Tag: শ্রীময়ী

  • ১৪ বছর ধরে কাঞ্চনবাবার পূজা, এবার পরিকল্পনার কথা জানালেন শ্রীময়ী

    জুটি হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে টালিউড অভিনেতাকাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ অত্যন্ত চর্চিত। যাদের প্রেম থেকে বিয়ে নিয়ে পরতে পরতে রোমাঞ্চ। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই বিয়ে সাতপাকে বাঁধা পড়ে এ জুটি। জনপ্রিয় দম্পতি তো বটেই, এখন তাদের আরও একটি পরিচিতি হয়েছে। তারা কৃষভির বাবা-মা। উত্তরপাড়ার বিধায়ক কাঞ্চন ঈশ্বরে বিশ্বসী। অন্যদিকে শ্রীময়ী ছোটবেলা থেকে আধ্যাত্মিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন। বিয়ের আগে থেকেই কাঞ্চনের বাড়ির কালীপূজার ভার নিয়েছিলেন শ্রীময়ী। এর মাঝে সরস্বতী পূজাও করেছেন তিনি। বিয়ের পর এটাই তাদের প্রথম শিবরাত্রি। একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী জানালেন নিষ্ঠাভরেই শিবের পূজা করবেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, কাঞ্চনই আমার কাছে শিব, কত বছরের তপস্যার ফল।

    কাঞ্চনের সঙ্গে যখন আলাপ তখন শ্রীময়ীর বয়স অনেকটাই কম। কিন্তু সেই সময় থেকেই অভিনেতা শ্রীময়ীকে নিয়ে যেতেন কালীঘাট চত্বরে নকুলেশ্বর ভৈরব মন্দিরে। সেখানেই এত বছর পূজা দিয়েছেন। কিন্তু এ বছর অবশ্য পরিকল্পনা খানিকটা আলাদা। বেনারস থেকে শিব এনেছেন, একেবারে যজ্ঞ করেই প্রতিষ্ঠা করেছেন বাড়িতে। তাই এ বছরটা বাইরের মন্দিরে নয়, বরং বাড়িতেই শিবরাত্রি করবেন। যদিও শিবের পূজা ছোটবেলা থেকেই করেন শ্রীময়ী। সে কারণেই নাকি শিবের মতো স্বামী পেয়েছেন। শিবঠাকুর বেলপাতায় তুষ্ট। 

    শ্রীময়ী বলেন, আমার স্বামীও অল্পেই সন্তুষ্ট। কোনো চাহিদা নেই ওর। কখনো মুখ ফুটে কিছু বলে না। সেটাই বরং আমার চিন্তার বিষয়। বড্ড মুখচোরা। আমি বরং খোঁচাই, মনের কথা জানতে চাই। তিনি বলেন, যদিও শিবের মতো স্বামী পাওয়ার উদ্দেশ্যে কখনো যে পূজা করেছেন তেমনটা নয়। 

    অভিনেত্রী বলেন, আসলে ঈশ্বরের কাছে কখনোই আমার চাওয়া-পাওয়া নেই। সেখানে নিজেকে সমর্পণ করি। অবশ্য শিবের মতো বর পাওয়ার ইচ্ছার নেপথ্য কারণ হিসেবে শ্রীময়ী মনে করেন, শিব তো মা কালীকে শান্ত করতে নিজে পায়ের তলায় শুয়ে পড়ে। আসলে বাড়িটাও তাই হোম মিনিস্টারের দখলে। বাইরে যত বড় গুন্ডা, নেতা-মন্ত্রী হও না কেন, বাড়িতে সবাই ঠান্ডা। সেই জন্যই শিবের মতো ঠান্ডা স্বামী দরকার। কাঞ্চনকেও আমার সব কথা শুনতে হয়। আমার হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলায়। ঠিক যেমন আমার জেদের জন্য মহাকুম্ভ গেল, কাঞ্চন তো যেতে চায়নি।

    কাঞ্চন মুখ বুজে শ্রীময়ী কথা মেনে নিলেও মাঝেমধ্যে অবাধ্য হয়, আক্ষেপ তারকাপত্নীর। শ্রীময়ী অভিযোগ করে বলেন, অসুস্থ হলে ওষুধ খেতে চান না বিধায়ক। বাড়ির খাবার অন্যদের খাইয়ে দিয়ে নিজে বাইরে মুখরোচক খাবার খেতে পছন্দ করেন। অভিনেত্রী বলেন, আসলে শান্ত, কিন্তু বড্ড অবাধ্য। আবার এককথায় ক্ষমা চেয়ে নিতেও পারে। তার পর আর কি রেগে থাকা যায়।

    কাঞ্চনের আগে বেশ কিছু ভালো লাগা তৈরি হলেও সবাইকেই নাকচ করেছেন শ্রীময়ী। কারণ প্রায় প্রত্যেকের বাহন ছিল মোটরবাইক। শ্রীময়ী বলেন, মোটরবাইক চাপতে বড্ড ভয় করে। এই মহাকুম্ভে গিয়ে চড়তে হয়েছিল। তাও কাঞ্চনের কাঁধে মাথা দিয়েছিলাম। মোটরবাইকের ভয়েই আগের প্রেমিকদের নাকচ করেছি। তবে কাঞ্চন আমার অনেক তপস্যার ফল। ১৪ বছর ধরে কাঞ্চনবাবার পূজা করছি।

    তবে কাঞ্চনের যে গুণটা শ্রীময়ীকে আকর্ষণ করে সেটি হলো তার সততা। শ্রীময়ী  বলেন, যখন কাঞ্চনের সঙ্গে আলাপ, আমার ভালো লাগে ওকে। তখন কাঞ্চন সাফ বলে— আমি কিন্তু বিবাহিত, আমার সাজানো বাগান আছে। আমি বিবাহিত কাঞ্চন মল্লিককেই ভালোবেসে ছিলাম। আর ওর জীবন সব পরিস্থিতি একাকিত্বটাও দেখেছি।

    অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এখন কাঞ্চন-শ্রীময়ী বিবাহিত। সঙ্গে রয়েছে ছোট্ট কৃষভি। মেয়েকে কি শিব পূজার মাহাত্ম্য বোঝাবেন? শ্রীময়ী অবশ্য কোনো কিছুই মেয়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়ায় বিশ্বাসী নন। অভিনেত্রী বলেন, ছোটবেলা থেকে ও বাড়িতে পূজাপাঠ দেখে বড় হবে। ওর বাবা-মা দুজনেই ঈশ্বরে বিশ্বাসী। মানুষ যা দেখে তাই শেখে। আমার মা-ও জোর করেননি, আমি নিজে থেকেই শিবের পূজা শুরু করেছিলাম। তাই কৃষভির ক্ষেত্রেও একই পন্থা অবলম্বন করবেন বলে জানান মল্লিকপত্নী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিই কাঞ্চনের জীবনের ‘পার্মানেন্ট ভ্যালেন্টাইন’: শ্রীময়ী

    এক বছরে অনেক বদলে গেছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। এই এক বছরে তিনি আরও সংসারী ও আরও পরিপূর্ণ হয়েছেন। কেবল একটাই আফসোস তার। তবে সেটি কী অভিনেত্রী নিজেই তা জানিয়েছেন।

    ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টরাজের একটি বিশেষ দিন। এদিন তারা আইনি বিয়ে সেরেছিলেন। শনিবার তারই আয়োজনে উদ্যাপনে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনের স্কুলের পুরোনো বন্ধুরা। গতকাল রোববারই সেই ছবি বদলে গেছে। 

    কাঞ্চন-শ্রীময়ী ব্যস্ত তাদের মেয়ে কৃষভিকে নিয়ে। এদিন একরত্তির টিকা নেওয়ার দিন। কাঞ্চনপত্নীর বলেন, এত লক্ষ্মী মেয়ে, একটুও কাঁদে না! মেয়েকে সামলাতে সামলাতেই একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ফিরে দেখলেন তাদের এক বছরের দাম্পত্য। স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে একরাশ তৃপ্তি ঝরে পড়ল তার কণ্ঠে। 

    শ্রীময়ী বলেন, খানাপিনা থেকে নাচগান— কিচ্ছু বাদ রাখিনি। সব আয়োজন করেছে কাঞ্চন আর তার স্কুলের বন্ধুরা। সত্যিই আমরা খুবই ভালো আছি।

    এক বছরের বিবাহবার্ষিকীতে সাধারণত নতুন দাম্পত্যের সুখে বুঁদ হয়ে থাকেন নবদম্পতি। অনেকেই দ্রুত মা হওয়ার কথা সাধারণত ভাবেন না। শ্রীময়ী যদিও সেই পথে হাঁটেননি। সেই প্রসঙ্গ তুলতেই কাঞ্চনপত্নীর তড়িঘড়ি উত্তর—বিয়ের বছর ঘুরতেই মা হয়েছি। কোনো আফসোস নেই। আফসোস আমার অন্য বিষয়ে। 

    সে কথাও গোপন রাখেননি তিনি। অভিনেত্রী বলেন, কাঞ্চন তো সময় দিতেই চেয়েছিল। আমিই বরং মা হতে চেয়েছি। আইনি বিয়ে যেদিন সম্পন্ন হয়েছে, সেদিনই ওকে বলেছিলাম— অনেক দিন আমার পরস্পরের মুখের দিকে তাকিয়ে থেকেছি। নিজেদের মতো করে সময় কাটিয়েছি। আর না— এবার আমাদের জীবনে সন্তান আগমনের প্রয়োজন। তবে আমরা পরিপূর্ণ হব। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওশের জন্য বাড়ির দরজা সবসময় খোলা: শ্রীময়ী

    টালিউড নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর কণ্ঠে নিজের ছবির প্রচারে ‘সন্তান সন্তান সন্তান’ স্তূতি । গত মঙ্গলবার এই ছবির বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। সদ্য তাদের পরিবারে এসেছে ‘সন্তান’। মেয়ে কৃষভির নামে অজ্ঞান বাবা কাঞ্চন— এমনটিই জানিয়েছেন বর্তমান স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। তবে কাঞ্চনের আরও এক সন্তান রয়েছে। তার নাম ওশ।  শ্রীময়ীর এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে যা বলেছেন ওশের মা পিঙ্কি।

    কাঞ্চন ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে ওশ। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। ছেলের বয়স যখন ১০ বছর, সেই সময় বিচ্ছেদ হয় কাঞ্চন-পিঙ্কির। তার মাস কয়েকের মধ্যে নতুন করে শ্রীময়ীর সঙ্গে ঘর বাঁধেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক ও অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। 

    এবার ‘সন্তান’ দেখে শ্রীময়ী আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে জানালেন তার মনের কথা। কাঞ্চনের ছেলে ওশ যে তার সন্তানসম— সে কথা জানিয়ে শ্রীময়ী বললেন, ওশের জন্য বাড়ির দরজা সবসময় খোলা। এমনকি ছেলেকে যে বাবা মিস করেন, সেটিও স্পষ্ট করেন তিনি। শ্রীময়ী এমন অনুভূতির পাল্টা উত্তর দিয়েছেন পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শ্রীময়ী বলেন, ওশ তো আমারও সন্তানসম। আমার কাছে কৃষভি যা, ওশ-ও তাই। কাঞ্চন ছেলেকে প্রচণ্ড ভালোবাসে, আজও। প্রতি পদে মিস করে তাকে। জানি না ওশ বড় হয়ে কাঞ্চনের এই অনুভূতি বুঝবে কিনা। তিনি বলেন, তবে আমার দিক থেকে বলছি— আমাদের বাড়িতে ওশের অবারিত দ্বার। ওশ কোনো দিন যদি কাঞ্চনের কাছে এসে দাঁড়ায়, থাকতে চায় আমাদের কাছে— ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ হয়ে বাধা দেব না। 

    শ্রীময়ীর এ কথা শুনে সাবেক কাঞ্চনপত্নী পিঙ্কি বলেন, ভবিষ্যতে কী হবে না হবে— সব উত্তর সময় দেয়। তিনি আরও বলেন, ঠিক আছে, ধন্যবাদ ওর মহান উক্তির জন্য। তবে ওশ বাবাকে মিস করে না। আমরা চাই ওরা খুব ভালো থাকুক। যতটা ভালো থাকা যায়। আর আমার সঙ্গে খারাপ কিছু হয়নি, যা হয়েছে ভালো হয়েছে।

    ছেলে ওশ এখন বয়ঃসন্ধিতে পা দিয়েছে। ওদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় কাঞ্চন-শ্রীময়ী ও তাদের নতুন সন্তানকে নিয়ে নানা চর্চা। ছেলেকে কী সেসব থেকে সচেতনভাবে দূরে রাখছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে পিঙ্কি জানালেন— ছেলেকে সেভাবেই বড় করছেন, যাতে সে নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে সব কিছু বিবেচনা করতে পারে। পিঙ্কি আরও বলেন, ছেলে পড়াশোনায় ভালো হয়েছে, শিক্ষকদের কথা শোনে। সেদিক থেকে বাধ্য। আসলে আমি একটাই কথা বিশ্বাস করি— গাছের ফল বলে দেয় গাছের পরিচর্যা কেমন হয়েছে। আমার মনে হয় সন্তান মানুষ করার সময়টা হলো তপস্যা করার মতো। সেই সময় সেটা নিয়ে খুব বেশি কথা বলা উচিত নয়। আর একশ্রেণির বাচ্চাদের নাগালে সুশিক্ষার সুযোগ আছে। তাদের কাছে ফোনে দেখার জন্য এত ভালো জিনিস রয়েছে, তার পরে গসিপ বা জঞ্জাল দেখার সময় ওদের নেই। 

    পিঙ্কি বলেন, যেহেতু ওশকে ‘সন্তানসম’ বলেছেন শ্রীময়ী, কৃষভির প্রতিও একই মনোভাব পিঙ্কির।  তিনি বলেন, ও খুব ভালো থাকুক, এই ব্রহ্মাণ্ড যেন ওকে সব খারাপের থেকে রক্ষা করে। খুব ভালো থাকুক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যার জন্য বাড়ির দরজা সবসময় খোলা শ্রীময়ীর

    টালিউড নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর কণ্ঠে নিজের ছবির প্রচারে ‘সন্তান সন্তান সন্তান’ স্তূতি । গত মঙ্গলবার এই ছবির বিশেষ স্ক্রিনিংয়ে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। সদ্য তাদের পরিবারে এসেছে ‘সন্তান’। মেয়ে কৃষভির নামে অজ্ঞান বাবা কাঞ্চন— এমনটিই জানিয়েছেন বর্তমান স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। তবে কাঞ্চনের আরও এক সন্তান রয়েছে। তার নাম ওশ।  শ্রীময়ীর এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে যা বলেছেন ওশের মা পিঙ্কি।

    কাঞ্চন ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে ওশ। সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। ছেলের বয়স যখন ১০ বছর, সেই সময় বিচ্ছেদ হয় কাঞ্চন-পিঙ্কির। তার মাস কয়েকের মধ্যে নতুন করে শ্রীময়ীর সঙ্গে ঘর বাঁধেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক ও অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। 

    এবার ‘সন্তান’ দেখে শ্রীময়ী আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে জানালেন তার মনের কথা। কাঞ্চনের ছেলে ওশ যে তার সন্তানসম— সে কথা জানিয়ে শ্রীময়ী বললেন, ওশের জন্য বাড়ির দরজা সবসময় খোলা। এমনকি ছেলেকে যে বাবা মিস করেন, সেটিও স্পষ্ট করেন তিনি। শ্রীময়ী এমন অনুভূতির পাল্টা উত্তর দিয়েছেন পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শ্রীময়ী বলেন, ওশ তো আমারও সন্তানসম। আমার কাছে কৃষভি যা, ওশ-ও তাই। কাঞ্চন ছেলেকে প্রচণ্ড ভালোবাসে, আজও। প্রতি পদে মিস করে তাকে। জানি না ওশ বড় হয়ে কাঞ্চনের এই অনুভূতি বুঝবে কিনা। তিনি বলেন, তবে আমার দিক থেকে বলছি— আমাদের বাড়িতে ওশের অবারিত দ্বার। ওশ কোনো দিন যদি কাঞ্চনের কাছে এসে দাঁড়ায়, থাকতে চায় আমাদের কাছে— ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ হয়ে বাধা দেব না। 

    শ্রীময়ীর এ কথা শুনে সাবেক কাঞ্চনপত্নী পিঙ্কি বলেন, ভবিষ্যতে কী হবে না হবে— সব উত্তর সময় দেয়। তিনি আরও বলেন, ঠিক আছে, ধন্যবাদ ওর মহান উক্তির জন্য। তবে ওশ বাবাকে মিস করে না। আমরা চাই ওরা খুব ভালো থাকুক। যতটা ভালো থাকা যায়। আর আমার সঙ্গে খারাপ কিছু হয়নি, যা হয়েছে ভালো হয়েছে।

    ছেলে ওশ এখন বয়ঃসন্ধিতে পা দিয়েছে। ওদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় কাঞ্চন-শ্রীময়ী ও তাদের নতুন সন্তানকে নিয়ে নানা চর্চা। ছেলেকে কী সেসব থেকে সচেতনভাবে দূরে রাখছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে পিঙ্কি জানালেন— ছেলেকে সেভাবেই বড় করছেন, যাতে সে নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে সব কিছু বিবেচনা করতে পারে। পিঙ্কি আরও বলেন, ছেলে পড়াশোনায় ভালো হয়েছে, শিক্ষকদের কথা শোনে। সেদিক থেকে বাধ্য। আসলে আমি একটাই কথা বিশ্বাস করি— গাছের ফল বলে দেয় গাছের পরিচর্যা কেমন হয়েছে। আমার মনে হয় সন্তান মানুষ করার সময়টা হলো তপস্যা করার মতো। সেই সময় সেটা নিয়ে খুব বেশি কথা বলা উচিত নয়। আর একশ্রেণির বাচ্চাদের নাগালে সুশিক্ষার সুযোগ আছে। তাদের কাছে ফোনে দেখার জন্য এত ভালো জিনিস রয়েছে, তার পরে গসিপ বা জঞ্জাল দেখার সময় ওদের নেই। 

    পিঙ্কি বলেন, যেহেতু ওশকে ‘সন্তানসম’ বলেছেন শ্রীময়ী, কৃষভির প্রতিও একই মনোভাব পিঙ্কির।  তিনি বলেন, ও খুব ভালো থাকুক, এই ব্রহ্মাণ্ড যেন ওকে সব খারাপের থেকে রক্ষা করে। খুব ভালো থাকুক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাদের ছেড়ে দিন, অনুরোধ কাঞ্চনের

    চলতি বছরটি অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে টলিউড তারকা দম্পতি অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের জন্য। ২০২৪ সালে জীবনের নতুন পথচলা শুরু করে এই দম্পতি। সন্তানের মুখও দেখেছেন একই বছর। 

    চলতি বছরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী ছিল কাঞ্চন মল্লিকের কাছে? এবিপি আনন্দের প্রতিবেদকের প্রশ্নটা শুনেই হেসে ফেললেন কাঞ্চন। বললেন, ‘আমার তো জীবনটাই চ্যালেঞ্জ।’

    কাঞ্চন বলেন, ‘অবশ্য প্রত্যেকের জীবনই চ্যালেঞ্জ। সবটাই চ্যালেঞ্জ। তবে আমার কোথাও মনে হয়েছে, মাথা উঁচু করে, নিজের মতো করে, নিজের পছন্দের সঙ্গীকে সঙ্গে করে বাঁচব। সেটাই ছিল আমাদের ২০২৪-এর চ্যালেঞ্জ।’

    অন্যদিকে কাঞ্চনের স্ত্রী শ্রীময়ী বলেন, ‘আমার কাছে চ্যালেঞ্জ বলতে ছিল, একজন বিবাহিত পুরুষকে যখন কোনো মেয়ে ভালবাসি….একজন বিবাহিত পুরুষের যদি একজন বান্ধবী থাকে, তাকে নিয়েও অনেক কাটাছেঁড়া করা হয়। যেটা আমাদের নিয়েও হয়েছে, হচ্ছে, হবেও।’

    তিনি বলেন, ‘কিন্তু সেখান থেকে যখন সম্পর্কের একটা পরিণাম দেওয়া হয়, সম্পর্কটা যখন পরিণতি পায়, সেটা একটা মেয়ের কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।’

    অভিনেতার স্ত্রী বলেন, ‘২০২৪-এ আমার কাছে আরও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হল মাতৃত্ব। কথায় বলে, নারী সবই পারে। ৯ মাসের একটা সফর, একটা মাতৃত্ব সেটা একটা আলাদা অনুভূতি।’

    শ্রীময়ী বলেন, ‘কোনো নারীকে যদি সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, আমার মনে হয় মাতৃত্ব ছাড়া সবটাই বৃথা। আমার কাছে মাতৃত্বটা ২০২৪-এর সেরার সেরা চ্যালেঞ্জ।’

    এমন কোন জিনিস যার পুনরাবৃত্তি চান না আগামী বছরে? কাঞ্চনকে উত্তর দিতে না দিয়েই শ্রীময়ী বলে উঠলেন, ‘এত ট্রোল, এত মিম… কাঞ্চনের পা সরু করে তাকে তীরচিহ্ন দিয়ে দেওয়া, কাঞ্চন কেন নিয়ন গ্রীন প্যান্ট পরেছে.. এগুলো আর দেখতে চাই না। এত তো দেখলাম। আর কেন!’

    কাঞ্চন এবার সুযোগ পেয়ে বললেন, ‘আগামী বছর এটাই চাইছি, আমাদের সন্তানকে ছেড়ে দিন। ওকে একটু সুস্থ পরিবেশে বড় হতে দিন। ওকে নিয়ে আর কাটাছেঁড়া করবেন না। আর আমাদের ছেড়ে দিন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ২৭ বছর বয়সে মা হবি, কাঞ্চনের সে কথায় যা বললেন শ্রীময়ী

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ঘুমাতে পারেননি। ৯ মাস বাদেও বদলায়নি কিছু। এখন মেয়ে চোখের সামনে। অথচ অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক বলেছিলেন—  ‘২৭ বছর বয়সে মা হবি, আর একটু সময় নে’। কিন্তু শ্রীময়ী সে কথায় রাজি হননি। কৃষভির জন্মের পরের দিনগুলো কেমন কাটছে এ তারকা দম্পতির, সে কথা জানালেন কাঞ্চনপত্নী।

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, আজকাল রাতে ঘুম হচ্ছে না অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের। সারারাত মেয়ে কৃষভির সঙ্গে জেগেই কাটাতে হচ্ছে তাকে। কখনো তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়লে মেয়েকে কোলে নিয়ে রাত জাগছেন বাবা কাঞ্চন মল্লিকও। যদিও শ্রীময়ীর রাত জাগা শুরু হয়েছিল মেয়ে গর্ভে থাকাকালীন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ঘুমাতেই পারেননি তিনি। ৯ মাস বাদেও বদলায়নি কিছু। এখন মেয়ে চোখের সামনে। ঘুম নেই, বিনিদ্র রজনী, তবে ক্লান্তি নেই। কারণ মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নাকি শ্রীময়ীর নিজেরই। কাঞ্চন নিষেধ করেছিলেন স্ত্রীর বয়সের কথা ভেবে। 

    শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন বলেছিল— ‘২৭ বছর বয়সে মা হবি, আর একটু সময় নে। কিন্তু আমি আর সময় নষ্ট করতে চাইনি। এত একসঙ্গে আমরা ঘুরেছি, সময় কাটিয়েছি, বাড়িতে একা কাটিয়েছি। এবার তিনজনে একসঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলাম। 

    তিনি বলেন, এখন ঘুমাতে না পারার কষ্ট নেই; বরং মেয়েই যেন সারা বাড়ি মাতিয়ে রেখেছে। আনন্দের আবেশ এখন মল্লিকবাড়িতে।

    দোল পূর্ণিমায় প্রথম বুঝতে পারেন তিনি, মা হতে চলেছেন। তারপর অনেক মাসের সফর। দীপাবলির দিন, বলা ভালো— শাহরুখের জন্মদিনে ভূমিষ্ঠ হলো তাদের কন্যাসন্তান। যদিও শ্রীময়ী ভেবেছিলেন স্বামী কাঞ্চনের বাবার জন্মদিন ১৭ নভেম্বরেই সন্তান আসবে। শ্রীময়ী বলেন, প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম— শ্বশুর মশাইয়ের জন্মদিনেই সন্তান আসবে। সেই মতো তারিখ ঠিক করা হয়। কিন্তু ও অনেকটা বড়সড় হয়ে গিয়েছিল। কালীপূজার দিন সকালেও অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে দুপুরের দিক থেকে প্রায় নড়াচড়া বন্ধ হতেই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬ দিনের মাথায় মেয়ের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী

    টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের মেয়েকে একবার দেখার জন্য ভক্ত-অনুরাগীরা উদ্গ্রীব হয়ে আছেন। এবার সদ্যোজাত কন্যাকে এক ঝলক প্রকাশ্যে আনলেন এ তারকা দম্পতি।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, দীপাবলির আবহে কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। অস্ত্রোপচার করে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। মেয়ের জন্মের পরই অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক জানিয়েছিলেন— বাড়িতে লক্ষ্মী এসেছে। তারা কন্যার নাম রেখেছেন ‘কৃষভি’। যদিও অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার কথা কাউকে ঘুণাক্ষরেও জানতে দেননি কাঞ্চন-শ্রীময়ী। পুরো সময়টাই আড়ালে রাখেন এ দম্পতি। 

    তবে মেয়ের জন্মের পর মাতৃত্বের ৯ মাসের চড়াই-উতরাইয়ের কথা জানিয়েছেন তারা। তাদের ভক্ত-অনুরাগীরা এখন উদ্গ্রীব কাঞ্চন-শ্রীময়ীর মেয়েকে দেখার জন্য। এবার সদ্যোজাত কাঞ্চনকন্যাকে প্রকাশ্যে আনলেন শ্রীময়ী।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের মেয়ের ছবি পোস্ট করে দেখালেন শ্রীময়ী। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ছোট্ট ছোট্ট আঙুল ধরে রয়েছেন শ্রীময়ী। লম্বা, গোলাপি, নরম আঙুলের ছবিই প্রকাশ্যে এনেছেন কাঞ্চনপত্নী। সাধারণত তারকারা তাদের সন্তানের মুখ দেখানোর আগে হাত-পায়ের ঝলক দিয়ে থাকেন। 

    ঠিক যেমন কদিন আগেই করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। তিনি মেয়ের নাম প্রকাশের দিন মেয়ের পায়ের ছবি দিয়েছিলেন। আনুশকা শর্মাও ছেলের ছোট্ট হাতের ছবি দেন। ঠিক একই পথে হেঁটেছিলেন রাজ-শুভশ্রীও। এবার তাদেরই অনুসরণ করলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী।

    এদিকে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর শ্রীময়ী হাসপাতাল থেকে বলেছিলেন—মেয়ে ভালো আছে। আমিও ভালো আছি। তবে ধকল গেছে একটু। তাই ক্লান্তি রয়েছে। এ-ও জানিয়েছেন তিনি, খুশিতে আত্মহারা কাঞ্চন। কালীপূজার পরেই বাড়িতে কন্যাসন্তান। বিধায়ক-অভিনেতার মতে, দেবীই কন্যা রূপে এসেছেন তার ঘরে। তবে কার মতো দেখতে হয়েছে, এখনই বুঝতে পারছেন না নতুন মা-বাবা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তোমাকে এভাবেই সবসময় সারাজীবন ভালোবেসে যাব’

    দুজনেই প্রমাণ করেছেন— বয়স একটা সংখ্যামাত্র। তা কখনো ছাপ ফেলতে পারে না সম্পর্কে, ভালোবাসায় আর বিবাহিত জীবনে। হাজারও ট্রোল আর সমালোচনাকে উপেক্ষা করে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যান টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। হানিমুনে মালদ্বীপে ভালোবাসায় বুঁদ ছিলেন তারা। সে রকমই একটি ছবি সামাজিমাধ্যমে পোস্ট করে শেয়ার করলেন এ অভিনেত্রী।

    বিয়ের পরই সগর্বে শ্রীময়ী ঘোষণা করেছিলেন—মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে কাঞ্চনের ঘরে সুখে আছেন তিনি। শ্রীময়ী ২৮ আর কাঞ্চনের ৫৪ হলেও তাদের বয়সের পার্থক্য ২৬ বছরের । কিন্তু তাতে বয়স কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। শুধু তাই নয়, কাঞ্চনের এটি তৃতীয় বিয়ে, আর শ্রীময়ীর প্রথম। তবে এসব কিছুই বোঝা যায় না তাদের সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করা ছবি দেখলে।

    গত মার্চ মাসে বিয়ে করার পর জুলাই মাসে মালদ্বীপে হানিমুন করতে যান শ্রীময়ী ও কাঞ্চন। বিলাসবহুল ওয়াটার ভিলায় রোম্যান্স উঠেছিল চরমে। নীল জল আর সাদা বালির দেশে ভালোবাসা মাখা ছবি এর আগেও দিয়েছেন সামাজিকমাধ্যমে। কিন্তু শনিবার শ্রীময়ী যে ছবিটি শেয়ার করেন ইনস্টাগ্রামে, সেটিও ছিল খুব চমৎকার।

    রোমান্টিক মুডে শ্রীময়ীকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেছেন কাঞ্চন। ফুল ছাপ লং ড্রেস পরে আছেন শ্রীময়ী। আর প্রিন্টেড হাওয়াই শার্ট কাঞ্চনের গায়ে। ছবির ক্যাপশনে লেখা— I love you always & forever mumma। অর্থাৎ তোমাকে এভাবেই সবসময়, সারাজীবন ভালোবেসে যাব মাম্মা।

    যদিও জীবনে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখ বন্ধ রাখতে প্রথম থেকেই হানিমুনের ছবিতে কমেন্ট লিমিটেড রাখেন অভিনেত্রী। এই ছবির ক্ষেত্রেও সেই নিয়ম পালন করা হয়েছে।

    কাঞ্চনে হৃদয় ভালোবাসায় ভরপুর। তিনি যে রোমান্টিক তার প্রমাণ এর আগেও দিয়েছেন বহুবার। গত ১৪ ফেব্রুয়ারির দিন একেবারে হাঁটু মুড়ে বসে প্রপোজ করেছিলেন শ্রীময়ীকে। যদিও আগে থেকেই ম্য়ারেজ রেজিস্ট্রির সব বন্দোবস্ত করে রেখেছিলেন তিনি। সই আর ছবি যোগ করে রেখেছিলেন আবেদন করার জন্য। কিনে রেখেছিলেন শাড়ি আর ম্যাচিং ব্লাউজ।

    যদিও শ্রীময়ীর পরিবার সবটাই জানত। আর শ্রীময়ী হ্যাঁ করতেই পরিয়ে দেন আংটি। কাগজে সই করে হয়ে যান একে-অপরের। পরে বিয়ে করে ফেলেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। সব নিয়ম মেনে চার হাত এক হয়। গায়েহলুদ, মালাবদল, অগ্নিসাক্ষী রেখে সাত পাক ঘোরা, প্রতিটা মুহূর্ত ভাইরাল হয়েছিল সামাজিকমাধ্যমে।  

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিমুনে বিকিনিতে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন শ্রীময়ী

    বিয়ের বয়স মাত্র পাঁচ মাস হয়েছে টালিউড তারকা কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের। বিয়ের পর থেকেই লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কাঞ্চন। তিনি এখন উত্তরপাড়ার বিধায়ক। প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণে বিয়ের পর হানিমুনে যাওয়া হয়নি এ দম্পতির। তা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল স্ত্রী শ্রীময়ীর। পরে কাঞ্চন শ্রীময়ীকে নিয়ে তাজপুরে যান। সেখানে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবির শুটিংয়ের পাশাপাশি সময় দেন স্ত্রীকে। এবার সব কাজ সরিয়ে প্রকৃতির মাঝে শুধুই দুজন দুজনার।

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানা যায়, বিয়ে হয়েছে মাত্র পাঁচ মাস অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী স্ত্রী শ্রীময়ীর। বিয়ের পর থেকেই লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত কাঞ্চন। এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল স্ত্রী শ্রীময়ীর। পরেই কাঞ্চন শ্রীময়ীকে নিয়ে উড়াল দেন মালদ্বীপে। 

    হানিমুনে গিয়ে জলকেলিতে মগ্ন কাঞ্চন-শ্রীময়ী দম্পতি। কালো বিকিনিতে নীল জলে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন শ্রীময়ী। মালদ্বীপে গিয়ে কীভাবে একান্তে সময় কাটাচ্ছেন তারা, সেটাই ভিডিও দিয়ে জানালেন সামাজিকমাধ্যমে।

    মলদ্বীপে পা রেখেই সামাজিকমাধ্যমে ভিডিও ছেড়েছিলেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। তার ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাপের পাপড়ি বিছানো থেকে নীল জলরাশির ঝলক। সেই ঝলকের ভিডিও কাঞ্চন মল্লিক ও তার অভিনেত্রী স্ত্রীর হানিমুন নিয়ে আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে নেটিজেনদের। 

    সরাসরি জলের মধ্যে ভালোবাসার গতি প্রকাশ্যে আনলেন এ দম্পতি। দেখা গেল ঊর্ধাঙ্গ অনাবৃত দৃশ্য অভিনেতা কাঞ্চন স্ত্রীকে নিয়ে জলকেলিতে মগ্ন। কালো বিকিনিতে সমান উত্তাপ ছড়িয়েছেন শ্রীময়ীও।

    এদিকে বিয়ের পর গত রোববার ছিল শ্রীময়ীর প্রথম জন্মদিন। অনুষ্ঠান হবে না, খাওয়া-দাওয়া হবে না, উপহার থাকবে না— তা কি হয়। স্ত্রী শ্রীময়ীর জন্মদিন বলেই কথা। বিশাল আয়োজন করে কাঞ্চন মল্লিক । তাই আবেগে ভরা পোস্ট দিয়েছিলেন এ অভিনেতা ৷ কাঞ্চন মল্লিকও সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগে ভরা পোস্ট করেন। তবে সেই পোস্টে কমেন্ট করার জো ছিল না ৷ কারণ তাতে কাঞ্চন তালা ঝুলিয়ে দেন। অন্যদিকে এ আয়োজনের নানান ঝলক সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করেন শ্রীময়ী। 

    মালদ্বীপে গিয়েও আরও একবার শ্রীময়ীর জন্মদিনের কেক কাটেন এ বিধায়ক। উদযাপনের পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে চারপাশ ঘুরে দেখেন অভিনেত্রী। সেই ছবিও তিনি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে রোববার স্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিকমাধ্যমে কাঞ্চন লিখেছেন— ‘শুভ জন্মদিন । ঈশ্বর তোমার মনের সব ইচ্ছা পূরণ করুন । আমার জন্য তোমার ত্যাগ আজীবন মনে রাখব। আমার জীবন গুছিয়ে দেওয়ার জন্য এবং আমাকে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখার জন্য আমি তোমার কাছে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব । হ্যাঁ, আমি বলতে পারি— আমি তোমার জন্য নতুন করে বাঁচতে শিখেছি এবং নতুনভাবে জীবনে পথচলা শুরু করেছি। এভাবেই সবসময় আমার পাশে থেকো । আমি তোমাকে খুব খুব খুব ভালোবাসি।

    এদিকে বিয়ের ৫-৬ মাস হলো এখনো হানিমুনে যাওয়া হয়নি বলে অনেকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শ্রীময়ী। ভীষণ কষ্ট পাচ্ছেন তিনি। তবে কাঞ্চন সারপ্রাইজ দেবে বলে জানিয়েছে শ্রীময়ী। কাঞ্চন বলেছে— ‘এমন জায়গায় নিয়ে যাব, যে গেলেই মন খুশি হয়ে যাবে।’ কোথায় যাচ্ছি, সেটা নিশ্চয়ই সবাইকে জানাব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এমন তো নয় যে কাঞ্চন একসঙ্গে তিন-চারটে বিয়ে করে রেখে দিয়েছে: শ্রীময়ী

    টালিউডের অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। বয়সের বিস্তর ফারাক হলেও ৫৩ বছর বয়সি কাঞ্চন মল্লিককে মনে ধরেছে ২৬ বছর বয়সি শ্রীময়ী চট্টরাজের। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের ৩৫ দিনের মধ্যেই তৃতীয় বিয়ে সারেন কাঞ্চন।

    rnrn

    ডিভোর্সি পুরুষকে বিয়ের বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী বলেন, আমি একটা কথা বলি— বিবাহ বিচ্ছেদ পুরুষকে বিয়ে করা যে ভুল, এটা আমি একদম মানি না। আমি তো উল্টো কথাই বলব। কাঞ্চন আইনত বিবাহ বিচ্ছেদ করেছে। এ রকম তো নয় যে একসঙ্গে তিনটে-চারটে বিয়ে করে রেখে দিয়েছে! 

    rnrn

    তিনি বলেন, একসঙ্গে থাকতে না পারলে সম্পর্ক থেকে মানুষ সরে আসে। দুজনেই ভুল করে। সেই কাঞ্চন বিয়ের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে যে ভুল দেখতে পেয়েছে, সেই ভুল আর আমার সঙ্গে করবে না। আমি নিশ্চিত। তাই বিবাহ বিচ্ছেদ পুরুষকেই বিয়ে করা উচিত বলে মনে করি।

    rnrn

    নিজের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে কাঞ্চন বলেন, বিয়ে আমার ব্যক্তিগত বিষয়। আগের স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়েছে, তাই নতুন সম্পর্কের দিকে পা বাড়িয়েছি। এটা লুকানোর নয় বা জোচ্চুরি নয়। একটা সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্কে বিবাহের বন্ধনে জড়িয়েছি।

    বিনোদন ডেস্ক