Tag: মাধুরী দীক্ষিত

  • যার এক হাসিতেই কুপোকাত, সেই অভিনেত্রীর পড়াশোনা কতদূর?

    যার এক হাসিতেই কুপোকাত সবাই, বলিউডের জনপ্রিয় সেই লাস্যময়ী অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের আজ জন্মদিন। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) ৫৭ বছরে পা রাখলেন বলিউডের ‘ধক ধক গার্ল’। তবে ৬০ ছুঁই ছুঁই বয়সেও মাধুরী তার সৌন্দর্যে দিব্যি হার মানাতে পারেন যেকোনো বলিউড তারকাকেই।

    ১৯৬৭ সালের ১৫ মে মহারাষ্ট্রে মারাঠী ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন লাস্যময়ী এই তারকা। তার বাবার নাম শঙ্কর দীক্ষিত ও মা স্নেহলতা দীক্ষিত। তাদের পরিবার মুম্বাই শহরের আদি বাসিন্দা। ১৯৮৪ সালে নাট্যধর্মী সিনেমা ‘অবোধ’-এর হাত ধরে বলিউডে অভিষেক হয় মাধুরীর।

    বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান নন মাধুরী। তার দুই বোন ও ভাইও রয়েছে। অভিনয় ছাড়াও মাধুরী প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পী। মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই নাচ শিখতেন তিনি। তারপর ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন প্রশিক্ষিত ও পেশাদার কত্থক নৃত্যশিল্পী। 

    আন্ধেরির ডিভাইন চাইল্ড হাইস্কুলে মাধুরী শিক্ষা অর্জন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি নাটকের মতো অতিরিক্ত পাঠ্যক্রমিক কার্যকলাপে অংশ নেন। একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মাধুরী ভিলে পার্লের (মুম্বাই) সাথায়ে কলেজে ভর্তি হন। সেখানে বিএসসিতে মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। তবে কোর্স শুরু করার ছয় মাস পরই মাধুরী পড়াশোনা বন্ধ করে চলচ্চিত্রে পূর্ণকালীন ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে সম্পূর্ণভাবে অভিনয়ে মনোনিবেশ করেন মাধুরী। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই তিনি ভাবছিলেন নতুন কী করা যেতে পারে। এরই মাঝে রাজশ্রী প্রোডাকশনের ‘অবোধ’ সিনেমার জন্য নতুন মুখ খোঁজা হচ্ছিল। আর সেখানেই সুযোগটা পেয়ে যান তিনি।

    ব্যক্তিগত জীবনে মাধুরীর স্বামী শ্রীরাম নেনে পেশায় একজন চিকিৎসক। স্বামীর কর্মসূত্রেই দীর্ঘ দিন বিদেশে কাটিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই সময় সম্পূর্ণ সংসারেই মনোনিবেশ করেছিলেন তিনি। দম্পতির দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। তাদের নাম অরিন ও রায়ান।

    এদিকে মাধুরী দীক্ষিত তার অভিনয় ক্যারিয়ারে ৬টি ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। ২০০৮ সালে তাকে ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রীতেও সম্মানিত করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাজার করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল মাধুরীর

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত এখনো রয়েছেন আগের মতোই। তার জনপ্রিয়তায় একটুকুও ভাটা পড়েনি। কিন্তু আজ নব্বইয়ের দশক পেছনে রয়েছে। তবু তার হৃদয়ের ধুকপুকুনি একই রকম উষ্ণ রয়েছে। বয়স তার মুখের রেখায় ধরা দিলেও, তবু আবেদন কমেনি একটুকুও।

    ভারতীয় সিনেমা জগৎ যিনি শাসন করতেন দাপটে, তিনিই একদিন সব ছেড়ে চলে গেলেন আমেরিকায় সংসার করতে। ১৯৯৯ সালে অভিনয়জীবনের মধ্যগগনে মাধুরী বিয়ে করেন সফল চিকিৎসক শ্রীরাম নেনেকে। চলে যান আমেরিকায়।

    সেই সময় বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানান, তিনি রুপালি দুনিয়ার চাকচিক্য ছেড়ে সাধারণভাবে সংসার করতে চেয়েছিলেন। ছেলেদের বড় করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু রুপার চমক তো পিছু ছাড়ে না। আমেরিকায় গিয়ে বসবাস শুরু করলেও মাধুরীর মাহাত্ম্য চাপা থাকেনি, সেখানে যে হাজার ভারতীয়ের বসবাস। এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানিয়েছিলেন তার সেই অভিজ্ঞতার কথা।

    অভিনেত্রী বলেন, কেউ কেউ আমাকে চিনে ফেলতেন। হয়তো আমি বাজার করতে গিয়েছি, হয়তো একটি টমেটো বা ফুলকপি তুলেছি হাতে, চোখাচোখি হয়ে গেল অন্য এক ভারতীয়ের সঙ্গে। তবে ওরা খুবই ভদ্র ও সংযত। হয়তো আমাকে বলে গেলেন, আমার সিনেমা তার খুবই পছন্দ। ব্যস! ওরা জানেন এটা আমার ব্যক্তিগত মুহূর্ত, আমাকে একা থাকতে দেওয়া উচিত। 

    মাধুরী বুঝিয়ে দিয়েছেন ভক্তদের ভালোবাসার আতিশয্য সেই সময় তার কাছে কাঙ্ক্ষিত ছিল না। তিনি সাধারণ মানুষ হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সত্যিই কি তার মতো একজন অভিনেত্রীর পক্ষে এমন একটা জীবনযাপন করা সম্ভব?

    মাধুরী বলেন, কখনো কখনো তার মনে হতো, কেউ যেন সত্যিই রাস্তায় তাকে চিনে ফেলুক। তিনি বলেন, ওই দেশে আমায় গাড়ি চালিয়ে সর্বত্র যেতে হতো। কিন্তু আমি কিছুতেই ঠিকানা খুঁজে পেতাম না। আমার তো অভ্যাস ছিল না। 

    অভিনেত্রী বলেন, নিজের দেশে যখন যেখানে যেতে চাইতাম, চালকই নিয়ে যেতেন। সেই পথ হারিয়ে ফেলার সময়ে আমার মনে হতো— কেউ আমাকে চিনে ফেলুক, আর বুঝিয়ে দিন যে আমি ভুল পথে চলে এসেছি।

    পরিবারের কাছেও নিজের গ্ল্যামার লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করতেন মাধুরী। তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে বসে নিজের সিনেমা দেখতেন না। বিশেষ করে সন্তানদের সামনে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেম বা বিয়ের ক্ষেত্রে সহকর্মীদের প্রতি অনাগ্রহ ছিল মাধুরীর, কিন্তু কেন?

    মাধুরী দীক্ষিত, হিন্দি সিনেমার জগতে কিংবদন্তি অভিনেত্রী। অতুলনীয় সৌন্দর্য এবং লাবণ্যের জন্যই বেশি পরিচিত। ৮০ এবং ৯০-এর দশকের শেষের দিকের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন তিনি। যদিও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি খুবই সাবধানে পা রাখতেন, তবুও তাকে নিয়ে গুজব ছিল এবং সঞ্জয় দত্ত এমনকি অনিল কাপুরসহ শীর্ষ তারকাদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথাও শোনা গিয়েছিল। পরে অবশ্য সহকর্মী কারও সঙ্গেই তার পরিণয় হয়নি। বরং ট্রেকের একেবারে বাইরে, ডা. শ্রীরাম নেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। প্রেম তো দূরের কথা, সহকর্মীদের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতেও মাধুরীর অনীহা ছিল। কিন্তু কেন? সম্প্রতি সেই গোপন রহস্যই ফাঁস করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

    ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে, মাধুরী এবং সঞ্জয় দত্তের মধ্যে সম্ভাব্য প্রেমের জল্পনা তুঙ্গে ছিল। ‘সাজন’ এবং ‘খলনায়ক’র মতো সিনেমায় তাদের অন-স্ক্রিন রসায়ন গুজবকে আরও তীব্র করে তুলেছিল। তবে, ১৯৯৩ সালে অস্ত্র আইনে সঞ্জয় দত্তের গ্রেফতারের পর তাদের কথিত সম্পর্ক হঠাৎ করেই শেষ হয়ে যায়। 

    আইনি জটিলতার কারণেই মাধুরী তার (সঞ্জয়) থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে, এবং তিনি কখনো প্রকাশ্যে এ গুজবের কথা স্বীকার করেননি বা মন্তব্য করেননি। তবে, সঞ্জয় দত্তকে মাধুরী দীক্ষিত কখনোই বলেননি যে, তিনি তাকে বিয়ে করবেন। 

    অন্যদিকে সহ-অভিনেতা অনিল কাপুরের সঙ্গেও মাধুরীর প্রেমের গুজব রটেছিল। ওই সময় একটি ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি কাপুরকে বিয়ে করবেন কিনা। মাধুরী তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং বলেছিলেন, কেন তিনি কখনো এ রকম কাউকে (অনিল কাপুর) বিয়ে করবেন না।

    মাধুরী বলেন, ‘না! আমি তার মতো কাউকে বিয়ে করব না। একটা কথা, সে (অনিল) খুব বেশি সংবেদনশীল; আমি চাই আমার স্বামী শান্ত থাকুক। অনিলের কথা বলতে গেলে, আমি তার সঙ্গে অনেক সিনেমা করেছি, তাই আমি তার সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এমনকি আমাদের কথিত সম্পর্ক নিয়ে আমি তার সঙ্গে রসিকতাও করতে পারি।’ 

    অবশ্য অনিল কাপুর মাধুরীর সঙ্গে প্রথম সিনেমায় অভিনয় করার আগেই বিবাহিত ছিলেন। যেহেতু তারা একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এবং পর্দায় দুর্দান্ত রসায়ন ভাগ করে নিয়েছিলেন, তাই তাদের সম্পর্কের গুজব মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল, তবে এই জুটির মধ্যে পেশাদারত্ব ছাড়া আর কিছুই ছিল না। প্রশ্ন হলো, এতদিন পর এ সম্পর্কের কথা কেন সামনে এলো। উত্তর একটাই, সাক্ষাৎকার। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই পুরোনো প্রসঙ্গই টেনে আনা হলো, আর মাধুরীর উত্তর ছিল বিগত সময়ের মতো, ‘একই’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাধুরীকে দ্বিতীয় শ্রেণির অভিনেত্রী বলে কটাক্ষ কংগ্রেস নেতার

    বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজস্থানের কংগ্রেস নেতা তিকারাম জুলি। সম্প্রতি মুম্বাই শহর সরগরম ছিল এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ঘিরে। বলিউডের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছিল রাজস্থানে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই অনুষ্ঠানে নাকি বিজেপিশাসিত রাজস্থান সরকার ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এ রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিজেপি সরকারকে একহাত নিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সমালোচনা করেছেন তিকারাম জুলি। শুধু তা-ই নয়, অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকেও কটাক্ষ করেছেন এ কংগ্রেস নেতা।

    তিকারাম জুলি বলেন, এ অনুষ্ঠানের জন্য ১০০ কোটি টাকা দিতে পারছে বিজেপি। অথচ মন্দিরের প্রয়োজনে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারছে না। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই সরকার সনাতন ধর্মের গুণ গায় অথচ ওরা খাটু শ্যামজির মন্দিরের জন্য ১০০ কোটি কিংবা গোবিন্দ দেবজির মন্দিরের জন্য ১২০ কোটি টাকা দিতে পারছে না। এই অনুষ্ঠানে শাহরুখ খান ছাড়া তেমন কোনো বড় তারকাও উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি কংগ্রেস নেতার।

    এর পর মাধুরী দীক্ষিতের প্রসঙ্গ শুনে তিনি বলেন, মাধুরী একজন দ্বিতীয় শ্রেণির অভিনেত্রী। ওর সময় ফুরিয়ে গেছে। বড় তারকারা কেউ আসেননি। বলি শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন এই অনুষ্ঠানে আসেননি। তা হলে আর কী বলব। তিকারাম জুলি বলেন, এই অনুষ্ঠানের আয়োজন রাজস্থানেই কেন করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। এই অনুষ্ঠানে রাজস্থানের কোনো লাভই হয়নি বলে দাবি তার। বিধানসভায় এই প্রশ্নগুলো তুলেছেন তিকারাম জুলি। তবে মাধুরী বা অন্য কোনো তারকার তরফ থেকে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬০ ছুঁইছুঁই বয়সেও মাধুরী ‘পঁচিশের তরুণী’, রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী

    বলিউড সেনসেশন মাধুরী দীক্ষিতের ‘ভুলভুলাইয়া ৩’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। ‘আমি যে তোমার’ গানের তালে তালে তার নাচ দেখে বহু সিনেমাপ্রেমীর হৃদয়ে দোলা দিয়েছেন তিনি। বহু চেষ্টা করেও যেখানে বয়সের চাকা আটকানো সহজ নয়, সেখানে এ বয়সেও বহু পুরুষের হৃদয়ে ঝড় তোলেন মাধুরী দীক্ষিত। নিজের রূপচর্চার সেই রহস্য নিজেই ফাঁস করলেন এ অভিনেত্রী।

    চলতি বছরের মে মাসে ৫৭ বছরে পা দিয়েছেন মাধুরী দীক্ষিত। অথচ অভিনেত্রীকে দেখে বোঝা অসম্ভব যে, তিনি পঞ্চাশের কোঠা পেরিয়েছেন। মসৃণ ত্বকের কোথাও এতটুকু বয়সের ছাপ পড়েনি তার। 

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউড মাধুরী দীক্ষিত জানিয়েছেন, কীভাবে ঘরোয়া উপকরণ দিয়েই রূপচর্চা করেন নায়িকা। মাধুরী বলেন, এমন অনেক দিন থাকে যেদিন ত্বক বড়ই জেল্লাহীন দেখায়, চোখের তলায় ধরা পড়ে ক্লান্তির ছাপ। সেই সময় ত্বকে চটজলদি জেল্লা আনতে চাই দুধ আর শসা। 

    শসাগুলো গোল আকারে পাতলা করে কেটে নিন। এবার শসার টুকরোগুলো দুধের মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। শসাসমেত এবার দুধের পাত্রটি ফ্রিজে রাখুন। ঘণ্টাখানেক পর শসার টুকরোগুলো মুখে ঘষে নিন ভালো করে।

    আপনি কীভাবে দুধ আর শসার এ ফেসপ্যাক তৈরি করবেন, তা জেনে নিন। 

    শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে। তা বেটে মুখে মেখে রাখা গেলে সেই পানির প্রভাবে তুলতুলে হয়ে ওঠে ত্বক। শসার রসে উপস্থিত ভিটামিন ও মিনারেল ত্বকের ভেতরের আর্দ্র ভাবও বজায় রাখতে সাহায্য করে। মসৃণ দেখায় মুখ। চেহারায় জেল্লা ফেরে। নিয়মিত শসার রস ত্বকে মাখলে তেলতেলে ভাব কমে। মুখও পরিষ্কার থাকে।

    অন্যদিকে প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসাবে দুধ দারুণ কাজ করে। দুধে ভরপুর মাত্রায় ভিটামিন থাকে, যা ত্বকের জেল্লা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দুধ ভীষণ ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে। এটি ত্বকের গভীরে ঢুকে আর্দ্রতা ধরে রাখে। 

    শুষ্ক ত্বকের জন্য হেঁশেলের এই উপাদানটি দারুণ উপকারী। দুধে ল্যাকটিক অ্যাসিড ভালো মাত্রায় থাকে। এই উপাদানটি ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যায় যারা প্রায়ই ভোগেন, তারাও ত্বকে কাঁচা দুধ ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা দুধে বিটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড থাকে। এই উপাদানটি ত্বকের মৃতকোষগুলো দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকে কাঁচা দুধ মাখলে কোলাজেন উৎপাদনের হার বেড়ে যায়। ফলে নতুন কোষ গঠন হয়। তাই কাঁচা দুধ ত্বকে বয়সের ছাপ ঠেকিয়ে রাখতেও সাহায্য করে। দুধে উপস্থিত ভিটামিন ডি ত্বককে মসৃণ ও টানটান রাখে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ে শাহরুখকে যেভাবে রাজি করান মাধুরী

    বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত যেন প্রাণ ঢালে সিনেমায়। তার হাসিমুখ আর নাচের ছন্দ সবই যেন এক অনন্য সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয় দোলা দেয়। কিন্তু এ অভিনেত্রী নাকি একটি রোমান্টিক ছবিতে অভিনয় করার জন্য বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানকে রাজি করিয়েছিলেন । সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কথাই জানালেন মাধুরী দীক্ষিত।

    শাহরুখ ও মাধুরী একসঙ্গে মিলে একাধিক হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন। ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ তার মধ্যে অন্যতম। আগামীতে একাধিক কাজে দেখা যাবে মাধুরী দীক্ষিতকে। চলছে তারই প্রস্তুতি।

    মাধুরী ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ ছবিটির আগে শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘আঞ্জাম’ ও ‘কয়লা’ ছবিটিতে জুটি বেঁধে কাজ করেছিলেন তিনি। ‘কয়লা’ ছবিটিতে অভিনয় করতে করতে শাহরুখকে মাধুরী বলেছিলেন— আমাদের মনে হয় এবার একটা রোমান্টিক ছবিতে অভিনয় করা উচিত।

    তিনি বলেন, ‘শাহরুখের সঙ্গে আগের ছবিগুলোতে— হয় মারামারি করছি, না হয় নোংরা কাপড়ে দৌড়াচ্ছি। কোনো প্রেমের দৃশ্য নেই। তাই চেয়েছিলেন শাহরুখের সঙ্গে এমন একটি ছবি করতে চান তিনি, যেখানে সাজগোজ করতে পারবেন, রোমান্স করতে পারবেন। এমন সুন্দর রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে পারবেন।’ পরে মাধুরীর কথায় রাজি হয়েছিলেন বাদশাহ। এরপরেই শুটিং হয় ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ ছবিটি।

    মাধুরীকে শেষবার দেখা গেছে ‘ভুলভুলাইয়া থ্রি’ ছবিতে। এ ছবিতে ছিলেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালান, কার্তিক আরিয়ান ও তৃপ্তি দিমরি। এ ছবিতে মাধুরীর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। ছবিতে শুধু অভিনয় নয়, রয়েছে মাধুরীর নাচের দৃশ্যও। তাতে মুগ্ধ হয়েছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মজা করতে গিয়ে বিদ্যাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কার্তিকের

    আগামী ১ নভেম্বর বড়পর্দায় ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’। ছবিটিতে কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তৃপ্তি দিমরি। সঙ্গে রয়েছেন বিদ্যা বালন ও মাধুরী দীক্ষিত। এখন জোরেশোরে চলছে ছবির প্রচারের কাজ।

    সম্প্রতি, পুনের একটি বড়া পাওয়ের দোকানে দেখা মিলল কার্তিক ও মাধুরীর। ছবিটি প্রচারে গিয়ে পর্দার মঞ্জুলিকা বিদ্যা বালানকে ডাইনি বলে সম্বোধন করলেন অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান! এমন একটি ভিডিও সামনে আসতেই নিমেষে ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে। প্রতিটি প্রচারে গিয়ে তাদের ভরপুর খুনসুটিতে মেতে উঠতে দেখা গেছে।

    তারই ধারাবাহিকতায় এবার কলকাতায় এসে সিনেমার প্রচারে বিদ্যা বালানকে ডাইনি বলে সম্বোধন করতে দেখা গেল কার্তিককে। ভূত, পেত্নীদের মতোই নাকি অভিনেত্রীরও একটা বিশেষ ক্ষমতা আছে।

    ভাইরাল ভিডিওতে কার্তিককে বলতে শোনা যায়, বিদ্যা বালান নাকি তার পায়ের পা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে ফেলতে পারেন। আর সেটা সেখানে সবার সামনে করেও দেখান অভিনেত্রী। এটা দেখেই অভিনেতা বলে ওঠেন, ‘এই দেখো ডাইনি। পা উল্টো করতে পারে।’

    তাদের এই খুনসুটি দেখে দারুণ মজা পেয়েছেন সবাই। এক ব্যক্তি লেখেন, ‘আমি আর আমার বন্ধু গোটা স্কুলজুড়ে এই সব করতাম।’ আরেকজন লেখেন, ‘বাপরে অভিনেত্রীর পায়ে তো হাইপার মবিলিটি আছে। পুরো ঘোরাতে পারেন।’ তৃতীয় ব্যক্তি লেখেন, ‘বাস্তবেও মঞ্জুলিকা নাকি?’

    অন্যদিকে সম্প্রতি মাধুরী দীক্ষিত এবং কার্তিক আরিয়ান ছবির প্রচার করতে বড়া পাও খেতে গেছিলেন। পুনেতে গিয়ে তারা সেখানে খুব মজা করেন।

    সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিদ্যা বালান এবং কার্তিক আরিয়ান কলকাতা এসেছিলেন তাদের সিনেমার প্রচারে। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে এই ছবির প্রচার করেন তারা। এসময় তারকারা হাওড়া ব্রিজ ও একটি স্কুল ঘুরে দেখেন। এরপর সংবাদ সম্মেলনে আসেন। 

    আনিস বাজমি পরিচালিত এই ছবি আগামী ১ নভেম্বর মুক্তি পাবে। মুখ্য ভূমিকায় থাকবেন কার্তিক আরিয়ান, বিদ্যা বালান, মাধুরী দীক্ষিত, তৃপ্তি দিমরি, কাঞ্চন মল্লিক, প্রমুখ। পাশাপাশি একাধিক বাঙালি অভিনেতাদের দেখা যাবে এই সিনেমায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিদ্যা বালানের গানের ভিডিও ভাইরাল

    সামনে দীপাবলিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে আনিস বাজমি পরিচালিত ‘ভুল ভুলাইয়া তিন’। এটি ‘ভুল ভুলাইয়া’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি। আর এ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান ও সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি। এ ছাড়া ‘ভুল ভুলাইয়া তিন’ সিনেমায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে একই ফ্রেমে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও বিদ্যা বালানকে। ছবিতে ‘আমি যে তোমার’-এ গানে নাচতে দেখা যাবে তাদের।

    সম্প্রতি ছবি মুক্তির প্রচারে এই আইটেম গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় মাধুরী ও বিদ্যাকে। এদিকে নাচ করার সময় মঞ্চে পড়ে যান অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র নজর না দিয়ে নাচের তালে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

    এ অভিনেত্রী উঠে দাঁড়াতেই মাধুরী এসে হাত রাখেন বিদ্যার কাঁধে। সেটিও নাচের মাঝে। দুজনের এই বিশেষ মুহূর্ত জিতে নিয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের মন। তাদের পারফরম্যান্স শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকরাও হাততালি দেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিদ্যার এই নাচ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাধুরীকে দেখে মুখ পুড়িয়ে ফেলেছিলেন অজয় দেবগন

    মাধুরী দীক্ষিতের সৌন্দর্যে মোহিত নিজের মুখ পুড়িয়ে ফেলেছিলেন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা-প্রযোজক অজয় দেবগন। ২০০১ সালে ‘ইয়ে রাস্তে হ্যায় প্যায়ার কে’ ছবির শুটিং চলাকালে এমন কাণ্ড ঘটেছিল। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অজয় দেবগন নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। 

    মাধুরী দীক্ষিতের সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে যাওয়ার কথা বলতে গিয়ে অজয় জানান, ‘ইয়ে রাস্তে হ্যায় প্যায়ার কে’ ছবির শুটিং চলাকালীন আমরা সবাই একটি ঘরে বসে ছিলাম, আমি একসঙ্গে জুস ও সিগারেট খাচ্ছিলাম।

    অজয় বলেন, এর মধ্যে মাধুরী দীক্ষিত ঘরে ঢুকলে তাকে দেখে আমি তাকিয়ে থাকি। তিনি এতটাই সুন্দর ছিলেন যে তার আগমন ঘরের পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে গেল। আমি সিগারেট টানার পরিবর্তে এটি মুখে রেখে দিলাম, ফলে আমার মুখ পুড়ে গিয়েছিল। এখনও পোড়া দাগটা রয়েছে। 

    উত্তরে মজার ছলে মাধুরীও বলেন, ‘আমার স্মৃতি নিয়ে এখনও ঘুরছে অজয়। এটাই প্রকৃত বন্ধুর প্রতিচ্ছবি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতায় মাধুরীর সঙ্গে ঋতুপর্ণা, কী কথা হলো দুই অভিনেত্রীর

    আরজি করকাণ্ডের চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে ভারতজুড়ে তথা কলকাতার বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা লাগাতার আন্দোলনে মাঠে নেমেছেন। কখনো রাত দখলে শামিল হচ্ছেন, কখনো ছুটে গেছেন মহামিছিলে, আবার কখনো অন্যত্র। 

    rnrn

    এর মাঝেই এবার শহর কলকাতায় অতিথি হয়ে এসেছেন মাধুরী দীক্ষিত। এবার মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে সাক্ষাতে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। নেপথ্যে শহরের নামি বাণিজ্যিক সংস্থার অনুষ্ঠান। টালিউড অভিনেত্রীর কাছে যেন 'ফ্যানগার্ল মোমেন্ট'। পরস্পরকে অভিবাদন জানালেন দুই অভিনেত্রী। চলল সাজের প্রশংসাবিনিময়। ঋতুপর্ণা নিজের সংগ্রহ থেকে একটি শাড়ি উপহার দিলেন বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে।

    rnrn

    কী কথা হলো অভিনেত্রীর সঙ্গে—আনন্দবাজার অনলাইনকে সে কথা জানালেন ঋতুপর্ণা— মাতৃত্ব নিয়ে কথা বললেন তারা। দুজনের সন্তান পড়াশোনার সূত্রে মার্কিন মুলুকে। ছেলে বিদেশ বিভুঁইয়ে, তাই দুশ্চিন্তা থেকেই যায়। মাঝে মাঝে ছেলেকে দেখতে দেশের বাইরে পাড়ি দেন দুই মা। নিজেদের মধ্যে শেয়ার করে নিলেন সেই অভিজ্ঞতা।

    rnrn

    ঋতুপর্ণা বলেন, মাধুরীর বিয়ে হওয়ার পর টালিউড অভিনেত্রীকে তার ঘনিষ্ঠরা বলতেন— দেখ তোমার স্বামী বাইরে থাকেন। মাধুরীর স্বামীও বাইরে থাকেন। মাধুরীকে সেই কথা জানাতেই হাসিতে ফেটে পড়েন দুজনে।

    বিনোদন ডেস্ক