Tag: সাদিকা পারভিন পপি

  • ফেরদৌসের পর এবার বাদ পড়লেন পপি

    তরুণ নির্মাতা আরিফুর জামান আরিফ ২০১৮ সালে তার স্বপ্নের সিনেমা ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’-এর কাজ শুরু করেছিলেন। ছবিটিতে ফেরদৌস ও পপিকে জুটি হিসেবে নেওয়া হলেও মাত্র দুদিন শুটিংয়ের পরই সব কিছু থমকে যায়। 

    ফেরদৌস রাজনীতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, আর পপি চলে যান আড়ালে। ফলে দীর্ঘ সাত বছরেও কাজটির আর অগ্রগতি হয়নি।

    মাস দুয়েক আগে পরিচালক আরিফ জানান, সিনেমা থেকে ফেরদৌসকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার জানালেন, পপিকেও বাদ দিয়েছেন তিনি। তবে তাদের জায়গায় কারা যুক্ত হচ্ছেন সে বিষয়ে কিছুই বলেননি এই পরিচালক।

    আরিফ জামান বলেন, ‘কোনো কূলকিনারা না পেয়েই তাদেরকে সিনেমা থেকে বাদ দিতে হচ্ছে। অনেক তো অপেক্ষা করলাম। আর কতো!’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন কাদেরকে যুক্ত করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফ বলেন, ‘এই মুহূর্তে জানাতে চাচ্ছি না। পরিকল্পনা এখনো শেষ হয়নি। আশা করছি শিগগিরই জানাতে পারব।’

    আরিফ জামান আরও জানান, নতুন বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে শুটিং শুরু হবে। এদিন বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী, কালজয়ী উপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যাযয়ের ৮৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনটিতেই চূড়ান্ত ঘোষণার মাধ্যমে শুটিং শুরু হবে ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমার।

    প্রসঙ্গত, ছবিটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবন দর্শনের আলোকে নির্মিত হচ্ছে। এতে শরৎচন্দ্রের ভূমিকায় অভিনয় করছেন গুণী অভিনেতা গাজী রাকায়েত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে ক্ষমা চাইলেন পপি

    দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার কারণে আটকে আছে চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি অভিনীত একাধিক সিনেমা। এর মধ্যে রয়েছে ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’, ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’-সহ কয়েকটি কাজ। নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, পপির অনুপস্থিতিতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অবশেষে নীরবতা ভেঙে এসব সিনেমার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন পপি।

    পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। যদিও ২০২২ সালের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। এ বছরের শুরুতে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে প্রকাশ্যে এসে বিয়ে, সন্তান ও সংসারের খবর জানান। তখন নির্মাতারা আশা করেছিলেন, হয়তো আটকে থাকা সিনেমাগুলোর কাজ শেষ করবেন পপি। তবে এতদিন তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

    অবশেষে ১০ সেপ্টেম্বর জন্মদিনে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পপি স্বীকার করেন, তার কারণে কয়েকটি সিনেমা ঝুলে গেছে। তিনি বলেন, ‘দুটি সিনেমা নয়, আমার আরও কয়েকটি সিনেমা আটকে আছে। তার জন্য মন থেকে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার কারণে এসব সিনেমার নির্মাতারা বিপাকে আছেন। কিন্তু মানুষের জীবনের সব সিদ্ধান্ত হয় ওপর থেকে। মানুষ চাইলেও অনেক কিছু করতে পারে না। মনের অজান্তেই হোক কিংবা পরিস্থিতির কারণেই হোক, আমার গ্যাপটা সৃষ্টি হয়েছে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইচ্ছাকৃত নয়, অনিচ্ছাকৃতভাবেই কাজগুলো আটকে গেছে। আমি কাউকে কোনো দিন বিপদে ফেলিনি, আমার দ্বারা কারও কোনো দিন ক্ষতি হয়নি। ইচ্ছা আছে, যদি কখনো সুযোগ হয়, আটকে থাকা কাজগুলো শেষ করে দেব। না হলে মাফ চেয়ে নেওয়া ছাড়া করার কিছু নেই। তাঁরা যেন ভুল না বোঝেন, আমাকে যেন মাফ করে দেন।’

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পপি জানান, ক্যামেরার সামনে ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সিনেমা প্রযোজনা করার ইচ্ছা আছে তার। এর আগেও তিনি প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন। যদিও নতুন করে প্রযোজনা শুরু করার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবকিছু বিলিয়ে দেওয়া উচিত নয়: পপি

    একসময়ের জনপ্রিয় ঢালিউড অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি দীর্ঘদিন রুপালি পর্দার বাইরে আছেন। ব্যক্তিগত কারণে তিনি মিডিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রীকে কোনো অনুষ্ঠানেও দেখা যায়নি। দীর্ঘ আড়ালের পর ২০২২ সালে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে ভক্তদের সামনে আসেন পপি। সেই সময় তিনি শুধু বলেছিলেন— ভাগ্য থাকলে আবার ফিরব। 

    দীর্ঘ বিরতি শেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে স্বামী ও সন্তান নিয়ে আবার প্রকাশ্যে আসেন অভিনেত্রী। ঘটনাসূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধে থানায় জিডি হলে প্রকাশ্যে আসে তার বিয়ে ও সন্তানের খবর। বর্তমানে সংসার ও সন্তান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাদিকা পারভিন পপি। 

    অভিনেত্রী বলেন, যখন সিনেমায় নিয়মিত কাজ করেছি, তখন জন্মদিন ছিল উৎসবের মতো। দিনভর মানুষ আসত, ভক্তরা ফোন দিত, কেউ কেউ বাসায় কেক-ফুল পাঠাতেন। কখনো শুটিং সেটেই জন্মদিন উদযাপন করেছি। পপি ফ্যান ক্লাবগুলোও দেশজুড়ে নানা আয়োজন করত।

    জীবনের কঠিন বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে পপি বলেন, পরিবারের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছি। তাই বলতে দ্বিধা নেই— নিজের ভিত্তি শক্ত না করে সবার জন্য সবকিছু বিলিয়ে দেওয়া উচিত নয়। 

    অভিনেত্রী বলেন, কারণ পরে যেন কেউ আঙুল তুলে কথা না বলতে পারে। একসময় ভেবেছিলাম সবাই আমার। পরে দেখলাম কেউ-ই আর আমার নয়। সেই কঠিন সময়ে আমার ইন্ডাস্ট্রির মানুষ আর স্বামী আদনান পাশে ছিল। তার সমর্থনেই পথচলা সহজ হয়েছে বলে জানান পপি।

    অভিনেত্রী বলেন, এখন এতকিছু বলা সম্ভব নয়। আপাতত অভিনয় করছি না, সংসার নিয়েই ব্যস্ত আছি। 

    উল্লেখ্য, সাদিকা পারভিন পপি অভিনীতি সিনেমা ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এ ছাড়া পপি অভিনীত ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমার কাজ আবার শুরু হবে বলে জানা গেছে। তবে পপি অভিনয়ে ফিরবেন কিনা, তা অবশ্য এখনো নিশ্চিত নয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিন কিভাবে কাটাচ্ছেন, জানালেন পপি

    এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পপি দীর্ঘদিন ধরেই পর্দার বাইরে। বিয়ে করে সংসারী হওয়ার পর ধীরে ধীরে নিজেকে অভিনয় থেকে সরিয়ে নেন তিনি। তবে কয়েক মাস আগে পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় থানায় জিডি করলে আবারও আলোচনায় আসেন। সেসময় জানা যায়, সংসার ও সন্তানকে ঘিরেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই তারকা।

    আজ বুধবার পপির জন্মদিন। বিশেষ দিনটি একেবারে ঘরোয়াভাবেই কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। গণমাধ্যমকে পপি বলেন, ‘যখন সিনেমায় নিয়মিত কাজ করেছি, তখন জন্মদিন ছিল উৎসবের মতো। দিনভর মানুষ আসত, ভক্তরা ফোন দিতেন, কেউ কেউ বাসায় কেক-ফুল পাঠাতেন। কখনো কখনো শুটিং সেটেই জন্মদিন উদযাপন করেছি। পপি ফ্যান ক্লাবগুলোও দেশজুড়ে নানা আয়োজন করত। আজকের জন্মদিন ঘরোয়াভাবেই কাটবে। কিছু এতিমখানায় কোরআন খতম ও খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।’

    এরপর তিনি আরও বলেন, ‘পরিবারের জন্য দায়িত্ব পালন করতে হয় ঠিক, তবে নিজের ভিত্তি শক্ত না করে সবার জন্য সবকিছু বিলিয়ে দেওয়া উচিত নয়। কারণ পরে যেন কেউ আঙুল তুলে কথা না বলতে পারে। একসময় ভেবেছিলাম সবাই আমার। পরে দেখলাম কেউই আর আমার নেই। সেই কঠিন সময়ে আমার ইন্ডাস্ট্রির মানুষ আর স্বামী আদনান পাশে ছিল। তার সমর্থনেই পথচলা সহজ হয়েছে।’

    এদিকে শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে পপি অভিনীত ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ সিনেমাটি। এছাড়াও শুটিং আটকে রয়েছে ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমার। সিনেমাটির শুটিং আবার শুরু হবার কথা থাকলেও পপির ফেরার সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে।

    পপিকে সর্বশেষ দেখা গেছে ২০১৯ সালে, ‘দ্য ডিরেক্টর’ সিনেমাতে। এর পরের বছর ‘ধোঁয়া’ নামের আরেকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি, কিন্তু ছবিটির কাজ আর শুরু হয়নি। 

    গুণী নির্মাতা মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমাতে ওমর সানীর বিপরীতে ঢালিউডে অভিষেক হয় পপির। অভিষেক সিনেমাতেই তিনি সারা বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। সিনেমাতে তার অনবদ্য অভিনয় এবং তার গ্ল্যামারাস উপস্থিতি তাঁকে প্রথম সিনেমাতেই নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। যে কারণে এর পরের পথচলাটা যেন পপির জন্য কিছুটা হলেও সহজ হয়ে যায়। 

    পপি অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—‘দরদি সন্তান’, ‘চারিদিকে শত্রু’, ‘অন্যায় আবদার’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘জোর’, ‘মনের মিলন’, ‘মানুষ মানুষের জন্য’, ‘প্রাণের প্রিয়তমা’, ‘পাহারাদার’, ‘অবুঝ মনের ভালোবাসা’, ‘কারাগার’, ‘লাল বাদশা’, ‘দু’জন দু’জনার’, ‘মা যখন বিচারক’, ‘বিদ্রোহ চারিদিকে’, ‘মা যখন বিচারক’, ‘অনেক দিনের আশা’, ‘ভালোবাসার ঘর’, ‘জীবন মানেই যুদ্ধ’, ‘আমার ঘর আমার বেহেস্ত’, ‘বিদ্রোহী সন্তান’, ‘নারীরাও প্রতিবাদী’, ‘রানী কুঠির বাকি ইতিহাস’, ‘শ্রেষ্ঠ সন্তান’, ‘জগৎ সংসার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘কী যাদু করিলা’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’ ইত্যাদি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পপি নায়িকা না হলে তার স্বামীও তাকে বিয়ে করত না: ওমর সানী

    একসময়ের ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি দীর্ঘদিন সিনেমা থেকে বিরত রয়েছেন। একাধিক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী কয়েক বছর ধরে হঠাৎ করেই নিজেকে আড়াল করে রাখেন। সম্প্রতি পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা হওয়ায় প্রকাশ্যে আসেন তিনি।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে পপির একটি মন্তব্য বেশ ঘুরপাক খাচ্ছে। যেখানে তিনি মন্তব্য করে বলেছেন—চলচ্চিত্র করার কারণে তার অনেক বদনাম হয়েছে। তাই এখন চলচ্চিত্রকে বিদায় জানিয়ে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়েই থাকতে চান পপি।

    পপি কি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিকের মেয়ে নাকি যে, সিনেমা নিয়ে এসব কথা বলবে। পপি নায়িকা না হলে তাকে কে চিনত? তার স্বামীও তাকে বিয়ে করত না। তিনি বলেন, ওই মন্তব্য করে সিনেমাকে ছোট করেছে। আমি বলব, তাকে এসব আবেগী ও ফাজলামো কথা না বলতে। ওর জন্য সবসময় ভালোবাসা থাকবে। 

    অভিনেতা ওমর সানী

     

    অভিনেত্রীর এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সময়ের আলোচিত অভিনেতা ওমর সানী। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, পপি যদি এ মন্তব্য করে থাকে, তাহলে আমি তাকে স্টুপিড বলব। 

    ওমর সানী বলেন, আমি ওর দুলাভাই, আমার ওকে শাসন করার অধিকার আছে। সে এভাবে যদি বলে থাকে, তাহলে আমি বলব— সে অবশ্যই নিজেকে ছোট করেছে।

    ‘কুলি’খ্যাত এ অভিনেতা বলেন, পপি কি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিকের মেয়ে নাকি যে, সিনেমা নিয়ে এসব কথা বলবে। পপি নায়িকা না হলে তাকে কে চিনত? তার স্বামীও তাকে বিয়ে করত না। তিনি বলেন, ওই মন্তব্য করে সিনেমাকে ছোট করেছে। আমি বলব, তাকে এসব আবেগী ও ফাজলামো কথা না বলতে। ওর জন্য সবসময় ভালোবাসা থাকবে। 

    ওমর সানী আরও বলেন, আর হ্যাঁ, সুসময় না হোক খারাপ সময় আমাকে ডাকলে অবশ্যই তার পাশে আমাকে পাবে সে। 

    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ঢালিউডে পা রাখেন পপি। কিন্তু তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘কুলি’। তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন ওমর সানী। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি পপিকে। এ সিনেমাটি সেই সময়ে ৭ কোটি টাকা ব্যবসা করে মাইলফলক অর্জন করে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনেছি, ভাইবোনের অত্যাচারে ভোগ করতে পারিনি: পপি

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তুলেছেন তারই বোন ফিরোজা পারভীন। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় পপির বিরুদ্ধে জিডি করেন তিনি। 

    জিডির সূত্র ধরে জানা যায়, পৈতৃক জমি দখলে নেওয়ার জন্য স্বামী আদনান উদ্দিন কামাল, কল্লোল মজুমদার, শিপনসহ সোমবার বেলা ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে সোনাডাঙ্গা থানাধীন শিববাড়িস্থ ভাড়াটিয়া বাড়ির সামনে হাজির হন। বাধা দিলে একপর্যায়ে ফিরোজা পারভীনসহ সবাইকে হুমকি দেন পপি ও তার স্বামী।

    বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকে পপির মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার মেয়েটা আগে ভালোই ছিল। কিন্তু বিয়ের পর ৫-৬ বছর ধরে স্বামীর প্ররোচনায় আমাদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তার বাবার জমি দখলের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যেই পপির বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সে নিজের নামে ৫ কাঠা জমি লিখিয়ে নিয়েছে। ওই সময় নায়ক আলমগীর সাহেব বিষয়টি সুরাহা করে দেন। এখন পপি বাকি ৬ কাঠা জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের নানাভাবে হয়রানির মধ্যে রেখেছে। এই বয়সে আমরা কোথায় যাব।

    পপির মেজো বোন ফিরোজা পারভীন বলেন, আমরা ৪ বোন, ২ ভাই। পপি সবার বড়। তিনি আমাদের বাবার জমি দখলের চেষ্টা করছেন অনেক বছর ধরেই। বাবার মৃত্যুর পর থেকেই আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। পপি ছাড়া আমরা সবাই এক আছি। আগেও আমাদের পেশীশক্তির ভয় দেখানো হয়েছে। বিষয়টি নায়ক আলমগীর, জায়েদ খানসহ আরও দুয়েকজন জানেন। সব জানার পর আলমগীর সাহেব পপিকে বিষয়টি সমাধানের কথা বলেছিলেন। কিন্তু পপি কোনো কিছুতেই থামছেন না। স্বামীসহ পপি খুলনায় অবস্থান করছেন। আমাদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।

    এদিকে মা-বোনের এমন বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন পপি। একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি বলেন, বাবা ও চাচার কাছ থেকে ৬ কাঠা জমি আমার কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে কিনেছি। কিন্তু এদের অত্যাচারের জন্য এখনো পর্যন্ত এই জমি ভোগ করতে পারিনি।

    অভিনেত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, তার পুরো পরিবার সারাজীবন তার উপার্জনের টাকায় চলেছে। 

    পপি বলেন, ‘এদের শরীরের জামা-কাপড় সব আমার পরিশ্রমের টাকায় কেনা৷ আমার পরিবারের কেউ কখনো উপার্জন করে খায়নি। ৯৫ সালে আমার বাবা কিন্তু এদেরকে (পরিবার) উপার্জন করে চালায়নি। আমার টাকায় চলেছে।’

    মামলা ও অন্যান্যসূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে খুলনার শিববাড়ি এলাকায় পপির বাবার ১১ কাঠা জমি। অভিযোগ অনুযায়ী, এর মধ্যে ৫ কাঠা জমি আগে থেকেই নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন পপি। এখন বাকি ৬ কাঠার মালিকানা পেতে মা, ভাই ও বোনদের চাপ দিচ্ছেন। 

    যদিও জমি দখলের অভিযোগে পপি বলছেন, আমি কেনো জমি দখল করব? আমি একবারও বলেনি, ওই জমি নেব, আমার লাগবে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • পপির স্বামী কে এই আদনান উদ্দিন কামাল?

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। অভিনয়গুণে দর্শকহৃদয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই জায়গা করে নিয়েছিলেন। একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই নায়িকা দীর্ঘ সময় ধরে অন্তরালে রয়েছেন। হঠাৎ করেই নিজেকে আড়াল করে নেন এই অভিনেত্রী। 

    প্রথম দিকে পপির এ অনুপস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করেছিলেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু সময় যতই এগোতে থাকে ততই তাকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। নায়িকার আড়ালে যাওয়ার রহস্য খুঁজতে বেরিয়ে আসে তার গোপন সংসার ও সন্তান জন্মের খবর।

    অনুসন্ধানে প্রকাশ্যে এসেছে পপির স্বামীর পরিচয়, ছবি ও সন্তানের নাম। ছবিতে দেখা গেছে, সন্তানের জন্মদিন পালন করছেন পপি ও তার স্বামী। সন্তানের নাম রেখেছেন আয়াত। বয়স প্রায় চার বছর। আর তার স্বামীর নাম আদনান উদ্দিন কামাল। তিনি একটি গ্রুপ অব প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। জাহাজের ব্যবসা রয়েছে। লালবাগ কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোডের বাসিন্দা।

    সোমবার অভিনেত্রীর বোন ফিরোজা পারভীন খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় বোন পপির বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    সোনাডাঙ্গা থানার জিডি সূত্রে জানা গেছে, পৈতৃক জমি দখলের নেওয়ার জন্য স্বামী আদনান উদ্দিন কামাল, কল্লোল মজুমদার ও শিপনসহ পপি সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিববাড়ি এলাকার ভাড়াটিয়া বাড়ির সামনে যান। এতে বাধা দিলে পপি ও তার স্বামী মিলে বোন ফিরোজা পারভীনকে হুমকি দেন। আর স্থানীয়রা জানান, পপি ও তার স্বামী বর্তমানে খুলনায় অবস্থান করছেন।

    এরই মধ্যে অভিনেত্রীর পরিবার জানায়, পপিকে জোর করে বিয়ে করে আদনান উদ্দিন কামাল। যদিও বিয়ের পর পপিকে মানসিকভাবে খুব একটা ভালো রাখেনি তার স্বামী। তাই স্বামীর মন রাখতে নিজ পরিবারের সম্পত্তি দখলে নেমেছেন নায়িকা। তাই পপির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বোন ফিরোজা পারভিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পর কেন ‘গৃহবন্দি’ ছিলেন পপি, জানা গেল কারণ

    বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি পুরান ঢাকার এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছেন বছরখানেক আগে- এমন সংবাদে ঢালিপাড়ায় বেশ শোরগোল পড়েছিল। এবার পপির বিরুদ্ধে তার বোনের করা এক মামলায় আবারও প্রকাশ্যে আসলেন সেই ব্যক্তি। সেসময় নায়িকাকে বিয়ের কথা অস্বীকার করলেও এবার জানালেন, তিনিই পপির স্বামী। কিন্তু কেন তখন পপিকে তিনি অস্বীকার করেছিলেন? বিয়ের পরও কেন লোকচক্ষুর আড়ালে গিয়ে গৃহবন্দি ছিলেন অভিনেত্রী?

    পপির সঙ্গে যে ব্যক্তির নাম জড়ায় তিনি হলেন পুরান ঢাকার জাহাজ ব্যবসায়ী আদনান উদ্দিন কামাল। সেসময় খবরটি মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। 

    কামাল তখন বলেন, পপি আমাদের পারিবারিক বন্ধু। তাকে বিয়ের প্রশ্নই আসে না। একটা মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এসব ছড়াচ্ছে।

    ব্যক্তিজীবনে এই ব্যবসায়ী বিবাহিত। তার তিনটি সন্তানও রয়েছে। পপির সঙ্গে বিয়ের খবর তার স্ত্রী উপভোগ করছেন বলেও মন্তব্য করেন আদনান উদ্দিন। 

    তিনি বলেন, পপির সঙ্গে বিয়ের খবরে আমাকে রীতিমতো ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টা আমার স্ত্রীও বেশ উপভোগ করছে।

    তবে মামলার জিডি ও ব্যবসায়ী কামালের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনিই পপির স্বামী।  

    এছাড়া তাদের চার বছররের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। নাম আয়াত।

    জানা যায়, পরিবারের চাপের কারণেই নাকি তখন পপিকে প্রকাশ্যে আনতে পারেননি কামাল। তাই ছেলেকে নিয়ে ধানমন্ডিতে বাসায় একপ্রকারের গৃহবন্দি থাকতেন নায়িকা। সেসময় স্বামীর পরিবার পপিকে কোনোভাবেই মেনে নেননি। যদিও এখনও মেনে নিয়েছে কিনা সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। 

    তবে বর্তমানে পপি খুলনায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছেন এবং মাঝেমধ্যে ঢাকায়ও আসেন। 

    এদিকে পপির বোনের করা জিডি সূত্রে বলা হয়, পৈতৃক জমি নিজ দখলে নিতে স্বামী ও তার সাঙ্গপাঙ্গসহ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় সোনাডাঙ্গার শিববাড়িতে জড়ো হন তারা। বাধা দিলে একপর্যায়ে ফিরোজা পারভীনসহ সবাইকে হুমকি দেন পপি ও তার স্বামী।

    জানা যায়, সোমবার যখন পপি কিছু লোক নিয়ে সেই বাড়িতে যান সেখানে ছিলেন জাহাজ ব্যবসায়ী আদনান উদ্দিন কামালও। এসময় সাংবাদিকরা আদনান উদ্দিন কামালের কাছে তার পরিচয় জানতে চাইলে, তিনি নিজেকে পপির স্বামী হিসেবে পরিচয় দেন। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের হাতে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে পপির কিছু ছবি এসেছে। যার একটিতে নায়িকাকে স্বামী ও ছেলের সঙ্গে কেক কাটতে দেখা যায়। এটি তাদের সন্তান আয়াতের জন্মদিনের ছবি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘আমি নায়িকা পপির স্বামী’, জানালেন সেই আলোচিত জাহাজ ব্যবসায়ী

    বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি বিয়ে করেছেন-বছরখানেক আগে এমন সংবাদে ঢালিপাড়ায় বেশ শোরগোল পড়ে যায়। তবে যার সঙ্গে পপির নাম জড়ায় সে ব্যক্তি গণমাধ্যমে বিষয়টি অস্বীকার করার কারণে সেখানে ধামাচাপা পড়ে যায় বিষয়টি। এবার জানা গেল সেই ব্যক্তিই পপির স্বামী। 

    সেসময় জানা যায়, তার স্বামীর নাম আদনান উদ্দিন কামাল। তিনি একজন জাহাজ ব্যবসায়ী। দুই বছরের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে তার। ছেলেকে নিয়ে ধানমন্ডিতে থাকতেন পপি। স্বামীর পরিবার পপিকে তখনও মেনে নেয়নি বলে অনেকটা গৃহবন্দি সময় কাটাচ্ছিলেন তিনি। 

    তবে পপিকে বিয়ের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর সেসময় খবরটি মিথ্যা বলে দাবি করেন জাহাজ ব্যবসায়ী আদনান উদ্দিন কামাল। 

    তিনি বলেন, পপি আমাদের পারিবারিক বন্ধু। তাকে বিয়ের প্রশ্নই আসে না। একটা মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এসব ছড়াচ্ছে।

    ব্যক্তিজীবনে এই ব্যবসায়ী বিবাহিত। তার তিনটি সন্তানও রয়েছে। পপির সঙ্গে বিয়ের খবর তার স্ত্রী উপভোগ করছেন বলেও মন্তব্য করেন আদনান উদ্দিন। 

    তিনি বলেন, পপির সঙ্গে বিয়ের খবরে আমাকে রীতিমতো ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টা আমার স্ত্রীও বেশ উপভোগ করছে।

    তবে অভিনেত্রীকে বিয়ের খবর এভাবে হেসে উড়িয়ে দিলেও বছরখানেক পার হতেই সেই কামালের পাশেই দেখা মিলল পপির। শুধু স্বামী নয়, অভিনেত্রীর ৪ বছরের সন্তানেরও দেখা মিলেছে।

    সোমবার (৩ জানুয়ারি) খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় পপির বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার ছোট বোন ফিরোজা পারভীন। সেই জিডির সূত্র ধরেই পপির স্বামী-সন্তানের খোঁজ মিলেছে।

    জিডি সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক জমি নিজ দখলে নিতে স্বামী ও তার সাঙ্গপাঙ্গসহ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় সোনাডাঙ্গার শিববাড়িতে জড়ো হন তারা। বাধা দিলে একপর্যায়ে ফিরোজা পারভীনসহ সবাইকে হুমকি দেন পপি ও তার স্বামী।

    জানা যায়, সোমবার যখন পপি কিছু লোক নিয়ে সেই বাড়িতে যান সেখানে ছিলেন জাহাজ ব্যবসায়ী আদনান উদ্দিন কামালও। এসময় সাংবাদিকরা আদনান উদ্দিন কামালের কাছে তার পরিচয় জানতে চাইলে, তিনি নিজেকে পপির স্বামী হিসেবে পরিচয় দেন। 

    জানা গেছে, ব্যবসায়ী আদনান উদ্দিন কামাল ও পপির সংসারে চার বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে, নাম আয়াত। বর্তমানে পপি খুলনায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছেন, যদিও তিনি মাঝেমধ্যে ঢাকায়ও আসেন। 

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের হাতে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে পপির কিছু ছবি এসেছে। যার একটিতে নায়িকাকে স্বামী ও ছেলের সঙ্গে কেক কাটতে দেখা যায়। এটি তাদের সন্তান আয়াতের জন্মদিনের ছবি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • পপি আমার পরিবারের একজন: ওমর সানি

    ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা সাদিকা পারভিন পপি জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করে নিজেকে আড়ালে রেখেছেন। গেল কয়েক বছর ধরে লোক চক্ষুর আড়ালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী। হাতেগোনা ঘনিষ্ট দু-একজন ছাড়া কেউ জানে না তার খোঁজ। বন্ধু, সহকর্মী, সংবাদকর্মী- কেউই তার নাগাল পাচ্ছেন না। 

    তবে চিত্রনায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে পপির একটা পারিবারিক সম্পর্ক আছে। সেই সম্পর্কের সূত্রে চিত্রনায়ক ওমর সানিকে দুলাভাই সম্বোধন করেন পপি। বৃহস্পতিবার পপির জন্মদিনে ওমর সানি একটি স্থিরচিত্র পোস্ট করে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন পপি, যেখানেই থাকিস, ভালো থাকবি—আমার পরিবারের একজন। শুধুই দোয়া। শুভ জন্মদিন পপি।

    পপি ১৯৭৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার শৈশব কাটে খুলনায় দাদাবাড়িতে। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে পপি বড়। পড়াশোনা করেছেন খুলনার মুন্নুজান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের ‘কুলি’ তে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে আবির্ভূত হন পপি। ঢাকাই চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম আবেদনময়ী এই অভিনেত্রী এ পর্যন্ত বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলা, গঙ্গাযাত্রা চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক