Tag: শিল্পী সমিতি

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর যে প্রতিশ্রুতি দিলেন শিবা ও জয়

    দীর্ঘদিন পর টানা একমাস এফডিসির প্রাঙ্গণ তারকাসমাগমে জাঁকজমকপূর্ণ দেখা গেছে। শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে সভাপতি পদে খল-অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নায়ক জয় চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। 

    এ নির্বাচনে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইটার ও প্রযোজক আরমান ১৭৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম ১৭৯ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী। এ সময় তারা ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এর পাশাপাশি আগামী দিনে সাধারণ শিল্পীদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    ভোটারদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নতুন সভাপতি শিবা শানু। এ খলঅভিনেতা বলেন, যারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছে, তাদের মনে এত বেশি বিশ্বাস ছিল আমার প্রতি, এত ভালোবাসা ছিল আমার প্রতি যে, তাদের এই ভালোবাসা, এই বিশ্বাসের পুরোপুরি মর্যাদা আমি কীভাবে রাখব, সেইটাই এখন আমাকে বেশি ব্যাকুল করে তুলেছে।

    তিনি বলেন, এই যে গলায় ফুলের মালা, এটা আমার এখনো পরার সময় হয়নি। আমি এটা সেদিনই শিল্পীদের কাছ থেকে পরব, যেদিন তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারব। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী অভিনেতা জয় চৌধুরী তার নির্বাচনী প্যানেলের পুরো যাত্রার বিবরণ তুলে ধরেন। সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর ও কার্যকর কমিটি গঠনের আশা প্রকাশ করে এ অভিনেতা বলেন, আমরা সুন্দর একটা পরিষদ গঠন করব। সেই হিসাবে আমাদের অনেক সিনিয়ারকে নিয়ে আমাদের এ রকম একজন কর্মঠ ও একজন ভালো মনের মানুষ, যিনি আমাদের প্রেসিডেন্ট ক্যান্ডিডেট ছিলেন, তাকে নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম।

    জয় চৌধুরী বলেন, তাদের সহযোগী হিসাবে সবার প্রিয় সুব্রত দা তার টোটাল টিমটাকে সাজিয়েছিলেন এবং সঙ্গে জ্যাকি ভাইও ছিলেন। নির্বাচনী লড়াইয়ের পথটা বেশ কঠিন ছিল। সবকিছু মিলে আমাদের যাত্রাটা অতটা সহজ ছিল না, যতটা সহজে আমরা এতটা গুছিয়ে উঠতে পেরেছি। 

    নবনির্বাচিত এ দুই নেতা সাধারণ শিল্পীদের হাত ধরে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মাঝে এক ঘণ্টার বিরতি ছিল— দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত। নির্বাচন ঘিরে এক মাস ধরে চলচ্চিত্রশিল্পীদের উপস্থিতিতে সরগরম ছিল এফডিসি প্রাঙ্গণ। প্রার্থীদের ব্যস্ততা, সমর্থকদের আনাগোনাসহ নানামুখী প্রচারে পুরো এলাকায় দেখা গেছে নির্বাচনী আবহ। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। এর মধ্যে একটি প্যানেল হচ্ছে—আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্যটিতে আছেন শিবা শানু ও জয় চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী। শুক্রবার (৩ জুলাই) দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। 

    ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে শিবা সানু পেয়েছেন ২৪৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন জয় চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট। 

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয় বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এবারের নির্বাচনকে ঘিরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিএফডিসিতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেলের মধ্যে ছিল মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। একদিকে ছিলেন আরমান–মুক্তি পরিষদ, অন্যদিকে শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদ। নির্বাচনের আগে প্রচার-প্রচারণা, প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান এবং ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সরগরম ছিল এফডিসিপাড়া। 

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কামাল মো. কিবরিয়া লিপুর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব পেলেন সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতি নির্বাচনে মুক্তির পক্ষে সমর্থন ওমর সানীর

    আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ১৯৯২ সালে ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক করা চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি এবারের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। অন্য অনেক শিল্পীর মতোই এবার তাকে সমর্থন জানালেন মুক্তির অভিষেক সিনেমায় অভিনয় করা একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী। 

    মজার বিষয় হলো, ‘চাঁদের আলো’ সিনেমাটি ওমর সানীর ক্যারিয়ারেরও প্রথম চলচ্চিত্র। 

    সম্প্রতি এফডিসিতে এসে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মুক্তিকে সমর্থন জানিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওমর সানী বলেন, ‘ও (মুক্তি) আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা। আমি মুক্তিকে আশীর্বাদ দিতে এফডিসিতে এসেছি। আমি যদি এটা না করি তাহলে আমার কর্মজীবনের সঙ্গে গাফলতি হবে। আমি চাই মুক্তি ভালো কিছু করুক।’

    মুক্তির সঙ্গে একই প্যানেলে সভাপতির পদে লড়বেন অভিনেতা-ফাইট ডিরেক্টর আরমান। তাকে নিয়ে এই অভিনেতার মন্তব্য, ‘আরমান ভাইয়ের সান্নিধ্যে থেকেই আমরা অনেক বড় হয়েছি। শিল্পী সমিতি একটা সময় গিয়ে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। জোরজবরদস্তির মায়াজাল তৈরি হয়েছিল। গত ১০ বছরে দু-একবার এরকম অনেক ফ্লাকচুয়েট হয়েছে। রীতিমতো জোরজবরদস্তির একটা রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। সেটা এবার নেই। মুক্তির জায়গাটা অনেক উজ্জ্বল দেখতে চাই। আমি ওপেন মুক্তির জন্য সঙ্গে আছি। যারা যারা মুক্তির প্যানেলে আছে তাদের জন্য শুভকামনা।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ সময় ওমর সানী সিনিয়র শিল্পীদের শুভকামনা জানিয়ে আরও বলেন, ‘আরমান ভাই অনেক সিনিয়র। আমাদের তুই-তুমি বলা মানুষগুলো হারিয়ে গেছে। এখন হাতেগোনা কয়েকজন আছে। তার মধ্যে আরমান ভাই আছেন। আরমান ভাই সভাপতি প্রার্থী হওয়াতে আমি সারপ্রাইজ হয়েছি। তিনি সবকিছু দিয়ে সিনেমা ভালোবাসেন। আরমান ভাইকে আল্লাহ অনেক কিছু দিয়েছেন। মুক্তি, কমলদের অনেক কিছু আছে। এরা এফডিসিতে না আসলে কিছু যায় আসে না। কিন্তু এই জায়গাটা ভালোবেসে আসে। এই মানুষগুলোকে কাজের সুযোগ দেওয়া দরকার। তাদের জন্য সবসময় শুভকামনা।’ 

    এছাড়া তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মুক্তির পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার একটি পোস্টার ও মুক্তির ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা, শ্রদ্ধেয় আনোয়ারা খালার সুযোগ্য কন্যা মুক্তি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছে। ওর জন্য আমার মন থেকে অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।’

    এদিকে ওমর সানীর সমর্থন পেয়ে প্রতিক্রিয়ায় মুক্তি বলেন, ‘সমুদ্রের যেমন কূলকিনারা নেই, এই খুশিরও তেমন কূলকিনারা নেই। আমার প্রথম সিনেমার নায়ক ওমর সানী ভাই। আমাকে দোয়া দিতে তিনি এসেছেন। তিনি আগে থেকেই দোয়া দিয়েছেন। এবার গণমাধ্যমের সামনে দিলেন। তাকে পাশে পেয়ে আমি ভীষণ খুশি।’ 

    উল্লেখ্য, বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতনামা অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি। দীর্ঘদিন রুপালি পর্দা থেকে দূরে থাকলেও চলচ্চিত্রের মানুষদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে সরব থাকেন তিনি। এবার সরাসরি শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো চমক দেখিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশ নিতে চেয়েছিলেন বাপ্পারাজ। তবে হঠাৎই জানা গেল, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এ অভিনেতা। 

    চলচ্চিত্র অঙ্গনে কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বাপ্পারাজ। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনার ইতি টেনে তিনি নির্বাচনি দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন। 

    এর আগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তির সঙ্গে প্যানেল গঠন করবেন বলে জানিয়েছিলেন বাপ্পারাজ। তবে বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমকে বাপ্পারাজ ও মুক্তি দুজনেই নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মুক্তি জানান, গতকাল বাপ্পারাজ তাকে একটি ক্ষুদেবার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন। তাই তিনি এখন নতুন সভাপতি প্রার্থী খুঁজছেন।

    ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ও অন্যান্য কারণে বর্তমানে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নেই বলে মনে করছেন এই অভিনেতা। ফলে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, শিল্পী সমিতির সর্বশেষ কার্যনির্বাহী পরিষদের (মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল) মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন দিতে হবে। এরই মধ্যে প্যানেল গোছানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আগ্রহী প্রার্থীরা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতিতে সভাপতি পদে লড়বেন বাপ্পারাজ

    বাবার পথ অনুসরণ করে আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়তে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। তার বাবা কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। এবার সেই একই পথে পা বাড়াচ্ছেন তিনি। 

    জানা গেছে, একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে দাড়াবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। তার মা জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমও বিগত সময় কমিটিতে দায়িত্বে ছিলেন। 

    বিষয়টি বাপ্পারাজ নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘চেয়েছিলাম বাবার কবর জিয়ারত করে সুখবরটি প্রকাশ্যে আনব। তার আগেই গণমাধ্যমে চলে এসেছে। তবে একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। কারণ সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং টেক্সট করে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ 

    একসময়ের জনপ্রিয় এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দেবেন। সেই সঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।’ 

    উল্লেখ্য, সবশেষ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন মিশা সওদাগর ও ডিপজল। এই কমিটির মেয়াদ গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে। 

    গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। সেই হিসেবে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। জানা গেছে, শিগগিরই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে। 

    এদিকে বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়াও আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতিতে জড়িয়ে হারিয়ে যাচ্ছেন শিল্পীরা, প্রতিকার নিয়ে যা বলছেন সংশ্লিষ্টজনরা

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়েছেন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। এরপর ক্ষমতার পালাবদলে পরিবর্তন হতে দেখা গেছে অনেক কিছু। দেশের বিভিন্ন সেক্টরের মতো বিনোদন জগৎও এ নিয়ে অস্থির সময় পার করছে। 

    প্রকাশ্য রাজনৈতিক পরিচয় ও আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা থাকায় অনেক শিল্পী পড়েছেন সংকটে। বিশেষ করে যারা প্রকাশ্যে শেখ হাসিনার গণহত্যায় সমর্থন দিয়েছেন, আন্দোলন চলাকালীন ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তারাই আজ বিপাকে। যদিও এদের কেউ কেউ ভোল পালটে বর্তমান স্রোতের সঙ্গে মিশে গেছেন, তবু বড় অঙ্কের শিল্পী কিন্তু আড়ালে। কেউ কেউ হয়েছেন গ্রেফতার। মিডিয়ার ইতিহাসে শিল্পীদের এ করুণ দশা এর আগে আর ঘটেনি। 

    কারণ, শিল্পীদের রাজনীতি চর্চা করাটা নতুন নয়। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এমন চিত্র দেখা গেছে। কিন্তু আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পীরা লেজুড়বৃত্তি রাজনীতিতে এতটাই বুঁদ ছিলেন যে, ভুলে গিয়েছিলেন শিল্পের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ। দলকানা হিসাবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বিবেকবোধ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার লোভে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে আজ অনেককেই। আজ এদের অনেকের হাতেই নেই কোনো কাজ। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও নেই সরব উপস্থিতি। প্রকাশ্য রাজনীতি চর্চার কারণে এদের অনেকেই হচ্ছেন হামলা-মামলার শিকার, আবার কেউ হচ্ছেন নিন্দিত। 

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি হচ্ছে ক্ষমতার রাজনীতি। জনকল্যাণের রাজনীতি খুব কমই হয়েছে। এ কারণে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে যারা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকেন, তারা ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে নিগৃহের শিকার হন।’

    সম্প্রতি প্রায় দুই ডজনের বেশি শিল্পীর নামে হয়েছে মামলা, আবার অনেকেই গ্রেফতার হয়ে রয়েছেন কারাগারে। এসব শিল্পীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ গৃহীত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আসাদুজ্জামান নূর, মামুনুর রশীদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, মমতাজ বেগম, চঞ্চল চৌধুরী, ফেরদৌস, অরুণা বিশ্বাস, শামীমা তুষ্টি, মেহের আফরোজ শাওন, নুসরাত ফারিয়া, চিত্রনায়ক রিয়াজ, জায়েদ খান, অপু বিশ্বাস, আশনা হাবিব ভাবনা, আজিজুল হাকিম, নিপুণ, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, তানভীন সুইটি, জাকিয়া মুন, সাইমন সাদিক, রোকেয়া প্রাচী, তারিন জাহান, সিদ্দিকুর রহমানসহ অনেকেই। এদিকে জনগণের রোষানলে পড়ে হামলার শিকার হয়েছেন এমন কয়েকজন শিল্পীও রয়েছেন। 

    বিষয়গুলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে শিল্পীর ওপর হামলা বলে প্রতিবাদও জানাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্টজনরা বলছেন, ‘যেসব শিল্পীর ওপর হামলা হয়েছে, সেটাকে ‘শিল্পীর ওপর হামলা’ না বলে তিনি যে দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেই দলের কর্মী বা নেতানেত্রী উল্লেখ করা উচিত।’

    এদিকে অনেকেই বলছেন, সমাজের আয়না হচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু তারা যখন রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হয়ে ওঠেন, তখন সেই আয়নায় দাগ পড়ে। গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে বহু নামকরা শিল্পী রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়েছেন। কেউ সরকারবিরোধী মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন, কেউ আবার দলীয় কোন্দলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পরিস্থিতি তাদের ক্যারিয়ার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।

    বাংলাদেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শিল্পীদেরও উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন নেটিজেনদের অনেকে। তাদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো দলের হয়ে কাজ করা, রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়ানো কোনো শিল্পী নিরপেক্ষ থাকতে পারেন না। তবে শিল্পীদের রাজনৈতিক দর্শন থাকাটা দোষের কিছু নয়ও বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।

    এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম গণমাধ্যমে বলেন, ‘সক্রিয় রাজনীতি শিল্পীদের কাজ নয়। শিল্পী হবেন সার্বজনীন। তিনি তার শিল্পকর্মটা ঠিকমতো করবেন। এটাও ঠিক, মানুষ যখন কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করেন, তিনি নিরপেক্ষ হতে পারেন না। কোনো না কোনো পক্ষের প্রতি তার সমর্থন থাকেই। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সেটা যেন অন্ধের মতো না হয়।’

    এদিকে রাজনৈতিক কারণ ছাড়াও অনেক শিল্পী ব্যক্তিগত ইস্যু ঘিরেও মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়েছেন। যা কমিয়ে দিচ্ছে কাজের গতি। ছিটকে পড়ছেন মিডিয়া থেকে। এভাবেই রাজনৈতিক চাপ, সামাজিক হয়রানি এবং ব্যক্তিগত দুর্ভোগ মিলে মিডিয়া থেকে হারিয়ে যাচ্ছেন অনেক প্রতিভাবান শিল্পী। তাতে করে নাটক কিংবা সিনেমায় এখন দেখা দিচ্ছে শিল্পী সংকট। এভাবে চলতে থাকলে দেশীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গন তারকাশূন্য হয়ে পড়বে। তাই শিল্পীদের শিল্পকর্মেই বেশি মনোনিবেশ করাটাও জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    রিয়েল তন্ময়

  • শিল্পী সমিতি নিয়ে অমিত হাসানের বিস্ফোরক পোস্ট, সমর্থন ওমর সানীর

    ঢাকাইয়া চলচিত্রের নিয়মিত মুখ ছিলেন অমিত হাসান। তবে দীর্ঘদিন ধরে বড়
    পর্দায় দেখা যাচ্ছে না তাকে। এ অভিনেতা করেছেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনও। তবে শিল্পী
    সমিতি নিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

    সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েডে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে অমিত
    হাসান লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি আছে কিন্তু শিল্পী নাই।’ অমিত হাসানের এই পোস্টে সমর্থন
    দিয়েছেন অভিনেতা ওমর সানী। পোস্টের কমেন্টে সহমত জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘একদম সত্যি, ভালো
    বলছিস।’

    ওই কমেন্টের পর গণমাধ্যমে কথা বলেন ওমর সানি। এ সময় শিল্পী সমিতি নিয়ে
    নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

    এ অভিনেতা বলেন, ‘এমন দুরবস্থা কোনো দিন কল্পনাও করিনি। জায়েদ খান সমিতিতে
    এসে যা ইচ্ছা তাই করেছে। নিপুণ জোর করে দায়িত্ব পালন করেছে। শিল্পী সমিতি ঘিরে কোটি
    টাকার খেলা হয়েছে। সঙ্গে ছিল নানা রকম নোংরামি। এসব দেখে আমাদের মতো শিল্পীদের লজ্জায়
    মুখ লুকাতে হয়েছে। বলতে পারেন, শিল্পী হিসেবে আমাদের একরকম মেরে ফেলা হয়েছে।’

    এক সময় ওমর সানী নিজেও ছিলেন শিল্পী সমিতির দায়িত্বে। এখন আর কোনো সম্পর্ক
    রাখতে চান না তিনি। এ অভিনেতা বলেন, ‘আমি চাই, সমিতি থেকে আমার সদস্যপদ বাতিল করে দেওয়া
    হোক। নির্বাচনের সময় আমাকে ও মৌসুমীকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ওঠে, যা খুবই বিব্রতকর।’

    ওমর সানী বলেন, ‘কিংবদন্তি রাজ্জাক আঙ্কেল, কবরী আপা, হুমায়ুন ফরিদী,
    ফারুক ভাইয়ের মতো মানুষেরা এখন আর নেই। আলমগীর, রুবেল, রোজিনা, আমিন খান, বাপ্পারাজ-কেউ
    সিনেমায় নেই। জুনিয়ররাও কাজ পাচ্ছেন না। সিনিয়র শিল্পীরা অবহেলিত।’

    শেষে যোগ করেন, ‘আমরা মরে গেলে সব শেষ। তখন শিল্পী সমিতি শুরু হবে ডি
    গ্রেড শিল্পী দিয়ে, আগে যেটা ছিল এ প্লাস ক্যাটাগরির।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পীদের নগদ ১০ লাখ টাকা ঈদ উপহার দিলেন ডিপজল

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিল্পীদের নগদ ১০ লাখ টাকা ঈদ উপহার দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক এবং শিল্পী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। 

    বুধবার ডিপজলের বড় ভাইয়ের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয় এফডিসির মসজিদে। এদিন উপস্থিত শিল্পীদের নিজ হাতে ঈদ উপহার তুলে দেন অভিনেতা।

    এর আগে শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য এবারের ঈদে তিনটি গরু কুরবানি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডিপজল। সেভাবেই প্রস্তুতি চলছিল। তবে শেষ মুহূর্তে তা সম্ভব হয়নি ডিপজলের বড় ভাই হাজী মো. শাহাদাৎ হোসেনের মৃত্যুতে। ভাইয়ের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন ডিপজল, এলেমেলো হয়ে যায় সবকিছু। কুরবানি চলে গেছে ঠিকই কিন্তু শিল্পীদের নিরাশ করেননি শিল্পীদের নেতা ডিপজল।

    এ প্রসঙ্গে ডিপজল বলেন, ‘সবাই জানেন আমার বড় ভাই মারা গেছেন। যার জন্য গরু কিনতে পারিনি। গরু কেনার ১০ লাখ টাকা শিল্পী সমিতির ফান্ডে দিয়েছি। কার্যনির্বাহী কমিটি এ টাকা সবার মধ্যে বিলিয়ে দিবে। উপস্থিত যারা ছিলেন আমি নিজ হাতে তাদের এ উপহার দিয়েছি। উপহার পেয়ে তারা খুশি।’

    এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি, আমি শিল্পী সমিতিতে নিতে আসিনি, দিতে এসেছি। চলচ্চিত্রের কিভাবে ভালো হয় তা নিয়েই কাজ করব৷ আমি চলচ্চিত্র ও শিল্পীদের মঙ্গল চাই। সবাই আমার ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।’

    জানা গেছে, উপস্থিত ৩৫০ শিল্পীকে এ উপহার তুলে দেওয়া হয়েছে৷ এর মধ্যে শিল্পী সমিতির সদস্য, এফডিসির নিরাপত্তা কর্মী ও এফডিসির কর্মচারীদের মোট সাড়ে ৬ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। আর যারা ঈদ করতে গ্রামে গিয়েছেন তাদের বিকাশের মাধ্যমে এ উপহার পাঠানো হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতির নির্বাচনে লড়ছেন যেসব তারকা

    আগামী ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দুটি প্যানেল। নির্বাচন ঘিরে প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে এফডিসি। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্যানেলে আছেন মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল। আরেক প্যানেলে আছেন সোনালি দিনের নায়ক মাহমুদ কলি ও চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। 

    নির্বাচনে লড়ছেন যারা
    মাহমুদ কলি-নিপুণ প্যানেলে প্রার্থীরা হলেন— সহসভাপতি পদে ড্যানি সিডাক ও অমিত হাসান, সহসাধারণ সম্পাদক বাপ্পি সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জনা রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মারুফ আকিব, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক কাবিলা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন ও কোষাধ্যক্ষ পদে অভিনেতা আজাদ খান।

    আরও পড়ুন:

    কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদের প্রার্থীরা হলেন— সুজাতা আজিম, নাদের চৌধুরী, পীরজাদা হারুন, পলি, জেসমিন আক্তার, তানভীর তনু, মো. সাইফুল, সাদিয়া মির্জা, সনি রহমান, হেলেনা জাহাঙ্গীর ও সাইফ খান।

    মিশা-ডিপজল পরিষদে সহসভাপতি মাসুম পারভেজ রবেল ও ডিএ তায়েব, সহসাধারণ সম্পাদক আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আলেকজান্ডার বো, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক ডন এবং কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী কমল।

    কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন অভিনেত্রী সুচরিতা, রোজিনা, আলীরাজ, সুব্রত, দিলারা ইয়াসমিন, শাহনূর, নানা শাহ, রত্না কবির, চুন্নু, সাঞ্জু জন, ফিরোজ মিয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বড় কোন নেতার অনুরোধে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    ২০২২ সালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছিলেন কীর্তিমান অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। জায়েদ খান-নিপুণের দ্বন্দ্বের কারণে শুরু থেকে এই কমিটিকে সমালোচনায় পড়তে হয়েছে।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে কমিটির নির্বাচিত ২১ জনকে কোনো মিটিংয়ে একসঙ্গে বসাতে পারেননি তারা। ইলিয়াস কাঞ্চন জানান, কমিটির নির্বাচিত সদস্যদের অসহযোগিতার কারণে এমনটি হয়েছে। এ আক্ষেপ নিয়ে সমিতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

    দেশের বড় একজন রাজনীতিবিদের অনুরোধে এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সম্প্রতি যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।  

    ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে প্রশ্ন ছিল— শিল্পী সমিতিতে মধুটা কীসের? সবাই যে এখানে আসতে চায়? 

    তিনি বলেন, আমি এখানে কোনো মধু খুঁজে পাইনি। শিল্পী সমিতির প্রথম সভাপতি ছিলেন রাজ্জাক ভাই, সেক্রেটারি ছিলেন আহমেদ শরীফ। এর পর খলিল ভাই সভাপতি হলেন, তখনো সেক্রেটারি আহমেদ শরীফ। তিনি (আহমেদ শরীফ) যখন সভাপতি হলেন, তখন আমি সেক্রেটারি হই। মানে শিল্পী সমিতির দ্বিতীয় সেক্রেটারি। তো সেই সময়ের কিছু অভিজ্ঞতা ও সব মিলিয়ে আমি মনে করি— একজন মানুষ যদি ভালো হয়। সবাই জানে যে সে আমাদের উপকার করবে। তাকে তো সম্মানের সঙ্গে আমাদের ভোট দেওয়া উচিত। কিন্তু ভোটের জন্য যে কাজগুলো করতে হয়, আমি তখনো কষ্ট পেয়েছি। কষ্ট পাওয়ার কারণেই কিন্তু দ্বিতীয় সেক্রেটারি হওয়ার পরও এত বছর ভোটে দাঁড়াতে আমি উৎসাহ পাইনি। 

    একজন রাজনীতিবিদের অনুরোধে গতবার সভাপতি পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন জানিয়ে কাঞ্চন বলেন, নিপুণ শুধু আমাকে না, আমার ছেলেকেও ম্যানেজ করেছে। তবু আমি দাঁড়াতাম না। আমাদের দেশের বড় একজন রাজনীতিবিদ অনুরোধ করেছিলেন। কারণ তার প্রতি আমার একটা ভালোবাসা-শ্রদ্ধা রয়েছে, যার কারণে আমার এ জায়গায় আসতে হয়েছে।  

    কমিটি নিয়ে তুলকালাম হয়ে যাওয়ার পরও পদত্যাগ না করার কারণ জানিয়ে চিত্রনায়ক কাঞ্চন বলেন, আসলে পদত্যাগ জিনিসটি ভালো নয়। আমার তরফ থেকে কোনো ক্রটি আমি করিনি। ভালো হতো আমাদের সবাই যদি এক মানসিকতার হতো। বছরে অন্তত একটি সাধারণ সভার নিয়ম আছে, কিন্তু আমরা সেটিও করতে পারিনি। আসলে এত অনিয়ম যে একা একটা মানুষ তো আর সব করতে পারে না।
     

    অনলাইন ডেস্ক