Tag: শাস্তি

  • ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই: দেব

    আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃত্যুর প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এ ঘটনার পেরিয়ে গেছে ১৪ দিন। এতদিনেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় টালিউড অভিনেতা দেব বলেছেন, আমরা চাই দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। শুধু তাই নয়, যারা দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা করছেন, তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আরজি করকাণ্ডে মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে মাঠে আছেন বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এ ঘটনার ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় রাজপথে থাকার অঙ্গীকার করেছেন তারা। যদিও পুলিশ একজন অভিযুক্তকে আটক করেছে। কিন্তু তারপরও তদন্তে তেমন অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করছে না শহর কলকাতা। এ কদিন দফায় দফায় রাজপথে নেমেছেন মানুষ। রাজনীতিবিদ থেকে সাধারণ স্কুলপড়ুয়া ছাত্রসমাজও মিছিল করেছে কলকাতার রাস্তায়। মোটামুটি সবাই মনে করছেন— তদন্তে যত দেরি হবে, বিচারে তত সমস্যা হবে। আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, ন্যায়বিচার পেতে অসুবিধা হবে নির্যাতিত চিকিৎসক পড়ুয়ার পরিবারের।

    ঘটনার সময় ছুটি কাটাতে বিদেশে ছিলেন তৃণমূল সংসদ সদস্য ও অভিনেতা দেব। সেখান থেকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানালেও প্রতিবাদে তেমন ভাবে যোগ দিতে দেখা যায়নি তাকে। 

    শনিবার সন্ধ্যায় টালিগঞ্জে আর্টিস্ট ফোরামের প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন দেব। তিনি অবশ্য দাবি করলেন— তদন্তের স্বার্থে যতটা সময় দেওয়া প্রয়োজন ততটুকু দিতেই হবে। দেব বলেন, তদন্তের ভার রয়েছে ভারতবর্ষের সেরা সংস্থার হাতে। 

    সিবিআইয়ের ওপর ভরসা আমাদের করতেই হবে। কলকাতা পুলিশের হাতে একসময় তদন্তের দায়িত্ব ছিল; কিন্তু তারা দুদিনের বেশি সময় পায়নি। এখন সিবিআইকে প্রয়োজনীয় সময়টুকু দিতেই হবে।

    এ অভিনেতা বলেন, আমরা চাই দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। শুধু তাই নয়, যারা দোষীদের আড়াল করার চেষ্টা করছেন, তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। 

    আরজি করের পাশাপাশি সারা দেশে ঘটে যাওয়া অজস্র নারী নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে দেব বলেন, শুধু কি আরজি কর? গত ১৪ দিনে সারা দেশে একের পর এক ধর্ষণ ঘটে গেছে। দেশজুড়ে এত প্রতিবাদ চলছে তবু কারও মনে কোনো ভয় নেই! কিছুই করতে পারছি না আমরা? এই সময় আমাদের সবাইকে একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘প্রস্তাবে রাজি হয়নি বলে শাস্তি পেয়েছি’ 

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসার গুঞ্জন ওঠে কিছুদিন থেকে। চিকিৎসক পাত্রীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা শাকিবের পরিবারের। এরপর থেকেই শাকিবের তৃতীয় বিয়ের হবু পাত্রী হিসেবে মিষ্টি জান্নাতের নাম চাউর হয় মিডিয়া পাড়ায়।  

    এই গুঞ্জনের কারণ হচ্ছে, ঢাকাই সিনেমার একজনই চিত্রনায়িকার পাশাপাশি চিকিৎসক মিষ্টি জান্নাত। 

    বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন মিষ্টি জান্নাত। যেখানে শাকিবের সঙ্গে বিয়ের খবর সরাসরি ‘অস্বীকার’ না করলেও গুঞ্জন হিসেবেই রাখতে চেয়েছেন তিনি।

    এরপর থেকে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা। পাশাপাশি মিষ্টি জান্নাতের চরিত্র নিয়েও নানা প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমেরও গুঞ্জন উঠে এই অভিনেত্রীকে নিয়ে। এসব গুঞ্জন নিয়ে যুগান্তরের বিশেষ সাক্ষাৎকারে খোলামেলা জবাব দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    মিষ্টি জান্নাত বলেন, আমার সঙ্গে ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ করতে হলে সমপর্যায়ে আসতে হবে। সমপর্যায়ে তো নেই। দুই লাখ পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে আমার সঙ্গে থাকা যাবে না।  এ ধরনের প্রস্তাব তো সবাই দেয়। শুধু কী মিডিয়ায় দেওয়া হয় এমনটি নয়, মেডিকেলের স্যারও অফার দিয়েছিল। আমি রাজি হইনি। এর শাস্তি হিসেবে ৫ বছরের কোর্স লেগেছে ৮ বছর। আমাকে আমার শিক্ষক অশ্লীল ভিডিও দেখিয়েছিল। কিন্তু আমি রাজি হইনি। 

    এই অভিনেত্রী মনে করেন, এ ধরনের প্রস্তাব শুধু মিডিয়ায় দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ৫-১০টাকার চাকরিতে গেলেও অফার করে। স্যারকে খুশি করতে হবে। কিন্তু দোষ হয় শুধু মিডিয়ার। এটার কারণ হচ্ছে, মিডিয়ার দিকে সবার নজর থাকে।    

    এতোদিন কেন বিয়ে করেননি এমন প্রশ্নের জবাবে মিষ্টি জান্নাত বলেন, সমপর্যায়ে তো পেতে হবে।  সমপর্যায়ে কাওকে পাইনি এজন্য বিয়ে করা হয়নি।  পেলে বিয়ে করে ফেলব। 

    তিনি বলেন, আমাকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। আমি মানুষকে রিজেক্ট করেছি। এমনো হয়েছে সিনেমায় চুক্তি করেছি, আমার পছন্দ হয়নি এক লাখ টাকার বান্ডিল ফেরত দিয়ে এসেছি।  আমি এ ধরনের মেয়ে। 

    শাকিবের সঙ্গে যদি বিয়ে না হয় তাহলে কী প্রতিক্রিয়া থাকবে আপনার?

    জবাবে মিষ্টি জান্নাত বলেন, এখন কিভাবে বলব। এটা সময়ই বলে দেবে, কেমন লাগবে।  
     
    শাকিবের তৃতীয় বউ হিসেবে গুঞ্জনে কেমন অনুভব করেন?

    এমন প্রশ্নত্তোরে মিষ্টি জান্নাত বলেন, শুরু থেকেই গুঞ্জনের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে এই ইস্যুতে যেমন ভাইরাল হয়েছি, তেমনি সমালোচিতও হয়েছি। আগে যত মানুষ আমাকে চিনত না, তার থেকে এখন বেশি চেনে। এখন আবার শত্রুও বেড়ে গেছে। অধিকাংশ মেয়েরা ঈর্ষা থেকেই শত্রুতা করছে। তবে ছেলেরা আমার ক্রাস খাচ্ছে আর বলছে- এত দিন এই সুন্দর মেয়েটা কোথায় ছিল?   

    মানিক রাইহান বাপ্পী

  • তানজিমের যে শাস্তি চান নায়িকা জ্যোতি

    বাংলাদেশের তরুণ ক্রিক্রেটার তানজিম হাসান সাকিব। সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে দারুণ পারফর্মের মাধ্যমে সবার দৃষ্টি কেড়েছেন। অভিষেকেই বাজিমাত করলেও নিজের ফেসবুকে দেওয়া কিছু পুরোনো পোস্টের কারণে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে পড়েছেন বাংলাদেশি এই পেসার। 

    rnrn

    বলা চলে, গত কয়েক দিন ধরে সাকিবের বিষয়টি টক অব দ্য কান্ট্রি। এমনকি তরুণ এই পেসারের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া কিছু পোস্ট নিয়ে কথা বলতে হয়েছে খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকেও (বিসিবি)।

    rnrn

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সাকিবের পক্ষে ও বিপক্ষে অনেক কথা হয়েছে। সমালোচনার তালিকায় এবার নাম লেখালেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই নায়িকা।

    rnrn

    গত সোমবার দিবাগত রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন জ্যোতি। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘তানজিম হাসান সাকিব বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের একজন খেলোয়াড়; কিন্তু সে এদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া এবং বিজয় দিবস পালন করাকে ঘৃণা করে। তাহলে সে এদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার অধিকার রাখে কি? এ রকম রাষ্ট্রদ্রোহী খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে বিসিবি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে আশা রাখি।’

    rnrn

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘এই ক্রিকেটার পেশাজীবী নারীদের নিয়ে যে নোংরা মন্তব্য করেছে, একজন কর্মজীবী নারী হিসেবে আমার সক্ষমতা-যোগ্যতা ও স্বাধীনতাকে তা চরমভাবে অপমান করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন হীন মন্তব্যকারী ক্রিকেটারের আইনগত শাস্তি দাবি করছি আমি। দেশের লাখ-কোটি কর্মজীবী নারীদের নিয়ে এমন বিদ্বেষ ছড়ানো খেলোয়াড়কে বাংলাদেশের জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানাই।’

    rnrn

    জ্যোতি বলেন, ‘আমি জানি, এ প্রসঙ্গে চুপ থাকাই নিরাপদ ভেবে অনেকেই চুপ থাকবে, আবার নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করতে গিয়ে কিছু লোক ইনিয়ে-বিনিয়ে ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতার কথা বলবে। কিন্তু এই দুটোই ভয়ংকর। অন্যায় করা আর অন্যায় মেনে নেওয়া সমান অপরাধ বলে আমি মনে করি। আর বাক-স্বাধীনতা যদি হয় অন্যকে অপমান, কুসংস্কার ছড়ানো তাহলে সেটা নিশ্চই বাক-স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে না। আমি স্পষ্টভাবে তাই আমার অবস্থান পরিষ্কার করছি।’

    rnrn

    ‘মগজ ভর্তি নারীবিদ্বেষ ও ধর্মান্ধতা নিয়ে যে কোনো মানুষ বাঁচতেই পারে, সেটা তার মতাদর্শ। কিন্তু যখন একজন প্রকাশ্যে সেসব পিছিয়ে থাকা মতাদর্শ নিয়ে বর্বর সময়কে ইঙ্গিত করে তখন সেই মতাদর্শকে আর বাড়তে দেওয়া ঠিক না। সাধারণ মানুষ হলেও এড়িয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার যার লাখ লাখ ফলোয়ার তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যায় না। তাহলে ঘৃণার চাষাবাদ বাড়তে বাড়তে দেশ আইয়ামে জাহেলিয়ার দিকে আগাবে,’ বলেন এই নায়িকা।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • শাস্তি ঘোষণার পর স্ট্যাটাসে যা বললেন চমক

    অভিনেতা আরশ খান ও নির্মাতা আদিব হাসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শাস্তি ঘোষণা করা হয়েছে অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের বিরুদ্ধে। অভিনয়শিল্পী সংঘের রায়ে জরিমানা প্রদান এবং আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে। শাস্তি ঘোষণার পর পরই সামাজিকমাধ্যমে কারও নাম উল্লেখ না করে দুটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

    বুধবার ভোর ৩টা ৪৪ মিনিটের ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে তিনি লিখেছেন— ‘বাংলাদেশ একদমই একটি নারীবাদী দেশ। এখানে মেয়েরা সর্বস্থলে সবসময় নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারে। কোথাও কারও কাছে কিংবা কোনো পরাশক্তি বা ষড়যন্ত্রের কাছে মাথানত করতে হয় না। নিরাপদে নির্ভীক থাকুক প্রতিটি মেয়ে।’

    এর কিছুক্ষণ পরই আরও একটি স্ট্যাটাস দেন অভিনেত্রী চমক। যেখানে অনেকটা কবিতার মতো করে তিনি লিখেছেন, 
    ‘দিনশেষে সব দোষ নন্দ ঘোষের। 
    আনন্দ বাবু তো তুলসীপাতা, 
    তাও আবার ধোঁয়া, 
    যায় না তাকে ছোঁয়া। 
    নন্দ ঘোষের মুখে তালা, 
    ভয়ভীতিও আছে, 
    পাছে সবাই করে ছিঃ ছিঃ তারে, 
    কেটে দেয় তার ডালপালা, 
    যদিও একটু বাড়ে। 
    থাক, এবার না হয় বাঁচুক প্রাণ, 
    কে নেবে, যদি রাখে ঈশ্বর মানীর মান। 
    দুষ্ট লোক এবার দিলেও ফাঁকি, 
    মনে রেখ, তার হিসাব রইল শখানেক বাকি।’

    এদিকে চমকের এই স্ট্যাটাসের সঙ্গে অনেকে সহমত পোষণ করেছেন। তবে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, চমকের বিরুদ্ধে টিভি নাটকের সংগঠনের দেওয়া রায় ও অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্ট্যাটাস দুটি দিয়েছেন তাদের প্রিয় তারকা।

    এর আগে অভিনেতা এবং নির্মাতার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ও দ্বন্দ্বের অবসানের জন্য টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টেলিপ্যাব), ডিরেক্টরস গিল্ড ও অভিনয় শিল্পী সংঘ—এই তিন সংগঠনের আলোচনায় নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হন চমক। পাশাপাশি অভিনেতা মাসুম বাশার ও আরশ খানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

    শিল্পী-নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, ভুল স্বীকার করে জরিমানা দেওয়ার মাধ্যমে চমকের বিষয়টি শেষ করতে নারাজ ছিল ডিরেক্টরস গিল্ড। পরে রাতে সমন্বিত সভা থেকে একপ্রকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় নির্মাতাদের সংগঠনের নেতারা। এর পর সেখানে উপস্থিত থাকা সংবাদমমাধ্যমকর্মীদের একপ্রকার উপেক্ষা করেই আরশ ও চমককে নিয়ে নিজেদের কক্ষে চলে যান শিল্পী সংঘের নেতারা।

    বিনোদন ডেস্ক