Tag: শ্রীলেখা

  • ওর সঙ্গে ডিভোর্স হয়নি: শ্রীলেখা

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র মানেই ঠোঁটকাটা, শ্রীলেখা মানেই আনকাট। শ্রীলেখার ‘রিলেশনশিপ স্টেটাস’ সবার জানা। এক দশক আগে স্বামী শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদ হয়েছে এ অভিনেত্রীর।

    বিবাহবিচ্ছেদ হলেও শিলাদিত্যের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব আগের মতোই আছে, সে কথা বারবার উল্লেখ করেছেন শ্রীলেখা মিত্র। সাবেক স্বামীর সঙ্গে জুড়ে থাকা পুরোনো সম্পর্কগুলোও আগের মতোই অটুট রয়েছে বলে জানান অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের সাবেক স্বামীর ফুফুর সঙ্গে ছবি পোস্ট করলেন শ্রীলেখা। সঙ্গে মন ছোঁয়া ক্যাপশন লিখলেন তিনি—আমার ফুফুশাশুড়ি। না, উনি আমার এক্স নন, ওনার সঙ্গে ডিভোর্সও হয়নি।

    অর্থাৎ বিয়ে না টিকলেও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে আজও সম্পর্ক অটুট নায়িকার। বছরখানেক আগে শিলাদিত্যের ভাইয়ের বিয়েতেও হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। বৌদির দায়িত্ব পালনে তৎপর ছিলেন। 

    শ্রীলেখার শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে তার ও শিলাদিত্যের একমাত্র মেয়ে মাইয়্যা (ঐশী) সান্যালেরও। চলতি মাসেই ১৯-এ পা দিয়েছেন শ্রীলেখাকন্যা। মায়ের মতোই সুন্দরী হয়েছেন ঐশী।

    উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে পেশায় সিনেমাটোগ্রাফার শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে বিয়ে হয় শ্রীলেখা মিত্রের। ভালোবেসেই পরস্পরের হাত ধরেছিলেন তারা। কিন্তু সুখের হয়নি দাম্পত্য। বিয়ে ভাঙার কারণ কোনো তৃতীয় ব্যক্তি বা পরকীয়া নয়, বরং ছিল পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব। 

    বিযে ভাঙলেও কোনো দিন সাবেককে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেননি অভিনেত্রী। সাবেক স্বামী অত্যন্ত হ্যান্ডসাম হওয়াতেই আর কাউকে মনে ধরেনি শ্রীলেখার। আজও সিঙ্গেল অভিনেত্রী। 

    সাবেকরা নাকি বন্ধু হন না? এই মিথ বলিউডে ভেঙে ফেলেছেন আরবাজ-মালাইকা, সুজান-হৃতিকরা। টালিপাড়াও পিছিয়ে নেই। বিয়ে ভাঙলেও বন্ধুত্ব অটুট শ্রীলেখা মিত্র ও তার সাবেক স্বামী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাকে পাগল বলা হয়েছিল: শ্রীলেখা

    অবসাদগ্রস্ত মানুষের খোঁজ নেয় কজন? প্রশ্ন তুললেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। অনেকবার অবসাদ নিয়ে মুখ খুলেছেন এ অভিনেত্রী। আরও একবার এই একই বিষয় নিয়ে সরব হলেন শ্রীলেখা। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি একাধিকবার কটাক্ষের শিকার হয়েছেন। অবসাদ নিয়ে প্রশ্ন করতেই শ্রীলেখা বলেন, অনেক আগে এ নিয়ে কথা বলেছিলাম। তখন আমাকে পাগল বলা হয়েছিল।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে দৈহিক গঠন নিয়ে কটূক্তি করার যে প্রবণতা তাতে ইতি টানার অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রীলেখা। পোস্টের শুরুতেই তিনি লিখেছেন—বহু ক্ষেত্রে অবসাদেও মানুষ মোটা হয়। আমি নিজেই জলজ্যান্ত উদাহরণ। খোঁজ নিয়েছেন কখনো, মানুষটা কেমন আছেন? 

    কিন্তু হঠাৎ কেন এই পোস্ট? এমন প্রশ্নে আনন্দবাজার অনলাইনের এক সাক্ষাৎকারে শ্রীলেখা বলেন, এক অভিনেত্রীর নাম নিতে চাই না। কারণ বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা হবে। সেই অভিনেত্রীর চেহারায় পরিবর্তন এসেছে বলে যেভাবে ট্রল করা হচ্ছে, তা ভাবা যায় না।  এটি যে একজন অভিনেত্রীর ওপরে কত বড় চাপ হতে পারে, তা ভালো বলতে পারেন, যিনি ভুক্তভোগী। তিনি বলেন, আমরা নিজেরাও তো ১০ বছর আগের ছবি দেখে ভাবি— ইস! কী সুন্দর দেখতে ছিলাম। মানুষ তো এক রকম থাকে না। বয়সের সঙ্গে বাহ্যিক সৌন্দর্য বদলায় বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বয়স হয়ে গেলে তথাকথিত সৌন্দর্য ধরে রাখতে অনেকে কড়া ডায়েট মেনে চলেন ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যতে এর বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করেন শ্রীলেখা। অভিনেত্রীর দাবি, হলিউডের ঠিক করে দেওয়া সৌন্দর্যের সংজ্ঞা বলিউড অনুসরণ করতে চায়। আর বলিউডকে অনুসরণ করে এই টালিউড।

    শ্রীলেখা বলেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকে নিজেকে ভালোবাসে। নিজেদের ছবি দেখতে পছন্দ করে। আর আমাদের জগতে ছবি ও সৌন্দর্য এগুলো তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, লোকে ভাবে— এরা সাজগোজ করে আবার টাকাও পাচ্ছে। তাই আমাদের সরাসরি আক্রমণ করা হয়।

    অবসাদ প্রসঙ্গে শ্রীলেখা বলেন, মানসিক অসুস্থতা চিহ্নিত করা খুব প্রয়োজন। প্রথমবার চিকিৎসক পর্যন্ত পৌঁছানোই বিরাট একটা কঠিন কাজ। তিনি বলেন, কিছু মানুষের অসুস্থতা ধরা পড়ছে। কিন্তু এই অসুস্থতা ধরা না পড়লে আরও মারাত্মক আকার নিতে পারে। আমি নিজে অবসাদে ভুগছি, সেটি জানতেই অনেক সময় লেগে গিয়েছিল। শ্রীলেখা বলেন, বিচ্ছেদের পর যখন নতুন করে জীবন শুরু করার চেষ্টা করছি, দেখলাম বিছানা থেকে উঠতে পারছি না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই জায়গায় বসে থাকতাম। বুঝলাম, চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। জীবনটা তো রূপকথা নয়। নিজেকেই নিজের দেখভাল করতে হবে।

    শ্রীলেখা বলেন, তিনি চিকিৎসা করিয়েছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ এখনো মেনে চলেন। তিনি বলেন, এটা যে কোনো মানুষের হতে পারে। আর মানসিক অসুস্থতা বা অবসাদের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। চেহারায় পরিবর্তন আসে। মানসিক অসুস্থতা নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন। এ নিয়ে ছুতমার্গ থাকা উচিত নয় বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাকে কি গায়ে আগুন দিয়ে প্রমাণ করতে হবে: শ্রীলেখা

    পশ্চিমবঙ্গে সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ডিরেক্টর্স গিল্ড বিশেষ বৈঠকের ডাক দিয়েছিল। সম্প্রতি এক কেশসজ্জা শিল্পীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় বিচলিত সবাই। ইন্ডাস্ট্রির সব বিভাগের নিরাপত্তা, কাজ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার প্রতিবাদে এবং কাজের উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার স্বার্থে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে একজোট হওয়ার বার্তা পৌঁছে ছিল টালিউডের শিল্পীদের কাছে।

    এর আগে পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়ের ওপর থেকে সাসপেনসনের খড়গ ওঠে যাওয়ার তাকে ঘিরে ফেডারেশনের সঙ্গে গণ্ডগোল বেঁধেছিল ডিরেক্টর্স গিল্ডের। সেই ঝামেলার আঁচ এখনো নেভেনি তা বেশ স্পষ্ট। এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে কেশসজ্জা শিল্পীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানান সংগঠনের সভাপতি সুব্রত সেন, সম্পাদক সুদেষ্ণা রায়, পরিচালক ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরীরা। কিন্তু এই বৈঠকের তাল কাটল শ্রীলেখা মিত্র মেজাজ হারানোর মধ্য দিয়ে।

    এ বর্ষীয়ান টালিউড অভিনেত্রী বলেন, চার বছর আগে তো আমি এই থ্রেট কালচার, ফেভারিটিজম নিয়ে কথা বলেছিলাম। আমাকে কি এই মেয়েটার মতো গায়ে আগুন দিয়ে প্রমাণ করতে হবে— আমি যা বলছি সেটি ঠিক কথা বলছি। এই কালচারটা আছে, যারা পাওয়ারে থাকে, যারা পাওয়ারে আছে; তারা ঠিক করে কারা কাজ করবে। তিনি বলেন, এখানে ট্যালেন্টের নিরিখে, কাজের নিরিখে কাজ দেওয়া হয় না। তুমি ডিরেক্টরের কাছের লোক কিনা, তুমি প্রযোজকের কাছের লোক কিনা; কিংবা কোনো গোষ্ঠীর কাছের লোক কিনা, সেই হিসাবে কাজ দেওয়া হয়।

    এ অভিনেত্রী বলেন, চার বছর আগে আমি এ কথাগুলো বলেছিলাম। দিনের পর দিন এই মেয়েটিকে কাজ করতে দেওয়া হয়নি। এখানে মেরিট বিচার করে কাজ করতে দেওয়া হয় না, এমনটি নয়। অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও নিজেদের মধ্যে খাওয়া-খায়ি করতে ব্যস্ত।

    তিনি বলেন, আরজি করকাণ্ডের ঘটনা যেমন সবাইকে নাড়া দিয়ে গেল, তেমনই আরেকজন মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পর সবাই কথা বলছে।

    কেন শ্রীলেখাকে বৈঠকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি—এ প্রসঙ্গে সুদেষ্ণা রায় বলেন, এটা পরিচালকদের বৈঠক, অন্য কাউকে কথা বলতে দেওয়া যাবে না। যদিও শ্রীলেখা স্পষ্ট বলেন, সবাইকেই সেখানে ডাকা হয়েছিল। কার্ডে স্পষ্ট লেখা ছিল— অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও নিজেদের মতামত জানাতে পারে। এবং শ্রীলেখা নিজেও পরিচালক হিসাবে কাজ করেন। এদিন নাম না করে স্বস্তিকাকেও বেঁধেন অভিনেত্রী।

    শ্রীলেখা বলেন, আমি সময়ের আগে বলেছিলাম। যার জন্য বেশ কিছ মানুষ— অনেক বড় হিরোইন, যাকে প্রতিবাদের মুখ হিসাবে ধরছে সবাই। তিনি বলেছিলেন— আমি স্লাট শেমিং করছি। আমি তো সম্পর্কের কথা বলেছিলাম, তার কাছে হয়তো সম্পর্ক মানে স্লাট শেমিং। তার মধ্যেই খামতি ছিল, তাই কাজ পাননি— এমন কথাও বলেছিলেন সেই অভিনেত্রী বলে জানান শ্রীলেখা।

    শ্রীলেখা বলেন, আমাকে শুনতে হয়েছে, তুমি মাথাদেরকে চটিয়েছো। যেহেতু আমি অভিনেত্রী হিসাবেই কথা বলেছিলাম, আমাকে ডিফেম করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কেন শ্রীলেখা কথাগুলো বললেন, সেটা বিবেচনা করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কথা রাখলেন না শ্রীলেখা!

    সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব থাকতে দেখা যায় টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে। সম্প্রতি তার একটি পোস্ট দেখে নেটিজেনরা ধরেই নিয়েছিলেন, সত্যিই বোধহয় নিজেকে আড়ালে করতে চলেছেন অভিনেত্রী। ওই পোস্টের পর হতাশা সৃষ্টি হতে থাকে তার অনুরাগীদের; সমবেদনাও প্রকাশ করেন তারা।

    rnrn

    বুধবার সকালে দেওয়া সেই ফেসবুক পোস্টে চড়া মন-মেজাজে শ্রীলেখা জানালেন, সামাজিকমাধ্যম থেকে ছুটি নিচ্ছেন তিনি। কারণ, সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিজে ঘটে যাওয়া আপত্তিকর ঘটনাগুলোর তথ্য নিতে পারছিলেন না অভিনেত্রী; যেন এসব খবরে রীতিমত ক্লান্ত ও স্ট্রেস ফিল করছিলেন।

    rnrn

    পোস্টটি দেখে শ্রীলেখার অনুরাগীরা ধরেই নিয়েছিলেন, আর বোধহয় সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে ধরা দেবেন না অভিনেত্রী। কিন্তু এমন সংকল্পের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই কথার বরখেলাপ করলেন অভিনেত্রী; ফের সক্রিয় হলেন নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে!

    rnrn

    সামাজিকমাধ্যম থেকে শ্রীলেখা ছুটি নেবেন এমন ঘোষণার ওই পোস্টটি দেওয়ার পরদিনই একটি ভিডিও স্টোরি শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। সেখানে অভিনেত্রী তার রাখি বাঁধা হাত দেখান, তাকে বলতে শোনা যায়, যতদিন না জাস্টিস পাচ্ছি, ততদিন পর্যন্ত হাতে এটা বাঁধা থাকবে। সঙ্গে জুড়লেন হ্যাশট্যাগ।

    rnrn

    তবে শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যম থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ব্যর্থ হলেও আশা করা যাচ্ছে সুবিচার না পাওয়া পর্যন্ত হাতে রাখি বেঁধে রাখবেন অভিনেত্রী। কিন্তু বিচারটা চাইছেন কী নিয়ে শ্রীলেখা?

    rnrn

    সম্প্রতি কলকাতার আর জি করে ঘটে যাওয়া ন্যাক্কারজনক ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চেয়ে সবার আগে রাস্তায় নেমেছিলেন শ্রীলেখা। এর পরই শ্রীলেখা তার এক বিস্ফোরক অভিযোগ ঝড় তুলেছে মালায়ালম সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বুকে। পরিচালক রনজিৎ এর বিরুদ্ধে আনেন হেনস্তার অভিযোগ। নিজেরটা তো বটেই, একই ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে আসতে থাকে একইরকম বহু অভিযোগ। কিন্তু, শ্রীলেখা দূরে সরার পাত্রী নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন সব সময়। তাই সকল ঘটনার সুবিচার চান অভিনেত্রী।

    rnrn

    এদিকে ইন্ডাস্ট্রিজে এত এত হেনস্তার ঘটনা ঘটতে পারে, তা হয়ত আশা করেননি শ্রীলেখা। তাই তো মেনে নিতে না পেরে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন ‘কিছুদিনের জন্য ফেসবুক আন-ইন্সটল করছি। সেন্সিটিভ মানুষ আমি, আর্টিস্ট সেলিব্রিটি নই। এত স্ট্রেস নিতে পারছিনা। চারদিকের অবক্ষয় আমায় ক্লান্ত করছে। দিন কয়েকের ছুটি প্রয়োজন আমার, এসবের থেকে দূরে। আমার সঙ্গে যোগাযোগ চেষ্টা না করাই শ্রেয়।’

    rnrn

    অন্যায়-অবিচার এ সকল কোনোকিছুই যেন সহ্য করেননা শ্রীলেখা। আগাগোড়াই ঠোঁটকাটা স্বভাবের এই অভিনেত্রী। ধর্ম, জাতি, দেশ কোনোকিছুকেই বিভক্ত করেননা তিনি। যেখানেই অনিয়ম-অত্যাচার দেখতে পান, সরাসরি মুখ খোলেন। 

    অনলাইন ডেস্ক

  • অবশেষে সত্য হলো নারী সুরক্ষা কমিটিকে নিয়ে করা শ্রীলেখার মন্তব্য

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চার বছর আগে সাহস করে নারী নিগ্রহের বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন— বাংলা বিনোদন জগতেও ‘কম্প্রোমাইজ়’ চলে। একই সঙ্গে টালিউডের প্রথম সারির খ্যাতনামাদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। 

    মঙ্গলবার টেলি অ্যাকাডেমি, ইমপা, আর্টিস্ট ফোরাম, ফেডারেশনের সভাপতির উদ্দেশে বিনোদন জগতের সবস্তরের নারী খ্যাতনামাদের স্বাক্ষরসংবলিত চিঠিতে ‘নারী সুরক্ষা কমিটি’র কথা উঠতেই ফের সরব শ্রীলেখা।

    আনন্দবাজার অনলাইনের এক সাক্ষাৎকারে টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চার বছর আগে সাহস করে নারী নিগ্রহের বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন— বাংলা বিনোদন জগতেও ‘কম্প্রোমাইজ়’ চলে। তখন কেউ সে কথা কর্ণপাত করেননি; বরং তাকে মিথ্যাবাদী বলে অবহিত করা হয়।

    শ্রীলেখা বলেন. যা বলতে চেয়েছি, সেটাই সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছি। আপাতত বিষয়টি নিয়ে আলাদা কিছু বলার নেই। 

    তিনি বলেন, তার কথাই সত্যি হলো। অথচ এ আগে যখন বলেছিলাম, তখন আমি মিথ্যাবাদী, সেই সময় কেউ তাকে বিশ্বাস করেননি। উল্টো ‘মিথ্যাবাদী’ তকমা দেওয়া হয়েছিল তাকে।

    গত ৯ আগস্ট থেকে আরজি করকাণ্ডে উত্তাল গোটা দেশ। তরুণী চিকিৎসকের নির্যাতন-মৃত্যু নারী সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে সবাইকে। মালায়ালাম ছবির দুনিয়া থেকে বলিউড হয়ে টালিউড। বিনোদন জগতের আলাদা হলেও সমস্যা এক। অভিনেত্রী থেকে টেকনিশিয়ান— কোনো না কোনোভাবে কেউ না কেউ হেনস্তার শিকার। যার জেরে দক্ষিণী বিনোদন জগতে হেমা কমিটি তৈরি হয়েছে। যাকে অনুসরণ করে বলিউডের জন্য এমনই এক কমিটি বানাতে চলেছে মহারাষ্ট্র সরকার। গত আট দিন ধরে একই ভাবনা বাংলা বিনোদন জগতেও।

    সে কথা প্রকাশ্যে আসতেই শ্রীলেখার ব্যঙ্গ করে বলেন— হাসব না কাঁদব, জানি না। অবশেষে এখানেও ‘উইমেন্স ফোরাম’ তৈরি হচ্ছে! অথচ এসবের বিরুদ্ধে সবার প্রথমে যে মুখ খুলেছিল, তার নাম নেই। অভিনেত্রীদের স্বাক্ষর-তালিকায় তাকে যে রাখা হয়নি, সে কথাই জানিয়েছেন তিনি। 

    বিস্ফোরক শ্রীলেখা মিত্র অতীত মনে করিয়ে দিয়ে লিখেছেন, সবাই বলেছিলেন— আমি নাকি ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলছি! আমার যোগ্যতা নেই। আমার খামতির জন্যই কাজে নেওয়া হয় না। যারা এসব কথা বলেছিলেন, আজ তারাই একজোট। এবার শ্রীলেখা পাল্টা এই প্রচেষ্টাকে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মজাকারীদের যে সতর্কবার্তা দিলেন শ্রীলেখা

    বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়ে বেশ সরব ছিলেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এবার বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি।

    ‘অনির্বাণ স্পিকস’ নামক এক আইডি থেকে বন্যাসংক্রান্ত ওই পোস্টে লেখা ছিল- ‘বাংলাদেশকে বার্তা দিন বন্ধুরা।

    আবালবৃদ্ধবনিতা জলে ডুবে যাচ্ছে, ঘরবাড়ি ভেসে গেছে, জনপদ জলের তলায়। ফের কবে ডাঙ্গা দেখা যাবে সেই অপেক্ষায় অস্বাস্থ্যকর ঘিঞ্জি শিবিরে সকলে বসে আছেন।

    সদ্যজাতের কান্না আর প্রবীণের হাহুতাশকে একটু জড়িয়ে ধরুন প্লিজ। নদীমাতৃক বাংলায় স্থলভূমি দেখা যাচ্ছে না, পর্যাপ্ত রসদ নেই। জল বাড়ছে আরও। আমি জানি বাংলাদেশ এই সমস্ত দুরূহ প্রতিকূলতা অতিক্রম করে হৈহৈ আনন্দে উঠে দাঁড়াবে। কিন্তু এখন প্রকৃতির সঙ্গে অসম যুদ্ধে ওদের লড়াকু মনোভাবে আলো জ্বেলে দিন। আমাদের মেয়ের জন্য সুবিচার চেয়েছে ওরা, ওদের প্রতি আমাদেরও তো দায় আছে। সেকথা ভুলে যাব আমরা?’

    এরপর শুক্রবার (২৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুকে পোস্টটি শেয়ার করে শ্রীলেখা লেখেন- ‘বাংলাদেশ’। পাশে একটি লাভ ইমোজি দেন অভিনেত্রী।

    তবে শ্রীলেখার পোস্ট ঘিরে নেটিজেনরা যেমন ব্যথিত হয়েছেন, তেমনই বড় একটি অংশ 'হাহা' প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। জবাবে লেখেন, ‘বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি দেখে এদের হাসি পেয়েছে। কর্ম ভাই মনে রেখ, তোমার প্রয়োজনেও কাউকে পাশে পাবে না।’

    উল্লেখ্য, টালিউড ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র বরাবরই আলোচনায় থাকেন। তার ঠোঁটকাটা স্বভাবের কারণে ক্যারিয়ার, ব্যক্তিজীবন এবং সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কথা বলেই মূলত চর্চায় থাকেন তিনি। 

    এছাড়াও বাংলাদেশে বহুবার এসেছেন তিনি। মাদারীপুরের ঘটমাঝি গ্রামে তার পূর্বপুরুষদের বসতভিটা ছিল। সেজন্য বাংলাদেশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব থাকেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার সৌরভ গাঙ্গুলিকে ধুয়ে দিলেন শ্রীলেখা

    আরজি কর কাণ্ডের শুরু থেকেই সরব আছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পা মিলিয়ে পথে নেমেছেন অভিনেত্রী। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যয়ের উদ্দেশ্যেও প্রশ্ন ছু়ড়ে দিয়েছেন তিনি। এবার আরজি-করের ঘটনায় খোদ ‘দাদা’ ও ‘মহারাজা’ খ্যাত সৌরভ গাঙ্গুলিকেও ধুয়ে দিলেন শ্রীলেখা।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার রাজপথে নেমে এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রীলেখাকে বলতে শোনা যায়, ‘সরি টু সে সৌরভ গাঙ্গুলি। সৌরভ আমি সত্যিই দুঃখিত যে, তোমাকে মানুষ যেভাবে, তোমার দাদাগিরি, তোমার ক্রিকেট, তোমাকে মহারাজা, মানুষ তোমাকে যে আসনে বসিয়েছেন…তুমি এটাকে একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলছো!… এসব সোহম হর্লিকসের পার্টি! তারা বলছে, পুলিশ আছে বলেই শহরে মেয়েরা সুস্থ আছে। এই মানুষগুলোকে চেনার এটা মোক্ষম সময় হয়েছে। যে মানুষগুলোকে আমরা মাথার উপরে রেখেছি, তারা মানুষ বলার যোগ্য নয়। তাদের টেনে নামিয়ে আনো নিচে।’

    rnrn

    শ্রীলেখার এমন বক্তব্যের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তাকে সমর্থন করে নেটিজেনদের কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। 

    rnrn

    কেউ লিখেছেন, ‘তুমি সত্যিই সাহসী দিদি।’ কারও মন্তব্য, ‘একদম ঠিক কথা বলেছো দিদি।’ 

    rnrn

    কেউ বা লিখেছেন, ‘সৌরভ গাঙ্গুলির মতো স্বার্থপর আর আত্মকেদ্রীক ব্যক্তি আর দুটো হয় না। আগে খুব সম্মান করতাম। আর করিনা ছিঃ’। 

    rnrn

    তো কেউ লিখেছেন, ‘সৌরভ গাঙ্গুলির মতামত দেখে খুবই মর্মাহত হলাম। তোমায় মন থেকে অনেক ভালোবাসতাম। তুমি খেলা ছেড়ে দিলে-সেদিন থেকে আমিও ক্রিকেট দেখা বন্ধ করলাম। তুমি একজন আদর্শ মেয়ের বাবা, তোমার মুখে এই কথাটা শোভা পায় না। যে মেয়েটি এত নির্যাতন সহ্য করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল, তার জন্য একটুও কষ্ট হলো না তোমার?’ 

    rnrn

    এমনই অজস্র মন্তব্য উঠে এসেছে শ্রীলেখার ওই ভিডিওতে। 

    rnrn

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আরজি-কর কাণ্ডে বহু মানুষ যখন প্রতিবাদের সুর তুলেছেন, তখন ঠিক কী বক্তব্য রেখেছেন সৌরভ?

    rnrn

    জানা গেছে, সৌরভ বলেছেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ ঘটনায় যে বা যারা যুক্ত আছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, যাতে দোষী বা দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া যায়। সব জায়গায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত করা উচিত। আরজি করে যে রকম ঘটনা ঘটেছে, তা যে কোনো জায়গায় ঘটতে পারে।

    rnrn

    একই সঙ্গে সৌরভ এও বলেছেন যে, তবে একটি ঘটনা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে সার্বিকভাবে বিচার করা উচিত নয়। এতে রাজ্যের নারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে- এমনটাও ভাবার দরকার নেই। রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ ভালো। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের সর্বত্র নারীদের সুরক্ষা আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এরকম ঘটনা ঘটছে। যাতে এরকম ঘটনা বন্ধ করা যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

    rnrn

    মূলত, আর জি করের মতো ঘটনা ঘটার পরও এ রাজ্যের নারী বা মেয়েরা সুরক্ষিত আছে- সৌরভ গাঙ্গুলির এ বক্তব্যকে কোনোভাবেই মানতে পারেননি শ্রীলেখা।  

    rnrn

    এর আগে, নবরস টকিজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। জানিয়ে দেন অন্য অনেকে ক্ষমতা এবং অর্থের কাছে বিকিয়ে গেলেও তিনি কোনো দিন বিকিয়ে যাবেন না। 

    rnrn

    শ্রীলেখা মিত্র বলেন, আরে ধনধান্যে পুষ্পে ভরা, আপনি ছাড়ুন তো দিদি। আপনি অনেক নাটক করেন। আপনি ওই সিরিয়ালে, ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে সাদা পোশাক পরে চশমা পরে গিয়ে বসে থাকেন। অনেক নাটক করেছেন। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমি জানি এর পরে আপনারা আমার আরও খারাপ অবস্থা করবেন। এমনিতেই করেছেন। আরও করবেন আমি জানি। কিন্তু সবাইকে আপনি কিনতে পারেননি। আর তাদের মধ্যে একজন শ্রীলেখা মিত্র। স্যরি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়ে যা বললেন শ্রীলেখা

    পশ্চিমবঙ্গে সিনেমা জগতের এক পরিচিত মুখ শ্রীলেখা মিত্র। বরাবরই ভীষণ স্পষ্টবক্তা বলা যায় তাকে। নিজের ভাবনা চিন্তা নিয়ে কখন লুকোচুরি করতে পছন্দ করেন না এই অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় শ্রীলেকাকে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। 

    অভিনেত্রীর কথায়, ‘না, আমি দ্বিতীয় বিয়ে করার কথা ভাবছি না। এখনো দূর পর্যন্ত এমন কাউকে দেখতে পাইনি যাকে দেখে মনে হতে পারে হ্যাঁ, এই তো সে যার জন্য অপেক্ষা করছি। নিজে নিজে বস হয়ে যাওয়ার পর আর এসব ভালো লাগে না।’

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘টিভি রিমোট নিয়ে কাড়াকাড়ি,পাশে শুয়ে কেউ নাক ডাকছে এটা এখন আর সহ্য করতে পারব না। আমি কুকুরদের নিয়ে ভালো আছি। ওদের সঙ্গে শুয়ে থাকি রাজার মতো। পাশে আরেকজনকে নিয়ে শুতে পারব না।’

    শ্রীলেখা জানালেন প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও এখনো সাবেক শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত আছে তার। তাদের সঙ্গে এখনো সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। 

    তার কথায়, ‘আমরা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছি। গত ১০ বছর আমরা আমাদের মতো করে নিজেদের আবিষ্কার করেছি। হয়তো ওটুকুই ছিল আমাদের জন্য বরাদ্দ। একে অন্যকে সম্মান দিয়ে ভালোভাবে সিভিল জীবনযাপন করছি, মেয়ে বড় হচ্ছে এটাই তো যথেষ্ট।’

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • লোকসভা নির্বাচনের ফল দেখে হতাশ শ্রীলেখা

    আশা নেই, সমাজমাধ্যমে চলছে সমালোচনা। বাংলায় এ বারও বামেরা খাতা খুলতে পারছে না। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের ফল হতাশ করেছে শ্রীলেখা মিত্রকে। যদিও তার চোখে, এই বাংলার সব থেকে বড় প্রহসন রাজনীতি এবং নির্বাচন। শিক্ষা, মননশীলতা যে বাঙালির পরিচয়, সেই বাঙালির এমন ‘অবনমন’ মেনে নিতে পারছেন না তিনি। 

    মঙ্গলবার, ভোটগণনার দিনে আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে প্রথম মুখ খুলে তার হতাশার কথাই জানালেন টালিউড অভিনেত্রী।

    শ্রীলেখা বলেন, শিক্ষিত মানুষ দীপ্সিতা ধরকে পছন্দ করছেন না! এটা মেনে নিতে সত্যিই কষ্ট হচ্ছে। তবে এত কিছুর পরও সংগঠন নিয়ে আশাবাদী অভিনেত্রী। তার প্রমাণ তিনি রেখেছেন সমাজমাধ্যমেই। একটি বিশেষ ছবি তিনি ভাগ করে নিয়েছেন। কাস্তে-হাতুড়ি-তারা প্রতীকের পাশে দৃঢ় হরফে লেখা, ‘এ হৃদয় দফতর পাল্টাচ্ছে না।’

    এ দিনের ফলে বিস্মিতও করেছে শ্রীলেখাকে। সায়নী ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাংশু ভট্টাচার্য, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফল দেখে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি। গত লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে মিমি চক্রবর্তী জিতেছিলেন তৃণমূলের টিকিটে। এ বার সেই টিকিটে সায়নী ঘোষ। বিস্মিত শ্রীলেখা বুঝেই উঠতে পারছেন না, যেকোনো প্রার্থী তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়ালেই যাদবপুর লোকসভায় জিতে যান কী করে!

    তবে হতাশ হলেও এই ফল যে একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল, তা নয়, জানিয়েছেন শ্রীলেখা। সদ্য সুধীর মিশ্রর সঙ্গে শুটিং করে কলকাতায় ফিরেছেন। তার দাবি, অন্য রাজ্য, অন্য শহরেও বাংলাকে নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। সেখানে সকলেই বুঝতে পারেন, এ রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ভাল না। শ্রীলেখার দাবি, সত্যিই এখানে সৎ ভাবে কাজ পাওয়া যায় না।

    শ্রীলেখার জানান, কাজের সূত্রে অন্য শহরে গেলে তার মনখারাপ হয়ে যায় নিজের শহরের জন্য। ওই সব শহরের সুবন্দোবস্ত খানিকটা হীনম্মন্যতাই তৈরি করে। আর এ জন্য বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিই দায়ী বলে মনে করেন শ্রীলেখা।

    সূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘রাস্তার মেয়েদের মতো শাড়ি’ পরা নিয়ে যা বললেন শ্রীলেখা

    মমতা শঙ্করের বলা ‘আজকালকার মেয়েরা রাস্তার মেয়েদের মতো শাড়ি পরে’ নিয়ে ট্রলের বন্যা চারদিকে। নানাজন নানাভাবে বিঁধেছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রীকে।একজন নারী হয়ে নারীদের নিচু করেছেন তিনি, এমন কথাও বলা হচ্ছে। এবার মমতা শঙ্করকে নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীলেখা।

    rnrn

    শ্রীলেখা বৃহস্পতিবার তার ফেসবুক পোস্টে লিখলেন— ‘মমতা শঙ্করের নামে অভিযোগ করার আগে বা তাকে ট্রল করার আগে, বোঝার চেষ্টা করুন উনি ঠিক কী বলতে চেয়েছেন। হ্যাঁ এটা ঠিকই, এই কথায় কিছু আত্মদর্শনের প্রয়োজন রয়েছে। তবে আমি নিশ্চিত যে তিনি লাইসেন্সপ্রাপ্ত যৌনকর্মীদের আঘাত করতে চাননি। (লাইসেন্সবিহীন … আমি নিশ্চিত নই)’।

    rnrn

    এক বাংলা গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আজকাল যেমন হয়েছে যে শাড়ি পরব কিন্তু আমার আঁচলটা ঠিকমতো থাকবে না। আগে আমরা যেরকম বলতাম রাস্তার মেয়ে, ক্ষমা করবেন বলছি বলে। যারা ল্যাম্পপোস্টের তলায় দাঁড়িয়ে থাকে বলতাম, তারা ওরকমভাবে দাঁড়াত। কিংবা যদি গ্রামে কাজ করতে করতে শাড়ি সরে যেত। সেটা কোনো দোষের ছিল না। এরা মানুষকে আকর্ষিত করার জন্য করত, তাদেরও আমি শ্রদ্ধা করছি। তারা তাদের পেশার জন্য এমনটা করছে। আজকাল যারা বিনা কারণে ওইরকমভাবে শাড়ি পরেন, তার পর লোক কিছু বললে রেগে যান, মেয়েদের নিচু করা হচ্ছে! মেয়েরাই তো মেয়েদের নিচু করছে। পুরুষ সম্মান করবে কি করে যদি আমার মধ্যে মর্যাদা না থাকে।’

    rnrn

    হয়তো বর্ষীয়ান অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী তার বক্তব্যের মধ্যে ‘শরীর দেখানোর প্রবণতা’ ঠিক নয় এমনটাই বোঝাতে চেয়েছিলেন। শালীনতার কথা মাথায় রেখেই ছিল তার এই মন্তব্য। তবে বেশিরভাগ লোকের কাছেই তার বলা এই কথাগুলো ভুল বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।

    rnrn

    কারণ তিনি পরবর্তী সময়ে বলেছিলেন, প্রত্যেক মানুষ এই সমাজে জাজমেন্টাল। তাই তিনি মনে করেন, মেয়েদের এমন ইমপ্রেশন দেওয়ারই দরকার নেই যে তারা সহজলভ্য। সেই কারণে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে মেয়েদের উচিত সচেতন হওয়া। তবে কিছু সংক্ষিপ্ত ক্লিপিংস ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে ওঠেপড়ে লেগেছে নেটিজেনরা।

    বিনোদন ডেস্ক