Tag: রুক্মিণী মৈত্র

  • ‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিবের ‘প্রিন্সেস’ কে হচ্ছেন, রুক্মিণী না ইধিকা?

    আগামী ঈদে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খানের সিনেমা ‘প্রিন্স’। ফের রোমান্স আর অ্যাকশন নিয়ে পর্দায় ফিরছেন অভিনেতা। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ। সম্প্রতি গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ‘প্রিন্স’ ছবিতে শাকিবের বিপরীতে নাকি তিন নায়িকাকে দেখা যাবে। তাদের মধ্যে দুজন কলকাতার নায়িকা।

    সেই সময় ছবির নাম ঠিক হয়েছিল ‘ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’। ছবির ঘোষণার সময় পরিচালক মাহমুদ এবং ছবির কার্যনির্বাহী প্রযোজক অরিন্দম দাস (বাবাই) জানিয়েছিলেন, দুর্গাপূজার সময় শুটিংস্থল খুঁজতে কলকাতায় থাকবে ‘প্রিন্স’ টিম। সব ঠিক থাকলে নভেম্বর থেকে শুটিং শুরু হবে। কলকাতা থেকে এক নায়িকাকে তারা শাকিবের বিপরীত পছন্দের তালিকায় রেখেছেন। টালিউডের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সেই লক্ষ্যেই সম্ভবত কলকাতায় আছে ছবির টিম। নায়িকার তালিকায় উঠে এসেছে রুক্মিণী মৈত্র আর ইধিকা পালের নাম। যদিও নাকি এদের সঙ্গে প্রযোজনা সংস্থার পাকা কথা হয়নি এখনো। সে ক্ষেত্রে, নায়িকা বদলাতেও পারে। এও শোনা যাচ্ছে, তৃতীয় নায়িকা বাংলাদেশের।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, নায়িকা ছাড়াও কলকাতার বেশ কিছু অভিনেতা থাকতে পারেন এই ছবিতে। একই ভাবে দেখা যাবে বাংলাদেশের বেশ কিছু অভিনেতাদেরও। ছবির শুটিং হবে কলকাতা, মুম্বই, দক্ষিণ ভারত, বাংলাদেশ মিলিয়ে। ছবির ক্যামেরা, নৃত্যপরিচালক, ফাইট মাস্টার, রূপসজ্জাশিল্পী— এই চার দায়িত্ব পালন করবেন বলিউডের খ্যাতনামীরা। উদাহরণস্বরূপ পরিচালক জানিয়েছেন, তিনি ক্যামেরার দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন ‘অ্যানিম্যাল’-খ্যাত চিত্রগ্রাহক অমিত রায়কে। এই ছবির রূপসজ্জাশিল্পী শাকিবকে সাজানোর দায়িত্বে থাকবেন।

    নব্বইয়ের দশকের মাফিয়ারাজ, সেই সময়ের অন্ধকার দুনিয়া ছবিতে উঠে আসবে সিনেমায়। নায়কের নানা বয়স দেখা যাবে সিনেমায়। তার জন্য শাকিবকে নিতে হতে পারে বিভিন্ন রূপের রূপসজ্জা। যেহেতু নায়কের নানা বয়স, তাই ছবিতে তিন নায়িকা। প্রযোজনায় ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস।

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

    বিনোদন ডেস্ক

  • উঠতি মডেল থেকে তারকা, রুক্মিণীর নানা অধ্যায়ের সাক্ষী

    আসন্ন দুর্গাপূজায় আপামর বাঙালি নারীর পথেই হাঁটছেন টালিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। আর তাই পূজা উপলক্ষ্যে শাড়ি কিনতে তিনি পৌঁছে গেছেন বালিগঞ্জের সিমা গ্যালারিতে। সেখানে শুরু হচ্ছে ‘আর্ট ইন লাইফ’। পূজার কেনাকাটার জন্য এমন প্রদর্শনীই পছন্দ টালিউড অভিনেত্রীর। একটি প্রদর্শনীতে সব রকম জিনিসের সম্ভার। শাড়ি, ব্যাগ, গহনা, লং জ্যাকেট, গৃহসজ্জার উপকরণসহ আরও অনেক কিছু।

    গত দুই বছর ধরে মায়ের আলমারির সৌন্দর্য রুক্মিণী মৈত্রের চোখে ধরা পড়ছে। এতদিন মায়ের প্রতি তার অভিযোগ ছিল—মা, তুমি তো কেজি দরে শাড়ি কেন? প্রতি সপ্তাহে নাকি তিনটি করে শাড়ি কিনতে ভালোবাসেন তার মা মধুমিতা মৈত্র। মায়ের এই অভ্যাস পছন্দ ছিল না রুক্মিণীর। কিন্তু সেই মেয়ে এখন পূজায় শাড়ি কেনেন। 

    অভিনেত্রী বলেন, ধীরে ধীরে মায়ের মতোই হয়ে যাচ্ছি। পূজার আগেই সেটা বেশি টের পাই। যে মেয়ে সারা বছর জিন্স-শার্ট কিংবা টি-শার্টেই বেশি স্বচ্ছন্দ, তার আলমারিতে একটু একটু করে শাড়ির সংখ্যা বাড়ছে।

    মায়ের মতো এখনো শাড়ির বাছাইয়ে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়নি রুক্মিণীর। তবে একরঙা শাড়ি কিনলে নাকি বিপদ কম— এমনই টোটকা শিখে নিয়েছেন অভিনেত্রী। যা-ই হয়ে যাক, সাজ নিয়ে অপ্রস্তুত হওয়ার ঝুঁকি নাকি কম থাকে।

    তবে পূজার অন্যান্য দিনের সাজে পাশ্চাত্য ছোঁয়া থাকলে খুশিই হবেন নায়িকা। লং জিন্সের সঙ্গে টপ বা কুর্তি পরে এখনো বেশি স্বচ্ছন্দ রুক্মিণী। পোশাক কিনতে গেলে পুরুষের জন্য রাখা জামাকাপড়ে বেশি নজর যায় অভিনেত্রীর। 

    রুক্মিণী বলেন, আমার সব জ্যাকেট, ওভারসাইজড জামাকাপড় কেনা হয়েছে পুরুষের সেকশন থেকে। ওদের সেকশনের সবচেয়ে ছোট সাইজের জামা পরি আমি। বিদেশে গেলেও এভাবেই শপিং করতে পছন্দ করি।

    অভিনেত্রী বলেন, একবার দেবের আলমারি থেকে সেরা সাজটা সেজেছিলাম আমি। ‘টেক্কা’ সিনেমার একটা শুটে আমি গোলাপি একটা স্যুট পরেছিলাম। ছোট করে কাটা চুল, তার সঙ্গে মানানসই সঠিক ফিটের একটা স্যুটের প্রয়োজন ছিল। মেয়েদের জন্য এই ফিটের জামা কেউ বানায় না। হঠাৎই মনে হলো, দেবের গোলাপি স্যুট আমাকে ভালো মানাতে পারে।

    বালিগঞ্জের সিমা আর্ট গ্যালারির অধিকর্তা রাখী সরকার নিজেই প্রদর্শনী ঘুরিয়ে দেখালেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রকে। এ দেশের বিভিন্ন প্রদেশের শিল্পীর তৈরি শাড়ির সম্ভার রয়েছে সেখানে। কর্নাটকের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শাড়ি থেকে শুরু করে নামি শিল্পীদের তৈরি স্কার্ফ— সবই পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া রয়েছে ঘর সাজানোর নানাবিধ সামগ্রীও।

    অভিনেত্রী প্রথমেই বেছে নিলেন একটি শাড়ি। সাদার ওপর লাল চেক কাটা। দুর্গাপূজার বৈগ্রহিক রংমিলন্তি— সাদা ও লাল। তবে এই শাড়ির চেকগুলোতেই রয়েছে অভিনবত্বের ছোঁয়া। একটি শাড়িতেই সব রকমের চেক দেখা যাবে। উপরন্তু দামও বেশ কম রাখা হয়েছে। যাতে সব শ্রেণির মানুষ এ পূজায় ‘সিমা’র শাড়ি পরতে পারেন।

    হালকা সুতির শাড়ির সঙ্গে ডিজাইনার পরমা গঙ্গোপাধ্যায়ের লাল ব্লাউজ পরলেন রুক্মিণী। অষ্টমীর সকালে এমন সাজ বেশ মানানসই বলেই মনে করেন অভিনেত্রী। কানের ঝোলা দুল, হাতের মোটা বালা, আর চোখে ছোট্ট লাল টিপ।

    তবে উৎসবেই যে ছক ভেঙে আনন্দ, আর তাই রুক্মিণীর মতো কেতাদুরস্ত নতুন প্রজন্মের নায়িকার যে ‘বোবো ক্যালকাটা’ শাড়ি ও ব্লাউজের প্রতি চোখ যাবে, তা স্বাভাবিক। অপ্রচলিত নকশা ও রঙের ছকভাঙা খেলায় ডিজাইনার বোবোর শৈল্পিক ছোঁয়া। আর সেই সাজেই নজর কাড়লেন রুক্মিণী। নবমীতে বন্ধুদের সঙ্গে পার্টির জন্য এমন সাজের পরিকল্পনা শুরু নায়িকার। কারুস্তুতির একরঙা শাড়ি ও পরমার লাল ব্লাউজে চোখধাঁধানো সাজ অভিনেত্রীর। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুক্মিণীর পরিবারে এলো নতুন ‘অতিথি’

    টালিউডের প্রেমিক জুটি দীপক অধিকারী দেব ও অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র সবসময়ই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় থাকেন। আবার এ তারকা জুটি নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনো লুকোছাপা করেন না। পার্টি হোক কিংবা অনুষ্ঠানসবখানে একসঙ্গে দেখা যায় তাদের।

    সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া দেব-শুভশ্রীর ‘ধূমকেতু’ বক্স অফিসে ভালোই ছাপ ফেলেছে। এর মাঝেই অভিনেতা ‘রঘু ডাকাত’ সিনেমার প্রচার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে রুক্মিণী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বি-টাউনের নিজের জমি শক্ত করার কাজে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর মধ্যেই রুক্মিণীর পরিবারে এলো নতুন অতিথি। সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি বিলাসবহুল গাড়ি কিনেছেন রুক্মিণী। বিএমডব্লিউ ৫ সিরিজের গাড়িটি কিনেছেন তিনি। সাদা রঙা গাড়িটির কলকাতায় অনরোড (ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী নির্ভর করছে) দাম প্রায় ৮৭.৭৫ লাখ থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা। গাড়িটি বাড়িতে আনার সময় শোরুমে গিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে ফটোসেশন করেছেন এ জুটি।

    এতসব ব্যস্ততার মাঝেও এ তারকা জুটি সময় কাটাতে ছুটে যান দূরে কোথাও। তবে এরই মাঝে টালিউডে গুঞ্জন দূরত্ব তৈরি হয়েছে দেব-রুক্মিণীর মধ্যে। যদিও সেই জল্পনায় ইতি টেনেছেন এ তারকা জুটি। সম্প্রতি দেবের বাড়ির গণেশ পূজায় হাজির হয়েছিলেন নায়িকা রুক্মিণী মৈত্র। আবার ‘ধূমকেতু’-র স্পেশাল স্ক্রিনিংয়েও হাতে হাত ধরে এসে বলেছেন আমি ছিলাম, আছি থাকব…।

    এর মধ্যে অভিনেত্রী পাড়ি দিয়েছেন মায়ানগরী মুম্বাইয়ে। বলিউডে কাজের স্বপ্নপূরণে আপাতত তিনি সেখানকারই বাসিন্দা। দেবও তার পার্টনারের পাশে থাকছেন। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও দেখা করতে হাজির হন মুম্বাই। তবে এ মুহূর্তে অভিনেতা রয়েছেন টালিউডে। ফলে নায়িকাও ফিরেছেন এই শহরে। উৎসবের দিনগুলো এখানে কাটিয়ে ফিরবেন মুম্বাইতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেব-শুভশ্রীর ‘ধূমকেতু’ নিয়ে হইচইয়ের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লেন রুক্মিণী

    টালিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র অনেক দিন ধরেই ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ করে সিনেমার কাজ শেষ করেছেন । এরপর আর কোনো নতুন সিনেমার ঘোষণা দেননি তিনি। তার সিনেমা ধূমকেতু মুক্তি পেয়েছে। এরই মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ। শরীর ভালো নেই অভিনেত্রীর। কখনো পায়ে চোট, আবার কখনো কাজের ব্যস্ততায় অনিয়ম হওয়ায় খুবই ভুগতে হয়েছে তাকে। এর আগেও অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাকে। আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন রুক্মিণী। বর্তমানে ১০২ ডিগ্রি জ্বর।

    সেলফি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে ক্যাপশনে রুক্মিণী লিখেছেনভাই’রাল’ জ্বরে আক্রান্ত তিনি। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের আলোচনা নায়িকা পাকাপাকি মুম্বাইয়ে থাকছেন এখন। সেখানে নাকি ওয়ার্কশপ করছেন। এমনিতেও মডেলিং এবং বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের কাজে বহু দিন তাকে কাটাতে হয় মায়ানগরীতে। সেখানেই এবার জ্বরে কাবু অভিনেত্রী।

    এদিকে দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির পুরোনো সিনেমা ‘ধূমকেতু’ মুক্তির সময় থেকে রুক্মিণীকে নিয়ে আলোচনা বেড়েছে। দর্শকদের একাংশের দাবি দেব-শুভশ্রী জুটি আবার কাছাকাছি আসায় বিরক্ত নায়কের বান্ধবী। যদিও এসব আলোচনাকে থামিয়ে দিয়েছেন তারা।

    ধূমকেতু’র প্রচার ঝলকের অনুষ্ঠানের পর শুভশ্রীর স্বামী পরিচালক রাজ চক্রবর্তী এবং দেবের বান্ধবী রুক্মিণীকে নানাভাবে আক্রমণ করেছিলেন নেটিজেনরা। সেই পরিস্থিতিকে সামাল দিতে প্রকাশ্যে রাজ, শুভশ্রী এবং রুক্মিণীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন প্রযোজক দেব।

    যদিও সম্প্রতি একটি গহনার দোকানের উদ্বোধনে এসে রুক্মিণী জানিয়েছেন, তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার কোনো দরকার নেই দেবের। তিনি স্পষ্ট করেছিলেন বাইরে যাই আলোচনা হোক না কেন, নায়কের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।

    উল্লেখ্য অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’-এর পর আর কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে। তবে এ মুহূর্তে তিনি বিভিন্ন চিত্রনাট্য পড়ছেন বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন মুম্বাই থেকে কলকাতায় ফিরে এলেন রুক্মিণী

    মন ভালো নেই টালিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের। একের পর এক অঘটন। পরিবারে শোকের ছায়া। আচমকাই দাদুকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ অভিনেত্রী। গত বছরই সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। রুক্মিণীর জন্মদিনেই দেখা গিয়েছিল তার দাদু আর দিদার বিশেষ নাচ। প্রতিটা মুহূর্তই পরতে পরতে উপভোগ করছিলেন অভিনেত্রী এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা। দাদুর হঠাৎ চলে যাওয়ায় মন ভালো নেই কারও। কারণ মাসখানেক আগেই মাসিকে হারিয়েছেন রুক্মিণী। মাত্র কিছু দিনের ব্যবধানে দাদুকে হারালেন তিনি।

    সম্প্রতি মুম্বাই ছিলেন অভিনেত্রী। দাদুর মৃত্যুর খবর পেয়ে তড়িঘড়ি কলকাতায় ফিরে আসেন তিনি। যদিও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে তার দাদু যে খুব অসুস্থ ছিলেন তেমন নয়। কিন্তু অনেকটাই বয়স হয়েছিল। পরিবারে ঘটে যাওয়া একের পর এক দুর্ঘটনায় মন ভালো নেই রুক্মিণীর। মা ও দিদার পাশে থাকতেই তার কলকাতায় ফেরা।

    জানা গেছে, পাকাপাকিভাবে নাকি মুম্বাইয়েই থাকছেন তিনি। হিন্দি সিনেমার ওয়ার্কশপও নাকি করছেন। তবে নায়িকার তরফে এ বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

    উল্লেখ্য, ‘বিনোদিনী: একটি নটীর উপাখ্যান’ সিনেমার পর আর বড়পর্দায় দেখা যায়নি রুক্মিণীকে। তবে ইতোমধ্যে চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সঙ্গে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন অভিনেত্রী। আপাতত তাকে নতুনভাবে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় দর্শকরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অসংখ্য শুভেচ্ছা তোমাকে’, প্রেমিকার সাফল্যে গর্বিত দেব

    টালিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র তার অভিনয় জীবনে যোগ করেছেন আরও এক নতুন সাফল্য। রামকমল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত পিরিয়ড ড্রামা ‘বিনোদিনী: একটি নটীর উপাখ্যান’–এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে ১৫তম দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।

    রুক্মিণীর এই অর্জনে খুশিতে উচ্ছ্বসিত তার প্রেমিক এবং সিনেমার প্রযোজক দেব। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়ে দেব লেখেন, ‘১৫তম দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতায় রুক্মিণী অসংখ্য শুভেচ্ছা তোমাকে। তোমার শক্তিশালী চিত্রায়ণ আরও অনুপ্রাণিত করুক এবং সমুজ্জ্বল হয়ে থাকুক।’

    এর আগেও ‘বিনোদিনী’ সিনেমার জন্য ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন রুক্মিণী। গত এপ্রিলেই সিনেমাটি ৭৫ দিনের মাইলফলক পার করে পৌঁছে গিয়েছিল উপরাষ্ট্রপতি ভবনে, যেখানে প্রশংসা পান সিনেমার কলাকুশলীরা।

    প্রসঙ্গত, নাট্যজগৎে কিংবদন্তি ‘নটী বিনোদিনী’র চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রুক্মিণী নিয়েছিলেন কঠোর প্রস্তুতি। ২০১৯ সালে পরিচালক রামকমল যখন তাকে সিনেমার প্রস্তাব দেন, তখন থেকেই তিনি নিজেকে চরিত্রে মেলে ধরার জন্য কাজ শুরু করেন। নতুন নৃত্যশৈলী আয়ত্তে আনেন, নেন দীর্ঘ নাচের প্রশিক্ষণ। দেবও প্রচারে জানিয়েছিলেন, চরিত্রে একাত্ম হয়ে রুক্মিণী এমনভাবে অভিনয়ে মগ্ন ছিলেন যে ঘুমের মধ্যেও নাচের মুদ্রা ফুটে উঠত তার হাতে।

    তিন দশক পরে ‘নটী বিনোদিনী’র জীবনের গল্প আবার টালিউডের পর্দায় ফিরেছে এই ছবির মাধ্যমে। দীনেন গুপ্তর পর রামকমলই আবার তুলে ধরেন এই ঐতিহাসিক চরিত্রের গল্প—বঞ্চনার অধ্যায়, আত্মত্যাগ এবং সাংস্কৃতিক অবদান।

    রুক্মিণীর এই পরিশ্রম ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরূপ এবার মিলল মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। আর সেই সাফল্যে প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী রুক্মিণীর পাশে গর্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দেব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিনোদিনী’ চরিত্র নিয়ে রুক্মিণীর সঙ্গে তুলনা, ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন শুভশ্রী

    যখন থেকে টালিউড অভিনেত্রী শুভশ্রীর ‘লহ গৌরাঙ্গ নাম রে’ সিনেমায় বিনোদিনী চরিত্র করার খবর সামনে এসেছে, তখন থেকেই রীতিমতো উত্তাল টালিউড। অনেকেরই মত— ‘বিনোদিনী’র বায়োপিক করা অভিনেত্রী রুক্মিণীকে টেক্কা দিতেই নাকি এই পথে হেঁটেছেন সৃজিত-শুভশ্রী। তবে এবার মুখ খুললেন রাজপত্নী। 

    রুক্মিণীর সঙ্গে কম্পিটিশনের কথা হাওয়ায় উড়িয়ে সটান বলে বসলেন শুভশ্রী— ‘রুক্মিণী আমার থেকে অনেক জুনিয়র। মাত্র কিছু ছবিতে কাজ করেছে। ও নিশ্চয়ই খুব মন দিয়ে কাজটা করেছে। আমার দেখা হয়নি। আমার মনে হয় এই বিতর্কটা এখানেই শেষ হোক। আর রুক্মিণী নিয়ে (ভুল করে বিনোদিনী বলতে গিয়ে নাম নেন দেব-বান্ধবীর), সরি! বিনোদিনী নিয়ে লহ গৌরাঙ্গ নাম রে নয়, এটা তার থেকেও অনেক বড়।’

    রুক্মিণীর প্রেমিক দেবের সঙ্গে এক সময় প্রেমের গুঞ্জন ছিল শুভশ্রীর। রাজকে বিয়ে করে সেই সম্পর্কের ইতি টানেন টালিউড নায়িকা। আর রুক্মিণীর সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া করছেন দেব।

    দোলের দিন, ‘লহ গৌরাঙ্গ নাম রে’ সিনেমার কাস্ট রিভিল করেন পরিচালক সৃজিত ও প্রযোজক রানা। সেখানে শুভশ্রীকে বিনোদিনী নেওয়ার কারণ প্রসঙ্গে পরিচালক সৃজিত বলেন, ‘শুভশ্রীকে বিনোদিনী কাস্ট করা হয় ২০১৯ সালে। ওই আমার প্রথম পছন্দ ছিল। বিনোদিনীর একটি স্পেসিফিক গঠন দরকার ছিল। তারপর ও সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়ে। প্রেগন্যান্সির পর আমাদের চেষ্টা ছিল সেই গঠনে কত তাড়াতাড়ি চলে আসা যায়। সেটা কোনো কারণে হয়ে ওঠেনি। তিনি বলেন, ভাগ্যিস হয়নি, তাহলে আমার প্রথম পছন্দকে পেতাম না। আমি আমার প্রথম পছন্দকেই পাচ্ছি জগন্নাথের ইচ্ছায়। আমার চিন্তাভাবনায় শুভশ্রীর থেকে ভালো বিনোদিনী কেউ নেই।’

    এদিন বিনোদিনী বিতর্কে শুভশ্রী আরও বলেন, ‘বিনোদিনী নিয়ে এত বিতর্ক, দ্য ওজি সৃজিত মুখার্জিকেও শুনতে হচ্ছে, তিনি ইন্সপায়রড। সে হতেই পারে, যে কেউ ইন্সপিরেশন নিতে পারে। তাতে কেউ ছোট হয়ে যায়। আমার কাছে কবে অফার এসেছে তা হয়তো জানো না। তোরা দেখবে, বিনোদিনী রূপে অন্য একজনের লুক সামনে এসেছিল। এ ক্ষেত্রে তো উনি ইন্সপায়ারড নন। উনি একজন সিনিয়র মোস্ট ডিরেক্টর। ওর কাছ থেকে লোক ইন্সপিরেশন নিতেই পারে। উনি তাতে খুশিই হবেন। ২০২০-তে আমার কাছে অফার নিয়ে আসেন। তার আগে নিশ্চয়ই হয়ে গিয়েছিল রিসার্চ, স্ক্রিপ্ট ওয়ার্ক। তাই বিনোদিনী-বিনোদিনী তুলনাটা এখনই বন্ধ হয়ে যাক।’

    এর আগে শুভশ্রীর নতুন বিনোদিনী হওয়া প্রসঙ্গে দেবের কাছে প্রশ্ন রাখা হলে জবাব এসেছিল— আমার কাছে একটাই বিনোদিনী, যেটি মুক্তি পেয়েছে। অন্যটা আমি জানি না।’ অভিনেতার চোখেমুখে বিরক্তির ছাপ ছিল স্পষ্ট। যদিও শুভশ্রী বা সৃজিতের নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করেননি তিনি।

    এর আগে লহ গৌরাঙ্গ নাম রে-তে বিনোদিনী হিসেবে নাম সামনে এসেছিল প্রিয়াংকা সরকারের। কেন নায়িকা বাদ পড়লেন, সেই রহস্য অজানা। এ প্রসঙ্গে প্রযোজক রানা সরকার জানিয়েছিলেন, ‘প্রিয়াংকাকে তো শুধু লুক টেস্ট করা হয়েছিল। তবে এখন পরিচালকের মনে হয়েছে শুভশ্রী আরও ভালো বিনোদিনী হতে পারবেন।’ 

    ‘লহ গৌরাঙ্গ নাম রে’ সিনেমায় চৈতন্যদেবের চরিত্রে ধরা দেবেন দিব্যজ্যোতি দত্ত। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় থাকবেন নটী বিনোদিনীর চরিত্রে। ব্রাত্য বসু হবেন গিরিশ চন্দ্র ঘোষ, ইশা সাহাকে দেখা যাবে সমসাময়িক একটি চরিত্রে। যেমনটা পার্নো মিত্র ও  ইন্দ্রনীলকেও দেখা যাবে। সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এ সিনেমাটি বছরের শেষে অর্থাৎ শীতের ছুটিতে মুক্তি পেতে পারে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন রুক্মিণী, এখন কেমন আছেন?

    বেশ কিছু দিন আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন টালিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। জ্বর হয়েছিল তার। এদিন তিনি বাড়ি ফিরলেন হাসপাতাল থেকে। এখন কেমন আছেন অভিনেত্রী জানালেন সে কথা।

    এদিন দেবের প্রিয়তমা সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরি ও এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে নিজের স্বাস্থ্যের আপডেট দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বাড়ি ফিরেছেন।

    রুক্মিণী মৈত্র তার পোস্টে লিখেছেন—অবশেষে বাড়ি ফিরলাম। বিশ্রাম নিচ্ছি। ধন্যবাদ আপনাদের সবার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার জন্য। আমার জন্য এত চিন্তা করার জন্য ধন্যবাদ। এটা আমার কাছে এক পৃথিবী সমান। আশা করব, আমি শিগগিরই আবার ফিরে আসব। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমি যখন ‘আর’ দিয়ে রিকভারিতে মন দিয়েছি, তখন আপনারা দয়া করে ‘বি’ দিয়ে বিনোদিনীতে মন দিন। ফলে রুক্মিণী মৈত্র যে তার অসুস্থতার মধ্যেও ছবি ও ছবির ব্যবসা নিয়ে ভাবছেন, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    কিছু দিন আগে রুক্মিণী জানান যে তার জ্বর হয়েছে। সেই বিষয়ে আপডেট দিয়ে তিনি লিখেছেন— ১০২ জ্বরে আক্রান্ত গতকাল থেকে। কিন্তু আমার মনের জোর এখনো অদম্য। রুক্মিণীর ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু বিনোদিনীর সঙ্গে দেখা করে আসুন আপনার কাছের সিনেমা হলে। 

    এরপর দিনই জানা যায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি। হাতে চ্যানেল করা একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সঙ্গে লিখেছেন—হাল ছাড়ছি না। লড়াই চলছে।

    তার এই অসুস্থতার খবর পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন তার অনুরাগীরা। অভিনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন সবাই। এদিন তার বাড়ি ফেরার খবর পেয়ে সবাই আশ্বস্ত হলেন, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় আছেন রুক্মিণী মৈত্র। গুরমুখ রাইয়ের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে মীর আফসার আলিকে। কুমারের চরিত্রে আছেন ওম সাহানি। গিরিশ চন্দ্র ঘোষ হিসেবে ধরা দিয়েছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। এবং রাঙা বাবু হিসেবে আছেন রাহুল বসু। রামকৃষ্ণদেব হিসেবে আছেন চন্দন রায় সান্যাল। 

    উল্লেখ্য, ২৩ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রাম কমল মুখোপাধ্যায়। ছবির প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছে দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স লিমিটেড।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুক্মিণী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী: দেব

    রুক্মিণী মৈত্র ‘নটী বিনোদিনী’, ছবির নিবেদক, যৌথ প্রযোজক দেব। শনিবার সকালে নন্দন ৩ সভাগৃহ দুই অভিনেতার রসায়নের আরও এক বার সাক্ষী। এ দিন ছবির ঝলক মুক্তি পেল। এক ঝাঁক সাংবাদিকের সামনে অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে প্রযোজক-অভিনেতা বার্তা দিলেন, ‘এর আগে ছবির পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায় জাতীয় স্তরের পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু হিন্দি ছবির জন্য। এই ছবি দিয়ে বাংলা বিনোদন দুনিয়ায় পা রাখলেন তিনি। আমার বিশ্বাস, ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’ তাকে আরও একটি জাতীয় স্তরের পুরস্কার এনে দেবে।’ সঙ্গে এ-ও দাবি দেবের, ছবির নায়িকা রুক্মিণীই নাকি তার প্রতিদ্বন্দ্বী! একের পর এক বেড়া টপকে এগিয়ে যাচ্ছেন!

    দেবের ‘খাদান’-এর বিশাল সাফল্যের পরেই মুক্তি পাচ্ছে রুক্মিণীর ‘বিনোদিনী’। তাকে ঘিরে অভিনেতাদের বলয়। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় (গিরিশ ঘোষ), চান্দ্রেয়ী ঘোষ (গঙ্গাবাই) রাহুল বোস (রাঙাবাবু), মীর আফসার আলি (গুর্মুখ রায়), ওম সাহনি, রূপসা চট্টোপাধ্যায় এবং আরও অনেকে। সঙ্গিনীর সঙ্গে বাস্তবে দেবের টক-মিষ্টি-ঝাল সম্পর্ক। পর্দাতেও কি তার আঁচ পড়বে? ‘তুই বড় না মুই বড়’— এই দ্বন্দ্ব কি ফের শোরগোল ফেলবে সমাজমাধ্যম হয়ে সংবাদমাধ্যমে? চর্চা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। দেব এ দিন উদারচেতা। মন দিয়ে ‘হোমটাস্ক’ করে এসেছিলেন। নিজেই প্রসঙ্গ তুলে জবাব দিলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কী? শুরু হয়ে গিয়েছে। ‘বিনোদিনী’র প্রচার নাকি ‘খাদান’-এর মতো হচ্ছে না! নালিশ নায়িকার। ওর মধ্যে আমার ছায়া দেখতে পাই। একই রকম খিটখিটে, খুঁতখুঁতে।’ আরও দাবি, খুব অল্প সময়ে নায়িকা ‘বিনোদিনী’ চরিত্রে অভিনয় করছেন। দেব তাই হিংসে করেন তাকে।

    পাশে দাঁড়ানো রুক্মিণীর মুখে তৃপ্তির হাসি। এখানেই শেষ নয়। রাতে ঘুমের ঘোরে নাকি হাতে নাচের মুদ্রা ফুটিয়ে তোলেন— এ-ও জানেন দেব। বলে ফেলেই জিভ কেটেছেন। অকপটে শিকার করেছেন, ‘না না! ওর মা জানিয়েছেন। নইলে আমি কী করে জানব?’ দেবের ‘দেবী’র মুখ লজ্জায় লাল। যুগলের রসায়ন দেখে সাংবাদিকদের মুখেও খুশির হাসি। এর পরেই ঝলকমুক্তি। তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার অনলাইন

    বিনোদন ডেস্ক

  • চিরঞ্জিতের একাকিত্ব ছুঁয়েছে রুক্মিণীকে

    বর্তমান প্রজন্ম নাকি সম্পর্কের গভীরতায় ভয় পায়। সে কারণে বিয়ে করতে চান না। অথচ মা-বাবার একাকিত্ব তাদের বেঁধে রাখে। কি বলছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা চিরঞ্জিৎ।

    মেয়ের বাবা টালিউড অভিনেতা চিরঞ্জিত। কিন্তু ‘একাকি বাবা’ নন। ‘একা বাবা’র জীবন, তাই জানা ছিল না অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের। অভিনেত্রীর সম্প্রতি সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে পরিচালক অর্ণব মিদ্যার ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ ছবিতে। এ ছবিতে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের ‘একাকি বাবা’। বাবার একাকিত্ব যাকে ছুঁয়ে যায় প্রতি মুহূর্তে। সে কারণে বিয়ের পিঁড়িতেও বসতে রাজি নন তিনি।

    সদ্য ছবির শুটিং শেষ হয়েছে। পর্দায় ‘একাকি বাবা’র সফর কেমন ছিল? যোগাযোগ করে জানতে চেয়েছিল আনন্দবাজার অনলাইন। কারণ সাধারণত ‘একাকি মায়েরা’ বেশি চর্চিত। চিরঞ্জিৎ বলেন, মায়ের মতোই একা বাবার জীবন যথেষ্ট কষ্টের ও কঠিন। একা হাতে সন্তান প্রতিপালন সহজ নয়। একই ভাবে সঙ্গীহীন হয়ে বেঁচে থাকাও। যে কারণে বাবার ঘর থেকে মায়ের ছবি নিয়ে যাওয়ার পরও সেই ছবি মেয়ে আবার ফিরিয়ে দিয়ে যায়। বাবার জন্য মেয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতেও রাজি নয়।

    সমাজ একুশ শতকের মাঝামাঝি। তবু একা মা অথবা বাবা যদি দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা ভাবেন, অনেক ক্ষেত্রেই তাকে সমাজ কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। নারীর ক্ষেত্রে সেই দিকটি বেশি। একজন পুরুষ কি তুলনায় অনায়াসে সংসার বসাতে পারে? চরিত্র হয়ে উঠতে গিয়ে চিরঞ্জিৎ বুঝেছেন, তুলনায় সহজ। কারণ নারীর উপরে আরোপিত বাধানিষেধের পরিমাণ বেশি। পুরুষেরা সেই তুলনায় ছাড় পান। 

    অভিনেতা এ-ও জানিয়েছেন, তার মানে সব পুরুষ দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান, এমনও নয়। রুক্মিণীর পর্দার বাবা যেমন মেয়ের মুখ চেয়ে বিয়ে করেননি, যা মেয়ের মাথাব্যথার কারণ। তাই সে-ও বিয়ে করবে না। বাবা বিয়ে করতে রাজি হওয়ার পর ওই একই দিনে নিজের বিয়ে ঠিক করে সে-ও। চিরঞ্জিতের বিপরীতে দেখা যাবে অঞ্জনা বসুকে।

    বাঙালি যতই আধুনিক হোক, এখনো স্নেহ-মায়ায় জড়িয়ে থাকতে ভালোবাসে। এই ছবি করতে গিয়ে চিরঞ্জিতের কি মেয়েকে মনে পড়েছে? কিংবা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়-শ্রাবন্তী মজুমদারের গাওয়া গান ‘আয় খুকু আয়’?

    বিনোদন ডেস্ক