Tag: শাহরিয়ার নাজিম জয়

  • ইরেশের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে যা বললেন জয়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর মিরপুরে মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যার
    অভিযোগে অভিনেতা ইরেশ যাকেরসহ ৪০৮ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
    অভিনেতার বিরুদ্ধে
    হত্যা মামলার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভে ফুসছে শোবিজ দুনিয়া। ইরেশের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ
    জানাচ্ছেন সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্তরাও।

    ইরেশের মামলার বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন আলোচিত উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার
    নাজিম জয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ইরেশের মামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন
    তিনি। একইসঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা ও হয়রানি নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

    ওই পোস্টে জয় লেখেন, ‘অভিনেতা ইরেশ যাকেরের নামে মামলা দেওয়ায় সব শিল্পী
    সমাজের সঙ্গে আমিও তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আজ থেকে আট মাস আগে আমার বিরুদ্ধেও এ রকম
    একটি হয়রানিমূলক মামলা হয়েছিল। একমাত্র আশফাক নিপুণ ছাড়া আর কাউকে পাশে পাইনি। বরং
    বাদ পড়েছি বিভিন্ন কাজ থেকে। আমেরিকায় শো করতে গিয়েও দুই-একজন অতি উৎসাহী কলিগের
    কারণে মঞ্চে উঠাতো দূরের কথা আমাকে হোটেল থেকেও বের হতে দেয়নি। মামলার কারণে সামাজিকভাবে
    হেনস্থা হয়েছি। অনেক আত্মীয় অতি উৎসাহী  আত্মীয়তা
    ভঙ্গ করেছে। অনেক কলিগ ফোনও ধরেনি। যোগাযোগ করেনি।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘শুনেছি আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছিল সেই বাদী এখন
    থানায় আটক আছে। বিভিন্নজনের নামে মামলা দিয়ে টাকা খাওয়ার অপরাধে। আমার বিরুদ্ধে
    পুলিশ সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে আমার কোনো সম্পৃক্ততা পায়নি এবং আমাকে পুলিশ ও রাষ্ট্র
    কোনো হয়রানি করেনি। বরং হয়রানি করিয়েছে আমার পরিচিত কাছের স্বজনেরা এবং চিরকালের
    বন্ধুরা। যাক আমি কারো প্রতি দোষারোপ করছি না। সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছি।’

    নিজের ছোটখাটো ভুলের জন্য বার বার ক্ষমা চেয়েছেন জানিয়ে পোস্টে জয় লেখেন,
    ‘বড় অপরাধী ও অপরাধকে ছোট করে ফেলে এ ধরণের মামলা। যেখানে এমন একজন সেলিব্রেটির নাম
    ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে মামলার চেয়ে সেলিব্রেটিকে নিয়ে চর্চা হয় বেশি। তখন আসল অপরাধীরা
    মুচকি হাসে। মামলাটাকে হাস্যকর মনে করে। এতে বিচার প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। আমরা চাই
    অপরাধীর বিচার হোক। যে যার জায়গা থেকে নতুন বাংলাদেশে ভুল সংশোধন করে নতুন করে বাঁচুক।
    সবাই সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হোক। ছবিটিতে আমার অটিস্টিক বেবি আযানের সঙ্গে আমি। অনেকের
    চোখে আমি খারাপ মানুষ হলেও আমার সন্তানের কাছে আমি সেরা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার পাশে কেউ ছিল না’, ইরেশ যাকেরের পাশে দাঁড়িয়ে জয়

    রাজধানীর মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যার অভিযোগে অভিনেতা ইরেশ যাকেরসহ ৪০৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে প্রতিবাদের ঝড়। সহকর্মী ও ভক্তরা ইরেশের পাশে দাঁড়িয়ে একের পর এক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

    এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়। স্ট্যাটাসে তিনি ইরেশ যাকেরের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি নিজের সঙ্গে ঘটা এক অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।

    জয় তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, অভিনেতা ইরেশ যাকেরের নামে মামলা দেওয়ায় সকল শিল্পী সমাজের সাথে আমিও তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আজ থেকে আট মাস আগে আমার বিরুদ্ধেও এরকম একটি হয়রানিমূলক মামলা হয়েছিল। একমাত্র আশফাক নিপুন ছাড়া আর কাউকে পাশে পাইনি। বরং বাদ পড়েছি বিভিন্ন কাজ থেকে। 

    সেই মামলার ঘটনায় সহকর্মী থেকে শুরু করে আত্মীয় স্বজনদের কাছেও হেনস্থা হয়েছেন উল্লেখ করে জয় বলেন, আমেরিকায় শো করতে গিয়ে দুই একজন অতি উৎসাহী কলিগের কারণে মঞ্চে উঠা তো দূরের কথা আমাকে হোটেল থেকেও বের হতে দেয়নি। মামলার কারণে সামাজিকভাবে হেনস্তা হয়েছি। অনেক অতি উৎসাহী আত্মীয় আত্মীয়তা ভঙ্গ করেছে। অনেক কলিগ ফোনও ধরেনি। যোগাযোগ করেনি। 

    জয়ের বিরুদ্ধে যেই ব্যক্তি মামলা করেছেন তিনি বর্তমানে থানায় আছেন জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘শুনেছি, আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছিল সেই বাদী এখন থানায় আটক আছে। বিভিন্ন জনের নামে মামলা দিয়ে টাকা খাওয়ার অপরাধে। আমার বিরুদ্ধে পুলিশ সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে আমার কোন সম্পৃক্ততা পায়নি। পুলিশ এবং রাষ্ট্র কোনও হয়রানি করেনি। বরং হয়রানি করেছে আমার পরিচিত কাছের স্বজনেরা এবং চিরকালের বন্ধুরা।’ 

    এরপর জয় লেখেন, ‘যাক আমি কারো প্রতি দোষারোপ করছি না। সকলকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমার নিজের ছোটখাটো ভুলের জন্য বারবার ক্ষমা চেয়েছি। বড় অপরাধী এবং অপরাধকে ছোট করে ফেলে এই ধরনের মামলা। যেখানে এমন একজন সেলিব্রেটির নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে মামলার চেয়ে সেলিব্রেটিকে নিয়ে চর্চা হয় বেশি। তখন আসল অপরাধীরা মুচকি হাসে। মামলাটাকে হাস্যকর মনে করে। এতে বিচার প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। আমরা চাই অপরাধীর বিচার হোক। যে যার জায়গা থেকে নতুন বাংলাদেশে ভুল সংশোধন করে নতুন করে বাচুক। সকলে সকলের প্রতি সহানুভূতিশীল হোক।’ 

    প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা করে তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিনেত্রী তানভীন আহমেদ সুইটি, চিত্রনায়ক জায়েদ খান, অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় ও সাজু খাদেমসহ ৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকী আল ফারাবীর আদালতে ব্যান্ড শিল্পী আসিফ ইমাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাগুরার সেই শিশুটির মৃত্যু প্রতিটি শিশু ও নারীর আজীবনের অভিশাপ: জয়

    মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটি মারা গেছে। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের শিশু বিভাগের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে লাইফ সাপোর্টে থাকাবস্থায় তার মৃত্যু হয় । গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    এদিকে সেই শিশুটির মৃত্যুতে সরব সব শ্রেণিপেশার মানুষ। সেই সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন বিনোদন জগতের তারকারা। চাইছেন ধর্ষকের দ্রুত বিচার। সেই কাতারে আছেন ঢালিউড অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। 

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে জয় লিখেছেন— সেই শিশুর মৃত্যু শুধুই একটা মৃত্যু নয়। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর প্রতিটি নারীর আজীবনের অভিশাপ। তিনি বলেন, প্রতিটা সুস্থ পুরুষের নিজের মেয়ের কাছে আমৃত্যু ছোট হয়ে থাকা।

    শাহরিয়ার নাজিম জয় ছাড়াও এই পাশবিক কর্মকাণ্ডের  প্রতিবাদ জানিয়ে ধর্ষকের দ্রুত বিচার চেয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেতা নিলয়, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক, জোভান, শাহনাজ খুশি, জায়েদ খান, দিয়া মির্জাসহ আরও অনেকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দ্বিধা নেই জয়ের

    মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত রাজনৈতিক স্যাটায়ার ‘৮৪০’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর তিনি কটাক্ষের শিকার হন। এজন্য সহকর্মীরা তাকে এড়িয়ে চলছেন, কাজও হারিয়েছেন।

    তিনি অভিনয়, নির্মাণ ও উপস্থাপনায় নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। তবে উপস্থাপনা দিয়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত হন তিনি।

    সব ছাপিয়ে তার বড় গুণটি হচ্ছে- তিনি নিজের ও অন্যের সম্পর্কে যা ভাবেন সেটি প্রকাশ করেন অকপটে। প্রয়োজনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও তিনি দ্বিধাবোধ করেন না।

    জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেছেন- আমি প্রথম বলেছিলাম- অধিকাংশ শিল্পীদের ছাত্র সমাজের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমি চেয়েছি। ভুল কম বেশি সবাই করেছি, কিন্তু আপনারা কয়েকজন একদম থামলেনই না। কোনো শিল্পী বিপদে না পড়ুক এ কামনা রইল।

    শুরু করেছিলেন টেলিভিশন নাটকের অভিনয় দিয়ে। সেখান থেকে ‘জীবনের গল্প’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্রথম কাজ করেন। পরে ‘এই যে দুনিয়া’, ‘গ্রাম-গঞ্জের পিরীত’, ‘পাষাণের প্রেম’ ছবিগুলোতে অভিনয় করেন তিনি। তারপর আসেন নির্মাণে, ‘প্রার্থনা’ সিনেমার নির্মাতা জয়। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • আজ আমি একা, বড় অসহায়: জয়

    ছোট ও বড় পর্দায় অভিনয় করে খুব একটা সফলতা না পেলেও টিভি উপস্থাপনা করে বেশ আলোচিত হয়েছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ‘৩০০ সেকেন্ড’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নে করে প্রায়ই সংবাদের শিরোনাম হয়ে থাকেন জয়। 

    তবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে খুব একটা ভালো সময় যাচ্ছে না তার। পতিত সরকারের সুবিধাভোগী তকমা পেয়ে বেশকিছু জায়গা থেকে কাজও হারাতে হয়েছে তাকে। 

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বাবাকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই অভিনেতা। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘বাবা হারানোর চার বছর। বাবার মত ছায়া কেউ দেয় না।’

    শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, জয় তার দুই ছেলের সঙ্গে সোফায় বসে রয়েছে, পাশে রয়েছেন অভিনেতার বাবা। আরেকটি ছবিতে বাবা-ছেলে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন।

    শাহরিয়ার নাজিম জয় লিখেছেন, ‘বাবা হারানোর চার বছর। বাবার মত ছায়া কেউ দেয় না। যেমন মায়ের মত মায়া অন্য কেউ দিতে পারে না। আমার ছায়া নেই কিন্তু এখনো মায়া আছে। যাদের মায়া এবং ছায়া দুটোই নেই তারা বাঁচে কীভাবে?’

    তার এই আবেগঘন পোস্টের কমেন্ট বক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘আল্লাহ এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া সকল মা বাবাকে তুমি জান্নাত নসিব করিও আমীন।’ 

    আরেকজনের মন্তব্য করেছেন, ‘আমার বাবা মারা যাওয়ার ১৫ বছর হয়ে গেছে। এক মাস আগে মা ও মারা গেছে। আজ আমি একা। বড় অসহায়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিমান আর ঘৃণা না পেলে জীবনটা আরও মধুর হতো: জয়

    ইতোমধ্যে অভিনয় জীবনে ২৫ বছরের ক্যারিয়ার পার করেছেন ঢালিউড অভিনেতা-উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। নানান উত্থান-পতন, সাফল্য আর ব্যর্থতায় যা অর্জিত হয়েছে, তা অভিজ্ঞতা বলে জানিয়েছেন তিনি। আর সেই অভিজ্ঞতার আলোকে তার ভক্ত-অনুরাগী আর শুভাঙ্ক্ষীদের প্রশ্ন রেখে বলেছেন— আমি এখন জিম্মি, বলেন তো জিম্মি  কি?

    আলোচিত-সমালোচিত এ অভিনেতা বর্তমানে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ‘৩০০ সেকেন্ড’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন। এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করার জন্য হরহামেশাই সংবাদের শিরোনাম হয়ে থাকেন তিনি। কাজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব থাকেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। সম্প্রতি একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেতা। সেটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

     শাহরিয়ার নাজিম জয় লিখেছেন— অভিনয় ক্যারিয়ারের ২৫ বছর পার করলাম। নানান উত্থান-পতন সাফল্য এবং ব্যর্থতায় যা অর্জিত হয়েছে, তা হচ্ছে— অভিজ্ঞতা।  তিনি বলেন, মাঝে আলোচিত উপস্থাপক হওয়ার কারণে প্রচুর দর্শক পরিচিতির পাশাপাশি পেয়েছি আপনাদের অজস্র অভিমান। আহ! যদি শুধু অভিনেতাই  হতে পারতাম, তা হলে হয়তো শুধু ভালোবাসাটাই পেতাম।

    এক বুক অভিমান নিয়ে  এ অভিনেতা আরও লিখেছেন— অভিমান আর ঘৃণা না পেলে জীবনটা আরও মধুর হতো। একজীবনে শতজীবনের বৈচিত্র্য নেওয়ার সুযোগ অভিনয় ছাড়া আর কোনো কাজে নেই। আমি এখন জিম্মি। বলেন তো জিম্মি  কি বলেও প্রশ্ন করে জানান শাহরিয়ার নাজিম জয়।

    এদিকে এ উপস্থাপকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে নেটিজেনরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেই পোস্টের কমেন্টবক্সে মোস্তাফিজ নামে এক নেটিজেন অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন—অভিনয়ের ২৫ বছরপূর্তিতে অভিনন্দন ভাইয়া। আরেক নেটিজেন লিখেছন—অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জমির জন্য ড. ইউনূসকে বাবা ডাকতেও আপত্তি নেই জয়ের

    আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জমি বরাদ্দ পেতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মা’ সম্বোধন করে চিঠি লিখেছিলেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। গত আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

    তবে সে ঘটনার জন্য তিনি মোটেও অনুতপ্ত নন বলে জানিয়েছেন জয়। প্রয়োজনের জন্য যে কাউকে বাবা, মা, দাদা ডাকা যায় বলে মনে করেন তিনি।

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে জয় অভিনীত সিনেমা ‘৮৪০’। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত সিনেমাটির প্রিমিয়ারে উপস্থিত হয়েছিলেন এই অভিনেতা।

    সেখানে শেখ হাসিনার কাছে জমি চাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জয় বলেন, ‘আমি তো আরেকটা জমি পাওয়ার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যারকে বাবা ডাকতে হলেও ডাকব। কারণ আমার প্রয়োজন আছে।’

    হাসিনাকে মা বলে জমি চাওয়াতে মোটেও অনুতপ্ত নন জানিয়ে জয় যোগ করেন, ‘একটা জিনিস পাওয়ার জন্য বাবা, দাদা, মা ডাকা যায়। আর আমি আমার কাজের জন্য ভবিষ্যতেও ডাকবো।’ 

    ‘তবে হ্যাঁ আমি তখনও বলেছি বিগত সরকার যেভাবে স্বৈরাচার হয়ে উঠেছিল আর তাদের পতনের জন্য যত লোক প্রাণ দিয়েছে তা অনেক সেন্সেটিভ ইস্যু হয়ে গিয়েছে। আর ওই সরকারের প্রধানকে আমি মা বলেছি সেটার জন্য আমি অনুতপ্ত’-বলেন জয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমি ভীতু, আসিফ সাহসী’

    শেখ হাসিনাকে প্লটের জন্য চিঠি লিখে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ও তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে শুরু থেকেই সমর্থন জুগিয়ে গেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর।

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসিফের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, জুলাইয়ের আন্দোলনে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ জানাতে নিজের ছেলেকে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজির হয়েছিলেন এই গায়ক।

    গত ৩ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের আন্দোলনে যখন উত্তাল দেশ, তখন আন্দোলনে অংশ নিয়ে ছেলেকে সামনে এগিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন,  এই প্রজন্ম হারবে না। আমি আমার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। তোমরা ওকে মেরে ফেলবে, মেরে ফেলো। যেভাবে ছাত্রদের মারা হচ্ছে, তা মানা যায় না। আমাদের একটাই দাবি—‘স্বৈরশাসকের পদত্যাগ চাই’।

    গত ১৮ অক্টোবর আসিফের সেই জ্বালাময়ী বক্তব্যের ভিডিও নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে শাহরিয়ার নাজিম জয় লিখেছেন, ‘আমি ভীতু, আসিফ ভাই সাহসী। এ জন্যই চিরকাল আসিফ ভাই আমার চেয়ে অনেক বেশি সম্মান প্রাপ্য। আসিফ ভাই স্যালুট।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিদায় অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়!

    আলোচিত উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। অভিনেতা হিসেবে তার মিডিয়াতে পথচলার শুরু হয়। ছোট পর্দা-বড় পর্দা দুই জায়গাতেই সমানতালে কাজ করেছেন তিনি। এসব ক্ষেত্রে খুব একটা সফলতা না পেলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় বিতর্কিত প্রশ্নের উপস্থাপন ও নানা ধরনের মন্তব্য করে প্রায়শই আলোচনায় থাকতেন জয়। 

    তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকেই নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নেটিজেনদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে এই অভিনেতাকে। এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি করা হয়েছে তাকে। 

    সবকিছু মিলিয়ে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না এই অভিনেতার। নানা বিতর্কের কারণে শোবিজাঙ্গনেও কাজ হারাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি এমনই এক অভিযোগ সামনে এনেছেন জয়। 

    যেখানে জয় দাবি করেছেন, ‘ত্রিভুজ’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। গত ১০ অক্টোবর এই ওয়েব ফিল্ম মুক্তি পেয়েছে। তবে অন্যতম প্রধান একটি চরিত্রে কাজ করলেও প্রচারণায় রাখা হয়নি তাকে।

    জয়ের অভিযোগ, এই ফিল্মটিতে বাকি সবার মতো আমিও একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছি। আমার পরিচালক এবং প্রযোজক ও সহশিল্পীরা আমার অভিনয়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন। দীপ্তও সন্তুষ্ট। কিন্তু সিনেমাটির কোনো প্রমোশনে আমার ছবি ব্যবহার করা হয়নি এবং আমাকে ট্রেলারেও ব্যবহার করা হয়নি।

    জয়ের প্রশ্ন, তার আসলে অপরাধ কী? তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সফলতার পর একমাত্র আমিই শিল্পী হিসেবে বহুবার কথা বলেছি এবং আমার অবস্থান পরিষ্কার করেছি। 

    তবুও এসব ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জানিয়ে অভিনেতা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব ছোট ছোট ব্যাপারকে বড় বানিয়ে আমাকে নিয়ে ট্রল করে আজকে আমার রিজিক কেড়ে নিলেন। কারণ এই কাজ আমার রিজিক। পোস্টারে আমার ছবি না থাকা প্রমাণ করে অভিনয় জগতে আমার ভবিষ্যৎ কী!

    সম্প্রতি রায়হান রাফির প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘ব্ল্যাক মানি’ নির্মাণের ঘোষণা এসেছে। অনুমান করা যায়, এটি বেশ বড় পরিসরের কাজ হতে যাচ্ছে। যেখানে অনেক আগে থেকেই কাজ করার কথা জয়ের। কিন্তু শুটিং ঘোষণার আগেই অস্পষ্ট কারণে বাদ পড়েছেন তিনি। 

    সেই প্রসঙ্গ টেনে জয় বলেন, একদিন রাফি ফোন করে বলল কর্তৃপক্ষ বলেছে আপাতত আপনাকে এভয়েড করতে। অথচ তিন মাস ধরে আমি রাফির এই কাজটা করার স্বপ্নে ছিলাম। তাহলে কি ধরেই নেব, বিদায় অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পোস্টারে আমার ছবি থাকলে দর্শক ক্ষেপে যাবে: জয়

    হাসিনার পতনের পর সম্প্রতি বেশ সমালোচনা তৈরি হয় হন শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি প্লট বরাদ্দের আবেদন নিয়ে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেে আবেদন পত্রটি ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা। পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এর রেশ রয়ে গেছে বিনোদন জগতে।   

    কদিন আগেও অভিনয় ও উপস্থাপনায় ব্যস্ত সময় পার করতে হতো এই তারকাকে। সম্প্রতি একটি নতুন ওয়েবফিল্মে কাজ করেছেন তিনি। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দীপ্ত প্লের ছবি ‘ত্রিভুজ’-এ অভিনয় করেছেন জয়। কাজটি করে ভীষণ খুশি তিনি। কিন্তু ছবির প্রচার-প্রচারণায়, পোস্টারে ততটা জায়গা তাকে দেওয়া হচ্ছে না, যতটা তার পাওয়ার কথা। এ নিয়ে আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘এত সুন্দর একটা কাজ মুক্তি পাচ্ছে, অথচ পোস্টারে কোথাও আমার ছবি দেখেছেন? কেন পোস্টারে আমার ছবি ব্যবহার করেনি? আমার কোনো ক্ষোভ নেই। তারা তাদের ব্যবসায়িক দিকটা দেখছে। আমাকে নিয়ে নেগেটিভ আলোচনা আছে, আমার ছবি থাকলে দর্শক ক্ষেপে যাবে, নেগেটিভ কমেন্ট করবে, এ জন্য পোস্টারে আমার ছবি দেয়নি।’

    কেন এ রকম হচ্ছে? এসব ঘটনায় পেশাগত কাজ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে? জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে জয় বলেন, ‘ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে। সামাজিকভাবে আমি এখন একজন ভিলেন। আমাকে সেভাবেই উপস্থাপনা করা হয়। এতে তো ক্ষতি হয়, নির্মাতা ও প্রযোজকরা এগুলো আমলে নেয়। তারা মনে করেন, ও ট্রল হচ্ছে, ও তো চিঠি লিখেছে, … খারাপ কাজে সঙ্গে যুক্ত!’

    বিনোদন ডেস্ক