Tag: মিমি চক্রবর্তী

  • কঠিন রোগে আক্রান্ত মিমি, ‍মুক্তি প্রায় অসম্ভব!

    টালিউডের ব্যস্ততম অভিনেত্রীদের একজন মিমি চক্রবর্তী। বাংলাদেশেও তার জনপ্রিয়তা কম নয়। বিশেষ করে শাকিব খানের সঙ্গে অভিনীত ‘তুফান’ সিনেমায় তার পারফরম্যান্স দর্শকদের মন জয় করেছে।

    পর্দার বাইরে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমানভাবে সরব মিমি। নিয়মিত ভাগ করে নেন শরীরচর্চা, ভ্রমণ, খাদ্যাভ্যাস কিংবা প্রিয় পোষ্যদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত।

    তবে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ভক্তদের জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাইগ্রেনের মতো জটিল সমস্যায় ভুগছেন। পোস্টের এক ছবিতে দেখা যায়, তার চোখের ওপর আইস প্যাক রাখা, সঙ্গে লেখা— ‘মাইগ্রেন, তুমি কঠিনভাবে আঘাত করেছ।’ এই ছবি যেন তার অসহ্য যন্ত্রণারই প্রতিচ্ছবি।

    এর আগেও মিমি জানিয়েছিলেন, মাইগ্রেন থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। গত বছর এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মাইগ্রেন থেকে বাঁচা কেবল কঠিন নয়, বরং প্রায় অসম্ভব।’

    তবুও মাইগ্রেনের মতো কঠিন অসুখকে সঙ্গে নিয়েই মিমি কাজ করে চলেছেন। শারীরিক অসুস্থতা তাকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত শুটিং করছেন, নতুন নতুন কাজেও যুক্ত হচ্ছেন। মিমির এই মানসিক দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্ব অনুকরণীয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বন্যপ্রাণীরা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, সাহায্য করুন স্যার’

    তেলেঙ্গানার বনাঞ্চল ধ্বংস বন্ধ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। মিমি বরাবরই পশুপ্রেমী তথা পরিবেশপ্রেমী, তার প্রমাণ এর আগেও পাওয়া গিয়েছে। আরেকবার বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য আওয়াজ তুললেন অভিনেত্রী।

    ইনস্টা স্টোরিতে গাছ কাটার ভিডিও শেয়ার করে মিমি লিখেছেন- ‘এটা মারাত্মক বিপর্যয়। এখনো কেন আমরা বুঝতে পারছি না? এত বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কিসের জন্য, যখন নিত্যদিন বাতাস এভাবে বিষিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই তো ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছি।’ 

    এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দরবারে সাহায্যের আবেদন জানান মিমি। 

    এক্স হ্যান্ডেলে মিমি লিখেন, ‘দয়া করে সাহায্য করুন স্যার, ৪০০ একর বন ধ্বংস হচ্ছে, বন্যপ্রাণীরা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, কাঁদছে। প্রতিবাদ করার জন্য ছাত্রদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমাদের আপনার সাহায্য দরকার।’

    হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনতিদূরেই ৪০০ একর জমির গাছ কাটা নিয়ে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। ওই জমিতে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেলেঙ্গানা সরকার। সেই প্রেক্ষিতেই রোববার থেকে বুলডোজার চালিয়ে গাছ কাটা শুরু হয়। বাদসাধে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা। জমি দখল নিয়ে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছিল তারা। পুলিশি ধরপাকড়ের মুখেও পড়তে হয় পড়ুয়াদের। 

    সেসব ধ্বস্তাধ্বস্তির ছবি-ভিডিও নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়। এ ইস্যুতেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে অবিলম্বে বনাঞ্চল ধ্বংসের কাজ বন্ধের আর্জি জানান মিমি চক্রবর্তী।

    রোববার হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনতিদূরের জমিতে গাছ কাটা শুরু হতেই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিয়ে বুলডোজারের উপরে উঠে পড়েন শিক্ষার্থীরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান একাংশ। বুধবার তেলেঙ্গানা পুলিশের লাঠিচার্জের কোপে পড়ে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরতরা।  

    শিক্ষার্থীরা বলেন, ৪০০ একর জমিতে প্রচুর জীববৈচিত্র্য রয়েছে। গাছ কেটে ফেললে তা একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদের সঙ্গী হয় ভাটা ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও। যৌথভাবে তাদের আবেদন, ওই এলাকাটি বনাঞ্চল হিসেবে ঘোষিত হোক। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ওই অঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে গড়ে তোলা হোক- এমনটাই প্রস্তাব দিয়েছেন তারা। 

    তেলেঙ্গানা সরকারের পালটা জবাব, হায়দরাবাদের অনেক জায়গাতেই সাপ, ময়ূর রয়েছে। সব স্থানকে বনাঞ্চল বলা যায় না।  

    সেসব ভিডিও শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানান অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • নারীদের স্পর্শকাতর জায়গায় তাকানো স্বাভাবিক ঘটনা হিসাবে দেখা হয়: মিমি

    সম্প্রতি ‘ডাইনি’ ওয়েব সিরিজের নেপথ্য কাহিনি শোনালেন টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।  ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানালেন ওয়েব সিরিজটি নিয়ে নানা কথা। সেখানে মেয়েদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও উঠে এসেছে। 

    মিমি কি ‘ডাইনি’?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, বলব না। সিরিজ দেখতে হবে।

    ‘ডাইনি’তে মারপিট, রক্ত, ভালো লাগে অভিনয় করতে? মিমি বলেন, সত্যি কথা বলতে— আমি এ ধরনের মারপিটের দৃশ্যে খুব সাবলীল। আমার ভালো লাগে। প্রচুর রিহার্সাল করেছি আমরা। খলনায়কের চরিত্রে যিনি অভিনয় করেছেন, তিনি এ জগতে নতুন। প্রচুর মারপিটের দৃশ্য ছিল। ১৩ থেকে ১৪ মিনিটের মতো মারপিটের দৃশ্য। তার ওপর যা গরম ছিল। প্রস্থেটিক মেকআপের ভেতরে ঘেমে যাচ্ছি। কিছু করতে পারছি না। একদিকে রক্ত পড়ছে, একদিকে ঘাম ঝরছে, মাথায় হাত দিতে পারছি না। একটাই বাঁচোয়া, নো মেকআপ লুক ছিল। কাজল পরে চুল আঁচড়ে সেটে চলে যেতাম। প্রস্থেটিক মেকআপ করতে যা সময় লাগত। যেহেতু একদিনের গল্প, এখানে দেখা যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে চোখেমুখে ক্ষত আরও বেড়ে যাচ্ছে।

     ‘ডাইনি’ নির্মাণের নেপথ্য গল্পটা কেমন ছিল—এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, নির্ঝর যখন আমার কাছে চিত্রনাট্য নিয়ে আসে, তখন ওকে বলেছিলাম— এখন তো আর এসব হয় না রে। ও তখন আমাকে একটা তথ্যচিত্র দেখিয়েছিল। কত মেয়েকে ডাইনি অপবাদে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। গ্রামের দিকে পিতৃতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা প্রখর। এখনও ডাইনিপ্রথা সংক্রান্ত নানা ঘটনা শোনা যায়।

    গ্রামে কোনো এক নারীর স্বামীর মৃত্যু হলো। স্বামী তার স্ত্রীর জন্য সম্পত্তি রেখে গেছেন। এবার যিনি গ্রামের মোড়ল ও তার ছেলেরা সেই সম্পত্তি গ্রাস করবেন! দেখছেন নারী একা, তার কেউ নেই। এভাবেই তো নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধি করেন তারা। মানুষ চাঁদে যাচ্ছে, মঙ্গলগ্রহে যাচ্ছে, আর এদিকে এখনো কিছু জায়াগায় আমরা মেয়েরা ঘোমটা টেনে বসে আছি।

     ‘ডাইনি’ চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছিল না কি আত্মবিশ্বাসের পাল্লা ভারি—এমন প্রশ্নে মিমি বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে ১৫ বছর পার করে ফেলেছি। এখন এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করব না তো আর কবে করব? আমার কাছে এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় চ্যালেঞ্জিং নয়, বরং ভালোই লাগে এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে। এ ধরনের চরিত্র যে লেখা হচ্ছে এখন, তাতে আমি ভীষণ খুশি। লোকে যে কেন ভাবে আমি এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে চাই না! 

    তিনি বলেন, ডাইনির পরপর এ ধরনের চরিত্রের কিছু চিত্রনাট্য এসেছে আমার কাছে। এখন আমার প্রশ্ন— তুমি আগে এলে না কেন? আমি করে ফেলার পর কেন আসছ? এখন তো আমি এ ধরনের চরিত্র করে ফেলেছি, পুনরাবৃত্তি কেন করব?

    এটা নিশ্চয়ই সিনেমা হতে পারত না? মিমি বলেন, হ্যাঁ, হতেই পারত। বড় বাজেটের সিরিজ। আমরা গাড়ি এনেছি, পুড়িয়েছি। বিস্ফোরণ ঘটিয়েছি। এই নির্ঝর শুনে যা… (পরিচালক নির্ঝরকে ডেকে নিলেন মিমি।) নির্ঝর বললেন, ছবি হতে পারত। ভাগে ভাগে হচ্ছিল। একটা পর্বের পর আরেকটা। শুটিংয়ের পরও একবার ভেবেছিলাম, এটা সিনেমা করলে কেমন হয়। কিন্তু এডিটে যাওয়ার পর বুঝলাম সিরিজই ঠিক আছে। 

    অভিনেত্রী হিসাবে মিমিকে কেমন দেখলেন—এমন প্রশ্নে পরিচালক বললেন, দুর্দান্ত। এরপর মিমি বললেন, আমার সামনে বসে রয়েছে, আর কী বলবে— দুর্দান্ত বলছে (হাসি)।

    নির্ঝর বললেন, না। ওর একটা ধারাবাহিকতা রয়েছে। শিল্পের প্রতি ওর নৈপুণ্য বারবার প্রকাশ পায়। বাকি অভিনেতারা সবাই নতুন।

    একসঙ্গে এত নতুন মুখ। অভিনয়ের সামঞ্জস্যে অসুবিধা না হওয়া প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আমরা সেটে সবাই মিলে একসঙ্গে থাকতাম। নতুনদের ভুল হলে সেটা নিয়ে উচ্চবাচ্য না করা, আড্ডা দেওয়া ইত্যাদি। আমার একার কাজ নয় এটা, মিমি চক্রবর্তীর কাজ নয়। আমি তো ভালো করবই, সে জন্যই তো আমাকে নিয়েছে। কিন্তু আমি যদি সবাইকে নিয়ে ভালো করতে পারি, তাহলে সেটা পুরোপুরি আমার কাজ। নির্ঝর খুব ভালো কাস্টিং করেছে। আমি বলতাম— চিল কর। গাড়ির চালকের চরিত্রে যে অভিনয় করেছে সেটে বলত, আমি না ভুল করতেসি। জলপাইগুড়ির ভাষা আমার ভালো লাগত। আমি বলতাম, কর ভুল, আমার ভালো লাগে।

    ডাইনিপ্রথা বন্ধ হবে বলে মনে হয়— এর উত্তরে মিমি বলেন, হতে তো হবেই। যেদিন নারী-পুরুষ পুরোপুরিভাবে সমানাধিকার পাবে, সেদিন বন্ধ হবে। যেদিন ‘ফেমিনিজম’কে আলাদা ‘স্ল্যাং’ বলে ধরা হবে না, সেদিন বন্ধ হবে। কত রকম কথা। নারীরাই তো এই সমাজের খলনায়ক। আমরা এ রকম জামাকাপড় পরি বলে এটা হয়। আমার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে মানে আমার দোষ। অল্প বয়সে বিয়ে, তার পর স্বামীর মৃত্যুর পর আজীবন আমাকে ন্যাড়া হয়ে থাকতে হবে!

    উপজাতি অঞ্চলে যদি কোনো পশুর মৃত্যু হয়, সেই সময় তোমার যদি কোনো অসুখ হয় সে জন্ডিস হোক বা সামান্য ঠান্ডা লাগা, তুমি ডাইনিই। বাড়ির বাইরে ওরা কিছু জিনিস ঝুলিয়ে রাখে। তুমি পানি নিতে পারবে না। কেউ একদিন বাড়ির বাইরে খাবার ছুড়ে দেবে দূর থেকে, যেন তোমার কোভিড হয়েছে।

    আজ আমার ঋতুচক্রের প্রথম দিন। বিগত দুদিন ধরে ভালো করে ঘুমাতে পারিনি। এখন যদি আমি কোনো অনুষ্ঠানে ক্যামেরার সামনে কোনোভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে ফেলি, কেউ বুঝবে না আমার অসুবিধাটা। সবাই আমার ওই বিরক্তি প্রকাশটাকেই তুলে ধরবে।

    অনেক শিক্ষিত নারীও তো বলেন— ছেলে তো একটু রাগী হবেই। রাগের মাথায় হাত উঠে গেছে।—এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, একদম! অনেক শিক্ষিত পরিবারেই শুনেছি— ছেলেরা তো একটু মারবেই। আমাকে মা একদিন বলছিল— আজকাল এত সংসার ভেঙে যাচ্ছে। আমি মাকে বললাম— মা সংসার ভেঙে যাচ্ছে না, মানুষ সঠিক দিকটা বেছে নিচ্ছে। আমার বাবা ভালো মানুষ তাই তুমি রয়ে গেছ। তোমার মতো আরও অনেকে রয়ে গেছে। কারণ তারা স্বাবলম্বী নয়। আজ আমাকে বেরিয়ে মা-বাবার বাড়িতে যেতে হবে না। আমি ভাড়াবাড়িতে থাকতে পারব। নিজের ছেলেমেয়েকে অন্য জীবন দিতে পারব। কারণ আমি পড়াশোনা করেছি, কাজ করি। আমি স্বাধীন।

    অভিনেত্রী বলেন, একটা ঘটনা বলি— আমাদের পেছনে বিহারিপট্টিতে দেখি রোজ ঝামেলা হচ্ছে কোনো না কোনো পরিবারে। একদিন দেখি— এক নারীকে চড়, থাপ্পড় ও ঘুসি মারা হচ্ছে। অন্য লোকে গিয়ে বাঁচাচ্ছে। সেখানে ওই নারী বলছেন—আমার মরদ তো আমাকে মারবেই। আমি তো হাঁ!

    সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব রয়েছে বলে কি মনে হয়?—এমন প্রশ্নের উত্তরে মিমি বলেন, একেবারেই তাই। এই যে সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিং ব্যাপারটাকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কমেন্ট সেকশনে মেয়েদের গালাগাল করে। ধর্ষণের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ জন্যই আমি আমার ট্রলারদের আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছিলাম। সবসময় উপেক্ষা করলে ওরা ভাবে যেটা করছে সেটা ঠিক। আর যারা এ ধরনের হুমকি দিতে পারে, তারা মনে করে কোনো মেয়ের হাত ধরে টানলে তাতে কোনো ভুল নেই। কোনো মেয়ের বুকের খাঁজের দিকে তাকানোটাও ঠিক। স্বাভাবিক ঘটনা হিসাবে দেখা হয় এই ঘৃণ্য কাজগুলোকে। 

    তিনি বলেন, আমি দুঃখিত সেই সব বাচ্চার জন্য, যারা এটা ভেবে বড় হয়েছে যে, নারীদের এগুলো বলাই যায়। ওরা যে পরিবেশে বড় হয়েছে, ওদের সংস্কৃতি নিয়ে আমি দুঃখিত। এই দেশটা কোথায় যাচ্ছে— এটা ভেবে আমি দুঃখিত।

    মিমি নিজে কখনও এ ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন? অভিনেত্রী বলেন, আমি যখন এই শহরে এসেছিলাম, মা-বাবা, কাকা, দাদা কেউ ছিল না। আমি একাই এসেছিলাম। তখন কিন্তু পরিস্থিতি এ রকম ছিল না। কেউ একজন রাস্তায় পিছু নিলে অন্য চারজন তাকে রীতিমতো মার দিত। আমিই পিটিয়েছি কতজনকে!

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বাসে মেয়েদের কেন বুকের সামনে ব্যাগ রাখতে হয়’

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী বড় পর্দার পাশাপাশি নজর দিয়েছেন ওয়েব সিরিজেও। আগামী ১৪ মার্চ হইচইতে মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘ডাইনি’। 

    সম্প্রতি ওয়েব সিরিজটির ট্রেলার উদ্বোধনের মঞ্চে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন এই তারকা। যেখানে অভিনয়ের বাইরেও নারীদের দৈনন্দিন সংগ্রামের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। 

    ‘ডাইনি’তে সামাজিক কুপ্রথার বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেখা যাবে মিমিকে।  সেই প্রসঙ্গেই অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, এই ধরনের অন্ধবিশ্বাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ধর্ম ও লিঙ্গ রাজনীতি। শুধু অভিনেত্রী হিসেবে নয়, একজন নারী হিসেবে কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল এই চরিত্র তার কাছে?

    মিমি সোজাসাপ্টা উত্তরে বললেন, একজন নারী যখন জন্মায় তখন থেকেই সে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজকে অনুভব করতে শুরু করে। আমরা কলকাতায় কলেজ করেছি। জানি, কেন বাসে দাঁড়িয়ে থাকার সময় মেয়েদের ব্যাগটাকে সামনের দিকে নিতে হয়। শুধু কলকাতা বলে নয়, দেশের যে কোনো প্রান্তেই এই ঘটনা ঘটে। এখান থেকে মেয়েদের বেসিক স্ট্রাগলটা শুরু হয়। এরপর ধাপে ধাপে পুরুষতান্ত্রিকতা, বেতনের অসাম্য, একজন মহিলা অন্তঃসত্ত্বা হলে কাজ করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটে। এই বিষয়গুলোও সমাজের একেকটি অন্ধকার দিক।

    অভিনেত্রী বলেন, ইভটিজিং তো আজ থেকে শুরু হয়নি, সতীদাহ প্রথা কিংবা খনার জিভ কেটে নেওয়ার কথাও শুনেছি। সেটাও তো প্রাচীন ঘটনা। এটা কিন্তু শুধু মেয়েদের ক্ষেত্রেই হয়েছে।

    অভিনেত্রীর মতে, অনেকেই আজকাল ফেমিনিজমকে গালাগাল হিসাবে দেখেন। মেয়েদের নিয়ে কিছু বলতে গেলেও নারীবাদী বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি নিজেকে ফেমিনিস্ট বলে দাবি করেন না।

    মিমের কথায়, না, আমরা ফেমিনিস্ট নই। আমরা কেবল সেই জিনিসগুলোর জন্য লড়ছি যেগুলো আমাদের দেওয়া হয়নি। যদি আমাদের সমান হিসাবে গণ্য করা হতো, তাহলে তো এই তর্কটাই আসতো না। তাহলে তো আমাদের কিছু নিয়ে লড়াই করতেই হতো না। লড়াই করতে হচ্ছে তার কারণ নারীদের সাম্যের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিমির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সামাজিক মাধ্যমে যা বললেন অভিনেতা

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী পর্দার মতো বাস্তবেও নাকি প্রয়োজনে হাত চালাতে পিছপা হন না। যদি রাস্তায় কোনো দুষ্কৃতকে ধরে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার প্রয়োজন হয় কিংবা মুখের ওপর সোজাসাপটা কোনো কথা বলে দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে আছেন অভিনেত্রী। 

    আর যদি টালিপাড়ার কোনো বন্ধুর ওপর এমন দৃশ্য দেখা যায়, হয়তো ভক্ত-অনুরাগীরা ভাববেন কোনো সিনেমার শুটিং চলছে। না, কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়; এমন একজন কাছের বন্ধু ওপর জোরজুলুম অত্যাচার চালালেন মিমি চক্রবর্তী? 

    অভিনেত্রীর এমন আচরণ সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস করলেন ‘অত্যাচারিত’ অভিনেতা। কখনো সেটা মজা করে, আবার কখনো পরিস্থিতির কারণে। বিদেশ থেকে ফিরেই মিমির জোরজুলুম শুরু টালিপাড়ার সেই অভিনেতার ওপর। সেই অভিনেতার নাম অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। এবার অভিনেতার সব পরিশ্রম মাটি করে দিলেন অভিনেত্রী। 

    অনিন্দ্য ও মিমি চক্রবর্তী একে অপরের খুব ভালো বন্ধু। বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর মিমির সঙ্গে দেখা করেন অনিন্দ্য। তখনই ঘটে বিপদ। রীতিমতো ঘাড় ধরে জোর করে অনিন্দ্যকে একের পর এক মিষ্টি খাইয়ে দিলেন অভিনেত্রী। 

    যদিও অনিন্দ্য প্রথমে কাতর স্বরে জানিয়েছিলেন, পাঁচ দিন ধরে তিনি নাকি মিষ্টি খাননি। কারণ ডায়েটিং। আর সেই ডায়েটিং-ই এক ঝটকায় মাটি করে দিলেন মিমি। পুরো ঘটনার মুহূর্ত আবার সামাজিক মাধ্যমে সবার সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন অনিন্দ্য। 

    সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রথম দিকে মিমি জোর করে মিষ্টি খাইয়ে দিলেও পরে নিজেই সেই মিষ্টি খাচ্ছেন অনিন্দ্য। কিন্তু অভিনেতার আফসোস একটাই— মন শক্ত করে মিষ্টি না ছুঁয়ে যে ডায়েট চার্ট মানছিলেন, মিমির জন্য সেসব ভণ্ডুল হয়ে গেল। 

    আর একবার যখন তা নষ্ট হয়েই গেল তখন আর কী… আরও বেশি করে মিষ্টি মুখে পুরলেন অনিন্দ্য! একই সঙ্গে প্রিয় বন্ধুর জন্য ঠিক কী কী ‘অত্যাচার’ সহ্য করতে হয় অনিন্দ্যকে, সেটিও স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবার কি প্রেমে পড়েছেন মিমি?

    টলিপাড়ায় বেশকিছু দিন ধরে গুঞ্জন চলছে যে, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী নাকি প্রেমে পড়েছেন। এবার এইসব গুঞ্জনের মাঝেই নায়িকা তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখলেন ‘কেবলই যাতনাময়’। অভিনেত্রীর এই পোস্টের কারণে তার প্রেমের গুঞ্জনের পাল্লা আরও ভারি হলো। 

    তবে ব্যক্তিগত জীবন বা প্রেম সম্পর্কে কিছুই স্পষ্ট করেননি মিমি। নায়িকা সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে নিজের কিছু ছবি শেয়ার করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গানের ক্যাপশন দিয়ে লিখেছেন, ‘সখী, ভাবনা কাহারে বলে… সখী, যাতনা কাহারে বলে…তোমরা যে বল দিবস-রজনী “ভালোবাসা”, “ভালোবাসা”…সখী, ভালোবাসা কারে কয়…সে কি কেবলই যাতনাময়’।

    সাদা ও নীল রঙের কুর্তির সঙ্গে বেশ লম্বা ঝোলা দুল, ছোট নীল টিপ, হালকা মেকআপ আর খোলা চুলে ছবিতে বেশ প্রাণোচ্ছ্বল দেখাচ্ছিল মিমিকে। 

    ক্যাপশনের সঙ্গে অভিনেত্রীর এসব ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তার অনুরাগীরা কমেন্টে ভালোবাসা বিনিময় করেছেন। 

    একজন লেখেন, খুব সুন্দর গানটি এবং খুব সুন্দর লাগছে তোমাকে।

    অভিনেত্রীর আরেক ভক্ত প্রশ্ন করেন, কেন বিয়ে করছেন না?

    মিমি কবে বিয়ে করবেন তা নিয়ে কিছু জানা না গেলেও, টলিপাড়ায় জল্পনা অবশেষে নাকি মন দেওয়া-নেওয়া সেরে ফেলেছেন তিনি। এতদিন পর খুঁজে পেয়েছেন তার মিস্টার পারফেক্টকে। তবে তিনি নাকি বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত নন।

    প্রসঙ্গত, অভিনেতা রাজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মিমির। তবে ২০১৬ সালে ভেঙে যায় তাদের সম্পর্ক। কী কারণে প্রেম ভেঙেছিল তা নিয়েও তখন কম চর্চাও হয়নি। তারপর থেকে মিমি বরাবরই বলে এসেছিলেন তিনি সিঙ্গেল। 

    তবে সম্প্রতি তার কাছের বান্ধবী পার্নো মিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিমির প্রেমের জল্পনা উস্কে দিয়েছেন। সাগরপাড়ে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন মিমি। সেখানেই মিমি প্রেমে পড়েছিলেন বলে সন্দেহ পার্নোর।

    অনলাইন ডেস্ক

  • নতুন বছরে নতুন প্রেমে মজেছেন মিমি!

    টলিউডের অন্যতম ব্যস্ত নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। কাজের ফাঁকে রাজনীতিতেও সরব এই অভিনেত্রী। সবকিছু নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বললেও প্রেমজীবন নিয়ে বরাবরই মুখে কুলুপ নায়িকার।

    একটা সময় মিমির প্রেম জীবন নিয়ে চর্চা হয়েছে বিস্তর। এমনকি গত কয়েক বছর ধরেই নিজেকে সিঙ্গেল বলেও দাবি করছেন নায়িকা। তবে এবার ছুটি কাটাতে গিয়ে প্রেমের ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন অনেকটাই। সেটি নিয়ে আবার সন্দেহও প্রকাশ করেছেন তার বান্ধবী পার্ণো মিত্র।

    বিভিন্ন সময় একাকী ভ্রমণে যান মিমি। যেখানে যান সেখানকার ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেইজে শেয়ার করেন। এবার মিমি গিয়েছিলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখান থেকে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন। সেই ছবিগুলো নিয়েই তৈরি হয়েছে মিমির প্রেমের গুঞ্জন।

    মিমির ছবিগুলো কে তুলে দিল, যদিও ক্রেডিটে কারও নাম লেখেননি তিনি। শুধু ব্যবহার করেছেন একটি লাল হৃদয়ের ইমোজি। আর তা নিয়েই নানান প্রশ্ন জেগে উঠেছে নেটিজেনদের মনে।

    মিমির একটি ছবিতে কমেন্ট করেন পার্ণো মিত্র। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কৃতজ্ঞতা স্বীকার হৃদয়ের চিহ্ন? হুমম!’ যদিও পার্ণোকে পালটা উত্তর দেননি মিমি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিমিকে সবার সামনে অঙ্কুশের চরম অপমান, কী জবাব দিলেন অভিনেত্রী

    টালিউডের দুই জনপ্রিয় মুখ অঙ্কুশ ও মিমি চক্রবর্তীর বন্ধুত্বের কথা অজানা নয় কারও কাছেই। একসময় একের পর এক সুপারহিট বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেছেন তারা। বড় পর্দায় তাদের জুটির রসায়ন দারুন পছন্দ করেন দর্শকরাও। কিন্তু বাস্তব জীবনে দেখা হলেই টম অ্যান্ড জেরির মতোই আচরণ করতে দেখা যায় অঙ্কুশ-মিমিকে।

    যদিও অনেকদিন হলো একসঙ্গে বড়পর্দায় দেখা যায় না তাদের। তবে সামাজিকমাধ্যমের বদৌলতে এবার এই জুটির খুনসুটির ঝলক ধরা পরল নেটপাড়ায়। সোমবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন মিমি। যদিও সেই ভিডিওতে ক্যামেরার সামনে নেই মিমি। তিনি রয়েছেন ক্যামেরার পিছনে।

    প্রসঙ্গত, এখন অঙ্কুশ মিমি একই পাড়ার প্রতিবেশী। এদিন অভিনেত্রীর বাড়িতেই ঘরোয়া পোষাকে হাজির হয়েছিলেন অঙ্কুশ। সেখানে মিমির পোষ্য কুকুর জাদুকে জাপ্টে ধরে বসে আছেন মিমির আরও এক ভালো বন্ধু অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু এদিন হঠাৎ করেই সকলের সামনেই মিমিকে প্রকাশ্যে অপমান করতে শুরু করেন অঙ্কুশ।

    পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি মিমিও। কিন্তু ঘটনাটা কি? ঠিক কি হয়েছিল সেই দিন? ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নায়িকার বাড়িতে ঘরোয়া আড্ডা দিতে গিয়েছিলেন অঙ্কুশ হাজরা। তার পাশেই সোফাতে বসে রয়েছেন মিমির বন্ধু অনিন্দ্য। তার কাছে আরাম করে বসে আছে মিমির পোষ্য জাদু। কিন্তু বাড়িতে অঙ্কুশ ঢোকা মাত্রই তাকে দেখে চিৎকার শুরু করে দেয় জাদু।

    তখনই অঙ্কুশ তার দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করেন, সুন্দর দেখতে লোকজনকে দেখা অভ্যাস নেই তোমার বুঝতে পারছি। আমরা কিন্তু মানুষ। তোমার বাড়িতে যে থাকে সে আসলে কাকতাড়ুয়া। তারপরেই দেখা যায়, এভাবে সকলের সামনে কাকতাড়ুয়া বলে অপমান করায় অঙ্কুশের দিকে তেড়ে যান মিমি।

    আর গিয়ে সোজা তাকে মারধর করা শুরু করে দেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয় আদরের পোষ্যকে দেখিয়েই এদিন অঙ্কুশকে মিমি হুমকি দিয়ে বলেন, ও ‘কামড়ে দিলে বুঝবি’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাপুরুষের দল, অশ্লীল কথা বলে আমাকে থামানো যাবে না: মিমি

    আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে প্রথম থেকেই সরব ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। ১৪ আগস্ট মেয়েদের ‘রাত দখল’-এর কর্মসূচিতেও শামিল হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার এক সপ্তাহ পরে অভিনেত্রীকেই সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ষণের হুমকির মুখে পড়তে হয়। এ ঘটনা সাইবার অপরাধ দমন শাখায় অভিযোগও করেছেন তিনি। 

    সম্প্রতি এ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মিমি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, হুমকি দিয়ে তাকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

    ওই পোস্টে মিমি লিখেন, কাপুরুষের দল, আমায় গালাগাল করে কোনো লাভ হবে না। আমাকে থামানো যাবে না। আমাকে হুমকি দিয়ে লাভ নেই। আমি নির্ভীক হয়েই জন্মেছি। আমাদের মেয়েরা-বোনেরা সকলেই এমন নির্ভীক। আমাদের মেয়েদের বিরুদ্ধে যারা, তাদের সকলের বিরুদ্ধে এই লড়াই। ওরা ভাবে ওরাই বেশি শক্তিশালী লিঙ্গ এবং আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

    পোস্টের শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করে মিমি লিখেন, লজ্জা! আপনাদের পারিবারিক শিক্ষাও লজ্জার। আপনাদের গোটা অস্তিত্বই লজ্জার।

    উল্লেখ কয়েকদিন আগে মিমিকে হুমকি দিয়ে একজন লিখেন, আজ এই কাণ্ড যদি মিমির সঙ্গে ঘটতো তাহলে কী করতো? মিমির পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হতো নাকি? তাহলে মিমিকে আমার ঘরে পাঠিয়ে দিলে আমি তার পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে দেব। এক্স হ্যান্ডলে নিজেই সেই হুমকির স্ক্রিনশট তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। সেইসঙ্গে পোস্টটি সাইবার ক্রাইম বিভাগকে ট্যাগ করেছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার ‘তুফান’–এর সাফল্য কামনায় কালীমন্দিরে মিমি

    মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আলোচনায় ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানে ‘তুফান’ ছবিটি। ঢাকাসহ সারা দেশে দর্শকের উপচেপড়া ভিড়ে প্রেক্ষাগৃহ কাঁপিয়েছে জনপ্রিয় নির্মাতা রায়হান রাফী পরিচালিত এই সিনেমাটি।

    rnrn

    বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে মুক্তির পর ভারতেও মুক্তি পেয়েছে ‘তুফান’। 

    rnrn

    গত শুক্রবার ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।  

    rnrn

    তাই এবার নিজ দেশেও ছবিটির সাফল্য কামনায় কালীঘাটে পূজা দিয়েছেন নায়িকা মিমি চক্রবর্তী।

    rnrn

    ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবর, শনিবার সকাল সকাল কালীঘাটে পৌঁছে যান মিমি চক্রবর্তী।

    rnrn

    গোলাপি রঙের চুড়িদার পরে কালীমন্দিরে গিয়ে পূজা দেন। মা কালীকে জড়িয়ে ধরে মনের কথা জানান অভিনেত্রী। এরপর নিজের হাতে আরতি করেন।

    rnrn

    কালীঘাটে আশপাশের অন্যান্য মন্দিরেও পূজা দেন মিমি। অঞ্জলি দেওয়ার পাশাপাশি আরতি করেন অভিনেত্রী।

    rnrn

    ‘তুফান’ সিনেমায় শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তীর গান ‘লাগে উরাধুরা’ ও ‘দুষ্টু কোকিল’ মুক্তির পর থেকেই ব্যাপকভাবে আলোচিত। বাংলাদেশের মতো কলকাতাতেও তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে গান দুটি।

    rnrn

    ভারতের আগেই বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, ওমান, কাতার, পর্তুগাল, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।

    বিনোদন ডেস্ক