Tag: বিবাহবিচ্ছেদ

  • অতঃপর বিচ্ছেদই বেছে নিলেন ‘চিপ থ্রিলস’ গায়িকা

    প্রখ্যাত অস্ট্রেলিয়ান গায়িকা সিয়া তার দ্বিতীয় স্বামী ড্যানিয়েল বার্নাডের সঙ্গে দুই বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে যাচ্ছেন। ৪৯ বছর বয়সি এই সংগীতশিল্পী সম্প্রতি স্বামী থেকে আলাদা থাকছেন এবং বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসের আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন।

    ‘চ্যান্ডেলিয়ার’ খ্যাত এই গায়িকা তাদের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে ‘অপরিবর্তনযোগ্য মতপার্থক্য’ উল্লেখ করেছেন বলে ফিমেল ফার্স্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    আদালতের নথি অনুযায়ী, এই জনপ্রিয় তারকা গোপনে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, যা সিয়া ও বার্নাডের প্রথম সন্তান। তাদের পুত্রসন্তানটি জন্ম নেয় ২০২৪ সালের ২৭ মার্চ।

    এর আগে ২০১৯ সালে দুই কিশোরকে দত্তক নেন সিয়া। তবে এবার তাদের নবজাতক সন্তানের আইনি ও শারীরিক হেফাজতের জন্য আবেদন করেছেন তিনি। এ গায়িকা চান, ড্যানিয়েল যেন তাদের সন্তানের দেখাশোনা করেন। 

    সিয়া ও ড্যানিয়েল ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ২০২৩ সালের মে-তে ইতালির পোর্টোফিনোতে একটি ঘরোয়া, মোমবাতির আলোয় সজ্জিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন; যেখানে মাত্র ৬ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

    সিয়া এর আগে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এরিক অ্যান্ডার্স ল্যাংয়ের সঙ্গে সংসার করেন। 

    সংগীতজগতে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি এসিড জ্যাজ ব্যান্ড ‘ক্রিস্প’-এর গায়িকা হিসেবে। ১৯৯৭ সালে ব্যান্ডটি ভেঙে গেলে তিনি ‘ওনলি সি’ নামে তার প্রথম একক অ্যালবাম অস্ট্রেলিয়ায় প্রকাশ করেন।

    এরপর তিনি লন্ডনে চলে যান এবং ব্রিটিশ ব্যান্ড ‘জিরো ৭’-এর জন্য কণ্ঠ দেন। ২০০১ সালে তিনি তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘হিলিং ইজ ডিফিকাল্ট’ এবং ২০০৪ সালে তৃতীয় অ্যালবাম ‘কালার দ্য স্মল ওয়ান’ প্রকাশ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের জীবনে নতুন নারী, ফের বিয়ে করছেন অভিনেতা

    দুবার বিবাহবিচ্ছেদ। কিরণ রাও ও রিনা দত্ত তারা এখন অতীত। যদিও সাবেক দুই স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খানের। 

    প্রথম স্ত্রী রিনা দত্ত। দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের সঙ্গে ছবির কাজ করেন রীতিমতো। আমিরের প্রযোজনায় কিরণের ছবি শামিল হয়েছিল অস্কার দৌড়ে। গত বছর মেয়ে আইরা খানের বিয়ের সময় দুই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ের সব অনুষ্ঠান উদযাপন করেন তিনি। সেসব ছবিও ভাইরাল হয় সামাজিক মাধ্যমে। আর সেসবই এখন অতীত। নতুন করে জীবনে ঘর করার স্বপ্ন দেখছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট।

    এদিকে বলিপাড়ায় গুঞ্জন— ‘দঙ্গল’ ছবির সহ-অভিনেত্রী ফাতিমা সানা শেখের প্রেমে পড়েছেন আমির খান। সে কারণে নাকি কিরণের সঙ্গে বিচ্ছেদও হয়েছে তার। অথচ ঘটনা অন্যদিকে, ফাতিমা নন, নেপথ্যে রয়েছেন আরেক সুন্দরী। ইতোমধ্যে পরিবারের সঙ্গে আলাপও সেরে ফেলেছেন তারা। তাহলে অভিনেতার নতুন মনের মানুষ কে?

    এর আগে ২০২১ সালে কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে একাধিকবার অভিনেত্রী ফাতিমা সানার সঙ্গে নাম জড়িয়েছে আমির খানের। ‘দঙ্গল’ ও ‘ঠগস অফ হিন্দুস্তান’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার সময় নাকি একে অপরের প্রেমে পড়েন তারা। আমিরের বাড়ি পর্যন্ত যাতায়াত ছিল অভিনেত্রীর। আমিরকন্যা আইরা খানের সঙ্গেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ফাতিমার। আইরার বাগদানে সকাল থেকে হাজির ছিলেন তিনি। 

    কিন্তু আচমকাই নাকি আমির-ফাতিমার সম্পর্কে ছন্দপতন। তাদের সম্পর্কে নাকি চিড় ধরেছে। আইরার বাগদানে সেজেগুজে সারা দিন আনন্দ করেছিলেন যিনি, সেই ফাতিমার দেখা মেলেনি আমিরকন্যা আইরার বিয়েতে। তখন থেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করেন অনেকেই। 

    একটি সূত্র জানায়, বেঙ্গালুরু নিবাসী এক নারীর প্রেমে পড়েছেন অভিনেতা আমির খান। ইতোমধ্যে পরিবারের সবার সঙ্গে আলোচনাপর্ব সেরে ফেলেছেন। সবাই খোলা মনে স্বাগত জানিয়েছেন নতুন এ জুটিকে। যদিও নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালেই রাখতে চান অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে তার তরফ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর অত্যাচারে স্বামীর আত্মহত্যা, যাকে দায়ী করলেন কঙ্গনা

    বেঙ্গালুরুতে তথ্যপ্রযুক্তি চাকরিজীবী অতুল সুভাষের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। স্ত্রীর করা বিবাহবিচ্ছেদের ‘মিথ্যা’ মামলায় হাজিরা দিতে অন্তত ৪০ বার বেঙ্গালুরু থেকে জৌনপুর গেছেন অতুল সুভাষ। জানিয়েছে মৃত যুবকের পরিবার। যুবকের স্ত্রী নিকিতা সিংহানিয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ। এ ঘটনায় এবার মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় নারীবাদের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন বিজেপি নেত্রী তথা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেছেন, পুরো দেশের কাছে এ ঘটনা বড় ধাক্কা। ওর ভিডিও সত্যিই হৃদয়বিদারক। ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে বিয়ে হলে সব কিছু ঠিক থাকে। এসবের জন্য দায়ী বামপন্থা বা ভুয়া নারীবাদের চরম নিন্দা করি। কোটি কোটি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এ তো ওই যুবকের ক্ষমতার বাইরে ছিল। চাপে পড়ে ওকে এই পদক্ষেপ নিতে হলো।

    অভিযোগকারী বা নির্যাতিতা সঠিক বলছেন কিনা— এসব ক্ষেত্রে তাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করে অভিনেত্রী বলেন, এই একজন নারীকে অবশ্য উদাহরণ হিসাবে গণ্য করাই উচিত নয়। যেসব নারীর সঙ্গে সত্যিই প্রতারণা করা হয়, তাদের ঘটনাগুলোকে আমরা একেবারেই অস্বীকার করতে পারি না। কারণ ৯৯ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদে পুরুষদেরই দোষ থাকে।

    এই মন্তব্যে চটেছেন বিপুলসংখ্যক নেটিজেন। তারা মানতে নারাজ, ৯৯ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদে পুরুষদেরই দোষ থাকে। এক নেটিজেন বলেছেন— এমন মানুষের থেকে প্রতিক্রিয়া নেওয়াই উচিত নয়। ইনি নিজেই একজন শোষণকারী। ওর নিজেরই বলা ৯৯.৯৯ শতাংশ ঘটনা মিথ্যা।

    অতুল সুভাষের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ছাড়াও শ্যালক ও শাশুড়ির বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে। মৃত যুবক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। বেঙ্গালুরুতে একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করার সুবাদে সেখানেই থাকতেন তিনি। অতুলের স্ত্রীও চাকরিজীবী ছিলেন। তবে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চালকালীন মাসিক ৪০ হাজার টাকা খোরপোশ দিতে হতো অতুলকে। এর পরও অতুলের স্ত্রী ও তার পরিবার আরও ২-৪ লাখ টাকা দাবি করছিলেন বলে অভিযোগ। অতুলের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের আদালতে মামলাও করেছিলেন স্ত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহমানের জীবনে মোহিনী, সে কারণেই বিচ্ছেদ—কী বললেন সুরকারের মেয়ে

    অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ও পরিচালক এআর রাহমান ও তার স্ত্রী সায়রা বানু ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন। গত মঙ্গলবার রাতে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন তারা। 

    এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে রাহমানের সহযোগী মোহিনী দে-ও তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। আর তার পরেই দুইয়ে-দুইয়ে চার করতে শুরু করেন অনেকে। সমাজের নীতিবানরা আঙুল তুলতে শুরু করেন মোহিনীর দিকে। 

    তাদের ধারণা, এই বঙ্গললনার কারণেই নাকি ঘর ভেঙেছে সুরকারের। যদিও লোকের কথায় কান দেওয়ার পাত্রী নন মোহিনী। দিব্যি শো করছেন, নিজের স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। 

    তবে আতশকাচের তলায় যেন বারবার রাখা হচ্ছে অস্কারপ্রাপ্ত সুরকার এআর রাহমানকে। ক্রমাগত সমালোচনা ও কটাক্ষের মাঝে এবার মুখ খুললেন রাহমানের মেয়ে।

    এদিকে বিচ্ছেদ নিয়ে এআর রাহমানের স্ত্রীর আইনজীবী বন্দনা শাহ জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিক্ততা এ বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ। উভয় পক্ষই আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তা আর সম্ভব নয়। ফলে দীর্ঘ দাম্পত্যের পর এই সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট কষ্ট হয়েছে তার। কিন্তু সায়রা অপারগ। 

    তাদের বিচ্ছেদের পর বিপুল অঙ্কের খোরপোশ পাবেন সায়রা। এ নিয়ে ইতোমধ্যে নানা কথা শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

    তবে সেসব কথা উড়িয়ে দিয়েছেন সায়রার আইনজীবী। তিনি পাশাপাশি এ বিষয়টিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন— রাহমান-সায়রার বিয়ে ভাঙলেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। এর পর স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেন, তাদের এই বিচ্ছেদের সঙ্গে মোহিনীর কোনো সংযোগ নেই। 

    রহমান ও সায়রার দীর্ঘ দাম্পত্যে তিন সন্তান রয়েছে তাদের। দুই মেয়ে খাতিজা ও রহিমা এবং এক ছেলে আমিন। খাতিজা বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আমিন অবশ্য সর্বক্ষণ বাবার পাশে পাশে থাকেন। আর মেয়ে রহিমা অবশ্য অনেক বেশি সোজাসাপটা কথা বলেন।

    নেটপাড়ায় রহমান-মোহিনীকে নিয়ে নানা চটুল, রসালো খবর চাউর হতেই শেষমেশ মুখ খুললেন বড়কন্যা রহিমা রহমান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন— সর্বদা মনে রাখবেন, গুজবের জন্ম দেয় নিন্দুকেরা। ছড়িয়ে দেয় বোকারা। সেটি বিশ্বাস করে নির্বোধরা। সত্যিই বলছি— নিজের চরকায় তেল দিন। 

    ছোট বোনের সেই পোস্ট শেয়ার করেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বড় বোন খাতিজা রহমানও। 

    আসলে নাম উল্লেখ না করেই বাবাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কড়া জবাব দিয়েছেন রহিমা। 

    উল্লেখ্য, অস্কারজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক এআর রাহমানের ঘরভাঙার খবরে তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দোষারোপ করা হচ্ছে তারই টিমের নারী সদস্য গিটারিস্ট মোহিনী দের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে এ সংগীত পরিচালকের। 

    তবে এ নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি এআর রাহমান। ১৯৯৫ সালে এআর রাহমান ও সায়রা বানুর বিবাহ হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্প্রতি বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে ভারতীয় যে ৫ দম্পতির

    সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ। বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনায় সম্প্রতি শিরোনাম হয়েছেন সংগীত পরিচালক এ আর রহমান।

    ৩০ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানছেন এ আর রহমান ও সায়রা বানু দম্পতি। বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ। 

    ১৫ বছর সংসার করার পর বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতীয় দক্ষিণী সিনেমার অভিনেতা জয়ম রবি ও আরতি দম্পতি। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন আরতি-রবি। তাদের সংসারে দুটি পুত্রসন্তান রয়েছে। 

    ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানছেন দক্ষিণী সিনেমার আরেক তারকা ধানুষ ও ঐশ্বরিয়া রজনীকান্ত। ২০০৪ সালে মহাধুমধাম করে বিয়ে হয় দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্তের কন্যা ঐশ্বরিয়া আর অভিনেতা ধানুষের। 

    ১৮ বছর পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণায় অনেকেরই ধারণা ছিল- হয়তো ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমান মিটিয়ে নিয়ে ফের এক হবেন তারা! অবশেষে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই তারকা জুটি।

    তামিল অভিনেতা ও সংগীত পরিচালক জি ভি প্রকাশ কুমার বিয়ের ১১ বছর পর তার স্ত্রী সাইন্ধবিকে তালাক দেন।

    ভারতীয় সিনেমার আরেক জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ছিলেন নাগা চৈতন্য ও সামান্থা। চার বছর আগে সামান্থাকে তালাক দেন নাগা চৈতন্য। খবর রটে- শোভিতা ধুলিপালাই তাদের বিচ্ছেদের কারণ। বর্তমানে নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালার বিয়ের আয়োজন চলছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রহমানের পর বিচ্ছেদের ঘোষণা সহশিল্পী মোহিনীর

    মঙ্গলবার রাতে দীর্ঘ ২৯ বছর দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন ভারতের খ্যাতনামা সুরকার এআর রহমান। তার স্ত্রী সায়রা বানুর আইনজীবী জানিয়েছেন দীর্ঘ দিনের তিক্ততাই নাকি বিচ্ছেদের কারণ। 

    এই ঘটনার মাত্র ঘণ্টার মধ্যেই রহমানের দলের গিটার বাদক মোহিনী দে নিজের বিবাহবিচ্ছেদের কথা জানান সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ইনস্টাগ্রামে সঙ্গীত পরিচালক স্বামী মার্ক হার্টসাচের সঙ্গে যৌথ পোস্টে বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন মোহিনী।

    মোহিনী গিটার বাদক, স্বামী মার্ক সুরকার। তাই দু’জনের কর্মক্ষেত্র একই। বিচ্ছেদ হলেও তারা একসঙ্গে কাজ করে যাবেন বলেই জানিয়েছেন মোহিনী। 

    দু’জনে যৌথ পোস্ট দিয়ে লেখেন, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আমি আর মার্ক আলাদা হচ্ছি। প্রথমত, আমাদের বন্ধু এবং পরিবারকে জানাই এই সিদ্ধান্ত আমরা পারস্পরিক সহমতেই নিয়েছি। তবে বিচ্ছেদের পরও একে অপরের বন্ধু থাকব। কিন্তু আমরা দু’জনের আকাঙ্ক্ষা ভিন্ন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিচ্ছেদ হলেও যে কাজগুলো হাতে রয়েছে, সেগুলো তো করব বটেই। ভবিষ্যতেও একসঙ্গে কাজ করব।’

    জীবনের এমন একটা স্পর্শকাতর মুহূর্তে সকলের কাছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় থাক সেটাই চাইছেন মোহিনী।

    কলকাতার মেয়ে বছর ২৯-এর মোহিনী রহমানের সঙ্গে প্রায় ৪০টির বেশি অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের ‘গান বাংলা’ সিরিজ়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনোবিদের কাছে যাচ্ছেন আমির, কারণ কী?

    বলিউড অভিনেতা আমির খানের কন্যা ইরা খান গত পাঁচ বছর ধরে অবসাদের সঙ্গে লড়াই করছেন। ইরা জানিয়েছিলেন, প্রতি আট থেকে দশ মাস অন্তর ভয়ংকরভাবে সমস্যা বাড়ে। অবসাদের জন্য বাবা আমির ও মা রীনা দত্তের বিবাহবিচ্ছেদকে দায়ী করেছেন তিনি। মানসিক অবসাদের ধারা তাদের পরিবারে রয়েছে বলেই ধারণা তার। যদিও বিয়ের পর আগের থেকে অনেকটাই ভালো আছেন ইরা। তবে তিনি বাবা আমিরকেও সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন মনোবিদের কাছে। তাতে নাকি উপকৃত হয়েছেন দু’জনেই।

    সম্প্রতি ইরা বাবা আমির ও মা রীনার সাহায্যে অগস্ত্য ফাউন্ডেশনের স্থাপন করেন। তার এই সংগঠনের লক্ষ্যই হল, যারা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তাদের সাহায্য করা। তাই বলে নিজের চিকিৎসা বন্ধ করে দিয়েছেন তা নয়। বাবা-মেয়ে একসঙ্গে মনোবিদের কাছে যাওয়ায় তাদের দু’জনের সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে বলেই মত আমিরের। পেশাগত ক্ষেত্রে গত কয়েক বছর ধরে একের পর ব্যর্থতা দেখেছেন আমির। ভেবেছিলেন, অভিনয় থেকে অবসর নেবেন। যদিও ছেলেমেয়ের জোরাজুরিতে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। তবে এই সময়টা যে খুব সহজ ভাবে অতিবাহিত হচ্ছে আমিরের, তা নয়। অভিনেতা নিজে স্বীকার করেছেন বুদ্ধিমান মানুষ হওয়া সত্ত্বেও এমন অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠতে পারছেন না। সেই কারণেই মনোবিদের সাহায্যের প্রয়োজন তার। 

    আমিরের কথায়, ‘আসলে থেরাপি অত্যন্ত শক্তিশালী জিনিস। আমি এত দিন ভাবতাম আমি যথেষ্ট বুদ্ধিমান মানুষ, আমি সব সিদ্ধান্ত একাই নিতে পারি। কিন্তু, না আমারও প্রয়োজন পড়ে। হতে পারে আমি ভীষণ বুদ্ধিমান। কিন্তু নিজের মনকে আমরা খুব অল্পই চিনি। হ্যাঁ ভারতে এখন এটা নিয়ে সংরক্ষণ রয়েছে আসলে। মানসিক সমস্যা মানে পাগল ভেবে নেন। আমি বলতে চাই আমারও মানসিক সমস্যা রয়েছে। আমি চাই সেটা অন্যরা জানুন। এমন সমস্যা থাকলে আপনারাও সাহায্য নিন। তাতে উপকৃত আপনারাই হবেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেককে ভুলতে পারছেন না ঐশ্বরিয়া

    বেশ কিছু দিন ধরে চলছে বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিবাহবিচ্ছেদের আলোচনা-সমালোচনা। দুজন দুদিকে হাঁটছেন। থাকছেন আলাদা। যদিও তাদের তরফ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়াই পাওয়া যায়নি। 

    কয়েক দিন আগেই ছিল ঐশ্বরিয়ার জন্মদিন। সেদিন বচ্চন পরিবারের তরফ থেকে ঐশ্বরিয়ার জন্য আসেনি কোনো শুভেচ্ছাবার্তা। অভিষেকের নীরবতাই বিচ্ছেদের জল্পনায় আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। কিন্তু ঐশ্বরিয়ার জীবনে স্বামীর স্থান একটুও নড়েনি, দাবি নেটিজেনদের। 

    ভক্ত-অনুরাগীরা মনে করছেন, অভিষেককে হয়তো ভুলেই উঠতে পারছেন না ঐশ্বরিয়া। আলাদা থাকলেও ফের সম্পর্ক জোড়া লাগার আশায় আছেন এ অভিনেত্রী।

    কী দেখে নেটিজেনদের এমন অনুমান? ঐশ্বরিয়ার ইনস্টাগ্রাম নজর কেড়েছে তাদের। অসংখ্য অনুসরণকারী রয়েছেন সাবেক এ বিশ্বসুন্দরীর। কিন্তু অভিনেত্রী মাত্র একজনকেই ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন। তিনি আর কেউ নন— অভিষেক বচ্চন। বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনায় বি-টাউন মেতে থাকলেও ইনস্টাগ্রামে এখনো অভিষেককেই শুধু অনুসরণ করেন ঐশ্বরিয়া।

    অন্যদিকে ঐশ্বরিয়াকেও ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন অভিষেক। যদিও তিনি আরও অনেককেই অনুসরণ করে থাকেন। এ বিষয়টি চোখ এড়ায়নি নেটিজেনদের মাঝে। কোনো একদিন ফের সংসার জোড়া লাগতে পারে, সেই আশায় রয়েছেন তারাও।

    অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের আসর থেকে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের জল্পনা ঘনীভূত হয়। গোটা পরিবার নিয়ে বিয়ের আসরে প্রবেশ করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু সেখানে ছিলেন না ঐশ্বরিয়া ও মেয়ে আরাধ্যা। 

    বেশ কিছুক্ষণ পর মা-মেয়ে হাতে হাত রেখে বিয়ের আসরে প্রবেশ করেন। তার পর থেকে একাধিক অনুষ্ঠানে শুধু মেয়ের সঙ্গেই দেখা যায় এ অভিনেত্রীকে। সংসারে বনিবনার অভাবেই কি দাম্পত্যে চিড়?—এমন প্রশ্ন নেটিজেনদের মাঝে।

    এরমধ্যেই শোনা গেছে, ‘দসভি’ ছবির সময়ে অভিনেত্রী নিমরত কৌরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাই নাকি তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বামীর ‘মন’ পেতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া

    অভিষেক বচ্চনের জন্য নিজের কর্মজীবনে একের পর এক ত্যাগ করেছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন? গত কয়েক মাস ধরেই তাদের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তার মধ্যেই ঐশ্বরিয়ার এক পুরনো সাক্ষাৎকারের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। সেটি দেখেই নেটাগরিকের অনুমান, স্বামী ও সংসার সামাল দিতে গিয়েই কাজ থেকে সরে যেতে হয়েছে ঐশ্বরিয়াকে। 

    শাহরুখ খান অভিনীত ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ ছবিতে একটি চরিত্রের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ঐশ্বরিয়াকে।  অভিষেকও ছিলেন সেই ছবিতে। তবে তার বিপরীতে ছিল না ঐশ্বরিয়াকে প্রস্তাব দেওয়া সেই চরিত্রটি। সেই কারণেই রাজি হননি ঐশ্বরিয়া। 

    সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘আমার কাছে এসেছিল ছবির প্রস্তাব। বেশ মজার চরিত্র ছিল। জানতাম ভালোই অভিজ্ঞতা হবে। কিন্তু অভিষেকের বিপরীতে আমার চরিত্রটি ছিল না। বিষয়টি অদ্ভুত! তাই না? সেই কারণেই আমি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।’

    এই সাক্ষাৎকার দেখে নেটাগরিকের মত, ‘কোনো সন্দেহ নেই। অভিষেকের জন্যই নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়েছেন ঐশ্বরিয়া।’ অন্য দিকে, শোনা যায় ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’-এ দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত চরিত্রেরই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ঐশ্বরিয়াকে। ছবিতে মূল নায়ক অর্থাৎ শাহরুখের বিপরীতে ছিল সেই চরিত্র। সহ-অভিনেতা ছিলেন অভিষেক। নেটাগরিকের অনুমান, ‘অভিষেকের সামনে ঐশ্বরিয়া আসলে শাহরুখের নায়িকা হতে চাননি। যদিও ‘ধুম’ ছবিতে অভিষেক থাকা সত্ত্বেও তিনি হৃত্বিকের বিপরীতে ছিলেন। তবে সেই ছবিতে অভিষেকই ছিলেন প্রধান নায়ক। তাই ‘ইগো’তে আঘাত লাগা বা মন কষাকষির তেমন জায়গা ছিল না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • নেহার সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়ে এবার মুখ খুললেন রোহন

    বলিউডের জনপ্রিয় শিল্পী নেহা কক্কর আর অভিনেতা রোহনপ্রিত সিংয়ের বিবাহিত জীবন নাকি একেবারেই ঠিকভাবে চলছে না। বিনোদন জগতের তারকা মানেই তাদের ব্যক্তিগত জীবনের উত্থান-পতন সবসময় লাইম লাইটে উঠে আসা। এবার অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন চলছে— গায়িকা নেহার জীবন কোনোভাবেই ঠিক নেই। বিবাহবিচ্ছেদের পর্যায়ে চলে গেছে এ দম্পতি।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে এ গায়িকা বলেছেন— তাদের মধ্যে আর মোটেও সব ঠিকঠাক নেই। তাদের বিবাহবিচ্ছেদের গুজব দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। অবশেষে এ বিচ্ছেদের বিষয়ে নীরবতা ভাঙলেন রোহনপ্রিত সিং। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গুজব মানে গুজবই, সেগুলো সত্য নয়। এগুলো বানানো জিনিস— আগামীকাল কেউ কিছু বলবে, পরশু কেউ কিছু লিখবে। 

    রোহন বলেন, তবে হ্যাঁ, এই জিনিসগুলো আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলবে না। আপনার এক কানে শোনা উচিত, অন্য কান দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত।

    এ অভিনেতা বলেন, আলোচনা তাকে নিয়েই হয়, মানুষ যার ব্যাপারে কথা বলতে বেশি ভালোবাসে। তাই আমাদের নিয়ে বলুক কথা লোকে। মানুষের মনে তো আছি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নেহা কক্করের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের খবরে কোনো সত্যতা নেই।

    এর আগে কপিল শর্মার শোতে এসে নেহা জানিয়েছিলেন— রোহনপ্রিত শুরুতে বিয়ের জন্য রাজি ছিল না। কারণ মাত্র ২৫ বছরেই বিয়ের বাঁধনে পড়তে মন থেকে তৈরি ছিল না। আবার ৩৩ বছরের নেহা এই বয়সে প্রেম করতে রাজি না। 

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ‘নেহু দা বিহা’ মিউজিক ভিডিওর সেটে প্রথম পরিচয় এই জুটির। তিন মাসের মধ্যেই বিয়ের পর্ব সেরে ফেলেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক