Tag: মামুনুর রশীদ

  • ভিউ বাণিজ্যে মানহীন নাটক, অশ্লীলতা ঠেকাতে প্রয়োজন সরকারি পদক্ষেপ

    প্রান্তিক দর্শকের কাছে একসময় বাংলা নাটক ছিল বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। বিশেষ করে গ্রামীণ দর্শক। সেটা ছিল টেলিভিশনে। তাও আবার বিটিভিতে। এরপর স্যাটেলাইটের কল্যাণে দর্শকরাও ভিন্ন স্বাদের নাটকের সঙ্গে পরিচিত হন। তবে এ মাধ্যমটির স্থায়িত্বও বেশি বছর হয়নি। 

    নাটকের প্রচারস্থান দখল করে নিয়েছে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে নাটক অনলাইনকেন্দ্রিক, বিশেষ করে ইউটিউব চ্যানেল। দর্শকরাও নিজেদের সময়-সুযোগ মতো পছন্দের নাটক দেখে নিতে পারছেন অনলাইনে। এ কারণে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকছেন নির্মাতা ও কলাকুশলীরা। আর তাতেই প্রাধান্য পাচ্ছে ‘ভিউ’ নামক একটি শব্দ। কারণ, যত ভিউ তত টাকা। স্বাভাবিকভাবে ভিউকে টার্গেট করেই নির্মিত হয় নাটক। 

    তবে ভিউ যখন লক্ষ্য হয়, তখন নাটক হয়ে যায় ‘কনটেন্ট’। বেশি ভিউয়ের আশায় প্রযোজক, নির্মাতা থেকে শুরু করে শিল্পীরাও এ ভার্চুয়াল লড়াইয়ে মত্ত। ভিউ বাড়াতে দেওয়া হচ্ছে নাটকগুলোর অদ্ভুত, অশ্লীল, চটকদার ও কুরুচিপূর্ণ সব নাম। যা আমাদের দেশের শিল্প সংস্কৃতিকে বিশ্বে অত্যন্ত অমর্যাদাকরভাবে তুলে ধরছে। ব্যবসায়িক চিন্তা করে দিন দিন বাংলা নাটকের ঐতিহ্য বিলীনের পথে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। 

    বর্তমান সময়ে একটি নাটকের মান নির্ণয় করা হয় ইউটিউব চ্যানেলে কত ভিউ হলো তার ওপর। মানের দিক বিবেচনা না করে, ভিউয়ের ওপর সেটার দর্শকপ্রিয়তা বিচার করা হচ্ছে। ফলে নির্মাতা-শিল্পীরাও ভিউয়ের পেছনে ছুটছেন। তাতে করে নাটকের মান যেমন হারিয়ে যাচ্ছে, তেমনি করে তৈরি হচ্ছে কাণ্ডজ্ঞ্যানহীন অদক্ষ কিছু শিল্পী।

    বর্তমানে ভিউয়ের পেছনে ছুটতে গিয়ে নাটকে যুক্ত করা হচ্ছে এমন সব মানুষ, যারা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ভাইরাল হয়ে উঠে এসেছেন। কিছু ভিউয়ের আশায় সেসব অভিনয় না জানা মানুষদের দিয়েই জোর করে করানো হচ্ছে অভিনয়। জোর করে কথাটা বলার কারণ হচ্ছে, অভিনয় বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান বা পড়াশোনা নেই। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলেই তাকে নাটকে রাখা হচ্ছে। এ ছাড়াও বর্তমানে নাটকে ভিউ দেখে শিল্পী নির্বাচন করা হয়ে থাকে। আর তাতে করেই ভিউওয়ালা কিছুসংখ্যক শিল্পী সিন্ডিকেট করছেন প্রতিনিয়ত। নায়ক কিংবা নায়িকা- প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পীরাই এসব সিন্ডিকেটের হোতা। তাদের ক্ষমতা এতটাই যে, তাদের কথামতো পরিচালক-প্রযোজক কাজ না করলে মিলছে না তাদের ডেট। আর তাতেই অগত্যা বাধ্য হয়েই পরিচালকরা তাদের কথা মেনে নিচ্ছেন। 

    এদিকে এসব শিল্পীকে নিয়ে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে সমালোচনা। শুটিং সেটে নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডেও এসব শিল্পীর নাম বারবার উঠে আসছে। শুটিং সেটে মারামারি, মাদক সেবন থেকে শুরু করে ধর্ষণের চেষ্টার মতো অভিযোগও উঠেছে। যা বাংলা নাটকের অস্তিত্বে জোরালোভাবেই আঘাত করছে। এরাও নাটকের শিল্পী আর নাটকেই অভিনয় করছেন। তাই এদের অপকর্মের দায় গোটা নাটক ইন্ডাস্ট্রিকেই বহন করতে হচ্ছে।

    আগাছার মতো এসব শিল্পীর জন্ম হয়েছে ভিউ বাণিজ্যের শুরু থেকেই। নিয়ন্ত্রণহীন এ ভিউ ব্যবসা এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে অসামাজিক করে তুলেছে। যা রীতিমতো বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এসব সস্তা নাটকগুলো বেশিরভাগ নির্মিত হয় নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলগুলোর জন্য। যা কোনোভাবেই আটকানোও যাচ্ছে না। এসব নিয়ন্ত্রণে এখন সরকারের পদক্ষেপ নেওয়াটা সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে বলেও মনে করছেন অনেকে। 

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘কুরুচিপূর্ণ যেসব মানহীন নাটক তৈরি হচ্ছে সেগুলো যার যার চ্যানেল থেকে সে প্রকাশ করছে। তাই সাংগঠনিকভাবেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারি পদক্ষেপ জরুরি, যা দেখা যাচ্ছে না। এ কুরুচিপূর্ণ নাম ও মানহীন নাটক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটা জাতীয়ভাবে মনিটরিং সেল গঠন করার কথাও বলছেন অনেকে। যেন ইচ্ছা করলেই তা কেউ আর প্রচার করতে না পারে। তাহলেই এটার লাগাম টানা সম্ভব।

    মানহীন এসব নাটক প্রসঙ্গে একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা আবুল হায়াত বলেন, ‘এখন শিল্পটাকে টোটালি সরিয়ে ব্যবসাকে মুখ্য করা হয়েছে। যেখানে ব্যবসা প্রধান হয়ে যায়, সেখানে মানুষের প্রবণতা হয়, কীভাবে আরও বেশি ব্যবসায়িক সাফল্য পাওয়া যায় এবং বেশি অর্থ উপার্জন করা যায়। আর শিল্পাঙ্গনের মানুষের সেটাই যদি মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে যায়, তখন এদিক-ওদিক করার একটা ইচ্ছা তাদের মধ্যে জেগেই ওঠে। সেগুলোরই প্রতিফলন এখন সবাই দেখছি। আগে যে ধরনের বন্ধনগুলো ছিল, সামাজিক বন্ধন, মূল্যবোধ সেগুলো ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। এখন তো নাটক-সিনেমায় মজা দেওয়াটাই মুখ্য ব্যাপার হয়ে গেছে।’

    অনলাইনে নাটকের নামে কী নির্মিত হচ্ছে, এমন প্রশ্নে প্রখ্যাত অভিনেত্রী দিলারা জামান বলেন, ‘ওসব নাটকের একেকটা যখন চোখের সামনে আসে তখন আমার খুব লজ্জা লাগে। ওখানে যেসব দেখানো হচ্ছে সেগুলো কি আমাদের জীবনের গল্প? কীসব তুলে ধরছি আমাদের দর্শকদের কাছে? মানুষের রুচিকে নষ্ট করছি আমরা। যেরকম দেখানো হচ্ছে, দর্শকের রুচি সেভাবেই গড়ে উঠছে। কেমন অশ্লীল কথাবার্তা! কেমন রংঢং! এগুলো কোন সামাজের চিত্র? এগুলো কি বাঙালি সমাজ? এগুলো কি আমাদের ঐতিহ্য? আমাদের সংস্কৃতি? জানি না। আমি এগুলো দেখে বিরক্ত হই।’

    নাট্যজন মামুনুর রশীদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ইদানীং বেশিরভাগ নাটকে ভিউয়ের জন্য যে ধরনের নাম দেওয়া হয়, এগুলো অসভ্য লোকের বর্বর কাজ। আমাদের দুঃখ, টেলিভিশন নাটক তো গেল, এখন ইউটিউব আরও জঘন্য। ভিউ বাড়াতে নাটকের নামে কনটেন্ট নির্মাণের যুদ্ধে নেমেছেন সবাই। ভিউ যেন এখন খুব দামি কিছু হয়ে গেছে।’

    জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এখন সব হচ্ছে ফরমায়েশি নাটক। একটা নাটক দর্শক গ্রহণ করলে চ্যানেলগুলো সে ধরনের নাটকই চায়। নতুন কিছু বানাবে, সে চিন্তা নেই। একটা চরিত্র জনপ্রিয়তা পেলে সেই চরিত্রের রেশ ধরেই নাটক বানাতে হয়। তাহলে নতুন চরিত্র আসবে কী করে? এখন নাটক মানেই কমেডি। এত এত কমেডি করতে গিয়ে সব সস্তা হয়ে গেছে। সস্তা কমেডির ফলে দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন নাটক থেকে। যারা মনে করেন সিরিয়াস নাটক দর্শক দেখে না তাদের ধারণা যে ভুল, এটা তাদের কে বোঝাবে।’

    রিয়েল তন্ময়

  • শিল্পকলায় অভিনয় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ, যা বললেন মামুনুর রশীদ

    বিনোদন জগতে দেশ নাটকের ‘নিত্যপুরাণ’র প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই অস্থিরতা বিরাজ করছে শিল্পকলায়। এমন পরিস্থিতিতে শিল্পকলার মঞ্চে অভিনয় থেকে নাট্যজন মামুনুর রশীদকে সাময়িক দূরে থাকার অনুরোধ করেছেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক সৈয়দ জামিল আহমেদ। আর তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একুশে পদকজয়ী এ অভিনেতা।

    নাট্যজন মামুনুর রশীদ সম্প্রতি গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শিল্পকলা একাডেমির কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর কথা শুনে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ জামিল আহমেদ। তিনি সেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। তারা যেটা বলছেন, সেটা শুনেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন।

    মামুনুর রশীদ বলেন, আমাকে বিপ্লববিরোধী আখ্যা দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিল্পকলা একাডেমি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’—এই স্লোগান দেওয়া উচিত হয়নি বলে বিবৃতি দিয়েছিলাম। এ বিবৃতি কোনো বিপ্লববিরোধী বিবৃতি ছিল না।

    এ অভিনেতা বলেন, পরে নিজেও গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি। যখন ছাত্রদের ওপর পুলিশ গুলি চালিয়েছে, তখন রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। তিনি বলেন, ছাত্র হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে মিছিল করেছি। অন্যায়ের প্রতিবাদে আওয়াজ তুলেছি। তাহলে আমার অপরাধ কোথায়? অথচ সেই বিবৃতি কেন্দ্র করে আমাকে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত আরোপ করা হয়েছে।

    এদিকে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, আমি মামুনুর রশীদকে নিজে ফোন করে তাদের রাঢ়াঙ নাটকের শো করতে বলেছিলাম। এই নাটকটি করা দরকার। এই নাটকে উনি ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেন। তাকে অনুরোধ করেছি, সেই চরিত্র যদি অন্য কাউকে দিয়ে করানো যায়।

    সৈয়দ জামিল বলেন, আপনি যেহেতু আন্দোলনের সময় রাজাকার নিয়ে কিছু বলেছিলেন, এটা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ ও কষ্ট আছে। আপনি গেলে মানুষের সেই কষ্টটা বাড়বে। সেই জন্য আপনি ছাড়া যদি নাটকটির প্রদর্শনী সম্ভব হয়, এটা আপনি দেখেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের তারকাদের উদ্দেশে যা বললেন মামুনুর রশীদ

    দেশের শোবিজ অঙ্গন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের স্ক্রিনশট ফাঁস হওয়ার পর থেকেই গ্রুপে থাকা তারকাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করছে 
    rnকেউ কেউ দাবি জানাচ্ছেন তাদের বিচারের আওতায় আনার। বিষয়টি নিয়ে এবার কথা বললেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ও নাট্য ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। 

    rnrn

    তিনি মনে করেন, ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে এমন কিছু অপ্রত্যাশিত মন্তব্য উঠে এসেছে, যা ক্ষমার অযোগ্য।

    rnrn

    তার কথায়, ‘শিল্পীরা সেই গ্রুপে এমনটা করে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়নি। তারা এমন সব কমেন্ট করেছে, যেটা ক্ষমার অযোগ্য। এসব উক্তি একজন শিল্পীর কাছ থেকে অনভিপ্রেত বলে মনে করি। গরম পানি ঢেলে দাও-এটা একজন শিল্পী বলতে পারে না। যারা এসব উক্তি করেছে, তাদের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে।’

    rnrn

    মামুনুর বলেন, ‘আমি শিল্পীদের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন লক্ষ্য করছি, যেটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এটা যে কীভাবে সমাধান হবে, সেটাই বুঝতে পারছি না।

    rnrn

    আমার মনে হয়, সেই শিল্পীদের উচিত হবে নিজ দায়িত্বে ক্ষমা চাওয়া। তবে এত দিন পরে এই কথাগুলো তুলে আরও বিভাজন সৃষ্টি করা উচিত নয়। যে স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস হয়েছে, সেখানে অভিনয়শিল্পীদের ফোন নম্বর দেওয়া ছিল। এর কারণে অনেকে হয়রানির শিকার হচ্ছে। এটাও তো ঠিক নয়।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে ছাত্রদের ওপর বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনায় মত্ত ছিল হাসিনাপন্থী তারকারা। 

    rnrn

    সরকার পতনের আগ মুহূর্তেই এসব পরিকল্পনার সুতো বাঁধা হচ্ছিল। চাটুকার খ্যাতি পাওয়া সেসব তারকাদের কাজ ছিল, কারা ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে, আর কারা বিপক্ষে, তা চিহ্নিত করা। বলে রাখা ভাল, ছাত্র আন্দোলন চলাকালে দেশের তারকা অঙ্গন দু ভাগে বিভক্ত হয়।

    rnrn

    মূলত ‘আলো আসবেই’ নামের সেই গ্রুপে সরব ছিল আওয়ামীপন্থি তারকারা। 

    rnrn

    সেই গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। 

    rnrn

    আরও ছিলেন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, তানভীন সুইটি, সোহানা সাবা, অরুণা বিশ্বাস, অভিনেতা সাজু খাদেমসহ আরও অনেকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মানুষের রুচি পরিবর্তনে মামুনুর রশীদ কী করেছেন: হিরো আলম

    অভিনেতা ও নির্মাতা মামুনুর রশীদের একটি মন্তব্য নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনা হচ্ছে। সম্প্রতি অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক মামুনুর রশীদ বলেছেন— ‘রুচির দুর্ভিক্ষে উত্থান হয়েছে হিরো আলমের। ’

    তার এ মন্তব্যে একটা ঝাঁকুনি দিয়েছে দেশের সংস্কৃতিমনা মানুষের মনে। সমালোচনাও কম হচ্ছে না। 

    বর্ষীয়ান অভিনেতা মামুনুর রশীদের মন্তব্যে আঘাত পেয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মামুনুর রশীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, পারলে আমাকে তৈরি করে দেখান। আর বারবার যদি হিরো আলমকে নিয়ে আপনাদের রুচিতে বাধে তা হলে মেরে ফেলেন আমাকে।

    দুজনের মন্তব্য নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়। নাট্যজন মামুনুর রশীদ ও হিরো আলমও পৃথক মাধ্যমে পৃথকভাবে কথা বলছেন বিষয়টি নিয়ে।

    সেই ধারাবাহিকতায় এবার ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে মামুনুর রশীদের ‘রুচির দুর্ভিক্ষ’ নিয়ে ফের মন্তব্য করেন হিরো আলম। সেখানে তিনি লেখেন— ‘মামুনুর রশীদ স্যার বললেন, হিরো আলম সমাজের জন্য কী ভালো কাজ করেছেন? আমি বলি— আপনি কী ভালো কাজ করেছেন? এটি আমার প্রশ্ন? আর কী এমন কাজ করে মানুষের রুচি পরিবর্তন করেছেন?’

    প্রসঙ্গত, এর আগে অভিনয় শিল্পী সংঘের অনুষ্ঠানে মামুনুর রশীদ বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়েছি। আর সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একজন মানুষের উত্থান হয়েছে। এই উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, আবার তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার মামুনুর রশীদ ইস্যুতে মুখ খুললেন শাহনাজ খুশি

    নাট্যজন মামুনুর রশীদের বক্তব্যে ঝাঁকুনি দিয়েছে সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে। হিরো আলমকে নিয়ে এমন মন্তব্যের জন্য তীর্যক মন্তব্যও শুনতে হচ্ছে তাকে। অনেকে আবার তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    এ বিষয়ে এবার মুখ খোলেছেন নাট্য অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

    যা হুবহু তুলে ধরা হলো—
    একটা উপজেলা শহর থেকে যখন ঢাকায় এসেছি, ঢাকার নানান অঙ্গনের মানুষকে দেখেছি। তারা কোনো না কোনোভাবে আমার চেয়ে সমৃদ্ধ! একটা চায়ের কাপ ধরা, একটা সভাস্থলে নীরবতায় বসা, একটা কথা শুরু করার ম্যানারস সব শিখতে হয়! এগুলো পাঠ্যবইয়ের মতোই অতীব গুরুত্বপূর্ণ! থিয়েটারে যুক্ত হয়েছি, দেখেছি এ এক শিক্ষার সাগর। সেখানে শুধু নাটক শেখানো নয়, দেশ তথা দেশের বাইরের প্রখ্যাত গুণীজনের জীবনবৃত্তান্ত, সংগ্রাম, জীবনের সৌন্দর্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলাপ! দিনরাতের কোনো হিসাব থাকে না…

    প্রতিমুহূর্তে গ্রহণ করেছি সেই বিদ্যালয় থেকে। এসব কিছু জানতাম না কেন সে লজ্জায় নত থেকেছি। জানতে পারার গৌরবে বিনয়ী হয়েছি! জীবনের পরিমিতিবোধ শিখেছি, যে পরিমিতিবোধ সব চরিত্র রূপায়ণে বড় বোধের জোগান দিয়েছে। বিনীত করেছে সৃষ্টির পায়ে!

    যা আমি জানি না, তা শেখার জন্য জানা মানুষের অপেক্ষা করেছি প্রেমের মতো করে।

    এখন কিছু জানার দরকার হয় না মামুন ভাই! কিছু না জানা মানুষগুলো, জানা মানুষকে হিংসাত্মক প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলছে। সে প্রতিপক্ষের জিঘাংসা কত নোংরা হতে পারে, তা আজ দুদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে, যা বাকরুদ্ধ করে দেয়?!

    মামুন ভাই, আপনার হাতে তৈরি এ সংস্কৃতি অঙ্গন আলোকিত করা কত শিল্পী! কত না জানার জন্য, ভুলের জন্য আপনি সবাইকে বকেছেন, রাগ করেছেন! সে জন্য কেউ হয়তো থিয়েটারে আসেনি, অভিমান করেছে, দল ভেঙে নতুন দলও তৈরি হয়েছে, কিন্তু এই কুৎসিত এবং উদ্ধত্যপূর্ণ বিমাতাসুলভ কথা কি কখনো শুনেছেন?! 

    হলভর্তি মানুষের মুহুর্মুহু করতালি পেয়েছেন, শহীদ মিনারের পাদদেশে অসীম নীবরতায় আপনার বক্তব্য শুনেছে মানুষ, সব অসামঞ্জস্য নিয়ে সরকারের প্রতিও কত তীক্ষ্ণ বক্তব্য প্রকাশ করেছেন, কিন্তু কখনো কী এমন অসভ্য মন্তব্য শুনেছেন?! শুধু রুচির নয়, বিবেকের বিকলাঙ্গতা কতটা, তা কি আর বলবার দরকার আছে?!

    স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের তুখোড় আপনাকে টিকটকের ভাঁড় জনকদের তুলনায় দাঁড় করিয়েছে যারা, তারাও তারই অনুসারী! শিল্প দিয়ে শিল্পীর প্রতিযোগিতা করা যায়, যাদের সে সঞ্চয় নাই, তারাই নীচতায় হরিলুট শুরু করে। সুন্দর কিছু শুরুর আগে কুৎসিত কিছু কালক্ষেপণ হয়, এটা নিশ্চয়ই তেমন সময়। বাংলাদেশের এত সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ধারক, বাহক অথবা উদাহরণ নিশ্চয় এরা হতে পারে না!!

    যারা আপনার ব্যক্তিজীবন অতি কথ্য দিয়ে আপনাকে হেয় করতে চেয়েছে, সেটি তাদের দীনতা ও ব্যর্থতার আক্রোশ!

    শিল্পী ও শিল্পকে মোকাবিলা করতে শৈল্পিক, কথা, যুক্তি, আচরণই লাগবে— এটি তারা জানে না। তাদের এ দীনতাকে ক্ষমা করবেন আপনি। ভাগ্যিস আপনি কোনো সরকারি মন্ত্রণালয়ে, টিভি চ্যানেলে, কোনো সরকারের আনুক্যলের প্রতিষ্ঠানে নাই এবং কোনো দিন ছিলেনও না। যদি সেটা থাকতেন, তা হলে কি বলত এই মন্তব্যকারীরা?!

    ৭০ ঊর্ধ্বে প্রায় ৮০-এর কাছাকাছি একজন নাট্যপ্রাণ মানুষ, যে তার একটা জনম বিলিয়ে দিয়েছে নাটক ও শিল্পের জন্য। বিনিময়ে উল্লেখ করবার মতো কিছুই নেয়নি কখনো! এখনো এই বয়সে তাকে সংসারের জন্য অভিনয় করতে হয়, লিখতে হয়, এই শিল্প থেকে কিছুই সঞ্চয় করেনি বলেই, তার অসুস্থতায় আমরা তার শিল্প সন্তানরা তার হাত ধরে তার পাশে দাঁড়িয়ে যাই, তার তুলনা এবং মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে এ কোনো অশৈল্পিক দুর্বৃত্ত অন্ধকার? আমাদের কবে, কোন মোহে এত বিবেক এবং রুচির বিকালঙ্গতা হলো? আপনার সন্তানদের আপনি বরাবরের মতো, নিজ গুণে ক্ষমা করবেন মামুন ভাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের হয়ে মামুনুর রশীদকে যা বললেন ওমর সানী

    অভিনয়শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ হিরো আলমকে নিয়ে সম্প্রতি একটি মন্তব্য করেন। এ মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

    মামুনুর রশীদ বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।

    এবার এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানালেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের পক্ষ নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ওমর সানী।

    তিনি লেখেন— ‘শুধু আলমের নাম নিলেন বড় ভাই মামুনুর রশীদ, এ রকম তো সংগীতে আছে, অভিনয়ে আছে, কলাতে আছে, লেখনীতে আছে, রাজনীতির মঞ্চে আছে, ওনাদের নাম নিতে ভয় লাগে, শুধু পাইছেন মাটির গন্ধওয়ালা হিরো আলমকে। আর ওনারা আতর মাখে, তাই নাম নেন নাই বড় ভাই (স্যার)।’

    এদিকে মামুনুর রশীদের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন হিরো আলম। সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে তিনি মামুনুর রশীদের উদ্দেশে বলেন, মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে। কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের। হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামুনুর রশীদের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন হিরো আলম

    সামাজিকমাধ্যমে আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। প্রথমে মিউজিক ভিডিওতে মডেল হওয়ার মাধ্যমে যাত্রা করলেও পরে কখনো গান গাওয়া, সিনেমা নির্মাণ, কবিতা আবৃত্তি করা এবং নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেশ আলোচনায় এসেছেন তিনি। সমাজের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকেন হিরো আলম।

    রোববার অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

    সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। 

    মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেননি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’

    হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি— সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

    মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের।’

    হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচিসম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়। ’

    হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেওয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন। ’

    তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাকে তৈরি করুন মামুনুর রশীদ স্যার: হিরো আলম

    আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’

    rnrn

    রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে নাট্যজন মামুনুর রশীদ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ সব কথা বলেন। 

    rnrn

    রোববার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। 

    rnrn

    অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

    rnrn

    ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। 

    rnrn

    মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

    rnrn

    মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়। ’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেওয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন। ’

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রধানমন্ত্রীকে বলে আমাকে দেশ থেকে বের করে দেন: হিরো আলম

    আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘আপনাদের যদি এতই রুচিতে বাধে, তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলে আমাকে দেশ থেকে বের করে দেন, নাহলে জেলখানায় বন্দি করে রাখুন। অন্যথায় লাইভে এসে আত্মহত্যা করে দেশটাকে রেহাই করে যাব।'

    rnrn

    রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে নাট্যজন মামুনুর রশীদ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ সব কথা বলেন। 

    rnrn

    রোববার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। 

    rnrn

    অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

    rnrn

    ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। 

    rnrn

    মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

    rnrn

    মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়। ’

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • লাইভে এসে হিরো আলম আত্মহত্যার হুমকি দিলেন

    আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘আপনাদের মতো রুচিসম্পন্ন মানুষের কারণে যদি আমি আত্মহত্যা করি, তবে এর দায় আপনাদেরই নিতে হবে।’

    rnrn

    রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে নাট্যজন মামুনুর রশীদ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদে সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ সব কথা বলেন। 

    rnrn

    রোববার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। 

    rnrn

    অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

    rnrn

    ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। 

    rnrn

    মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

    rnrn

    মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা; তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের।’

    rnrn

    এই ইউটিউবার বলেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়। ’

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেওয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন। ’

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক