Tag: সঞ্জয় দত্ত

  • বলিউডকে আর আগের মতো ‘পরিবার’ মনে হয় না: সঞ্জয় দত্ত

    চার দশকের বেশি সময় আগে যখন অভিনয়ে নাম লিখিয়েছিলেন, তখনকার চেয়ে হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্প এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। বলিউডের এই বদলে যাওয়া রূপ নিয়ে আক্ষেপ ঝরেছে প্রবীণ অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের কণ্ঠে। তার মতে, বলিউডকে এখন আর আপন কোনো ‘পরিবার’ মনে হয় না।

    সম্প্রতি এআইজি হসপিটালস-এর ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৬৭ বছর বয়সি এই অভিনেতা বলেন, একসময় বলিউডে একতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দারুণ এক মেলবন্ধন ছিল।

    সঞ্জয় দত্ত বলেন, আমি যখন কাজ শুরু করি, তখন এই ইন্ডাস্ট্রিকে একটি পরিবারের মতো মনে হতো। সবাই একসঙ্গে থাকতো, সবাই একে অপরকে সাহায্য করত। কিন্তু এখন এটি অনেক বেশি নির্দয় এবং প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। হলিউডের হিসাবটা অবশ্য এখান থেকে আলাদা।

    উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালে ‘রকি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় সঞ্জয় দত্তের। এরপর তিনি ‘খলনায়ক’ এবং ‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’-এর মতো একাধিক ব্লকবাস্টার সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকহৃদয় জয় করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাক্ষাৎকারে এ অভিনেতা কারাগারে কাটানো সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, জেলে বসে তার শেখা সবচেয়ে মূল্যবান শিক্ষাটি ছিল ‘ক্ষমা করা’।

    সঞ্জয় দত্ত বলেন, আমি ক্ষমা করতে শিখেছি। সেখানকার একজন কনস্টেবল আমাকে এ শিক্ষাটা খুব ভালোভাবে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘মানুষকে ক্ষমা করতে শিখুন, তাহলে জীবনে আরও বড় হতে পারবেন।’ হয়তো আপনি জানেন যে কেউ আপনাকে কষ্ট দিয়েছে, তারপরও তাকে ক্ষমা করে দিন।

    তিনি আরও জানান, ক্ষমা করার এ গুণটি তার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গিকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।

    সঞ্জয় দত্তকে সর্বশেষ দেখা গেছে আদিত্য ধর পরিচালিত অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘ধুরন্ধর’-এ। এই সিনেমায় তার অনবদ্য অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • একাধিক নারীসঙ্গ ও বৈচিত্র্যময় সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন সঞ্জয় দত্ত

    বলিউডের ‘ব্যাড বয়’খ্যাত অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত নানা চড়াই-উতরাই আর প্রেমের গোলকধাঁধা পেরিয়ে ২০০৮ সালে মান্যতা দত্তকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেন। ২০১০ সালে তাদের ঘর আলোকিত করে আসে যমজ সন্তান। মান্যতার হাত ধরেই অভিনেতা খুঁজে পান জীবনের প্রকৃত স্থিতিশীলতা। বর্তমানে মান্যতা আর সন্তানদের নিয়েই তার রঙিন সংসারের দিনকাল কাটছে। 

    যদিও সঞ্জয় দত্তের জীবনের শুরুর প্রথম অধ্যায় ছিল ১৯৮৭ সালে রিচা শর্মার সঙ্গে। তার ঘর আলো করে এসেছিল কন্যাসন্তান ত্রিশলা। কিন্তু সুখের সেই দিনগুলো বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ১৯৯৬ সালে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় রিচা শর্মার। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও সঞ্জয়ের জীবনে বসন্তের হাওয়া বইতে দেরি হয়নি। রিচার মৃত্যুর পরপরই এক বিদেশিনীর প্রেমে বুঁদ হয়েছিলেন এ ‘ব্যাড বয়’খ্যাত অভিনেতা।

    রুপালি পর্দার মারকুটে এ অভিনেতা বাস্তব জীবনের বিতর্কিত অধ্যায় সবসময় খবরের শিরোনামে এসেছেন। তবে তার জীবনের সবচেয়ে চর্চিত বিষয় ছিল— তার অবাধ নারীসঙ্গ ও বৈচিত্র্যময় ব্যক্তিগত জীবন। তিনবার বিয়ের পিঁড়িতে বসা এ অভিনেতার জীবনে এসেছে অসংখ্য প্রেম। একাধিক নারীর সঙ্গ পেয়েছেন তিনি। এমনকি এক বিদেশিনীর সঙ্গে গোপন সম্পর্কের জেরে বারবার হোঁচট খেয়েছে তার সংসার। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রিচা শর্মার মৃত্যুর দুই বছর পর ১৯৯৮ সালে রিয়া পিল্লাইকে বিয়ে করেন সঞ্জয় দত্ত। কিন্তু বিয়ের পরও থেমে থাকেনি তার প্রেমের গাড়ি। বলিউডের অলিগলিতে কান পাতলেই তখন শোনা যেত সুস্মিতা সেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কথা। তবে সুস্মিতা সেন ছাড়াও সঞ্জয়ের জীবনে তখন রাজত্ব করছিলেন ‘নাদিয়া’ নামে এক রহস্যময়ী নারী। তাদের সম্পর্ক এতটাই জটিল ছিল যে, নাদিয়াকে না জানিয়েই শুটিংয়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন অভিনেতা। 

    ২০০২ সালে ‘কাঁটে’ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য এক সপ্তাহ আমেরিকায় ছিলেন তিনি। কিন্তু নাদিয়ার নজর এড়ানো ছিল দায়! অভিনেতার বিদেশে যাওয়ার খবর শুনে তিনিও পিছু পিছু পাড়ি জমান সুদূর আমেরিকায়। এমনকি সোজা শুটিং সেটে পৌঁছে গিয়ে সঞ্জয়কে রীতিমতো চমকে দিয়েছিলেন। তবে এই টানাপোড়েনের সম্পর্কটিও শেষ পর্যন্ত টেকেনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিতর্কিত গানের কারণে নারী কমিশনে হাজিরা সঞ্জয়ের

    দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল)  আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। 

    ‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। 

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ গানটি  প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।

    সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৩ বছর পর সিক্যুয়েলে ফিরছেন সঞ্জয় দত্ত

    নব্বই দশকের অন্যতম সফল ও কালজয়ী সিনেমা ‘খলনায়ক’ নতুন রূপে পর্দায় ফেরার জন্য প্রস্তুত। অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন প্রজেক্ট ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর ঘোষণা করেছেন। এটি মূল সিনেমার সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মিত হবে বলে জানা গেছে। 

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ছবিটির একটি সংক্ষিপ্ত টিজার উন্মোচন করা হয়। সেখানে সঞ্জয় দত্তকে তার চিরচেনা ‘বল্লু’ চরিত্রে এক নতুন ও শক্তিশালী লুকে দেখা গেছে। 

    সঞ্জয় দত্তের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘থ্রি ডাইমেনশন মোশন পিকচার্স’ এবং প্রযোজক অক্ষয় কম্বোজের ‘অ্যাসপেক্ট এন্টারটেইনমেন্ট’ যৌথভাবে কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ ঘাই ও তার প্রতিষ্ঠান ‘মুক্তা আর্টস’ থেকে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির স্বত্ব কিনে নিয়েছে। ছবিটির সৃজনশীল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন জিও স্টুডিওসের জ্যোতি দেশপাণ্ডে। 

    অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্ত একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলায় জেল খাটার সময়ই ‘খলনায়ক’-এর কাহিনী এগিয়ে নেওয়ার চিন্তা তার মাথায় আসে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতা বলেন, ‘জেলে থাকাকালীন আমি বন্দিদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম তারা এটি দেখতে আগ্রহী কিনা। প্রায় ৪ হাজার কয়েদি ইতিবাচক সাড়া দেন। আমি তাদের সবাইকে নতুন গল্পের ওপর এক পৃষ্ঠা করে লিখতে বলেছিলাম। সেই ৪ হাজার পৃষ্ঠা পড়তে আমার দীর্ঘ সময় লেগেছে।’

    পরবর্তীতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার সম্মতি আদায় করেন। 

    সিনেমার প্রত্যাশা নিয়ে ৬৬ বছর বয়সি এই তারকা জানান, তিনি কোনো তাড়াহুড়ো করতে চান না। তার মতে, ‘ছবির আসল নায়ক হলো এর চিত্রনাট্য। সেটি নিখুঁত করতে যদি ৬ থেকে ৮ মাস বা তার বেশি সময় লাগে, আমরা তা নেব। যতক্ষণ না চিত্রনাট্য সেই উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, ততক্ষণ আমরা শুটিং শুরু করব না।’ 

    মূল সিনেমার পরিচালক সুভাষ ঘাই সঞ্জয় দত্তের এই উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সঞ্জু এবং মান্যতার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল এটি করার। আমি নিশ্চিত এটি মূল ছবির চেয়েও ভালো কিছু হবে।’

    উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ‘খলনায়ক’ ছবিতে সঞ্জয় দত্ত (বল্লু), জ্যাকি শ্রফ (রাম) এবং মাধুরী দীক্ষিত (গঙ্গা) অভিনয় করেছিলেন। তবে এর নতুন কিস্তিতে পুরোনো শিল্পীদের দেখা যাবে কিনা, সেটি গোপন রাখা হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার সাতপাঁচ তোয়াক্কা না করেই নেপাল পাড়ি দিলেন সঞ্জয় দত্ত

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের ২০২৫ সালে নেপালে বেড়াতে যাওয়ার কথা ছিল। সে সময়ে নেপালের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে তার যাওয়া হয়নি। এবার সাতপাঁচ না ভেবে নেপাল গেলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গী ছিলেন বন্ধু অভিনেতা রাহুল মিত্র।  

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, কারাবাসে কাটানোর সময়েও শিবপুরাণ পড়তেন সঞ্জয় দত্ত। বন্ধু রাহুলের কথায়, শিবের সঙ্গে এক অদ্ভুত যোগ রয়েছে মহাদেবের। এবার বাবার ডাক এসেছে, তাই যেতেই হবে। এ বছর কোনো সাতপাঁচ তোয়াক্কা না করেই চলে গেলেন বন্ধুর সঙ্গে নেপাল।

    সঞ্জয় দত্তকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কখনো কারাগারে কাটানো ঘটনার কারণে। আবার কখনো শারীরিক অসুস্থতার কারণে চর্চা হয়েছে এ অভিনেতাকে ঘিরে। তবে এবার কি খানিক আধ্যাত্মিকতায় মন অভিনেতার?  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে দর্শকমহলে। অনেক দিন পর এ সিনেমায় একেবারে পুরোনো ফর্মে দেখা গেছে সঞ্জয় দত্তকে। একজন পুলিশকর্তার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। তবে কি সিনেমার সাফল্যে নেপাল বেড়াতে গেলেন অভিনেতা?  

    শুধুই কি শিবদর্শন? নেপালে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি, স্থানীয় খাবারও খেয়েছেন সঞ্জয়। 

    বন্ধু রাহুল জানান, তিনি ও সঞ্জয় অরুণাচল প্রদেশ, রাজস্থানের মতো জায়গায় বেড়াতে গিয়েও স্থানীয় খাবার ডাল, ভাত, মসুর ডালের বড়া, নুডলস স্যুপ, মটন কাটিয়ার মতো খাবার চেখে দেখেছেন। তাই নেপালের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টাইগারের সঙ্গে কাজ করে নিজেকে নতুন অভিনেতা মনে হয়েছে: সঞ্জয় দত্ত

    বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের সিনেমা ‘বাগী ৪’ গত শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে। সাজিদ নাদিয়াওয়ালার প্রযোজনা এবং এ হর্ষ পরিচালিত এ সিনেমাটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে অ্যাকশন সিনেমা হতে চলেছে, এমনটি আগেই বলা হয়েছিল। সিনেমায় টাইগার শ্রফকে দেখা গেছে অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের বিরুদ্ধে এক মিশনে।

    সম্প্রতি ‘বাগী ৪’ সিনেমা মুক্তি সামনে রেখে পিঙ্কভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেন তিনি এ সিনেমায় কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন সে বিষয়ে জানিয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত । তিনি বলেন, টাইগার শ্রফের মতো তরুণের সঙ্গে কাজ করে তার নিজেকেও নতুন অভিনেতার মতো মনে হয়েছে।

    অভিনেতা বলেন, ‘বাগী ৪’ সিনেমায় আমার চরিত্রটি খুবই শক্তিশালী ও নৃশংস। কিন্তু সিনেমার শেষে দর্শকদের মনে তার প্রতি এক ধরনের অনুভূতি তৈরি হবে। 

    সঞ্জয় দত্ত বলেন, যখন আমি প্রথম চিত্রনাট্য শুনেছিলাম, তখন আমার ‘বাস্তব’ সিনেমার কথা মনে পড়ে যায়। এমন অনুভূতি আমার অনেক দিন হয়নি।

    তিনি বলেন, এ চরিত্রের জন্য তিনি অনেক বেশি পরিশ্রম করেছেন। এ চরিত্রের জন্য আমি নিজেকে নতুন করে তৈরি করেছি। শরীরচর্চা থেকে শুরু করে কঠোর প্রশিক্ষণ নিয়েছি এবং অনেক পরিশ্রম করেছি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সঞ্জয় দত্ত কন্যার রহস্যময় পোস্ট নিয়ে তোলপাড়

    বলিউড অভিনেতা
    সঞ্জয় দত্তের মেয়ে ত্রিশলা দত্ত।সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তিনি এক চিন্তাশীল বার্তা শেয়ার
    করেছেন, যা পরিবার, সম্মান আর মানসিক শান্তি নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ইনস্টাগ্রাম
    স্টোরিতে ত্রিশলা লিখেছেন, কেবল রক্তের সম্পর্ক থাকলেই কেউ জীবনে জায়গা পাওয়ার যোগ্য
    হয়ে যায় না।

    বিষয়টি তিনি
    ব্যাখ্যা করে বলেছেন, কখনো কখনো সবচেয়ে ক্লান্তিকর এবং অবহেলাকারী মানুষই ‘পরিবার

    নামে পরিচিত হয়।

    ত্রিশলার এ
    বার্তায় জোর দিয়ে বলা হয়, সন্তানদের অধিকার আছে বাবা-মা বা আত্মীয়দের থেকে দূরে থাকার,
    যদি তারা বারবার আঘাত দেয় বা অপরাধবোধে ভোগায়।

    ৩৭ বছর বয়সি
    সঞ্জয় দত্ত কন্যা লিখেছেন
    মনের শান্তি পরিবারের ইমেজের চেয়ে অনেক
    বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

    তিনি স্পষ্ট
    করে দেন যে, একটা বিষাক্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার কোনো বাধ্যবাধকতা
    নেই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ত্রিশলা আরও
    বলেন, যখন বাবা-মা সন্তানের সুখের চেয়ে পরিবারের বাহ্যিক সুনাম রক্ষা করাকে বেশি গুরুত্ব
    দেন, তখন তা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক ক্ষতির কারণ হয়।

    তিনি আহ্বান
    জানান, যারা সবসময় কষ্ট দেয় তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কোনো জোরাজুরি নেই, এমনকি তারা
    যদি লালন-পালনও করে থাকেন।

    ত্রিশলার ব্যক্তিগত
    যাত্রা

    ত্রিশলা দত্ত
    ১৯৮৮ সালে সঞ্জয় দত্ত ও তার প্রথম স্ত্রী অভিনেত্রী ঋচা শর্মার ঘরে জন্ম নেন। ১৯৯৬
    সালে ব্রেন টিউমারে তার মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নানা-নানির
    কাছে বড় হয়েছেন।

    বলিউডের আড়ালে
    থাকলেও ত্রিশলা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খোলামেলা ও আত্মসমালোচনামূলক পোস্ট
    দিয়ে শিরোনামে আসেন।

    সম্প্রতি মেয়ের
    জন্মদিনে (১০ আগস্ট) বাবা সঞ্জয় দত্ত তাকে উদ্দেশ করে লিখেছিলেন

    তোমার জন্য সবসময় গর্বিত, সবসময় ভালোবাসি।

    ঋচা শর্মার
    মৃত্যুর পর সঞ্জয় দত্ত ১৯৯৮ সালে রিয়া পিল্লাইকে বিয়ে করেছিলেন। তবে ২০০৮ সালে তাদের
    বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি মান্যতা দত্তকে বিয়ে করেন এবং তাকে নিয়েই আছেন। তাদের ঘরে রয়েছে
    যমজ সন্তান শাহরান ও ইকরা।

    বলিউড অভিনেতা
    সঞ্জয় দত্তকে সর্বশেষ হাউসফুল-৫ সিনেমায় দেখা গেছে। তার আসন্ন প্রজেক্টগুলোর মধ্যে
    আছে কন্নড় সিনেমা কেডি: দ্য ডেভিল, তেলুগু সিনেমা দ্য রাজা সাহেব এবং অখণ্ডা-২, আর
    হিন্দি সিনেমা বাঘি-৪ ও ধুরন্ধর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই নারীর টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন সঞ্জয় দত্ত

    সঞ্জয় দত্তকে অন্ধের মতো ভালোবাসতেন নিশা পাটিল নামে ৬২ বছর বয়সি এক নারী। সেই নারী থাকতেন মুম্বাইতেই। জীবনের শেষ সময়ে জটিল রোগে ভুগছিলেন তিনি। তাই সিদ্ধান্ত নেন, মৃত্যুর আগেই নিজের ৭২ কোটি টাকার সম্পত্তি অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের নামে লিখে যাবেন। 

    বহু বিতর্কের মাঝে আজও দর্শকদের ‘কাছের মানুষ’ হিসাবে পরিচিত এ অভিনেতা। ২০১৮ সালে এমনই একটি বিরল ঘটনা ঘটেছিল এ অভিনেতার জীবনে, যা আবার উঠে এলো আলোচনায়। 

    জানা গেছে, সেই নারী মারা যাওয়ার আগে সঞ্জয়ের নামে ৭২ কোটি টাকার সম্পদ লিখে যান। পরে সেই অর্থ দিয়ে সঞ্জয় যা করেন, তা নিয়েও ওঠে নানা কৌতূহল। 

    আমি এই পুরো টাকাটা তার পরিবারকে ফিরিয়ে দিই। আমি তো নিশা পাটিলকে চিনতামই না। তবে পুরো ঘটনায় আমি খুবই অভিভূত হয়েছি।

    সঞ্জয় দত্ত

    সম্প্রতি তারই জবাব দিলেন অভিনেতা। বিভিন্ন ব্যাংকেও সেই নারী অনুরোধ জানিয়ে রাখেন, তিনি মারা গেলে যেন পুরো অর্থ অভিনেতার অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিষয়টি অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, জীবদ্দশায় কখনো সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা হয়নি নিশা পাটিলের। কেবল পর্দার চরিত্র দেখেই গড়ে উঠেছিল তার মুগ্ধতা ও একাত্মতা আর ভালোবাসা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা এ নিয়ে কথা বলেন, ঘটনাটি জানার পর তিনি একেবারে হতবাক হয়ে যান। তবে নৈতিক জায়গা থেকে তিনি সিদ্ধান্ত নেন। সম্পূর্ণ অর্থ নিশার পরিবারের কাছেই ফিরিয়ে দেবেন।  

    অভিনেতা বলেন, আমি এই পুরো টাকাটা তার পরিবারকে ফিরিয়ে দিই। আমি তো নিশা পাটিলকে চিনতামই না। তবে পুরো ঘটনায় আমি খুবই অভিভূত হয়েছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলা সিনেমায় কেন ঝুঁকছেন সঞ্জয় দত্ত, জানালেন কারণ

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা সঞ্জয়
    দত্তের আসন্ন কন্নড় সিনেমা ‘কেডি-দ্য ডেভিল’–এর ট্রেলার প্রকাশ হয়েছে। এ সময় ট্রেলার
    মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। অভিনেতা
    বলিউডে ‘প্যাশন’ বা আবেগের ঘাটতি রয়েছে বলে জানান।

    অনুষ্ঠানে নিজের তেলেগু ছবি ‘দ্য
    রাজা সাব’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেন, তিনি এখন প্রভাসের সঙ্গে কাজ করার জন্য তেলেগু
    ভাষা শেখার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, প্রভাস আমাকে শেখায়, মাঝে মাঝে আমাকে গুলিয়ে দেওয়ারও
    চেষ্টা করে। ও একজন দারুণ মানুষ এবং দুর্দান্ত অভিনেতা।

    সঞ্জয় দত্ত বলেন, বলিউডে এখন আর
    সেই আবেগটা নেই, যেটা আগে ছিল। আমি সেটা পাচ্ছি দক্ষিণের সিনেমাগুলোতে। এমনকি টালিউডের
    বাংলা সিনেমাতেও আছে। আমি চাই, এই আবেগটা আবার বলিউডে ফিরে আসুক। কারণ সিনেমা একান্তই
    আবেগের বিষয় বলে জানান অভিনেতা।

    তিনি বলেন, তিনি চিরঞ্জীবীর ভীষণ
    ভক্ত। চিরঞ্জীবী স্যারকে আমি খুব ভালোবাসি। উনি এখানে মুন্না ভাই হয়েছেন। তার সঙ্গে
    আমার দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। ঈশ্বর তার মঙ্গল করুন।

    উল্লেখ্য, সঞ্জয় দত্তের ‘কেডি-দ্য
    ডেভিল’ সিনেমাটি ২০২৬ সালের ১০ জুলাই মুক্তি পাবে। এর আগে তাকে দেখা যাবে তেলেগু সিনেমা
    ‘অখণ্ড ২’ ও ‘দ্য রাজা সাব’, হিন্দিতে ‘ধুরন্ধর’ ও ‘বাপ’ এবং পাঞ্জাবি সিনেমায় ‘শেরান
    দি কৌম পাঞ্জাবি’-তে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কার নিষেধ মেনে ওয়েস্টার্ন পোশাক পরেন না আমিশা পাটেল?

    বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তারকাদের মধ্যে বন্ধুত্ব নতুন কিছু নয়। উদারহরণ হিসাবে বলা যায়, শাহরুখ খানের সঙ্গে জুহি চাওলার বন্ধুত্বের কথা। আরও অনেকেরই এ রকম বন্ধুত্বের সম্পর্ক আছে। এক বন্ধুর ভালো মন্দ দেখাই যেন আরেক বন্ধুর দায়িত্ব। আবার সে দায়িত্ব কখনো আদেশ বা নিষেধের পর্যায়ও অতিক্রম করে ফেলে! এই যেমন সঞ্জয় দত্ত তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু অভিনেত্রী আমিশা পাটেলকে ওয়েস্টার্ন পোশাক পরতে দেন না। আর আমিশাও লক্ষ্মী মেয়ের মতো বন্ধুর আদেশ মেনে নেন। তাহলে কী সত্যিই সঞ্জুর কথামতো আমিশা ওয়েস্টার্ন পোশাক পরেন না। কিংবা পর্দায় যে দেখা গেছে সেসব কী?

    সম্প্রতি সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে মুখ খুলেছেন আমিশা প্যাটেল। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন এ সম্পর্কের আদ্যোপান্ত। বলেছেন, ‘সঞ্জুর বাড়িতে গেলে শর্টস বা ওয়েস্টার্ন পোশাক পরার অনুমতি নেই’। মূলত আমিশা প্যাটেলের পোশাক নিয়ে বন্ধু সঞ্জয় দত্ত খুবই রক্ষণশীল! শুনতে খুব অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

    আমিশা বলেন, ‘সঞ্জু-র সঙ্গে সম্পর্ক এমন যে, আমার জন্মদিন তার বাড়িতে উদযাপন হয়। সে আমাকে নিয়ে খুবই রক্ষণশীল। সব সময় আমার সুরক্ষা নিয়ে ভাবে। তার বাড়িতে আমাকে সব সময় শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ পরে যেতে হয়। কখনোই আমার শর্টস এবং ওয়েস্টার্ন পোশাক পরে যাওয়ার অনুমতি নেই। সঞ্জু বলে যে, আমি নাকি এ ইন্ডাস্ট্রির (বলিউড) জন্য নই, কারণ আমি খুবই সরল। সে প্রায়ই বলে, আমি তোমার বিয়ে দেব, আমি ছেলে খুঁজে দেব, আমি কন্যা দান করব।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আসলে সঞ্জু আমার ভালো চায়। আমাকে পছন্দ করে, তাই আমার প্রতি রক্ষণশীল মনোভাব তার। এটাকে আমি পজেটিভলি দেখি।’ 

    এদিকে বর্তমানে সিনেমায় খুব একটা দেখা যায় না আমিশা প্যাটেলকে। সর্বশেষ তিনি অভিনয় করেছেন ‘গদর ২’ সিনেমায়। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় তিনি সানি দেওলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন। বক্সঅফিসে সুপারহিট হয়েছিল সিনেমাটি। এরপর নায়িকার অন্য কোনো সিনেমায় অভিনয়ের খবর আসেনি। হৃত্বিক রোশনের বিপরীতে ‘কহো না প্যায়ার হে’ সিনেমা দিয়ে বিটাউনে পা রাখেন আমিশা প্যাটেল। এরপর ইন্ডাস্ট্রির সব সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করেছেন। অন্যদিকে, সঞ্জয় দত্তকে আগামীতে ‘হাউসফুল-৫’, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ এবং ‘সন অফ সরদার-২’ সিনেমায় দেখা যাবে।

    বিনোদন ডেস্ক