Tag: রক্ত

  • ‘যখন রক্তের বন্যা বইছিল তখন আপনার মানবতা কোথায় ছিল’ জয়াকে ভক্তের প্রশ্ন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে গণহত্যার সময় চুপ ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সরকার পতনের ১৭ দিন পর দেশের চলমান বন্যা ইস্যুতে কথা বলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্যার্তদের সাহায্যে পোস্ট দিতেই তোপের মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী।

    rnrn

    জয়ার উদ্দেশে চৌধুরী ইয়াসিন আরাফাত নামে এক ভক্ত লেখেন, রক্তের বন্যা যখন বইছিল তখন আপনার মানবতা কোথায় ছিল?

    rnrn

    জাকারিয়া মাসুদ মুন্না নামে একজন লেখেন, ‘একজন ভারতীয় এজেন্ট যিনি সর্বদা বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের চেয়ে ভারতীয় রাস্তার কুকুর নিয়ে বেশি চিন্তিত। এখন বন্যা দুর্গতদের মানবতা দেখানোর চেষ্টা করছেন। এটা কতটা হাস্যকর’।

    rnrn

    হাবিব রহমান লিখেছেন, আপনি তো নিজেই ভারতীয় দালাল! তাই এসব নাটক বন্ধ করেন। 

    rnrn

    প্রিন্স তুহিন লিখেছেন, ‘আপা আপনি ভারতে গিয়ে আরও ছবি করেন, গান করেন, নাচ করেন। দেশ নিয়ে না ভাবলেও চলবে। আপনারা এ দেশে জন্ম নিয়ে সারাজীবন এ দেশের বিরুদ্ধে গেছেন, রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে গেছেন। তাই আপনাকে এ সময়ে প্রয়োজন নেই’।

    rnrn

    রাকিব হাসান লিখেছেন, ‘আপনি না বললেও এ দেশর মানুষ এ দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াবে। আপনি গর্তে ছিলেন, গর্তেই থাকেন’।

    rnrn

    কেএইচ রাতুল লিখেছেন, ‘আপনার মতো নারী দেশকে নিয়ে চিন্তা না করলেও হবে, আমার সোনার বাংলা ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবে। আপনারা যে ভারতের দালাল, এটা বাংলার মানুষ ভালো করে জানে। নাটক কম করো প্রিয়।’

    rnrn

    জাবিন তাসনিম খান লিখেছেন, এখন বিজ্ঞাপন দিতে আসছে, এখানেও টাকা কামানোর ধান্ধা।

    rnrn

    তারেক মাহমুদ লিখেছেন, ‘আপনার প্রিয় ভারতের কারণে এ বিপর্যয়। এটা বলার সাহস নেই অথচ দরদ কুড়ানো মার্কা পোস্ট দিচ্ছেন’।

    rnrn

    নজরুল ইসলাম বাবু লিখেছেন, ‘তারপরও তো ভারত গিয়েই নিজেকে বিলিয়ে দেন’।

    rnrn

    শাকিল আলম অরন্য বলেন, ‘তারপরও ভারতের দালালি করো তোমরা’।

    rnrn

    আকিব ইফরান বলেন, ‘বন্যাকে ঢাল বানিয়ে দীর্ঘদিন গর্তে থাকা অমানুষেরা বের হচ্ছে, কুমিরের কান্না শুরু’!

    rnrn

    ইথার নামে একজন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ এবং ছাত্রদের কাছে আগে ক্ষমা চেয়ে নেন, পরে এগুলো করতে আইসেন প্লিজ। আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই পরামর্শটা দিলাম, ক্ষমা চান করজোড়ে।’

    rnrn

    হাসান মাহমুদ লিখেছেন, ‘কত টাকা খাইছেন এসব ফাউন্ডেশন বিজনেসকে প্রমোট করতে? আপনারা টাকা ছাড়া কিছু করেন এখন আর বিশ্বাস হয় না। আমার দুই চাচা এইখানকার দুই কোম্পানিতে আছে, খোঁজ নিতে বেশি টাইম লাগবে না’।

    rnrn

    প্রিয়া সেন বলেছেন, ‘এতদিন আইডি ডি-অ্যাক্টিভ রেখে সময় ও সুযোগ বুঝে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে গেছেন কতিপয় কোম্পানির! সুযোগের সদ্ব্যবহার! সেই তো আবার আমাদের কলকাতায় এসে পড়ে থাকবেন। দেখলেন হাসিনার দালালি করে লাভ হলো না। শেষ স্ট্যাটাস ডিলিট করলেন কেন? মানুষের গালি শুনে? এ আন্দোলনে আপনার ভূমিকা কী? কোনো স্ট্যাটাস প্রসব করেননি বা উপস্থিত হননি। এখন বন্যার্ত যারা আছেন তাদের আপনি না বললেও সবাই স্বতঃস্ফূর্ত সাহায্য করছেন। সুবিধাবাদী অভিনেত্রী কুমিরের ক্রন্দন করতে এসেছেন’।

    rnrn

    কাইফ হাসান লিখেছেন, ‘আপনার বিবেক জাগ্রত হয়েছে তাতেই আমরা খুশি। এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল, তখন আপনাদের বিবেক মৃত ছিল সেটাই আমাদের দুঃখের জায়গা। আপনারা ছিলেন অবৈধ খুনি হাসিনার ভোট চুরির ব্র্যান্ড প্রমোটার। আপনাদের আমরা ভালোবেসে প্রতারিত হয়েছি। আপনাদের কাছে কুকুরের জীবনের মূল্য যতটা, মানুষের মূল্য ঠিক ততটাই নগন্য। আপনাদের এ দেশের মানুষ ভালোবাসে আর আপনারা একটা দলের হয়ে ব্র্যান্ড প্রমোটিং করেন। অথচ আপনাদের হওয়ার কথা ছিল প্রতিটা মানুষের ভালোবাসার পাত্রী। হয় তো জনগণ আপনাদের এই ধোঁকা ধরতে পেরেছে। তাই আপনাদের এত সহজে ক্ষমা করবে না। লিখেছেন সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু ভারত এ পানিটা দেশে ছেড়ে মানুষগুলোকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে সেই কথাটা বলেননি। আসলে আপনারা জন্মগতভাবেই বৈষম্য তৈরি করে রেখেছেন। সত্যিই আপনাকে ভালোবাসি কিন্তু আপনি জঘন্য কাজ জাতির সঙ্গে করেছেন এতে ভালোবাসাটা ক্ষীণ হয়ে আসছে। আশা করি, কমেন্ট এবার ডিলিট করবেন না। জাতির জানা উচিত আপনারা কতটা আওয়ামী লীগ ছিলেন।

    rnrn

    এসএ আখতার লিখেছেন, প্রথমত আপনি এবং চঞ্চল চৌধুরী ভারতীয় দালাল গোলাম, বাংলাদেশের শত্রু, আপনি শেখ হাসিনার দালাল।

    rnrn

    শায়ের রহমান লিখেছেন, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, জয়া এবং চঞ্চলকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হোক।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ‘মাথার ঘাম নয়, রীতিমতো রক্ত ঝরিয়েছে শ্রাবন্তী’

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের শুভ জন্মদিন ছিল গতকাল ১৩ আগস্ট। বিনোদন জগতের অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদের মধ্যে অনেক অনেক শুভচ্ছা জানিয়েছেন ‘দেবী চৌধুরানী’ সিনেমার পরিচালক। আলাদা করে ওকে এটাই বলতে চেয়েছেন শুভ্রজিৎ মিত্র— জীবনে আরও উন্নতি কর। এক উজ্জ্বল সত্তা হিসেবে বিরাজ করে তুমি এই বছরটাকে বিশ্বে স্মরণীয় করে রাখো। 

    শ্রাবন্তীর জন্মদিন নিয়ে পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র এখানেই শেষ করেননি। আরও অনেক কথাই বলেছেন তিনি। তার এ কথামালা তুলে ধরেছে আনন্দবাজার।

    শ্রাবন্তীর চট্টোপাধ্যায়ের ডাক নাম গিন্টু। এই গিন্টুর জন্মদিনে আমি শহরে নেই। এ মুহূর্তে আমি দিল্লিতে রয়েছি। ওর সঙ্গে আমার প্রথম আলাপ হয় প্রায় বছর আগে। কোনো একটা কাজের সূত্রেই আমাদের দেখা হয়। তার পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব হয়। জন্মদিনে ওকে নিয়ে নানা স্মৃতিই মাথায় ভিড় করে আসছে।

    গিন্টু খুব শক্তিশালী অভিনেত্রী। আমার মতে, ওকে এখনো সেভাবে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে এক্সপ্লোর করা হয়নি। মেকআপ ছাড়া ওর মতো সুন্দরী অভিনেত্রী আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে খুব কমই আছে। আমার পরিচালনায় ‘দেবী চৌধুরানী’ ছবিতে নামভূমিকায় ও অভিনয় করেছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বর্ণনার সঙ্গে গিন্টুর লুক একেবারে মিলে যায়। তার থেকেও বড় কথা— ওর লুকের মধ্যে একটা বাঙালিয়ানা রয়েছে, যেটা এই চরিত্রের অন্যতম শর্ত ছিল। সেই ভাবনা থেকেই এই ছবিতে ওকে নির্বাচন করি। 

    তিনি বলেন, শুটিংয়ের আগে ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির একাধিক অভিনেত্রী এ চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগও করেছিল। সত্যি বলছি— যে ভাবনা থেকে আমি গিন্টুকে বেছে নিই, তার থেকেও আরও বেশি কিছু দিয়েছে।

    কাজের প্রতি গিন্টুর নিষ্ঠা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। দেবী চৌধুরানী হয়ে উঠতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গিন্টু পরিশ্রম করেছে। তলোয়ার চালানো শেখা থেকে শুরু করে অ্যাকশনের তালিম— সবই নিয়েছে। শুরু থেকেই ওর এই সফরের আমি অংশ ছিলাম। বলা যায়, পর্দার বাইরে আমিই যেন তখন ভবানী পাঠক হয়ে উঠেছিলাম। শুটিংয়ে একাধিকবার চোট-আঘাত পেয়েছিল গিন্টু। মাথার ঘাম নয়, রীতিমতো রক্ত ঝরিয়ে অভিনয় করেছে! তীর ছুড়তে গিয়ে ধনুকের ছিলায় আঙুল কেটে গেছে। আঙুলে ব্যান্ডেজ। সেই অবস্থায় একের পর এক শট দিয়েছে গিন্টু। হামাগুঁড়ি দেওয়ার দৃশ্যে হাঁটু ধারালো নুড়ি-পাথরে ক্ষতবিক্ষত! তার পরও শট দিয়েছে। পরিচালক হিসেবে এর থেকে বেশি আমি ওর কাছে আর কী-ই বা দাবি করতে পারি!

    ‘দেবী চৌধুরানী’ সিনেমা করতে গিয়ে গিন্টুকে আমি যেভাবে দেখেছি, তা ওর প্রতি আমার বিশ্বাসকে আরও পাকা করেছে। আমার পরবর্তী ছবি ‘কালমৃগয়া’তে-ও স্বাভাবিকভাবেই গিন্টুকেই বেছে নিয়েছি। আপাতত আমি শহরে ফিরলে ওর সঙ্গে ‘দেবী চৌধুরানী’র ডাবিং শুরু করব।

    তিনি বলেন, জন্মদিনে গিন্টুকে অনেক অনেক শুভচ্ছা। আলাদা করে ওকে এটাই বলতে চাই— জীবনে আরও উন্নতি কর। এক উজ্জ্বল সত্তা হিসেবে বিরাজ করে তুমি এই বছরটাকে বিশ্বে স্মরণীয় করে রাখো। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জানা গেল পরীমণির বিছানায় রক্তের কারণ

    ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনির সঙ্গে নায়ক শরীফুল রাজের সম্পর্ক তলানিতে পৌছেছে। দুজন এখন কারো ছায়া মাড়াতে চাচ্ছেন না। 

    rnrn

    সংসার করবেন না—এমন সিদ্ধান্ত নিয়েই রাজের বাসা থেকে রাতের আঁধারে বেরিয়ে গেছেন পরীমনি। দুজনের পথ এখন ভিন্ন। 

    rnrn

    রাজও জানিয়ে দিয়েছেন পরীর সঙ্গে তার আর বনিবনা হবে না। তাদের সংসার আর জোড়া লাগবে না।

    rnrn

    ১ জানুয়ারি বছরের প্রথম দিনই ফেসবুকে রক্তাক্ত দাগের বিছানার ছবি পোস্ট করেন, যা নিয়ে হইচই পড়ে যায় দেশের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে। সংসার ভাঙার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। একই দিন অন্য স্ট্যাটাসে পরী তার ওপর গায়ে হাত তোলার মতো অভিযোগও করেন স্বামী রাজের বিরুদ্ধে।

    rnrn

    ঘটনার বিস্তারিত না জানিয়ে পরীমণি ছবি দুটির ক্যাপশনে লেখেন, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার। প্রেস কনফারেন্স টুমরো…লোডিং’। যদিও পরী এখনও সেই প্রেস কনফারেন্স করেননি। 

    rnrn

    এ থেকে ধারণা করা হয়, রাজের সঙ্গে তার হাতাহাতি থেকেই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে শেষ পর্যন্ত জানা গেলো সেই রক্ত ঝরার কারণ।

    rnrn

    রাজ-পরীর বসুন্ধরার বাসার কেয়ারটেকার জানিয়েছেন নতুন তথ্য।  সংবাদকর্মীদের তিনি বলছেন, ‘পরীমণি যে রক্তের কথা বলছেন, সেটা আদতে অ্যাকুরিয়াম ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

    rnrn

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পরীর বেডরুমে রক্তমাখা বালিশের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ‘অনেকে ভেবেছেন, রাজ পরীমণিকে মেরে রক্তাক্ত করেছেন; বিষয়টি তা নয়। অ্যাকুয়ারিয়াম রাখতে গিয়ে রক্তারক্তি হয়েছে। রাজ নিজেই অ্যাকুয়ারিয়াম সরাচ্ছিলেন। সেটি পড়ে ভেঙে রাজের হাত কেটে গেছে। ওই সময় রাজ্যও তো পাশে ছিল’। 

    rnrn

    পরী-রাজের সংসারের বিষয়ে তিনি বলেন. ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই যেমন ঝগড়া হয়, এটি তেমনই। অনেক মিলতালও দেখি তাদের মধ্যে। হঠাৎ করে কী যে হলো, বুঝতে পারলাম না! এই বাসায় মিডিয়াকর্মী প্রবেশে বেশ কড়াকড়ি। এ কারণে বাসায় মিডিয়ার মানুষ আসছেন না’।

    rnrn

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালে নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় পরীমনি ও শরিফুল রাজের। প্রথম দেখামাত্র সাতদিনের মাথায় বিয়ে করেন তারা। বিষয়টি অবশ্য গোপন রাখেন। এরপর পরী সন্তানসম্ভবা হলে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে তারা পারিবারিকভাবে আবারও বিয়ে করেন। একই বছরের ১০ আগস্ট পুত্রসন্তানের মা হন পরী। যার নাম রেখেছেন শাহীম মুহাম্মদ রাজ। রাজের এটা প্রথম বিয়ে হলেও পরীমনির ছিল তৃতীয় বিয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক