Tag: মৌসুমী হামিদ

  • ‘নিজের ওপরেই ঘৃণা জন্মে, আমি কেন এত লম্বা’

    কখনো কী শুনেছেন, পূর্ণ বয়স্ক কোনো মানুষের আচমকা উচ্চতা বেড়ে গেছে? ২০২১ সালে নাকি এমনটাই ঘটে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের সঙ্গে। আর তারপর থেকেই তার কাজ পেতে অসুবিধা হয়। ডুবে যান অবসাদে। 

    কিন্তু হঠাৎ কেন এমনটা ঘটেছিল? সে বিষয়েই জানালেন অভিনেত্রী-

    ২০১৮ সালে আচমকাই কাজ কমতে শুরু করে বলে জানান মৌসুমী। তিনি জানান, ‘সেই সময় যে শিল্পীদের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব ছিল, তারা অনেকেই আমাকে আর সহ-অভিনেত্রী হিসেবে চাইছেন না। তখন এসব নিয়ে কিছু ভাবিনি। ভেবেছি, কাজ জানলে কাজ আসবে। কিন্তু এখানেই আমি ভুল করি। কখনো কারো কাছে কাজ চাইনি, দলেও যাইনি’।

    অভিনেত্রী বলেন, ‘২০২১ সালে নাকি আমার উচ্চতা হঠাৎ করেই বেড়ে গেল। সবাই বলতে লাগলো, তোমার উচ্চতা বেশি কাজে নেওয়া যাবে না। আমার উচ্চতাই নাকি সবার কাছে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। আমি ডিপ্রেশনে চলে যাই। এটা একটা কঠিন সময় ছিল। নিজের ওপর ঘৃণা জন্মে যায় যে, আমি কেন এত লম্বা। অসহায় হয়ে পড়ি। অবসাদে ডুবে যাই। পরে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি যে, আমাকে কাজে নেবে না বলেই এসব বলা হতো। কাউকে বিশ্বাস করতে পারতাম না। অন্ধকারে ডুবে যাই’।

    তবে সেই কঠিন সময়টা কাটিয়ে উঠেছেন মৌসুমী হামিদ। জানিয়েছেন, তার এখন যেটা ভালো লাগে সেটাই করেন। 

    একটা সময় বাংলাদেশের প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা যেমন- অপূর্ব, মোশারফ করিম, নিশোদের সঙ্গে কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী।

    সদ্যই মুক্তি পেয়েছে মৌসুমীর নতুন সিনেমা নয়া মানুষ। সোহেল রানা বোয়াতি সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুক্তি পাচ্ছে মৌসুমীর ‘নয়া মানুষ’

    আগামী ৬ ডিসেম্বর দেশজুড়ে মুক্তি পাচ্ছে মৌসুমী হামিদ অভিনীত সিনেমা ‘নয়া মানুষ’। আ মা ম হাসানুজ্জামানের ‘বেদনার বালু চরে’ গল্প অবলম্বনে মাসুম রেজার চিত্রনাট্যে প্রথমবারের মতো সিনেমা নির্মাণ করেছেন সোহেল রানা বয়াতি।

    বানভাসি মানুষের গল্পে নির্মিত ‘নয়া মানুষ’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- আশীষ খন্দকার, ঝুনা চোধুরী, রওনক হাসান, নিলুফার ওয়াহিদ, বদরুদ্দোজা, স্মরণ সাহা, শিখা কর্মকার, মাহিন রহমান, মেহারান সানজানা, পারভীন পারু, মেরি ও শিশুশিল্পী ঊষশী প্রমুখ। 

    দেশের অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজের ব্যানারে নান্দনিক ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। সিনেমার প্রযোজক নাজমুল হক ভূঁইয়া।

    সিনেমাটি নিয়ে পরিচালক সোহেল রানা বয়াতি বলেন, বিজয়ের মাসে সিনেমাটি দর্শকরা উপভোগ করতে পারবেন। বানভাসি মানুষের গল্প নিয়ে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। গল্পের মতোই নানা দুর্যোগ মোকাবিলা করে চলচ্চিত্রটি আনকাট মুক্তির অনুমতি পেয়েছে। প্রথম সিনেমাটি নিয়ে বেশ আশাবাদী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌসুমী হামিদের মুখে ডিভোর্স প্রসঙ্গ

    ছোট পর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। তিনি ‘লাক্স তারকা’র মাধ্যমে বিনোদন জগতে প্রবেশ করেন। একের পর এক তারকাদের যখন বিচ্ছেদ হচ্ছে ঠিক সেই সময় এই অভিনেত্রী বলেন, সংসার কঠিন কিছু না। সংসার পানির মতো সহজ।

    তিনি বলেন, আমার সংসার খুব ভালো যাচ্ছে। আমরা ভাবি সংসার অনেক কঠিন কিন্তু এটি মোটেও কঠিন না। ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে যদি বোঝাপড়া থাকে তাহলে সংসার পানির মতো সহজ।

    তারকাদের ডিভোর্স নিয়ে মৌসুমী হামিদ বলেন, আমরা প্রতিটি মানুষ আলাদা। কারও ব্যক্তিগত জীবনে যদি ঝড় আসে সেটি সবার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা ঠিক না। শুধু আমাদের শিল্পীদের মধ্যে ডিভোর্স হয় এমন না। আমার মনে হয়, এখন মিডিয়ার মানুষের চেয়ে বাইরের মানুষের ডিভোর্স বেশি হয়। তাদেরটা সামনে আসে না, আমাদেরটা আসে।

    গত বছর বিয়ে করেছেন মৌসুমী। সংসারে নতুন অতিথি আসছে কি না প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটা উপরওয়ালা জানে।

    এদিকে মৌসুমী হামিদ অভিনীত চরের সংগ্রামী জীবন নিয়ে নির্মিত ‘নয়া মানুষ’ সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়া নাটক ও ওটিটি প্লাটফর্মেও কাজ করছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গভীর রাতে শাড়ি চেঞ্জের সময় একজন রুমে ঢুকে পড়ে: মৌসুমী

    বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখে পড়েছেন তিনি। তার ঘটনাকে অনুসরণ করে মডেল ও অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন।  যেখানে তার সঙ্গে শুটিং সেটে ঘটে যাওয়া এক অপ্রীতিকর ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন।  তিনি জানিয়েছেন, গভীর রাতে শাড়ি চেঞ্জের সময় একজন রুমে ঢুকে পড়ে।  

    অভিনেত্রীর ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো- 

    ‘সুটিং এ একটা ঘটনা শেয়ার করি, প্রায় ৩ বছর আগের কথা পুবাইল সুটিং করছি। বেশ রাত হয়েছে কিন্তু অনেক কাজ বাকি। সাধারণত আমরা যখন শুটিং করি বিশেষ করে আউটডোর, তখন কাজের চাপ থাকে বেশি এবং শুটিং লোকেশন এবং মেকাপ রুম বা চেঞ্জ রুম বেশ দুরে হয়। বারবার দৌড়াদৌড়ি করে কাপড় পাল্টাতে বেশ কষ্ট হয় এবং সময় ও বেশি লাগে। রাত ১২.৩০ প্রায়। আমি যেখানে শুটিং করছিলাম তার পাশেই একটা মাটির ঘর ছিল যে ঘরে লাইটের কিছু জিনিস পত্র রাখা ছিল। 

    পরিচালক আমাকে খুব করে অনুরোধ করলেন বারবার মেকাপ রুমে যেয়ে চেঞ্জ করতে যেই সময় লাগছে সেই সময়টাও নেই , উনি বললেন আমি যদি অনুমতি দেই উনি আমার কাপড়ের ব্যাগটা ঐ মাটির ঘরে আনার ব্যবস্থা করবেন ওখানেই চেঞ্জ করতে পারব কিনা। আমি বললাম ঠিক আছে। যদিও সেই ঘরটা মোটেও আরামদায়ক বা সেইফ নয়। তার উপর দেখি ছিটকানি ও নাই দরজায়। আমি বললাম তাহলে কীভাবে হবে?

    তখন ক্যামেরায় যিনি ছিলেন উনাকে আমি মামা ডাকতাম উনি বললেন মামু তুমি টেনশন নিও না আমি আছি বাইরে পাহারা দিচ্ছি। আমি ওনার কথা বিশ্বাস করে ঐ মাটির ঘরে ঢুকি। সব জানলা বন্ধ করে দেই এবং দরজা চাপিয়ে দেই। আমি নিজেও শুনতে পাচ্ছিলাম ওনারা বাইরেই আছে কথাবার্তা বলছে। পরিচালক তখন সেটে বা অন্য কোথাও। 

    শাড়িটা পরা শুরু করি নাই তখনো। কি যেন মনে করে শাড়িটার ভাঁজ খুলে আমি পুরো শাড়িটা ওড়নার মত কাঁধের উপর রেখে দেই এবং ঠিক তখনি লাইটের একটা ছেলে হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকে পড়ে। আমি চিৎকার দিয়ে উঠি ‘এই চেঞ্জ করি’ খুবি অস্বস্তি কর অবস্থা। ছেলেটা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে বের হয়ে গেল। সরি আপু আমি জানতাম না আপনি ছিলেন। 

    তখন প্রচণ্ড রাগ হল মামার উপর। চিৎকার দিলাম একটা, আমি শুধুমাত্র সহযোগিতা করার জন্য এমন একটা জায়গায় কাপড় পাল্টাতে রাজি হলাম কারণ আমাকে কথা দেওয়া হয়েছিল বাহিরে একজন দায়িত্ব নিয়ে পাহারা দিবে। কিন্তু ছেলেটা উঠান পার হয়ে ঘরে ঢুকে গেল কেউ ওরে বলল না যে ঘরে আমি আছি। 

    আমি যখন ঘরের ভিতর থেকেই চিৎকার করছি ইউনিটের উপর তাদের দায়িত্বহীনতা নিয়ে তখন সেই মামা (চিত্রগ্রাহক) বিরক্তি নিয়ে বলে উঠলেন ‘আরে বাদ দে তো ও তো ঢুকেই বের হইয়া আসছে এইটুকু সময় আর কি দেখছে।’ ঐ ছেলেটাকে উদ্দেশ্য করে বললো ‘ঐ তুই কিছু দেখছোস?’ বলে অসভ্যর মত হাসতে লাগলো। ছেলেটা কোন উত্তর দিল না। 

    আমার শরীরের যতখানি অংশ দেখা গেছে সেটা তেমন কোন বিষয়ই না আমি নাকি ওভার রিয়্যাক্ট করছি। এইকথা শোনার পর আমি বের হয়ে জীবনের সর্বোচ্চ রিয়্যাক্ট সেদিন করেছি সেটে। আমার কলিগের কাছে আমার ‘সম্ভ্রম’ এতটা তুচ্ছ? পরিবার ছেড়ে দিনের বেশিরভাগ সময় যাদের সাথে কাজ করি তারা এইভাবে তাদের দায়িত্বহীনতা জাস্টিফাই করবে ? 

    সেটের বেশিরভাগ মানুষের কাছে মনে হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পরও নির্লজ্জের মত ওনার ঐ খ্যাঁক খ্যাঁক হাসায় আমি যে রিঅ্যাকশন দিয়েছি সেটা বেশি বেশি ছিল। সবাই তার অ্যাকশন কেই জাস্টিফাই করে গেল। কিন্তু পরিচালক আমার চিৎকার শুনে সেখানে এসে পুরো ঘটনা শুনে ঐ চিত্রগ্রাহকে সেট থেকে বের করে দেন। এবং উনি নিজেও ভুল বুঝতে পেরে সরি বলেন। 

    আমি পুরো ঘটনা ওনাকে বলে ওনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘তোমার পরিবারের কোন মেয়ে এমন অবস্থায় পড়লে দায়িত্বরত মানুষটা দায়িত্ব পালন না করে উল্টা যদি এমন করে রসায় রসায় হাসত, তারপর প্রচণ্ড অপমান বোধে যদি তোমার নিজের মেয়ে বা বোন বা তোমার বউ যদি রিয়্যাক্ট করত তুমি কি বলতা তোমার মেয়েকে, মামনি ওভার রিয়্যাক্ট করতেছো কেন ? আমি বেশি অবাক হয়েছিলাম সেটে ঐদিন ঐ চিত্রগ্রাহকের দায়িত্বহীনতা ও অসভ্যতা কে যারা জাস্টিফাই করছিলেন তাদের উপর।  

    এবং আবারো অবাক হয়েছি যারা আয়মান সাদিয়ার ভিডিও দেখে পোস্ট করেছেন ‘ভিডিওতে তো তেমন কিছুই দেখা যায় নাই’ তাদের উপর । যিনি ভিডিওটি পোস্ট করেছেন তার জন্যে আমার কিছুই বলার নাই। উনি ভিডিও ডিলিটও করেছেন। আমি সাধুবাদ জানাই কিন্তু সর্বনাশ যা হওয়ার তো হয়ে গেছে। ভিডিও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে গেছে এবং মানুষের ট্রলিং। কারণ আমি ওনাকে যতটুকু চিনি উনি একদমই ক্ষতিকারক মানুষ নন। 

    বেশ বন্ধু সুলভ হাস্যোজ্জ্বল এবং প্রচণ্ড পরোপকারী মানুষ। আমি বিশ্বাস করতে চাই না উনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এমন কাজটা করেছেন। লুকিয়ে বা গোপন ক্যামেরায় তো নয়ই। বরং উনি অনুতপ্তই হয়েছেন বলে আমি মনে করি। কিন্তু যারা বলছেন ‘এই ভিডিওতে তেমন কিছুই দেখা যায় নাই তাদের জন্য প্রশ্ন আছে, এই তেমন কিছুই না দেখা ভিডিওটির কারণে যে পরিমাণ নোংরা, অসভ্যতা, বুলিং, বডি সেইম, রেইপ থ্রেট মেয়েটাকে সহ্য করতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে সেটা যদি আপনার পরিবারের কোন মেয়েকে সহ্য করতে হয়, আপনি সেটা দেখার জন্য প্রস্তুত আছেন তো?’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌসুমী-রানার বিয়ে আজ

    আজ লেখক আবু সাইয়িদ রানার সঙ্গে অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের বিয়ে। লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সাতক্ষীরার মেয়ে মৌসুমী হামিদ বিনোদন অঙ্গনে পা রাখেন। এরপর অভিনয় করেছেন নাটক ও চলচ্চিত্রে।

    rnrn

    গত বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বাসার ছাদে মৌসুমী হামিদের গায়েহলুদের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন।

    rnrn

    মৌসুমী হামিদ বলেন, রানার সঙ্গে আমার দুই বছরের পরিচয়। এরপর আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। দুই পরিবারের সম্মতি নিয়েই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হচ্ছে।

    rnrn

    মৌসুমী হামিদ জানান, তার হবু বর আবু সাইয়িদ রানা লেখালেখি ও নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত। মৌসুমী তার লেখা গল্পে অভিনয় করেছেন। এসব কাজের মধ্যে রূপকথা নয় ও গুটি উল্লেখযোগ্য।

    rnrn

    rnএর আগে মৌসুমী বলেছিলেন, সমান উচ্চতার ছেলে পেলেই বিয়ে করবেন তিনি। তবে কি তিনি নিজের সমান উচ্চতার পাত্র খুঁজে পেলেন? 

    rnrn

    মৌসুমী হামিদ বলেন, উচ্চতায় রানা আমার চেয়ে আধা ইঞ্চি কম। এটা আমার কাছে মোটেও ম্যাটার করেনি। রানার ফিজিক্যাল হাইটের চেয়ে মেন্টাল হাইট অনেক বেশি। তাই শারীরিক হাইটের দিকে একেবারে নজর দিইনি। তার মনমানসিকতা আমাকে তার প্রতি ভালোবাসা ও মায়ার বন্ধনে জড়িয়েছে। নির্ভরতার একজন মনে হয়েছে। মনে হয়েছে, এমন একজনকে নিয়ে জীবনের সুন্দর আগামীর পথ পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন দেখা যায়।

    rnrn

    গত বছরের ১৮ আগস্ট মুক্তি পায় মৌসুমী হামিদ অভিনীত সিনেমা ‘১৯৭১ সেই সব দিন’। এটি নির্মাণ করেছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা হৃদি হক। এছাড়া মৌসুমী হামিদ অভিনীত দুটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছে। সিনেমা দুটি হচ্ছে সোহেল রানা বয়াতি পরিচালিত ‘নয়া মানুষ’ ও হাবিবুল ইসলাম হাবিবের ‘যাপিত জীবন’।

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেভাবে দুজনের পরিচয়

    লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার-২০১০ সালে রানার্সআপ। ‘লাভ র্যাক্টেঙ্গেল’ ও ‘রেডিও চকলেট’ নাটকে অভিনয় করেছেন। এরপর চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। 

    তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও দর্শকদের আগ্রহের অন্ত নেই। তাদের প্রেম, বিয়ে-বিচ্ছেদ সবই জানতে চান অনুরাগীরা।

    জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ পছন্দ, বিষয়টি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী বলেছিলেন, অবশ্যই ভালো মানুষ হতে হবে। আমাকে বুঝবে, তেমন মানুষই জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ।

    রাত পোহালেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন নায়িকা মৌসুমী হামিদ। গতকাল গায়েহলুদ হয়েছে, তার বিয়ের অনুষ্ঠান কাল।

    নায়িকার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, কাজের সূত্রে দুই বছর আগে তার সঙ্গে পরিচয় হয় হবু বর আবু সাইয়িদ রানার। পরিচয় থেকে প্রণয়ের পর এখন পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে হচ্ছে।

    রানাও শোবিজ অঙ্গনে কাজ করেন। ‘রূপকথা নয়’ নাটক ও ‘গুটি’ ওয়েবসিরিজের চিত্রনাট্য লিখেছেন রানা। এই দুটি প্রোডাকশনে অভিনয় করেছেন মৌসুমী হামিদ। লেখালেখির পাশাপাশি নির্মাণের সঙ্গেও যুক্ত রানা।

    মৌসুমী হামিদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- অনন্য মামুন পরিচালিত ‘ব্ল্যাকমেইল’, শামিম আহমেদ রনি পরিচালিত ‘মেন্টাল’, হৃদি হক পরিচালিত ‘১৯৭১ সেইসব দিন’। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমার তালিকায় আছে ‘নয়া মানুষ’ ও ‘যাপিত জীবন’।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • হয়ে গেল মৌসুমী হামিদের গায়েহলুদ, কাল বিয়ে

    অবশেষে গায়েহলুদ হয়ে গেল ছোটপর্দার অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। বুধবার সন্ধ্যায় হয়ে গেল তার গায়েহলুদ। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।

    মৌসুমী যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তার নাম আবু সাইয়িদ। তিনি ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তারা দুজনেই শোবিজ অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত। তবে সাইয়িদ কাজ করেন ক্যামেরার পেছনে। 

    জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে প্রেম করছিলেন আবু সাইয়িদ ও মৌসুমী হামিদ। এর পর পারিবারিক সিদ্ধান্তেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তারা।

    যদিও বিয়ে প্রসঙ্গে দুজনের কেউ-ই এখনো মুখ খোলেননি। তবে বুধবার রাতেই তাদের গায়েহলুদের একাধিক ছবি প্রকাশ পেয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে নবদম্পতিকে শুভকামনা জানাতে দেখা গেছে সহকর্মীদের। 

    জানা যায়, অভিনেত্রীর পরিবার ও ঘনিষ্ঠ কিছু বন্ধুকে নিয়ে বিয়ের আয়োজন সারছেন। বিয়ের পরে তাদের দেশের বাইরে হানিমুনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে পা রাখেন মৌসুমী হামিদ। এর পর কাজ করেছেন নাটক, চলচ্চিত্র উভয় ক্ষেত্রেই। সর্বশেষ গত বছরের ১৮ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘১৯৭১ সেই সব দিন’। প্রয়াত ড. ইনামুল হকের গল্পে এটি নির্মাণ করেছেন তার কন্যা অভিনেত্রী ও নির্মাতা হৃদি হক।

    এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর আরও দুটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সিনেমা দুটি হচ্ছে— সোহেল রানা বয়াতি পরিচালিত ‘নয়া মানুষ’ ও হাবিবুল ইসলাম হাবিব পরিচালিত ‘যাপিত জীবন’।

    বিনোদন ডেস্ক