Tag: মহাকুম্ভ

  • মহাকুম্ভে ক্যাটরিনার স্নানের সেই দৃশ্য এখন ভাইরাল

    উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আয়োজিত মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে ভিড় জমিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। ভক্তদের বিশ্বাস— মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করলেই ‘পাপ ধুয়ে সাফ হবে’, আর সেই বিশ্বাস থেকেই হাজির হন বিনোদন জগতের তারকারা। সম্প্রতি মহাকুম্ভে পুণ্যের আশায় শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। ত্রিবেণি সঙ্গমে পুণ্যস্নান করেন অভিনেত্রী।

    ত্রিবেণি সঙ্গমে ক্যাটরিনার স্নানের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তে ভাইরাল হয়। হলুদ রঙের সালোয়ার-কামিজ পরে স্নান করেছিলেন অভিনেত্রী। তার হাতে জড়ানো ছিল রুদ্রাক্ষের মালা। 

    কিন্তু মহাকুম্ভে গিয়ে নাকি বিপাকে পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। ক্যাটরিনার স্নান দেখে যুবকদের উচ্ছ্বাস ও নানা সমালোচনা শুরু হয়। পুণ্য অর্জনের আশায় দিয়েছিলেন ডুবও। তার সেই স্নানের দৃশ্যই এখন ভাইরাল; যার নেপথ্যে দুই যুবক। আর ভিডিওটি সামনে আসতেও মেনে নিতে পারেননি নেটিজেনরা, সমালোচনা করছেন তারকারাও।

    ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা যায়, এক ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত যুবক ক্যামেরা চালু করে বলছেন— এটি আমি, পাশে আমার ভাই। আর ওই যে ক্যাটরিনা কাইফ স্নান করছে। এরপর ক্যামেরা ঘোরাতেই দেখা যায় মহাকুম্ভে ডুব দিচ্ছেন ক্যাটরিনা।

    শুধু তাই নয়, স্বাভাবিকভাবেই ক্যাটরিনার শরীর ভেজা। সে অবস্থাতেই তাকে কার্যত ঘিরে ধরেছেন ফটোসাংবাদিকরা। শুধু ওই দুই যুবক নয়, দেখা গেছে আরও অনেকেরই মোবাইল তাক করা ক্যাটরিনার দিকে। রীতিমতো কুৎসিত উচ্ছ্বাসে লিপ্ত হন তারা এ সময়।

    এমনই একটি ভিডিও দেখে অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডনের বক্তব্য— ভীষণ বিরক্তিকর। এসব মানুষ সুন্দর মুহূর্তগুলো শেষ করে দেয়।

    উল্লেখ্য, মহাকুম্ভে তারকাদের স্নানের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল আলাদা ভিআইপি স্পট। নিরাপত্তারক্ষীও মজুত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ভাইরাল হয়েছে তাদের স্নানের ছবি। ঠিক যেমন এর শিকার ক্যাটরিনা কাইফও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বারানসিতে শিবরাত্রি না কাটিয়ে দ্রুত কেন শহরে ফিরলেন নীলাঞ্জনা?

    মহাকুম্ভের পর বারানসি। ইচ্ছে ছিল বুধবার মহাশিবরাত্রির দিনটা সেখানেই কাটাবেন অভিনেত্রী-প্রযোজক নীলাঞ্জনা শর্মা। কিন্তু তার আগেই যাবতীয় পরিকল্পনা বাতিল করে কলকাতায় ফিরতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। 

    এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল নীলাঞ্জনার জন্মদিন। সেদিনই অভিনেত্রী কুম্ভমেলায় যোগ দিতে তার সফর শুরু করেন। এরপর সেখানে দুদিন কাটিয়ে অভিনেত্রী গিয়েছিলেন বারানসিতে। পরিকল্পনা ছিল শিবরাত্রি সেখানেই কাটানোর। কিন্তু তার আগেই পরিবারের তরফে দুঃসংবাদ এসে পৌঁছায় অভিনেত্রীর কাছে। তাই তড়িঘড়ি শহরে ফিরতে হয় নীলঞ্জনাকে।

    টালিউড সূত্রে জানা গেছে, নীলাঞ্জনার বাবা অনিল শর্মা গুরুতর অসুস্থ। বাইপাসসংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে তাকে। রাখা হয়েছে আইসিইউতে। খবর পেয়ে মঙ্গলবারই বারানসি থেকে শহরে ফিরেছেন নীলাঞ্জনা। 

    অনেক দিন ধরেই সিরোসিস অফ লিভারে আক্রান্ত ৭৭ বছর বয়সি অনিল শর্মা। দেহে খনিজ উপাদানের তারতম্যের পার্থক্য বেড়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নীলাঞ্জনার বাবা এখন আগের তুলনায় ভালো আছেন। তবে এখনো তাকে বেশ কিছু দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

    বারানসিতে নীলাঞ্জনার সঙ্গে ছিলেন তার জ্যাঠা ও দাদা। তারাও এ মুহূর্তে অভিনেত্রীর সঙ্গে শহরেই রয়েছেন। বাবার শারীরিক অসুস্থতার খবর পেয়েই মুম্বাই থেকে ছুটে এসেছেন নীলাঞ্জনার বোন চন্দনা। পরিবারের সবাই আপাতত দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। 

    উল্লেখ্য, টালিউড অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত ও অভিনেত্রী নীলাঞ্জনার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। যীশুর থেকে আলাদা হওয়ার পর কঠিন সময়ে নিজেকে অনেকটাই সামলে নেন নীলাঞ্জনা। এ মুহূর্তে দুই মেয়ে জারা ও সারাকে নিয়েই জীবন চলছে তার। যদিও দাম্পত্য নিয়ে কিংবা যীশুকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে পোশাক পরে মহাকুম্ভে ক্যাটরিনা, দাম কত জানেন?

    প্রায় মাস দেড়েক ধরে প্রয়াগরাজে চলছে মহাকুম্ভ স্নান। সাধুসন্ত ও সাধারণ মানুষ থেকে অভিনেতা-অভিনেত্রী— দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ ইতোমধ্যে ডুব দিয়েছেন সঙ্গমে। এবার সেই দলে নাম লেখালেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফও। 

    মহাকুম্ভে পুণ্যের আশায় দুদিন আগেই শাশুড়িমা বীণা কৌশলকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সামাজিক মাধ্যমে ত্রিবেণি সঙ্গমে ক্যাটরিনার স্নানের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল মুহূর্তে। হলুদ রঙের সালোয়ার-কামিজ পরে স্নান করেছিলেন ক্যাটরিনা। তার হাতে জড়ানো ছিল রুদ্রাক্ষের মালা। কিন্তু মহাকুম্ভে গিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। ক্যাটরিনার সঙ্গে সেলফি তোলার উদ্দেশ্যেই ভক্তরা ভিড় করেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে এর জন্য বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। এমন বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

    এর আগে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ছাবা’ নিয়ে ব্যস্ত স্বামী অভিনেতা ভিকি কৌশল মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন। সিনেমা মুক্তির ঠিক আগের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি তিনি পৌঁছেছিলেন প্রয়াগরাজে। পুণ্যলাভের আশায় স্নান সেরেছিলেন অভিনেতাও।

    ক্যাটরিনা কাইফ মহাকুম্ভের ‘গেরুয়া’প্রথা ভেঙে হলুদ বসনে স্নান করেন। তিনি পুণ্যস্নান, গঙ্গারতি ও ভজন— একেক করে সব আচারই পালন করেছেন নিষ্ঠাভরে। তবে নেটিজেনদের নজরে পড়েছে ক্যাটরিনার সাজপোশাক। 

    পুণ্যস্নানের জন্য অভিনেত্রী বেছে নিয়েছিলেন হলুদ রঙের সালোয়ার। আর তাতে সাদা ফুলেল ছাপ। বাঁ হাতে জড়ানো রুদ্রাক্ষের মালা। কপালে হলুদ চন্দনের ফোঁটা। পরে সন্ধ্যায় যোগ দিয়েছিলেন গঙ্গারতি ও ভজন অনুষ্ঠানেও।

    সঙ্গমে পূজা পাঠ, আরতি ও ভজন অনুষ্ঠানে ক্যাটরিনা পরে এসেছিলেন চান্দেরি কাপড়ের সালোয়ার স্যুট। কামিজের ওপর সূক্ষ্ম এমব্রয়ডারির কাজ রয়েছে। কামিজের সঙ্গে মানিয়ে পালাজোর মতো ট্রাউজার্স পরেছিলেন ক্যাটরিনা। গায়ে জড়ানো ছিল অরগ্যানজার ওড়না।

    আপনি জানেন কি, সেই পোশাকের দাম কত? ইন্টারনেট সূত্রে পাওয়া তথ্য বলছে— ক্যাটরিনার পরনে ওই সালোয়ার স্যুটটি তৈরি করেছে পোশাক সংস্থা ‘লাজ্জুক’। পোশাকটির মূল্য ৩৯ হাজার ৯০০ টাকা। পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে ক্যাটরিনার গলায় ছিল রুদ্রাক্ষের মালা। ঢেউখেলানো খোলা চুল, ‘নো মেকআপ’ লুকে তিনি হয়ে উঠেছিলেন যেন গৃহী-সাধিকা।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে গিয়ে বিপাকে ক্যাটরিনা, যা বললেন অভিনেত্রী

    ১৪৪ বছর পর একবার অনুষ্ঠিত হয় মহাকুম্ভ। আর তাই ২০২৫ সালে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আয়োজিত মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে ভিড় জমিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। ভক্তদের বিশ্বাস— মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করলেই ‘পাপ ধুয়ে সাফ হবে’, আর সেই বিশ্বাস থেকেই মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ।

    প্রয়াগরাজে ভিড় এখনো কমেনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে হাজির হচ্ছেন তারকারা। শেষের দিকে মহাকুম্ভেতে বলিউডের তারকাদের ভিড় জমেছে। এবার ত্রিবেণি সঙ্গমে পুণ্যস্নান করলেন অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ।

    মহাকুম্ভে পুণ্যর আশায় দুদিন আগেই শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। ত্রিবেণি সঙ্গমে ক্যাটরিনার স্নানের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল মুহূর্তে। হলুদ রঙের সালোয়ার-কামিজ পরে স্নান করেছিলেন অভিনেত্রী। তার হাতে জড়ানো ছিল রুদ্রাক্ষের মালা। কিন্তু মহাকুম্ভে গিয়ে নাকি বিপাকে পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে।

    সামাজিকমাধ্যমে বেশ কিছু ভাইরাল ভিডিওয়ে দেখা যায়, কুম্ভে স্নান করতে গিয়ে ক্যাটরিনাকে বেশ অস্বস্তিতেই পড়তে হয়েছিল। অভিনেত্রীকে দেখে শয়ে শয়ে মানুষ এগিয়ে আসেন। ঘিরে ধরেন ক্যাটরিনা ও তার পরিবারকে। ক্যাটরিনার সঙ্গে সেলফি তোলার উদ্দেশ্যেই ভক্তরা ভিড় করেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে এর জন্য বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। এমন বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

    কিছু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেই সময় ত্রিবেণি সঙ্গমে উপস্থিত ছিলেন একাধিক সন্ন্যাসীও। কিন্তু ক্যাটরিনাকে দেখে তারা ভিড় করতে থাকেন সেলফি তোলার জন্য। সংবাদমাধ্যম ও নেটপ্রভাবীরাও ছুটে আসেন ক্যাটরিনার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মধ্যেও।

    মহাকুম্ভে ‘ভিআইপি কালচার’ নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে এক নেটিজেন লিখেছেন—এ জন্যই ভিআইপিদের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তারকারা যদি সাধারণ মানুষের মতো যান, জানি না কী কী ঘটে যাবে!

    গত সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কুম্ভে পৌঁছে ক্যাটরিনাকে দেখা গিয়েছিল মহারাজ স্বামী চিদানন্দ সরস্বতীর আখড়ায়। পরমার্থ নিকেতন আশ্রমের সাধুসন্তদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মগ্ন ছিলেন অভিনেত্রী। ক্যাটরিনা বলেছিলেন, অসাধারণ একটা অনুভূতি হচ্ছে। নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। এই পরিবেশ, এখানকার সৌন্দর্যের একটা আলাদা মাহাত্ম্য আছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লাখ টাকার পোশাকে কুম্ভে পুণ্যস্নান করেছিলেন আম্বানিদের বউমা রাধিকা

    দিন ১৫ আগেই দুই পুত্র ও পুত্রবধূকে নিয়ে প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় পুণ্যস্নান করতে এসেছিলেন মুকেশ আম্বানি। যদিও ধনকুবের শ্বশুরমশাই এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের থেকে প্রচারের সব আলোটুকু কেড়ে নিয়েছিলেন একা রাধিকা মার্চেন্টই। প্রয়াগের তিন নদীর সঙ্গমস্থলে আম্বানিদের ছোট বউমা ডুব দিয়েছিলেন এক লাখ টাকার সালোয়ার-কামিজ পরে। তাই নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। 

    এবার মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করলেন আম্বানি পরিবারের আরও এক শৌখিনী সদস্য। তিনি আম্বানি পরিবারের মেয়ে ইশা আম্বানি। শিবরাত্রি তিথির আগের দিন স্বামী আনন্দ পিরামলের সঙ্গে তিনি এসেছিলেন প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করতে। রাধিকার পোশাক নিয়ে হইচই হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন ইশাও তেমন কোনো চমক দেবেন। 

    কারণ আম্বানি পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ইশা-রাধিকার ননদ-ভ্রাতৃজায়া জুটি প্রায়ই সাজে একে অপরকে টক্কর দেন। কিন্তু দেখা গেল আম্বানিকন্যা কুম্ভদর্শনে এসেছেন আপাত-সাধারণ দেখতে একটি কুর্তা পরে। কুম্ভস্নানের সময় পরেছিলেন একটি নীলের ওপর সাদা ছাপের রাজস্থানের বাঁধনি কাজের কুর্তা। 

    কুম্ভস্নানের সময় পরেছিলেন একটি নীলের ওপর সাদা ছাপের রাজস্থানের বাঁধনি কাজের কুর্তা। 

    ইশার ফ্যাশনবোধের অনুরাগী নেহাত কম নয়। দেশের পোশাকশিল্পীরা ইশাকে নিজেদের মডেল বানিয়ে বহু পোশাকের প্রদর্শন করেছেন। ফ্যাশন ও যাপনের পত্রিকা ‘ভোগ’-এর আন্তর্জাতিক সংস্করণের মলাটের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল ধনকুবের-তনয়া ইশাকে। সেই ইশা কুম্ভস্নানের সময় পরেছিলেন একটি নীলের ওপর সাদা ছাপের রাজস্থানের বাঁধনি কাজের কুর্তা। তার ওপর রুপালি জরি ও পুঁতির হালকা আড়ি কাজ। চোখে সানগ্লাস আর কপালে মেরুন টিপ আর মাথায় একটি পরিচ্ছন্ন পনিটেলে সাজ শেষ।

    ত্রিবেণীতে স্বামীর হাত ধরেই পানিতে ডুব দিলেন ইশা। পরে তাকে দেখা গেল একটি রানি গোলাপি রঙের বাঁধনি কুর্তা পরে আনন্দের হাতে হাত রেখে প্রয়াগের ত্রিবেণি সঙ্গমে দাঁড়িয়ে পূজা দিতে। দুটি পোশাকেই ইশাকে সুন্দর দেখাচ্ছে বলে রায় দিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেকে আবার এও বলেছেন, দেখতে সাধারণ হলেও ওই পোশাকের দামও রাধিকার মতোই লাখ টাকার কাছাকাছি হলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুরুজির ডাকেই সেখানে যাই: অপরাজিতা

    উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আয়োজিত মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে ভিড় জমিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। ‘হর হর মহাদেব’ ভক্তদের বিশ্বাস— মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করলেই ‘পাপ ধুয়ে সাফ হবে’।  আর সেই বিশ্বাস থেকেই মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে যোগ দিয়েছিলেন টালিউড অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। 

    মহাকুম্ভ থেকে ফিরেই জন্মদিন। নিজের নাচের ছাত্রী ও পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়াগরাজে পৌঁছেছিলেন অপরাজিতা আঢ্য। গুরুর শিবিরে আশিস প্রার্থনা থেকে শুরু করে ত্রিবেণি সঙ্গমে ডুব— সব কিছুই করেছেন অভিনেত্রী। সেই মহাকুম্ভ থেকেই জন্মদিনের বিশেষ উপহার নিয়ে ফিরেছেন অপিরাজিতা। 

    অপরাজিতা বলেন, নিজের কুলগুরুর ডাকেই তিনি পৌঁছেছিলেন মহাকুম্ভে। অভিনেত্রী বলেন, আমার গুরুজির ডাকেই সেখানে যাই। এটাই আমার জন্মদিনের উপহার। গুরুজির ছেলের শিবির ছিল। শেষ দিনে কোনোমতে শিবিরে গিয়ে পৌঁছেছিলাম। কিন্তু শিবিরে প্রবেশ করার রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে কোনোমতে আমি শেষ মুহূর্তে শিবিরে প্রবেশ করতে পারি। বুঝলাম— গুরুর আশীর্বাদেই সবটা হয়েছে। অভিনেত্রী বলেন, সেই আশীর্বাদেই তিনি ত্রিবেণি সঙ্গমে ডুব দিতে পেরেছেন। সাধারণ মানুষের মতোই স্নান করেছেন তিনি, আলাদা কোনো সুবিধা পাননি।

    তবে মহাকুম্ভে গিয়ে কিছু প্রতিকূলতাও দেখেছেন। অপরাজিতা বলেন, প্রচুর হাঁটতে হয়েছে আমাদের। এমন জায়গায় গেলে কিছু তো কষ্ট করতেই হবে। এখানে গিয়ে পাঁচতারা হোটেলের সুবিধা খুঁজলে তো পাব না। যদিও যোগী রাজ্যে পুলিশ প্রশাসনের প্রশংসাও তিনি করেছেন। অভিনেত্রী বলেন, পুলিশ খুবই সক্রিয় ছিল। খুব ভালোভাবেই সামাল দিয়েছে সবটা। ভিড় ছিল মাত্রাতিরিক্ত। মানুষের এমন ঢল কল্পনাও করা যায় না। তিনি বলেন, সারা দিন ধরে মানুষ হেঁটে চলেছে। একসঙ্গে এত মানুষ তিনি এর আগে কখনো দেখেননি।

    মহাকুম্ভের পানি কতটা দূষিত, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বারবার। সেই প্রসঙ্গে অপরাজিতা বলেন, অপরিষ্কার কিছুই নেই। সবসময় সাফাইয়ের কাজ চলছে। তবে এত মানুষ একসঙ্গে এক জায়গায় শৌচকর্ম করলে তার সামান্য দুর্গন্ধ তো থাকেই। তবে কোথাও আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখেননি তিনি। অভিনেত্রী বলেন, কিছু মানুষের বদাভ্যাসের কারণেই যাবতীয় বিপত্তি। যেখানে স্নান করবে, সেখানেই প্লাস্টিক ফেলছে। সেগুলো পরিষ্কারও করা হচ্ছে। নিকাশি ব্যবস্থা খুবই ভালো বলে জানান অপরাজিতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে মহাকুম্ভে দেবেরাকোন্ডা

    পায়ে চোট পেয়েছেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন অভিনেত্রী। সামনেই তার ‘ছাবা’ সিনেমার মুক্তি। পায়ে চোট পাওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ‘ছাবা’ সিনেমার প্রচারে সহ-অভিনেতা ভিকি কৌশলকে সর্বক্ষণ দেখা গেছে রাশমিকা মান্দানাকে হুইলচেয়ারে ঘোরাতে। সর্বদা চোখে চোখে রেখেছেন তাকে। 

    কিন্তু সেখানে নেই বিজয় দেবেরাকোন্ডা। যেন প্রেমিকাকে নিয়ে খানিকটা উদাসীন বলেই মনে করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা । ভেবেছিলেন— বিজয় দেবেরাকোন্ডা হয়তো এ সময় তার প্রেমিকার পাশে থাকবেন। তা না ঘটায় রীতিমতো চটেছেন অনেকেই। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনুযোগ— কেন রাশমিকার পাশে নেই তার প্রেমিক? যেখানে নায়িকাও সম্প্রতি স্বীকার করেছেন— প্রেম আছে তাদের।

    এদিকে মুম্বাই থেকে চেন্নাই— বিনোদন দুনিয়ার তারকারা সুযোগ পেয়েই ছুটে যাচ্ছেন মহাকুম্ভ মেলায়। এবার গেলেন দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা। মাকে নিয়ে তিনি গেলেন মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে, যা দেখে বিনোদন দুনিয়া পাচ্ছে অন্য আভাস। 

    মিয়া-বিবি দুজনেই সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। তাই রাশমিকাকে ইদানীং বিজয়ের পরিবারের সঙ্গেও দেখা যাচ্ছে। তার আগে যুগলের একান্ত সাক্ষাৎ ফাঁস হয় ফটো সাংবাদিকদের কল্যাণে। তখন থেকেই গুঞ্জন— চলতি বছরেই নাকি চার হাত এক হতে চলেছে। আর মহাকুম্ভ স্নান নাকি তারই প্রাকপর্ব। সংসার জীবনে যাতে কোনো দুষ্ট গ্রহ ছায়া ফেলতে না পারে, সে জন্যই গঙ্গাস্নান সারলেন অভিনেতা। সঙ্গী ছিলেন তার মা মাধবী দেবেরাকোন্ডা।

    দিন কয়েক আগেই মাকে নিয়ে বিজয়কে দেখা গিয়েছিল হায়দ্রাবাদ বিমানবন্দরে। সাদা পোশাকে ঝকঝকে দেখাচ্ছিল তাকে। মাধবী পরেছিলেন গোলাপি রঙের কুর্তি ও প্যান্ট। তবে গঙ্গাস্নানের সময় দুজনেই গেরুয়া বস্ত্র পরেছিলেন। নায়কের গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। জোড় হাতে সূর্যপ্রণাম করতে দেখা যায় তাদের। স্নান সেরে সাদা উত্তরীয় দিয়ে উর্ধাঙ্গ ঢেকে মাকে নিয়ে মন্দিরে যান পূজা দিতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের ভুলের কথা স্বীকার করলেন মমতা

    কিছুদিন আগে মহাকুম্ভে মমতা কুলকার্নি মহামন্ডলেশ্বর উপাধি পাওয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। আর তার জেরেই কেড়ে নেওয়া হল মমতা কুলকার্নির মহামন্ডলেশ্বর উপাধি। নব্বইয়ের বোল্ড নায়িকাদের তালিকায় প্রথমসারির নাম মমতা কুলকার্নি। পর্দায় সাহসী পোশাক থেকে সাহসী দৃশ্যে লাস্যময়ী মমতা ছিলেন নজরকাড়া।

    এক সাক্ষাৎকারে মমতা দাবি করেছেন, অতীতে তাকে যে অর্ধনগ্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছিল, তার কারণ তিনি সচেতন ছিলেন না। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই ওই ফটোশুটের প্রস্তাব তার কাছে আসে এবং সে সময় তিনি এর মধ্যে আপত্তিকর কিছু থাকতে পারে বলে বুঝতেই পারেননি।

    মমতা বলেন, ‘সেই সময় আমি নবম শ্রেণিতে পড়ি। আমাকে ডেমি মুরের একটি ছবি দেখানো হয়েছিল, আমার কিছু অশালীন বলে মনে হয়নি।’ সেই বয়সেও মমতাকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছিল, জানিয়েছেন নিজেই। তার কথায়, ‘সেই সময় আমি বলেছিলাম, ‘আমি এখনো অক্ষতযোনি’। কিন্তু কেউ বিশ্বাস করেননি। কারণ সকলেই তো ভাবেন বলিউডে আসার জন্য যেকোনো পথ বেছে নিতে পারেন যে কেউ।’ তবে নিজেকে ছাড়পত্র দিলেও মমতা অন্যদের কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তার দাবি, ‘হয়তো অর্থের জন্য অনেকেই এমন ভুল পথ বেছে নেন। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তা হয়নি। কারণ আমার বাবা প্রতিষ্ঠিত ছিলেন।’ এরপরই তিনি দাবি করেন, তিনি যৌনতা সম্পর্কে অবগতই ছিলেন না। তার কথায়, ‘আমি সে সময় যৌনতা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। নগ্নতার রূপ সম্পর্কেও অবগত ছিলাম না। তাই বুঝতেই পারিনি, এটা অশালীন।’

    ১৯৯৬ সালে মুক্তি পায় রাজকুমার সন্তোষীর ছবি ‘ঘাতক’ সেখানেই ‘কোয়ি যায়ে লে কে আয়ে’ গানে নেচেছিলেন মমতা। সেই প্রসঙ্গে তার দাবি, ‘মাধুরী বা অন্য সকল নৃত্যশিল্পীই যখন নাচেন তখন তারা গানের কথা শুনতেই পান না। নিজের ভিতরের ছন্দে নেচে চলেন। আমিও সেই সময় গানের কথায় মনোনিবেশ করিনি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুণ্যের সন্ধানে মহাকুম্ভের পথে পুনম পান্ডে

    দেশ-বিদেশের বহু তারকা ও রাজনীতিক উপস্থিত মহাকুম্ভে। এবার পালা টালিউড অভিনেত্রী পুনম পান্ডের। গতকাল সোমবার মুম্বাই বিমানবন্দরে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেই সময়ে ফটোসাংবাদিকদের পুনম জানান, ‘তিনি কুম্ভে যোগ দিতে চলেছেন।’ এবার পুণ্যের সন্ধানে ছুটে চললেন অভিনেত্রী।

    সাধারণত বিতর্কিত বিষয়ের জন্যই খবরে উঠে আসেন অভিনেত্রী পুনম পান্ডে। বিমানবন্দরে গণমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, কুম্ভে যাচ্ছি, মহাকুম্ভে। তোমাদের জন্য প্রসাদ নিয়ে আসব। আর কিছু আনব তোমাদের জন্য? 

    এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট হতেই অভিনেত্রীর দিকে ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। এক নেটিজেন বলেছেন—আপনি যা-ই করুন, এত দ্রুত আপনার পাপ ধুয়ে যাবে না। আরেকজনের বলেছেন— সাবধানে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন। মহাকুম্ভে ভদ্র পোশাক পরবেন। বিশেষ করে ডুব দেওয়ার সময় ঢাকা পোশাক পরবেন। তবে পিছিয়ে নেই তার ভক্ত-অনুরাগীরাও। মহাকুম্ভে পুনমকে নতুন রূপে দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তারা। 

    এদিকে মহাকুম্ভের ত্রিবেণী সঙ্গমে গিয়ে ডুব দিয়েছেন পরিচালক রেমো ডি সুজা। সেই মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি নিজেই শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি। সম্পূর্ণ কালো বস্ত্রে মহাকুম্ভে গিয়ে ধ্যান করতে দেখা গেছে রেমোকে। মহাকুম্ভে যাওয়ার আগে নিজের মুখ কালো চাদরে ঢেকে রেখেছিলেন তিনি। নদীতে ডুব দেওয়ার সময়ে নজরে আসে তার গলার রুদ্রাক্ষের মালা। জোড় হাত করে সূর্যপ্রণাম করেন তিনি। স্বামী কৈলাসানন্দ গিরি মহারাজের থেকেও আশিস চান তিনি।

    অন্যদিকে মহাকুম্ভে গিয়ে এবার জীবন বদলে ফেলেছেন বলিউড অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নিও। সব রীতি মেনে তিনি সন্ন্যাসী নিয়েছেন। সন্ন্যাসী নেওয়ার সময়ে অঝোরে কেঁদেছিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক