Tag: মেহজাবিন

  • বিয়ের পর মেহজাবীনের ‘বিশেষ দিন’

    টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। নাটকের পাশাপাশি ওটিটিতেও কাজ করছেন তিনি। গত বছরেই সিনেমায় অভিষেক হয়েছে এ অভিনেত্রীর। বিনোদনের সব মাধ্যমেই রেখেছেন প্রতিভার সাক্ষর। দর্শকদের ভালোবাসায় সিক্ত এ অভিনেত্রীর জন্মদিন ছিল শনিবার। 

    ১৯৯১ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন মেহজাবীন। তবে তার বেড়ে ওঠা দুবাইতে। তবে দেশে ফিরে পড়াশোনা করেন শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটিতে। সুন্দরী অন্বেষণের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেড় দশক আগে শোবিজে পা রাখেন। তার অভিনীত প্রথম নাটক ছিল ইফতেখার আহমেদ ফাহমি পরিচালিত ‘তুমি থাকো সিন্ধুপারে’। 

    এ নাটকে তার বিপরীতে অভিনয় করেন মাহফুজ আহমেদ। এরপর শুধুই তার সাফল্যের গল্পগাঁথা। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পান মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ নাটকে অভিনয় করার পর। আর হাল আমলে ব্যস্ত রয়েছেন সিনেমা নিয়ে। 

    এবারের জন্মদিন অভিনেত্রীর কাছে একটু বিশেষ। কারণ, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মেহজাবীন। বিয়ের পর প্রথম জন্মদিন উদযাপন করতে যাচ্ছেন তিনি। স্বামীর সঙ্গে প্রথমবার জন্মদিন পালনটা একটু বিশেষ বলেই মনে করছেন এ অভিনেত্রী। 

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিয়ের পরপরই শ্বশুরবাড়িতে উঠেছি। তো এবারের জন্মদিন যথারীতি স্বামীর বাড়িতে যেমন সময় কাটবে ঠিক তেমনি আমার বাবা মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও দিনটা বিশেষভাবে উদযাপন করব। আর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন একটি বড় কাজের ঘোষণা দেব। এ কাজটি আমার ক্যারিয়ারের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেক বড় একটি কাজ এবং আমার জন্য খুব আনন্দের, দায়িত্বশীল একটি কাজ। যেহেতু এখনো চুক্তি হয়নি, তাই আপাতত এই ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। সময় হলেই সবাইকে জানান দেব।’  

    বর্তমানে এ অভিনেত্রীর ব্যস্ততা সিনেমা নিয়ে। এরইমধ্যে দুটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সাবা’। এটি এখনও মুক্তি পায়নি। এদিকে তার অভিনীত দ্বিতীয় সিনেমা ‘প্রিয় মালতী’ গত বছর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোটা ইস্যুতে আলোচনায় মেহজাবিনের ফেসবুক পোস্ট

    সম্প্রতি কোটা ইস্যুতে অনেক শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখই কথা বলেছেন এ তালিকায় রয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী। প্রায় এক দশকের মতো ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় কাজ উপহার দিয়েছেন যিনি। সম্প্রতি মেহজাবিন তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, হত্যা ও গুলি নিয়ে। পোস্টটি গত ১৮ জুলাই করা হলেও নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিষয়টি। 

    মেহজাবিন তার পোস্টে পবিত্র কুরআন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ছোটবেলা থেকে জেনেছি, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র নারীর গায়ে হাত তোলা সমর্থন করে না। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থও কখনো নারীর প্রতি সহিংসতা শেখায়নি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো’। হাদীসে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালোমানুষ তারাই, যারা নারীদের সঙ্গে সদাচরণ করে’। অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য, গণমাধ্যম বা সামাজিক মাধ্যমে আজকাল এর ভিন্ন চিত্র, মর্মান্তিক সব ভিডিও চিত্র দেখতে হচ্ছে। একজন নয়, দুইজন নয়, আমারই অসংখ্য বোনের ওপর নির্বিকার ভঙ্গিতে হামলা চালানো হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। 

    নারীর গায়ে হাত ও আবু সাঈদ হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কী নির্মম, কী নৃশংস! ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গে পরে আসছি, তবে আমার অবস্থান থেকে বলবো: সর্বোচ্চ কোনো যুক্তির অজুহাতেও নারীর প্রতি এই সহিংসতা মেনে নেয়া যায় না। ‘না’ মানে ‘না’; কক্ষনো না। ছাত্র-ছাত্রীরা কী-ই বা করেছিল? তারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছিল। কোটা সংস্কারের দাবি তুলেছিল। তাই তো? একটি গণতান্ত্রিক দেশে স্বাধিকারের দাবি যে কেউ তুলতে পারে। কিন্তু তাই বলে নারীর গায়ে হাত তোলা, ‘আবু সাঈদ’-এর মত সম্ভাবনাময় তরুণকে হত্যা করা-এসব কি সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে? সমাধানের অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? গুলি কেন করতে হলো? পরিস্থিতি হয়ত আজ কিংবা কাল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে মায়ের বুক খালি হলো, যে পরিবারের মুখের হাসি চলে গেল, আমরা কি সেই শূন্যতা অন্য কিছুর বিনিময়ে পূর্ণ করতে পারবো? কক্ষনো না। 

     

    তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী: শক্তি যত বড়ই হোক, ছাত্র সমাজের ওপর চড়াও হয়ে যুগে যুগে কেউ কখনো কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তাহলে কেন এই ব্যর্থ আস্ফালন? মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সবসময়ই বুকের ভেতর লালন করি। আমরা গর্ব করি বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দেশে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না, অধিকারের দাবি তোলা যাবে না, সবকিছুর ঊর্ধ্বে যোগ্যতার পরিচয়টাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখা যাবে না, প্রশাসনের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধে গেলেই হামলার শিকার হতে হবে, অকাতরে অকাল প্রাণ বিলিয়ে দিতে হবে-এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন? আমার মনে হয় না।

    মেহজাবিন আরও উল্লেখ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে দুর্নীতি-প্রায় সব ইস্যুতেই তো আমরা চুপ থাকি। রক্ষক ভক্ষক হয়ে গেলেও আমরা নীরবে সয়ে যাই। অপেক্ষা করি, হয়ত একটা না একটা সমাধান আসবে। আজ না হলেও দুদিন পরে  আসবে। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • একই মঞ্চে নাচবেন মেহজাবীন সাবা ও দীঘি

    ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে একঝাঁক তারকা শিল্পীর অংশগ্রহণে নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান। তিন দিনের এ আয়োজনে নাচবেন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পীদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় তারকারা। 

    rnrn

    সাবরিনা সাফি নিসার উপস্থাপনায় ঈদের প্রথম দিন নাচবেন মেহজাবীন চৌধুরী, ইভান শাহরিয়ার সোহাগ, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, আঁচল, তাহমিনা সুলতানা মৌ, সোহানা সাবা, তোর্ষা, প্রান্তিক, নাইম ও মীম চৌধুরী। প্রচারিত হবে ঈদের দিন দুপুর সাড়ে ১২টায়। 

    rnrn

    আর ঈদের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে। দ্বিতীয় দিনে মীম চৌধুরীর উপস্থাপনায় থাকছে রিচি সোলায়মান, চাঁদনী, রুহি, তুষ্টি, সাবরিনা নিসা ও সিনথিয়ার পরিবেশনা।

    rnrn

    অন্যদিকে ঈদের তৃতীয় দিনে উপস্থাপনা করবেন তাহমিনা সুলতানা মৌ। ওই দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে নৃত্যশিল্পী মুনমুন ও তার দল ছাড়াও কবিরুল ইসলাম রতনের দল, তামান্না রহমান ও তার দল, মোকাম্মেল হোসেন রিপনের দলসহ এমআর ওয়াসেকের দলের নৃত্য পরিবেশন করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ওমর’ সিনেমার নাম রেখেছেন মেহজাবিন, নায়িকা কি তিনিই!

    ‘যদি একদিন’ মুক্তির প্রায় পাঁচ বছর পর নতুন সিনেমা তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। ভাবনায় ছিল একটি চরিত্রের নাম ধরে সিনেমার নাম হবে, সেই নামে সিনেমাটি তৈরি হবে। 

    rnrn

    অনেক দিন ধরেই নাম খোঁজা হচ্ছিল কিন্তু জুতসই নাম পাচ্ছিলেন না। একদিন বিনোদন জগতের বেশ কিছু তারকার সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন এই পরিচালক। আড্ডায় সিনেমাটির নাম নিয়ে কথা ওঠে।

    rnrn

    একেকজন একেকটি নাম প্রস্তাব দেন। ওই আড্ডায় ছিলেন ছোট পর্দার তারকা মেহজাবিন চৌধুরী। তিনি ‘ওমর’ নামটি রাখার জন্য মত দেন। নামটি পছন্দ হয়ে যায় পরিচালকের। সিনেমার নাম রাখলেন ‘ওমর’। চিত্রনাট্যে ‘ওমর’ নামটি যুক্ত হলো। এরপর ওই নামে সিনেমাটি তৈরির প্রতিক্রিয়া শুরু হলো। গত বছরের শেষের দিকে এসে তৈরি হলো সিনেমা ‘ওমর’।

    rnrn

    পরিচালক রাজ বলেন, ‘একদিন এক আড্ডায় আমার নতুন চলচ্চিত্রের গল্প বলছিলাম। মেহজাবিন সামনেই ছিল। কিন্তু ছবির নাম কী দেব ঠিক করতে পারছিলাম না। তখন মেহজাবিন ‘ওমর’ নামটি রাখার প্রস্তাব দিল। আমাদের সবারই এই নামটি পছন্দ হয়েছে। সেজন্য তাকে ধন্যবাদ।’

    rnrn

    সম্প্রতি ‘সাবা’ নামের একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় নাম লেখানোর কথা জানিয়েছেন মেহজাবিন। তবে কি ‘ওমর’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন? পরিচালক রাজের উত্তর, ‘না, মেহজাবিন এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। শুধু তার দেওয়া নামটি আমরা নির্বাচন করেছি। এটুকুই তার সম্পৃক্ততা।’

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে মেহজাবিন বলেন, ‘রাজ ভাই আমার দেওয়া নামে সিনেমাটির নাম রেখেছেন—এত এত ভালো লাগছে! একটি সিনেমা তৈরির স্মৃতির সঙ্গে আমার নামটিও থাকবে, বিষয়টি ভাবতে ভালোই লাগছে।’

    rnrn

    কীভাবে মাথায় এল নামটি—জানতে চাইলে মেহজাবিন বলেন, ‘অনেক দিন আগের ঘটনা। এক আড্ডায় রাজ ভাই এই ছবির অল্প অল্প গল্প শোনাচ্ছিলেন। কিন্তু নাম পাচ্ছিলেন না। গল্পের এই চরিত্রটি শুনে নামটি মাথায় আসে। তখন এই নামটি রাজ ভাইকে বলেছিলাম।’

    rnrn

    ছোট পর্দার এই নায়িকার কথা, এ ধরনের নাম মানুষের খুব কমই আছে। সিনেমায় নামটির মধ্যে একটা নতুনত্ব আছে। নামটির মধ্যে একটা আলাদা ব্যাপার আছে। দর্শকও নামটির মধ্যে একটা ভিন্নতা খুঁজে পাবেন, নতুনত্ব খুঁজে পাবেন।’

    rnrn

    ‘ওমর’ হলো মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ষষ্ঠ চলচ্চিত্র। তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘প্রজাপতি’ মুক্তি পায় ২০১১ সালে। এরপর তিনি একে একে পরিচালনা করেছেন ‘ছায়া-ছবি’ (২০১২), ‘তারকাঁটা’ (২০১৪), ‘সম্রাট’ (২০১৬) এবং ‘যদি একদিন’ (২০১৯)।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • অবশেষে সিনেমায় অভিনেত্রী মেহজাবিন

    টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী সিনেমায় আসছেন, এটা বহুদিন ধরেই চর্চিত। কিন্তু কবে, এমন প্রশ্নে বরাবরই চুপ থেকেছেন অভিনেত্রী। বলেছেন, সময় হলেই জানবেন সবাই। সম্প্রতি তার সেই সময়টা সামনে এসেছে। 

    অভিনেত্রী জানিয়েছেন, গত বছর একটি সিনেমার কাজ শুরু করে শেষও করেছেন তিনি। নাম ‘সাবা’। এ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মেহজাবিন। পরিচালনা করেছেন মাকসুদ হোসেন। এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমাটির পোস্টারও প্রকাশ হয়েছে।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে বড় পর্দায় অভিষেক হলো মেহজাবীনের

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। নাটক ও টেলিছবিতেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই মেহজাবিনকে চলচ্চিত্রে দেখার প্রত্যাশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন সিনেমাপ্রেমীরা। তবে বড় পর্দায় কাজ করতে রাজি হচ্ছিলেন না মেহজাবিন। অবশেষে ভক্তদের সেই আশা পূরণ হতে চলেছে। অবশেষে জানা গেল তার প্রথম সিনেমার নাম। মাকসুদ হোসেনের পরিচালনায় সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ‘সাবা’।

    সম্প্রতি সিনেমার একটি পোস্টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। পোস্টারে দেখা যায় এলোমেলো চুলে, আনমনা এক মেহজাবিনকে। নিজের নতুন সিনেমা সম্পর্কে তার মুখ থেকে এখনো কিছু জানা যায়নি।

    সিনেমায় মেহজাবিন ছাড়াও আরও অভিনয় করতে দেখা যাবে রোকায়া প্রাচী ও মোস্তফা মনোয়ারকে।

    সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাতেও দেখা যাবে মেহজাবীনকে। এর গল্প লিখেছেন ত্রিলোরা খান ও নির্মাতা নিজে।

    গেল ভালোবাসা দিবসে মেহজাবিনের ওয়েব সিরিজ ‘আরারাত’ মুক্তি পেয়েছে। ভিকি জাহিদের পরিচালনায় সিরিজে রুপা চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার বিপরীতে দেখা যায় শ্যামল মাওলাকে। এ ছাড়া ছয় পর্বের ওয়েব সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, বিজরী বরকতউল্লাহ, রোজী সিদ্দিকী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেহজাবিনের ‘কার্বন কপি’ মালাইকা!

    প্রথম দেখাতে ছোটপর্দার পরিচিত মুখ মেহজাবিন চৌধুরী ভেবেই ভুল করে বসবেন সবাই। কিন্তু মেহজাবিন নয়, মালাইকা চৌধুরী। শোবিজেও তার অভিষেক হয়ে গেছে। দেখতে কিন্তু একেবারে মেহজাবিনের মতোই, অনেকে তার “কার্বন কপি” বলেও মন্তব্য করেন। মালাইকা চৌধুরী আসলে মেহজাবিন চৌধুরীর ছোট বোন।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় বোনের পথ ধরে শোবিজে পা রাখলেন মালাইকা।

    rnrn

    ত্বকের রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হয়েছেন মালাইকা। এটি নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজীব। বিজ্ঞাপনচিত্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশও করা হয়েছে।

    rnrn

    ছোট বোনের অভিষেক বিজ্ঞাপনটি ফেসবুকে পোস্ট করে মেহজাবিন চৌধুরী লেখেন, টিভিসিতে অভিষেকের জন্য মালাইকা তোমাকে অভিনন্দন। তুমি অসাধারণ। 

    rnrn

    মেহজাবিনের বোনকে পর্দায় দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ দাবি করেছেন, দুই বোনকে একসঙ্গে একফ্রেমে দেখতে চাই। মালাইকা চৌধুরী বর্তমানে রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন।

    rnrn

    মেহজাবিনরা তিন বোন ও দুই ভাই। বোনদের মধ্যে সবার ছোট মালাইকা। শৈশব থেকে মেহজাবিনকে দেখে বড় হয়েছেন মালাইকা। পরিবারের অন্যদের চেয়ে মালাইকার বেশি সময় কেটেছে মেহজাবিনের সঙ্গে। তার কাছে বোনই আদর্শ। বোনের মতো করে সামনে এগিয়ে যেতে চান। বোনের কাছ থেকে অভিনয়ের প্রাথমিক তালিমটা নিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মডেলিংয়ে মেহজাবিনের বোন মালাইকা 

    একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হয়ে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখলেন মালাইকা চৌধুরী। ত্বকের রং ফর্সাকারী ক্রিমের এই বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজীব।

    বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিজ্ঞাপনচিত্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।

    ছোট বোনের অভিষেক বিজ্ঞাপনটি ফেসবুকে পোস্ট করে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী লেখেন- টিভিসিতে অভিষেকের জন্য মালাইকা তোমাকে অভিনন্দন। তুমি অসাধারণ। মেহজাবিনের বোনকে পর্দায় দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। অনেকে মালাইকাকে মেহজাবিনের কার্বন কপি বলে মন্তব্য করছেন।

    কেউ কেউ দাবি করেছেন, দুই বোনকে একসঙ্গে একফ্রেমে দেখতে চাই। মালাইকা চৌধুরী বর্তমানে রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোধূলি বেলায় সাগরপাড়ে মেহজাবিন নিশো

    ওটিটি প্ল্যাটফরম আইস্ক্রিনে আসছে নতুন ওয়েব ফিল্ম 'নীল জলের কাব্য'। শিহাব শাহীন পরিচালিত এবং আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী অভিনীত ওয়েব ফিল্মটি আগামী ১৬ নভেম্বর মুক্তি পাবে।

    এ উপলক্ষ্যে আইস্ক্রিন একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গোধূলি বেলায় সাগরপাড়ে হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন নিশো ও মেহজাবিন।

    আরও পড়ুন: 

    পরিচালক শিহাব শাহীন বলেন, এই কনটেন্টে দর্শক চমৎকার একটি গল্প দেখতে পাবেন। তা ছাড়া নিশো ও মেহজাবিন জুটির ভক্ত আছেন অনেক। তারা ছাড়াও সাধারণ দর্শকও কনটেন্টটি উপভোগ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

    তিনি আরও বলেন, এক মেয়ের সমুদ্র দেখার ফ্যাসিনেশন নিয়ে এই কনটেন্ট। যখন কনটেন্টটির শুটিং হচ্ছিল তখনো ওটিটি এতটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। এর পর কোভিড আসে। চারবার শুটিং ক্যানসেল করতে হয়। পরে আইস্ক্রিনের জন্য এই ওয়েব ফিল্মটি নির্মাণ করা হয়।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন মেহজাবিন

    ছোটপর্দার সফল অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সরব তিনি। অভিনয়গুণে ইতোমধ্যে শোবিজ অঙ্গনে নিজের একটি আলাদা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন।

    rnrn

    নিজের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে সমাজের অন্য নারীদের প্রতি বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নারীদের উদ্দেশ্য করে কিছু কথা লিখেছেন মেহজাবিন চৌধুরী।

    rnrn

    মেহজাবিন লিখেছেন— নারী: আপনাকে সব কিছু করতে হবে না। আপনাকে একজন সুপারমম, একজন সুপার হাউসওয়াইফ, একজন সুপার পেশাদার, একজন সুপারওম্যান হতে হবে না। কারণ যখন আপনার শরীর আপনাকে সমর্থন করবে না, তখন খুব কম লোকই আপনার ওই পরিশ্রমের কথা মনে রাখবে।

    rnrn

    এ ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর পরামর্শ— তাই বাইরে যান, ভ্রমণ করুন, হাঁটাহাঁটি করুন, ওয়ার্কআউট করুন, পার্কে যান, জিমে যান, যা আপনাকে চাঙা করে তা খান, নিজেকে ঠিক করুন—আপনার পছন্দের পোশাক পরুন, নিজের মতো থাকুন, নিজের যত্ন নিন, নিজেকে ভালোবাসুন, কখনো কখনো না বলুন এবং এটি আপনার জন্যই করুন!

    rnrn

    পোস্টের শেষে মেহজাবিন লিখেছেন, বাচ্চারা বড় হয়ে চলে যায়, স্বামীরা সবসময় থাকে না, কাজ সহজেই আপনাকে প্রতিস্থাপন করতে পারে, ঘর আবার নোংরা হয়ে যাবে, তবে আপনার মানসিক স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনি দ্বিতীয়বার সুযোগ নাও পেতে পারেন।

    rnrn

    সম্প্রতি নাটকে খুব একটা দেখা যায় না মেহজাবিনকে। বলা চলে, এ মাধ্যম থেকে কিছুটা দূরেই রাখছেন নিজেকে। এবারের ঈদুল আজহায় তাকে দেখা গেছে ‘পুনর্জন্ম অন্তিম পর্ব’-এ।  

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক