Tag: সংবাদপত্র

  • বিয়ে করছেন প্রিয়ন্তী, পাত্র কে?

    মডেল-অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী অচিরেই জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন। চলতি বছরে বিয়ে করছেন উর্বী। তবে এখনই পাত্রের নাম-পরিচয় জানাতে চাচ্ছে না। শুধু জানালেন, ছেলে দেশের একটি সংবাদপত্রের বিপণন বিভাগে কর্মরত আছেন।

    উর্বী জানান, বছরখানেকের পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, পরে বিয়ের প্রস্তাব। এ বছরই পারিবারিকভাবে বিয়ে সারবেন উর্বী। এরই মধ্যে বিয়ের কেনাকাটাও শুরু করেছেন।

    বিয়ের প্রস্তাবের সেই গল্পটাও শোনালেন প্রিয়ন্তী উর্বী। চলতি বছরে জুলাইয়ে উর্বীর জন্মদিন ছিল। বিশেষ এই দিনে ছয় বন্ধুকে নিয়ে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে সেই বন্ধুও ছিলেন। সমুদ্রের তীরে বসে ছিলেন। সিনেম্যাটিক স্টাইলে নায়িকাকে পায়েল পরিয়ে দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। সেই বন্ধুর সেন্স অব হিউমারের অনুরাগী ছিলেন উর্বী।

    এরপর আর ব্যাপারটা দুজনের মধ্যে আটকে থাকেনি; পারিবারিকভাবে গড়িয়েছে। কয়েক দফায় দুই পরিবারের মধ্যে আলাপ হয়েছে। এখন শুধু বিয়ের দিনক্ষণ ঘোষণার বাকি।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রিয়ন্তী উর্বীর হবু স্বামীর নাম সালমান আহমেদ। তিনি দেশের প্রথমসারির একটি ইংরেজি গণমাধ্যমে বিপণন বিভাগে কর্মরত। সালমান-উর্বী উভয়ের ফেসবুকেই তাদের যুগল ছবি রয়েছে। সেসব ছবি দেখেই আচ করা যায় সালমান-উর্বীর সম্পর্ক।

    এছাড়া উর্বীর কথানুযায়ী পাত্র মালয়েশিয়ায় থেকে সাড়ে তিন বছর পড়াশোনা করেছেন। ওদিকে সালমানের ফেসবুকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ালেখা করেছেন। দুইয়ে দুইয়ে চার মিলে যায়। ধারণা করা হচ্ছে যে সালমানই উর্বীর সেই পাত্র।

    এদিকে উর্বীর বিয়ে সম্পর্কিত খবর নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সালমান। ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অনেকেই সালমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বোঝাই যাচ্ছে আর কেউ নন, সেই পাত্র সালমান আহমেদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শত শত শহিদ, শত শত গুম, মানুষের কান্না মিডিয়ায় তুলে ধরুন: ফারুকী

    ছাত্র-জনতার এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পতন হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের। গত ১৬ জুলাই থেকে রাজপথে অনেক ছাত্র-জনতা অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন। গুলিতে কারও খুলি উড়ে গেছে, কারও বুক এফোঁড়-ওফোঁড় হয়েছে। হতাহতদের স্বজনের আহাজারিতে ভারী হয়েছে হাসপাতাল। আত্মত্যাগের এই গল্পগুলো তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    গতকাল মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে দেশের সব সংবাদপত্রকে উদ্দেশ করে ফারুকী লিখেছেন, ’হ্যালো বাংলাদেশী বাংলা এবং ইংরেজী পত্রিকা। এই যে শত শত শহীদ, শত শত গুম, মানুষের কান্না- এগুলো আপনাদের পাতায় তুলে ধরেন। ফ্যাসিবাদ-বিরোধী আন্দোলনে তাদের আত্মত্যাগই আজকে আমাকে এবং আপনাদের কথা বলার স্বাধীনতা এনে দিয়েছে।’

    যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাকস্বাধীনতা পেয়েছে গণমাধ্যম, তাদের গল্প ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ঋণ স্বীকারের আকুতি এই চিত্র পরিচালকের, ‘(আন্দোলনকারীদের) সেই ঋণ শোধ হবে না কোনোভাবেই, কিন্তু তাদের গল্পগুলা তুলে ধরার মাধ্যমে, তাদের হাহাকার লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে আমরা এই ঋণ স্বীকার করতে পারি।’ 

    আন্দোলনে যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছেন, দলমত নির্বিশেষে তাদের গল্প তুলে ধরার আরজি ফারুকীর, ‘নির্যাতিত সেই মানুষগুলো কোন দলের সেটা বিবেচনায় না নিয়েই এই কাজটা করেন!’

    বিনোদন ডেস্ক