Tag: সমালোচনা

  • নাচের ভিডিও করে আবারও সমালোচনার মুখে আলিজেহ শাহ

    খোলামেলা নাচের ভিডিও শেয়ার করে আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী আলিজেহ শাহ। এর আগেও কয়েকবার খোলামেলা নাচের ভিডিও ও পোশাকের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।  

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের ব্যালে ড্যান্সের একটি ছোট ভিডিও শেয়ার করেছেন আলিজেহ শাহ, যেটিতে তাকে বেশ টাইট শার্টে দেখা যায়।   

    অভিনেত্রীর শেয়ার করা ভিডিওতে তাকে ব্যালে ড্যান্স করতে দেখা যায়। আলিজেহ শাহ ভিডিওটি শেয়ার করার পর শোবিজের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া পেজও তা শেয়ার করে। এরপরই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। 

    ভাইরালের পরই নেটিজেনরা এটির সমালোচনা করে তার বিরুদ্ধে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগ করেন।

    অভিনেত্রীর ভিডিওতে মন্তব্য করে সমালোচকরা তাকে ভারতের উরফি জাভেদের সঙ্গে তুলনা করছেন। অনেকে আবার মন্তব্যের ক্ষেত্রে অশালীন শব্দও ব্যবহার করেছেন।

    সমালোচকরা বলছেন, অভিনেত্রী হয়তো নেশাগ্রস্ত ছিলেন। এ ছাড়া তার ভিডিও দেখে অনেককে তওবা পড়তেও দেখা গেছে।

    কিছু ভক্ত লিখেছেন, আলিজেহ শাহ তার ভিডিওর মাধ্যমে ভারতীয় অভিনেত্রীদের পিছনে ফেলে গেছেন।কেউ কেউ আবার নাচের ভিডিও দেখে অভিনেত্রীর বাবা-মা এবং তার বেড়ে ওঠা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

    উল্লেখ্য, আলিজেহ পাকিস্তান টেলিভিশন শিল্পের নবীন মুখ এবং তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।ইশক তামাশা কিনজা এবং আইমানের পাশাপাশি বিভিন্ন নাটকে তার অভিনয় শ্রোতাদের কাছে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে।

    ডন উর্দু

    যুগান্তর ডেস্ক

  • আল্লাহর সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই মজবুত: বীনা মালিক

    পোষাক নিয়ে সমালোচনাকারীদের জবাব দিয়েছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী ও মডেল বীনা মালিক। একজন নারী স্কার্ট পরলে কেন ‘ইসতেগফার’ পড়তে পারবেন না এমন প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।  

    সম্প্রতি তিনি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে বীনা মালিক ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। 

    পোশাকের কারণে সমালোচনার জবাবে বীনা মালিক বলেন, ‘আমি দেখাই না, কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই মজবুত। আমি স্কার্ট কেন পরি তা নিয়ে ট্রল হয়, তো স্কার্ট পরলে কি আমি ‘ইসতেগফার’ পড়তে পারব না?   

    বীনা মালিক বলেন, আমি আমার ধর্মের বিষয়ে পড়াশোনা করেছি, পবিত্র কুরআন পড়ি।আমি শুধু সব তরুণকে, এমনকি সব ধর্মের মানুষকেও বলতে চাই, কেউ যদি কুরআন পড়ে, সে জানে কীভাবে জীবন যাপন করতে হয়।কেউ আপনার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলে আপনার কী করা উচিত। 

    পডকাস্টে বীনা মালিক তার জীবনের রহস্যময় পুরুষ শাহরিয়ারের বিষয়েও কথা বলেন। অভিনেত্রী বলেন, শাহরিয়ার আর আমি গত চার মাস ধরে কথা বলছি, কিন্তু আমার প্রতি শাহরিয়ারের ভালোবাসার বয়স ১৫-১৬ বছর, তার বয়স ৩০ বছর।

    বীনা মালিক ২০১৩ সালে দুবাইয়ে ব্যবসায়ী আসাদ বশির খাট্টাককে বিয়ে করেছিলেন। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। তবে বনীবনার অভাবের ৩ বছর পরে এ সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে।

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী ভারতেও কাজ করেছেন। ২০১০ সালে বীনা মালিক ভারতে যান এবং কয়েক বছর সেখানে অবস্থানও করেছিলেন।

    জিও নিউজ উর্দু  

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি নাকি ভোটে দাঁড়ানোর জন্য বলেছি: কটাক্ষের জবাবে ইমন

    রাজারহাটের একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়েছিলেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী।  বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠানে  শ্রোতাদের আবদার— বাংলা গান ছেড়ে হিন্দি গান গাওয়ার। নীতিবিরুদ্ধ এমন দাবির কড়া ভাষার প্রতিবাদ করেছিলেন এ গায়িকা। পরিপ্রেক্ষিতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ইমনকে নিয়ে সমালোচনা। 

    বেশিরভাগ নেটিজেন এ শিল্পীকে সমর্থন জানালেও নেটদুনিয়ার একাংশ আবার তার প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে চর্চা শুরু করেছেন। কটাক্ষের শিকারও হতে হয়েছে গায়িকাকে। এ কটাক্ষ নিয়ে এবার ইমন চক্রবর্তী বললেন, আমি শুধু দুদিন ধরে সব দেখে গেছি, এবার কিছু কথা একটু বলি…।

    অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই ইমন চক্রবর্তী বলেন, জোরের সঙ্গে বলো যে, আমি বাংলা গান শুনব না— এটা অন্য কোনো জায়গা হলে না, চুলের মুঠি ধরে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিত। তিনি বলেন, বাংলায় থাকছ, বাংলায় রোজগার করছ, বাংলা গান শুনবে না বলছ।

    গায়িকার প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে নেটিজেনদের সমালোচনার অন্ত নেই। একজন নেটিজেন বলেছেন, আপনি যখন হিন্দি গান করেন, তখন…? অন্য আরেকজন বলেছেন—হিন্দি গান করতে বলাটা দোষের কিছু নয়। 

    এহেন নানা কটুক্তি দিন দুয়েক সবটা চুপ করেই দেখেছেন গায়িকা। তবে রোববার ফেসবুক পোস্টে যাবতীয় কটাক্ষের জবাব দেন তিনি।

    ইমন লিখেছেন—অনেকে বলছেন, আমি নাকি ভোটে দাঁড়ানোর জন্য বলেছি। আমি শুধু দুদিন ধরে সব দেখেই গেছি, এবার কিছু কথা একটু বলি…। তিনি বলেন, আমি মহান হওয়ার জন্য এ কথাটা বলিনি। আমি অতিসাধারণ একজন মানুষ, খেটে খাই। স্টেজে উঠে পারফর্ম করি বা রেকর্ডিং স্টুডিওতে গিয়ে গান গাই বা স্টুডিওতে শুট করি— সবটা ঘিরেই গান, ওটাই পারি আমি। তাই ওটাই করি… । 

    তিনি বলেন, সংগীত আমার কাছে সব, মানে সব। সব ধরনের গান গাওয়ার ইচ্ছে আমার বহুদিনের। আমি কোথাও কখনো কাউকে বলিনি যে, আমি শুধু বাংলা ভাষায় গান গাইব। কিন্তু আমাকে আমার এ জায়গা দিয়েছেন আপামর বাংলা ভাষায় কথা বলা মানুষেরা। আমি বাংলা মিডিয়ামে পড়াশোনা করা একটা মেয়ে। বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারা একটা মেয়ে।

     এখানে আমার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন থাকেন। আমার গোটা পৃথিবী এখানে থাকেন। কোথাও কেউ কোনোভাবে আমার ভাষাকে ছোট করে কথা বললে আমি আবার ওই একই কথা বলব— একইভাবে প্রতিবাদ করব। তাতে কেউ যদি ভাবেন যে আমার স্বার্থ এতে চরিতার্থ হচ্ছে, তাহলে সেটা তাদের ভাবনা, আমার না। সব ভাষার সমান গুরুত্ব আছে অবশ্যই। আমার মাকে যেমন খারাপ বলার অধিকার কেউ দেয়নি। ঠিক সেভাবে আমার ভাষাকে ছোট করার অধিকারও কেউ কাউকে দেয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতার সেই উপস্থাপকের সঙ্গে চঞ্চলের ছবি, সমালোচনার ঝড়

    অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ‘বিতর্কিত’ সংবাদ উপস্থাপক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ছবির জেরে সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে চঞ্চল চৌধুরীকে।

    সম্প্রতি ২০২২ সালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে চঞ্চলের সঙ্গে দুটি ছবি পোস্ট করেন ময়ূখ। সে ছবিতে পশ্চিমবঙ্গের এই বিতর্কিত উপস্থাপকের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে দেখা যায় বাংলাদেশের অভিনেতাকে।

    এই ছবি নেটদুনিয়ায় নতুন করে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন নেটিজেনরা। মিল্লাত মেহেদী নামের একজন আলোচিত ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘কলকাতার সাম্বাদিক ময়ূখ, আর বাংলাদেশের চেতনা বিক্রেতা চাটুকার চঞ্চল…কি দারুণ মানিয়েছে…!’

    এইচ এম মাহাদী নামের একজনের মন্তব্য, ‘ময়ূখ তো আসলেই চঞ্চল।’

    প্রসঙ্গত, ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল রিপাবলিক বাংলায় সিনিয়র এডিটর এবং হেড অফ ইনপুট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি দিয়ে উপস্থাপনের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন।

    এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। মোশাররফ করিম, আজমেরি হক বাঁধনের মতো শিল্পীরা ছাত্র-জনতার আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করলেও চঞ্চল একেবারেই নিশ্চুপ ছিলেন। নেটিজেনরা তখন থেকেই এই অভিনেতার সমালোচনায় মুখর। নতুন করে ময়ূখের সঙ্গে এই ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ফের নেটিজেনদের রোষানলে পড়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মনে হয় মরে যাই, বেঁচে থেকে কী লাভ’

    কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ভারতে তোলপাড়।

    সেই আন্দোলনে প্রথম থেকেই রাস্তায় নেমেছিলেন ভারতীয় বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দিনের পর দিন তিনি কাটিয়েছেন রাজপথে। শুধু তাই নয়, দুর্নীতির বিপক্ষে আওয়াজ তোলায় তাকে নিয়ে ক্রমাগত সমালোচনা হয়। অভিনেত্রীকে পুজোয় ছবি রিলিজের কারণেও সমালোচনা সহ্য করতে হয়।

    সম্প্রতি তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি ইন্ডাস্ট্রিতে কারো সঙ্গে প্রেম করেছেন। অভিনেত্রীকে সোজা বলে দিলেন, ‘না, এক্কেবারেই না। এ জীবনে আমি কোনদিন এই ইন্ডাস্ট্রিতে একটাও প্রেম করিনি। আর করবও না।’ 

    যদিও স্বস্তিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে নাম জড়িয়েছিল অভিনেতা জিৎ, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের।

    তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার বন্ধু আছে? উত্তরে তিনি বলেন, এত বন্ধু রয়েছে যে আমি গুণে শেষ করতে পারব না। এরপরই তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমার কোনো বন্ধু নেই।’ 

    আরজিকর আন্দোলনে তাকে নিয়ে ট্রোল করা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এত কষ্ট পাই। মনে হয় মরে যাই। বেঁচে থেকে কী লাভ, এটাই মনে হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া-কৃতি-অনন্যারা পোশাক নিয়ে সমালোচনায়

    আবুধাবিতে ‘উৎসব’ সেরে ফিরল বলিউড। সেই উৎসবে বলিউডের নক্ষত্র সমাবেশও হয়েছিল যারপরনাই।

    বলি বাদশাহ শাহরুখ খান থেকে শুরু করে জাহ্নবী কাপুরের মতো নব্য প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও জমকালো সাজে আলো ঝলমলে উজ্জ্বল ছিলেন পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চে।

    তবে বহু তারকাকে চেনা ছন্দে পাওয়াও গেল না। উৎসবের মঞ্চে পোশাক সমালোচকদের কটাক্ষের শিকার হতে হলো ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, কৃতি শ্যানন, অনন্যা পান্ড আর উর্বশী রাউতেলাদের। দেখে নিন ফ্যাশনের পরীক্ষায় কারা সমালোচকদের কাছে পাশ নম্বর পেলেন না।

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর সব অনুষ্ঠানে মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই হাজির হচ্ছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। প্যারিস হোক বা আবুধাবি— সর্বত্রই অভিষেককন্যা আছেন। সম্প্রতি প্যারিসে ঐশ্বরিয়ার পরনের রক্ত-লাল গাউন সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। কিন্তু আবুধাবিতে ঐশ্বরয়া মেয়ের হাত ধরে এলেন কালো রঙের লম্বা ঝুলের জ্যাকেট আর স্যুট পরে।

    ইদানীং ঐশ্বরিয়ার চেহারা সামান্য ভারি হওয়ায় তার বেশিরভাগ পোশাকেরই পেছন দিকে মাটিতে লুটিয়ে থাকে ‘কেপ’। কালো স্যুটেও তার ব্যত্যয় হয়নি। সঙ্গে জ্যাকেটে ছিল হালকা সোনালি ক্রিস্টালের নকশা, যা দেখে ফ্যাশন সমালোচকেরা বলছেন— বড্ড বেশি একঘেয়ে আর বড্ড বেশি কালো।

    অন্যদিকে কৃতি শ্যানন জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে ক্যারিয়ারে নতুন মোড় নিয়েছে তার। ঝুলিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ছবিও। আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কৃতির ফ্যাশনবোধ প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু এবার আবুধাবিতে প্রথম দিনে আঁটসাঁট ফিশনেট গাউন পরেছিলেন তিনি।

    পোশাকটির গলার অংশটি ছিল অত্যন্ত খোলামেলা, যা দেখে ফ্যাশন সমালোচকরা বলছেন— মনে হচ্ছে কিছুটা জোর করেই শরীর প্রদর্শন করছেন কৃতি। ব্যাপারটিকে ‘সস্তা মানসিকতা’ বলে কটাক্ষও করেছেন কেউ কেউ।

    আবার অনন্যা পান্ডের লাল রঙ দূর থেকে চোখে পড়ে। টুকটুকে লাল মিনি ড্রেসে অনন্যাও দূর থেকে চোখে পড়ছিলেন। কিন্তু ফ্যাশন সমালোচকরা বলছেন— অনন্যা শুধু চোখেই পড়ছিলেন, তাকে দেখতে মোটেও ভালো লাগছিল না।

    উরুর মাঝামাঝি থমকে যাওয়া লাল পোশাকটি অনন্যা পরেছিলেন লাল রঙের টাইটস আর লাল স্টিলেটো দিয়ে। জামায় দুই-একটা কালো রঙের গোলাপ ছাড়া অনন্যার পোশাকের গোটাটাই ছিল লালে লাল। সমালোচকদের কেউ কেউ নাকি জনান্তিকে অনন্যাকে ‘চলন্ত করোনাভাইরাস’ বলেও কটাক্ষ করেছেন!

    আরেক অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা। দুদিনের অনুষ্ঠান। দুদিনই সন্ধ্যায় উর্বশী রাউতেলা এমন সাজে হাজির হলেন যে, ফ্যাশন সমালোচকরা তার তুলনা টানলেন হলিউডের অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে।

    অবশ্য প্রশংসা নয়; সমালোচকরা বলছেন— উর্বশীকে জোলির অভিনীত চরিত্র ‘ম্যালেফিসিয়েন্ট’-এর মতো লাগছে। চরিত্রটিকে ছবিতে খলনায়িকা হিসাবেই উপস্থাপন করা হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চুলের ভিডিও ফাঁস হতেই ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে সমালোচনা

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের চুলের একটি ভিডিও ফাঁস হতেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ফ্যাশন উইকে অংশ নিতে গেছেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।

    সেখানেই মেকআপ রুমের ভেতরে এক ভক্ত দেখা করতে আসেন অভিনেত্রীর সঙ্গে। সেই সময় তৈরি হচ্ছিলেন ঐশ্বর্য। দেখা যায়, তার মেকআপ আর্টিস্ট ‘ফলস হেয়ার’ লাগাচ্ছেন। আর এরপরই শুরু হয় হাসাহাসি।

    তবে থেমে থাকেননি ঐশ্বরিয়ার ভক্তরাও। তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন রাইসুন্দরী কিন্তু পরচুলা নন। তার চুলে যা লাগানো হচ্ছে তা হলো ‘হেয়ার এক্সটেনশন’ অর্থাৎ চুল যাতে আরও ঘন লাগে।

    ঐশ্বরিয়ার ভক্তরা বলেছেন, ‘ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত সবাই এ কাজ করে থাকেন। এ নিয়ে নির্বোধের মতো হাসাহাসি করার কিছু নেই।’

    প্যারিস ফ্যাশন উইকে একা যাননি ঐশ্বরিয়া। সঙ্গে গেছে তার মেয়ে আরাধ্যা। মেয়েকে এক মুহূর্তের জন্যও কোলছাড়া করতে চান না তিনি। 

    গত এক বছর ধরে ঐশ্বরিয়ার বৈবাহিক জীবন নিয়ে নানা আলোচনা। গুঞ্জন রয়েছে তার ও অভিষেক বচ্চনের সুখের সংসারে নাকি ফাটল ধরেছে।

    ১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব পান ঐশ্বরিয়া। ২০০৬ সালে ‘উমরাও জান’ ছবিতে অভিনয়ের সময় ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন অভিষেক বচ্চন। এরপর তারা বিয়ে করেন। ২০১১ সালে মেয়ে আরাধ্যার জন্ম হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছবি শেয়ার করে সমালোচনার মুখে অভিনেত্রী

    সম্প্রতি ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক দেবের সঙ্গে মিসর ঘুরে এসেছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। দেশে ফেরার পর স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান তিনি। ঘুরে বেড়ানোর কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী।

    ছোট থেকে যে বন্ধুদের সঙ্গে বড় হয়েছেন তাদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ রয়েছে অভিনেত্রীর। বন্ধুদের বিয়েতে আনন্দ করা, বান্ধবীদের সঙ্গে বিভিন্ন পরিকল্পনা করা। এমনকি রুক্মিণীর জন্মদিনেও আমন্ত্রিত থাকে পুরো দল। 

    ছবি দেখে মনে হচ্ছে রুক্মিণী ভারতের গোয়ায় ঘুরতে গিয়েছেন। ৮ বছর আগেও এই একই গ্রুপ নিয়ে তিনি গোয়াতে যান। সেই স্মৃতি আবার নতুন করে দিলেন। রুক্মিণীকে কখনো সমুদ্রপাড়ে কখনো আখের রস কখনো কফিতে চুমুক দিতে দেখা যাচ্ছে। 

    রুক্মিণীকে কটাক্ষ করা হয় ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে। আসলে দেব এই ঘাটালের সংসদ সদস্য, আর রুক্মিণী যেহেতু তার প্রেমিকা, সেই কারণেই তাকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে।

    অনেকে লেখেন, ‘শ্বশুরবাড়িতে যে বন্যা হয়েছে গো, একবার এসে দেখে যাও দেখি।’ 

    আবার কেউ কেউ লেখেন, ‘ঘাটালের কী বাজে অবস্থা…ম্যাডাম ওইদিকে একটু লক্ষ্য দিন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমালোচনার জবাবে যা বললেন ঐশ্বরিয়া

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ১৯৯৪ সালে তিনি বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব পান। ২০০৬ সালে ‘উমরাও জান’ ছবিতে অভিনয়ের সময়ে ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন অভিষেক বচ্চন। এরপর তারা বিয়ে করেন। ২০১১ সালে মেয়ে আরাধ্যার জন্ম হয়। 

    গর্ভে সন্তানধারণের পরে স্বভাবতই তার ওজন বেড়ে গিয়েছিল। যে কারণে তাকে নিয়ে সেই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সমালোচনা হয়। তবে এ ধরনের কটাক্ষ তার ওপর কোন প্রভাব ফেলতে পারেনি। 

    অভিনেত্রী বলেছেন, ‘আমি বিরক্ত হইনি। সাধারণত বাস্তবে যা ঘটে থাকে, আমি আমার কন্যার সঙ্গে সেভাবেই সময় কাটাচ্ছিলাম; কিন্তু মানুষ নাটকীয়তা পছন্দ করে। সাধারণ বিষয় হয়তো পছন্দ হয়নি।’

    অভিনেত্রীরা চান সন্তান জন্মের পরই ওজন কমিয়ে নিতে। কিন্তু এসবে মন নেই ঐশ্বরিয়ার। তার এ বিষয়টি উদ্বুদ্ধ করেছে অন্য নারীদের।

    অভিনেত্রী জানান, অনেক নারী তাকে বলেছিলেন, ‘আপনি আমাদের অনেকটা আত্মবিশ্বাস ও সাহস জুগিয়েছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাজলকে নিয়ে সমালোচনা

    সাহায্যের হাত বাড়ানো বডিগার্ডকে ধাক্কা দিয়ে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কাজল। ইন্টারনেটে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে ছেলে যুগের সঙ্গে দেখা মিলছে কাজলের। ছেলের চোট, খুঁড়িয়ে হাটছে। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় সাহায্যের হাত বাড়ায় কাজলের দেহরক্ষী। আচমকা সেই বডিগার্ডকে ধাক্কা মেরে সরান কাজল। আর এতেই সমালোচনায় মুখর নেটিজেনরা। 

    নিজেরই বডিগার্ডের প্রতি এমন আচরণের কারণে তাকে অমিতাভপত্নী জয়া বচ্চনের সঙ্গেও তুলনা করেছেন কেউ কেউ। একজন বলেছেন, ‘কাজল দিন দিন জয়া বচ্চন হয়ে উঠছেন’। 

    কেউ বললেন, ‘জয়া বচ্চন পার্ট-২’। অবশ্য রূঢ় আচরণের জন্য কাজল সমালোচিত হলেন, এটাই প্রথম নয়।  আগেও বহুবার জনসমক্ষে বাজে আচরণের জন্য ট্রলড হয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক