Tag: মধুচন্দ্রিমা

  • মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে সঙ্গ দেননি সহধর্মিণীকে, কী করেছিলেন এআর রহমান

    অস্কারজয়ী সংগীত সুরকার এআর রহমান মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে সহধর্মিণীকে সঙ্গ না দিয়ে নাকি সারারাত বীণা বাজিয়েছিলেন। কেন এমন করেছিলেন এ সুরস্রষ্টা? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এআর রহমানের শ্যালক ভগ্নিপতির জীবনের এ অজানা কথাই তুলে ধরলেন।

    দেশের অন্যতম খ্যাতিমান কিংবদন্তি সংগীত সুরকার ও পরিচালক এআর রহমান। বিশ্বজোড়া খ্যাতি তার। দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন অস্কার মঞ্চেও। সাধারণভাবে নিজের কাজের জন্যই প্রচারের আলোয় থাকেন এআর রহমান। স্বভাবজাত কারণে স্বল্পভাষী হওয়ায় ক্যামেরার সামনে বেশ মুখচোরা তিনি। অতীতে ক্যামেরার সামনে বেশ কয়েকবার সুরকারকে দেখা গেছে সহধর্মিণীকে শাসন করতে। তবে সুরকার মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে সহধর্মিণীকে সঙ্গ না দিয়ে নাকি সারারাত বীণা বাজিয়েছিলেন।

    তামিলের পাশাপাশি হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করলেও সংগীত পরিচালক এআর রহমান সব সময়ই তামিলকে সব থেকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে এসেছেন। সহধর্মিণী সায়রা বানুর সঙ্গে দীর্ঘ দাম্পত্য তার। তিন সন্তানের অভিভাবক তারা। তবে বরাবরই নিজের কাজের প্রতি ভীষণ রকম দায়বদ্ধ রহমান। সে কারণে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে নাকি সহধর্মিণীকে সঙ্গ দিতে পারেননি সুরকার। 

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এআর রহমানের শ্যালক এক সাক্ষাৎকারে ভগ্নিপতির জীবনের এই অজানা কথাই তুলে ধরলেন। তিনি যে একেবারে বিপরীত স্বভাবের মানুষ সে কথাও জানালেন তিনি। এআর রহমানের শ্যালক বলেন, সহধর্মিণীকে নিয়ে মধুচন্দ্রিমায় গেছেন রহমান। সুরকারের সহধর্মিণীকে রাত ১২টা নাগাদ ফোন করতেই তিনি বলেন, ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। পাশের ঘরে বীণা বাজাচ্ছেন রহমান। কারণ একটি সুর নিয়ে অনেক দিন ধরে চিন্তাভাবনা করছিলেন। সেই কারণে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েও সেই কাজকেই প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমার গুঞ্জন, যা বলেছিলেন ঐশ্বরিয়া

    গোপনে বলিউড অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে বিয়ে সেরেছিলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। একসময়ে এ দুই তারকার সম্পর্ক ছিল বলিউডে আলোচনার কেন্দ্রে। ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’ ছবির শুটিং থেকে প্রেম শুরু হয়েছিল তাদের। এর পরেই খবর রটে যায়— তারকা যুগল নাকি গোপনে বিয়ে করেছেন। এমনকি ঐশ্বরিয়ার ধর্মান্তরের কথাও রটে যায় বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। 

    সেই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সালমান খানের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার বিয়ে। গুঞ্জন ছড়ায়— লোনাভালার একটি বিলাসবহুল বাংলোয় বসে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার বিয়ের আসর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব। তবে এ সম্পর্কে মোটেই সম্মতি ছিল না সাবেক বিশ্বসুন্দরীর বাবা-মায়ের। তাই নাকি তারা এ বিয়েতে অনুপস্থিত ছিলেন।

    এ বিয়েতেই শেষ নয়; সালমান ও ঐশ্বরিয়া নিউইয়র্কে মধুচন্দ্রিমা করতে গিয়েছিলেন বলেও খবর রটেছিল। তবে এ ঘটনাগুলোর সত্যতা কখনই প্রকাশ্যে আসেনি। গুঞ্জন হিসেবেই থেকে গেছে তাদের বিয়ের খবর।

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে ঐশ্বরিয়াকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি সবটাই মিথ্যে বলে দাবি করেছিলেন। ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন— তিনি বিয়ে করলে গোটা ইন্ডাস্ট্রি জানতে পারবে। বিয়েটা হলে গোটা ইন্ডাস্ট্রির কাছে কি খবর থাকত না? খুব ছোট আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রি। আমি এমন মানুষই নই যে বিয়ের মতো বড় ব্যাপারকে অস্বীকার করব। তিনি বলেন, বিয়ে হলে গোটা দুনিয়াকে গর্বের সঙ্গে আমার বরের সঙ্গে পরিচয় করাতাম। তা ছাড়া বিয়ে করার সময় কোথায়? এ গুজবগুলো সত্যিই হাস্যকর।

    উল্লেখ্য, ২০০২ সালে সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন ঐশ্বরিয়া ও সালমান। তবে সেই বিচ্ছেদ নিয়েও চর্চা হয়েছিল বিস্তর। বিচ্ছেদের পর দুজনের মধ্যে প্রায় মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়। এর পরে আর কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি ঐশ্বরিয়া ও সালমান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মধুচন্দ্রিমায় কোথায় গেলেন অনন্ত-রাধিকা

    অবশেষে মধুচন্দ্রিমায় গেলেন অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট। একাধিক প্রাকবিবাহ অনুষ্ঠান, বিয়ে ও বিবাহপরবর্তী অনুষ্ঠানের দীর্ঘ সূচি পেরিয়ে তারা একান্ত যাপনের জন্য বেছে নিলেন কোস্টারিকা। প্যারিস অলিম্পিক থেকে সোজা সেখানেই গেছেন দুজনে।

    দ্য টিকো টাইমসের সূত্রের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট গত ১ আগস্ট কোস্টারিকায় এসে পৌঁছেছেন। তারা লাক্সারি ফোর সিজন রিসোর্ট কাসা লাস ওলাসে থাকবেন। আর এ রিপোর্টের সত্যতা যাচাই করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

    গত জুলাই মাসে সদ্যই গাঁটছড়া বেঁধেছেন অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্ট। সদ্যই লন্ডনে তাদের বিবাহপরবর্তী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পরই তারা প্যারিস অলিম্পিক দেখতে হাজির হন। তবে তারা একা নন, মুকেশ আম্বানি, ইশা আম্বানি এবং আনন্দ পরিমলও গেছেন তাদের সঙ্গে। এমনকি নীতা আম্বানিও উপস্থিত ছিলেন প্যারিসে। তিনি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য হওয়ায় সেখানে রয়েছেন।

    গত ১২ জুলাই মুম্বাইয়ের জিও কনভেনশন সেন্টারে বসেছিল অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টে বিয়ের আসর। ১৪ এপ্রিল ছিল তাদের রিসেপশন। এ বিয়েতে দেশ-বিদেশের একাধিক তারকা এসেছিলেন। বিয়ের পর লন্ডনে বসেছিল তাদের বিবাহপরবর্তী অনুষ্ঠানের আসর। এর পর তারা প্যারিস থেকেই হানিমুনে গেলেন কোস্টারিকায়।

    রিসোর্ট কাসা লাস ওলাসে ছয় বেডরুম রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত এ রিসোর্টটি ১৮ হাজার ৪৭৫ স্কোয়ার ফিটের ওপর দাঁড়িয়ে। প্রতি রাতের জন্য এই আলিশান ভিলার খরচ প্রায় ২৩ হাজার মার্কিন ডলার। এমনটিই এ রিসোর্টের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে। এখানে শিশুদের জন্যও বিশেষ ঘর আছে। এ ছাড়া সুইমিংপুল আছে। অতিথিরা চাইলে বেশি খরচ করে ব্যক্তিগত শেফ, প্রাইভেট বার সব ব্যবহার করতে পারবেন।

    সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • মধুচন্দ্রিমায় আশিষ-রূপালি

    ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা আশিষ বিদ্যার্থী। ২৫ মে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন ৫৭ বছর বয়সি এই অভিনেতা। এ বিয়ে নিয়ে নানা বিতর্কের মুখে পড়েন, একাধিকবার এসবের জবাবও দেন। সব বিতর্ক পেছনে ফেলে মধুচন্দ্রিমায় গেলেন নবদম্পতি।

    প্রথম স্ত্রী পিলু বিদ্যার্থীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর আসামের পোশাকশিল্পী রূপালি বড়ুয়াকে বিয়ে করেন আশিষ বিদ্যার্থী। 

    বৃহস্পতিবার আশিষ তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেই ছবিতে একটি বাসে বসে আছেন আশিষ-রুপালি। দু’জনের মাথায় ট্র্যাভেল হ্যাট। আশিষের পরনে হলুদ রঙের শার্ট। তার পাশের সিটে গোলাপি পোশাকে রুপালি। এ ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘প্রিয় বন্ধুরা, তোমাদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ।’

    পোস্টে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান ভক্তরা, অনুরাগীরাও। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘আপনাদের দেখেও ভালো লাগছে।’ আবার কেউ কেউ বললেন, ‘সুন্দর! একসঙ্গে ভালো থাকুন।’ কেউ লিখেছেন, ‘আপনাদের নতুন পথচলা শুভ হোক।’ ছবিটি দেখে কেউ কেউ অনুমান করছেন সিঙ্গাপুরে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছেন এ দম্পতি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে মধুচন্দ্রিমা শেষে কাজে ফিরলেন কিয়ারা

    বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে মধুচন্দ্রিমা গিয়েছিলেন বলিউড নায়িকা কিয়ারা আদভানি। বিয়ে-মধুচন্দ্রিমা এসব কারণে দীর্ঘদিন কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন। এবার মধুচন্দ্রিমা শেষে শুটিংয়ে ফিরলেন কিয়ারা। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছবি থেকে তেমনটিই বোঝা যাচ্ছে। মেকআপ নেওয়ার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন— ২৫ ফেব্রুয়ারি ফের কাজে ফিরলাম।
    কোন ছবির শুটিংয়ের জন্য মেকআপ নিচ্ছেন, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি কিয়ারা। এ মুহূর্তে কিয়ারার হাতে দুটি ছবি রয়েছে। কার্তিক আরিয়ানের বিপরীতে ‘সত্য প্রেম কথা’ ও রাম চরণের সঙ্গে পরিচালক এস শঙ্করের ‘আরসি ১৫’।

    গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের সূর্যগড় রাজপ্রাসাদে সিদ্ধার্থের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন কিয়ারা। হিন্দু রীতি মেনে বিয়ের পাশাপাশি দিল্লিতে বন্ধুবান্ধবদের জন্য মুম্বাইতে বলিউডের তারকাদের জন্য দুটি রিসেপশনেরও আয়োজন করেছিলেন তারকা জুটি। ওই রিসেপশন শেষেই মধুচন্দ্রিমা যাপনের জন্য উড়ে গিয়েছিলেন বিদেশে। 

    গত ২১ ফেব্রুয়ারি মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের ক্যামেরায় বন্দি হয়েছিলেন দুজনে।

    যদিও মধুচন্দ্রিমা যাপনে কোথায় গিয়েছিলেন, তা খোলাসা করেননি সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। বরং দুজনে নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়টি গোপনই রেখেছেন। মুম্বাইতে ফেরার পরেই বেশ কিছু বাণিজ্যিক অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে দেখা গিয়েছিল বলিউডের নিউ কাপলকে। কিয়ারা যেমন সামাজিকমাধ্যমে রীতিমতো ঘোষণা করে কাজে ফেরার কথা জানিয়েছেন, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা সেই পথে হাঁটেননি।

    বিনোদন ডেস্ক