Tag: শ্রীদেবী

  • যে কারণে বনি কাপুরের সঙ্গে ছয় মাস কথা বলা বন্ধ রেখেছিলেন শ্রীদেবী

    শ্রীদেবী ও বনি কাপুরের প্রেমকাহিনি বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত সম্পর্কগুলোর একটি। ‘সদমা’ খ্যাত এই অভিনেত্রীর প্রেমে পড়েছিলেন বনি কাপুর। তবে তখনও তিনি প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরির সঙ্গে সংসার করছিলেন এবং তাদের ঘরে দুটি সন্তান ছিল। 

    বনি কাপুরে থেকে প্রথমবার প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার পর চমকে যান শ্রীদেবী এবং পরবর্তী ছয় মাস তার সঙ্গে কথা বলেননি। কেননা বনি বিবাহিত ছিলেন এবং তার সন্তানও ছিল। 

    একটি পুরনো সাক্ষাতকারে বনি কাপুর বলেন, ‘তাকে রাজি করাতে আমার প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর লেগে গিয়েছিল। যখন আমি তাকে প্রস্তাব দিই, সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিল—‘তুমি তো বিবাহিত, তোমার তো দুটি সন্তান, তুমি আমাকে এসব বলছো কীভাবে?’ এরপর ছয় মাস সে আমার সঙ্গে একটাও কথা বলেনি।”

    ১৯৯৫ সালে শ্রীদেবীর মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি মোড় নেয় ভিন্ন দিকে। তখন বনি কাপুর তার পাশে ছিলেন ছায়ার মতো এবং সেখান থেকেই তারা একে অপরের আরও কাছাকাছি চলে আসেন।

    একটি সাক্ষাৎকারে বনি কাপুর স্মরণ করে বলেন, ‘তখান থেকে শ্রী আমার প্রতি আকৃষ্ট হতে শুরু করেছিল।’

    শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর বনি কাপুর প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরনো ছবি ও স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট শেয়ার করেন।  তার জীবনে শ্রীদেবীর ভালোবাসার ছাপ যে গভীর, এসব পোস্টে তা স্পষ্ট। 

    একটি মোহময়ী ছবি শেয়ার করে বনি কাপুর লেখেন, ‘এক সত্যিকারের রাণীর রুচি ও সৌন্দর্য।’

    হোলির দিন বনি কাপুর শেয়ার করেন শ্রীদেবীর সঙ্গে তার একটি আদুরে ছবি।  ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘হোলি ছিল সবচেয়ে আনন্দময়!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্রীদেবীর সামনে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন অনিল, কেন?

    ঘটনা ১৯৯১ সালের। ‘লমহে’ সিনেমায় বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবীর সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন অভিনেতা অনিল কাপুর। নায়ক একই সঙ্গে মা ও মেয়ের প্রেমে পড়বে— এমনই ছিল এ সিনেমার গল্প।

    ‘লমহে’ সিনেমার গল্প সময়ের তুলনায় আধুনিক ছিল বলে মনে করেন অভিনেতা। কিন্তু নিজের ‘লুক’ নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না অনিল কাপুর। তবে এ সিনেমার গল্প পরে দর্শকদের পছন্দ হবে বলে বিশ্বাস ছিল তার। 

    এক মাথা কালো চুল। মুখে মোটা গোঁফ।— অনিল কাপুরকে এভাবেই দেখতে অভ্যস্ত দর্শক। অধিকাংশ সিনেমাতেই এই রূপেই তাকে দেখা গেছে। কিন্তু চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে নিজেদের চেহারায় বদল আনতে হয় অভিনেতাদের। একই অভিজ্ঞতা হয়েছে অনিলেরও। একসময়ে নাকি নায়িকার সামনে নিজেকে দেখে নগ্ন পর্যন্ত মনে হয়েছিল অভিনেতার। নিজের সেই চেহারা নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট ছিলেন না অনিল। বরং অস্বস্তিই ছিল তার।

    এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অনিল বলছিলেন—‘লমহে’ সিনেমার সময়ে নিজেকে নগ্ন মনে হয়েছিল। আমাকে দেখে সবাই চমকে গিয়েছিল। সেই প্রতিক্রিয়া মোটেও ইতিবাচক ছিল না। দর্শকরা আমাকে ‘রাম লক্ষ্মণ’, ‘তেজাব’-এর মতো সিনেমাতে পছন্দ করেছিলেন। কিন্তু এ সিনেমাতে আমাকে দেখে ওদের মনে হয়েছিল— আমরা এই ভাবে অনিলকে দেখতে চাই না।

    উল্লেখ্য, ‘লমহে’ বক্স অফিসে সফল হয়নি। দর্শকদের এই গল্প পছন্দ হয়নি বলেই সিনেমাটি মুখ থুবড়ে পড়েছিল। তবে অনিল মনে করেন, সিনেমাতে তার ‘লুক’ও পছন্দ হয়নি দর্শকদের। এ সিনেমার জন্য গোঁফ কামিয়ে ফেলতে হয়েছিল অভিনেতাকে। অনিল কাপুরকে শেষ দেখা গেছে ‘ফাইটার ’ ও ‘সাভি’ সিনেমায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিঠুন-শ্রীদেবী সত্যিই কি বিয়ে করেছিলেন?

    বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবীর মোহনীয় চেহারা যে শুধু দশর্ক মনে দোলা দিতো, তা নয়। বলিউড অভিনেতা থেকে শুর করে অনেক প্রযোজক-পরিচালকও তার প্রেমে হাবুডুবু খেতেন।  

    বলিউডে অভিষেকের আগে শ্রীদেবী কাজ করেছেন বেশ কিছু দক্ষিণী সিনেমায়।  সফলতাও পেয়েছেন ব্যাপক। 

    বলিউডে অভিষেকের কয়েক বছর পরই তিনি জিতেন্দ্রর সঙ্গে একের পর এক ছবি করেন, আর তখনই বলিউডে রটে যায় তাদের প্রেমের গুঞ্জন। এমনকি শুটিংয়ের সময় তারা একসঙ্গে হোটেলের একই রুমে থাকতেন বলেও শোনা যেত। তবে জিতেন্দ্রর সঙ্গে নয়, পরবর্তীতে বরং বাঙালি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে শ্রীদেবীর প্রেমের গুঞ্জন আরও বেশি আলোচিত হতে থাকে। বলিউডে তাদের গোপনে বিয়ে করার কথাও প্রচলিত ছিল।

    মিঠুন ও শ্রীদেবীর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বিভিন্ন বিদেশি শোতে একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে। তখন মিঠুন ছিলেন অভিনেত্রী যোগিতা বালির স্বামী এবং তাদের দুই সন্তান ছিল—মিমো ও নমশী। 

    যদিও মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্কের কথা বারবার গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দেন। তবে পরে এক পত্রিকায় তাদের ‘ম্যারেজ সার্টিফিকেট’ প্রকাশিত হলে মিঠুন নাকি সম্পর্কের সত্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হন। এমনও শোনা যায়, তারা মাড আইল্যান্ডে প্রায় সাত মাস একসঙ্গে কাটিয়েছিলেন।

    অভিনেত্রী সুজাতা মেহতার মতে, মিঠুন ও শ্রীদেবী একে অপরকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন। কিন্তু মিঠুনের দাম্পত্য জীবনের জটিলতার কারণেই তাদের সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর শ্রীদেবী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। শুটিং সেটে গিয়ে এক কোণে চুপচাপ বসে থাকতেন, কারো সঙ্গে তেমন কথা বলতেন না। তবে ক্যামেরা চালু হলেই নিজেকে সামলে নিয়ে অভিনয়ে মন দিতেন।

    গুঞ্জন আছে, মিঠুনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শ্রীদেবী তিন মাসের জন্য চেন্নাই চলে যান এবং সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় প্রযোজক বনি কাপুরের। তখন বনি কাপুর বিবাহিত ছিলেন, তার স্ত্রী মোনা কাপুর ও দুই সন্তান—অর্জুন ও অংশুলা ছিলেন। 

    মোনা কাপুর এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বনির সঙ্গে আমার ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিল। কিন্তু আমাদের সম্পর্ক আর বাঁচানোর সুযোগ ছিল না, কারণ ততো দিনে শ্রীদেবী অন্তঃসত্ত্বা।’

    শেষ পর্যন্ত বনি ও মোনার বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং শ্রীদেবী-বনি মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন। এরপর প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে বনির সম্পর্ক অনেকটাই সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। 

    অর্জুন কাপুর একবার বলেছিলেন, ‘শ্রীদেবীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক কখনো স্বাভাবিক হবে না। তিনি আমার বাবার স্ত্রী, এর বেশি কিছু নন।’

    একবার শ্রীদেবী নিজের প্রেমের ব্যাপারে বলেছিলেন, ‘১৯৮৪ সালে বনি কাপুর আমাকে ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ ছবিতে সাইন করানোর জন্য এসেছিলেন। পরে তিনি জানান, আমাকে প্রথম দেখাতেই তিনি প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। যদিও প্রেমের প্রস্তাব দিতে তার কয়েক বছর সময় লেগেছিল।’

    তিনি আরও বলেন, ‘যখন বনিকে মানুষ হিসেবে চিনতে শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম যে আমি ওর প্রেমে পড়েছি। তবে এটা মেনে নিতে আমার অনেক বছর লেগে গিয়েছিল যে, আমার নিয়তি বনির সঙ্গেই জড়িত। যদি আরও আগে ভালোবাসাটা বুঝতে পারতাম! যখন বুঝলাম, তত দিনে আমার মা-বাবা কেউই জীবিত ছিলেন না, আর আমার বোনও এই সিদ্ধান্তে প্রচণ্ড অবাক হয়েছিল।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • নায়িকাকে একনজর দেখতে আদালতে তলব!

    বলিউডের বহু বিখ্যাত সেলিব্রিটির মামলা লড়েছেন ভারতের সিনিয়র আইনজীবী মাজিদ মেমন।  দীর্ঘ ৫০ বছরের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন আলোচিত মামলার নিয়ে তিনি সম্প্রতি ‘মাই মেমোরিজ’ নামে একটি আত্মজীবনী লিখেছেন।  বইটিতে তিনি বলিউডের বহু বিখ্যাত তারকাদের মামলার কথা উল্লেখ করেছেন।  এর মধ্যে অনুপম খের ও সুনীল দত্তের মানহানি মামলা, গুলশান কুমারের হত্যাকাণ্ডের মামলাসহ আরও বেশকিছু আলোচিত মামলার কথা স্থান পেয়েছে। 

    বইটিতে মাজিদ বলেছেন, ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণ মামলায় সঞ্জয় দত্তের পক্ষে তিনি লড়েছেন।  এটি ছিল তার সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মামলাগুলোর মধ্যে একটি।  

    মাজিদের এই আলোচিত বইটিতে বলিউড এবং আন্ডারওয়ার্ল্ডের মধ্যে সম্পর্কের কথাও উঠে এসেছে। তিনি প্রকাশ করেছেন, অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট মামলাকে আড়াল করার জন্য বলিউডের সেলিব্রেটিদের মামালাকে সামনে নিয়ে আসা হতো। সম্প্রতি স্ক্রিন-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাতকারে মাজিদ জানিয়েছেন, তার বইয়ে অনেক সেলিব্রিটির মামলার কথা উল্লেখ থাকলেও, একটি মামলা তিনি লেখেননি। এটি ছিল বলিউডের প্রয়াত বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রীদেবীকে নিয়ে। 

    তিনি জানান, এক বিচারক বলিউড নায়িকা শ্রীদেবীর অনেক বড় ভক্ত ছিলেন। শুধু শ্রীদেবীকে তিনি নিজ চোখে দেখার জন্য এক মামলায় আদালতে অভিনেত্রীকে তলব করেন। 

    মাজিদ বলেন, আমি একবার শ্রীদেবীর পক্ষে একটি মামলা লড়েছিলাম। তখন তিনি বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শীর্ষে ছিলেন। তাকে এক ঝলক দেখার জন্য মানুষ পাগল ছিল। এমনকি ম্যাজিস্ট্রেটও তাকে দেখতে খুব আগ্রহী ছিলেন। আমি একটি অব্যাহতির আবেদন করেছিলাম, কিন্তু তা মঞ্জুর হয়নি। বিচারক আমাকে বলেছিলেন, আমার ক্লায়েন্টকে উপস্থিত রাখতে। কারণ তিনি শ্রীদেবীকে দেখতে চাইছিলেন। অবশেষে যখন তিনি আদালতে এসেছিলেন, তখন লোকজনের এমন ভিড় হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। 

    তার বইয়ের আরেকটি অধ্যায়ে তিনি উল্লেখ করেছেন, একটি মামালাকে শুধু গ্ল্যামারাইজ করার জন্য শাহরুখ খান ও সালমান খানকে মিথ্যাভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। 

    বলিউডের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাজিদ বলেন, আমি কলেজে অনেক তারকার সঙ্গে পড়াশোনা করেছি। আমি বলিউডে যথেষ্ট পরিচিত। মহেশ ভাট আমার ব্যক্তিগত বন্ধু।  বলিউডের অনেক সেলিব্রিটি কলেজ জীবন থেকেই আমার বন্ধু।  আমিসহ দিলীপ কুমার, সুনীল দত্ত এবং আরও অনেকেই প্রতিদিন নওশাদ সাহেবের বাড়িতে জমায়েত হতাম। তাদের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ পরিচিতি ছিল এবং পরবর্তীতে আমি একজন আইনজীবী হয়ে উঠেছিলাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতিদিন বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ব্রেকআপ জাহ্নবীর

    বাল্যবন্ধু শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গেই নাকি সম্পর্কে আছেন বলিউডের জনপ্রিয় প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবীকন্যা জাহ্নবী কাপুর। অতীতে বহু সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। জাহ্নবী সম্পর্কে এমন কথা অনেকেই জানেন। অতীতে অনেকের সঙ্গে প্রেমসম্পর্কে জড়ালেও এখন শিখরের সঙ্গে বহু জায়গায় একসঙ্গে দেখা গেছে জাহ্নবীকে। যদিও ব্যক্তিগত জীবনে কম ঝড় বয়ে যায়নি অভিনেত্রীর। বেশ কিছু দিন আগে শিখরের হাত ধরে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতেও গিয়েছিলেন জাহ্নবী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ব্রেকআপ সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

    জাহ্নবী জানিয়েছেন, তার জীবনে এমন সময় এসেছিল, যখন তিনি প্রত্যেক মাসেই প্রেমিকের সঙ্গে ব্রেকআপ করতেন। অভিনেত্রীর প্রেমিক শকে চলে যেতেন সেসব ঘটনায়। তার পর থেকে তিনি ব্রেকআপের কথা শুনলেই বলতেন— হ্যাঁ, ঠিক আছে। 

    শ্রীদেবীকন্যা বলেন, প্রেমিকের সঙ্গে ব্রেকআপের দুদিন পর খুব কাঁদতাম এবং ফিরে যেতাম। আমি বুঝতেই পারতাম না কেন বারবার ব্রেকআপ খেয়াল মাথায় আসত। এটিকে আমি এক্সট্রিম এক্সপিরিয়েন্স বলতাম।

    কথায় কথায় ব্রেকআপ করা জাহ্নবী বলেন, জীবনে একবারই নাকি তার হৃদয় ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছিল। সেই মানুষটাই নাকি তার জীবনে ফেরত এসে হৃদয়ের ভাঙা টুকরোগুলো জোড়া লাগিয়েছিলেন। ফলে সেই যন্ত্রণা তাকে খুব একটা কাবু করতে পারেনি।

    শিখরের সঙ্গে অনেক আগেই সম্পর্ক তৈরি হয় জাহ্নবীর। সেই সময় তিনি সিনেমায় কাজও শুরু করেননি। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জাহ্নবীর প্রথম ছবি ‘ধড়ক’-এ সহ-অভিনেতা, তথা ছবির নায়ক ঈশান খট্টরের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন অনেকেই শুনেছিলেন। সেই প্রেম ভেঙেও যায় কয়েক দিনের মধ্যে। এখন শিখরই তার ধ্যানজ্ঞান বলে জানান অভিনেত্রী জাহ্নভী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘নাগিন ৩’-এ শ্রীদেবীর মতোই মাতাবেন যে নায়িকা

    বলিউডের জনপ্রিয় প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জুতায় পা গলাবেন, তা সহজ বিষয় নয়। ছবির ট্রিলজি ঘোষণা হতেই নড়ে বসেছে বলিউড। তবে নায়িকা কি শ্রীদেবীর জায়গায় নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন?

    বছরের পর বছর ধরে প্রত্যাশা। অবশেষে ‘শ্রীদেবী’র ‘নাগিন’ ক্যামেরাবন্দি হতে চলেছে। এর আগে ২০২০ সালে প্রথম আভাস ছিল— ছবিটি তৈরি হতে পারে। প্রয়াত নায়িকার জুতায় পা গলাবেন অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। তখনই এই প্রজন্মের নায়িকা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন— তার স্বপ্ন দেখা শুরু। লাবডুবও বাড়বে সমান তালে। এরপরই ছবি নিয়ে আর কোনো সাড়াশব্দ করেননি প্রযোজক কিংবা পরিচালক কেউ-ই।

    এদিকে বলিউড বলছে, শিগগিরই আরও একটি সাদৃশ্য যোগ হতে চলেছে। ‘নাগিন’-এর ট্রিলজি শুটিং ফ্লোরে যাচ্ছে। আর শ্রীদেবী কাপুরের জুতায় পা গলাতে চলেছেন অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। তিনটি ক্ষেত্রে মিল রয়েছে তাদের। নামের আদ্যাক্ষর, পদবি আর পেশায় এক— শ্রীদেবীর মতোই অভিনয়ে বাঁচনভঙ্গি শ্রদ্ধার। মকরসংক্রান্তিতে ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন প্রযোজক নিখিল দিবেদী। তাতেই সাড়া পড়ে গেছে প্রয়াত প্রথম ‘নারী সুপারস্টার’-এর অনুরাগী মহলে। তাদের কৌতূহল— শ্রীদেবীর মতোই শিফন শাড়ির আঁচল উড়বে শ্রদ্ধারও?

    মকরসংক্রান্তির দিন প্রযোজক ছবির নাম ঘোষণা করতেই চিত্রনাট্যের খাতার ছবি শেয়ার করে নিলেন শ্রদ্ধা কাপুর। সেখানে নিখিলের নাম, তার প্রযোজনা সংস্থার নামের পাশাপাশি লেখা ছবির নাম ‘নাগিন: অ্যান এপিক টেল অফ লাভ অ্যান্ড স্যাক্রিফাইস’। ‘নাগিন’ এবং ‘নিগাহেঁ’ ছবির মতো ট্রিলজিতেও ইচ্ছাধারী সাপের গল্প থাকবে। যে সাপ অলৌকিক শক্তির জোরে মনুষ্য রূপ ধরতে পারে। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে তিনি শ্রীদেবী অভিনীত ছবি দুটি একাধিকবার দেখেছেন। এবার খুঁটিয়ে চিত্রনাট্য পড়বেন। চরিত্রের উপযোগী করে গড়ে তুলবেন নিজেকে। 

    উল্লেখ্য, রোমান্টিক ছবির পাশাপাশি শ্রদ্ধা কাপুর অলৌকিক বা ভৌতিক ছবিতেও যে সাবলীল তার প্রমাণ ‘স্ত্রী’ ছবিটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খুশি কাপুর নয় যেন শ্রীদেবীকে দেখছি: আমির খান

    খুব তাড়াতাড়ি বলিউড মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানের ছেলের সঙ্গে প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবীকন্যা খুশি কাপুরকে বড়পর্দায় দেখা যাবে। ‘লাভিয়াপা’র রাফ কাট দেখার পর খুশি কাপুরকে দেখে তার মা প্রয়াত শ্রীদেবীর সঙ্গে তুলনা করলেন অভিনেতা। 

    এ ছবি নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আমির খান বলেন, আমি রাফ কাট দেখেছি। ছবিটা আমার সত্যি খুব ভালো লেগেছে, বেশ বিনোদনমূলক একটি ছবি। স্মার্টফোনের কারণে আজকাল আমাদের জীবন যে বদলে গেছে তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু এর ফলে ঘটে নানা নিত্যনতুন ঘটনা। আমাদের জীবনে ঘটতে থাকা এসব আকর্ষণীয় জিনিসগুলো নিয়েই ‘রাফ কাট’ ছবি। ছবির সব কলাকুশলীই বেশ ভালো কাজ করেছেন।

    মিস্টার পারফেকশনিস্ট বলেন, যখন আমি খুশিকে ছবিতে দেখি, তখন আমার মনে হয়েছিল আমি যেন শ্রীদেবীকে দেখছি। ওর এনার্জি ছিল দেখার মতো। তিনি বলেন, আমি শ্রীদেবীর অনেক বড় ভক্ত। আমি সবসময়ই ওর সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছিলাম। তিনি একজন গুণী শিল্পী ছিলেন। ক্যামেরা তার দিকে ঘুরলেই সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার আসল প্রতিভা দেখাতে শুরু করতেন। তিনি বলেন, ওর মধ্যে একটা বিষয় ছিল, আর রাফ কাট দেখতে দেখতে খুশির অভিনয়ের সেই বিষয়টা লক্ষ্য করলাম। ওদের অভিনয়ের ধরনে অনেক মিল পেয়েছি। 

    উল্লেখ্য, খুশি কাপুর প্রয়াত শ্রীদেবী ও প্রযোজক বনি কাপুরের ছোট মেয়ে। ২০২৩ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া জোয়া আখতারের পরিচালনায় ‘দ্য আর্চিস’ দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখেন তিনি। শাহরুখ খান ও গৌরী খানের মেয়ে সুহানা খান এবং অমিতাভ বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দাও ‘দ্য আর্চিস’-এর হাত ধরে বলিউডে পা রাখেন। 

     ‘লাভিয়াপা’ ছবির মাধ্যমে জুনায়েদ ও খুশি প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় আসতে চলেছে। ‘মহারাজ’-এর হাত ধরে অভিনয়ের জগতে পা রাখেন জুনায়েদ। সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা পরিচালিত এ ছবিতে আরও অভিনয় করেন জয়দীপ আহলাওয়াত ও শর্বরী।

    আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ‘লাভিয়াপা’র রাফ কাট ছবি। পরিচালনা করেছেন অদ্বৈত চন্দন। এটি প্রযোজনা করেছে ফ্যান্টম স্টুডিও ও এজিএস এন্টারটেইনমেন্ট। নির্মাতাদের মতে, ‘লাভিয়াপা’ একটি প্রেম, জটিলতা ও মজার ছবি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিঠুনের সঙ্গে বিচ্ছেদে ভেঙে পড়েন শ্রীদেবী

    ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে প্রেমের গুঞ্জন রটে। সেই সময় বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী তার ক্যারিয়ারের তুঙ্গে অবস্থান করছিলেন। অন্যদিকে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ততদিনে বিবাহিত। তার সঙ্গে যোগিতা বালির বিয়ে হয়েছে। যদিও যোগিতাকে বিয়ে করার আগে হেলেনা লিউককে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা। তখনই খবর রটে— মিঠুন নাকি প্রেম করছেন শ্রীদেবীর সঙ্গে। 

    যদিও এ বিষয়ে কখনই তারা খোলসা করেননি কিছু। বরং এড়িয়ে গেছেন সব গুঞ্জনকে। আর চুপিসারে চালিয়ে যান তাদের প্রেম-অভিসার। আর তাদের সেই প্রেমের কথা জানতে পেরেই নাকি যোগিতা আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন। এরপর শ্রীদেবীও বুঝতে পারেন— যোগিতা বালিকে ডিভোর্স দেবে না মিঠুন চক্রবর্তী। 

    পরে অবশ্য শ্রীদেবীর জীবনে আসে বনি কাপুর। প্রথমে পরিচালকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও একটা সময় তার গলাতেই মালা দেন শ্রীদেবী। পরে তারা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুটি কন্যাসন্তানের জন্ম নেয়।

    এদিকে মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবী একে অন্যকে পাগলের মতো ভালোবাসতেন। এ বিষয়টি নিয়ে একটা সময় দারুণ চর্চা হয়েছিল। নানা খবরও রটেছিল। কিন্তু টেকেনি দুই তারকার সম্পর্ক। যে যার নিজের পথে এগিয়ে গেছেন জীবনে। তবু তাদের নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এত বছর পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে আবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী সুজাতা মেহতা। জানালেন বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবী।

    হিন্দি রাশ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী সুজাতা মেহতা কথা বললেন মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবীর সেই চর্চিত প্রেমকাহিনি নিয়ে। শোনা যায়, মিঠুন ও শ্রীদেবীর নাকি বিয়েও হয়েছিল। যদিও সুজাতা নিজে কখনো এ বিষয়ে প্রয়াত অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করেননি বলেই জানান এদিন। 

    কেন জিজ্ঞেস করেননি, সেটিও খোলাসা করেছেন সাক্ষাৎকারে। সুজাতা বলেন, ‘শ্রীদেবী ওই সময় মানসিকভাবে খুব ডিস্টার্বড ছিলেন। তবে কাজের জায়গাটা ঠিক রেখেছিলেন। 

    বিচ্ছেদের পরও কাজ আর শুটিংয়ে ফোকাস টিকিয়ে রেখেছিলেন শ্রীদেবী। আর এমন ভাব দেখাতেন যেন মিঠুন নামের কেউ কোনো দিন ছিলই না। সুজাতা বলেন, শুটিংয়ের পর এক কোনায় গিয়ে চুপচাপ বসে থাকতেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, এটা বলতে পারি— ওই বিচ্ছেদ শ্রীকে একেবারে যেন ভেঙে দিয়েছিল। আমার মনে হয়, ওরা একে অন্যকে পাগলের মতো ভালোবাসত। অনেকেই বলেন, ওরা নাকি বিয়েও করেছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন শাহরুখের সঙ্গে অভিনয়ে রাজি হননি এই ৫ বিখ্যাত নায়িকা?

    বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের আজ কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই। আজ বিশ্বের মানুষ এই অভিনেতাকে কিং খান নামেই চেনে। তার একটি ছবি বক্স অফিসে হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করে। অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি শিল্পীই তার সঙ্গে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন। তবে, আপনি জানেন কি, বলিউডের পাচঁজন বিখ্যাত অভিনেত্রী শাহরুখ খানের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন?

    সোনম কাপুর

    বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর এখন অনেক কম সিনেমায় কাজ করছেন। এক সময় বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। শোনা যায়— বহু পরিচালকই তাকে শাহরুখ খানের বিপরীতে ছবিতে কাস্ট করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সোনম মনে করেছিলেন তার ও শাহরুখের রসায়ন দর্শকদের পছন্দ নাও হতে পারে। এর কারণেই তিনি শাহরুখের সঙ্গে কোনো ছবিতে অভিনয় করেননি। কিছু গণমাধ্যমে এমনও দাবি করা হয় যে, বয়সের পার্থক্যের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। 

    হেমা মালিনী

    বলিউডের অন্যতম প্রবীণ এই অভিনেত্রী শাহরুখের সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন। কিছু সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, তিনি মনে করেছিলেন শাহরুখের মত অভিনেতারা বেশি কাজ করেছেন। তার সঙ্গে কাজ করার কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছিল না। তবে এই বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। 

    কঙ্গনা রানাউত

    কঙ্গনা রানাউত প্রায়ই তার বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে থাকেন। তিনি একসময় শাহরুখ খানের সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন। কঙ্গনা বিশ্বাস করতেন যে তিনি নিজের শক্তিতে সবকিছু অর্জন করেছেন, এবং সে কারণে তিনি কোনো ‘খান’-এর সঙ্গে কাজ করতে চাননি। 

    আমিশা প্যাটেল

    আমিশা প্যাটেল তার ক্যারিয়ারে অনেক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেছিলেন যে ভক্তরা শাহরুখ খানের সঙ্গে তার রসায়ন পছন্দ নাও করতে পারে। এ কারণেই তিনি কখনও শাহরুখের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করেননি। তাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল সানি দেওলের সঙ্গে ‘গদর 2’ ছবিতে। 

    কারিশমা কাপুর

    কারিশমা কাপুর শাহরুখ খানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কিন্তু তিনি প্রথমে কিছু সিনেমায় শাহরুখের বিপরীতে কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন। তাকে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়ে’ এবং ‘অশোকা’ ছবিতে শাহরুখের বিপরীতে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেইসব ছবিতে কাজ করতে রাজি হননি। 

    শ্রীদেবী

    শ্রীদেবী বলিউডের এক কিংবদন্তি অভিনেত্রী। শাহরুখ খানের ছবি ‘ডর’-এ অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে ছিলেন। তবে নানা কারণে তিনি এই ছবিতে কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন। ‘ডর’ ছবিতে সানি দেওল এবং জুহি চাওলা ছিলেন প্রধান চরিত্রে এবং ১৯৯৩ সালে ছবিটি মুক্তি পায়। 

    এসব অভিনেত্রীদের সিদ্ধান্তগুলো আজও বলিউডে আলোচনার বিষয়। যদিও অনেকেই শাহরুখ খানের সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছেন, কিন্তু তারা কিছু কারণে সরে এসেছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রজনীকান্তের অসুস্থতায় ৭ দিন উপোস রেখেছিলেন শ্রীদেবী

    বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী অসংখ্য জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এ ছাড়া বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী সিনেমাতেও দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন এ অভিনেত্রী। সমুদ্র হিমাচল দর্শকদের কাছে আজও তিনি স্বপ্নের সুন্দরী। শ্রীদেবীর অভিনয় থেকে শুরু করে তার নাচের দক্ষতায় মুগ্ধ ছিলেন ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    সেই সুবাদেই দক্ষিণের অনেক তারকার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু এমন একজন সুপারস্টার আছেন, যার সঙ্গে শ্রীদেবী শুধু সিনেমাই করেননি, তার জন্য সাত দিন উপোসও রেখেছিলেন এ অভিনেত্রী। তবে নিজের স্বামী বনি কাপুর বা প্রেমিক মিঠুনের জন্য নয়, দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্তের জন্য সাত দিন উপোস ছিলেন শ্রীদেবী। 

    এ অভিনেত্রী শক্তিমান অভিনেতা রজনীকান্তের সঙ্গে ২৫টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন। তারা দুজনেই একে অপরের খুব ভালো বন্ধু ছিলেন। এর আগে গণমাধ্যমের  এক সাক্ষাৎকারে রজনীকান্ত বলেন, ২০১১ সালে যখন তিনি ‘রানা’ সিনেমার শুটিং করছিলেন, তখন তার শরীর খুব খারাপ হয়েছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে যেতে হয়েছে।

    শ্রীদেবী যখন বিষয়টি জানতে পারেন, তখন তিনি অসম্ভব চিন্তিত হয়েছিলেন। অভিনেতার সুস্থতার কামনায় ভগবানের কাছে ব্রত রেখেছিলেন অভিনেত্রী। যে কারণে সাত দিন উপোস রেখেছিলেন তিনি।

    এর আগেও বহু সাক্ষাৎকারে শ্রীদেবীকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বলে উল্লেখ করেছিলেন রজনীকান্ত। তাই নায়িকার অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছিলেন ‘থাইলাইভা’।

    বিনোদন ডেস্ক