Tag: বিশ্বকাপ ফুটবল

  • আর্জেন্টিনা জিতলে বিয়ে, এবার যা বললেন পরীমনি

    আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে আবার বিয়ে করবেন চিত্রনায়িকা পরীমনির এমন একটি ফেসবুক পোস্ট কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মজার ছলে দেওয়া সেই ঘোষণার পর অসংখ্য ভক্ত তাকে শুভকামনা জানিয়েছেন, কেউ কেউ আবার সরাসরি বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন। তবে ফাইনালের আগে এসে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিপাকেই পড়েছেন এ অভিনেত্রী।

    রোববার (১৯ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে হাস্যরসের সুরে পরীমনি বলেন, আগে কখনো বিয়ের ঘোষণা দিয়ে বিয়ে করেননি তিনি। বরং প্রেমের পর হঠাৎ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু এবার আগেভাগে এমন ঘোষণা দিয়ে যেন নতুন ঝামেলায় পড়েছেন।

    পরীমনির ভাষায়, ‘আমি তো এর আগে ঘোষণা দিয়ে বিয়ে করিনি। প্রেম করেছি, এরপর হুট করে বিয়ে করে ফেলছি। এবার বিয়ের ঘোষণা দিয়ে তো মুসিবতে পড়ে গেলাম। ভাবিনি, সবাই বিষয়টাকে এত সিরিয়াসলি নেবে। এত এত সিরিয়াস বিয়ের প্রস্তাব আসছে, কিছুই বুঝতে পারছি না কী করব।’

    তবে বিয়ে নিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, বিয়ে করতে হলে একজন অভিভাবকের প্রয়োজন, আর বর্তমানে সেই জায়গায় কেউ নেই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘বিয়ের জন্য তো একজন অভিভাবক লাগে। আগে আমার অভিভাবক ছিল, এখন তো ওই পর্যায়ের কেউ নেই। ভাবছি, ছেলে বড় হোক, ছেলে বিয়ে করুক। এরপর কিংবা তার আগেই যদি ছেলে আমার অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই বিয়ে করতে পারব।’

    পরীমনির এই বক্তব্যে স্পষ্ট, আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলেও সঙ্গে সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন না তিনি।

    এদিকে আজ রাতেই বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। দীর্ঘদিন ধরেই আর্জেন্টিনার সমর্থক পরীমনি। তাই শিরোপার লড়াই ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত তিনি। তবে প্রতিপক্ষ স্পেনকেও যথেষ্ট শক্তিশালী দল হিসেবে দেখছেন এ অভিনেত্রী।

    তিনি বলেন, ‘লড়াইটা হবে। স্পেন খুব ভালো খেলছে। তবে মন বলছে, শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপটা মেসির হাতেই উঠবে। আর আমি চাই, আর্জেন্টিনা জিতুক, মেসি গোল্ডেন বুট পাক।’

    বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের সমর্থনের কথা বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন পরীমনি। দলের প্রতিটি জয় উদযাপন করেছেন আকাশি-সাদা জার্সি পরে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে। লিওনেল মেসিকেও নিয়ে করেছেন একাধিক পোস্ট।

    গত বুধবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের আগে ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করব। ফাইনাল।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মজার ছলে দেওয়া সেই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। কয়েক লাখ প্রতিক্রিয়া ও হাজারো শেয়ারের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরপর আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার পর ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে নিয়েও আরেকটি রসিকতাপূর্ণ পোস্ট করেন তিনি।

    এখন বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি পরীমনির ভক্তদের মধ্যেও কৌতূহল-আর্জেন্টিনা যদি সত্যিই শিরোপা জিতে, তাহলে কি আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এ ঢালিউড তারকা?

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তোরে মারার জন্য অরিজিনাল চাবুক অর্ডার দিছি, রেডি থাকবি’

    বিশ্বকাপ ঘিরে দুই ঢালিউড তারকা ওমর সানী ও শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান ‘খুনসুঁটি’ এবার ভিন্ন মাত্রা পেল। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে দেওয়া এক মন্তব্যের পর জয়ের ব্যঙ্গাত্মক পোস্টের জবাবে এবার ‘অরিজিনাল চাবুক’ আনার কথা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টা ৪৬ মিনিটে এক ফেসবুক পোস্টে ওমর সানী লিখেছেন, ‘শোন শাহরিয়ার নাজিম জয়, তোর আপা মৌসুমী শুটিংয়ে তুলার তৈরি চাবুক ব্যবহার করেছে। আর তোরে মারার জন্য অরজিনাল চাবুক অর্ডার দিছি, তুই রেডি থাকবি।’

    তবে পোস্টের শেষেই তিনি ‘সাবজেক্ট: খেলাধুলা, ফান’ লিখে স্পষ্ট করেছেন, এটি নিছকই খেলাধুলা নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ হাস্যরস, ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নয়।

    এর আগে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে ওমর সানীর একটি ভিডিও বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিষয়টি নিয়ে এরপর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শাহরিয়ার নাজিম জয় একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টে নব্বইয়ের দশকের সিনেমায় কেন মৌসুমী ওমর সানীকে চাবুক মারতেন, সেটি এখন বুঝতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেন জয়।

    জয়ের সেই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই পালটা রসিকতায় ‘অরিজিনাল চাবুক’ অর্ডারের কথা জানালেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই নায়ক। 

    অবশ্য ফেসবুকে দুই তারকার মজার এই রসিকতা নেটিজেনরাও যে বেশ উপভোগ করছেন, সেটা তাদের পোস্টের মন্তব্যের ঘর থেকেই স্পষ্ট।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপ জিততে পর্তুগালের ‘অলৌকিক কিছু’ প্রয়োজন: দানিশ তৈমুর

    চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বাধীন পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের ট্রফি জিততে হলে অলৌকিক কিছুর প্রয়োজন—এমনটাই মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা ও মডেল দানিশ তৈমুর। 

    জনপ্রিয় নাটক ‘ক্যায়সি তেরি খুদগারজি’ খ্যাত এই অভিনেতা সম্প্রতি পর্তুগালের জার্সি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের এই অভিমত প্রকাশ করেন। 

    দানিশ তৈমুরের মতে, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে পাঁচটি দলকে বাকিদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও গোছানো মনে হয়েছে। শিরোপাদৌড়ে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, স্পেন ও মরক্কোকে এগিয়ে রেখেছেন এই অভিনেতা। 

    এই দলগুলোর খেলার শৈলী, রক্ষণভাগের দৃঢ়তা, প্রেসিং, পজিশনিং, দ্রুত আক্রমণ, বল রিকভারি এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণের ভূয়সী প্রশংসা করেন দানিশ। 

    তিনি বলেন, এই দলগুলো প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো যোগ্যতা দেখিয়েছে এবং টুর্নামেন্টে এই ধারাবাহিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারলে এদের মধ্য থেকেই কোনো একটি দল বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পাশাপাশি পর্তুগালের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে দানিশ তৈমুর যোগ করেন, ‘মন থেকে আমি পর্তুগালের সাফল্য কামনা করি, কিন্তু মাঠে এখন পর্যন্ত তাদের পারফরম্যান্স কোনো চ্যাম্পিয়ন দলের মতো নয়।’ তিনি স্পষ্ট জানান যে, পর্তুগালকে যদি এই টুর্নামেন্ট জিততে হয়, তবে অসাধারণ কিছু বা অলৌকিক কোনো ঘটনার প্রয়োজন হবে।

    সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ফুটবল ভক্তরা হয়তো এই বিশ্বকাপের মাধ্যমেই ফুটবল বিশ্বের বেশ কয়েকজন জীবন্ত কিংবদন্তির শেষ বিশ্বকাপ দেখছেন। এই তালিকায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, লুকা মদ্রিচ, ম্যানুয়েল নয়্যার এবং নেইমারের মতো তারকাদের নাম উল্লেখ করেন তিনি। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নোরা ফাতেহি কেন মরক্কোকে সমর্থন দিলেন?

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সুযোগ পান বলিউডের মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। সেই সুযোগ তিনি হাতছাড়া করেননি। উদ্বোধনী ফুটবল মঞ্চ মাতিয়ে বিশ্বে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। এমন সুযোগকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বলে মনে করেন তিনি। 

    কানাডা পর্বে নিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে ঝড় তুলেছেন তিনি। শুধু পারফরম্যান্সের কারণেই নয়, আজকের ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ ঘিরেও আলোচনায় অভিনেত্রী। 

    বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার পাশাপাশি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জনপ্রিয় নোরা ফাতেহি। কারণ বিশ্বকাপে তার দল মরক্কো। কানাডায় বেড়ে ওঠা অভিনেত্রীর মরক্কোকে আলাদা করে সমর্থনের পেছনে হাকিমির নামই উঠে এসেছে বারবার।

    ব্রাজিল-মরক্কোর ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই নোরা ফাতেহির কিছু ছবি ও তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে জোর চর্চা চলছে। ব্যক্তিগতভাবে মরক্কোর ডাই হার্ড ফ্যান নোরা ফাতেহি, যার নেপথ্যে রয়েছে তার চর্চিত প্রেমিক মরক্কো ফুটবল দলের অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি। এ ছাড়া সাম্প্রতিক নানা ঘটনা বিভিন্ন জল্পনা উসকে দেয়। 

    এর আগে ২০২৫ সালের আফকন টুর্নামেন্টেও মরক্কোর একটি ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। সেই থেকে সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে— নিজের নতুন প্রেমিককে সমর্থন করতেই স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী, যিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা একজন ফুটবলার।

    ভিন্ন এক সূত্র বলছে, নোরা ফাতেহির নাকি মরক্কোর সঙ্গে শেকড়ের টানও রয়েছে। আশরাফ হাকিমি ও নোরা উভয়েরই শেকড় মরক্কোয়, যা তাদের এ গুঞ্জনকে ভক্তদের কাছে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।

    আশরাফ হাকিমির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি নোরা ফাতেহির। তবে সব মিলিয়ে অভিনেত্রীর এই স্বভাবসুলভ প্রতিক্রিয়া হাকিমির সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জনকে ভক্তদের মাঝে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।

    এদিকে ব্যক্তিগত জীবনের এই চর্চার মাঝেই নোরা ফাতেহির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দারুণ আলোচনায়। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সংগীত প্রযোজক সঞ্জয় ও ফরাসি শিল্পী ভেজেড্রিমকে নিয়ে তৈরি তার ফিফা বিশ্বকাপ অ্যান্থেম ‘সির সির’ বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে। নোরার মতে, এ প্রজেক্টটি তার হৃদয়ের খুব কাছের এবং এটি নিছক কোনো সাধারণ পারফরম্যান্স ছিল না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহির ‘সির সির’ গানটি অর্থ হচ্ছে— এগিয়ে চলা। তবে তার এই গানের অনুপ্রেরণা তিনি পেয়েছেন আফ্রিকার মরক্কোয় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে। 

    অভিনেত্রী বলেন, ওই ম্যাচগুলোর সময় আমি স্টেডিয়ামে প্রায় প্রতিটি খেলাতেই দেখতাম ৭০ হাজার দর্শককে ‘সির সির’ স্লোগান দিতে। এ স্লোগানে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এর পরেই আমি আমার প্রযোজক সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং এ স্লোগানটি ব্যবহার করে একটি বিশ্বকাপ সংগীত তৈরি করতে অনুরোধ করেছিলাম তাকে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নোরা ফাতেহি বলেন, বিশ্বকাপে এমন অভিজ্ঞতা তার শিল্পীসত্তাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন, যখন বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্নধর্মী সুর এবং শিল্পচর্চা এক জায়গায় মিলিত হয়, তখনই বোঝা যায়— মানুষের মধ্যে সংযোগ গড়ে তুলতে সংগীত কতটা শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক জায়গায় মিল অপু বিশ্বাস ও বুবলীর

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উন্মাদনায় সারা বিশ্ব, থেমে নেই বাংলাদেশও। দেশের বিনোদন জগতের তারকারাও নিজেদের প্রিয় দল নিয়ে মেতে উঠেছেন। এবার দেখা গেল ঢালিউডের দুই অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীকে। এ দুই অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন শাকিব খান ঘিরে থাকলেও, নানা কারণে তারা খবরের শিরোনামে আসেন। 

    তবে এবার কোনো ব্যক্তিগত বিতর্ক কিংবা কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, ফুটবল বিশ্বকাপই একবিন্দুতে মেলাল এ দুই তারকাকে। আর এ মিলনমেলার কেন্দ্রবিন্দু পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। দুজনেই ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক বলে জানা গেছে।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস। অভিনেত্রী বলেন, ব্রাজিলের খেলায় এমন এক ছন্দ আছে, যা অন্য কোনো দলে তিনি খুঁজে পান না। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি আর্জেন্টিনার খুদে জাদুকর লিওনেল মেসির ব্যক্তিত্বেরও প্রশংসা করেন অপু বিশ্বাস। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তাই এ অভিনেত্রীর বার্তা— ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসা আর মেসির প্রতি সম্মান।

    অন্যদিকে জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম বুবলীও সামাজিক মাধ্যমে ব্রাজিলকে সমর্থন জানিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেই পোস্টে দেখা গেছে, ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরা একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন বুবলী। শুধু প্রিয় দলের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনই নয়, এ পোস্টের মাধ্যমে নিজের ছোটবেলার ফুটবল আবেগের কথাও স্মরণ করেছেন বুবলী। এমনকি ব্রাজিলের কিংবদন্তি কয়েকজন ফুটবলারের নামও উল্লেখ করেছেন তিনি। ছবিটির ক্যাপশনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বুবলী লিখেছেন— ‘জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, আমি ব্রাজিল দলের কট্টর সমর্থক। আমি মনে করি, যারা নান্দনিক খেলা বোঝে, তারা ব্রাজিল করে। ফুটবল খেলা যে একটা আর্ট, সেটা আমি কেন জানি ব্রাজিলের খেলা দেখলেই মনে হয়।

    অপু বিশ্বাস আর শবনম বুবলীকে সাধারণত শাকিব খানের সমীকরণে দেখা যায়। দুই মেরুতে। তাদের ব্যক্তিগত টানাপোড়েনে মধ্যকার বৈরী সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চর্চার শেষ নেই। কিন্তু চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রশ্নে দুজনই একই দলের জার্সিতে এককাতারে এসে দাঁড়িয়েছেন। আর তাতেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে অপু ও বুবলী দুজনেই ব্রাজিলের ডেরায় যোগ দিলেও কিং খান কোন শিবিরের সমর্থক সেই উত্তর অবশ্য এখনো ধোঁয়াশাতেই রয়ে গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিরার বদলে কি বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর মঞ্চে ‘বডি ডাবল’ ছিল?

    ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পপ তারকা শাকিরা পারফর্ম করার পর থেকেই ইন্টারনেটে একটি অদ্ভুত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেরই দাবি—মেক্সিকো সিটির মঞ্চে শাকিরার বদলে পারফর্ম করেছেন তার কোনো ‘বডি ডাবল’ বা রূপধারী ক্লোন। আসলেই কি তাই? 

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মেক্সিকো সিটিতে বর্ণিল এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠেছে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের। উদ্বোধনী মঞ্চে জে বালভিন, মানা, লিলা ডাউনসের মতো বিশ্বখ্যাত তারকাদের পাশাপাশি বরাবরের মতোই আলো ছড়িয়েছেন কলম্বিয়ান গায়িকা শাকিরা। 

    মজার বিষয় হলো, এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের মঞ্চে উপস্থিতির দিক থেকে তার সাবেক সঙ্গী ফুটবলার জেরার্ড পিকেকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

    তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আতশবাজি কিংবা চোখ ধাঁধানো মিউজিক—কোনোটিই নেটিজেনদের ততটা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি, যতটা পেরেছে এই নতুন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা ‘কনস্পিরেসি থিওরি’। 

    অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দল দাবি করতে শুরু করেন যে, বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ গেয়ে যিনি মাঠ মাতাচ্ছিলেন, তিনি আসলে শাকিরা নন। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) এবং টিকটকে এই আলোচনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘উনি শাকিরা হতেই পারেন না। ‘দাই দাই’ গাওয়ার সময় উনার নাচের স্টেপটা খেয়াল করুন, উনি তাল হারিয়ে ফেলেছেন। এটা নিশ্চিতভাবেই একজন ডাবল (রূপধারী)। শাকিরা সবার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু এই দাবির পেছনে নেটিজেনদের যুক্তি বা প্রমাণ কী? যারা এই তত্ত্ব ছড়াচ্ছেন, তাদের মূল বক্তব্য হলো—মঞ্চে তারকাকে দেখতে কিছুটা অন্যরকম লাগছিল।

    সেদিন শাকিরা যখন মাঠে পারফর্ম করতে নামেন, তখন তার পরনে ছিল একটি জমকালো হলুদ পোশাক, সাদা শর্টস, প্ল্যাটফর্ম স্নিকার্স এবং চোখে ছিল একটি বড় ডার্ক সানগ্লাস। এছাড়া অনেক ভক্ত লক্ষ্য করেছেন, তার চুলের রঙও চিরচেনা শেডের চেয়ে কিছুটা আলাদা ছিল। সানগ্লাসে মুখের সিংহভাগ ঢাকা থাকা এবং সচরাচর লুকের চেয়ে একটু ভিন্ন চেহারার কারণেই মূলত টিকটক ও এক্সে জল্পনা-কল্পনার ডালপালা গজাতে শুরু করে। 

    তবে এখন পর্যন্ত শাকিরার জনসংযোগ বা পিআর টিমের পক্ষ থেকে এই গুজব প্রসঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে একটি ছোট্ট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিখুঁত বিষয় প্রমাণ করে যে, মাঠে থাকা ব্যক্তিটি আসলে স্বয়ং শাকিরা নিজেই ছিলেন। 

    দীর্ঘদিন ধরে শাকিরার বিভিন্ন ছবিতে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তার কপালে একটি ছোট্ট কাটা দাগ (স্কার) রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, চলতি বছরের মে মাসে নিউইয়র্কের একটি ইভেন্ট থেকে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তোলা হাই-ডেফিনিশন ছবিগুলোতে এই দাগটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। 

    আর আসল সত্য এটাই যে—বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ক্লোজ-আপ ফুটেজ এবং ছবিগুলোতেও ঠিক একই জায়গায় সেই নিখুঁত কাটা দাগটি দেখা গেছে। তাই গুঞ্জন যতই ডালপালা ছড়াক না কেন, সবকিছু থেকে ধারণা করা হচ্ছে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানরে কেনো ‘বডি ডাবল’ নয়, স্বয়ং শাকিরাই পারফর্ম করেছেন। 

    সূত্র: ইউরোনিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক গানেই নেটদুনিয়ায় প্রশংসা ও সমালোচনার মুখে নোরা

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও বলিউড তারকা নোরা ফাতেহির নতুন ফিফা গান ‘সির সির’। মুক্তির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গানটি নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মিউজিক ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে তৈরি এই ট্র্যাকে নোরা ফাতেহির সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন ফরাসি সংগীতশিল্পী ভেজেড্রিম এবং প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে সঞ্জয়। 

    গানটির জমকালো ভিজ্যুয়াল, নোরার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং এনার্জির কারণে একদল দর্শক যখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ, ঠিক তখনই অন্য এক পক্ষের দাবি— গানটিতে ফুটবলের আসল আমেজ অনুপস্থিত। ফলে এটি প্রকাশের পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছেন এই শিল্পী। 

    গানটি মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোরার ভক্তরা তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। বিশ্বমঞ্চে নোরার এই ক্রমাগত সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। তার নাচের দক্ষতার প্রশংসা করে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘একেবারে আগুন পারফরম্যান্স!’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘নাচের দিক থেকে নোরাকে টেক্কা দেওয়ার মতো কেউ নেই।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ভিডিওটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটি একটি নিশ্চিত ব্লকবাস্টার হিট হতে যাচ্ছে!’ 

    বিশ্বমানের এই আয়োজনে নোরা ফাতেহির উপস্থিতি তার আন্তর্জাতিক খ্যাতিকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে গানটি সবাইকে সমানভাবে মুগ্ধ করতে পারেনি। শ্রোতাদের একটি বড় অংশের মতে, একটি বিশ্বকাপ গানের জন্য যে ধরনের টানটান উত্তেজনা ও বাড়তি উন্মাদনার প্রয়োজন হয়, এই গানে তার অভাব রয়েছে। ফলে অবধারিতভাবেই গানটির সঙ্গে তুলনা চলে আসছে অতীতের জনপ্রিয় বিশ্বকাপ অ্যান্থেমগুলোর।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, ‘গানটি শুনে ফুটবলের সেই চেনা আমেজটা পাচ্ছি না।’ আরেকজন সরাসরি তুলনা টেনে বলেন, শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ আজও অনবদ্য, এর কোনো বিকল্প নেই।’ 

    অনেকের মতে, গানটির সুর বিশ্বকাপ ফুটবলের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ পপ বা বলিউড ঘরানার আইটেম সং-এর মতো শোনায়। এমনকি নোরার কিছু নাচের স্টেপ এবং মুখের অভিব্যক্তিও কিছু দর্শকের কাছে একঘেয়ে লেগেছে।

    গানটি মুক্তির ঘোষণা দেওয়ার সময় নোরা ফাতেহি এর পেছনে থাকা পরিচালক, কোরিওগ্রাফার, সহ-নৃত্যশিল্পী, স্টাইলিস্ট এবং পুরো প্রোডাকশন টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। 

    উল্লেখ্য, বিভিন্ন দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির শিল্পীদের নিয়ে তৈরি ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল অ্যালবামের অংশ এই ‘সির সির’ গানটি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মঞ্চ মাতাতে দেখা যাবে নোরা ফাতেহিকে, আর তার ঠিক আগেই এই গানটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে তৈরি হলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

    বিনোদন ডেস্ক