Tag: বাঙালি

  • মরুর বুকে বারবার ফিরে আসার কথা জানালেন জেমস

    ‘বাংলাদেশ কালচার’ শিরোনামের একটি কনসার্টে অংশ নিয়ে সুর ও কণ্ঠে মরুর বুকে লাখো বাঙালির বুকে ঝড় তুললেন নগরবাউল জেমস। সৌদি আরবের সাউদিয়া পার্কে আয়োজিত গ্লোবাল হারমোনির তৃতীয় রাত মাতালেন এ ব্যান্ডসংগীত তারকা। প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে পারফর্মের পর আশ্বাস দিলেন পরবর্তী সময়ে প্রবাসীদের ডাকে আবার সাড়া দেবেন তিনি। 

    কনসার্টে অংশ নেওয়ার পর জেমস গণমাধ্যমকে বলেন, আমি প্রথম রিয়াদের মাটিতে পা দিলাম। আশা করিনি যে এত সুন্দর আর এত দর্শক এখানে আছে। তিনি বলেন, রিয়াদে এসে আমি মুগ্ধ এবং আমার অনুভূতি ঠিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। রিয়াদে আমি বারবার ফিরে আসব। তাদের (প্রবাসী বাংলাদেশি) অনেক ধন্যবাদ, আজকের এ অনুষ্ঠানে আসার জন্য।

    বিশেষ করে গ্লোবাল হারমোনি এতে অংশগ্রহণ করার জন্য আর এই অনুষ্ঠানকে সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বিষয়ে জেমস বলেন, ইনশাআল্লাহ তারা আরও পরিশ্রম করবে, দেশের জন্য আরও কাজ করবে। কর্মমুখর জীবনে সংগীতের মাধ্যমে এই যে একটা মেলবন্ধন হলো এবং তারা উপভোগ করল আনন্দ করল।’ 

    যদি সুযোগ পান তাহলে আপনি রিয়াদে আবার আসবেন— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে জেমস বলেন, এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, যখনই সুযোগ পাওয়া যাবে চলে আসব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পুরাতন’ নিয়ে আসছি: ঋতুপর্ণা

    টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বাঙালির নতুন বছরে মায়ের কথা ভেবে সিনেমা ‘পুরাতন’ নিয়ে আসছেন। এ নিয়ে অভিনেত্রী কথা বলেছেন আনন্দবাজার অনলাইনে। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।

    এ অভিনেত্রী বলেছেন, ৬ নভেম্বরের পর কথা বলা বন্ধ হয়ে গেল আমাদের। এখন দিনরাত্রি কাচের বাইরে থেকে উদ্বেগের চোখ নিয়ে মাকে দেখছি। আর পাঁচটা মানুষের মতোই আমাদের মা-মেয়ের সম্পর্ক। একে অপরের আবেগকে ঘিরে আমার এই লম্বা জীবন।

    ঋতুপর্ণা বলেন, ‘পুরাতন’ করতে গিয়ে পুরোনো বইয়ের গন্ধে ধুলোমাখা কবিতার কথাই মাকে বারবার খুঁজে পেয়েছি। ‘পুরাতন’ ছবিতে অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর আমার মা হয়ে যেমন পুরোনোকে লালন করে রাখছেন, খুঁজে বেড়াচ্ছেন মুদিখানার দোকানের বিল। আমার মাকেও দেখেছি ঠিক সেভাবেই প্রাচীনকে আঁকড়ে থাকতে। মাকে যেমন কয়েক দিন আগেই মনে করিয়ে দিচ্ছিলাম তার লেখা কবিতাগুলো। ছবিতেও আমি আমার মাকে অনেক পুরোনো কথা মনে করিয়ে দিতে থাকি…।

    তিনি বলেন, কষ্ট পাচ্ছে আমার মা। ক্রমাগত হাসপাতালে মাকে দেখতে দেখতে ঠিক করলাম— বাঙালির নতুন বছরে, মানে আগামী পহেলা বৈশাখে মা-মেয়ের গল্প ‘পুরাতন’ নিয়ে আসব। এই গল্প নির্ভরতার, আশ্রয়ের। আমার জীবনের সঙ্গে আচমকাই যেন আরও গভীর হয়ে মিশে গেছে ‘পুরাতন’।

    মুম্বাইয়ে ‘পুরাতন’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের সঙ্গে ফের সাক্ষাৎ হয়েছিল ঋতুপর্ণার। ‘ভাবনা আজ ও কাল’ প্রযোজিত এই ছবি মা-মেয়ের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে। এই ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে শর্মিলার পাশে তার দুই মেয়ে সাবা আর সোহা ছিলেন। ছিলেন ছেলে অভিনেতা নবাব সাইফ আলি খান। ওদেরও মাকে নিয়ে নানা আবেগ। সাইফ তো সিঁড়িতে বসেই মায়ের ছবি দেখল। সারা আর সোহা মায়ের অভিনয় নিয়ে উচ্ছ্বসিত। সেই ‘পুরাতন’ এবার কলকাতায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাঙালি বলেই বলিউডে রাজনীতির শিকার: কুমার শানু

    অরিজিৎ-জুবিন নটিওয়ালদের জুগে বলিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে আর ডাক আসে না সংগীতশিল্পী কুমার শানুর। তার গান শুনে একটা প্রজন্মের শৈশব-কৈশোর ও যৌবন কেটেছে। কিশোর কুমারপরবর্তী যুগে বলিউডে একচেটিয়া রাজত্ব করে চলেছেন কুমার শানু। বাংলা থেকে শুরু করে মুম্বাইয়ে গিয়ে লম্বা স্ট্রাগলের পর সিঁকে ছিঁড়েছিল। আর ফিরে তাকাননি। 

    rnrn

    কিন্তু সব কিছুর যেন শেষ আছে। এ গায়কের শেষ ফিচার ফিল্ম গানটি ছিল ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দম লাগা কে হাইসাঁ ছবির ‘দর্দ করারা’। ২০১৮ সালে সিম্বায় ‘আঁখ মারে’র রিক্রিয়েশনেও তার কণ্ঠ শোনা গিয়েছিল। দুটো গানই ছিল সুপারডুপার হিট। সুতরাং শানুর কণ্ঠ দর্শকমনে আজও ততটাই স্থান জুড়ে রয়েছে। তাহলে কেন শোনা যায় না তার গান? আক্ষেপ ঝরে পড়ল গায়কের কণ্ঠেও— বাঙালি বলেই তিনি বলিউডে রাজনীতির শিকার।

    rnrn

    ‘বস এক সনম চাহিয়ে আশিকিকে লিয়ে’, ‘চুরা কে দিল মেরা’, ‘দো দিল মিল রহে হ্যায়’— নবাগত নায়ক হোক কিংবা শাহরুখ খান-সালমান খান— সবার হয়ে প্লেব্যাক করতেই সিদ্ধহস্ত কুমার শানু। কিন্তু রাজার রাজপাটে এখন ভাটার টান পড়েছে। নতুনদের ভিড়ে এখন আর জায়গা হয় না তার। বলিউড ইন্ডাস্ট্রি তেকে ডাক আসে না গান গাওয়ার। বলিউড তাকে এখন সম্মান দেয় ঠিকই কিন্তু কাজ দেয় না। সেই ক্ষোভেই প্রকাশ করলেন তিনি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    rnrn

    কুমার শানু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার জার্নি খুব সুন্দর। ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই আমাকে সম্মান করে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো— সবাই শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসা দেয়, আমার গানও শোনে। কিন্তু আমি জানি না, কেন তারা হিন্দি ছবিতে আর গানের জন্য আমাকে ডাকে না’। 

    rnrn

    কিন্তু কেন এমনটি ঘটছে, তবে কি রাজনীতির শিকার—এমন প্রশ্নে কুমার শানু বলেন, ‘এই প্রশ্ন তো আমার মনেও আসে যে, আমি যখন তাদের সামনে থাকি, তখন তারা এত ভালোবাসা দেখাচ্ছে, অথচ আমাকে গান গাইতে ডাকছে না! এটি সত্যি কিনা জানি না। যাই হোক না কেন, তারা অবশ্যই আমাকে সম্মান দেয়’। 

    rnrn

    সম্প্রতি কুমার শানু যুক্তরাষ্ট্রে লাইভ কনসার্টে পারফর্ম করেছেন। সেখানে প্রত্যেকটি কনসার্ট ছিল হাউসফুল। এই প্রজন্মের কাছেও তার কণ্ঠস্বর গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন এ সংগীতশিল্পী। 

    rnrn

    কুমার শানু বলেন, ‘আমি গাইতে পারি, তাও জানি না কেন আমাকে দিয়ে গান করায় না। কেন এই প্রশ্নটা নির্মাতাদের মনে আসে না? আমি শো করছি, আমার ফ্যান ফলোয়িং আছে। যেখানেই যাই দেখি সব শো হাউসফুল…।’

    rnrn

    সবশেষে কুমার শানু বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির মানুষ বুঝলে ভালো, না হলে ওদের দুর্ভাগ্য’। বুঝিয়ে দিলেন তার নতুন করে নিজেকে প্রমাণ করার নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনয় থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন বাঙালি নায়িকা রিমি সেন

    রিমি সেন। বলিউডে দুই দশকের পথচলা। বড়পর্দায় অভিনয়জগতে শুরু। যাত্রা শুরুর আগে নাম পরিবর্তন করেছিলেন তিনি। বড় বড় শক্তিমান অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, অভিষেক বচ্চন, অজয় দেবগনের মতো তারকাদের সঙ্গে স্কিন শেয়ার করেছেন। কিন্তু যত দ্রুততার সঙ্গে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই দ্রুত বলিউড থেকে হারিয়ে গেছেন বাঙালি অভিনেত্রী রিমি সেন। 

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, রিমি সেনের বলিউডে দুই দশকের পথচলা। বড়পর্দায় অভিনয়জগতে শুরু। অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, অভিষেক বচ্চন, অজয় দেবগনের মতো তারকাদের সঙ্গে স্কিন শেয়ার করেছেন। কিন্তু যত দ্রুততার সঙ্গে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই বলিউড থেকে দ্রুত হারিয়ে গেছেন এ বাঙালি অভিনেত্রী রিমি সেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি— ‘গরম মশলা’, ‘কিউ কি’, ‘দিওয়ানা হুয়ে পাগল’, ‘ফির হেরা ফেরি’, ‘গোলমাল: ফান আনলিমিটেড’, ‘ধুম ২’, ‘হ্যাটট্রিক’, ‘জনি গদ্দার’, ‘দে তালি’, ‘থ্যাংক ইউ’-এর মতো একাধিক হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন রিমি। 

    ২০০০ সালে অপর্ণা সেনের পরিচালনায় ‘পারমিতার একদিন’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন রিমি সেন। যদিও পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। ২০০৩ সালে বলিউডে ‘হাঙ্গামা’ ছবি দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন রিমি। অক্ষয় খন্না, পরেশ রাওয়াল ও আফতাব শিবদাসানির সঙ্গে এ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ‘হাঙ্গামা’ ছবিতে অভিনয় করেন নবাগত অভিনেত্রী হিসাবে। ছবি মুক্তির পর রাতারাতি প্রচারে আসেন রিমি। এরপর অমিতাভ বচ্চন ও হেমা মালিনীর ছবি ‘বাগবান’-এ পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। ২০০৪ সালে ‘ধুম’ ছবিতে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে জুটি বেঁধে বলিউডে জনপ্রিয় হয়ে যান রিমি। এর পর একের পর এক হিন্দি ছবির প্রস্তাব পেতে থাকেন তিনি। এমনকি দুটি তেলেগু ছবিতে অভিনয় করেন রিমি সেন। 

    একাধিক ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি বাংলা বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেন রিমি সেন। আমির খানের মতো তারকার সঙ্গেও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপনের জগতে পরিচিতি লাভ করেন রিমি। এক দশক বলিউডে থাকলেও হঠাৎ করেই ছবির সংখ্যা কমে যেতে থাকে তার ক্যারিয়ারের ঝুলিতে। ২০১১ সালে পরিচালক তিগমাংশু ধুলিয়ার ‘শাগির্দ’ ছবিতে শেষবার বড়পর্দায় দেখা যায় রিমি সেনকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার হাজির হন। তবে এবার আর ক্যামেরার সামনে নয়, ক্যামেরার পেছনে। অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার পর জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘বুধিয়া সিংহ’ নামে একটি ছবির প্রযোজনা করেন রিমি।

    বলিউডে প্রথম সারির তারকাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন রিমি। কিন্তু এখন কারও সঙ্গেই যোগাযোগ রাখেন না তিনি। বলেন, ‘আমি কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারি না। সবাই তো নিজের সুবিধাটাই দেখেন। গায়ে পড়ে কেউ অন্য কাউকে সাহায্য করতে চান না। যতক্ষণ না  আপনি অন্য কারও হাতে-পায়ে পড়ছেন, ততক্ষণ কেউ আপনাকে সাহায্য করবে না। আমি তো এসব করতে পারি না।’

    রিমি আরও বলেন, ‘অভিনয় দক্ষতা তো অনেক পরের হিসাব। আপনি লোকজনের সঙ্গে কতটা মিশতে পারছেন, সেটিই আসল হিসাব। তা না হলে কিছুই হবে না। সারাজীবন ঘরের এক কোনে পড়ে থাকতে হবে। আমি নিজেকে তো বিক্রি করতে পারি না।’

    এদিকে রিমি ২০১৭ সালে রাজনীতিতে নাম লেখান। বিজেপিতে যোগ দেন। এর পর ২০২২ সালে বিজেপি থেকে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। কিন্তু মূল স্রোতের রাজনীতিতে সেভাবে দেখা যায়নি তাকে।

    সম্প্রতি চার কোটি টাকা প্রতারণার শিকার হন রিমি। অভিনেত্রীর দাবি, বছর তিনেক আগে মুম্বাইয়ের অন্ধেরির এক জিমে রৌণক যতীন ব্যাস নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল রিমি সেনের। অল্প সময়ের মধ্যেই ভালো বন্ধুত্ব হয় তাদের মধ্যে। এরপর তাকে একটি নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রৌণক। বিনিয়োগ করলে ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ লাভ উঠবে— এমনটিই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। নিজের প্রযোজনা সংস্থার টাকায় ওই বিনিয়োগ করেছিলেন রিমি। অভিনেত্রীর অভিযোগ— লাভ তো দূরে থাক আসল টাকাই ফেরত পাননি তিনি। পরে রৌণকের বিরুদ্ধে চার কোটিরও বেশি টাকার প্রতারণার অভিযোগ করেন অভিনেত্রী।

    এফআইআরে রিমি জানান, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাসের মধ্যে ব্যবসায় এক কোটি টাকা লগ্নি করেন তিনি। রৌণক তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, পরবর্তী বিনিয়োগে রিমিকে কিছু লভ্যাংশ দেবেন। সেই মতো ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের মধ্যে আরও তিন কোটি ১৪ লাখ টাকা লগ্নি করেন অভিনেত্রী। কিন্তু প্রতিশ্রুতিমতো কোনো টাকাই রৌণক দেননি বলে দাবি করেন রিমি।

    রিমির অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি মোতাবেক টাকা না পেয়ে চুক্তির অংশ হিসাবে সিকিউরিটি বাবদ রৌণকের দেওয়া সাড়ে তিন কোটি টাকার চেক ভাঙাতে যান তিনি। চেক ভাঙাতে গিয়ে জানতে পারেন, সেই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা রয়েছে। রিমি বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
     
    তিনি বলেন, টাকার পাশাপাশি কিছুটা ব্যক্তিগত বিষয়েও জড়িয়েছে এ প্রতারণার সঙ্গে। আমার আবেগে আঘাত করেছে সে। বন্ধু হিসাবে আমার বাড়িতেও গিয়েছিল ও। আমার মায়ের সঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়াও করেছে রৌণক। কিন্তু ভাবতেও পারিনি সে আমার সঙ্গে এমন করবে।

    রিমির প্রতারণাকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে সিআইডি। ২০২২ সালে মুম্বাইয়ের খার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের পর সিআইডি তদন্তের দায়িত্ব নেয়। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত, ন্যায্য বিচার পাব।

    ২০১৫ সালে ছোটপর্দার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস্’-এ প্রতিযোগী হিসাবে অংশগ্রহণ করেন রিমি। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পর সেই শো থেকে বাদ প়ড়ে যান। কানাঘুষা শোনা যায়, প্রতিযোগিতায় তেমন সক্রিয় ছিলেন না বলে শো থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে।

    বিনোদন ডেস্ক