Tag: ভারতীয়

  • ‘নিজের ঢোল নিজেই পিটাইবা, অন্যে রে দিলে ফাডাইয়া ফেলব’

    মানুষটা ছিলেন চূড়ান্ত অগোছালো। তা সত্ত্বেও তার প্রতিভার বিচ্ছুরণ আমাকে স্পর্শ করেছিল। সহকারীর সঙ্গে দাদার ঝগড়া। সহকারীকে বললেন—হায়াত রে স্ক্রিপ্টটা দাও। এদিকে সহকারী জানালেন, দাদা তাকে স্ক্রিপ্টই দেননি। দাদা সেটা হারিয়ে ফেলেছেন। শেষে দাদা রেগে গিয়ে কাগজ ও কলম চেয়ে নিলেন। ঝড়ের গতিতে দৃশ্যটা লিখে ফেললেন। 

    আমি অবাক হয়ে গেলাম। তার থেকে অভিনয় শিখেছি। কাজের ধরন শিখেছি। মেকআপ করা শিখেছি। পরবর্তী জীবনে আমি তিন দশক পরিচালনার কাজ যখন করেছি, তখন দাদার সেই শিক্ষা আমাকে সাহায্য করেছে।

    —এসব কথা জানালেন বাংলাদেশের বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াত। কিন্তু কার কথা বললেন অভিনেতা, যাকে হারিয়েও বেঁচে আছেন তার হৃদয়ে। 

    সেই তিনি হলেন— প্রয়াত ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা ঋত্বিক ঘটক। আজ তার মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) একটি সংবাদমাধ্যমের পাতায় প্রয়াত পরিচালককে স্মরণ করলেন অভিনেতা আবুল হায়াত। 

    ঋত্বিকদার মৃত্যুদিনে অনেক স্মৃতি মনের মধ্যে ভিড় করছে। কারণ দাদার হাত ধরেই আমার সিনেমা জগতে প্রবেশ। সেই ছবির নাম ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। সব কথা লিখে বোঝাতে পারব কিনা জানি না। আমার বয়স হয়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি— দাদার সঙ্গে কাটানো যাবতীয় স্মৃতি আমার মনে আজও টাটকা।

    দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় তৈরি হয় ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। আমি তখন সরকারি চাকুরে। এদিকে নিয়মিত নাটক করি। তখন বাংলাদেশের নাটকে বিপ্লবের প্রভাব। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিয়মিত নাটক করা হচ্ছে। সেই নাটকগুলো মূলত পরিচালনা করতেন সৈয়দ হাসান ইমাম। তিনি ছিলেন আমার স্থানীয় গুরু। ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতার পর এই ছবিটার কাজ যখন শুরু হয়, তখন সেখানে জড়িত ছিলেন হাসান ভাই। হঠাৎ এক সন্ধ্যায় তিনি আমাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। আমার ইচ্ছে ছিলই। তার পর জানতে পারলাম, পরিচালক ঋত্বিক ঘটক! সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই। কারণ সেই সময়ে ঋত্বিক ঘটক ছিলেন আমাদের আইকন। তার ‘মেঘে ঢাকা তারা’ বা ‘সুবর্ণরেখা’র মতো ছবি আমরা তত দিনে দেখে ফেলেছি।

    হাসান ভাই আমাকে পর দিন নিয়ে গেলেন পুরান ঢাকার হাবিবুর রহমানের কোনো একটি বাড়িতে। গিয়ে দেখলাম, ঋত্বিকদা খালি গায়ে লুঙ্গি পরে বসে রয়েছেন। যত দূর মনে পড়ছে— তার মুখে জ্বলন্ত সিগারেট বা বিড়ি। আলাপ পর্বের পর হাসান ভাইকে দাদা বললেন— এডারে কাল এফডিসিতে (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন) লইয়া যাস। দাদা আর কিছু বললেন না দেখে আমি একটু হতাশই হলাম।

    পর দিন এফডিসিতে গিয়ে দেখলাম ঋত্বিকদা আউটডোর শুটিং করছেন। আমাদের দেখে হাসলেন। তার পর মেকআপম্যানকে বললেন— এই ছেলেডার মাথায় একটা উইগ পরায়ে দাও তো। আমি একডু ঘুইরা আসতেছি। তখন আমার বয়স ২৫ বছর। কিন্তু মাথায় চুল কম ছিল। আমি তৈরি। আধ ঘণ্টা পর দাদা ফিরে এলেন। আমার মুখটা ধরে এদিক-ওদিক থেকে দেখলেন। তারপর উইগটা খুলে ফেললেন। দিয়ে বললেন, চুল ছাড়াই ভালো লাগতাসে। পাশ…! আমিও পাশ করে গেলাম।

    তারপর আরিচাঘাটে শুটিংয়ের ডেট। তখন আমি সরকারি ইঞ্জিনিয়ার। ছুটি নিয়ে ফ্লোরে গেলাম। প্রথম দিন দেখলাম, শুটিং হলো না। আবার একদিন গেলাম। সেদিনও আমার দৃশ্যের শুটিং হলো না। আমি দাদাকে বললাম যে, আমি তো আর ছুটি নিতে পারব না দাদা। জলবণ্টন বিভাগের কর্মী আমি। আপৎকালীন পরিষেবা। তাই ঘন ঘন ছুটি পাওয়া মুশকিল। দাদা শুনে বললেন— নায়িকাকে জলে ভেজানোর একটা দৃশ্য নিয়ে আমি ব্যস্ত। দেখছি আজকেই যদি তোমার শুটিং করতে পারি। আমিও খুশি হলাম। কিছুক্ষণ পরে দাদা ডেকে বললেন— আজ হইব তোমারডা।

    দৃশ্যটা ছিল রোজীর (অভিনেত্রী রোজী আফসারী) পিছু পিছু আমি কবিতা বলতে বলতে হাঁটছি। তারপরে ঘড়া মাটিতে রেখে আমার গলায় টান দিয়ে পাঞ্জাবি ছেঁড়ার একটা দৃশ্য ছিল। শট শেষ হলো। সবাই খুব প্রশংসা করলেন। এদিকে আমার পাঞ্জাবি ছেঁড়া। রোজীর নখের আঁচড়ে আমার বুক ছিঁড়ে গেছে, রক্ত বেরোচ্ছে। দাদাকে গিয়ে বিষয়টি বললাম। দাদা হেসে রোজীর দিকে ইঙ্গিত করে বললেন— শক্তিশালী অভিনেত্রী। এমনই ছিল দাদার রসবোধ। তারপরও শুটিং করেছিলাম আরও দিন চারেক। তিনি যে ঋত্বিক ঘটক— সেটাই আমাকে কোনো দিন বুঝতে দেননি। 

    অভিনেতা বললেন, একটা ঘটনা মনে পড়ছে। শুটিংয়ের মাঝেই দাদা তখন বেশ অসুস্থ। ‘চিত্রালী’ পত্রিকায় আমার নাটকের প্রশংসা পড়ে, দাদা আমাকে ডেকে পাঠালেন। তিনি বললেন—তুমি যে মঞ্চে অভিনয় করো, আমাকে তো জানাওনি! আমি বললাম যে, নিজের প্রশংসা নিজের মুখে করা ঠিক নয় দাদা। শুনে হাসলেন। তার পর বললেন— তোমারে একডা কথা কই, নিজের ঢোল নিজেই পিটাইবা। অন্যে রে দিলে কিন্তু ফাডাইয়া ফেলব।

    শুটিংয়ের পর ঢাকাতেই ছবির ডাবিং শুরু হলো। দাদা বলেছিলেন, আগে যদি জানতেন যে আমি মঞ্চে অভিনয় করি, তা হলে আমার চরিত্রের দৈর্ঘ্য আরও বাড়িয়ে দিতেন। কিন্তু দাদার সঙ্গে কাজ করে আমার ততদিনে স্বপ্নপূরণ হয়ে গেছে। বললাম, বড় চরিত্র চাই না। আপনার সঙ্গে যেটুকু কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে, সেটাই আমার জীবনের পাথেয় হয়ে থাকবে। সত্যিই অত বড় পরিচালক হওয়া সত্ত্বেও দাদার থেকে আমি অনেক স্নেহ ও ভালোবাসা পেয়েছি।

    আবুল হায়াত বলেন, অভিনেতা হিসেবে ঋত্বিকদার হাত ধরে আমার অভিনয় জীবনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে আমি গর্বিত। ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ মুক্তি পাওয়ার মাস দুয়েকের মধ্যেই রাজেনদা (পরিচালক রাজেন তরফদার) আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। তার ‘পালঙ্ক’ ছবিতে আমি সুযোগ পেলাম। শেষের দিকে ঋত্বিকদার সঙ্গে আমার আর যোগাযোগ ছিল না। পত্রপত্রিকা মারফত এবং কলকাতার কেউ ঢাকায় এলে দাদার খবর নিতাম। তখন তো মোবাইল ছিল না। থাকলে নিশ্চয়ই আমাদের মধ্যে যোগাযোগ থাকত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার মন্তব্য শুনে যা বলেন সামান্থা

    সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে জন কলিনস নামে এক ব্যক্তি মন্তব্য করেন, ‘ডাইনিদের ভয় পাবেন না। বরং ডাইনিদের যারা পুড়িয়ে মারে, তাদের থেকে সাবধান হোন।’ এ মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন।

    কঙ্গনা জানিয়েছেন, সমাজে এখনো অনেক নারীর বিরুদ্ধে ডাইনির খেতাব দেওয়া হয়। বিশেষ করে, যেসব নারীরা স্বাধীনতা এবং নিজেদের মত প্রকাশ করেন, তাদের অনেক সময় ডাইনির মতো নিন্দিত করা হয়। তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমাদের সমাজে এখনো নারীদের এইভাবে দমন করা হচ্ছে।’

    এদিকে, কঙ্গনার মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের উচিত নারীদের প্রতি এই ধরনের বৈষম্য এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।’

    কঙ্গনা তার পোস্টে লেখেন, ‘যে নারীদের আত্মসম্মান বোধ প্রবল, যারা নিজেদের মনের কথা বিশ্বাস করেন, যারা মুক্ত, যাদের দমিয়ে রাখা যায় না, যারা সমস্ত বেড়া ভেঙে এগিয়ে যেতে পারেন, তারাই আসলে ডাইনি। এই বৈশিষ্ট্যগুলিই এই নারীদের রহস্যময় ও ভয়ংকর করে তোলে। কিন্তু যারা অভিশপ্ত ও খাঁচায় বন্দি থাকতে ভালোবাসেন, তারাই এই নারীদের ভয় পান।’

    কঙ্গনা মনে করেন, সমাজে শক্তিশালী নারীদেরই ডাইনি তকমা দেওয়া হয়। দাগিয়ে দেওয়া হয়, অলৌকিক ভাবে এরা সাহসী হয়ে উঠেছেন। তাই এই নারীদের শক্তি ও সাহস দেখে খাঁচায় বন্দি মানুষেরা তাদের পুড়িয়ে ছাই করে দিতে চান। 

    অভিনেত্রী লেখেন, ‘হিংসার মতো দুর্দশা কিছু হয় না। এই নারীদের দেখে আপনি হিংসা করবেন না কি এদের দেখে অনুপ্রাণিত হবেন, তা আপনার ওপর নির্ভর করছে। বুদ্ধি করে সিদ্ধান্ত নিন। খাঁচা ভেঙে বেরিয়ে আসুন ও মুক্ত হয়ে বাঁচুন।’

    কঙ্গনার এ পোস্টে পূর্ণ সমর্থন জানান সামান্থা। পোস্টের প্রতিচ্ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন দক্ষিণী অভিনেত্রীও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইতালিতে ঘুরতে গিয়ে সর্বস্ব খোয়ালেন ভারতীয় তারকা দম্পতি

    ইতালিতে দিনদুপুরে ডাকাতির শিকার হলেন ভারতীয় তারকা দম্পতি। ঘুরতে গিয়ে সর্বস্ব খোয়ালেন দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠী ও বিবেক দাহিয়া। তাদের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ রুপি, পাসপোর্টসহ নানা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। গাড়িটিও ভেঙেছে, ফলে তারা ফ্লোরেন্সের বাইরে বের হতে পারছেন না।

    এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

    জানা গেছে, দিন কয়েক আগে হাড় ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিনেত্রী। একটু সুস্থ হয়েই স্বামী বিবেক দাহিয়ার সঙ্গে হাওয়া বদল করতে গিয়েছিলেন ইতালি। 

    নিজেদের গাড়ি একটি হোটেলের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে কথা বলতে হোটেলের ভেতরে ঢুকেছিলেন তারা। ফিরে এসে দেখেন গাড়ি ভাঙা। ভেতরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে শুধু জামাকাপড় আর খাবারদাবার। খোয়া গেছে পাসপোর্টসহ সব জরুরি কাগজপত্র, নগদ অর্থ যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০ লাখ রুপি।

    অভিনেত্রীর দাবি, ফ্লোরেন্সের কাছে তারা দিনদুপুরে ডাকাতির শিকার হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা পাননি বলেও অভিযোগ করেন।

    দিব্যাঙ্কারের দাবি, তিনি ও তার স্বামী ভয়ংকর সমস্যার মধ্যে পড়ে রয়েছেন। তাই ভারতীয় দূতাবাসের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। কারণ এই মুহূর্তে দম্পতির হাতে একটি টাকাও নেই। 

    জানা গেছে, ওই এলাকায় নাকি সন্ধ্যা ৬টার পর থানায় তালা পড়ে যায়। এছাড়া এলাকায় কোনো সিসিটিভি না থাকায় কোনো পদক্ষেপই নেয়নি পুলিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর প্রশংসায় যা বললেন রণবীর 

    চলতি বছরের অন্যতম বড় বাজেটের নাগ অশ্বিন পরিচালিত বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ মুক্তি পেয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন ও অমিতাভ বচ্চন। ‘কল্কি’তে অভিনয় করার জন্য বড় অঙ্কের পারিশ্রমিকও নিয়েছেন এ অভিনেতারা।

    আর অভিষেক বচ্চন আর তার বন্ধুদের সঙ্গে ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ দেখতে গিয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। এবার স্ত্রীর হাত ধরে ছবি দেখতে গেলেন রণবীর সিং। সম্পূর্ণ কালো পোশাক, কালো চশমা আর টুপিতে রণবীরকে দেখা যায় দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে।

    বুধবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ছবি পোস্ট করে তাতে রণবীর লিখেছেন, ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ একটি অভিজাত ‘সিনেম্যাটিক’ প্রদর্শন। বড় পর্দার ছবির শেষ কথা! প্রযুক্তিগত কর্মকাণ্ডের অভূতপূর্ব সূক্ষ্মতা। সেরা ভারতীয় ছবি।’ সেখানে তার স্ত্রীরও প্রশংসা করেছেন।

    নিজের স্ত্রীর প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘যদি আমার প্রিয়ার কথা বলতে হয়। তুমি প্রতিটি মুহূর্তকে ভরিয়ে তুলেছ নিজের লাবণ্য এবং আভিজাত্যে। এমন আকুলতা যেন কবিতা, কী শক্তিশালী। কোনও তুলনাই চলে না। তোমাকে ভালোবাসি।’ এর আগেও দীপিকার ছবির প্রশংসা করতে দেখা গেছে রণবীরকে। স্বামীর সঙ্গে ‘গহরাইয়াঁ’ ছবির গান গেয়ে বেড়াতে যাওয়ার ভিডিও পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী। 

    এরপর তিনি একে একে পরিচালক নাগ অশ্বিন, কমল হাসন, প্রভাসকে উল্লেখ করে লেখেন, ‘নাগি স্যার এবং তার দলকে শুভেচ্ছা। কেউ যদি আমার মতো অমিতাভ বচ্চনের অন্ধভক্ত হন তাহলে কোনও ভাবেই এই ছবিটি দেখার সুযোগ হারাবেন না।’

    ‘কল্কি’ সিনেমাটিতে ভৈরব নামে এক শিকারির গল্প বলা হয়েছে। ক্যাম্পাসে নিজের জীবন গড়ার বিশাল উচ্চাকাঙ্ক্ষা তার। তিনি কীভাবে অশ্বত্থামা (অমিতাভ) এবং সুম ৮০ (দীপিকা) সঙ্গে পথ অতিক্রম করেন, তা নিয়েই এগোয় গল্পটি। কমল হাসান কমপ্লেক্সের শাসক সুপ্রিম ইয়াসকিনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ছবিতে ম্রুনাল ঠাকুর, আন্না বেন, বিজয় দেবেরাকোন্ডা, দুলকার সালমান এবং ব্রহ্মানন্দমের মতো তারকারা অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

    ‘কল্কি’ ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রভাস ছাড়াও অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন, দীপিকা পাড়ুকোন ও কমল হাসান। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নাগ অশ্বিন এবং প্রযোজনা করেছে বৈজেন্দি মুভিজ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার সময় শেষ, কেন বলেছিলেন সব্যসাচী

    ভারতীয় বাংলা সিনেমার শক্তিমান অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার সকালে আচমকাই সামনে আসে তার অসুস্থতার কথা।

    rnrn

    জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ‘ফেলুদা’। শনিবার রাতে ধুমধাম করে নাতি ধীরের অন্নপ্রাশন (মুখেভাতের অনুষ্ঠান) পালন করেছেন বেণুদা। হঠাৎ হলটা কি তার? চিন্তায় ঘুম উড়েছিল ভক্তদের। অবশেষে তার স্বাস্থ্য় নিয়ে সামনে এল আপডেট। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    rnrn

    পরিবারের তরফে বর্ষীয়ান অভিনেতার স্বাস্থ্য নিয়ে মুখে কুলুপ। ৬৭ বছর বয়সী অভিনেতার হাসপাতালে ভর্তির খবর মেনে নিলেও বেশিকিছু বলতে না-রাজ স্ত্রী মিঠু চক্রবর্তী।

    rnrn

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হার্টে ব্লকেজ পাওয়া গিয়েছিল অভিনেতার। সেইমতো চিকিৎসকরা দ্রুত পেসমেকার বসানোর পরামর্শ দেন। সেইমতো বুধবার সন্ধ্যায় বাইবাস সংলগ্ন বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয় তার। আপতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ‘বোম্বাইয়ের বোম্বেটে’র ফেলুদাকে। বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

    rnrn

    ধীরে অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানের যাবতীয় তদারকির ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন অভিনেতা। নাতি-নাতনির সঙ্গে সময় কাটাতেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তিনি। অথচ নাতির অন্নপ্রাশন মিটতে না মিটতেই তার অসুস্থতার খবরে চিন্তিত টালিপাড়া। 

    rnrn

    গত বছর বাংলাদেশে উপস্থিত হয়ে সব্যসাচী বলেছিলেন, এবার অভিনয় থেকে সরে দাঁড়াতে চান তিনি। ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে অভিনেতা বলেছিলেন, ‘আমার সময় শেষ, এখন অবসরপ্রাপ্ত’। এমনকী জানিয়েছিলেন, ‘আমি সিনেমা থেকে বিদায় নিচ্ছি। এখন অবসরের সময়। সবাইকে আমি না করে দিচ্ছি। অনেক অফার এসেছে। অভিনয় করছি না।’ পরে অভিনেতা জানান, তার মন্তব্যের ভুল বাখ্যা হয়েছে।

    rnrn

    তিনি পরবর্তীতে বলেন, ‘আমাকে লাগাতার প্রশ্ন করা হচ্ছিল যে আমি আমার কবে পর্দায় ফিরব। তখন আমি বিরক্ত হয়ে জানি না বলায় সবাই যখন জিজ্ঞেস করে আমি অবসর নিচ্ছি কিনা আমি 'তাহলে তাই' বলে দিই। আসলে আমি বিরক্ত হয়ে গেলে এমনই উত্তর দিই। আমার সেই কথারই ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।’

    rnrn

    বাংলা চলচ্চিত্রের অতি পরিচিত নাম সব্যসাচী চক্রবর্তী, বলিউডেও কাজ করেছেন নিয়মিত। আগামিতে শুভ্রজিৎ মিত্রের দেবী চৌধুরানি ছবিতে দেখা মিলবে সব্যসাচীর, এই ছবিতে থাকছেন তার ছোট ছেলে অর্জুন চক্রবর্তীও। সব্যসাচী ও মিঠু চক্রবর্তীর দুই ছেলে গৌরব ও অর্জুন। বাবা-মা'র পদচিহ্ন অনুসরণ করে দুজনেই অভিনয়কেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জয়ার প্রথম বলিউড সিনেমা নিয়ে যা বলছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম

    ভারতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান। কলকাতার সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে ওপার বাংলায় বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। এবার অভিনয় করেছেন হিন্দি সিনেমায়।

    অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী পরিচালিত এ বলিউড ছবির নাম ‘কড়ক সিং’। ভারতীয় ওটিটি প্ল্যাটফরম জিফাইভে শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এতে নয়না চরিত্রে অভিনয় করছেন জয়া।

    কেমন করলেন বাংলাদেশের এই তারকা? ভারতের প্রথমসারির পত্রিকাগুলো ছবিটি নিয়ে ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছে রিভিউ। সিনেমাটি নিয়ে প্রশংসা এসেছে, হচ্ছে সমালোচনাও। দু’একটি জায়গায় জয়া আহসানের নামও বিশেষভাবে নেওয়া হয়েছে।

    এনডিটিভি রিভিউয়ের শিরোনামে লিখেছে— ‘পঙ্কজ ত্রিপাঠী একাই ফিল্মটি ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট’। ২.৫ রেটিং দিয়েছে তারা। আর জয়া প্রসঙ্গে তাদের মন্তব্য— ‘পঙ্কজের চারপাশে যারা আছেন, যেমন- জয়া আহসান, সঞ্জনা সাংঘি, দিলীপ শঙ্কর এবং পরেশ পাহুজা— তারা চমৎকার করেছেন। অনেকাংশে প্রতিক্রিয়াশীল ভূমিকা রয়েছে তাদের।‘

    তবে তারা যে পঙ্কজের মতো অভিনয়ের জায়গা পাননি, তাও বলেছে চ্যানেলটি।

    ইন্ডিয়া টিভির মতে, পঙ্কজ ত্রিপাঠি নিখুঁত রহস্য থ্রিলার শেষ করতে পেরেছেন। 

    দ্য হিন্দুর শিরোনাম, ‘পঙ্কজ ত্রিপাঠি এই নিস্তেজ থ্রিলারটিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন’।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ছবিটি নিয়ে তুমুল সমালোচনা করেছে। তাদের শিরোনাম— পঙ্কজের ছবির এর চেয়ে আর কতটা খারাপ হতে পারে?

    সিনেমার মূল চরিত্রটি করেছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি। গল্পে দেখানো হয়েছে— ত্রিপাঠি অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত অর্থনৈতিক দুর্নীতি বিভাগের একজন কর্মকর্তা। কিন্তু হঠাৎ করে তিনি হাজির হন হাসপাতালে। এর পর তাকে পাওয়া যায় নানা ধরনের নাশকতামূলক কাজেও। তাকে নিয়েও মূলত চিত্রনাট্য এগিয়ে নিয়েছেন পরিচালক। তবে জয়ার চরিত্রটিও গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন নির্মাতা অনিরুদ্ধ। এ সিনেমার শুটিং হয়েছে মুম্বাইতে।

    তারকাবহুল এ ছবিতে পঙ্কজ-জয়া ছাড়াও আছেন পার্বতী, সঞ্জনা সাংঘি প্রমুখ। গত মাসে গোয়ায় ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হয় সিনেমাটির।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রথমবারের মতো ভারতীয় ওয়েব সিরিজে চঞ্চল

    জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী চঞ্চল চৌধুরী। তার অভিনয়ের দ্যুতি দেশ পেরিয়ে ছড়িয়ে গেছে ভারতেও। বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দর্শকদের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়। সেখানে দেশি সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ মুক্তির কারণেই তার এ খ্যাতি। 

    rnrn

    এতদিন বাংলাদেশি ওয়েব সিরিজে তার অভিনয় দেখলেও পশ্চিমবঙ্গের দর্শকরা তাদের দেশি কাজে চঞ্চলের উপস্থিতি পাবেন। সম্প্রতি কলকাতার ওয়েব সিরিজে নাম লিখিয়েছেন চঞ্চল। নাম ‘গণদেবতা’।

    rnrn

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গণদেবতা’ ও ‘পঞ্চগ্রাম’ উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করেই সিরিজটি নির্মাণ করবেন কমলেশ্বর মুখার্জি। 

    rnrn

    জানা গেছে, এখন চিত্রনাট্য সাজানোর কাজ চলছে। সব ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ শুটিং শুরু হবে। সিরিজে চঞ্চলের সঙ্গে দুর্গা চরিত্রে দেখা যাবে কলকাতার অভিনেত্রী অরুণিমা ঘোষকে। সিরিজটি কোন প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে, তা এখনো জানানো হয়নি। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘পদাতিক’ সিনেমায় কালজয়ী চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। এরমধ্যেই সিনেমাটি শুটিং শেষ হয়েছে। তবে সিনেমাটি মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতীয় প্রযোজকের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ পাক অভিনেত্রীর (ভিডিও)

    ভারতীয় প্রযোজকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন পাকিস্তানের এক অভিনেত্রী। এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ অভিযোগ করেছেন। 

    অভিনেত্রী মেহরিন শাহ জানান, তার সঙ্গে খারাপ আচরণ এবং তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়। 

    মেহরিন শাহ সম্প্রতি শুটিংয়ের জন্য আজারবাইজানের বাকুতে যান, যেখানে তার সঙ্গে ছিল পরিচালক ও প্রযোজক। পাক অভিনেত্রীর অভিযোগ, তিনি যে হোটেলে ছিলেন, সেখানে পাকিস্তানি পরিচালক সৈয়দ এহসান আলি জায়দি ও ভারতীয় প্রযোজক রাজ গুপ্তা যৌনকর্মীদের নিয়ে আসতেন। এমনকি মেহরিনকে অনৈতিক প্রস্তাবও দেন। সেই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় মেহরিন শাহর সঙ্গে বাজে আচরণ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

    মেহরিন জানান, কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় খারাপ ব্যবহারের পাশাপাশি তাকে সেখানে ঠিকমতো খেতেও দেওয়া হয়নি। এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়লে শুটিং সেট থেকে তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়নি। 

    প্রযোজকের থেকে কোনো সাহায্য না পেয়ে পাক অভিনেত্রী নিজেই এখন দেশে ফেরার টিকিটের ব্যবস্থা করেছেন। ভিডিওতে এই পরিচালক ও প্রযোজকের কাছ থেকে অন্য অভিনেত্রীদের সাবধান থাকার কথাও বলেন তিনি। 

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

    বিনোদন ডেস্ক