Tag: রাজনৈতিক

  • নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে যে বার্তা দিলেন সোহেল রানা

    ঢালিউডের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন প্রযোজক ও পরিচালক ছিলেন। বর্তমানে তিনি অভিনয়  থেকে দূরে আছেন। তবে অভিনয়ে নাম লেখানোর আগেই রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছিলেন এ ড্যাশিং হিরো। 

    পরে সিনেমায় নিয়মিত হলে রাজনীতিতে অনিয়মিত হয়ে পড়েন সোহেল রানা। কয়েক বছর অভিনয়ে অনিয়মিত হতেই ফের সরব হন রাজনীতিতে। দীর্ঘ সময় সোহেল রানা সক্রিয় ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে। 

    ছাত্রজীবনে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে পড়ার সময় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। ১৯৬৫ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সহকারী সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৮ সালে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরে যোগ দেন জাতীয় পার্টিতে। একসময় জাতীয় পার্টিও ত্যাগ করেন এ অভিনেতা।

    সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন নতুন রাজনৈতিক দলের। প্রাথমিকভাবে দলটির নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলাদেশ ইনসাফ পার্টি’ (বিআইপি), যাদের লোগোতে শোভা পেয়েছে শান্তির প্রতীক পায়রা। গত ৩ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে বর্ষীয়ান এ অভিনেতার সভাপতিত্বে দল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই রাজনীতিতে সোহেল রানার পদার্পণ নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এরই মধ্যে ভক্তদের সতর্কবার্তা দিলেন অভিনেতা। জানালেন তার নাম ব্যবহার করে একধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে। যেটির সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট নন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে একটি পোস্ট করেন এ বর্ষীয়ান অভিনেতা। সেখানে তিনি লিখেছেন— আমাকে প্রধান অতিথি করে একটি নতুন পার্টি আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে, এ ধরনের একটি দাওয়াত নেওয়া অনেকের কাছে পৌঁছেছে। আমি তাদের সবার জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই— এমন কোনো দাওয়াত আমি গ্রহণ করিনি অথবা ওই পার্টির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অনেকেই হয়তো ভুল বুঝতে পারেন, সে কারণে সবাইকে জানান দেওয়া।

    এক ভক্ত লিখেছেন— ধন্যবাদ ভাইয়া, অনেক পোস্ট হয়েছে আমিও দেখেছি, কিন্তু আপনার আইডি থেকে পোস্ট হয়নি তাই সেটি ভুয়া। অন্য আরেক ভক্ত লিখেছেন— আপনি একজন সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা। আপনাকে সালাম। ডোরাকাটা দাগ দেখে বাঘ চিনা যায়।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ সিনেমার প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন সোহেল রানা। সেই সিনেমার শুটিংয়ে অরিজিনাল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এ অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রোডাকশন ম্যানেজার থেকে সবজি বিক্রেতা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। 

    আজ দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে অনেক কিছুই বদলে গেছে। যার প্রভাব পড়েছে বিনোদন জগতেও। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রায় বন্ধ ছিল সব ধরনের শুটিং। যার ফলে অনেকেই হয়েছেন বেকার। এর মধ্যে রিপন হাওলাদার একজন। এ মুহূর্তে সংসার চালাতে ঢাকার উত্তরা এলাকায় ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করেন তিনি। 

    এক সময় চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন রিপন। তবে এখন শুটিং না থাকায় জীবিকা নির্বাহের জন্য সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।

    রিপন বলেন, ২৫ বছর ধরে মিডিয়ায় কাজ করছি। কোনো দিনও ভাবিনি, জীবনে এই দুঃসময় আসবে, বেকার হয়ে যাব! পরিবার নিয়ে অভাব–অনটনে থাকতে হচ্ছে। প্রোডাকশন ম্যানেজারদের কোনো স্বীকৃতি নেই। দেখার কেউ নেই। এখন হকারও বেড়েছে। এখানেও টিকে থাকা কঠিন।

    রিপন ছাড়াও প্রোডাকশন ম্যানেজার কামরুল বলেন, চার সন্তান নিয়ে এখনো আমাকে সংগ্রাম করতে হয়। কল্পনাও করিনি এমন জীবনযাপন করতে হবে। খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছি।

    প্রোডাকশন ম্যানেজার আবদুল বলেন, করোনার সময়ের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি। তখন অনেকেই সহায়তা করেছে। বাচ্চার দুধ কিনেছি। নিজেরা ডালভাত খেয়েছি। কিন্তু এখন এমন অবস্থা— দুঃখের কথা শোনার মতো কেউ নেই। 

    এদিকে প্রোডাকশন ম্যানেজার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের তথ্যমতে, তাদের সদস্য ২৫০ জন। তবে ঘুরেফিরে ২০-৩০ জনের কাজ রয়েছে। বাকিদের বেশিরভাগই এখন বেকার। সংসার চালানোর জন্য তারা কেউ চা-পান, কেউ তরিতরকারি বিক্রি, আবার কেউ ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালানোসহ নানা পেশায় যুক্ত হয়েছেন।

    প্রোডাকশন ম্যানেজার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. আবু জাফর বলেন, সংগঠনের ৮০ শতাংশের বেশি সদস্য বেকার। জুলাই থেকে একেবারেই কাজ নেই। সব সেক্টর ভালোভাবে চললেও প্রোডাকশন টিম এখনো পুরোপুরি শুটিংয়ে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • তারকাদের রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে ফেসবুক লাইভে যা বললেন সোহিনী

    ভারতে বিজেপি বা তৃণমূল- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেই তারকারা রয়েছেন। তারকাদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নতুন কিছু নয়। তবে কোনো শিল্পীর রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ফেসবুক লাইভে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিনেত্রী সোহিনী।

    rnrn

    সোহিনী বলেন, আমার মতে- কোনো শিল্পী যেকোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করতেই পারেন কিন্তু কোনো পদে যেতে পারেন না। কোনো শিল্পীর এই ২০২৪ সালে কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা উচিতই নয়। পদ আর ক্ষমতা পেয়ে গেলে কেউই আর ঠিক থাকেন না। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমার ওপরে যিনি রয়েছেন তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত হলে তার মতো করেই আমাকে কাজ করতে হবে। গদিতে এমন মোহমায়া রয়েছে, যে মানুষকে আর মানুষ থাকতে দেয় না। 

    rnrn

    কোনো শিল্পীর রাজনৈতিক চেতনা থাকতেই পারে; কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো শিল্পীর পদে যাওয়াকে বিশ্বাস করি না। কেউ গেলেও তার বিরোধিতা করি।

    rnrn

    ভারতে আর জি কর কাণ্ডে এক মেয়ে চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সাধারণ জনগণের পাশাপাশি তারকারাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অভিনেত্রী সোহিনী সরকার রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছেন। এবার ফেসবুক লাইভে এলেন শিল্পীদের রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে।

    rnrn

    আগামী সেপ্টেম্বরের ‘মহামিছিল’-এর ১১ দফা দাবির কথাও জানিয়েছেন তিনি। ‘আমরা তিলোত্তমা, আমাদের দাবি’ শীর্ষক একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

    rnrn

    গত ১৩ আগস্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার আর জি কর কাণ্ডে তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এ ঘটনা সংক্রান্ত তথ্যের খোঁজে এখনো পর্যন্ত একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। 

    rnrn

    বেশ কয়েকজনের পলিগ্রাফ টেস্টও হয়েছে। তবে তদন্ত নেওয়ার পর নতুন করে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করেনি সিবিআই। কবে তরুণী চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের রহস্যের জট খুলবে? কবে সুবিচার পাবেন সদ্য সন্তানহারা বাবা-মা?

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চান হিরো আলম!

    উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার উত্তাপ ছড়িয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, আগামীতেও সংসদ নির্বাচন করতে চান তিনি।

    উপনির্বাচনে হিরো আলমের অংশ নেওয়া নিয়ে বাক্য বিনিমিয় চলেছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যেও। এতে যোগ দিয়েছেন হিরো আলম নিজেও।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিরো আলমের অনুসারীদের অনেকের মধ্যেই আবার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, আগামীতে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি-না।

    জবাবে হিরো আলম জানান, কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান নয়, ভবিষ্যতে নিজেই নতুন দল গঠনের ইচ্ছা রয়েছে তার। 

    এখন যেসব রাজনৈতিক দল আছে, সব একই রকমভাবে চলছে উল্লেখ করে তিনি বলছেন, নতুন দল করলে সেখানে পরিবর্তন আনতে চান তিনি। দিতে চান নতুন কিছু।

    জার্মানিভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এক টকশোতে অংশ নিয়ে শুক্রবার রাতে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাজনীতির সংস্কৃতি ও হিরো আলম শিরোনামের টকশোতে উপস্থাপক ডয়েচে ভেলে বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীন হিরো আলমের কাছে জানতে চান, হিরো আলমের রাজনৈতিক লক্ষ্য কী? কোনো জোটে বা রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি-না? সরকার বা বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কেউ কোনো যোগাযোগ করেছেন কিনা?

    জবাবে হিরো আলম বলেন, আমি সব সময় জনসেবা করা পছন্দ করি। সেই উদ্দেশ্য থেকেই রাজনীতি করা। ভোটের আগে বা পরে বড় কোনো রাজনৈতিক দল এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি। কোনো দলে যোগ দিব কি-না, এখন পর্যন্ত ঠিক করিনি।

    নিজের কোনো নতুন রাজনৈতিক দল করবেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, সবারই স্বপ্ন থাকে দল করার। আমারও নতুন দল করার ইচ্ছা আছে। আমি দল করলে নতুন কিছু নিয়ে আসব। কোনো হিংসা থাকবে না, বিবাদ থাকবে না, সুষ্ঠুমতো ভোট হবে। যার যাকে ভালো লাগবে, তাঁকে ভোট দিবেন। সমাজের জন্য কাজ করবেন।

    তিনি বলেন, নতুন দল করলে পরিবর্তন কিছু নিয়ে আসব। রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। সমাজ পাল্টাতে হবে। দলের কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এখন যেসব রাজনৈতিক দল আছে, সব একই রকমভাবে চলছে। যারা চালাচ্ছেন, একই রকমভাবে চালাচ্ছেন। যিনি ক্ষমতায় আছেন, তার বাবাও আছে, বাবা গেলে ছেলে আছে। তারা কিন্তু দলে আসন ছাড়ছেন না। এতে দলে এবং দেশে কোনো পরিবর্তন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের পরিবর্তন করতে গেলে নতুনদের পদ ছেড়ে দিতে হবে। পরিবর্তন আনার জন্য নতুনদের সুযোগ দিতে হবে।

    আপনার মধ্যে কী এমন গুণ আছে যে মানুষ অন্যদের বাদ দিয়ে আপনাকে বেছে নেবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে হিরো আলম বলেন, আমি সৎ পথে চলি, মানুষের পাশে দাঁড়াই, সহযোগিতা করি। মানুষ এখন ক্যাডার চায় না, সুখে–দুঃখে মানুষের পাশে থাকবেন, এমন মানুষ চায়।

    অনুষ্ঠানের অপর আলোচক ছিলেন ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেন, বগুড়া-৪ উপ-নির্বাচনে  বিএনপি কূটচালে হিরো আলমকে ভোট দিয়ে জেতানোর চেষ্টা করেছে। বিএনপির নির্দেশে নেতা-কর্মীরা হিরো আলমের পক্ষে কাজ করেছেন  বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, “বিএনপির একজন নেতা-কর্মী তাকে সহযোগিতা করেছেন, এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে আর কোনো দিন ভোট করব না। আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব দলের লোকজনই আমাকে ভোট দিয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (একতারা প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। এর মধ্যে বগুড়া-৪ আসনে ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিমের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বগুড়া-৬ আসনে জামানত হারান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক