Tag: শবনম

  • শবনম ও পূর্ণিমার আকস্মিক মিলন

    দেশি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। তবে গত ২৫ বছর তাকে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াতের ‘আম্মাজান’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। 

    অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে সিনেমায় নায়িকা হিসাবে অভিষেক হয় পূর্ণিমার। বলা যায় শবনমের শেষ, আর পূর্ণিমার শুরু। স্বভাবতই একই সিনেমায় তাদের কখনোই দেখা যায়নি। তবে দেখা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। সম্প্রতি দেখা হলো একটি বিশেষ আয়োজনে। ২৬ জানুয়ারি শবনমের বাসায় যান পূর্ণিমা। বিষয়টি শবনম অবগত ছিলেন না, এমনই জানিয়েছেন এই বিশেষ মুহূর্তের আয়োজক সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন। তিনি বলেন, পূর্ণিমাকে দেখেই চমকে উঠেই শবনম। স্নেহের পরশে বুকে টেনে নেন। এরপর গল্পে মেতে উঠেন দুজনে। গল্প আড্ডায় উঠে এসেছে দু’জনের সিনেমা ও ব্যক্তিজীবনের অনেক না বলা কথা। 

    এ প্রসঙ্গে শবনম বলেন, ‘পূর্ণিমা ভীষণ লক্ষী একটা মেয়ে। তার মিষ্টি হাসি, বিনয় আমাকে মুগ্ধ করে। অবশ্যই তার অভিনয়ও আমার ভালো লাগে। হঠাৎ করেই আমার বাসায় তার উপস্থিতি আমাকে সত্যিই ভীষণ বিস্মিত করেছে। খুব ভালো লেগেছে পূর্ণিমার সঙ্গে গল্প করে, সময় কাটিয়ে। আমি তার জন্য সবসময়ই অনেক দোয়া করি।’ 

    পূর্ণিমা বলেন, ‘বলা যায় এটা আমার একটা অপূর্ণতা যে আমি শবনম ম্যাডামের সঙ্গে একই সিনেমায় অভিনয় করতে পারিনি। তবে এটা আমার ভীষণ ভালোলাগা যে তিনি আমাকে খুব স্নেহ করেন, আদর করেন। তিনি আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন, তার মতো এতো বড় মাপের যাকে আমরা মহীরূহ বলি, সেই তিনি যখন আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন তখন আসলে কী বলবো বুঝে উঠতে পারি না। এটা আমার জীবনের অনেক বড় প্রাপ্তি।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে যা কথা হলো রাহাত ফতেহ আলী খানের

    ২১ ও ২৩ ডিসেম্বর দুটি কনসার্টে অংশ নিতে সম্প্রতি ঢাকা সফর করেন পাকিস্তানি সুফি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্যেও ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাসে একটি নৈশভোজে অংশ নেন তিনি।

    সেখানেই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনমের। এসময় নানা বিষয়ে আলাপচারিতায় মগ্ন ছিলেন তারা। এরপর একসঙ্গে ডিনার শেষে, ছবি তোলা শেষে  ফটোশুট।

    আয়োজন প্রসঙ্গে শবনম বলেন, ‘গত মার্চ মাসে পাকিস্তানে একটি অনুষ্ঠানে আমার সঙ্গে রাহাত দেখা করেছিলেন। এবার ঢাকায় দেখা হলো। আমাকে অনেক সম্মান ও শ্রদ্ধা করে। শিল্পীর প্রতি শিল্পীর এই যে শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা এটাই এক জীবনের প্রাপ্তি।’

    ১৯৪৬ সালে ঢাকায় জন্ম নেওয়া শবনম বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তানেও সমানভাবে জনপ্রিয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বাংলা সিনেমার পাশাপাশি অসংখ্য উর্দু সিনেমাও অভিনয় করেছেন তিনি। সেসময় উর্দু সিনেমায় শবনম-ওয়াহিদ মুরাদ, শবনম-নাদিম জুটি ছিল ব্যাপক জনপ্রিয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান শবনম ফারিয়ার

    নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। এই সময়ে দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। 

    rnrn

    রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান। 

    rnrn

    শবনম ফারিয়া বলেন, ‘আমরা সবাই জানি এবং খুব স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি যে, আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না এই মুহূর্তে। যে কারণেই হোক, যেভাবেই হোক, আমরা ভালো অবস্থায় নাই!’ 

    rnrn

    ‘আমরা যে যার জায়গা থেকে একটু চেষ্টা করতে পারি এই অবস্থার পরিবর্তন করতে, খুব বড় কিছু যে হবে তা না। কিন্তু এইটা একটা প্র্যাক্টিস। প্রথমেই শুরু করি দেশি পণ্য কেনা দিয়ে। আশপাশের দেশের শাড়ি/কামিজ/অন্যান্য পণ্য বাদ দিয়ে নিজেদের পণ্য ব্যবহার শুরু করি’। 

    rnrn

    ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, আপনারা দয়া করে গলা কাটা বন্ধ করেন, জিনিসপত্রের দাম কমান, মান ভালো করেন। আমরা স্বাধীনভাবে থাকতে চেয়েছি, বাক স্বাধীনতা চেয়েছি এবং তা আবারও রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি। এখন এ অবস্থার পরিবর্তনেও আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • অবশেষে অনুমতি পাওয়ার পর পাকিস্তান গেলেন শবনম

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দেশেই জনপ্রিয়তা রয়েছে অভিনেত্রী শবনমের। ছয় দশকের বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র জীবন তার। বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করলেও দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন পাকিস্তানের সিনেমায়। পাকিস্তানের সিনেমায় তার অবদানের জন্য সেখানে ‘মহানায়িকা’ বলা হয় শবনমকে। 

    rnrn

    এখনও পাকিস্তানের মিডিয়া ও সাধারণ দর্শক মনে রেখেছেন তাকে। তাইতো সে দেশের ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’  এ সর্বোচ্চ পদকটি পেতে যাচ্ছেন শবনম। আগামী ২৩ মার্চ এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিল না তাকে। তবে সব বাধা শেষে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে বুধবার দেশ ছাড়েন তিনি। 

    rnrn

    পাকিস্তানের ১৩৫ জনকে দেওয়া হচ্ছে নিশান ই ইমতিয়াজ, হিলাল ই পাকিস্তান, হিলাল ই সুজাত, হিলাল ই ইমতিয়াজ, হিলাল ই কায়েদ ই আজম, সিতারা ই পাকিস্তান, সিতারা ই সুজাত, সিতারা ই ইমতিয়াজ পুরস্কার। এ ছাড়াও প্রেসিডেন্ট পদকের কয়েকটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার। এ ছাড়াও প্রেসিডেন্ট পদকের কয়েকটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার। মোট ৫০৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

    rnrn

    তবে ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ পুরস্কার পাচ্ছেন মোট ৬০ জন। তাদের মধ্যে আবার মাত্র সাতজন রয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের। এই সাতজনের একজন শবনম। পদক গ্রহণের জন্য পাকিস্তান যেতে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। সরকারপ্রধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাভের পর বুধবার সকাল ১০টার বিমানে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন শবনম।

    rnrn

    এ ব্যাপারে শবনম বলেন, ক্যারিয়ারে লম্বা সময় পাকিস্তানে কাজ করেছি। যে কারণে ওরা সর্বোচ্চ পদক দিচ্ছে। আমি গর্বিত। আর পদক গ্রহণে অনুমতি দিচ্ছেন বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি শুনেছি তিনি এই পদক পাওয়ার খবরে খুশিও হয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি এই পদক দু’দেশের সিনেমা শিল্পের উন্নয়নে যোগসূত্র তৈরি করবে। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের। তাদের আন্তরিক সহযোগিতা না পেলে জীবনসায়েহ্নে এসে এই পদক গ্রহণে যেতে পারতাম না। একই সঙ্গে পাকিস্তান সরকারকেও ধন্যবাদ।

    rnrn

     এরআগে শবনম পাকিস্তানে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ ১৩ বার নিগার, তিনটি জাতীয়, পিটিভি এবং লাক্স লাইফটাইম অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। এছাড়াও ২০১৭ সালে লাহোর সাহিত্য উৎসবে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করার বিরল গৌরব অর্জন করেন শবনম।

    rnrn

    উল্লেখ্য, চলচ্চিত্রে শবনমের আবির্ভাব নির্মাতা এহতেশামের হাত ধরে। শুরুতেই চান্দা, তালাশ, হারানো দিন, নাচের পুতুল সিনেমা দিয়ে অবিভক্ত পাকিস্তানে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পান। পরবর্তী সময়ে নিজেকে আরও মেলে ধরতে পাড়ি জমান তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেখানে মাথা উঁচু করে নিজেকে মেলে ধরেন। পরবর্তী সময়ে জন্মভূমিতে ফিরে সর্বশেষ ‘আম্মাজান’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ারে ইতি টানেন।

    বিনোদন ডেস্ক