি এবং সুর করেছেন সাজিদ সরকার।

    ভালোবাসা দিবসে গানটির মিউজিক ভিডিও সিঁথি সাহার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে।

    গানটি প্রসঙ্গে সিঁথি নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, এই ভ্যালেন্টাইনে আসছে আমার গান ‘বৃষ্টি বিলাস’। আমার সাথে প্রথমবারের মতো বাংলা গান গাইলেন উপমহাদেশের অন্যতম সেরা সুরস্রস্টা সেলিম মার্চেন্ট।

    গণমাধ্যমকে সিঁথি জানান, গত বছর সোমেশ্বর অলির লেখা ও সাজিদ সরকারের সুর-সংগীতায়োজনে ‘বৃষ্টি বিলাস’ গানটি তৈরি করেছিলেন। তখনই তার মনে হয়েছিল, ‘বৃষ্টি বিলাস’ দ্বৈত গানে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। সেই ভাবনা থেকে সেলিম মার্চেন্টকে গানটি শুনিয়েছিলেন। একবার শুনেই গানটি পছন্দ করেন সেলিম। এমনকি গানটি গাওয়ার প্রস্তাবেও সাড়া দেন। এভাবেই ‘বৃষ্টি বিলাস’ গানের জন্ম।

    গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার সোমেশ্বর অলি গণমাধ্যমকে বলেন, বলিউডের সেলিম-সোলায়মান জুটির অনেক গানই আমার শোনা হয়েছে, ভালো লাগাও আছে। তাদেরই একজন সেলিম মার্চেন্ট, যিনি বাংলা ভাষার মানুষ নন। তিনি গানটি গেয়েছেন শুনে আনন্দই হলো।

    বলিউডের একাধিক শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন বাংলাদেশি গায়িকা সিঁথি সাহা। জানা গেছে, ‘বৃষ্টি বিলাস’ ছাড়াও সেলিম মার্চেন্টের সঙ্গে একটি হিন্দি গান গাওয়া নিয়েও ভাবছেন এ সংগীতশিল্পী।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • অবশেষে আমি জয়ী হয়েছি: গায়িকা সিঁথি

    বেশ কিছুদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছেন সংগীতশিল্পী সিঁথি সাহা। দেশে–বিদেশে তার চিকিৎসা চলছে। এবার আনন্দের খবর দিলেন সিঁথি সাহা। প্রথমবার সন্তানের মা হয়েছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড সিটি হসপিটালে তার কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। 

    গত ১৯ সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড সিটি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। কন্যার নাম রেখেছেন সামারা জয়ী। মেয়ে ও তিনি দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন সিঁথি।

    সিঁথি সাহা বলেন, ৪ অক্টোবর আমরা হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছি। টানা ১৪ দিন হাসপাতালে ছিলাম। কারণ আমার মেয়ে নির্দিষ্ট সময়ের ১ মাস আগেই পৃথিবীতে এসেছে। স্বস্তির বিষয়— আমরা দুজনেই এখন সুস্থ আছি। এ আনন্দের মাঝে একটি খারাপ খবর হলো— ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত আমি।
    মা হতে যাওয়ার খবরটি যেমন আড়ালে রেখেছিলেন, তেমনি বিষাদের এ খবরও সবার অলক্ষ্যে রেখেছিলেন এ গায়িকা।

    অসুস্থ শরীরে গর্ভধারণের বিষয়ে সিঁথি সাহা বলেন, গত বছর আমার জীবন ওলটপালট হয়ে যায়, যখন জানতে পারি— আমার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে। আমি ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত। চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু বারবার মনে হতো, ক্যানসারের কাছে হেরে যাওয়ার আগে আমার একটা অস্তিত্ব এই সুন্দর পৃথিবীতে রেখে যেতে চাই। মূলত তার পরই কনসিভ করার সিদ্ধান্ত নিই। 

    তিনি আরও বলেন, আমার শরীর ভালো ছিল না, কঠিন চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ফলে আদৌ আমি আমার বাচ্চাটাকে পৃথিবীর আলো দেখাতে পারব কিনা, সে বিষয়ে সন্দিহান ছিলাম। অবশেষে আমি জয়ী হয়েছি। আমার জয়ীকে পৃথিবীর আলোয় আনতে পেরেছি। এবার আর কিছুই চাওয়ার নেই, হারাবারও নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হলেন কণ্ঠশিল্পী সিঁথি, দিলেন বিষাদের খবরও

    মা হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী সিঁথি সাহা। ১৯ সেপ্টেম্বর সিঁথির কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান। নাম রেখেছেন সামারা জয়ী।

    সিঁথি সাহা বৈবাহিক সূত্রে অনেক বছর আগে থেকেই নিউজিল্যান্ডের পাসপোর্ট বহন করছেন। নবজাতক ইস্যুতে উন্নত সেবা ও সুবিধা নিতেই ঢাকা থেকে গত আগস্টে নিউজিল্যান্ড যান সিঁথি। সেখানকার অকল্যান্ড সিটি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার সিঁথি নিউজিল্যান্ড থেকে ফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, গতকালই (৪ অক্টোবর) আমরা মা-মেয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছি। টানা ১৪ দিন হাসপাতালে ছিলাম। কারণ ও নির্দিষ্ট সময়ের একমাস আগেই পৃথিবীতে এসেছে। স্বস্তির বিষয় আমরা দুজনেই এখন সুস্থ আছি। বাসায় ফিরেছি। সবার কাছে আমার সন্তানের জন্য দোয়া চাই।

    সামারা জয়ীকে নিয়ে বাকি জীবন নিউজিল্যান্ডেই বসতি গড়বেন সিঁথি, তেমন মেয়ে নন তিনি। নভেম্বরেই জয়ীকে নিয়ে দেশে ফিরছেন। জানালেন, ডিসেম্বরের মধ্যে গানেও নিয়মিত হবেন। করবেন টিভি সঞ্চালনাও।

    অনেকটা সবার অলক্ষ্যে কেন এই মাতৃত্বের স্বাদ নিয়েছেন সিঁথি। জবাবে জানালেন বিষন্ন এক বাস্তবতার কথা।

    সিঁথি বলেন, গত বছর (২০২২) একটি খবর আমার জীবনকে ওলটপালট করে দেয়। আমি জানতে পারলাম আমার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে। আমি ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হই। চিকিৎসা চলছিল। 

    কিন্তু বার বার মনে হতে লাগলো, ক্যানসারের কাছে হেরে যাওয়ার আগে আমার একটা অস্তিত্ব রেখে যেতে যাই এই সুন্দর পৃথিবীতে। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই কনসিভ করা। 

    যেহেতু আমার শরীর ভালো ছিলো না, কঠিন চিকিৎসারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, ফলে আদৌ আমি আমার বাচ্চাটাকে পৃথিবীর আলো চোখ মেলাতে পারবো কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট দুশ্চিন্তায় ছিলাম। অবশেষে আমি জয়ী হয়েছি। আমার জয়ীকে পৃথিবীর আলোয় আনতে পেরেছি। এবার আমার আর কিছুই চাওয়ার নেই, হারাবার নেই। আমাদের জন্য দোয়া করবেন সবাই।   

    বিনোদন ডেস্ক