Tag: মেহের আফরোজ শাওন

  • শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড, যা বললেন তামান্না সেতু

    ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের  ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আর দেখা যাচ্ছে না।

     এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়লেও মেহের আফরোজ শাওনের ঘনিষ্ঠজন ও লেখক তামান্না সেতু দাবি— বিপুলসংখ্যক সংবাদের কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ (সাসপেন্ড) করেছে। রোববার (৫ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বান্ধবী শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধে এ কথা জানিয়েছেন তামান্না সেতু।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে তামান্না সেতু লিখেছেন— ‘বন্ধু মেহের আফরোজ শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিতে প্রচুর রিপোর্টের কারণে ফেসবুক থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর আগে তার যে পোস্টটি ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়, সেই পোস্টটিও সে নিজে ডিলিট করেনি।’ এ বিষয়টি তাকে মেহের আফরোজ শাওন ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন বলে জানান তামান্না সেতু।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মেহের আফরোজ শাওনের কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেই সঙ্গে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাও অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড হওয়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেয়নি। আর শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি কেন অদৃশ্য হয়েছে, সেটি নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তামান্না সেতুর বক্তব্যই এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা একমাত্র দাবি।

    এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় শাওনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। 

    সেই অভিযোগে বলা হয়েছে— জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং আন্দোলনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাসপেন্ড হয়েছে শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট

    ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের  ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আর দেখা যাচ্ছে না।

    এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়লেও মেহের আফরোজ শাওনের ঘনিষ্ঠজন ও লেখক তামান্না সেতু দাবি করে বলেছেন— বিপুলসংখ্যক সংবাদের কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ (সাসপেন্ড) করেছে। রোববার (৫ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বান্ধবী শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধে এ কথা জানিয়েছেন তামান্না সেতু।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে তামান্না সেতু লিখেছেন— ‘বন্ধু মেহের আফরোজ শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিতে প্রচুর রিপোর্টের কারণে ফেসবুক থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর আগে তার যে পোস্টটি ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়, সেই পোস্টটিও সে নিজে ডিলিট করেনি।’ এ বিষয়টি তাকে মেহের আফরোজ শাওন ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন বলে জানান তামান্না সেতু।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মেহের আফরোজ শাওনের কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেই সঙ্গে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাও অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড হওয়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেয়নি। আর শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি কেন অদৃশ্য হয়েছে, সেটি নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তামান্না সেতুর বক্তব্যই এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা একমাত্র দাবি।

    এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় শাওনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

    সেই অভিযোগে বলা হয়েছে— জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং আন্দোলনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জামায়াত আমিরের পোস্ট’ নিয়ে যে মন্তব্য করলেন শাওন

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন সামাজিক মাধ্যমে নানা বিষয় নিয়ে বেশ সক্রিয় । বিশেষ করে রাজনৈতিক বিষয়ে তিনি বেশ প্রতিবাদী। সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে তিনি বেশ প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করছেন। 

     এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট কেন্দ্র করে ফেসবুকে একটি বিদ্রূপাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

     জামায়াতের আমির পোস্টটি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডলে শেয়ার করে নিয়েছেন মেহের আফরোজ শাওন। সেই পোস্টটিতে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা হয়েছে। যদিও জামায়াত আমিরের পক্ষ থেকে পরে জানানো হয়েছে যে, আমিরের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং ওই বিতর্কিত পোস্টটি তার নিজের নয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বিষয়ে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, কয়েক বছর আগে আমার এক পরিচিত ভাবি সামাজিক মাধ্যমে তার সাম্প্রতিক সাবেকের কিছু গোপন ছবি ফাঁস করে দেওয়ার এক ঘণ্টা পরপরই সেগুলো মুছে দিয়ে নতুন পোস্ট দিয়ে জানালেন যে, তার আইডি হ্যাক হয়েছিল, অনেক কষ্টে তিনি তা ফেরত পেয়েছেন। 

    তিনি বলেন, আমি ওনাকে যেমন বিশ্বাস করেছিলাম, ইনাকেও তেমন বিশ্বাস করছি। প্লিজ প্লিজ! আপনারাও বিশ্বাস করেন।

    জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার দাবিটিকে শাওন মূলত কটাক্ষ বা বিদ্রূপ করেছেন বলেও তার এ পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমি রাজনৈতিক বিশ্লেষক নই, আমি সাধারণ একজন নাগরিক’

    চলচ্চিত্র, সংগীত ও টেলিভিশনের পরিচিত অভিনেত্রী, সংগীতশিল্পী, নির্মাতা এবং প্রযোজক মেহের আফরোজ শাওন ও সাংবাদিক আনিস আলমগীরসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় এই মামলা করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ। মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন মারিয়া কিশপট্ট এবং ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

    তবে শাওন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হওয়ার মত আচরণ তিনি করেননি। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হওয়ার মতো কিছু আমি করিনি।’

    তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস বিষয়টি এখন স্পষ্ট, তাই তিনি মনে করেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার মতো কোনো কাজ তিনি করেননি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, অভিযুক্তরা আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমে উসকানি’ এবং জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে ‘কটুক্তি’ করে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করেছেন।

    শাওন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি শুধু নিজের মত প্রকাশ করেছি, যা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। আমি কোনো দলের নাম বা নেতার নাম ব্যবহার করিনি। আমি রাজনৈতিক বিশ্লেষক নই, আমি সাধারণ একজন নাগরিক। আমি যখন কিছু বিষয়ে কষ্ট পেয়েছি বা খটকা লেগেছে, তখন সেটি নিয়ে মতামত প্রকাশ করেছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘একাত্তরের পর থেকেই আমরা কী চেয়েছি? মূলত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চেয়েছি। এবং যদি এখন সাধারণ মতামত প্রকাশ করলেই মামলা হতে হয় এবং গ্রেপ্তারের ভয় থাকে, তবে আমাদের বাকস্বাধীনতা কোথায়?’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেফতার দাবি

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জুলাই গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড ডামি নির্বাচনের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুটি অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড ও একটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

    এদিন রায় ঘোষণার আগে ধানমন্ডি ৩২ আবার ভাঙতে ট্রাকে করে দুটি বুলডোজার নেওয়া হয়। সেখানে ছাত্র-জনতাকে হাসিনার ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবে খুনি হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের বাড়ি ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ জনগণ। 

    তবে আজ আবার ৩২ নম্বরে যারা বুলডোজার নিয়ে গেছেন তাদেরকে ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ‘আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট খ্যাত’ অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ছাত্র-জনতাকে ‘রাজাকার’ বলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়েছেন প্রয়াত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওন। অনেকেই এই অভিনেত্রীর কড়া সমালোচনা করে তাকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে দ্রুত তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শাওনের পোস্টের জবাবে দিনাত জাহান মুন্নি লিখেছেন, ৩২ নম্বর তো, তাই ৩২ বার ভাঙতে হবে। 

    নাসির উদ্দিন খান নামে এক ব্যক্তি শাওনকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, ‘সাহস থাকলে আজ ৩২ নম্বর আয়। ওর সাহস আওয়ামী লীগের নেতাদের…সময় থাকে।

    আলামিন সোহাগ লেখেন, শাওন হয়তো কিছু একটা হারিয়ে ফেলেছে, এজন্য ধানমন্ডি ৩২ নিয়ে এত কান্নাকাটি করছে। 

    সাব্বির নামে এক ব্যক্তি বুলডোজার নিয়ে শাওনের বাসায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। 

    মুহাম্মদ আল আমিন হোসাইন আওয়ামী দোসর শাওনকে ‘শাহবাগি’ উল্লেখ করে তার শাস্তি দাবি করেছেন। 

    মাহদী হাসান ফরাজী নামে আরেক নেটিজেন বলেন, দেশে থেকেও এই….(উল্লেখযোগ্য নয়) এত নিরাপদ থাকে কী করে?

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আব্দুল বাসের খুনি হাসিনার দোসর শাওনকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    এসকে সবুজ হোসেন লিখেছেন, এই ‘কুলাঙ্গার’ এখনো অবাধে চলাচল করে কেমনে?

    জামাল আজিজ বলেছেন, বুলডোজার বার বার ৩২ না গিয়ে শাওনের বাড়িতে যাওয়া উচিত।

    দিদারুল ইসলাম বলেন, শাওন, এরকম কথা বলে বাসায় থাকতে পারছে- এটাই হাসিনামুক্ত নতুন বাংলাদেশ। হাসিনার আমলে যদি আওয়ামীবিরোধী এরকম কথা বলতো, তবে এতক্ষণে থানায় অথবা গুম ঘরে থাকতে হতো।

    আফিয়া সিদ্দিকা বলেন, এই মেয়েটাকে এখনো কেন সরকার অ্যারেস্ট করে না?

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মারুফ হোসাইন বলেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।

    মাকসুদ আলম পাটোয়ারী বলেন, এই ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্টটিকে কেউ ৩২ নিয়ে ছেড়ে দাও, ৩২ থেকে তার কান্নার শব্দে যেন আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙে!

    শরীফুল ইসলাম বলেন, শাওনের বাড়িও গুঁড়িয়ে দেওয়ার জোড় দাবি জানাচ্ছি।

    শাহরিয়ার আরাফাত লিখেছেন, ওই বুলডোজারটা এই নাস্তিকের (শাওন) বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হোক।

    রুবেল কানিস নামে একজন লিখেছেন, শাওন ভারতের একজন গুপ্তচর হিসেবে বাংলাদেশ অবস্থান করছে, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। তার জমি, ব্যাংক ব্যালেন্স জব্দ করা হোক, তার বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হোক বুলডোজার দিয়ে।

    শাওনকে উদ্দেশ করে মোহাম্মদ ইউনুস লিখেছেন, ‘লেজ কাটা শিয়ালের হুক্কা হুয়া ডাক’।

    ফজলে রাব্বি অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • শেখ হাসিনাকে নিয়ে মীর স্নিগ্ধর পোস্টের জবাবে যা বললেন শাওন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমানের (মুগ্ধ) যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) বলেছেন, ফ্যাসিস্ট দলের প্রধান শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে না ঝোলানো পর্যন্ত তার নাম মাথায় ঘুরবে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন।

    কিন্তু এমন মন্তব্যের পরপরই এটিকে অন্যের দ্বারা লেখা স্ক্রিপ্ট বলে মনে করেন ঢালিউড অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। স্নিগ্ধর স্ট্যাটাসটির স্ক্রিনশট শেয়ার করে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পাল্টা পোস্টে অভিনেত্রী বলেন, আপনার স্ক্রিপ্ট কে লিখে দেয় ভাইয়া? অতিদ্রুত তাকে বদলে একজন ভালো স্ক্রিপ্টরাইটার নিয়োগ দিন, প্লিজ।

    এই স্ক্রিপ্টলিটনের ফ্ল্যাট’-এর রচয়িতার চেয়েও খারাপ হয়েছে বলে উল্লেখ্য করেন মেহের আফরোজ শাওন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এক বক্তব্যে আপসহীন নেত্রী শেখ বলার পরেই আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া বলেন। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের
    নেটিজেনরা
    বলছেন, তার সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যাই এই স্ট্যাটাস।

    সদ্য বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত মীর মাহবুবুর রহমান
    স্নিগ্ধ
    লিখেছেন, অন্তরে ঘৃণা নিয়ে যে নামটির জন্ম হয়েছে, সেটি হলো শেখ হাসিনার নাম।
    এটা
    শুধু আমার নয়; বরং বাংলাদেশের সব সাধারণ মানুষের, বিগত ১৬ বছরে অত্যাচারিত হয়েছেএমন সব পরিবারের।

    তিনি বলেন, যতদিন পর্যন্ত এই খুনি হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে দেশের মাটিতে ফাঁসির দড়িতে না ঝোলানো হচ্ছে, ততদিন সকালবিকাল, সজ্ঞানে কিংবা ঘুমের স্বপ্নেও এই হাসিনার নাম মাথায় ঘুরবে।

    তিনি আরও বলেন, যতবার এই নাম মুখে আসে, মনে রাখবেনতা কেবল ঘৃণা থেকেই আসে। এই খুনি শেখ হাসিনা যতদিন ফাঁসির দড়িতে না ঝুলছে, ততদিন শান্তি নেই। শেখ শেখ মুখ দিয়ে বের হবেই যতদিন পর্যন্ত না ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে এই স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে বলেও জানান মীর মাহবুবুর রহমান
    স্নিগ্ধ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হারালেন অভিনেত্রী শাওন

    অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওনের মা বেগম তাহুরা আলী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে শাওন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    পোস্টে তিনি লেখেন, গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের প্রিয় মা বেগম তাহুরা আলী ইন্তেকাল করেছেন। পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা যেন তাকে মাফ করে দেন। জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন এবং এই শোক সহ্য করার তৌফিক ও ধৈর্য আমাদের সবাইকে দান করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী জানান, মরহুমার নামাজে জানাজা দুটি স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। একটি হলো- আসরের পর গুলশান আজাদ মসজিদে এবং অন্যটি মাগরিবের পর তেজগাঁও রহিম মেটাল সেন্ট্রাল মসজিদে।

    মেহের আফরোজ শাওন তার মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি লেখেন, দয়া করে তাকে আপনার দোয়ায় স্মরণ রাখবেন।

    তাহুরা আলী জামালপুর থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন—১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুলতেকিনের পর এবার হুমায়ূনকে নিয়ে শাওনের পোস্ট

    বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন খান নিজের জীবনের কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। 

    গুলতেকিন খান তার সাম্প্রতিক স্ট্যাটাসে সরাসরি হুমায়ূন আহমেদের নাম উল্লেখ করে তাদের দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের কথা তুলে ধরেন। যা ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।

    এবার হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে পোস্ট দিলেন তার আরেক স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’-এর একটি মর্মস্পর্শী অংশ নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন শাওন। নিউইয়র্কে থাকা অবস্থায় ক্যানসারের চিকিৎসার যন্ত্রণা ভোলার জন্য এই বইটা লেখেন।

    যেখানে উঠে এসেছে মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতার দিক। 

    রোববার (৫ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে শাওন তুলে ধরেছেন কীভাবে স্বামীর (হুমায়ূন আহমেদ) অসুস্থতার সময় ফেসবুকে বিদ্রুপ মন্তব্য করেছিল। শাওনের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

    “একদিন লক্ষ করলাম, সে (শাওন) ঝিম ধরে কম্পিউটারের ফেসবুকের পাতার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখের পাতায় অশ্রুবিন্দু।

    আমি বললাম, সমস্যা কী? কেয়ারগিভার বলল, কোনো সমস্যা না। সামান্য মন খারাপ। কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। আমি বললাম, আমাকে বলো, দেখি, মন খারাপ কাটানোর চেষ্টা করতে পারি কি না। তোমাকে বলব না।

    তোমার মন খারাপ হবে। আমি বললাম, ‘সহজে মন খারাপ হবে, এমন মানুষ আমি না’। বুঝতে পারছি, ফেসবুকে পাঠানো কারও কমেন্ট পড়ে তুমি হতাশ হয়েছ। কী লিখেছে? শাওন পড়ে শোনাল। কেউ একজন লিখেছে, তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে আল্লাহ তোমাকে শিক্ষা দিলেন। এই শিক্ষা তোমার আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। শাওনের মেয়ে লীলাবতী যখন মারা গেল, তখনও সে এ ধরনের চিঠিপত্র পেত। লেখা থাকত, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হওয়ায় আমরা খুশি। আরও শাস্তি হবে’। এই ধরনের কথা। 

    আরও পড়ুন

    তির্যক মন্তব্য দেখে শাওন ভেঙে পড়লেও, লেখক তার স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, “আমি শাওনকে বললাম, ‘পৃথিবীতে মানসিক অসুস্থ অনেক মানুষ। তাদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমরা ভাবব সুস্থ মানুষদের কথা। তোমার ফেসবুকে শত শত মানুষ কত চমৎকার সব কথা লিখছে। লিখছে না? -হ্যাঁ। 

    এর মধ্যে একজনের কথা চিন্তা করো। সে চলে গেছে মক্কায়, কাবা শরিফে। সেখান থেকে তোমাকে জানিয়েছে, ‘আমি স্যারের জন্য দোয়া করতে এসেছি। শাওন আপু, আপনি একটুও চিন্তা করবেন না। এর পরও কি মন খারাপ করা তোমার উচিত’? শাওন বলল, না, উচিত না। তাহলে মিষ্টি করে একটু হাসো। হাসতে পারব না। বলেও সে হাসল।

    সবশেষে হুমায়ূন আহমেদ তার নিজের জীবনেও এক বিকৃত মানসিকতার যুবকের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘আমাদের আশপাশে বিকৃত মানসিকতার মানুষের সংখ্যা কি বাড়ছে? মনে হয় বাড়ছে। 

    একজনের কথা বলি, সে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য হাস্যকর কাণ্ডকারখানা শুরু করল। একটা পর্যায়ে গেটের সামনে স্ট্রাইক করার মতো অবস্থা। মহা বিরক্ত হয়ে তাকে আসতে বললাম। ২৩-২৪ বছরের যুবক। কঠিন চোখমুখ। আমি বললাম, এখন বলো, ‘আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য এত ব্যস্ত হয়েছ কেন? বিশেষ কিছু কি বলতে চাও?’  -চাই। তাহলে বলে ফেলো। সেই যুবক তাকে সরাসরি বলেছিলেন, ‘আপনার লেখা আমার জঘন্য লাগে’।

    যুবকের কথা শুনে হুমায়ূন আহমেদ বলেন, “এই কথাটা বলার জন্য এত ঝামেলা করেছ?’ -হ্যাঁ! কারণ সরাসরি এই কথা আপনাকে বলার কারোর সাহস নাই। সবাই আপনার চামচা। হুমায়ূন আহমেদ বললেন, আরও কিছু কি বলবে? ছেলেটা তখন জবাবে বলেন, ‘হ্যাঁ’। বলে ফেলো। সে ইংরেজিতে বলল, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ (আমি চাই আপনি শিগগিরই মারা যান)। 

    উত্তরে হুমায়ূন আহমেদ বলেছিলেন, ‘আই হোপ অ্যান্ড প্রে ইউ হ্যাভ আ লং অ্যান্ড মিনিংফুল লাইফ’ (আমি আশা করি এবং প্রার্থনা করি আপনার জীবন দীর্ঘ হোক)।’

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ফের জুলাই আন্দোলনকে ব্যঙ্গ করে পোস্ট, শাওনকে ধুয়ে দিলেন নেটিজেনরা

    ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক হাসিনা পালিয়ে ভারতে যান। তবে যে জুলাই আন্দোলনের কারণে হাসিনার পতন হয় সেই আন্দোলন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে যাচ্ছেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন। তার রাজনৈতিক অবস্থান ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা হলেও থেমে নেই তিনি।  গতকাল রোববার নেপালের জেন-জির আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন শাওন। সেখানেও তিনি বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবকে ইঙ্গিত করে কটাক্ষ করেন তিনি। 

    নিজের ফেসবুক পোস্টে শাওন লেখেন, নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারকে মেনে নিতে পারছেন না তিনি। কারণ, দেশটির প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি নেপালের গণআন্দোলনকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন! অথচ তিনি বলতে পারতেন, ‘লুটপাট-অগ্নিকাণ্ড-ভাঙচুর ছিল তরুণদের বহু বছরের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ’। আন্দোলনকারীরা তো আসলে তারই নিয়োগকর্তা! তাহলে তিনি কি বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে কিছুই শেখেননি?

    শাওনের এমন স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা।এই অভিনেত্রীর সমালোচনা করে তারা শাওনকে আওয়ামী লীগের দোসর ও সুবিধাবাদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কেউ কেউ তার গ্রেফতার দাবি করেন।   

    শাওনকে উদ্দেশ করে লাবিব আহমেদ নামের এক ব্যক্তি বলেন, নেপাল তো আর দেশের হাজার হাজার টাকা বিদেশে পাচার করে নাই। সেটা বলতে লজ্জা করে?

    মো. আব্বাস বলেন, সুশীলগিরি কম করেন। আজকে তারা নেপালের অন্তবর্তী সরকারের পদত্যাগের জন্য মাঠে নেমেছে।

    কারিম গাজী লিখেছেন, লীগ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শাওনের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। 

    মীর খালিদ বলেন, তুমি সময়ের উপযোগী সুবিধাবাদী, তোমাকে চিনি আমি। 

    আফনান আবির নামে এক নেটিজেন লেখেন, নেপালে শাওনের মতো ‘সম্পত্তির লোভে’ বান্ধবীর বাবাকে বিয়ে করার মতো মেয়ে নাই।  এখানেই নেপাল ও বাংলাদেশের পার্থক্য।

    নুরুজ্জামান নুর বলেন, স্রোতের বিপরীত শাওন, তসলিমা নাসরিন, মমতাজ-এরা সব সময় আওয়ামী লীগের মনের কথাই বলে। এরা হলো লীগের জন্য একেকটা মডেল। লীগের সবাই এদের মতো চরিত্রবান হতে চায়।

    ইমদাদ হোসাইন বলেন, এদের মন মারাত্মক বিষাক্ত, সমাজে বিষ ছড়ানো ছাড়া কিছুই করতে পারে না। 

    ফজলুল করিম মিনা ও বকুল আহমেদ বলেন, এই নারীকে কেন এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না? সে এখনো কিভাবে গারদের বাইরে আছে। 

    শাওনকে বাকশালি কীট বলে মন্তব্য করেনে নীলা আক্তার নামে একজন। 

      

    ফরহাদ হোসেন নামে আরেকজন লেখেন, হুমায়ূন আহমেদের বিধবা এবং দ্বিতীয় স্ত্রী খুবই জ্ঞানী। দুর্ভাগ্যবশত তার জ্ঞান খুবই আংশিক এবং অন্ধ। তার চশমা হাসিনার কোনো ভুল দেখতে পায় না।

    প্রসঙ্গত, হাসিনার পতনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠে শাওনের বিরুদ্ধে।  ওই সময় এই অভিনেত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ‘সময়রেখা’ নামে এক অ্যালবামে উসকানিমূলক বিভিন্ন পোস্ট দেন। এরপর সেগুলো থেকে অনেক পোস্ট ডিলিট করেন। 

    এরপর গেল ফেব্রুয়ারিতে অভিনেত্রী শাওনকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

    এছাড়া ২২ এপ্রিল অভিনেত্রী শাওনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।  বাবা ও মাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। 

    শাওনের দ্বিতীয় মা নিশি ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    আদালতে হাজির হয়ে বাড্ডা থানার দুই পুলিশ সদস্য অভিযোগ স্বীকার করেন। তারা বলেন, বাড্ডা থানার তৎকালীন ওসির নির্দেশে তারা বাদী নিশি ইসলামকে আটক ও নির্যাতনে অংশ নেন। শাওন, ডিবি হারুনসহ বাকি আসামিরা হাজির না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

    ২০২৪ সালের শুরুর দিকে শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী একটি ম্যারেজ মিডিয়ায় বিয়ের জন্য পাত্রী চেয়ে বিজ্ঞাপন দেন। সে বিজ্ঞাপন থেকে নিশির সঙ্গে পরিচয় ও বিয়ে। এ ঘটনা জানার পর বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান শাওন। এ সময় শাওন ও তার অন্যান্য ভাই বোনেরা ক্ষমতার প্রভাবে দ্বিতীয় মা নিশিকে ছয় মাসের জেলে পাঠান।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল: শাওন

    অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে পর্দায় সেভাবে দেখা না গেলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সব সময়ই সরব। বিভিন্ন ইস্যুে নিয়ে প্রায় কথা বলতে দেখা যায় তাকে। এবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপির নেতৃবৃন্দের বৈঠক নিয়ে কথা বললেন শাওন।

    এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের একটি ভিডিও শেয়ার করে শাওন বললেন, মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল! 

    ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এই ‘ঘিলু’ মহোদয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে গেলেন কবে? ফরেন পলিসি নিয়ে পাকিস্তানের ফরেন মিনিস্ট্রির সঙ্গে মিটিং করছেন! উনার ভাষ‍্যমতে গত ১৫/২০ বচ্ছরে অনেক চেষ্টা করেও পাকিস্তান তাদের ভালো ভালো জিনিস আমাদের শেখাতে পারে নাই! যাক ভালোই হলো, ‘বিল্ডিং রিলেশনশিপ’-এর পর এখন বাংলাদেশ সব শিখে নিবে।

    এর পর শাওন লেখেন, ‘৪৪ সেকেন্ড পার করে দেখলাম ‘৭১ ডিলের একটা ইস‍্যু’ও নাকি আছে যেটা ওনাদের মতে দ্রুত সলভ (!) করা উচিত। মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল!

    শাওনের পোস্টে এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে দেখা গেছে অনুরাগীদের। অনেকেই শাওনের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কেউ মন্তব্য করে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন পাকিস্তান? আর আপনাদের এই দায়িত্ব কে দিয়েছে?’ কারো মন্তব্য, ‘পাকিস্তান চাই না। পাকিস্তানের কিছু ডিল চাই না।’ কেউ বলেছেন, ‘ওনাদের কাছ থেকে কি শিখব। বুঝলাম না কিছুই।’

    উল্লেখ্য, ঢাকায় সফররত পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে এনসিপির নেতৃবৃন্দরা বলেন, পাকিস্তানের দূতাবাস থেকে এনসিপির ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বৈঠকে তারা বাংলাদেশের জনগণের ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। দুই দেশের মধ্যে যে শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক ছিল, সেখান থেকে উন্নতির সুযোগ রয়েছে এবং এই উন্নতির জন্য একাত্তরের ইস্যু অবশ্যই সমাধান করা উচিত।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী ‘৭১ ডিল’ শব্দটি উচ্চারণ করেন। যা ঘিরে এই পোস্ট দিলেন শাওন।

    যুগান্তর ডেস্ক