Tag: রাহুল গান্ধী

  • থালাপতি বিজয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মোদিকে রাহুল গান্ধীর কড়া বার্তা

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা ছিল তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ ছবি ‘জন নায়াগান’। তবে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সময়মতো ছাড়পত্র না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে ছবিটির মুক্তি আটকে যায়। এই ছবির পরই পূর্ণাঙ্গভাবে রাজনীতিতে যোগদানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বিজয়। 

    এবার শেষ মুহূর্তে বিজয়ের ছবি মুক্তি আটকে দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ‘জন নায়াগান’ মুক্তিতে বাধা দেওয়ার কেন্দ্রীয় প্রচেষ্টাকে তামিল সংস্কৃতির উপর আক্রমণ বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। 

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে লোকসভার এই বিরোধী দলনেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনোই তামিল জনগণের কণ্ঠস্বর দমনে সফল হবেন না। 

    রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে যখন তিনি নির্বাচনমুখী তামিলনাড়ু সফরে রয়েছেন। এ সময় অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে পা বাড়ানো বিজয়ের তামিল সিনেমা ‘জন নায়াগান’ ঘিরে চলমান বিতর্ক রাজ্যের রাজনীতিতে বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এক্সে দেওয়া পোস্টে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘জন নায়াগান ছবি বন্ধ করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টা তামিল সংস্কৃতির উপর আক্রমণের শামিল। মি. মোদী, আপনি তামিল জনগণের কণ্ঠস্বর দমন করতে কখনোই সফল হবেন না।’ 

    বিজয় সম্প্রতি নিজের রাজনৈতিক দল ‘তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম’ (টিভিকে) প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবেশের আগে তার শেষ ছবি হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারণায় থাকা ‘জন নায়াগান’র মুক্তির নির্ধারিত তারিখ ছিল ৯ জানুয়ারি। কিন্তু সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সময়মতো ছাড়পত্র না দেওয়ায় শেষ মুহূর্তে ছবিটির মুক্তি আটকে যায়। 

    গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি পি টি আশা সিবিএফসিকে ‘জন নায়াগান’-কে ছাড়পত্র দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ সেই আদেশে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি এম এম শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি জি আরুল মুরুগানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ একক বিচারকের রায়ের বিরুদ্ধে সিবিএফসি-র আপিল গ্রহণ করে এবং এর মুক্তি স্থগিত রাখে। 

    এর আগে, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কেভিএন প্রোডাকশনস এলএলপি সিবিএফসিকে সেন্সর সার্টিফিকেট ইস্যু করার নির্দেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলে বিচারপতি আশা সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন, বোর্ড একবার সার্টিফিকেট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে চেয়ারপারসনের নিকট সেটি পুনর্বিবেচনা কমিটির কাছে পাঠানোর কোনো ক্ষমতা নেই। এই আদেশের বিরুদ্ধে সিবিএফসি তাৎক্ষণিকভাবে আপিল করে। 

    আদালত বর্তমানে ছবি মুক্তির স্থগিতাদেশ বহাল রেখে সিনেমার প্রযোজককে নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার নিশানায় পড়েছেন রাহুল গান্ধী

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে ‘জিম’ ট্রেনারের সঙ্গে তুলনা করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। রাহুল নাকি সংসদে এসেও নিজের পেশির জোর দেখান বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    কঙ্গনা রানাউতের নিশানায় পড়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদের অন্দরে সরকার ও বিরোধীপক্ষের ধস্তাধস্তি থেকেই এর সূত্রপাত। এর জেরে সংসদের মধ্যেই বিজেপি সংসদ সদস্য প্রতাপচন্দ্র ষড়ঙ্গী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। 

    ষড়ঙ্গীর অভিযোগ, সংসদ ভবনের মকর দ্বারের সামনে তাকে ধাক্কা মেরেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এ কংগ্রেস নেতা। এ বিষয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি সংসদ সদস্য তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা।

    রাহুলকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করে কঙ্গনা বলেন, খুব লজ্জাজনক। আমাদের একজন সংসদ সদস্যের মাথায় আঘাত লেগেছে, সেলাইও পড়েছে। ওদের (কংগ্রেস) হিংসা আজ সংসদ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এমনকি রাহুলকে ‘জিম’-এর প্রশিক্ষকের সঙ্গে তুলনাও করেছেন কঙ্গনা।

    কঙ্গনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন— সংসদে বিজেপি সংসদ সদস্যদের ওপর রাহুল গান্ধী হামলা করেছেন। এ লোকটা সংসদে নিজের হাতের পেশি দেখাতে দেখাতে আসেন। যেন কোনো ‘জিম ট্রেনার’। এবার তো লোকজনকে ধাক্কা দিলেন, ঘুষিও মারলেন। রাহুল গান্ধীর কোনো সম্মান নেই।

    ঘটনার সূত্রপাত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অম্বেডকর-মন্তব্য থেকে। এ দিনের ঘটনায় মাথায় চোট পেয়েছেন ষড়ঙ্গী। সতীর্থ বিজেপি সংসদ সদস্য এবং লোকসভার কর্মীরা ধরাধরি করে বাইরে আনার পর ষড়ঙ্গীকে দেখতে আসেন রাহুল। তার পর আহত সংসদ সদস্যকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

    ষড়ঙ্গী বলেন, রাহুল গান্ধী এক সংসদ সদস্যকে ধাক্কা মারেন। তিনি আমার গায়ের ওপর পড়েন। ফলে আমি মাটিতে পড়ে যাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহুল গান্ধীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাইফ

    রাজনীতি নিয়ে খোলাখুলি মন্তব্য করতে বলিউড পাড়ায় তারকাদের খুব কমই দেখা যায়। তবে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বিজেপির টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে একাধিকবার রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। এমনকি বেশ কয়েকবার রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। তবে কঙ্গনার মতো করে এভাবে রাহুলকে নিয়ে তারকাদের তেমন কাউকে দেখা যায়। কিন্তু এবার দেখা গেল বলিউড নবাব সাইফ আলি খানকে প্রকাশ্যে রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করতে। যা নিয়ে রাজনীতি এবং বিনোদন দুনিয়ায় বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে।

    নিজের পরবর্তী ছবি ‘দেবরা পার্ট -১’ –এর প্রচারে সম্প্রতি সাইফ যোগ দেন ইন্ডিয়া টুডের কনক্লেভে। সেখানে অভিনেতাকে কোন ধরণের রাজনীতিবিদ পছন্দ করেন জিজ্ঞাসা করলে বলিউড নবাব জানান, আমি একজন সাহসী, সৎ রাজনীতিবিদ পছন্দ করি।

    এরপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, নরেন্দ্র মোদি, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাহুল গান্ধী—এদের মধ্যে কে সাহসী রাজনীতিবিদ? ভবিষ্যতে কে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনে করেন? এরই উত্তরে তৎক্ষণাৎ রাহুল গান্ধীর নাম নেন সাইফ। 

    সাইফ আলি খান বলেন, নরেন্দ্র মোদি, কেজরিওয়াল বা রাহুল গান্ধী, তারা প্রত্যেকেই সাহসী রাজনীতিক। তবে আমার মনে হয় রাহুল গান্ধী যা করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। একটা সময়ে মানুষ তারা নানা মন্তব্য কিংবা কাজ নিয়ে অসম্মান করে অনেক কটাক্ষ করেছে, তবে রাহুল যেভাবে কঠোর পরিশ্রম করে সেগুলোর পালটা জবাব দিয়েছেন, সেটা ভীষণ ইন্টারেস্টিং। 

    সাইফের এই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের অনেকেই এটিকে বলছেন, এটা রাহুল গান্ধীর হয়ে তারকা প্রচার।

    উল্লেখ্য, এর আগে ‘তাণ্ডব’ সিরিজে প্রধানমন্ত্রীর পদের উত্তরসূরির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন সাইফ আলি খান। সেই সিরিজে সাইফের চরিত্রের সঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর মিল খুঁজে পেয়েছিলেন অনেকেই। তবে তা নিয়ে কোনো দিনও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি সাইফ। তবে এবার প্রকাশ্যে রাহুলের প্রশংসা করলেন বলিউড নবাব।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১২ সালে সিমি গেরিওয়ালের এক চ্যাট শোয়ে এসে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ডেটে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন নবাব ঘরণী কারিনা কাপুর খান। যদিও তখনও সাইফের সঙ্গে বিয়ে হয়নি কারিনার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রাহুল গান্ধীর বোধবুদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কঙ্গনা 

    লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে একাধিকবার নিজের বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজিপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। সুযোগ পেলেই রাহুলকে নিশানা করে বসেন তিনি। এর আগে কঙ্গনা এক্সে (টুইটার) রাহুলের বিবৃত কার্টুন শেয়ার করেন। যার জন্য কঙ্গনার নামে ৪০ কোটি টাকার মানহানি মামলাও হয়েছে। তবে তাতে দমে যাননি এই অভিনেত্রী। এবার তিনি প্রশ্ন তুললেন রাহুল গান্ধীর বোধবুদ্ধি নিয়ে। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

    সম্প্রতি কঙ্গনা পরিচালিত ও অভিনীত ছবি ‘ইমারজেন্সি’ সিনেমাটি নিয়ে সাক্ষাৎকারের আয়োজন করা হয়েছিল। 

    মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদমাধ্যমের বিশেষ সেই সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে সঞ্চালকের এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার)। সেখানে অন্যান্য প্রশ্নের পাশাপাশি সঞ্চালক কঙ্গনাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনার কি মনে হয় এই ছবিটি রাহুল গান্ধীর পছন্দ হবে?

    এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে কিছুক্ষণ নীরব থাকেন কঙ্গনা। তবে এ সময় তার অভিব্যক্তি দেখেই হেসে ফেলেন উপস্থিত দর্শকরা। বোঝা যায়, ব্যঙ্গ বাণে বিদ্ধ করতে চলেছেন তিনি। এরপর কঙ্গনা বলেন, বাড়ি ফিরে যদি ‘টম অ্যান্ড জেরি’ দেখেন, তা হলে কী করে বুঝবেন? কঙ্গনার এই কথার নিশানায় কংগ্রেস সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধী। 

    আনন্দবাজার জানিয়েছে, কঙ্গনার ‘ইমারজেন্সি’ সিনেমাটি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জীবনীর ভিত্তিতে নির্মিত। এখানে ইন্দিরার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। চিত্রনাট্যও তারই লেখা। এ ছবিতে দেখা যাবে, অনুপম খের, মহিমা চৌধুরী, মিলিন্দ সোমন, শ্রেয়াস তলপড়ের মতো তাবড় অভিনেতাকে। ছবি মুক্তি ঘিরে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। সেই বিষয়েও অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, আপনার যদি মনে হয় বিষয়টা বিতর্কিত, তা হলে সেটা আপাতত গোপনই থাক। 

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন ধরেই রাহুলকে রাজনীতির ময়দানে ‘শিশু’ হিসাবে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী। তাকে ‘পাপ্পু’ বলেই সম্বোধন করে থাকেন বিজেপির নেতারা। কঙ্গনাও নানা সময়ে রাহুল গান্ধীকে খোঁচা দিয়ে কথা বলে থাকেন। 

    এদিকে কঙ্গনাই সম্প্রতি রাহুলকে ‘সব থেকে ভয়ংকর মানুষ’বলেও সম্বোধন করেছেন। অভিনেত্রী দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী না হতে পারলে দেশটাও ধ্বংস করে দিতে পারেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রাহুলকে মাদকসেবী বলে কটাক্ষ কঙ্গনার

    ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সোমবার সংসদে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ধরে বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার বক্তব্যে কখনও উঠে এসেছে ‘চক্রব্যূহ’ কখনও ‘পদ্মব্যূহ’-র মতো শব্দবন্ধ। কংগ্রেস নেতার ওই মন্তব্যে চটেছেন বলিউড অভিনেত্রী বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। ‘চক্রব্যূহ’ মন্তব্যে বিরক্ত কঙ্গনার দাবি, রাহুল মাদক সেবন করেন কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

    কঙ্গনা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, তিনি (রাহুল) যেভাবে সংসদে আসেন, যেভাবে কথা বলেন; আমার তো মনে হয়, তিনি মাদক সেবন করেন। এটি যাচাই করে দেখা দরকার। আমি নতুন সংসদ সদস্য। কিন্তু যা দেখলাম, তাতে আমি স্তম্ভিত। তিনি মদ্যপান করে সংসদে আসছেন, না কি মাদক সেবন করে আসছেন, তা যাচাই করে দেখা দরকার।

    উল্লেখ্য, গত সোমবার লোকসভায় রাহুলের একের পর এক আক্রমণে বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল বিজেপি শিবিরকে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে যেভাবে চক্রব্যূহ রচনা করে অভিমন্যুকে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক সেরকম একটি চক্রব্যূহ বর্তমান সময়েও রচনা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন রাহুল। পদ্মের আকারের সামরিক গঠনের কারণে চক্রব্যূহের অপর নাম ‘পদ্মব্যূহ’ সে কথা মনে করিয়ে বিরোধী দলের এ নেতা বলেছিলেন, একবিংশ শতাব্দীতে আরও একটি চক্রব্যূহ তৈরি হয়েছে। সেটিও পদ্মফুলের আকারে। যার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী বুকে ধারণ করেন।

    এবারের লোকসভায় বিরোধীদের অবস্থান আরও মজবুত হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর মেলেনি বিজেপির। কেন্দ্রে তৈরি হয়েছে জোট-নির্ভর সরকার। এমন অবস্থায় লোকসভায় রাহুলের একের পর এক আক্রমণে অস্বস্তিতে পদ্মশিবির। লোকসভায় রাহুলের বক্তৃতার পর থেকেই বিজেপির একাধিক নেতা, সাংসদ পাল্টা দিতে শুরু করেছেন। তাতে এ বার নতুন সংযোজন কঙ্গনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহুল গান্ধীকে বিয়ে করতে চান শার্লিন চোপড়া!

    বলিউডের আলোচিত ও বিতর্কিত অভিনেত্রী শার্লিন চোপড়া। এবার ভারতের কংগ্রেস পার্টির নেতা রাহুল গান্ধীকে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে রাহুলকে বিয়ে করার জন্য দিয়েছেন শর্ত। 

    সম্প্রতি সাংসদ পদ হারানোর পরে ফের সেই আসন ফিরে পেয়েছেন রাহুল গান্ধী। এর পরই নিয়মিত বিভিন্ন কারণে সংবাদের শিরোনাম হচ্ছেন তিনি। 

    এরই মধ্যে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় একটি কালো মিনি স্কার্ট সঙ্গে হালকা গোলাপী স্লিভলেস টপে সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়েছিলেন শার্লিন। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি কি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে বিয়ে করতে রাজি হবেন?’

    আরও পড়ুন:

    এর জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি অবশ্যই বিয়ে করতে চাই রাহুল গান্ধীকে। তবে এক্ষেত্রে আমার একটি শর্ত রয়েছে। শর্তটি হচ্ছে- বিয়ের পর কোনো পদবী পরিবর্তন করা যাবে না।’

    শার্লিনের এমন মন্তব্য ও শর্ত সাংবাদিকদেরও খুব বেশি অবাক করেনি। কারণ প্রায়সময়ই বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে আলোচনায় থাকতে পছন্দ করেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম কিছু করেননি। 

    প্রসঙ্গত, একতা কাপুরের হাত ধরে ফের পর্দায় ফিরছেন শার্লিন। অভিনেত্রী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর মাঝে কিডনীর জটিলতার কারণে অভিনয় থেকে সরে গিয়েছিলেন তিনি। 

    নিজের অসুস্থতা থেকে সেড়ে ওঠেই ফের অভিনয়ে ফিরতে চলেছেন এই অভিনেত্রী। নতুন ওয়েব সিরিজ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে হাজির হয়েই রাহুল গান্ধীর প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন শার্লিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহুল সম্পর্কে যা বললেন দিব্যা

    বাবার মৃত্যুর পর একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। শুধু মুষড়ে পড়াই নয়, বার বারই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও ঘিরে ধরেছিল তাকে। তবে সেই ভাবনা থেকে তাকে সরে আসতে সহযোগিতা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন কন্নড় অভিনেত্রী দিব্যা স্পন্দনা।

    rnrn

    টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, কীভাবে তিনি নিজের মনের সঙ্গে লড়াই চালিয়েছেন, কীভাবে তার দিনগুলি কেটেছে, আর কীভাবেই বা সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছেন, সাক্ষাৎকারে তা খোলসা করেছেন ভারতীয় লোকসভার সাবেক সংসদ সদস্য দিব্যা স্পন্দনা। 

    rnrn

    কংগ্রেসের এ মুখপাত্র বলেন, বাবার মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পর সংসদে গিয়েছিলাম। তখনও শোকের মুহূর্ত কাটিয়ে উঠতে পারিনি। সংসদে কী হচ্ছিল, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

    rnrn

    কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য আরও জানান, বাবার মৃত্যুর শোক এমনভাবে ঘিরে ধরেছিল যে, তিনি কাজে মন বসাতে পারছিলেন না। তার ওপর আবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন। একে তো বাবার মৃত্যু, তার ওপর নির্বাচনে হার- একসঙ্গে দুই ধাক্কা মানসিক অশান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তখন মনে হচ্ছিল, আত্মহত্যাই একমাত্র পথ। 

    rnrn

    সেই পথই যখন বেছে নেওয়ার পথে হাঁটছিলেন, ঠিক সেই সময়েই তার পাশে এসে দাঁড়ান রাহুল গান্ধী। তাকে মানসিকভাবে যথেষ্ট সহযোগিতা ও শক্তি যোগান। আত্মহত্যার চিন্তাভাবনার পথ থেকে সরিয়ে নিয়ে এসেছিলেন তিনি, বলেন দক্ষিণী নায়িকা। 

    rnrn

    স্পন্দনা বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে যাদের, তারা  হলেন আমার মা, তার পর বাবা এবং তৃতীয় জন রাহুল গান্ধী। কন্নড় অভিনেত্রীর দাবি, রাহুল যদি সেদিন তার পাশে এসে না দাঁড়াতেন, তা হলে অনেক কিছু ঘটে যেতে পারতো।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে যুব কংগ্রেসে যোগ দেন স্পন্দনা। কর্নাটকের মান্ড্য থেকে ২০১৩ সালের উপনির্বাচনে জিতে সংসদ সদস্য হন। কংগ্রেসের সমাজমাধ্যম সেলের প্রধান ছিলেন স্পন্দনা। পরে ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। গত বছর আবার অভিনয়ে ফেরার কথাও ঘোষণা করেছিলেন দিব্যা।

    বিনোদন ডেস্ক