Tag: বেবী নাজনীন

  • দুই দশক পর বিটিভিতে আবেগপ্রবণ বেবী নাজনীন, জানালেন যে আক্ষেপের কথা

    দুই দশক পর বিটিভির অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। ঈদের জন্য নির্মিত একটি একক সংগীতানুষ্ঠানে পারফর্ম করেছেন গত শুক্রবার। 

    এদিন সন্ধ্যা থেকে শনিবার ভোর ৪টা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয় ‘প্রিয়তম একটু শোনো’ শিরোনামে একক সংগীতানুষ্ঠানের ৮টি গান। অনুষ্ঠানে তিনি গেয়েছেন ‘দু’ চোখে ঘুম আসে না’, ‘কাল সারারাত’, ‘মধুচন্দ্রিমা এই রাতে’, ‘সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে’, ‘দারুণও বরষায় নদী’, ‘প্রিয়তম একটু শোন’ ও ‘বন্ধু তুমি কই’। এর পাশাপাশি রেকর্ড করা হয় ‘খোলা হাটের বালুচরে’ শিরোনামে একটি আঞ্চলিক বিয়ের গান। 

    এ আয়োজন নিয়ে বেবী নাজনীন বলেন, ‘ঈদ উৎসবকে আনন্দময় করে তুলতেই দর্শক-শ্রোতার প্রিয় কিছু গান দিয়ে অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে। নির্মাণেও আছে নান্দনিকতার ছাপ। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি অনেকের ভালো লাগবে বলেই আশা করছি।’

    দুই দশক পর বিটিভিতে ফেরা নিয়ে এ শিল্পী আরও বলেন, ‘বিটিভি শুধু রাষ্ট্রীয় চ্যানেলেই নয়, সেই সঙ্গে বহু শিল্পী ও তারকার আঁতুড়ঘর। দিনের পর দিন সেখানে অনেককে গান গাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে শিল্পীদের কালোতালিকা তৈরি করে রাখা হয়েছিল। একজন শিল্পী হিসাবে জাতীয় গণমাধ্যমে গাইতে না পারা কষ্ট কেমন, তা গত দুই দশক ধরে উপলব্ধি করেছি। অবশেষে রাজনৈকিত পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিটিভিতে ফিরে আসা। এখন আমার একটাই চাওয়া, অতীতের ঘটনাগুলোর যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। প্রতিটি শিল্পী যেন স্বাধীনভাবে প্রচার মাধ্যমগুলোয় নিজস্ব সৃষ্টি ও প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পান।’ 

    এদিকে বিটিভির পাশাপাশি বিভিন্ন চ্যানেলের আরও কয়েকটি ঈদ অনুষ্ঠানে দেখা মিলবে বেবী নাজনীনের। এরই মধ্যে জিটিভির ‘টাইমলাইন বাংলাদেশ’ এবং একাত্তর টিভিতে জীবনীভিত্তিক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। শিগগিরই অংশ নেবেন যমুনা টিভির ‘যমুনার নিমন্ত্রণে’ অনুষ্ঠানে। 

    এদিকে সংগীত সাধনার পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও এখন ব্যস্ত সময় কাটছে এ শিল্পীর। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জয়া আহসান, বেবী নাজনীন ও ফাহিম আহমেদ পাচ্ছেন বিশেষ সম্মাননা

    বিনোদনের দুটি ভিন্ন ধারা সংগীত ও চলচ্চিত্র শিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য কালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (সিজেএফবি) বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার পাচ্ছেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, অভিনেত্রী জয়া আহসান ও যমুনা টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ।

    তাদের সম্মাননা পাওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিজেএফবি’র সভাপতি এনাম সরকার।

    তিনি জানান, আগামী ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শেরাটন হোটেলে অনুষ্ঠেয় ইটিভি-সিজেএফবি পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ডের ২৩তম আসরে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

    এই অনুষ্ঠানে ২০২৩ সালে চলচ্চিত্র, সংগীত, টেলিভিশন ও ওটিটিতে সেরা পারফর্ম করা শিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

    পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এ বছর আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শফিক রেহমান।

    সিজেএফবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বেবী নাজনীন বলেন, ‘সম্মাননা প্রাপ্তি যেকোনো শিল্পীর জন্য গর্বের, আনন্দের।আমরা কোনো প্রতিবন্ধকতা চাই না। আমাদের প্রত্যাশা, শিল্পীদের শিল্পী হিসেবে মূল্যায়ন করা হোক, সম্মানিত করা হোক। সিজেএফবিকে ধন্যবাদ আমাকে সম্মানিত করায়।’

    জয়া আহসান বলেন, ‘শিল্পের মূল্যায়নে যেকোনো প্রাপ্তি শিল্পীকে অনুপ্রাণিত করে, সম্মানিত করে।আমারও ভালো লাগছে। ধন্যবাদ সিজেএফবিকে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেড় দশক পর বিজয়ের উৎসবে একসঙ্গে ওরা চারজন

    সংগীতাঙ্গনের শ্রোতানন্দিত তারকা বেবী নাজনীন, মাহফুজ আনাম জেমস, মনির খান ও আসিফ আকবর। এ চার তারকা আজ একসঙ্গে গাইবেন একমঞ্চে।

    বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিএনপির উদ্যোগে একটি কনসার্টের আয়োজন করা হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায়।

    ভিন্নদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তি ও নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করাতে আজ রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এ কনসার্টে বাংলাদেশের গান ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।

    ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শিরোনামের এ কনসার্টে আজ গাইবেন এ চারজনসহ একঝাঁক সংগীতশিল্পী। দীর্ঘদিন দেশের মাটিতে গান গাইতে পারেননি আসিফ আকবর, বেবী নাজনিন ও মনির খান। স্বৈরাচার হাসিনার শাসনামলে তাদের কালোতালিকা করে রাখা হয়েছিল।

    বিদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও নিজ দেশে তারা ছিলেন কোণঠাসা। আজ প্রাণখুলে গাইবার দিন তাদের। এদিকে জেমসও দীর্ঘদিন পর দেশের কোনো ওপেন এয়ার কনসার্টে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

    এ প্রসঙ্গে বেবী নাজনীন বলেন, ‘সবার আগে দেশ। তাই দেশের সংস্কৃতি আগে প্রাধান্য দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে এ কনসার্ট। এতে গাইব, ভাবতেই ভালো লাগছে।’

    মনির খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর দেশের বিজয় দিবসের কোনো কনসার্টে গাইতে পারছি এটাই আনন্দের। অনেক বছর পর মনে হচ্ছে আমরা স্বাধীন। শিল্পীরা আজ মন-প্রাণ খুলে গাইতে পারছে।’

    সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে আসিফ আকবর বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আজ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত কনসার্টে থাকছি আমিও। বিকাল চারটায় মঞ্চে উঠছি আপনাদের গান শোনাতে। দীর্ঘদিন পর আপনাদের সঙ্গে প্রাণের ও গানের মেলায় দেখা হবে।’

    নগর বাউল জেমস কনসার্টের শেষ আকর্ষণ হিসাবে মঞ্চে উঠবেন। এ কনসার্টে আরও গাইবেন সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী, খুরশীদ আলম, কনকচাঁপা, কনা, ইমরান, প্রীতম, মৌসুমী, জেফার ও একদল লোকশিল্পী। এ ছাড়াও থাকছে ব্যান্ড ডিফারেন্ট টাচ, আর্ক, সোলস, শিরোনামহীন, আর্টসেল, অ্যাভয়েড রাফা ও সোনার বাংলা সার্কাস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয় দিবসের কনসার্টে গাইবেন বেবী নাজনীন

    চলতি বছর বিজয় দিবস সার্বজনীনভাবে উদযাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিনদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তি ও নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করাতে ১৬ ডিসেম্বর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে একটি কনসার্ট করা হবে। 

    সেই কনসার্টে বাংলাদেশের গান ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর গুলশানের উদয় টাওয়ারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী। 

    এ কনসার্টে পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় সংগীত তারকা বেবী নাজনীন। এছাড়া জেমস, ডিফারেন্ট টার্চ, আর্ক, রাফা, কনকচাঁপা, ইমরান, মনির খান, প্রীতম, কণা বাউল শিল্পী ও লালন শিল্পীসহ এ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পীরাও পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে। 

    এদিন বিকাল তিনটা থেকে শুরু হয়ে কনসার্ট চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। 

    এ কনসার্ট প্রসঙ্গে বেবী নাজনীন বলেন, ‘সবার আগে দেশ। দেশের জন্যই আমাদের তরুণরা নিজেদের প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছেন। তাই দেশের সংস্কৃতি আগে প্রাধান্য দিতে হবে। সে লক্ষ্যেই এ কনসার্ট আয়োজন করা হচ্ছে। বিজয় দিবসের কনসার্টে গাইব, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। সবাইকে তো বটে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে এ কনসার্টে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসিনাকে বুকে জেঁকে বসা জগদ্দল পাথরেরে সঙ্গে তুলনা বেবী নাজনীনের

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরেছেন বিনোদন জগতের ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন। গতকাল রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে বিমানবন্দরে নামেন তিনি। এ সময় গণমাধ্যমকর্মী ও বিএনপিকর্মীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী। স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির একদল কর্মী। তবে তাদের কারও হাত থেকেই ফুলের তোড়া গ্রহণ করেননি বেবী নাজনীন। জানিয়েছেন— ফুল নয়, কেবল শুভেচ্ছাই যথেষ্ট। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি, মিডিয়াকর্মী হিসেবে আছি।

    বেবী নাজনীন বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশে শহিদ ছাত্র-জনতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আহত ভাইবোনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তাদের আত্মত্যাগে নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। পতন হয়েছে বাংলাদেশের বুকে জেঁকে বসা জগদ্দল পাথর শেখ হাসিনা সরকারের। দীর্ঘ ১৬ বছর পর বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন বাংলাদেশের মানুষ, কথা বলতে পারছেন স্বাধীনভাবে।’

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে— যে স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বৈরাচারের বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছে ছাত্র-জনতা, তাদের সেই স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে কাজ করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি রয়েছেন। এতে আমরা আশাবাদী হতেই পারি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারসম্পন্ন করে নির্বাচন দিয়ে একটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।’

    বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশমাতা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করছি। তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ 

    উপস্থিত সাংবাদিকরা তার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বেবী নাজনীন বলেন, ‘আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি। মিডিয়াকর্মী হিসেবে আপনাদের সঙ্গেও আছি। কেবল দেশে ফিরেছি। আমার পরিকল্পনার কথা আপনাদের জানাব।

    বাংলাদেশ বেতার-টিভি-মঞ্চ— কোনো মাধ্যমেই বেবী নাজনীন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দেশছাড়তেই বাধ্য হন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেবী নাজনীন সবসময়ই সমাদৃত ছিলেন এবং আছেন। ফলে বিদেশের মাটিতে তার কাজকর্মে কোনো বাধা আসেনি। 

    বরং এই সময়ে আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বেবী নাজনীন। সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অডিও অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অডিও অ্যালবামে গান গেয়েছেন এ ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁশলে, বাপ্পি লাহেরি, কুমার শানু, কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও একাধিক অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার।

    বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিশেষ শ্রেণির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন চলচ্চিত্র, অডিও মাধ্যমে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, আমার একটা মানুষ আছে, ওই রঙধনু থেকে, পত্রমিতা, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত, দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, আজ পাশা খেলবো রে শাম, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে, এ প্রাণো বুঝি যায় রে-এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন এই সংগীত তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এমন সংস্কৃতি চাই না: বেবী নাজনীন

    সংগীতশিল্পী
    বেবী নাজনীন আট বছর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। নেমেই কথা বলেন, উৎসুক জনতা এবং
    গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে।

    বেবি নাজনীন
    শুরুতেই জুলাই আগস্টের আন্দোলনে নিহত সব শহিদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া
    অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আশাবাদী বলেও জানান।

    যাবতীয় সংস্কার
    শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানান এই দেশ বরেণ্য সঙ্গীত তারকা। এ সময় সংবাদকর্মীদের
    অনুরোধে তার জনপ্রিয় গান, ‘কাল সারা রাত’ গানের দুইটি লাইন গেয়ে শোনান তিনি।

    বিমান বন্দরে
    বেবী নাজনীন জানান, দীর্ঘদিন পরে দেশে আসার অভিজ্ঞতা আসলেই অন্যরকম। শিল্পী হিসেবে
    আমি আবারও দর্শকের সামনে ফিরব। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলাম। জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থী-জনতার
    ত্যাগের কারণে দেশে ফিরেছি। তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
    ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাত ধরে আমরা নতুন পথে এগিয়ে যাব। আমাদের শিল্পীদের দীর্ঘদিন
    ধরে দলীয় মোড়কে আটকে রাখা হয়েছে। আমি এটা চাই না। শিল্পীরা দলমতের ঊর্ধ্বে থাকবেন,
    তারা সবার। বিশেষ কোনো দলের সমর্থক বলেই তাকে এড়িয়ে চলতে হবে, এমন সংস্কৃতি আমি চাই
    না। সঙ্গীতাঙ্গন ঢেলে সাজানোর কাজ করতে চাই। সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের সামনে
    নতুন বাংলাদেশ তৈরি হবে।

    দেশের বাইরে
    থাকলেও রাজনীতিতে এখনো সক্রিয় এই সংগীতশিল্পী। গত জুন মাসে বেবী নাজনীনকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের
    উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়।

    প্রায় সাড়ে
    চার দশকের ক্যারিয়ারে বহু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সংগীত
    তারকা। আধুনিক সংগীতের সর্বাধিক সংখ্যক একক, দ্বৈত ও মিশ্র অডিও অ্যালবামের শিল্পী
    বেবী নাজনীন তার সংগীতজীবনের শুরু থেকেই অডিও মাধ্যম, বেতার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র এবং
    দেশ-বিদেশের মঞ্চ মাতিয়েছেন সমান তালে।

     

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরছেন বেবী নাজনীন

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরছেন বিনোদন জগতের ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন। 

    সূত্রে জানা গেছে, আগামী রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে নিজের পেশাগত কাজকর্মে বারবার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয় বেবী নাজনীনের সংগীতজীবন।

    বাংলাদেশ বেতার-টিভি-মঞ্চ— কোনো মাধ্যমেই বেবী নাজনীন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দেশছাড়তেই বাধ্য হন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেবী নাজনীন সবসময়ই সমাদৃত ছিলেন এবং আছেন। ফলে বিদেশের মাটিতে তার কাজকর্মে কোনো বাধা আসেনি। 

    বরং এই সময়ে আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অডিও অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অডিও অ্যালবামে গান গেয়েছেন এ গায়িকা। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁশলে, বাপ্পি লাহেরি, কুমার শানু, কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও একাধিক অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার।

    বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিশেষ শ্রেণির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন চলচ্চিত্র, অডিও মাধ্যমে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, আমার একটা মানুষ আছে, ওই রঙধনু থেকে, পত্রমিতা, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত, দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, আজ পাশা খেলবো রে শাম, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে, এ প্রাণো বুঝি যায় রে-এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন এই সংগীত তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসিনার পতনের পর নিউইয়র্কে প্রাণ খুলে গাইলেন বেবী নাজনীন

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রাণ খুলে গান গেয়ে দর্শকশ্রোতা মাতালেন প্রবাসী জনপ্রিয় সঙ্গীত তারকা বেবী নাজনীন। বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে বাংলাদেশে তার পেশাগত কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে দেশের বাইরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতে দেখা গেছে বেবী নাজনীনকে। 

    সরকার পতনের পর এই প্রথম নিউইয়র্কে একক সঙ্গীতানুষ্ঠানে প্রাণ খুলে গান গেয়ে প্রবাসীদের মাতিয়ে তোলেন বেবী নাজনীন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর প্রাণ খুলে গান গাওয়ার সুযোগ করে দেন বেবি নাজনীনের প্রবাসী ভক্ত ও আশা গ্রুপ অব কোম্পনি। 

    গত সোমবার নিউইয়র্কের কুইন্সের ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনাতে একক সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেন তার ফ্যানস ক্লাব।  

    অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেবি নাজনীন তার জনপ্রিয় গানগুলো গেয়ে দর্শকশ্রোতাদের আনন্দ দেন। 

    গানগুলো ছিল- ওই রংধনু থেকে, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারা রাত ছিল স্বপনেরও রাত, দু`চোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে-এ প্রাণো বুঝি যায় রে, মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে ও পত্রমিতা।

    আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ কাশেম ও শারমিন সিরাজ সোনিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের মাঝে বক্তব্য দেন আশা গ্রুপ অব কোম্পনিজের প্রেসিডেন্ট ও সিইও এবং আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান আকাশ রহমান ও আশা গ্রুপ অব কোম্পনিজের চেয়ারম্যান এশা রহমান, বাংলাদেশ সোয়াইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম এ আজিজ, কমিটির প্রধান উপদেষ্টা গিয়াস আহমেদ, প্রধান সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান জিল্লু, আহবায়ক জসিম ভূইঁয়া, সদস্য সচিব, মোহাম্মদ কাশেম ও যুগ্ম সদস্য সচিব রিয়াজ মাহমুদ। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার থাকছেন সাপ্তাহিক সাদাকালো।

    বেবি নাজনীন বহু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। 

    আধুনিক সংগীতের সর্বাধিক সংখ্যক একক, দ্বৈত ও মিশ্র অডিও অ্যালবামের শিল্পী বেবী নাজনীন তার সংগীত জীবনের শুরু থেকেই অডিও মাধ্যম, বেতার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র এবং দেশ-বিদেশের মঞ্চ মাধ্যম মাতিয়েছেন সমান তালে। অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভান্ডার সমৃদ্ধ করেছেন উত্তরবঙ্গের দোয়েল খ্যাত এই সংগীত তারকা।

    কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে পরিবার নিয়ে বাস করতেন বেবী নাজনীন। এখন একমাত্র ছেলে মহারাজ অমিতাভকে নিয়ে নিউইয়র্কের এস্টোরিয়াতে আছেন। ছেলে ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টোন থেকে আইটি নিয়ে স্নাতক শেষ করেছেন। ইন্টার্ন করছেন। 

    বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে বাংলাদেশে তার পেশাগত কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের শুরু থেকেই। তবে দেশের বাইরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতে হয়েছে বেবী নাজনীনকে।

    নোমান সাবিত, নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

  • হাসিনার বিদায়ের পর দেশে ফিরছেন বেবী নাজনীন

    দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় বসবাস করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে বাংলাদেশে তার পেশাগত কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের শুরু থেকেই। মাঝে নির্বাচনেও অংশ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নানাবিধ বাধা বিপত্তিতে হয়ে উঠেনি। শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর অনেকে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। তালিকায় আছেন বেবী নাজনীনও। 

    তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই দেশে ফিরবেন ব্ল্যাক ডায়মন্ডখ্যাত এই সংগীতশিল্পী। এরই মধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন। হাতে থাকা কাজগুলো দ্রুত গুছিয়ে ফ্লাইট ধরবেন বেবী। 

    জমে থাকা কাজের মধ্যে রয়েছে পূর্বে সিডিউল দেওয়া স্টেজ প্রোগ্রাম। আমেরিকায় নিয়মিত স্টেজ অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সম্প্রতি প্রবাসী ভক্তদের উদ্যোগে একটি একক সংগীতানুষ্ঠানে গান করেছেন তিনি। 

    সোমবার নিউইয়র্কের কুইন্সের ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনাতে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে তার ফ্যানস ক্লাব। এছাড়া আরও কিছু শো আছে। সেগুলো শেষ করেই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। 

    উল্লেখ্য, বহু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সংগীতশিল্পী। আধুনিক সংগীতের সর্বাধিক সংখ্যক একক, দ্বৈত ও মিশ্র অডিও অ্যালবামের শিল্পী বেবী নাজনীন তার সংগীত জীবনের শুরু থেকেই অডিও মাধ্যম, বেতার, টেলিভিশন, সিনেমা এবং দেশ-বিদেশের মঞ্চ মাতিয়েছেন সমান তালে।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • মা হারালেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন

    মা হারালেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বেবি নাজনীন। ১৭ এপ্রিল সকালে তার মা আবিদা মনসুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। 

    তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি জটিলতাসহ নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। তার তিন মেয়ে, এক ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রয়েছেন। 

    বেবি নাজনীনের পারিবারিক সূত্র জানায়, বুধবার বাদ জোহর জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ১৬ এপ্রিল বেবি নাজনীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পেশাগত কারণে জাপান রওনা হয়েছেন। সেখান থেকে মায়ের চলে যাওয়ার খবর পেয়েছেন। দ্রুতই ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে তার। মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
     

    বিনোদন ডেস্ক