Tag: সাইফ

  • চিকিৎসকের যে নির্দেশনা মেনে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সাইফ

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর শোনেননি তার মায়ের কথা। কিন্তু বুঝতে পারেন— জীবন তার কাছে শিক্ষক। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছেন, খুব তাড়াতাড়ি জীবন যা শেখাতে চাইছে, তা শিখে নিতে হয়। দেরি করলে এক জায়গাতেই মানুষ আটকে থাকে। 

    কেন এমন বললেন অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর—এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে ৮০ বছরের শর্মিলা ফিরে গেলেন পুরোনো দিনে। তিনি বলেন, চিকিৎসক আমাকে পরামর্শ দিলেন— ছোট্ট সাইফকে এক চামচ ফলের রস খাওয়াতে। এ কথা শুনে মা বলেছিলেন—ফলের রসের সঙ্গে একটু পানি মিশিয়ে খাওয়াতে।

    শর্মিলা বলেন, তখন তিনি মায়ের কথার কোনো গুরুত্বই দেননি। বরং ছেলের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে নিয়েছিলেন। অভিনেত্রী বলেন, এরপর থেকেই সাইফের পেটের সমস্যা দেখা দেয়। সাইফ অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

    এ ঘটনার কথা উল্লেখ করে শর্মিলা বলেন, মায়ের কথা শুনলেই ঠিক হতো। মা-ঠাকুমার কাছ থেকেই জীবনের বহু কিছু শিখেছি আমি।

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শর্মিলার বাংলা সিনেমা ‘পুরাতন’। বহুদিন পর বাংলা সিনেমায় ফিরেছেন অভিনেত্রী। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে এ সিনেমা নিয়ে প্রশংসা পাচ্ছেন তিনি। 

    শাশুড়ির সিনেমা দেখে অনুভূতি প্রকাশ করেছেন পুত্রবধূ বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানও। সুদূর নিউইয়র্ক থেকে শর্মিলার সিনেমার প্রশংসা করেছেন প্রিয়াংকা চোপড়াও। সিনেমায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের মায়ের চরিত্রে দেখা গেছে বর্ষীয়ান অভিনেত্রীকে। সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে মা ও মেয়ের রসায়ন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি সেই সময়টা আর কল্পনাও করতে চাই না: সাইফ

    পতৌদি পরিবারের নবাব ও বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার পর থেকে আরও একটি বিষয় নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে চলছে বেশ আলোচনা-সমালোচনা। অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের সঙ্গে নাকি খানিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে তার? এমনকি ডিভোর্স নিয়েও চলছে গুঞ্জন। আর এ জল্পনার মাঝেই সাইফ আলি খানের একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ডিভোর্সকে ‘খরচ সাপেক্ষ’ বলে উল্লেখ করেছেন নবাব। 

    নব্বইয়ের দশকে অভিনেত্রী অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন সাইফ আলি খান।  ১৩ বছর এক ছাদের নিচে থাকার পর বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। দুই সন্তান সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খানকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন অমৃতা। 

    সেই সময়টা খুব কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে অভিনেতাকে। অমৃতার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর সাইফকে অনেক টাকা দিতে হয়েছিল বলেও জানান তিনি। অভিনেতা বলেন, প্রাথমিকভাবেই আড়াই কোটি টাকা অমৃতার হাতে তুলে দিতে হয়েছিল তাকে। তারপর প্রতি মাসে প্রায় এক লাখ টাকা করে দিতে হতো। সারা ও ইব্রাহিমের বড় হওয়া পর্যন্ত এই টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়েছিল তাদের।

    সাইফ বলেন, আমি সেই সময়টা আর কল্পনাও করতে চাই না। তবে এটাও ঠিক একটা সময় এতটাই তিক্ততা তৈরি হয় যে মানুষ নিজেকে কোনো সম্পর্কে সেভাবে আবদ্ধ রাখতে চান না। তিনি বলেন, সে কারণেই সামর্থ্য না থাকলেও হয়তো ডিভোর্সের দিকে এগোতে হয়। এর জন্য অনেক টাকাও খরচ হয়, যা সত্যিই কল্পনার বাইরে। তবু একটা সময় পর সব কিছু মানিয়ে নিতে হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফ-অমৃতার বিয়েতে ফুল হাতে কারিনা, সেদিন যা বলেছিলেন অভিনেতা?

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের প্রথম বিয়েতে দিদি অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের হাত ধরে গিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। অভিনেত্রী নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান ফুল দিয়ে। সেই সময় পাল্টা কোন উত্তর দিয়েছিলেন অভিনেতা?

    ২০০৮ সালে ‘টশন’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে প্রেমপ্রস্তাব দিয়েছিলেন সাইফ আলি খান। এদিকে কারিনা তখন নিজেই সাইফের প্রেমে হাবুডুবু। আগেও তাদের দেখা হয়েছে। কিন্তু ‘টশন’ সিনেমার শুটিংয়ে সব চেনা ছক গোলমাল হয়ে গিয়েছিল। কারিনা জানিয়েছেন, সেই সময় সাইফ তার চোখে নতুন রূপে যেন ধরা দিয়েছিলেন। কিন্তু তবু তার মনে হয়েছিল বিয়ের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে আরও কিছু সময় প্রয়োজন। চার বছর প্রেমপর্বের পর সাইফ-কারিনা বিয়ে করেন ২০১২ সালে। 

    অমৃতা সিংহের সঙ্গে সাইফের ১৩ বছরের দাম্পত্য ভেঙে যায় ২০০৪ সালে। তার আট বছর পর কারিনার সঙ্গে নতুন সংসার শুরু শর্মিলা-তনয়ের। কারিনার সঙ্গে সাইফের বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। প্রায় ১০ বছরের। এদিকে অমৃতাকে যখন সাইফ বিয়ে করেন, সেই সময় অনেকটাই ছোট সাইফ। 

    জানা গেছে, বয়সে বড় হওয়া অমৃতাকে নিয়ে নাকি চাপা অশান্তি ছিল পতৌদি পরিবারে। যদিও অমৃতার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর বেশ কিছু প্রণয়-সম্পর্ক তৈরি হয় সাইফের জীবনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারিনাতে থিতু হন অভিনেতা। 

    ১৯৯১ সালে যখন প্রথমবার সাইফ বিয়ে করেন, কারিনা শুভেচ্ছাবার্তা দিলে তিনি বলেন, থ্যাংক ইউ বেটা। যদিও সেসব এখন অতীত। কারিনা ও সাইফ এখন দুই পুত্রসন্তানের বাবা-মা। এদিকের সাইফের প্রথম পক্ষের দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিমের সঙ্গেও সম্পর্ক ভালো কারিনার। একে অপরের বিপদে-আপদে পরিবার হয়েই থাকেন তারা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোহার বাড়িতেও ডাকাতের হানা, কে বাঁচায় অভিনেত্রীকে?

    বাড়িতে হানা দেওয়া ডাকাতকে আটকাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে মারাত্মকভাবে জখম হন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান।যে ঘটনা এখন সংবাদের শিরোনামে। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এ ধরনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন সাইফের বোন সোহাও!

    সেদিনের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।

    যদিও ঘটনাটি অনেক আগের।  ২০১১ সালে সেই ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলেন সোহা আলী খান। মুম্বাইয়ের খারে সোহার অ্যাপার্টমেন্টে ঘটনাটি ঘটেছিল। 

    সেদিন ছিল অভিনেতা কুণাল খেমু এবং সোহার অভিনীত সিনেমার স্পেশাল স্ক্রিনিং। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তারা। তারপর সেখান থেকে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন দুজন। এর পর ডিনার করতে বসেন এই দম্পতি। 

    সেই সময় হঠাৎ করে তাদের ব্যালকনি থেকে নানা রকমের শব্দ আসতে থাকে। কোথা থেকে সেই শব্দ আসছে, তা দেখার জন্য ব্যালকনির দিকে যান কুণাল। আর সেখানে গিয়েই অভিনেতা দেখতে পান, এক ব্যক্তি তাদের ফ্ল্যাটে ঢোকার চেষ্টা করছে। 

    এ সময় কুণালকে দেখতে পেয়েই এক তলার বারান্দায় পালানোর চেষ্টা করে অনুপ্রবেশকারী। কিন্তু তাড়াহুড়া করার কারণে পায়ের ব্যালেন্স ধরে রাখতে না পেরে পড়ে যান তিনি। তা দেখে কুণাল দ্রুত নিচে ছুটে যান এবং পালানোর আগেই তাকে ধরে ফেলেন। 

    তারপর তদন্ত শুরু হলে জানা যায়, অনুপ্রবেশকারী ওই ব্যক্তির একটি দীর্ঘ অপরাধমূলক ইতিহাস রয়েছে। এর আগেও বেশ কয়েকটি বাড়িতে ডাকাতি করেছে সে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক ঘটনা যেভাবে বদলে দিল সাইফ-কারিনার জীবন

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর দম্পতির জীবনে বড় অঘটন ঘটে গেছে। সম্প্রতি গভীর রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে দুষ্কৃতকারীর হামলায় এ যাত্রায় বেঁচে গেছেন অভিনেতা। এর পর থেকেই বেড়েছে তাদের নিরাপত্তা। 

    বদলে গেছে অনেক কিছুই। বিশেষ করে দুই সন্তান— তৈমুর ও জেহকে আরও আগলে রাখছেন এ দম্পতি।

    কিন্তু অতীতে দুই সন্তানকে নিয়ে কখনোই ফটো সাংবাদিকদের থেকে আড়াল করেননি তারকা দম্পতি। বরং ফটো সাংবাদিকদের সঙ্গেই তাদের দুই সন্তানের ভালো সখ্য। ক্যামেরার সামনে নানা অঙ্গভঙ্গিও করতে দেখা গেছে তাদের। কিন্তু সেসব হয়তো আর হবে না। এবার সতর্ক হলেন এ দম্পতি।

    হামলার পর থেকে জোরদার হয়েছে তাদের নিরাপত্তা। এবার সাইফ ও কারিনা সিদ্ধান্ত পালটেছেন। ফটো সাংবাদিকদের কাছে এক বিশেষ অনুরোধ করেছেন তারা। তাদের আবেদন— এবার থেকে বাচ্চাদের ছবি যেন তারা একটু কমই তোলেন। 

    এখানেই শেষ নয়। বান্দ্রায় সাইফ-কারিনার বাড়ির সামনে প্রায়ই ক্যামেরা তাক করে দাঁড়িয়ে থাকেন ফটো সাংবাদিকরা। তাদের উদ্দেশ্য— বাড়ি থেকে কেউ বেরোলেই ছবি তোলা। সাইফ-কারিনার অনুরোধ— এবার এসব বন্ধ করতে হবে। তবে যে কোনো অনুষ্ঠানে পৌঁছলে তাদের ছবি তোলায় কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন এ তারকা দম্পতি।

    উল্লেখ্য, ১৬ জানুয়ারি সাইফ-কারিনার বাড়িতে মধ্যরাতে প্রবেশ করেছিলেন এক দুষ্কৃতকারী। ডাকাতির উদ্দেশ্যেই তিনি হানা দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। বাধা দিতে গেলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সাইফের ওপরে। ছয়বার ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অভিনেতা। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ঠিকই কিন্তু পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যায় এ দম্পতির।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের বিপদে সাইফ আলী খান

    বাংলার পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের  দুঃসময় যেন পিছু ছাড়ছে না।  ছুরিকাঘাতের হামলার শিকার হয়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সদ্যই বাড়ি ফিরেছেন অভিনেতা। এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন তিনি। এর মধ্যেই বিপাকে পড়তে যাচ্ছেন সাইফ আলি খান। মধ্যপ্রদেশ সরকার ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’র অধীনে সাইফের পারিবারিক সম্পত্তির দখল নিতে পারে। বর্তমানে যার বাজারমূল্য ১৫ হাজার কোটি টাকা।

    গণমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে এই সম্পত্তির ওপর দখল নেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ জারি করেছিলেন ভোপাল হাইকোর্ট। পরে ২০২৪ সালে সাইফের আবেদন খারিজ করে দিয়ে স্থগিতাদেশ তুলে নেন হাইকোর্ট। ফলে মধ্যপ্রদেশ সরকারের আর কোনো বাধা রইল না।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ভোপালের শেষ নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান। তারই প্রপৌত্র সাইফ আলি খান। ভোপালের কোহেফিজা থেকে চিকলোড় পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি রয়েছে অভিনেতার। 

    ১৯৫০ সাল থেকে পাকিস্তানে বসবাস শুরু করেন হামিদুল্লাহর কন্যা আবিদা সুলতান। সেই থেকে ভোপালের ওই সম্পত্তি ছিল পতৌদিদের। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর অনেক মানুষ পাকিস্তান ও চীনে চলে গেলেও তাদের জমি, বাড়ি ও শেয়ারের মতো সম্পত্তি এখনো এ দেশে রয়ে গেছে। সেই সম্পত্তিগুলোকেই ‘শত্রুর সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। 

    অর্থাৎ স্থায়ীভাবে পাকিস্তান ও চীনে চলে যাওয়া ভারতীয়দের সম্পত্তিতে তাদের বংশধরদের আর কোনো অধিকার থাকবে না। তাই সরকার এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রিও করতে পারবে। ফলে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেও মধ্যপ্রদেশ সরকারের এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন সাইফ ও তার পরিবার।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা সাইফ আলি খান বুধবার (১৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। সেখানে তাকে অস্ত্রোপচার করানো হয়। সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও মেরুদণ্ডের আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ক্ষত হওয়ার শঙ্কা ছিল। অবশেষে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর সুস্থ হয়ে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বাড়ি ফেরেন অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের গাড়িতে কেন ওঠেননি কারিনা

    বলিউড তারকা সাইফ আলী খান গত বুধবার গভীর
    রাতে নিজের বাড়িতেই দুষ্কৃতকারীর হামলার শিকার হন।  এরপর গত বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে ভর্তি করা হয়
    হাসপাতালে। অস্ত্রোপচারের পর অভিনেতা হাসাপাতালেই ছিলেন।

    পরে পাঁচদিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরেন
    অভিনেতা। সাইফের বাড়ি ফেরার বেশ কয়েকটি স্থিরচিত্র বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত
    হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকালে নিজের বাড়িতে ফেরেন সাইফ
    আলী খান। পরনে সাদা শার্ট, জিন্‌স। বাঁ হাতের কবজিতে বাধা ব্যান্ডেজ। ছোট করে
    ছাঁটা চুল, পরিষ্কার কামানো দাঁড়ি। একেবারে সোজা হেঁটে বাড়িতে ঢুকলেন অভিনেতা।
    হাসিমুখে হাত নাড়লেন আলোকচিত্রীদের উদ্দেশে।

    সাইফকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে এসেছিলেন
    স্ত্রী কারিনা কাপুর ও মা শর্মিলা ঠাকুর। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কারিনা অবশ্য অন্য
    গাড়িতে বাড়ি ফেরেন।

    আগেই ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল, কারিনা গাড়ির
    ভিতর কারও সঙ্গে বিরক্ত হয়ে কথা বলছেন। কিন্তু সাইফ হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার আগেই কোথায়
    চলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী? এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্তদের।

    প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল, সৎগুরু শরণ
    আবাসনে ফিরবেন না সইফ। বরং যাবেন পাশের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে ২০২১ সাল পর্যন্ত থাকতেন
    সাইফ-কারিনা।

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফকে সুরক্ষিত রাখবেন বলিউডের কোন অভিনেতা

    বাংলার পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান হাসপাতাল থেকে একেবারে গটগট করে হেঁটে বাড়ি ফিরলেন। পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর গতকাল মঙ্গলবার বিকালে নিজের বাড়ি ‘সৎগুরু শরণ’-এ প্রবেশ করলেন তিনি। যদিও এ মুহূর্তে সাইফের নিরাপত্তা একটা মস্ত চিন্তার বিষয়। শুধু একা সাইফ নন, অভিনেত্রী কারিনা কাপুর এবং তাদের দুই সন্তানের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য একাধিক ব্যবস্থা নিল খান পরিবার। এর মধ্যেই নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে দিলেন আরেক অভিনেতার ওপর।

    এদিকে সাইফ আলি খান বাড়িতে আসার আগে আবাসনের তিনটি তলা ১০, ১১ ও ১২ লোহার জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। এই আবাসনের জায়গায় জায়গায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি। এ ছাড়া ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষীর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এখন সাইফের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্ব পড়ল আরেক অভিনেতার ওপর, তার নাম রণিত রায়।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল থেকে ‘সৎগুরু শরণ’-এ নয়, সাইফ যাবেন বান্দ্রায়, তার অন্য আরেকটি ফ্ল্যাটে। কিন্তু না, শেষ পর্যন্ত তিনি ফিরলেন সেখানেই। পরনে সাদা শার্ট ও জিন্স। বাঁ হাতের কব্জিতে বাঁধা ব্যান্ডেজ। ছোট করে ছাঁটা চুল, পরিষ্কার কামানো দাড়ি। একেবারে সোজা হেঁটে বাড়িতে প্রবেশ করলেন অভিনেতা। হাসিমুখে হাত নাড়লেন ফটোগ্রাফার-সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে। 

    এ সময় সাইফ আলির সঙ্গে দেখা যায় বডিগার্ড হিসেবে অভিনেতা রণিত রায়কেও। অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি নিজস্ব নিরাপত্তা সংস্থাও রয়েছে তার। এর আগে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান ও বিগবি অমিতাভ বচ্চনের মতো তারকাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলেছেন রণিত। এবার সাইফের দায়িত্ব তার কাঁধে। অভিনেতা বাড়ি ঢুকতেই তাকে ঘিরে ধরেন ফটোগ্রাফার-সাংবাদিকরা। তবে এ মুহূর্তে সাইফের কাছাকাছি না যাওয়ার অনুরোধ করলেন রণিত রায়।

    এর আগে আগামী সাত দিন বিশ্রামে থাকার কথা জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। এমনকি আগামী দুদিন শুয়ে থাকার পরামর্শও দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু বাস্তবে অবশ্য দেখা গেল ভিন্ন— একেবারে চাঙা অভিনেতা সাইফ আলি খান।

    উল্লেখ্য, বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান বুধবার (১৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন। সেখানে তাকে অস্ত্রোপচার করানো হয়। সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও মেরুদণ্ডের আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ক্ষত হওয়ার শঙ্কা ছিল। অবশেষে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকার পর মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বাড়ি ফেরেন অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রকাশ্যে ঝগড়া রণবীর-সাইফের

    বলিউড কিংবদন্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের ১০০ বছরের উদযাপন বিশেষভাবে আয়োজন করেছিল কাপুর পরিবার। সেখানেই দ্বন্দ্ব শুরু শ্যালক অভিনেতা রণবীর কাপুর ও জামাইবাবু সাইফ আলি খানের। জানা যাক প্রকৃত ঘটনা।

    অভিনেতা রাজ কাপুরের শতবর্ষ নিয়েই ঝগড়া সাইফ আলি খান ও রণবীর কাপুরের সঙ্গে। সাংবাদিকরা সেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ ছাড়েননি? দেখতে দেখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও। আর নেটিজেনরা শ্যালক-জামাইবাবুর ঝগড়া দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। সেই ভিডিও দেখে নেটিজেনরা মন্তব্য করতেও ভুলে যাননি। 

    সদ্য প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতার ১০০তম বর্ষপূর্তি পেরিয়েছে। সেখানে পরিবারের সব সদস্য একজোট। রণধীর কাপুর-ববিতা থেকে আলিয়া ভাট, রাহা— প্রত্যেকে ছিলেন। একইভাবে নিমন্ত্রিত ছিলেন কারিনা কাপুর-সাইফ আলি খান। সবারই হাসিমুখ, দেদার হইচই। সংবাদিকরাও উপস্থিত রাজ কাপুরকে ঘিরে তাদের বক্তব্য জানতে। সেখানেই কথা বলতে দেখা যায় রণবীর-সাইফকে।

    আড্ডার পাশাপাশি প্রয়াত অভিনেতার নানা স্বাদের ছবিও দেখানোর আয়োজন করেছিল কাপুর পরিবার। ফাঁস হওয়া ভিডিও অনুযায়ী, রণবীর সেদিকে বারবার নিয়ে যেতে চাইছিলেন সাইফকে। 

    এদিকে অভিনেতা অন্যদের সঙ্গে আড্ডায় মশগুল। সঙ্গে সঙ্গে সেই স্থান ছেড়ে যেতে নারাজ। আর রণবীরও জামাইবাবুকে নিয়েই যাবেন।

    একটা সময়ের পর স্পষ্ট বিরক্তি দেখান সাইফ। সেই বিরক্তি চোখেমুখে ছাপিয়ে কণ্ঠস্বরেও স্পষ্ট। তিনি রণবীরকে সাফ বলেন, ঠিক আছে। তার পরেই ফের মেতে ওঠেন গল্পগুজবে। এ ঘটনা নিয়েই আপাতত জোর চর্চা চলছে বলিউডের অন্দরে। যদিও অনুষ্ঠান মিটে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি কাপুর পরিবার বা পতৌদি পরিবার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হত্যার হুমকি পান সাইফ ও শর্মিলাও, জানা গেল কারণ

    ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হলেও ধর্ম নিয়ে হানাহানির ঘটনা ভারতে কম হয়নি। বলিউডের খান সাম্রাজ্যকে প্রায়শই হুমকির মুখে পড়তে হয় ধর্মের জন্য। সাইফ আলি খানকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল কারিনা কাপুরকে বিয়ে করার জন্য। কী ঘটেছিল? সম্প্রতি শাহরুখ খান এবং সালমান খানকে খুনের হুমকিবার্তার মাঝেই আবারো প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে সাইফ-কারিনার বিয়ের সময়কার সেই ঘটনা।

    ২০১২ সালে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন সাইফ আলি খান এবং কারিনা কাপুর। যদিও বিয়ের আগে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পার হতে হয়েছিল দুই তারকাকে। পতৌদি পরিবারের নবাবের সঙ্গে হিন্দু কাপুর পরিবারের মেয়ের বিয়ে খবর শুনে যেমন হুমকির মুখে পড়েছিলেন সাইফ-কারিনা নিজে, তেমনই দুই পরিবারকেও খুনের হুমকি পেতে হয়েছিল। বলিউড নবাব একবার নিজেই জানিয়েছিলেন সেই ঘটনা। কারিনার বাবা রনধীর কাপুরের কাছে অজ্ঞাত পরিচয় কেউ খুনের হুমকি দেওয়া চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সেখানে সাফ লেখা ছিল, ‘এই বিয়ে হলে পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সাইফ-কারিনার বিয়ের ভেন্যুতেও হামলা চালানো হবে।’ যদিও এহেন হুমকিবার্তায় বিচলিত হননি সাইফ নিজে। তার কারণ তাদের পরিবারে এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে।

    সাইফ জানান, ষাটের দশকে যখন তার বাবা-মা মনসুর আলি খান পতৌদি এবং শর্মিলা ঠাকুর ভিনধর্মী বিয়ে করেছিলেন, তখনো এরকম ঘটনা ঘটেছিল। অভিনেতার কথায়, ‘আমরা বিয়ে করি, কিছু মানুষ আসলে সেটা ভালোভাবে নেননি। আমার শ্বশুরের কাছে একাধিক হুমকিবার্তা এসেছিল। বলা হয়েছিল, আমাদের বিয়ের ভেন্যু নাকি বোম দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হবে। নইলে পরিবারের কারও ক্ষতি করা হবে। তবে এসবে ভয় পাইনি আমি। কারণ হুমকি দেওয়া আর সেটাকে কাজে করে দেখানোর মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে, সেটা জানতাম।’

    শর্মিলা ঠাকুর নিজেও একবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মনসুর আলি খান পতৌদির সঙ্গে তার বিয়ের সময়ে কলকাতার বাড়িতে টেলিগ্রামে হুমকিবার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছিল, ‘এরপর গুলি কথা বলবে…।’ সেই একই ঘটনা ঘটে সাইফ-কারিনার ভিনধর্মী বিয়ের সময়েও।

    বিনোদন ডেস্ক