Tag: বাগদান

  • ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের সঙ্গে বিয়ে, মুখ খুললেন রাশমিকা

    দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় দেবরকোণ্ডা ও রাশমিকা মান্দানা পর্দায় যেমন, বাস্তব জীবনেও তেমনই দর্শকদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন। সম্প্রতি গোপনে বাগদান সেরে ফেলেছেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এই জুটি।

    ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ব্যক্তিগতভাবে আংটি বদল করেছেন তারা। এরপর থেকেই তাদের বিয়ে নিয়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়। 

    শোনা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন রাশমিকা।

    সাম্প্রতিক এক আলাপচারিতায় রাশমিকাকে তার কথিত প্রেমিক বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে আসন্ন বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। গুঞ্জনের জবাবে রাশমিকা বলেন, গত চার বছর ধরেই এই ধরনের আলোচনা চলছে এবং মানুষ একই প্রশ্ন বারবার করে যাচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় এলে তবেই তারা মুখ খুলবেন।

    রাশমিকার ভাষ্যমতে, ‘এই গুঞ্জন তো চার বছর ধরেই চলছে, তাই না? মানুষ একই প্রশ্ন বার বার করে যাচ্ছে, তেমনই সুখবরের জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু আমি তখনই এই বিষয় নিয়ে কথা বলব, যখন সত্যি কথা বলার মতো সময় আসবে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভারতীয় গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরের একটি প্রাসাদে বিয়ের আয়োজন হতে পারে। 

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দম্পতির ঘনিষ্ঠ এক সূত্র হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছিল, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরের একটি রাজপ্রাসাদে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন। 

    সূত্র আরও জানায়, বাগদানের মতোই বিয়ের অনুষ্ঠানও হবে ঘরোয়া, যেখানে উপস্থিত থাকবেন কেবল পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা।

    তবে এই গুঞ্জনের মাঝেই হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়াকে রাশমিকা জানান, তিনি এখনই বিয়ে নিয়ে কোনো কিছু নিশ্চিত বা অস্বীকার করতে চান না। অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, ‘আমি বিয়ে নিয়ে কিছু নিশ্চিত বা অস্বীকার করতে চাই না। শুধু এটুকুই বলব—যখন বলার সময় আসবে, তখনই বলা হবে।’

    প্রসঙ্গত, বাগদানের গুঞ্জনের পর বিজয় ও রাশমিকার আঙুলে দেখা গিয়েছে আংটি। সেই আংটি নিয়ে প্রশ্নের কোনো জবাব না দিলেও, আড়ালও করেননি। সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিতে পারলেও পাপারাৎজিদের হাত থেকে রক্ষা পাননি বিজয় ও রাশমিকা। এবার তাদের বিয়ের অপেক্ষায় অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লিভ-ইনের পর ভেঙে যায় প্রেম, নতুন প্রেমিকের সঙ্গেই বাগদান সারলেন ঋতাভরী

    বছরের শুরুতেই টলিপাড়ায় বেজেছে খুশির সুর। আবারও এক জুটির বিয়ের গুঞ্জনে সরগরম দুই ইন্ডাস্ট্রি। পাত্রী টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী আর পাত্র বলিউডের চেনা মুখ, চিত্রনাট্যকার সুমিত আরোরা।

    গুঞ্জন ছিল, চলতি বছরেই সাতপাকে বাঁধা পড়বেন ঋতাভরী ও সুমিত। সেই গুঞ্জনের মধ্যেই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে গোপনে সেরে ফেললেন তাদের বাগদান। যদিও এখন পর্যন্ত এই প্রেমিক যুগল কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।

    তবে টালিউড ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, আসছে ডিসেম্বরেই থাইল্যান্ডে ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের পরিকল্পনা করেছেন ঋতাভরী। বাঙালি-পাঞ্জাবি দুই রীতিতেই হবে বিয়ে। যদিও অনুষ্ঠান হবে একেবারে ঘরোয়া পরিবেশে, তবে রিসেপশন হবে জমকালো। কলকাতা ও মুম্বাই—দুই শহরেই আলাদা রিসেপশনের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঋতাভরীর জীবনে সুমিতের আগমনের গল্পটা শুরু হয় ২০২৩ সালে। তার আগে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তথাগত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন তিনি। লকডাউনের সময় গড়ে ওঠা সেই সম্পর্ক বন্ধুত্ব থেকে পরিণত হয় প্রেমে, এমনকি তারা লিভ-ইনেও ছিলেন। একসঙ্গে ফ্ল্যাট কিনে বসবাসও শুরু করেছিলেন এবং বিয়ের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী নিজেই। শোনা গিয়েছিল ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তাঁরা বিয়ে করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।

    এরপরেই ঋতাভরীর জীবনে আসেন বলিউড চিত্রনাট্যকার ও লেখক সুমিত অরোরা। ‘জওয়ান’, ‘স্ত্রী’, ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর মতো হিট ছবির সংলাপ রচনার পাশাপাশি, সোনাক্ষী সিনহার ‘দাহাদ’ এবং মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ সিরিজেরও স্ক্রিপ্ট লিখেছেন তিনি।

    সুমিতের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ানোর পর এবার সেই সম্পর্ককে স্থায়ী রূপ দেওয়ার পথেই হাঁটছেন ঋতাভরী। আগামীর দিন গুলো যে আরও রঙিন হতে চলেছে, সে ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই দিয়ে দিলেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাগদানের পরও যে কারণে বিয়ে হয়নি অভিষেক-কারিশমার

    সময়টা ২০০০ সাল, একের পর এক হিট সিনেমায় বলিউড পাড়া কাঁপাচ্ছেন অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুর। সেই সিনেমা থেকেই গভীর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অভিষেক-কারিশমা। দুজনের মধ্যে বাগদানও সম্পন্ন হয়ে যায়। যদিও পরবর্তীতে সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে তাদের দুই পরিবারের কারণে।

    দীর্ঘ পাঁচ বছর গোপনে প্রেম করার পর শ্বেতা বচ্চনের বিয়েতে একসঙ্গে হাজির হন অভিষেক-কারিশমা। এরপর ২০০২ সালে অমিতাভ বচ্চনের ৬০তম জন্মদিনে জয়া বচ্চন ঘোষণা দেন অভিষেক-কারিশমার বাগদানের। জয়া বচ্চনের এমন ঘোষণার পর বলিউড পাড়ায় তখন বইছিল উৎসবের আমেজ।

    তবে সেই উৎসব মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি খুব একটা। ২০০৩ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে ভেঙে যায় এই সম্পর্ক। সে সময় এই সম্পর্ক ভাঙার কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও খুব একটা জানা যায়নি দুই পরিবারের গোপনীয়তার কারণে। তবে পরবর্তীতে এটা প্রকাশ্যে এসেছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবর অনুযায়ী, জয়া বচ্চন কারিশমাকে শর্ত আরোপ করেছিলেন, বিয়ের পর তাকে অভিনয় ছেড়ে দিতে হবে। যেই শর্তে কারিশমার মা, ববিতা কাপুর কোনোভাবেই রাজি হননি। কেননা, ববিতা তার মেয়ের ক্যারিয়ার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং কারিশমার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে অমিতাভ বচ্চনের কিছু সম্পদ অভিষেকের কাছে হস্তান্তর করার কথা বলেছিলেন। যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে তৈরি হয়েছিল উত্তেজনা।

    কেননা, সেই সময়ে বচ্চন পরিবার আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। যার ফলে কারিশমার মায়ের প্রস্তাবে রাজি হওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যা আবার চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল কারিশমার মা ববিতাকে। বচ্চন পরিবারের ঋণ ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতার মাঝে তাই মেয়েকে পাঠাতে রাজি ছিলেন না তিনি। যা একটা সময় দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল অভিষেক-কারিশমার ভালোবাসা সম্পর্কে।

    পরে সেই ধাক্কা সামলে ২০০৩ সালে ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন কারিশমা। যদিও পরে ২০১৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তার। অন্যদিকে ২০০৭ সালে ঐশ্বরিয়া রাইকে বিয়ে করেন অভিষেক বচ্চন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নাগা-শোভিতার বাগদান, যা বললেন বাবা নাগার্জুন 

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালার বাগদান সম্পন্ন হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। ছেলের বাগদানের খবর সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার নাগার্জুন আক্কিনেনি। তাদের প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে এ অভিনেতা বলেন, সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল নাগা। কিন্তু তার জীবনে শোভিতার আগমনে খুব খুশি তিনি।

    বাগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাগা চৈতন্য ও শোভিতার ঘনিষ্ঠরা। বাগদান নিয়ে নাগার্জুন বলেন, অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের কাছের মানুষরাই উপস্থিত ছিলেন। এ তালিকায় ছিলেন শোভিতার বাবা-মা আর বোন। দিনটিও শুভ ছিল। তাই এই দিনেই বাগদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

    তিনি আরও বলেন, জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে ছেলের বাগদান সেরেছেন তিনি।

    সামাজিকমাধ্যম এক্স হ্যান্ডলে দুটি ছবি পোস্ট দিয়ে তাদের শুভকামনা জানিয়ে এ অভিনেতা লিখেছেন— ‘তাদের বাগদানে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করি, তারা সুখী দম্পতি হবে। তাদের জীবন হাসি-আনন্দে ভরে উঠুক।’

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৭ অক্টোবর নাগা চৈতন্যকে বিয়ের মধ্য দিয়ে সামান্থা রুথ প্রভু ‘আক্কিনেনি’ পরিবারের একজন হয়েছিলেন। কিন্তু চার বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন নাগা চৈতন্য ও সামান্থা। এর পর থেকে নাগার সঙ্গে অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালার নাম জড়ায়। তারা একে অপরের সঙ্গে ডেট করতেন। বিদেশে এই দুই তারকাকে বিভিন্ন সময়ে দেখাও গিয়েছিল, যা নিয়ে সরগরম ছিল সামাজিকমাধ্যম।

    এর আগে নাগা-সামান্থা জুটিকে দক্ষিণী ভারতের জনপ্রিয় জুটি মনে করা হয়। ২০০৯ সালে ‘ইয়ে মায়া চেসেভে’ সিনেমার সেটেই তাদের মন দেওয়া-নেওয়া। দীর্ঘ আট বছর প্রেমের পর ২০১৭ সালে ৭ অক্টোবর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাগদান সারলেন নাগা চৈতন্য-শোভিতা ধুলিপালা

    বেশ কিছু দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ভারতের দুই তারকা নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালার প্রেমের গুঞ্জন। সেই গুঞ্জনকে সত্যি প্রমাণিত করে অবশেষে বাগদান সারলেন দুজনে। তাদের বাগদানের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন নাগা চৈতন্যের বাবা নাগার্জুন আক্কিকেনি।

    rnrn

    ছেলের বাগদান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে নাগার্জুন লিখেছেন, ‘শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে আমাদের ছেলে নাগা চৈতন্যের বাগদানের খবর দিতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে ওদের বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের পরিবারে শোভিতাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা খুবই খুশি। যুগলকে অনেক শুভেচ্ছা। সারাজীবন ওদের জীবনে ভালোবাসা ও সুখ ভরে থাকুক। ঈশ্বর ওদের মঙ্গল করুন।’

    rnrn

    বাগদানের ছবিতে দেখা গেছে হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি ও ব্লাউজ পরেছেন শোভিতা। খোঁপায় বাঁধা গোলাপি ফুল। অন্যদিকে নাগা চৈতন্যের পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি।

    rnrn

    নাগা চৈতন্য অবশ্য আগেও বিয়ে করেছেন। দীর্ঘ চার বছর সংস্কার করার পর গত ২০২১ সালে অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় নাগার। সেই সময় থেকেই শোভিতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছিল নাগা চৈতন্যের। অবশেষে সেটিই সত্যি হলো। বাগদান সম্পন্ন হওয়ায় এখন তারা বিয়ের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাগদানের পরও যে কারণে হয়নি অভিষেক-কারিশমার বিয়ে

    সময়টা ২০০০ সাল, একের পর এক হিট সিনেমায় বলিউড পাড়া কাঁপাচ্ছেন অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুর। সেই সিনেমা থেকেই গভীর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অভিষেক-কারিশমা। দুজনের মধ্যে বাগদানও সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে তাদের দুই পরিবারের কারণে।

    rnrn

    দীর্ঘ পাঁচ বছর গোপনে প্রেম করার পর শ্বেতা বচ্চনের বিয়েতে একসঙ্গে হাজির হন অভিষেক-কারিশমা। এরপর ২০০২ সালে অমিতাভ বচ্চনের ৬০তম জন্মদিনে জয়া বচ্চন ঘোষণা দেন অভিষেক-কারিশমার বাগদানের। জয়া বচ্চনের এমন ঘোষণার পর বলিউড পাড়ায় তখন বইছিল উৎসবের আমেজ।

    rnrn

    তবে সেই উৎসব মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি খুব একটা। ২০০৩ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে ভেঙে যায় এই সম্পর্ক। সে সময় এই সম্পর্ক ভাঙার কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও খুব একটা জানা যায়নি দুই পরিবারের গোপনীয়তার কারণে। তবে পরবর্তীতে এটা প্রকাশ্যে এসেছে।

    rnrn

    ভারতীয় গণমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবর অনুযায়ী, জয়া বচ্চন কারিশমাকে শর্ত আরোপ করেছিলেন, বিয়ের পর তাকে অভিনয় ছেড়ে দিতে হবে। যেই শর্তে কারিশমার মা, ববিতা কাপুর কোনোভাবেই রাজি হননি। কেননা, ববিতা তার মেয়ের ক্যারিয়ার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং কারিশমার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে অমিতাভ বচ্চনের কিছু সম্পদ অভিষেকের কাছে হস্তান্তর করার কথা বলেছিলেন। যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে তৈরি হয়েছিল উত্তেজনা।

    rnrn

    কেননা, সেই সময়ে বচ্চন পরিবার আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। যার ফলে কারিশমার মায়ের প্রস্তাবে রাজি হওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যা আবার চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল কারিশমার মা ববিতাকে। বচ্চন পরিবারের ঋণ ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতার মাঝে তাই মেয়েকে পাঠাতে রাজি ছিলেন না তিনি। যা একটা সময় দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল অভিষেক-কারিশমার ভালোবাসা সম্পর্কে।

    rnrn

    পরে সেই ধাক্কা সামলে ২০০৩ সালে ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন কারিশমা। যদিও পরে ২০১৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তার। অন্যদিকে ২০০৭ সালে ঐশ্বরিয়া রাইকে বিয়ে করেন অভিষেক বচ্চন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাগদানের পরও যে কারণে কারিশমাকে বিয়ে করেননি অভিষেক

    বলিউডে গুঞ্জন ছিল শিগগিরই বিয়ে করবেন কারিশমা কাপুর ও অভিষেক বচ্চন। তখন ২০০২ সাল, এক পার্টিতে সবাইকে চমকে দিয়ে অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চন ঘোষণা করেছিলেন ছেলের বাগদানের সেই তথ্য। 

    তবে সব ঠিক হয়ে যাওয়ার পরও কেন ভাঙে যায় বিয়ে? 

    বলিউডের অন্দরমহলে কান পাতলে শোনা যায়, কারিশমা কাপুরের মা জানিয়েছিলেন, কম প্রতিষ্ঠিত অভিষেকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে চান না বলেই ভাঙে বিয়ে। 

    বলিউডের অন্দরমহল বলছে, তা সঠিক নয়। সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, কারিশমা চেয়েছিলেন অমিতাভের বাড়ি জলসাতে না থাকতে। অভিষেককে নিয়ে আলাদা থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাবা অন্তপ্রাণ অভিষেক নিজের বাবার সঙ্গে এমনটা করতে পারেননি। একসঙ্গে থাকাতেই বিশ্বাসী ছিলেন অমিতাভ। তাই আলাদা হতে পারবেন না বলে কারিশমাকেই জীবন থেকে দূরে সরান অভিষেক। 

    শোনা যায়, কারিশমা নাকি আরও দাবি করেন, বচ্চন পরিবারের অর্ধেক সম্পত্তি লিখে দিতে হবে তার হবু স্বামীকে। এই কথাও মানেনি অমিতাভের পরিবার।

    দিন যায়, বছর যায়, বচ্চন পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয়নি কারিশমার। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু সেই বিয়ে সুখের হয়নি। যদিও এই মুহূর্তে ঐশ্বরিকে নিয়ে সুখের সংসার অভিষেকের। রয়েছে এক কন্যাও। মাঝে তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন সামনে এলেও তা নেহাতই রটনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬ বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে বাগদান, যা বললেন সোহিনী

    অভিনেতা রণজয়ের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার পর গায়ক শোভন গাঙ্গুলির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। অভিনেত্রীর জন্ম ১৯৮৭ সালের ৬ই মার্চ। অন্যদিকে তার প্রেমিক শোভনের জন্ম ১৯৯৩ সালে। বয়সে প্রেমিকার চেয়ে ৬ বছরের ছোট শোভন। এই শোভনের গলাতেই নাকি মালা দিতে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি বিদেশে ছুটি কাটাতে গিয়ে বাগদান সেরেছেন এই যুগল।

    যদিও শোভন বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে বাগদান-বিয়ে নিয়ে গুঞ্জনের বিষয়ে মুখ খুলেছেন সোহিনী সরকার। গায়ক শোভনের সঙ্গে বাগদানের বিষয়ে সোহিনী সরকার ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমার অনামিকার কোনো আংটি দেখা যাচ্ছে না তো! আসলে হঠাৎ এটা রটে যাওয়ার পর আমার মা ফোন করে জানতে চান, সত্যিটা কী।’

    শোভনকে কি বিয়ে করার পরিকল্পনা করেছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে সোহিনী সরকার বলেন, ‘চারপাশে অনেক বিয়ে হচ্ছে। তবে আমার মনে হয়, বিয়ে দেখে বিয়ে করে নেওয়া সাংঘাতিক ব্যাপার। আমি ঈশ্বরে বিশ্বাসী। নিশ্চয়ই ভালো কিছু হবে। আসলে আমরা ভাবি যে, আমরা একা একাই সব করছি। কিন্তু আমাদের জন্য ঈশ্বরের পরিকল্পনা করাই থাকে, আমরা শুধু বাস্তবায়ন করি।’

    আপনার জীবনে প্রেম এসেছে আবার প্রেম ভেঙেছে। কখনো থিতু হওয়ার কথা ভাবেননি? জবাবে সোহিনী বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই আমরা থিতু হতে চাই। ভাঙতে আমরা কেউই চাই না। তবে প্রকৃতির নিয়ম, সবকিছু এক সময় ভেঙে যায়।’

    ২০০৬ সালে টিভি ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন সোহিনী সরকার। তারপর ‘ওগো বধূ সুন্দরী’, ‘অদ্বিতীয়া’, ‘ভূমিকন্যা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। তবে ২০১১ সালে ‘অদ্বিতীয়া’ ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি।

    ২০১৩ সালে ‘রূপকথা নয়’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে সোহিনী সরকারের। একই বছর ‘ফড়িং’ সিনেমায় অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি। এক বছরের বিরতি নিয়ে ‘ওপেন টি বায়োস্কোপ’ সিনেমায় অভিনয় করেও খ্যাতি কুড়ান। তারপর ‘রাজকাহিনী’, ‘হর হর ব্যোমকেশ’, ‘বিবাহ ডায়েরিজ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান। ২০১৯ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখেন এই নায়িকা। বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করেছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাগদানের আংটির বিষয়ে এবার লাইভে এসে যা বললেন নাবিলা

    গত কয়েক দিন আগে নিজের ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাবিলা ইসলাম। আঙুলে আংটি পরানো একটি হাতের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি পেলাম।’

    নাবিলার সেই রহস্যময় পোস্ট নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। তখন তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। আংটি ও বাগদান প্রসঙ্গে নাবিলা বলেছিলেন, এ বিষয়ে তার কথা বলা পারিবারিকভাবে নিষেধ আছে। উত্তর জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে!

    অবশেষে জানা গেল নাবিলার বাগদান রহস্য। সত্যি সত্যি বাগদান হয়নি নাবিলার। এটি ছিল তার অভিনীত নতুন সিরিয়াল ‘গার্লস স্কোয়াড’ সিজন ৩-এর প্রচারণার অংশ! এ অভিনেত্রী জানান, নতুন সিজনে সিরিয়ালটির গল্পের বড় অংশ তার বিয়েকে কেন্দ্র করে। ফেসবুক লাইভে এসে নাবিলা জানান, দর্শকদের আকৃষ্ট করতেই এমনটি করেছিলেন।

    আরও পড়ুন:

    বাগদান রহস্য উন্মোচন করে নাবিলা বলেন, প্রথম সিজনে মারজুক ভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রেম দেখানো হয়েছিল। নতুন এই সিজনে তার এবং আমার বিয়ের বিষয় উঠে আসবে। গল্পটা যেহেতু এটিই, তাই বাগদানের আংটি হিসেবে পোস্ট করেছিলাম। ওটা ছিল স্রেফ দর্শকদের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্যই। প্রথম সিজনে দর্শকদের কাছ থেকে অনেক বেশি সাড়া পেয়েছিলাম। আশা করছি, নতুন সিজনটিও ভালো হবে। দর্শকরা দেখবেন।

    ‘গার্লস স্কোয়াড’ সিরিয়ালটির নির্মাতা মাইদুল রাকিব বলেন, যেহেতু নাবিলার বিয়ে নিয়ে গল্প, এ কারণে দর্শকদের আগ্রহ তৈরির কারণে নাবিলার বাগদানের আংটির একটি ছবি ফেসবুকে ছাড়ে। এটি ছিল প্রচারের অংশ। 

    এই সিরিজে নাবিলা ছাড়াও অভিনয় করছেন রুকাইয়া জাহান চমক, সেমন্তী সৌমি, সামিরা খান মাহি, জেরিন, স্বর্ণলতা, অমি, ইমন, মারজুক রাসেল, চাষী আলম, আনন্দ খালেদ, মেহেদী হাসান হৃদয়সহ অনেকে। আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ‘গার্লস স্কোয়াড’ সিজন-৩ সিরিয়ালটি বঙ্গ অ্যাপে মুক্তি পাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জাহ্নবীর হিরার আংটি কি বাগদানের ইঙ্গিত?

    শিখর পাহাড়িয়ার পাশে মন্দিরে পূজা দিয়ে প্রার্থনা করছেন জাহ্নবী। জাহ্নবী পরেছেন বেগুনি রঙের শিফন শাড়ি আর শিখর সাদা ধুতি।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এমন একটি ভিডিও।  

    ভিডিও দেখে নেটিজেনরা অনুমান করছেন, বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর তার প্রেমিক শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে গোপনে বাগদান সেরেছেন।  সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

    জাহ্নবীর হাতের হিরার আংটি দেখে সন্দেহ আরও বেড়েছে।  পুরো বিষয়টি নিয়ে শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী একদম চুপ রয়েছেন।

    সম্প্রতি শিখরের সঙ্গে তিরুপতিতে জাহ্নবীকে দেখার পর থেকেই এ বাগদানের কথা নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া। 

    এদিকে অনেক প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। অবশেষে ঠিক করা হয়েছে জাহ্নবী কাপুর ও রাজকুমার রাও অভিনীত ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’ মুক্তির তারিখ।

    সম্প্রতি প্রযোজনা সংস্থা ‘ধর্মা প্রোডাকশন’-এর অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে পোস্ট করে সিনেমার মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়।  এ সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে আগামী বছরের ১৫ মার্চ।

    ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘একটা স্বপ্ন, যাকে দুই হৃদয় ধারণ করে! শরন শর্মা পরিচালিত, রাজকুমার রাও ও জাহ্নবী কাপুর অভিনীত ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’ আসছে ১৫ মার্চ ২০২৪ সালে- আপনাদের নিকটতম প্রেক্ষাগৃহে।’

    ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’ মূলত স্পোর্টস ড্রামা ঘরানার ছবি। ‘রুহি’ সিনেমার পর এই সিনেমাতে দ্বিতীয়বার একসঙ্গে কাজ করতে চলেছেন জাহ্নবী ও রাজকুমার। 

    চলতি বছরের মে মাসে এ সিনেমার শুটিং শেষ করেন জাহ্নবী। শুটিং শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট লেখেন জাহ্নবী, গোটা টিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে।

    তিনি লেখেন, আমার প্রথম ব্যাট ধরার ২ বছর। আর এখন আমরা অবশেষে শুটিং প্যাকআপ করলাম মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহির। আমি ভেবেছিলাম আজ খানিক হালকা ও আশ্বস্ত হয়ে ঘুম থেকে উঠব কারণ এ সিনেমাতে যতটা ভেবেছিলাম পারব তার থেকে অনেক বেশি দিয়ে ফেলেছি। কিন্তু সত্যি বলতে কেমন যেন খালি খালি লাগছে। যেন একটা খালি ক্যানভাস। মনে হচ্ছে আমরা যুদ্ধে গিয়েছিলাম এবং এখন ফিরে এসেছি আর সেখানে আমি অনেক হিরো দেখেছি।

    তিনি প্রশংসা করেন সিনেমার টিমের। যেখানে রাজকুমার রাও এবং পরিচালক শরন শর্মার কথাও বলেন অভিনেত্রী।

    যুগান্তর প্রতিবেদন