Tag: মাহিরা খান

  • মাহিরা খান কি আবারও বলিউডে অভিনয় করবেন?

    পাকিস্তানি সুপারস্টার মাহিরা খান ভারতেও ব্যাপক জনপ্রিয়।  ২০১৭ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘রইস’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে তার অভিষেক হয়। যদিও পরবর্তীতে ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বসহ আরও বেশকিছু কারণে তার আর কোনো বলিউড সিনেমায় কাজ করা হয়নি।  

    দীর্ঘদিন পর বলিউডে পাকিস্তানি শিল্পীদের নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও তা স্থায়ী হয়নি। সম্প্রতি কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে পাকিস্তানি শিল্পীদের বলিউডে কাজ করা আবারও অনিশ্চয়তার মুখে।  এমন পরিস্থিতিতে মাহিরা খানকে এক ভক্তের প্রশ্ন- বলিউডে আবারও তিনি কাজ করবেন কিনা। 

    এই প্রশ্নটির উত্তর খুব চিন্তাভাবনা করে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজেদের ইন্ডাস্ট্রিতে মনোযোগ দেওয়া দরকার। আমি এমন একজন, যে ‘ক্যানসেল কালচার’ বা বয়কটের ধারনায় বিশ্বাস করি না। দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি—আমি মনে করি না এটি সঠিক পন্থা। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা সবাই আবেগপ্রবণ। শেষ পর্যন্ত আপনার দেশই আপনার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের পাকিস্তানের ওপর বিনিয়োগ করা উচিত।’


    তার এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ তার পরিপক্ব ও কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেছেন এবং পাকিস্তানের বিনোদন শিল্পকে শক্তিশালী করার আহ্বানকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। আবার কেউ কেউ মনে করেছেন, তিনি ভারত-পাকিস্তান বিনোদন সম্পর্ক নিয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান নেননি।

    সামাজিকমাধ্যমে একজন মন্তব্য করেন, ‘তিনি রাজনৈতিকভাবে সঠিক উত্তর দিয়েছেন, কিন্তু ভক্তরা আরও দৃঢ় অবস্থান চেয়েছিল।’ অন্য একজন লিখেন, ‘তিনি ঠিক বলেছেন—আমাদের পাকিস্তানি ড্রামা ইন্ডাস্ট্রির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত, এটি এশিয়ার অন্যতম বড় ইন্ডাস্ট্রি।’

    মাহিরা খান ‘হামসফর’, সদকে তুমহারে’র মতো জনপ্রিয় পাকিস্তানের ড্রামায় অনবদ্য অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান।  বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে তার আসন্ন সিনেমা ‘লাভ গুরু’র প্রচারণায় ব্যস্ত। এতে তার বিরপীতে অভিনয় করেছেন হুমায়ুন সাঈদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানে ভারতের হামলা, হানিয়া আমির-মাহিরা খানদের যে প্রতিক্রিয়া

    কাশ্মীরে পহেলগাঁও হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকদিন ধরে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক। চলমান এই পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরসহ দেশটির অন্তত নয়টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। 

    এই তাৎক্ষণিক পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তান। পাকিস্তান সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হামলায় অংশ নেওয়া ভারতের পাঁচটি জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করেছে। কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ব্রিগেডের সদরদপ্তর ও তল্লাশি চৌকিও গুঁড়িয় দেওয়ার দাবি করেছে তারা।

    এদিকে ভারতের এ হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমির ও মাহিরা খান।

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মাহিরা লিখেছেন, ‘প্রকৃত অর্থেই কাপুরুষোচিত হামলা! আল্লাহ আমাদের দেশকে রক্ষা করুন। আমিন।’ অন্যদিকে একশব্দে ভারতের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান তুলে ধরে হানিয়া লিখেছেন, ‘কাপুরুষোচিত’।

    এদিকে কিছুদিন আগে কাশ্মীরে হামলা নিয়েও সোশ্যাল হ্যান্ডেলে সরব হয়েছিলেন মাহিরা। তিনি লিখেছিলেন, ‘বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যে কোনোরকম হিংসার ঘটনা ঘটানো কাপুরুষোচিত কাজ ছাড়া আর কিছুই নয়! পহেলগাঁওকাণ্ডে যারা ভুক্তভোগী, তাদের সকলের প্রতি আমার সমবেদনা জানাচ্ছি।’ যদিও সে পোস্ট বেশিক্ষণ রাখতে পারেননি মাহিরা। নেটিজেনদের কটাক্ষে মুছে দিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পেহেলগাঁওয়ের ঘটনায় যে পোস্ট দেওয়ার পর মুছে দিলেন মাহিরা

    কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ের হতাহতের ঘটনায় সাধারণ মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি বিনোদন জগতের তারকারাও নিন্দা প্রকাশ করছেন। শুধু বলিউড, টালিউড তারকারাই নন, পাকিস্তানি শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও এ ঘটনায় মর্মাহত। 

    ইতোমধ্যে অনেক পাক তারকাই এ ঘটনার নিন্দার কথা বলেছেন। অভিনেত্রী মাহিরা খানও সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে নিন্দা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা পরই সেটি মুছেও দেন।

    গত বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ৯টার দিকে একটি স্টোরি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন অভিনেত্রী মাহিরা খান। তিনি লিখেছেন—বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে যে কোনো হিংসাত্মক ঘটনা কাপুরুষতার পরিচয়। পেহেলগাঁওয়ে নিহত সবার প্রতি আমি শোকাহত। কিন্তু সেই পোস্টটি ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই অর্থাৎ শুক্রবার সকালে মুছে দেন অভিনেত্রী। কেন এই পোস্ট মুছে দিলেন মাহিরা, তা নেটিজেনদের প্রশ্ন।

    ইতোমধ্যে পাকিস্তান থেকে অভিনেতা ফাওয়াদ খান, হানিয়া আমির, মাওরা হোসেনও এ ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ২৬ পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খ্যাতির সঙ্গে প্রতিপত্তিও বেড়েছে তাদের

    শেষ কয়েক বছর আলোচনায় পাকিস্তানের অভিনেতারা। নাটক, সিনেমা কিংবা টেলিফিল্ম—মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন দেশটির ছোট ও বড় পর্দার তারকারা। মানচিত্র ফুঁড়ে খ্যাতিও তাই ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বে। একই সঙ্গে এসব তারকার প্রতিপত্তিও বেড়েছে বেশ। কোটিপতি বনে গেছেন ডজনখানেক তারকা।

    খ্যাতির সঙ্গে এসব তারকাদের পকেটে অর্থও এসেছে কাড়িকাড়ি। হুমায়ুন সাঈদ থেকে মাহিরা খান—দুহাতে কামিয়েছেন। কোটিপতি হওয়া এসব তারকাদের নিয়েই প্রতিবেদন করেছে পাকিস্তানের অন্যতম গণমাধ্যম সামা টিভি। কোটিপতিদের আয়ের উৎস এবং বর্তমান অর্থও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

    • হুমায়ুন সাঈদ: মর্ডান তারকা হিসেবে সাঈদের খ্যাতি পাকিস্তান জুড়ে। তিনি শুধু অভিনেতাই নন, পুরোদস্তর মিডিয়াম্যান। সিক্স সিগমা প্লাস প্রোডাকশন হাউসের সিইও তিনি। তার হাউস থেকে অসংখ্য দুর্দান্ত সব নাটক বেরিয়েছে। তারকা এই অভিনেতার অ্যাকাউন্টে আছে ৫০ মিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানি মুদ্রায় তা ১৩৮০ কোটি।
    • সান সাহিদ: পাকিস্তানি সিনেমার কিং খ্যাত সাহিদের চড়ামূল্য। কোনো সিনেমায় তাকে পেতে খসাতে হয় শতকোটি পাকিস্তানি রূপি। তার ঝুলিতে আছে খুদা কে লিয়ে, বুলান্ডি ও জিলে শাহ সহ একাধিক ব্লকবাস্টার মুভি। তার ঝুলিতে এখন ২০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থ মজুদ আছে।
    • মায়া আলী: তাকে ধরা হয় পাকিস্তানের অন্যতম মডেল হিসেবে। মায়া প্রিতের মালিক ও ডিজাইনার মায়ার ঝুলিতে আছে ১৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থ। 
    • মাহিরা খান: তিনি পুরোদস্তর একজন অভিনেতা। পাকিস্তানের অন্যতম ড্রামা কুইনের ঝুলিতে আছে ৮ মিলিয়নের মতো পাউন্ড। নতুন করেও বেশ কিছু মুভি ও নাটকে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই সুন্দরী অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওয়াহাজ ও মাহিরার পক্ষ থেকে সুখবর

    পাকিস্তানের সিনেমা বা নাটক প্রেমীদের জন্য বড় সুখবর। আবারও পর্দায় এক হচ্ছেন ওয়াহাজ আলী ও মাহিরা খান। সুখবর একটি নয়, দুই সুপারস্টার একসঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করবেন দুটি প্রজেক্টে। কাজও শুরু হয়ে গেছে।

    এরমাঝে একটি ঈদ স্পেশাল টেলিফিল্ম। ঈদুল আযহার সময় সিনেমাটি দেখাবে হাম টিভি। ইতোমধ্যে সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দর্শকরা ৭ জুন দেখতে পাবে টেলিফিল্মটি। তবে প্রজেক্টটি কি নামে, তা জানানো হয়নি।

    কাহিনী লিখেছেন পাকিস্তানের খ্যাতিমান স্ক্রিনরাইটার ফরহাদ ইশতিয়াক। পরিচালনা করবেন শেহজাদ কাশ্মিরি। ছবির কাজ পুরোদমে চলছে। মাহিরা ও ওয়াহাজও নিজেদের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলে সেসব শেয়ারও করেছেন।


    এখানেই শেষ নয়, এই দুই তারকার আরও একটি প্রজেক্ট আসছে ঈদের পর। গ্রিন এন্টারটেইনমেন্টের ‘মিট্টি দে বাওয়া’ শিরোনামে আসবে একটি নাটক। ঈদুল আযহার পরপরই নাটকের কাজ শুরু হবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে মাহিরা খানের কাছে কৃতজ্ঞ জারার খান

    পাকিস্তানের তরুণ অভিনেত্রী ও মডেল জারার খান। সম্প্রতি টিভি নাটক ও টেলিফিল্মে তার অভিনয় দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। পাকিস্তানের উঠতি এ অভিনেত্রী তার ক্যারিয়ারের আজকের অবস্থার জন্য পেছনে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খানের ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল যখন মাহিরা খানের সৌজন্যে। তিনিই প্রথম তার প্রতিভা চিনে তাকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জারার খান তার জীবন এবং ক্যারিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে এসব কথা বলেন।

    অভিনেত্রী জানান, একটি কমার্শিয়ালে কাজ করার পর তাকে মাহিরা খানের সঙ্গে একটি চলচ্চিত্রে ছোট একটি ভূমিকায় অভিনয় করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    জারার বলেন, শুটিংয়ের সময় মাহিরা খান আমার দক্ষতার প্রশংসা করেছিলেন এবং আমাকে তার স্পোর্টস সিরিজের একটি চরিত্রে অভিনয়ের ‍সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যা আমার ক্যারিয়ারের শুভ সূচনা এনে দিয়েছিল।

    সেই সিরিজের পর জারার খান ৭-৮টি নাটক, টেলিফিল্ম, সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি টিভি নাটকে তার অভিনয় ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। যা তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করেছে।

    জারার খান বর্তমানে মাহিরা খান এবং ফাওয়াদ খানের সঙ্গে একটি সিনেমায় কাজ করছেন। শীঘ্রই সিনেমাটি পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • স্বামী সম্পর্কে যে গোপন তথ্য দিলেন মাহিরা খান

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি জানিয়েছেন, বিখ্যাত ভারতীয় পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালী ১৫ বছর আগে তাকে তার জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘হীরামান্ডি’-তে কাস্ট করতে চেয়েছিলেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন নিজের স্বামীর সম্পর্কে গোপন তথ্যও। 

    সম্প্রতি বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মাহিরা এসব তথ্য জানান।

    ৩৯ বছর বয়সি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী ২০০৭ সালে ২৩ বছর বয়সে প্রথমবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার প্রথম স্বামী ছিলেন বিখ্যাত অভিনেতা ও ফিল্ম ডিরেক্টর আলি আসকারি। নিউ ইয়র্কে জন্ম নেওয়া আসকারির সঙ্গে তিনি ৮ বছর সংসার করেন। ২০১৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

    এর ৮ বছর বিরতির পর ২০২৩ সালে পাকিস্তানের একজন নামকরা ব্যবসায়ী সেলিম করিমকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী।      

    মাহিরা তার স্বামী সেলিম করিম সম্পর্কে বলেন, ‘আমি তাকে প্রথম দেখেই ভেবে নিয়েছিলাম যে, আমি এই মানুষটিকেই বিয়ে করব’। 

    তবে এই ব্যবসায়ীকে বিয়ে করতে সময় লেগেছিল অভিনেত্রীর, কারণ তিনি এ নিয়ে ভীত ছিলেন।

    মাহিরা বলেন, ‘সেলিম নিখুঁত নয়, আমিও না। কিন্তু আমি তার প্রতি গর্ব অনুভব করি এবং তার স্ত্রী হতে পেরে আমার গর্বিত’।

    তিনি আরও জানান, তার জীবন ও কল্পনাজুড়ে কেবল তিনি এবং তার ছেলে আজলানই ছিলেন। যদিও তাদের পরিবারে এখন অন্যরাও যুক্ত হয়েছেন। তবুও এই নতুন গতিশীলতায় তিনি খুশি।

    বিয়ের দিন ছেলে আজলানই তাকে আইল ধরে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল বলে জানান মাহিরা খান। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি আমার ছেলের প্রতি গর্বিত। আমি চেয়েছিলাম সে আমাকে নিয়ে আইলে হাঁটুক এবং সে তা করেছে’। ‍সূত্র: দ্য ডন

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সেই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিদিন কাঁদতাম’

    বলিউডে বেশ জনপ্রিয় পাকিস্তানের অভিনেত্রী মাহিরা খান। ‘রইস’ সিনেমায় শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান মাহিরা।

    সম্প্রতি অভিনেত্রী তার পেশাগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছেন। বিশেষ করে রণবীরের সঙ্গে তার একটি ভাইরাল ছবি নিয়েও কথা বলেছেন। কথা বলেছেন হিন্দি সিনেমায় কাজ করার নিষেধাজ্ঞা নিয়েও।

    মাহিরা এক সাক্ষাৎকারে রণবীরের সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ছবি নিয়ে মুখ খোলেন। অভিনেত্রী বলেন, ‘যখন ভাইরাল ছবিটি দেখি তখন মনে হয়েছিল- ক্যারিয়ার শেষ।’

    মাহিরা আরও বলেন, যখন ছবিগুলো ভাইরাল হয়, তখন বিবিসিতে ‘দ্য লিটল হোয়াইট ড্রেস’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। আমি তখন সেই লেখার গুরুত্ব বুঝতে পারিনি। বরং আমি ভেবেছিলাম, আমার ক্যারিয়ার কি শেষ হয়ে গেল?

    অভিনেত্রী আরও বলেন, সেই খবরে লেখা ছিল- এই মেয়ে এমন এক সাফল্য অর্জন করেছে, যা পাকিস্তানে কেউ পায়নি। সব ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট ও সাফল্য, আর এখন সব শেষ। তার কী হবে? আমি তখন ভেবেছিলাম, বিপদ!

    মাহিরা আরও বলেন, তখন আমি নিজেকে বলেছিলাম, তুমি কি পাগল? এটা শেষ হয়ে যাবে। সেই সময়টা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। আমি বিছানা থেকে উঠতাম না, প্রতিদিন কাঁদতাম। এটা আমার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলেছিল। ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কিছু ঘটে গিয়েছিল তখন।

    রণবীর কাপুরের সঙ্গে মাহিরার প্রেমের গুজব ছড়িয়ে পড়ে নিউইয়র্কের রাস্তায় তাদের একসঙ্গে ধূমপানের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে। সেই ছবি ভাইরাল হওয়ায় তাদের সম্পর্ক ফিকে হয়ে যায়।

    মাহিরা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমার সন্তান ও আমার জন্য যা ঠিক ছিল সেটা করেছি। পেশাগত দিক থেকে আমি চুপ ছিলাম, কারণ তখন কিছু বলার পরিস্থিতিতে ছিলাম না। তবে সব ব্র্যান্ড আমাকে সমর্থন করেছিল এবং বলেছিল, ‘আমরা তোমার সঙ্গে আছি।’

    মাহিরা খান গত বছর সালিম করিমকে বিয়ে করেন। এর আগে ২০১৫ সালে আলি আসকারির সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। তাদের ১৩ বছরের একমাত্র সন্তান আজলান রয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রণবীরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি মাহিরার, যেভাবে সামাল দেন অভিনেত্রী

    বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুরের সঙ্গে একান্ত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। এরপর ভেঙে পড়েছিলেন বলিউডের পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। যেভাবে দিন কেটেছিল মাহিরার, সে কথাই জানালেন অভিনেত্রী।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর ৯ আগের কথা। বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘রইস’ ছবি করার পর ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। কিন্তু পর পর এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় যে, ভারতে আর ছবি করে ওঠা হয়নি অভিনেত্রীর। যার মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত ছিল রণবীর কাপুরের সঙ্গে মাহিরার ধূমপানের ভিডিও। সঙ্গে নজরে আসে অভিনেত্রীর পিঠে কামড়ের দাগ। 

    ঊরি হামলার পর পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয় এ দেশে। ফলে শিল্পীদের ভারতে এসে কাজ করার পথ বন্ধ হয়ে যায়। রণবীরের সঙ্গে ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর মাহিরা ভেঙে পড়েছিলেন।

    সেই ধূমপানের ছবিটি নাকি নিউইয়র্কে তোলা। একটি হোটেলের বাইরে একান্ত যাপন করছিলেন রণবীর-মাহিরা। অভিনেত্রীর পরনে সাদা পিঠ খোলা জামা, এলোমেলো চুল। রণবীরের পরনে ট্র্যাক প্যান্ট ও টি-শার্ট। হোটেলের বারান্দায় ধূমপান করছেন দুজনে। এই ছবিতে অনেকেরই নজর কাড়ে মাহিরার পিঠে কামড়ের দাগ। সেই নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন মাহিরা। অনেকেই তাকে বলতে শুরু করেন তার ক্যারিয়ার এবার শেষ। সেই সময় মাহিরার বিয়ে ভেঙেছে, ছেলে ছোট। যার ফলে খানিকটা চাপ অনুভব করেছিলেন তা স্বীকার করে নেন মাহিরা। তিনি বলেন, ছবি নিয়ে মানুষের সমালোচনায় আমিও ভেঙে পড়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে সামাল দেব। একটা সময় রাতভর কেঁদে কাটিয়েছি।

    সময়টা কঠিন ছিল। কিন্তু মাহিরা খান কঠিন সময় একা পার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অভিনেত্রী বলেন, সেই বছরটা অদ্ভুত একটা সফরের মধ্য দিয়ে গেছে। একে আমার বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে, তার পর ছেলেকে একা হাতে মানুষ করছি। ওদিকে প্রতিবেশী দেশের পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা। সব মিলিয়ে বড্ড কঠিন ছিল সময়টা। তবে সেভাবে কাউকে বুঝতে দিইনি। সেই ঘটনার পর অনেকগুলো বছর কেটে গেছে। দ্বিতীয়বার ঘর বেঁধেছেন মাহিরা। রণবীরও এখন সংসারী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রচারের লোভে শাহরুখকে ব্যবহার প্রসঙ্গে যা বললেন মাহিরা

    পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করার পর থেকেই আলোচনা-সমালোচনায় আছেন। ‘রইস’ মুক্তির সাত বছর পরও বাদশাকে নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় অভিনেত্রীকে। 

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, কিং খানের সঙ্গে বলিউডের ছবিতে অভিনয় করেছিলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। ২০১৭ সালে মুক্তি পায় রাহুল ঢোলাকিয়া পরিচালিত ছবি ‘রইস’। এ ছবিতে বাদশার সঙ্গে মাহিরার রসায়ন দর্শকদের পছন্দ হয়। তারপর থেকেই একাধিক সময়ে ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে শাহরুখের সঙ্গে কাজ নিয়ে কথা বলেন মাহিরা খান। তবে তার জন্য তাকে অনেক সময়েই কটাক্ষের শিকারও হতে হয়েছে। সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে সমালোচকদের উদ্দেশে পাল্টা উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী।

    মাহিরা শাহরুখের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বলেই মাঝেমধ্যেই তাকে সেই কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু শাহরুখকে নিয়ে বারবার কথা বলায় অনেকেই মনে করেন, পুরোটাই অভিনেত্রীর প্রচারের আলোয় থাকার কৌশল। কারণ শাহরুখকে নিয়ে কথা বললে মাহিরা চর্চায় থাকবেন এমন ধারণা নেটিজেনদের।

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে মাহিরাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাকে কেউ প্রশ্ন করলে আমি উত্তর দিই। কিন্তু মানুষ ভাবে, আমি নিজে থেকেই ওর (শাহরুখ) বিষয়ে কথা বলছি। আমি তো নিজে থেকে কখনই তাকে নিয়ে কথা বলি না। 

    এ ধরনের আলোচনা শুনলে মাহিরার মনের মধ্যে কী চলে, তা-ও স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আমার তো মনে হয়, কারও কোনো সমস্যা হলে আমাকে ওর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করারই কোনো প্রয়োজন পড়ে না।

    বিনোদন ডেস্ক