Tag: শিল্পা শেঠি

  • অভিনয় নয়, শিল্পা কোটিপতি হয়েছেন এই কাজ করে

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ভারতের সর্বোচ্চ আয়করদাতাদের তালিকায় থাকেন। কিন্তু অভিনয়ই তার একমাত্র আয়ের উৎস নয়। প্রায় সবাই কোনো না কোনো ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ছবি প্রযোজনা ছাড়াও কেউ খোলেন রেস্তোরাঁ, আবার কেউ পোশাক কিংবা প্রসাধনী সংস্থা। একেকজন তারকার একেক রকম ব্যবসা। এবার শিল্পা শেঠি জানালেন কোন অদ্ভুত উপায়ে বড়লোক হয়েছেন তিনি সে কথা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি খোলাসা করেছেন তার এই বিশেষ উদ্যোগের কথা।

    প্রায় আট বছর আগের কথা। শিল্পাকে ডাকা হয়েছিল একটি প্রসাধনী সংস্থার বিপণন-মুখ হিসাবে কাজ করার জন্য। কিন্তু এমনই দুর্ভাগ্য, অভিনেত্রীর পারিশ্রমিকটুকু দেওয়ার মতো ক্ষমতাও ছিল না ওই ত্বক পরিচর্যা পণ্য উৎপাদনকারী সংস্থার। মূলত শিশুর জন্যই নানা পণ্য তৈরি করত মাত্র ৩৫ কোটির সংস্থাটি।

    শিল্পা বলেন, ওরা আমার কাছে এসেছিলেন। আমার ভালো লেগেছিল। কিন্তু একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ করার মতো সামর্থ্য ওই সংস্থার ছিল না। তখন আমিই ওদের প্রস্তাব দিই অংশীদার হওয়ার। অভিনেত্রী বলেন, বিনিয়োগ করেই তিনি বিত্তবান হয়ে উঠেছেন। গত আট বছরে ওই সংস্থা ‘ইউনিকর্ন’ (১০০ কোটি মূল্য) হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০২৩ সালে আইপিও-তে নাম তোলে ওই সংস্থা। তাদের তরফে জানানো হয়, ২০১৮ সালে শিল্পা মাত্র ৬.৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ঘরে তুলেছিলেন ১৬ লাখ শেয়ার। ২০২৩ সালে শিল্পার সেই বিনিয়োগ মূল্য গিয়ে দাঁড়ায় ৩৯ কোটি টাকায়। সে বছর শিল্পা ওই সংস্থার ১৩.৯৩ লাখ শেয়ার বিক্রি করে দেন। তাতে তার লাভ হয় প্রায় ৪৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। 

    একটি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল ওই সংস্থাটির শেয়ারের বাজারমূল্য ২৩৬ টাকা। এখনো শিল্পা ওই সংস্থার ২.৩ লাখ শেয়ারের মালিক। সেই হিসাবে ওই সংস্থায় অভিনেত্রীর বিনিয়োগ মূল্য প্রায় ৫ কোটি ৪২ লাখ কোটি টাকা।

    শিল্পা বলেন, এমন কোনো সংস্থার বিপণন মুখ হতে চান না, যা তার ভাবনাচিন্তার বিপক্ষে যায়। যেমন কোনো মিষ্টি পানীয় কিংবা পানমশলার বিজ্ঞাপন তিনি কোনো দিন করবেন না। তিনি বলেন, এ ধরনের সংস্থাগুলো এত টাকার প্রলোভন দেখায় যে, কখনো মনে হয়, সত্যিই এত টাকা ছাড়া যায় না। কিন্তু কোনোভাবেই নিজের সততার সঙ্গে আপস করা যায় না। আমি সবসময় নিজের মূল্যবোধটুকু আঁকড়ে রাখতে চাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখের সঙ্গে সিনেমা করতে গিয়ে ১৫ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন শিল্পা

    কোমল পানীয় লিমকার একটি বিজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে ১৯৯১ সালে অভিনয় জগতে পা রাখেন শিল্পা শেঠি। এরপর ‘বাজিগার’ ছবিতে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে ১৯৯৩ সালে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক হয় তার। ১৯৯৪ সালে ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনারি’তে প্রধান নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন শিল্পা।

    ‘বাজিগর’ (১৯৯৩) পরিচালনা করেছিলেন আব্বাস-মাস্তান, যারা রোম্যান্টিক-অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ছবির জন্য বিখ্যাত। সিনেমাটি ১৯৯৩ সালে মুক্তি পেয়ে সুপারহিট হয়ে যায় এবং বলিউডের অন্যতম স্মরণীয় ছবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

    ‘বাজিগরে’ শিল্পার দুর্দান্ত অভিনয় আজও দর্শকের মনে গেঁথে রয়েছে। 

    তার ক্যারিয়ারের সেরা ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। শাহরুখের সঙ্গে এই  সিনেমা করতে গিয়ে ১৫ বার মৃত্যুর মুখোমুখি শিল্পা।

    ‘বাজিগর’-এর একটি দৃশ্যে শাহরুখকে দেখা গিয়েছিল শিল্পাকে একটি বাড়ির ওপর থেকে ছুড়ে ফেলে দিতে।

    যে দৃশ্যটি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচিত। কারণ, একটি চলচ্চিত্র উৎসবে শিল্পা এই দৃশ্যের শুটিংয়ের কিছু মজার গল্প ভাগ করেছিলেন।

    বলিউডে কেমন ছিল শিল্পার প্রথম দিনগুলো? অভিনেত্রী বলেন, ‘সেই সময় আমার চলচ্চিত্র সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছিল না। আমি জানতাম না কী ভাবে অভিনয় করতে হয়। সেটে আমি একেবারেই একজন ছাত্রের মতো ছিলাম। প্রথমদিকে, তো খুব নার্ভাস থাকতাম। যেহেতু আমি দক্ষিণ ভারতের, তাই সেটে কখনও হিন্দিতে কথা পর্যন্ত বলতে পারিনি।’

    ‘বাজিগর’-এর ক্লাইম্যাক্স দৃশ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে শিল্পা বলেন, ‘আব্বাস ভাই ছবির অ্যাকশন ডিরেক্টর ছিলেন। এবং আমরা সেই দৃশ্যটি প্রায় পাঁচবার শুট করেছি। আমার কোমরে প্রায় ৮-১০ বছর ধরে ওই দাগটা ছিল। কারণ, আমাকে এমন একটা বেল্ট পরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার দাগ যায়নি শরীর থেকে।’

    অভিনেত্রী বলেন, ‘সেই সময় ভিএফএক্স-এর তেমন অপশন ছিল না। তাই নিজেকেই সবকিছু করতে হয়েছিল। আমি পড়ে যাচ্ছি এবং বাড়িটি কাঁপছে এটা দেখানোর জন্য শুট করা হয় এমন দৃশ্যের। কিন্তু নির্মাতারা ভেবেছিলেন দৃশ্যটি আরও ভালো ভাবে শুট করা যেতে পারে। তাই দৃশ্যটির জন্য আমি প্রায় ১৫ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি।’

    অভিনেত্রী এ সিনেমায় শাহরুখ খানের অভিনয়ের প্রশংসা করে বলেন, ‘যখন আমরা শেষ শটটি দেখলাম, আমার মনে হয় এই শটটি বলিউড সিনেমার অন্যতম সেরা মুহূর্ত। শাহরুখ খানের ওই সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়, আজও আমার চোখে সেরা বলা চলে।’ শুধু তাই নয়, অভিনেত্রীর মতে, নব্বই দশকে ছবিগুলো টাকা দিয়ে নয়। বরং, অনেকটা ভালোবাসা দিয়ে তৈরি হতো।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩০ বছরের পুরোনো স্মৃতি ‘চুরা কে দিল মেরা’ গানে অক্ষয়-শিল্পা

    ৩০ বছর আগের স্মৃতি। সেই স্মৃতি উসকে আরও একবার একমঞ্চে হাজির হলেন বলিউডের খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। সৌজন্যে এইচটির মোস্ট স্টাইলিশ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫। এটি এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের ১৫তম সংস্করণ। আর বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সিজলিং অনস্ক্রিন জুটি হলেন অক্ষয়-শিল্পা। যারা কিনা গত সোমবার (৩ মার্চ) হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা আয়োজিত এই পুরস্কার অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি ছিলেন। 

    সেদিন রাতে ক্লাসিক আইভরি গ্ল্যামারের থিম মেনে অক্ষয় কুমার একটি অল-হোয়াইট স্যুটে হাজির হয়েছিলেন। অন্যদিকে শিল্পা শেঠিকে সেলিব্রিটি ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা একটি সাদা শাড়িতে দেখা যায়। তারাই এই পুরস্কারের সন্ধ্যাটিকে বিশেষ আকর্ষণীয় করে তুলেছিলেন। নিজেদের কালজয়ী রসায়ন দিয়ে মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন এ তারকা জুটি। এদিন র্যাম্প ওয়াকেও দেখা যায় শিল্পাকে।

    একসময় অক্ষয় কুমার ও শিল্পা শেঠির জুটি ছিল বলিপাড়ার অন্যতম সেরা জুটি। এদিন ১৯৯৪ সালের ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’ সিনেমার জনপ্রিয় চার্টবাস্টার গান- ‘চুরা কে দিল মেরা ’ গানে নেচে সেই পুরোনো স্মৃতিকেই তাজা করলেন শিল্পা। যে গানটি কিনা গেয়েছিলেন অলকা ইয়াগনিক ও কুমার শানু।  এদিন সেই গানেই আসর জমালেন অক্ষয়-শিল্পা। নিজেদের সেই সিজলিং রসায়নের কথা অনুরাগীদের মনে করিয়ে দিলেন। এত বছর পর আরও একবার একইভাবে সবার মন জয় করে নেন। একসঙ্গে স্বপ্নের মতো লাগছিল তাদের! 

    ৩০ বছর পরও অক্ষয় ও শিল্পা হিন্দি সিনেমার দুনিয়ায় সবচেয়ে স্টাইলিশ ও গর্জিয়াস -অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম। এতদিন পর তাদের একসঙ্গে দেখা অনুরাগীদের কাছে কিছু কম আনন্দের ছিল না। সবারই আশা— আরও একবার রুপালি পর্দায় জুটি বাঁধুন অক্ষয় ও শিল্পা।

    এ তারকা জুটি ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী সোনম কাপুর আহুজা, ফারহান আখতার, শিবানী দান্ডেকর, শিখর ধাওয়ান, রেখা ও অভিষেক বচ্চন। অন্যদিকে এদিন মঞ্চে উঠে রেখার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় অভিষেক বচ্চনকে। এ ছাড়া ছিলেন এআর রহমানের মতো সংগীতশিল্পীও। এটা সত্যিই স্মরণীয় একটি রাত ছিল। তবে অবশ্যই মূল আকর্ষণ ছিলেন অক্ষয় ও শিল্পা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাড়িতে তল্লাশির পর শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে তলব করল ইডি

    চলতি সপ্তাহে পর্নোগ্রাফিকাণ্ডের তদন্তে মুম্বাই ও উত্তরপ্রদেশের অন্তত ১৫ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। হানা দিয়েছে শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রার বাড়িতেও। রাজ জানিয়েছেন, তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে এই তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন। কোনোভাবেই সত্যকে ঢাকা দেওয়া যাবে না বলেও দাবি করেন তিনি। বাড়িতে ইডি তল্লাশির সঙ্গে শিল্পার প্রসঙ্গ টানায় সংবাদমাধ্যমের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশও করেন এ শিল্পপতি।

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, পর্নোগ্রাফিকাণ্ডে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী তথা মুম্বাইয়ের শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রাকে তলব করল ইডি। পর্নোগ্রাফি মামলায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগের তদন্ত করছে তারা। গত শুক্রবার মুম্বাইতে রাজের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল ইডি। দীর্ঘক্ষণ সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। রাজের দপ্তরেও তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। দুদিনের মাথায় তাকে ডেকে পাঠানো হলো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

    সূত্রের খবর, ইডির মুম্বাইয়ের দপ্তরে রাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আগামীকাল সোমবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার মধ্যে তাকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এ মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদেরও তলব করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের জুন মাসে পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে রাজকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দুই মাস জেলে ছিলেন তিনি। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে জামিন পান রাজ। পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজকেই মূল চক্রান্তকারী হিসাবে চিহ্নিত করেছিল মুম্বাই পুলিশ। পর্নোগ্রাফিকাণ্ডের তদন্তে নেমে ‘হটশট’ নামে বিশেষ একটি অ্যাপের সন্ধান পেয়েছিল মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। ওই অ্যাপ যে সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করত, তার মালিক ছিলেন রাজ। একাধিক সার্ভার থেকে পর্নোগ্রাফি ভিডিও, স্বল্প ও লম্বা দৈর্ঘ্যের ছবি মিলেছিল। অভিযোগ রয়েছে— মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এ ধরনের ছবি তৈরি করতেন রাজ। তার পর তা বিক্রি করতেন। বিদেশ পর্যন্ত এই চক্র বিস্তৃত বলেও অভিযোগ উঠেছিল। রাজ অবশ্য প্রথম থেকেই দাবি করেছেন, পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। এ মামলায় তাকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হয়েছে। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

    পর্নোগ্রাফির পাশাপাশি বিটকয়েন দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়েছে রাজের। চলতি বছরের শুরুর দিকে ইডি রাজ ও শিল্পার ৯৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল। অভিযোগ, বিটকয়েন দুর্নীতির মাধ্যমে ওই সম্পত্তির মালিকানা পেয়েছেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৮০ লাখ টাকার গাড়ি চুরি, আইনি জটিলতায় শিল্পা শেঠি

    ফের আলোচনায় বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। তবে এবার তার নিজের কারণে নয়, মুম্বাইয়ের দাদারে তার বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ বাস্তিয়ানে চুরির ঘটনায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। 

    স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, শিল্পা শেঠির রেস্টুরেন্টের পার্কিং লট থেকে ৮০ লাখ টাকা মূল্যের একটি বিএমডব্লিউ জেড ৪ কনভার্টিবল চুরি হয়েছে।

    ওই গাড়ির মালিক মুম্বাই ব্যবসায়ী রুহান খান। ইতোমধ্যে শিবাজি পার্ক থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের সূত্র হতে জানা যায়, গাড়িটি পার্ক করার মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই চুরি হয়ে যায়। ভোর ৪টায় রেস্তোরাঁ বন্ধ হওয়ার পর ওই ব্যবসায়ী শিবাজি বেসমেন্ট কর্মীদের গাড়ি নিয়ে আসতে বললে তারা জানায়, গাড়িটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন তিনি বুঝতে পারেন গাড়িটি চুরি হয়েছে।

    সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে গাড়ি চুরির বিভিন্ন মুহূর্ত। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি পার্কিং লটে ঢোকার পর পরই জিপ গাড়িতে চড়ে আসে কয়েকজন। তারপর প্রযুক্তির সাহায্যে গাড়িটি নিয়ে চম্পট দেয় তারা।

    ঘটনাটি ঘটার পর শিল্পার রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলেছেন চুরি হয়ে যাওয়া গাড়ির মালিকের আইনজীবী। মূল এ কারনেই ফের আইনি জটিলতায় পড়েছেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • উচ্ছেদের নোটিশ থেকে স্বস্তি পেলেন শিল্পা শেঠি ও রাজ কুন্দ্রা

    বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার ব্যবসায়ী স্বামী রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে উচ্ছেদের নোটিশ কার্যকর করবে না এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। যতক্ষণ না ট্রাইব্যুনালে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে তাদের আবেদনের শুনানি হয়।

    এ বিষয়ে ইডি গতকাল বৃহস্পতিবার বোম্বে হাইকোর্টকে জানিয়েছে যে, অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে উচ্ছেদের নোটিশের ওপর তারা কাজ করবে না, যতক্ষণ না তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ-শিল্পার করা আবেদনের শুনানি হয় এবং ট্রাইব্যুনালে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইডি শিল্পা ও তার ব্যবসায়ী স্বামীকে নোটিশ পাঠিয়ে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় বাড়ি এবং পুনের একটি ফার্ম হাউস খালি করার নির্দেশ দেয়।

    প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের অধীনে বিচারকারী কর্তৃপক্ষ ১৮ সেপ্টেম্বর রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের মামলায় দুটি সম্পত্তি অস্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করে সিবিআইয়ের আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ সেপ্টেম্বর সিবিআই রাজ কুন্দ্রাকে তার দুটি সম্পত্তি- তাদের জুহুর বাড়ি এবং পুনের ফার্ম হাউস খালি করার নির্দেশ দেয়। যার বিরুদ্ধে দম্পতি পৃথক পিটিশন দাখিল করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

    গত বুধবার আবেদনগুলো শুনানির জন্য উঠলে তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট প্রশান্ত পাতিল উল্লেখ করেছিলেন যে, পিএমএলএ (Prevention of Money Laundering Act 2022)-এর বিধান অনুসারে, একবার কোনো বিচারকারী কর্তৃপক্ষ দ্বারা POA নিশ্চিত হয়ে গেলে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা দিল্লির পিএমএলএর আপিল ট্রাইব্যুনালে তা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করার জন্য ৪৫ দিন সময় পান। তবে এজেন্সি ৪৫ দিনের সময়সীমা অতিবাহিত হওয়ার আগে উচ্ছেদের নোটিশ জারি করেছে। তাই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে উচ্ছেদ স্থগিত রাখার জন্য আদালতকে অনুরোধ করা হয়েছে।

    এ পরিস্থিতিতে আদালত বুধবার ইডিকে জিজ্ঞাসা করে, পিএমএলএর আপিল ট্রাইব্যুনাল উচ্ছেদের আদেশের ওপরে স্থগিতাদেশের জন্য আবেদনকারীর আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া যেতে পারে কিনা এবং আবেদনকারীর হাইকোর্টের পরিবর্তে প্রথমে পিএমএলএ আপিল ট্রাইব্যুনালে যাওয়া উচিত ছিল কিনা। ইডির বিশেষ কৌঁসুলি সত্য প্রকাশ হাইকোর্টে জানান যে, তিনি সিবিআইয়ের কাছ থেকে নির্দেশ নেবেন এবং বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে তাদের অবস্থান জানাবেন। বিচারপতি রেবতী মোহিত এবং বিচারপতি পৃথ্বীরাজ চৌহানের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের আবেদনগুলো শুনানির জন্য পোস্ট করেছেন।

    বৃহস্পতিবার শুনানি চলাকালীন ইডির বিশেষ কৌঁসুলি সত্য প্রকাশ সিবিআইয়ের অবস্থান পেশ করে বলেন, জুহু ও পুনের সম্পত্তি সংক্রান্ত ওই দম্পতিকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে ইডি কোনো পদক্ষেপ নেবে না, যতক্ষণ না তারা পিএমএলএর আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে এবং উচ্ছেদের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার জন্য তাদের আবেদনের সিদ্ধান্ত নেয়। ইডির বয়ান আদালত রেকর্ড করে ওই দম্পতির রিট পিটিশনের নিষ্পত্তি হয়।

    সত্য প্রকাশ বুধবার আদালতকে জানান যে, এজেন্সির পদক্ষেপটি পিএমএলএর বিধান অনুসারে ছিল। বিশেষ কৌঁসুলি আদালতে জমা দিয়েছিলেন যে পিএমএলএর ধারা ৮(৪) অনুসারে, একবার কোনো পিএও কোনো বিচারকারী কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিশ্চিত হয়ে গেলে, ইডির অবিলম্বে সংযুক্ত সম্পত্তি / সম্পত্তির দখল নেওয়া উচিত এবং তাই আইন অনুসারে তার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। উচ্ছেদের নোটিশের ওপর কোনো স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করে বিশেষ পরামর্শদাতা বলেছিলেন যে, আবেদনকারী প্রতিকারের পরিবর্তে পিএমএলএ অনুসারে আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে পারেন।

    এর আগে এপ্রিলে ইডি শিল্পা শেঠির নামে একটি জুহুর ফ্ল্যাটসহ ব্যবসায়ী কুন্দ্রার ৯৭.৭৯ কোটি টাকার সম্পত্তি অস্থায়ীভাবে বাজেয়াপ্ত করেছিল। ছয় হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিটকয়েনভিত্তিক পঞ্জি স্কিমের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক পাচারের তদন্তের মধ্যে।

     ইডি সূত্রে খবর, ইউক্রেনে বিটকয়েন ব্যর্থ প্রকল্পের জন্য রাজ কুন্দ্রা মৃত মামলার মাস্টারমাইন্ড অমিত ভরদ্বাজের কাছ থেকে ২৮৫টি বিটকয়েন পেয়েছিলেন, যার মূল্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। জুহুর ফ্ল্যাট ছাড়াও পুণেতে একটি বাংলো ও তার শেয়ার বাজেয়াপ্ত করেছিল সিবিআই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পা শেঠি ও রাজের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

    আবারও বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা। তারকা দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনলেন বুলিয়ন (সোনা, রূপার ব্যবসার জন্য বিশেষ প্ল্যাটফর্ম) ব্যবসায়ী পৃথ্বীরাজ কোঠারি। তার দাবি, প্রায় নব্বই লাখ টাকার প্রতারণা করা হয়েছে। তাই শিল্পা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুম্বাই দায়রা আদালত।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ‘সত্যযুগ গোল্ড প্রাইভেট লিমিটেড’ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা শিল্পা ও রাজ। ২০১৪ সালে এ সংস্থার অধীনে একটি যোজনা চালু হয়। সোনায় লগ্নি করলে বিনিয়োগকারীদের বড় অঙ্কের লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। মেয়াদ শেষে সোনার বাজারমূল্য যাই থাকুক, সেই হারেই সোনা ফেরত দেওয়া হবে। সেই যোজনায় বিনিয়োগ করেছিলেন পৃথ্বীরাজ কোঠারি।

    তার দাবি, তিনি সরাসরি তারকা দম্পতির সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। তাই বিনিয়োগ করেছিলেন কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বেঁকে বসে রাজ-শিল্পার সংস্থা।

    পাঁচ বছরের মেয়াদ অনুযায়ী পাঁচ হাজার গ্রামের ২৪ ক্যারেট সোনা তার প্রাপ্য। ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল মেয়াদ সম্পূর্ণ হলেও প্রাপ্য সোনা মেলেনি।

    বিচারক এনপি মেহতা বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সকে অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিল্পা-রাজের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ঘটনা নিয়ে কোনো বিবৃতি মেলেনি শিল্পা-রাজের তরফ থেকে।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৮ বছরের বিরতি ভাঙলেন শিল্পা শেঠি

    ব্যক্তিজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে আবার অভিনয়ে মনোযোগী হচ্ছেন শিল্পা শেঠি। ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশ কিছু দক্ষিণী ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শিল্পা শেঠি। এবার ১৮ বছর পর আরও একবার দক্ষিণী ছবির জগতে দেখা যাবে তাকে।

    এরই মধ্যে ‘কে ডি : দ্য ডেভিল’ নামের একটি দক্ষিণী ভারতীয় সিনেমায় কাজ শুরু করেছেন। এতে শিল্পার সহশিল্পী হিসেবে আছেন দক্ষিণ ভারতের আলোচিত ধ্রুব সারজা। এ ছাড়া অভিনয়ে থাকছেন বলিউড সতীর্থ সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেফি।

     এ সিনেমার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৮ বছরের বিরতি ভাঙতে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। এই দীর্ঘ সময় শুধু বলিউডেই তিনি কাজ করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, ‘কে ডি : দ্য ডেভিল’ সিনেমাটি শিল্পাকে নতুন রূপে পর্দায় তুলে ধরতে যাচ্ছে। এতে তাকে দেখা যাবে ‘সত্যবতী’ নামের একটি চরিত্রে। যার প্রথম লুক এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। 

    সেখানে অভিনেত্রীকে দেখা গেছে, ভিনটেজ গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। তার পরনে রেট্রো শাড়ি। কাঁধ থেকে ঝুলছে লম্বা বেণী। চোখে পুরোনো আমলের পরিচিত সানগ্লাস। সত্তরের দশকে বেঙ্গালুরুতে ঘটে যাওয়া একটি বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে ধ্রুব সারজা অভিনয় করছেন গ্যাংস্টারের ভূমিকায়। প্রেম পরিচালিত বড় বাজেটের এ সিনেমা আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    ২০০৫ সালে এই অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছিল ডি রাজেন্দ্র বাবু পরিচালিত কন্নড় ভাষার ‘অটো শঙ্কর’ সিনেমাতে। এতে তার বিপরীতে ছিলেন অভিনেতা উপেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যখন দক্ষিণী সিনেমা দর্শক মনোযোগ কেড়ে নেওয়া শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়ে শিল্পার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পা শেঠির ৯৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    কয়েকদিন আগেই শিল্পা শেঠি ও তার স্বামীর ৯৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ (প্রিভেনশন অফ মনিটরি লন্ডারিং অ্যাক্ট) ২০০২-এর অধীনে একাধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাদের। এবার নতুন ঝামেলায় জড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার বিরুদ্ধে উঠল পশু নিগ্রহের অভিযোগ।

    rnrn

    বলিউডের অন্যতম ‘ফিটনেস ফ্রিক’ হিসেবে সুনাম রয়েছে শিল্পা শেঠির। বয়স ৪০ পার করেছেন। অথচ নায়িকাকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই! দুই সন্তানের মা শিল্পা এখনও তারুণ্য ধরে রেখেছেন। 

    rnrn

    সংসার, স্বামী-সন্তান, সব কাজ সামলেও নিজের যত্ন নিতে ভোলেননি তিনি। শরীরচর্চার সঙ্গে কোনও আপস করতে নারাজ অভিনেত্রী, কিন্তু সেই শরীরচর্চা নিয়েই এবার খোঁটা শুনলেন শিল্পা। শুধু তাই নয়, পশু নিগ্রহের অভিযোগ এনেছেন অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে নেটিজেনরা।

    rnrn

    সম্প্রতি মা, দুই ছেলে মেয়ে ও বোন শমিতা শেঠিকে নিয়ে বৈষ্ণোদেবীর দর্শনে যান শিল্পা। পরনে গোলাপি চুড়িদার মাথায় ‘জয় মাতা দি’ লেখা ওড়না। প্রায় ১৬ কিলোমিটার লম্বা রাস্তা পায়ে হেঁটে নয়, বরং ঘোড়ার পিঠে চেপেই মন্দিরে ওঠেন তিনি। তাতেই নেটিজেনদের কটাক্ষের স্বীকার হয়েছেন অভিনেত্রী। 

    rnrn

    কেউ লিখেছেন, এতো ফিট হয়ে লাভটা কী হলো, এক অবলা জন্তুর পিঠে চেপে উঠতে হচ্ছে? কেউ বলেছেন, এ তো সরাসরি পশু নিগ্রহের ঘটনা। কেউ আবার বলেছেন, এত কিছু না করে হেলিকপ্টারেই চেপে যেতে পারতেন। অভিনেত্রীর এ কাণ্ডে হতবাক নেটপাড়া, যদিও এ ধরনের সমালোচনায় এখনো কোনও জবাব আসেননি শিল্পার পক্ষ থেকে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • ৯৮ কোটি রুপির সম্পদ বাজেয়াপ্তের পর যা বললেন শিল্পা শেঠি

    অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রার প্রায় ৯৮ কোটি রুপির সম্পদ জব্দ করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর মধ্যে আছে জুহু এলাকায় একটি আবাসিক ফ্ল্যাট। তবে ফ্ল্যাটটি বর্তমানে শিল্পা শেঠির নামে নিবন্ধিত। বিটকয়েন পোনজি দুর্নীতির তদন্তের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় এই সম্পদ জব্দ করেছে ইডি। এর মূল্য ৯৭.৭৯ কোটি রুপি। যেসব সম্পদ জব্দ করা হয়েছে তার মধ্যে আরও আছে- পুনেতে একটি আবাসিক বাংলো, রাজ কুন্দ্রার মালিকানাধীন নগদ অর্থ।

    ২০২১ সালে পর্নোকাণ্ডে নাম জড়ায় অভিনেত্রীর স্বামী রাজের। সেই সময় একটা লম্বা সময়ে হাজতে থাকতে হয় শিল্পার স্বামীকে। যদিও জামিনে ছাড়া পেয়ে একটু একটু করে নিজেদের জীবন গুছিয়ে নিচ্ছিলেন তারা। এর মধ্যেই ফের ঝামেলায় পড়লেন শিল্পা ও তার স্বামী।

    এ ঘটনার পর অনেকেই উদ্বেগে ছিলেন। প্রশ্ন ভাসছিল—, কেমন আছেন অভিনেত্রী? অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন শিল্পা। জানালেন নিজের অবস্থানের কথা। 

    শিল্পা ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘অসম্মানের সময় বিচলিত না হয়ে শান্ত হতে শেখ।’ 

    আরও পড়ুন: 

    তার পরই অন্য একটি পোস্টে সাইবারে ছবি দিয়ে লেখেন, ‘শরণাপন্ন করে দাও।’

    বিনোদন ডেস্ক