Tag: ব্যবহার

  • দেশে তারকাদের মধ্যে প্রথম মোবাইল ব্যবহার করতেন সালমান শাহ

    সালমান শাহ-ই এফডিসিতে সবার আগে মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেন। তার মৃত্যুর এত বছর পর জানালেন নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু। সালমান শাহকে নিয়ে তিনি নির্মাণ করেছিলেন ‘জীবন সংসার’ চলচ্চিত্র। এই সিনেমা শেষ হওয়ার পরপরই সালমান শাহ মারা যান।

    রাজু বলেন, সালমান শাহ শোবিজ তারকাদের মধ্যে প্রথম মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। ‘জীবন সংসার’ শুটিংয়ের সময় তিনি মোবাইল ফোন নিয়ে আসতেন। তখন চলচ্চিত্র জগতের কারো হাতে মোবাইল ফোন ছিল না। সালমান শাহ হাল ফ্যাশনে সবার চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে থাকতেন। চলচ্চিত্রে ফ্যাশন বিষয়টিকে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যেমন ফ্যাশনেবল গাড়ি, মোটরসাইকেল ব্যবহার করতেন সালমান শাহ।

    জাকির হোসেন রাজু দেশের একটি গণমাধ্যমে সালমান শাহকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতার মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

    ১৯৯৩ সালের কথা- বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয় এপ্রিল মাস থেকে। সিটিসেল নিয়ে আসে প্রথম মোবাইল ফোন। চড়া মূল্য ও সীমিত নেটওয়ার্কের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের অল্প মানুষই এই ফোন ব্যবহার করতেন। এদের একজন ছিলেন সালমান শাহ। হাল ফ্যাশনের সবদিকে নজর ছিল তার। যুগের চেয়েও আধুনিক ছিলেন এই নায়ক। 
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৭টি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন শাহরুখ!

    বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারজুড়ে রয়েছে অসংখ্য সাফল্যে।বয়স ৫৮ হলেও এখনও ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন শাহরুখ। 

    rnrn

    সম্প্রতি অভিনেতাকে নিয়ে মজার এক তথ্য শেয়ার করেছেন তার বন্ধু বলিউড প্রযোজক-অভিনেতা বিবেক ভাসওয়ানি। 

    rnrn

    শাহরুখ যখন বলিউড ক্যারিয়ার নিয়ে সংগ্রাম করছেন, তখন অনেক সহযোগিতা করেন বিবেক। এমন কী বিবেকের বাড়িতে শাহরুখের থাকার ব্যবস্থাও করেছিলেন। কিন্তু শাহরুখের সঙ্গে এখন তার যোগাযোগ নেই বললেই চলে! 

    rnrn

    সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কানানকে সাক্ষাৎকার দেন বিবেক। এ আলাপচারিতায় শাহরুখের মোবাইল ব্যবহারের তথ্য উঠে আসে। 

    rnrn

    আপনি ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর কঠিন সময় পার করেছেন। তারপরও কেন শাহরুখ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নি? 

    rnrn

    জবাবে বিবেক বলেন, শাহরুখ খানের ১৭টি মোবাইল রয়েছে। তার মধ্যে একটি নাম্বার আমার কাছে আছে। ‘জওয়ান’ সিনেমা মুক্তির পর আমি শাহরুখকে ফোন করেছিলাম কিন্তু ধরেনি। আমি যখন গোসল করছিলাম, তখন শাহরুখ আমাকে ফোন করেছিল। আর আমি ধরতে পারিনি। শাহরুখের অনেক দায়িত্ব, সবসময় ভ্রমণের উপরেই থাকে। সে একটি সাম্রাজ্য চালায়। তাই আমিও বলি, ওকে।

    rnrn

    শাহরুখের সঙ্গে কথা হয় না, দেখাও হয় না বিবেকের। তা জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, আমরা কথা বলি না, দেখাও করি না। যখন দেখা হয়, তখন মনে হয় না আমাদের দেখা হওয়ার মাঝে এতগুলো বছর কেটে গিয়েছে। আমি একজন শিক্ষক। একটি স্কুলের ডিন। আমি লোকাল বাসে, ট্রেনে চলাফেরা করি। কিন্তু শাহরুখ একজন সুপারস্টার।

    rnrn

    চার বছর আগে শাহরুখের জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিলেন বিবেক। সেখানেই তাদের শেষ দেখা। সেই স্মৃতিচারণ করে বিবেক বলেন, চার বছর আগে শাহরুখের জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিলাম। আমাকে শাহরুখ বলেছিল, ‘স্যার, আসুন প্লিজ। চলুন আমার বাচ্চাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই।’ সেই পার্টিতে আমরা খুব আনন্দ করেছিলাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোনার সুতায় তৈরি পরিণীতির লেহেঙ্গা, ব্যয় ২৫০০ ঘণ্টা: মণীশ

    পরিণীতি-রাঘবের বিয়েতে আইভরি-থিম ছিল এবং অতিথিরাও এ রঙের পোশাকে সেজেছিলেন। বিয়েতে মনীশ মালহোত্রার ডিজাইনের লেহেঙ্গায় সাজেন পরিণীতি। পোশাকের সঙ্গে মানানসই হীরার অলংকারে ঝলমল করছিলেন এই বলিউড নায়িকা। রাঘবের পরনে ছিল পবন সচদেবের নকশা করা শেরওয়ানি।

    বিয়েতে পরিণীতির পরনের লেহেঙ্গা আলাদাভাবে নজর কেড়েছে। এ নিয়ে নেটিজনরাও ব্যস্ত নানা মন্তব্যে। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রা।ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মণীশ মালহোত্রা জানান, এ লেহেঙ্গায় সোনার সুতা ব্যবহার করা হয়েছে। পরিণীতির বিয়ের রাজকীয় পোশাকটি হাতে তৈরি করা হয়েছে। এটি তৈরিতে মোট সময় লেগেছে ২৫০০ ঘণ্টা। তবে বিয়ের পোশাকটি তৈরিতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে তা জানাননি তিনি। 

    লেহেঙ্গা ডিজাইনের জন্য মণীশের সঙ্গে দেখা করেন পরিণীতি। অভিনেত্রী জানান, তার নানি শাড়িতে কিচেইন ব্যবহার করতেন। কিচেইন যুক্ত শাড়ি পরে পরিণীতির নানি যখন বাড়িতে হাঁটাচলা করতেন তখন একটি শব্দ হতো।

    নানির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বিষয়টি পরিণীতি তার বিয়ের পোশাকে রাখার কথা জানান। পরিণীতির চাওয়া অনুযায়ী, বিয়ের পোশাকে তা যুক্ত করেন মণীশ। তাছাড়া লেহেঙ্গার সঙ্গে যে ঘোমটা ব্যবহার করা হয়েছে, তা আলাদা মাত্রা যোগ করেছে বলে জানিয়েছেন এই ডিজাইনার।

    বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার বর রাঘব চাড্ডা আম আদমি পার্টির নেতা ও সংসদ সদস্য। গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজস্থানের উদয়পুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরিণীতি-রাঘবের বিয়ে উপলক্ষে বাহারি সাজে সেজেছিল উদয়পুর। নৌকায় রাঘব পৌঁছে যান কনে পরিণীতির কাছে। বরযাত্রীদের পাঞ্জাবি আর রাজস্থানি সংস্কৃতি অনুযায়ী স্বাগত জানানো হয় লীলা প্যালেসে।
     

    বিনোদন ডেস্ক