Tag: শাফিন

  • বনানীতে বাবার কবরে চিরশায়িত শাফিন আহমেদ

    বনানী কবরস্থানে বেলা ৩টায় বাবা সংগীতঙ্গ কমল দাশগুপ্তের কবরে চিরশায়িত হলেন ছেলে সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ। এ সময় পাশে ছিলেন ভাই তাহসিন আহমেদ ও হামিন আহমেদসহ স্বজন এবং মাইলস সদস্যরা। শাফিন আহমেদের কবরের পাশেই মা কিংবদন্তি নজরুল সংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগম শায়িত আছেন।

    ২৫ জুলাই মারা যান এই গুণী শিল্পী। মৃত্যুর চার দিন পর মাতৃভূমিতে শাফিন আহমেদের লাশ ফিরেছে সোমবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায়।

    ৩০ জুলাই জোহরের নামাজের পর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা ও সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শাফিন আহমেদের নিথর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বনানী কবরস্থানে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে কুলখানির বিষয়। শাফিন আহমেদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় কুলখানি হবে শুক্রবার (২ আগস্ট) জুমার নামাজের পর বনানী কবরস্থানের পাশে গুলশান কমিউনিটি মসজিদে।

    উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের গান শোনাতে গত ৯ জুলাই ঢাকা থেকে উড়ে যান শাফিন আহমেদ। ২০ জুলাই ভার্জিনিয়ায় দ্বিতীয় কনসার্ট ছিল। সেই শো’র মঞ্চে ওঠার খানিক আগেই হোটেলের রুমে লুটিয়ে পড়েন তিনি। হাসপাতালে ভর্তি ও লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে। ২৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৯ মিনিটে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে।

    তার এই অকাল প্রস্থানে রেখে গেছেন দুই বড় ভাই তাহসিন ও হামিন, স্ত্রী ডা. রুমানা দৌলা, তিন ছেলে মাইসিম, আজরাফ ও রেহান এবং এক মেয়ে রানিয়াকে। সঙ্গে অগণিত ভক্ত, বন্ধু ও স্বজন।

    এক যুগেরও বেশি সময় ধরে হার্টের অসুখে ভুগছিলেন শাফিন আহমেদ। ১৯৬১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এই নন্দিত শিল্পীর জন্ম হয়েছিল।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • জীবনের শেষ ভিডিওতে যা বলেছিলেন শাফিন আহমেদ

    যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় একটি স্টেজ শোতে গান গাওয়ার কথা ছিল শাফিন আহমেদের। কিন্তু অনুষ্ঠানের দিন হঠাৎ তিনি অসুস্থ হওয়ায় পরিকল্পনা পাল্টাতে হয় আয়োজকদের। সেদিন একই মঞ্চে গান গাওয়ার কথা ছিল দেশের আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরীর। তার গান শুরুর আগে মঞ্চে থাকা এলইডি পর্দায় হাজির হন শাফিন আহমেদ।

    হাসপাতালের বিছানা থেকে তিনি একটি ভিডিও বার্তায় অনুষ্ঠানে না থাকতে পারার কথা জানান।

    ভিডিও বার্তায় শাফিন আহমেদ বলেন, ‘আজকে কনসার্টে আপনাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল। তবে শারীরিক কিছু লক্ষণের জন্য আমি একটু মেডিক্যাল চেকআপ করতে আসি। মেডিক্যাল চেকআপ করতে এসে হাসপাতালের চিকিৎসকদের নির্দেশ অনুযায়ী সময় লাগছে।

    তাই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চেকআপ করতে হচ্ছে। আপনারাও দেখতে পাচ্ছেন, এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি আছি। আপনাদের সঙ্গে হয়তো আজকে আর দেখা হচ্ছে না। দুঃখিত আমার সব শ্রোতা এবং ভক্তদের কাছে, একই সঙ্গে আয়োজকদের কাছেও।

    আগামীতে নিশ্চয় আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে। আমি আশা করব, আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে। ধন্যবাদ।’

    এর পর সেদিন রাতে শাফিন আহমেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। গভীর রাতে গুরুতর হার্ট অ্যাটাক হয়।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ভার্জিনিয়ার সেই হাসপাতালের চিকিৎসক, এমনটাই জানিয়েছেন বড় ভাই দেশের আরেক জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ।

    শাফিন আহমেদের গাওয়া তুমুল জনপ্রিয় কিছু গানের মধ্যে রয়েছে ‘আজ জন্মদিন তোমার’, ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘জ্বালা জ্বালা অন্তরে’, ‘ফিরিয়ে দাও হারানো প্রেম’, ‘ফিরে এলে না’, ‘হ্যালো ঢাকা’, ‘জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন’ প্রভৃতি। তিনি তার বাবা কমল দাশগুপ্তর কিছু গান নিয়েও একক অ্যালবাম করেছিলেন। মাঝখানে কিছুদিন রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। একটি রাজনৈতিক দলের ব্যানারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হয়েও আলোচনা সৃষ্টি করেছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন মাইলস ছেড়ে ছিলেন শাফিন

    দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদ মারা গেছেন। আমেরিকার ভার্জিনিয়ার সেন্টার হাসপাতালে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

    rnrn

    শাফিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই হামিন আহমেদ। তিনি জানান, শাফিনের ম্যাসিভ হার্টঅ্যাটাক হয়েছিল। এরপর ভার্জিনিয়ার একটি হাসপাতালে গত দুই দিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সেখান থেকে আর ফেরানো গেল না।

    rnrn

    ফরিদ রশিদের হাত ধরে ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্যান্ড দল 'মাইলস'। দলটির প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালে। তার আগে প্রকাশিত হয় দুটি ইংরেজি গানের অ্যালবাম ‘মাইলস’ ও ‘এ স্টেপ ফারদার’।

    rnrn

    আশি ও নব্বইয়ের দশকে তুমুল জনপ্রিয় ছিল ব্যান্ড সংগীত। উচ্চারণ, ফিলিংস (নগর বাউল), এলআরবির সঙ্গে আরও একটি নাম সে সময়ে বেশ শোনা যেত, তা হামিন আহমেদ ও শাফিন আহমেদের মাইলস। 

    rnrn

    সত্তর দশকের শেষদিকে মাইলস প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর দীর্ঘ চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যান্ডটি বিভিন্ন জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছে। হামিন আহমেদ, শাফিন আহমেদ, মানাম আহমেদ প্রমুখ ছিলেন এই ব্যান্ডের প্রাণ। 

    rnrn

    এই ব্যান্ডের ৯০ ভাগ গান শাফিন আহমেদের কণ্ঠে সৃষ্টি হয়েছে। পেয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা। কণ্ঠের পাশাপাশি শাফিন ব্যান্ডটির বেজ গিটারও বাজাতেন। তবে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ‘তিনবার’ মাইলস ছেড়ে বের হয়ে যান শাফিন আহমেদ। 

    rnrn

    সবশেষ ২০২১ সালের নভেম্বরে একটি ভিডিও বার্তায় শাফিন আহমেদ জানান, তিনি মাইলস থেকে আলাদা হয়ে গেছেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ব্যান্ডের সব কার্যক্রম বন্ধের দাবিও করেন তিনি।

    rnrn

    সেই সময় ভিডিও বার্তায় শাফিন বলেন, ‘মাইলসের সঙ্গে আমার পথচলা সেই ১৯৭৯ সালে। অনেক সময় দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি, অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ হয়েছে। মাইলসের আজকের অবস্থানের পেছনে আমার কতটা অবদান সেটা সবাই জানেন। চলতি বছরের শুরুতে একটা সিদ্ধান্ত নেই মাইলসের বর্তমান লাইনআপের সঙ্গে আমার মিউজিকের কোনো কার্যক্রম সম্ভব হবে না। বর্তমান লাইনআপের সঙ্গে সব ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকব।’ 

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, আমার সংগীতের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। কনসার্টেও থাকব, রেকর্ডিংয়েও পাওয়া যাবে। আমরা প্রত্যাশা থাকবে মাইলস নামটি যেন অপব্যবহার না হয়। মাইলসের সঙ্গে যদি কাজ না করতে পারি তাহলে এখানেই মালইসের কার্যক্রম স্থগিত করাই বেস্ট ডিশিশন বলে আমি মনে করি। অন্য কেউ যেন মাইলস নামটি ব্যবহার না করে। 

    rnrn

    এর আগে ২০১০ সালের শুরুর দিকেও একবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ব্যান্ড থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন শাফিন। যদিও কয়েক মাস পর আবারও দলে ফেরেন। এরপর ২০১৭ সালের অক্টোবরেও তিনি আরও একবার ব্যান্ডটি ছাড়ার কয়েক মাস পর দ্বন্দ্ব ভুলে ফের ব্যান্ডে ফিরেছিলেন।  

    rnrn

    শাফিন আহমেদ ছাড়া মাইলস ব্যান্ডের লাইনআপ- হামিন আহমেদ (ভোকাল ও গিটার), মানাম আহমেদ (ভোকাল ও কি-বোর্ড), ইকবাল আসিফ জুয়েল (ভোকাল ও গিটার), সৈয়দ জিয়াউর রহমান তূর্য (ড্রামস)।  

    rnrn

    মাইলসের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘গুঞ্জন শুনি’, ‘সে কোন দরদিয়া’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘নীলা’, ‘কি যাদু’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘স্বপ্নভঙ্গ’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘শেষ ঠিকানা’, ‘পিয়াসী মন’, ‘বলব না তোমাকে’, ‘জাতীয় সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইন’ ও ‘প্রিয়তমা মেঘ’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার আত্মজীবনীতে নতুন শাফিনকে খুঁজে পাবেন

    দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল মাইলসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও গায়ক শাফিন আহমেদ। এখনো গানে নিয়মিত। আজ তার জন্মদিন। একই দিনে প্রকাশ হচ্ছে তার আত্মজীবনী। বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

    rnrn

    * জন্মদিন ঘিরে কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে?

    rnrn

    ** না। এখন আর তেমন কোনো বিশেষ পরিকল্পনা থাকে না। একটা সময় পরিবার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে বড় করে আয়োজন করা হতো। এখন বেশির ভাগ সময় পরিবারের সঙ্গে কাটাই। তারাই কিছু না কিছু আয়োজন করে থাকে। তবে এবার জন্মদিনটা একটু বিশেষ। কারণ একই দিনে আমার আত্মজীবনী প্রকাশ পাচ্ছে। তাই বই প্রকাশ ঘিরে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে একটা রিডিং সেশন থাকবে। লাইভ মিউজিকের আয়োজনও থাকবে।

    rnrn

    * হঠাৎ আত্মজীবনী প্রকাশের উদ্যোগ নিলেন?

    rnrn

    ** হঠাৎ নয়, আমি গত তিন বছর ধরে আত্মজীবনী প্রকাশের পরিকল্পনা করছি। কিন্তু কীভাবে করব, কাকে দিয়ে লেখাব, নিজেই লিখব নাকি কেউ লিখে দেবে-এসব নিয়েই ভাবতে ভাবতে এতটা দিন পার হয়েছে। অবশেষে সাজ্জাদ হোসেন বইটা লিখেছেন। ওর সঙ্গে এ বিষয়ে আমার বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে। তারপরেই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, হ্যাঁ, লিখব। বইটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন গল্প বলার মতো করেই আমি আমার আত্মজীবনী বলে যাচ্ছি।

    rnrn

    * কী কী থাকছে এ আত্মজীবনীতে?

    rnrn

    ** এটা সত্যিকার অর্থে একটা আত্মজীবনী। কারণ এতে শুধু যে আমার কর্মজীবন রয়েছে তা নয়। আমার ব্যক্তিজীবন সম্পর্কেও এমন অনেক অজানা তথ্য এ বইতে উল্লেখ করেছি। আমি বরাবরই আমার ব্যক্তিজীবন শ্রোতাদের থেকে দূরে রেখেছি। শুধু আমার কাজই প্রকাশ করেছি। কিন্তু এবার এ বইতে আমার চলার পথের বিভিন্ন উত্থান পতন, ভালো-খারাপ ঘটনা তুলে ধরেছি। আমার মনে হয়, এ বইটা পড়লে পাঠক একটা নতুন শাফিন আহমেদকে খুঁজে পাবেন।

    rnrn

    * দীর্ঘ পথচলায় কখনো প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে ভেবেছেন?

    rnrn

    ** ভাবনা তো আসেই। মানুষের তো চাওয়ার শেষ নেই, স্বপ্নের শেষ নেই। আবার সব স্বপ্ন যে পূরণ হয়, এমনটাও নয়। কিন্তু স্বপ্ন তো দেখতেই হবে এবং স্বপ্ন পূরণের চেষ্টাও করে যেতে হবে। আমি আমার জায়গা থেকে কাজ করে যাচ্ছি।

    rnrn

    * সংগীত নিয়ে বর্তমান প্রজন্ম কোন দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করেন?

    rnrn

    ** কিছু ভালো কাজ হচ্ছে। অনেক নতুন শিল্পী আসছেন। আর তাদের সবার কাছে তাদের শিল্প প্রকাশ করার কিংবা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমও রয়েছে। হরেক রকম মার্কেটিং টেকনিক। এগুলো দেখি আর মনে হয়, এখন গানের চেয়ে মার্কেটিং বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। গানে ফোকাস কম হচ্ছে।

    নূসরাত অনন্যা

  • সংগীতে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু আসছে: শাফিন

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ। ব্যান্ডদল ‘মাইলস’র বেজ গিটারিস্ট ও প্রধান গায়ক। ব্যান্ডের পাশাপাশি, একক ও মিক্সড অ্যালবামে গান গেয়েছেন। বর্তমান ব্যস্ততা এবং সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।   

    যুগান্তর: বর্তমানে কী নিয়ে ব্যস্ত?

    শাফিন: কনসার্ট, স্টেজ শো করছি ভীষণ ব্যস্ত। দেশের ভেতরেই বিভিন্ন জায়গায় শো করেছি। চলতি মাসে তো করছিই। এছাড়া অক্টোবর মাসেও আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং ফ্রান্সে শো করেছি। 

    যুগান্তর: চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি আপনাদের শো’র ওপর প্রভাব ফেলেছে কী?

    শাফিন: অবশ্যই। গত বছর অক্টোবর থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত প্রচুর কনসার্ট আর স্টেজ শো করেছি। তবে এ বছর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সবাই কিছুটা শঙ্কায় আছে। যারা কনসার্ট বা স্টেজ শো আয়োজন করে তারাও চাইছে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসটা এড়িয়ে চলতে। এতে আমার কাজে তো প্রভাব পড়েছেই।

    যুগান্তর: আপনাদের পুরোনো গানগুলো নতুন করে মুক্তির কথা চলছিল। সেগুলোর কী খবর?

    শাফিন: আমাদের অনেকগানই ক্যাসেট বা সিডি আকারে প্রকাশ পেয়েছিল। যা এখন আর পাওয়া যায় না। তাই আমি উদ্যোগ নিয়েছিলাম গানগুলো নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশ করব। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মাইলসের গানের একটা সংকলন তৈরি করা। এছাড়া তখনকার এবং বর্তমান মিউজিক, যন্ত্রপাতিতে অনেক পার্থক্য। এখন গানগুলো আরও পরিস্কার এবং উন্নতমানের হবে। 

    যুগান্তর: আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেলও আছে। সেটি কেমন চলছে?

    শাফিন: আমি খানিকটা দেরি করে ইউটিউবে এসেছি। আমার আরও আগেই আসা উচিত ছিল। শুরুতে বুঝিনি এই মাধ্যমটা এতো প্রয়োজনীয়। কিন্তু পরে বিভিন্নভাবে শ্রোতারা আমাদের জানিয়েছেন, তারা আমাদের গান অফিশিয়ালি একটা নির্দিষ্ট মাধ্যমে শুনতে চায়। তখনই আমি চ্যানেলটা করলাম। এখন ধীরে ধীরে ইউটিউবেও আমাদের গানগুলো সংকলনের চেষ্টা করছি। এরমধ্যে বেশ কিছু গান সেখানে আপলোড হয়েছে। সামনে আরও আসবে।

    যুগান্তর: আপনাকে নতুনদের নিয়েও কাজ করতে দেখা যায়…।

    শাফিন: বেশ কিছু গান নতুন শিল্পীদের দিয়ে গাইয়েছি। এগুলো আমার ‘ডাবল বেইজ প্রোডাকশন’ থেকে প্রকাশ পেয়েছে। সংগীতে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু আসছে। সেই নতুনত্বকে গ্রহণ এবং এগুলোতে সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব। বলা যায়, আমি সেই দায়িত্বই পালন করছি।  
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • কপিরাইট আইনে মামলা করলেন কণ্ঠশিল্পী শাফিন 

    অনুমতি ছাড়া শতাধিক গান প্রচার করার অভিযোগে কপিরাইট আইনে মাইলস ব্যান্ডের কণ্ঠশিল্পী মো. শাফিন আহমেদ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় আসামিরা হলেন কাইনেটিক নেটওয়ার্ক লিমিটেডের এমডি আশিকুন নবী ও পরিচালক আশিফুন নবী।

    সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে তিনি এ মামলা করেন। আগামী ৫ নভেম্বর আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া গান প্রচারের অভিযোগে শাফিন কপিরাইট আইনে মামলা করেছেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, কণ্ঠশিল্পী শাফিন আহমেদের গাওয়া শতাধিক গান অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ইউটিউব, আমাজন, আই টিউনস, অ্যাপল মিউজিক প্রচার করে অপরাধ করেছেন।

    আদালত প্রতিবেদক

  • শাফিনের কণ্ঠে হিন্দি গান

    বাংলা ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় তারকা শিল্পী শাফিন আহমেদ প্রথমবার একটি হিন্দি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানের শিরোনাম ‘রুবারু’। গানটি লিখেছেন, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আবু ইমরান। 

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে শাফিন আহমেদ বলেন, ‘হিন্দি গান বা ইংরেজি গান কাভার করলেও কখনো অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করা হয়নি। এবার মৌলিক একটি হিন্দি গান করেছি। শিগগিরই এটি রিলিজ হবে। আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে।’

    বিনোদন ডেস্ক