Tag: বাংলাদেশ

  • পারভেজ আবীরের কথায় ‘বিজয় নেবে ধানের শীষ’

    লাল সবুজের পতাকার সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলাদেশের সঙ্গে ধানের শীষের রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। ফসলের মাঠের সোনালী ধানের শীষ এদেশের মানুষের অস্তিত্বেরও অংশ। রূপসী বাংলার অবারিত প্রকৃতির সঙ্গে ধানের শীষ, জাতীয়তাবাদ, বিজয় ও মুক্তিযুদ্ধ যেন একই সূত্রে গাঁথা। আর পারভেজ আবীর চৌধুরীর কথায় তা পূর্ণতা পেলো সুরে সুরে। ‘বিজয় নেবে ধানের শীষ’ শিরোনামের গানে সেটিই মূর্ত হয়ে উঠেছে বাণী ও সুরে। পারভেজ আবীর চৌধুরীর কথায় ও আহমেদ হুমায়ুনের সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাটি রহমান। আর কোরাস অংশে কণ্ঠ মিলিয়েছেন প্রায় ৩০ শিল্পী। টিম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মারুফ আকিব।

    বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী গানটির ব্যাপক প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন গানটির মূল পরিকল্পক ও গীতিকার পারভেজ আবীর চৌধুরী৷ সম্প্রতি রাজধানীর অর্ণবের স্টুডিও কলরবে এটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে।

    রেকর্ডিং সেশনে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকন। তিনি গানের পরিবেশনা, উপস্থাপনা ও সুরের আবহ নিয়ে শিল্পীদের পরামর্শ দেন।

    পারভেজ আবীর চৌধুরী বলেন, পুরো গানজুড়ে আমি এদেশের ১৮ কোটি মানুষের আশীর্বাদ, তাদের আশা, প্রত্যাশা এবং গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার আকুতি তুলে ধরেছি।

    গানের কথার পরতে পরতে উঠে এসেছে শহীদ জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী নেতৃত্ব এবং তারেক রহমানের ৩১ দফায় আলোচিত ন্যায়, পরিবর্তন ও গণতন্ত্রের প্রত্যয়।

    বিজনেস ডেস্ক

  • ভোটে এগিয়ে মিথিলা, ইতিহাসের পথে বাংলাদেশ

    আগামী ২১ নভেম্বর থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় শহর পাক ক্রেটে অনুষ্ঠিত হবে ‌‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসরের জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালে। এর মধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ সুন্দরী প্রতিযোগিতায় ১২১ দেশের প্রতিযোগীদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। এ আসরে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। 

    এর মধ্যেই সব প্রতিযোগীকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। নানা বিভাগে শুরু হয়েছে ভোটিং। ‘পিপলস চয়েজ’ বিভাগে ১ নম্বরে চলে এসেছে বাংলাদেশের তানজিয়া জামান মিথিলার নাম। এর আগে ৩ নম্বরে অবস্থান করছিলেন এ মডেল। পিপলস চয়েজ-এ ভোটিং চলবে আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

    ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ তাদের অফিসিয়াল পেজে এ খবর জানিয়ে একটি বার্তা প্রকাশ করেছে। 

    সেখানে বলা হয়েছে— ‘আমরা পেরেছি বাংলাদেশ। এখন বাংলাদেশ এক নম্বরে। ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য ভোটদান অব্যাহত রাখুন। অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ।’

    এ প্রতিযোগিতায় মঞ্চে এক নতুন ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে গেছেন মিথিলা। হাতছানি দিচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব অর্জনের। আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত অভিনেত্রী যদি ভোটের হিসাবে শীর্ষে থাকতে পারেন, তবে তিনিই সরাসরি ‘মিস ইউনিভার্স’ শিরোপা জয় করবেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে প্রতিযোগিতা চলাকালীন অন্যান্য দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে ভোটের এই সংখ্যা ওঠানামা করছে। তাই চূড়ান্ত ফল এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। মিথিলার ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে এ অবস্থানে ধরে রাখার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অন্যদের ভোট দিতে আহ্বান জানাচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ২ নভেম্বর থাইল্যান্ডে পৌঁছান ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’-এর মুকুট জয় করা মডেল-অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। দেশের পতাকা নিয়ে মুকুট জয়ের প্রত্যাশায় একের পর এক ধাপ উতরে যাচ্ছেন তিনি। 

    এর আগে বাংলাদেশ থেকে ২০১৯ সালে শিরীন শিলা এবং ২০২৪ সালে আনিকা আলম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তবে মিথিলার এই অর্জন দেশের মিস ইউনিভার্স ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্থাপন করতে চলেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩ বরেণ্য গীতিকবিকে সম্মান জানাল গীতিকবি সংঘ

    বাংলা আধুনিক সংগীতের তিনজন বরেণ্য গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, লিটন অধিকারী রিন্টু ও গোলাম মোর্শেদকে সম্মান জানিয়েছে গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ। 

    শনিবার বিকালে ঢাকার বাংলামোটরে অবস্থিত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ আয়োজিত প্রথম ‘গীতিকবি আড্ডা’ অনুষ্ঠানে তাদের প্রতি এ সম্মান জানানো হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নকীব খান, ফোয়াদ নাসের বাবু, আলী সুমন, শওকত আলী ইমন, নাসির আহমেদ, ডা. আরিফ, মিল্টন খন্দকার, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, আনজীর লিটন, বাপ্পী খান, বাকীউল আলম, এনামুল কবির সুজন, সীরাজুম মুনীরসহ সংঘের সদস্যরা।

    সন্ধ্যা ৬টায় তুষার হাসানের সঞ্চালনায় আয়োজনটি শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংঘের সাধারণ সম্পাদক জয় শাহরিয়ার। তারপর প্রথম পর্বে জয় শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় আড্ডায় অংশ নেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বে যথাক্রমে সাকী আহমদ ও অধরা জাহানের সঞ্চালনায় আড্ডায় অংশ নেন লিটন অধিকারী রিন্টু ও গোলাম মোর্শেদ।

    এ আয়োজনে অতিথিরা সংগীতে তাদের পথচলা নিয়ে উপস্থাপক ও দর্শকদের সঙ্গে কথা বলেন, মতবিনিময় করেন। এ সময় ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে প্রত্যেকের সংক্ষিপ্ত জীবনী উপস্থাপন করা হয়। আড্ডায় গীতিকবি তিনজনের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার ছাড়াও জীবনের নানা ঘটনাপ্রবাহ উঠে আসে।

    এ অনুষ্ঠানে গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ তাদের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল উন্মুক্ত করেন। সংঘের সভাপতি আসিফ ইকবালের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয়  ‘গীতিকবি আড্ডা’-এর প্রথম আয়োজন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ঢাকা মাতাতে আসছেন পাকিস্তানি গায়িকা আইমা

    প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে গান শোনাতে আসছেন পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আইমা বেগ। আগামী ১১ এপ্রিল ঢাকায় আসবেন এই গায়িকা। ইয়ামাহা মোটরসাইকেলসের একটি মেগা ইভেন্টে অংশ নেবেন। রাজধানীর সেনা প্রাঙ্গণে ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড গ্র্যান্ড’ অনুষ্ঠানে গান শোনাবেন তিনি। ইয়ামাহা বাংলাদেশের ফেসবুক পেজে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ২০১৬ সালে পাকিস্তানি সিনেমা ‘লাহোর সে আগে’তে প্রথম প্লেব্যাকের সুযোগ পান আইমা। প্রথম সিনেমায় তিনটি গানে কণ্ঠ দেন তিনি। ‘কালাবাজ দিল’ গানের জন্য লাক্স স্টাইল অ্যাওয়ার্ড এবং গ্যালাক্সি ললিউড অ্যাওয়ার্ডে সেরা গায়িকার পুরস্কার পান এ গায়িকা।

    এ ছাড়া ‘সাত দিন মোহাব্বত ইন’, ‘দ্য ডাংকি কিং’, ‘কাফ কাঙ্গানা’, ‘বাজি’ ইত্যাদি সিনেমায় গান গেয়ে আলোচনায় আসেন আইমা। তার গাওয়া ‘ফিতুর’, ‘আইটেম নাম্বার’, ‘গ্রুভ মেরা’ গানগুলো তরুণদের মাঝে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।

    কোক স্টুডিও পাকিস্তানের ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ তিন মৌসুমে গান গেয়েছেন আইমা। এ ছাড়া ২০২২ সালে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ৭ম আসরে আতিফ আসলামের সঙ্গে ‘আগে দেখ’ ও গত বছর আলী জাফরের সঙ্গে ‘খুল কে খেল’ থিম সংয়ে কণ্ঠ দিয়েছেন আইমা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে ভারতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে শাকিব খানের ‘দরদ’

    বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় রোমান্টিক সাইকো-থ্রিলার ঘরানার সিনেমা ‘দরদ’ পরিচালনা করেছেন অনন্য মামুন। এ সিনেমার কাহিনি ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন পরিচালক। সিনেমার প্রযোজক হিসেবে আছেন অশোক ধানুকা, হিমাংশু ধানুকা, কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া ও অনন্য মামুন। সহপ্রযোজক (হিন্দি) হিসেবে আছেন করণ শাহ (ওয়ান ওয়ার্ল্ড মুভিজ)।

    ‘দরদ’ সিনেমাটি প্যান ইন্ডিয়ান দাবি করা হলেও ভারতে মুক্তি না পাওয়ায় বেশ সমালোচিত হন নির্মাতা অনন্য মামুন ও সিনেমাসংশ্লিষ্টরা। এমনকি এটি যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পেলেও এখনো ভারতে মুক্তি পায়নি ‘দরদ’।

    এর আগে গত বছরের ১৫ নভেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় বাংলার কিং শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘দরদ’। এ সিনেমাটি প্যান ইন্ডিয়ান দাবি করলেও সিনেমাটি এতদিন ভারতেই মুক্তি পায়নি। অবশ্য এ নিয়ে বিস্তর সমালোচনাও হয়েছে।

    কথা ছিল বাংলাদেশে মুক্তির দিনেই ভারতেও মুক্তি পাবে ‘দরদ’। কিন্তু কয়েক দফা তারিখ বদল হয়। অবশেষে ভারতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে শাকিব খানের এ সিনেমাটি।

    ভারতীয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজ জানিয়েছে, মুক্তির তিন মাস পর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের পেজে লিখেছে— ‘খেলায় আজ শুধুই ভাব, হবে না কোনো আড়ি, দরদ নিয়ে শাকিব খান আসছে ২৮ ফেব্রুয়ারি।’ তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ, নাকি ভারতের অন্য রাজ্যে মুক্তি পাবে ‘দরদ’, তা জানায়নি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশ-ভারতের সমস্যা নিয়ে যা বললেন অঞ্জন দত্ত

    ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী, অভিনেতা, পরিচালক অঞ্জন দত্ত বাংলাদেশ-ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। তার মতে, বাংলাদেশ-ভারতের অশান্তিতে ক্ষতি হচ্ছে দুদেশের। সোমবার ভারতীয় গণমাধ্যম পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

    এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘কলকাতা এবং ঢাকার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে বাংলাদেশের সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এই দুই দেশেরই খুব বড় একটা বাজার রয়েছে। এটি দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    অঞ্জন দত্ত বলেন, ‘রাজনীতি মানুষকে ভাগ করে দেয়, কিন্তু শিল্প ঐক্যবদ্ধ করে।’

    তিনি বলেন, ‘আমি চাই বর্তমান অচলাবস্থার দ্রুত সমাধান হোক। শিল্প এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আমাদের একটা বড় বাজার রয়েছে। সেটা দুদেশের জন্য খুলে যাওয়া প্রয়োজন। এতে দুই পক্ষেরই উপকার হবে। বাংলাদেশে অনেক সংবেদনশীল মানুষ রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই দারুণ সিনেমা নির্মাতা, থিয়েটার ব্যক্তিত্ব এবং গায়ক। এত সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে বলি দেওয়া উচিত নয়।’

    তার মতে, আমি বরাবরই শিল্পক্ষেত্রে রাজনীতির বিরোধী। রাজনীতি মানুষকে ভাগ করে, অথচ শিল্প মানুষকে একত্রিত করে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ভারতে বেশি সময় থাকার’ বিষয়ে যা বললেন জয়া

    অভিনেত্রী জয়া আহসান এপার-ওপার দুই বাংলারই জনপ্রিয়। ঢালিউড-টালিউডের গণ্ডি পেরিয়ে বলিউডেও পা রেখেছেন তিনি। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়িতে মর্ডান টুইস্ট দিতেই জয়ার ওপর চটেছে অনেকেই। 

    চলতি মাসের শুরুতে মুম্বাইয়ে ফিল্মফেয়ারের ওটিটি অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়া। সেখানে জামদানিতে আলো ছড়ান। সেখানেই একদম অন্যভাবে জামদানি শাড়ি পরে বিতর্কে জয়া।  জয়াকে এই জামদানি শাড়ি একেবারে ব্যতিক্রমী স্টাইলে পরতে দেখা গিয়েছিল। 

    কয়েক বছর ধরে দেশের তুলনায় ভারতের সিনেমাতে বেশি দেখা গেছে জয়াকে। তাই তার ভক্তদের অনেকেই মনে করেন, নিজ দেশের চেয়ে পাশের দেশে বেশি সময় দেন তিনি। 

    কিন্তু জয়া জানালেন ভিন্ন কথা। শুধু প্রয়োজন ছাড়া ভারতে থাকেন না তিনি। জয়া বলেন, ‘শুটিং থাকলে কলকাতা যাওয়া হয়। আউটডোর ‍শুটিংয়ে অন্যরা যেভাবে বাইরে যান, আমিও কলকাতায় কাজ থাকলে সেভাবে যাই। কাজ শেষে আবার ঢাকায় ফিরে আসি। কিন্তু অনেকে ভাবে, আমি বেশিরভাগ সময় সেখানে থাকি। সেদিন সীতাকুণ্ডে শুটিংয়ে গিয়েছিলাম, তারা ভেবেছে আমি ভারতে।’

    বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশেই বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছেন তিনি। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাবে তার ‘ওসিডি’ সিনেমাটি। দেশে মুক্তির তালিকায় আছে ‘নকশী কাঁথার জমিন’, ‘জয়া আর শারমিন’, ‘ফেরেশতে’ সিনেমাগুলো।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশে জন্ম বলিউড অভিনেত্রী অনন্যার, চমকে দিলেন চাঙ্কি

    এ মুহূর্তে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এই প্রজন্মের চর্চিত বলিউড অভিনেত্রী অনন্যার রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশেষ যোগ। বাবার লড়াই থেকে অনেক কিছু শিখেছেন অনন্যা পান্ডে। সেই শিক্ষা তাকে মাটিতে পা রাখতে শিখিয়েছে অভিনেত্রীকে। 

    অনন্যা জন্মের পর থেকেই দেখেছেন, বাবার ক্যারিয়ারের ওঠাপড়া। বিশেষ করে জ্ঞান হওয়ার পর অনন্যা দেখেন— বাবা চাঙ্কির ক্যারিয়ার ডুবন্ত। আশির দশক থেকে চাঙ্কির ক্যারিয়ারের শুরু। তার পর নব্বইয়ের দশকে তারকার তকমা পান চাঙ্কি। 

    অনন্যার জন্ম ১৯৯৮ সালে। সেই সময় থেকেই হাতে কাজ কমতে থাকে বর্ষীয়ান অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডের। বাবার জীবনে চড়াই-উতরাই দেখেও অভিনয়কেই পেশা হিসাবে বেছে নেন অনন্যা। দীর্ঘপথ পেরিয়ে বলিউডে ধীরে ধীরে নিজের পায়ের নিচের মাটি শক্ত করছেন তিনি। চলতি বছর পর পর তিনটি কাজ মুক্তি পেয়েছে তার। তিনটিতেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন অনন্যা। তবে এই প্রজন্মের চর্চিত অভিনেত্রীর কিন্তু রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড় যোগ।

    এ পরিস্থতিতেই অনন্যার বাংলাদেশের সঙ্গে যোগসূত্রের কথা জানালেন বাবা চাঙ্কি পান্ডে। একসময় অভিনেতা টানা পাঁচ বছর বাংলাদেশের সিনেমায় কাজ করেছেন। ভারতের থেকে তিনি বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে। একসময় মুম্বাই ছেড়ে বাংলাদেশে থাকতে শুরু করেন অভিনেতা। ১৯৯৮ সালে ভাবনা পান্ডেকে যখন বিয়ে করেন চাঙ্কি, সেই সময় ঢালিউডে ছিলেন অভিনেতা। স্ত্রী ভাবনাকেও সঙ্গে নিয়ে যান সেখানে। 

    চাঙ্কি বলেন, আমি মধুচন্দ্রিমায় ভাবনাকে বাংলাদেশে নিয়ে যাই। একটা ছবি শেষ করার ছিল। সেই সময় অনন্যা ভাবনার গর্ভে আসে। যদিও মুম্বাই ফিরে সেটি জানতে পারি। বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা পেয়েও একটা সময় সেখানেও কাজ কমতে থাকে অভিনেতার। স্ত্রীর কথামতো মুম্বাই ফিরে আসেন এবং সেখানেই কাজ খুঁজতে থাকেন তিনি। একসময়ে নায়কের চরিত্রেই অভিনয় করতেন চাঙ্কি পান্ডে। কিন্তু পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পর অন্য ধরনের চরিত্রে কাজ করতে তার কোনো আপত্তি ছিল না। নির্দ্বিধায় নতুন ধরনের চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেতা। যে কোনো ভাষায়, যে কোনো চরিত্রে, সেটা যেমনই হোক না কেন— নিজে মন দিয়ে অভিনয় করতেন। বাবার এই গুণ প্রেরণা জুগিয়েছে অনন্যাকেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশ নিয়ে পোস্ট দিয়ে বিপাকে কলকাতার গায়িকা, মুছলেন সব লেখা

    বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করার পর থেকেই কটাক্ষের শিকার সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তী।  ফেসবুকে এই পোস্ট করতেই গায়িকাকে নিয়ে ট্রোল-সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।  পরে মুছে ফেলেন সব পোস্ট। এ ঘটনায় তার মনের অবস্থা কী রকম? লিখলেন গায়িকা।

    লগ্নজিতা বলেন, ‘ভেবে অবাক হচ্ছি, মানুষের মধ্যে কত ঘৃণা জমে রয়েছে! শনিবার রাতে ফেসবুকে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্প্রীতি বিষয়ক একটি পোস্ট করার পর থেকেই দেখলাম, ‘ট্রোলিং’ শুরু হল। তারই জবাবে রোববার আরও কয়েকটা পোস্ট করেছিলাম। কিন্তু দেখলাম, আমি কোনো ভাবেই আলোচনা থামাতে পারব না। কারণ সব সময়েই মনে হয়েছে, এই কঠিন সময়ে মানুষ রেগে রয়েছেন। শেষ পর্যন্ত আমার পরিবার এবং ব্যান্ডের সদস্যদের অনুরোধে যাবতীয় পোস্ট মুছে দিলাম সমাজমাধ্যম থেকে।’

    ‘তবে এই পুরো ঘটনায় কয়েকটা বিষয় আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, আমরা অনেক সময়েই পরিস্থিতির তুলনায় নিজেদের অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। তাই মতামতের আদানপ্রদানও চলতে থাকে। আমার পোস্টে একের পর এক নেতিবাচক মন্তব্য দেখে আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম। মনখারাপ হয়ে যাচ্ছে এই ভেবে যে, এখনও এক সম্প্রদায়ের মানুষ অন্যের প্রতি কতটা অসম্মান পুষে রাখেন মনের ভেতর। বার বার আমাকে বলা হল, আমি দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত এলাকার বাসিন্দা। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে নাকি সবটা বিচার করা উচিত। আমার প্রশ্ন, প্রত্যেক মানুষের বাস্তবতার একটা পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। এটা ঠিক, আমার জীবনের সত্যের থেকে হয়তো মুর্শিদাবাদের গ্রামের মানুষের বাস্তবতা আলাদা। হতেই পারে। কিন্তু আমি শুধু আমার সত্যকে সম্বল করে কিছু কথা বলেছিলাম। তাতে কারও সমস্যা হলে, আমার সত্যিই কিছু বলার নেই।’

    ‘কলকাতার যেকোনো বাঙালি শিল্পীর পোস্ট করা গানের নীচে মন্তব্য লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, অর্ধেক যদি এ পার বাংলার বাঙালিদের মন্তব্য আসে, তা হলে বাকিটা ও পারের। আমি এখনও বাংলাদেশে গিয়ে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাইনি। কয়েক বছর আগে ওপার বাংলার আইয়ুব বাচ্চু দমদমে অনুষ্ঠান করতে এসেছিলেন। তার আগে আমি অনুষ্ঠান করি। কিন্তু মনে আছে, তার শো শুরু হওয়ার পর আমি মাটিতে বসে পড়েছিলাম। পরমদা (অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়) সঞ্চালক ছিলেন। পরে তিনিই আমাকে একটা চেয়ারে বসার ব্যবস্থা করে দেন। আমি বলতে চাইছি, তখন আইয়ুব বাচ্চু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন, কোথায় বসছি সেটা নয়।’

    ‘অনেকেই এখন বলেন, শিল্পীরা হলেন ‘সফট টার্গেট’। কোনো জিনিসের ভালো এবং খারাপ— দুই নিয়ে পথ চলায় আমি বিশ্বাসী। আমি নিজেকে সঙ্গীতশিল্পী বলে পরিচয় দিয়ে থাকি। কিন্তু কোনো দিনই নিজেকে তারকা মনে করি না। হয়তো কিছু মানুষ আমাকে চেনেন। শিল্পী হিসেবে মানুষ আমাকে ভালোবাসেন বলে জীবনে অনেক সুবিধাও আমি পাই। সুবিধা যদি হাসিমুখে মেনে নিই, তা হলে অসুবিধাও আমাকে মেনে নিতে হবে।’

    ‘একটা জিনিস স্পষ্ট করে দিই। এই সব কটাক্ষ কিন্তু আমাকে নাড়া দেয়নি। বরং মানুষের প্রতি মানুষের এই ঘৃণা দেখে আমি বিচলিত। কেউ বলতেই পারেন, তা হলে আমি কেন একের পর এক পোস্ট করলাম? আমি কাউকে জবাব দিতে চাইনি। আমার আশপাশের মানুষ যে এতটা অসহিষ্ণু, সেটা ভেবে কষ্ট পেয়েছি। তাই পোস্ট করেছি। ইতিহাস আমি অস্বীকার করছি না। কিন্তু আমার প্রশ্ন, আমরা কি এতটা তীব্র রাগ নিয়েই বেঁচে থাকব? আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও কি এই রাগের উত্তরাধিকার দিয়ে যাব?’

    ‘মানুষ এখন রেগে রয়েছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি তো তাদের আরও মারামারি করতে বলতে পারি না। আমি সেখানে সম্প্রীতির বার্তাই দিতে পারি। সেটাই করেছিলাম। আমি বিশ্বাস করি, ‘এক দিন পৃথিবী আবার শান্ত হবে’। তখন আবার ‘জেমস’ পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠান করতে আসবে। আবার এপার বাংলার শিল্পীরা ওপার বাংলায় অনুষ্ঠান করতে যাবেন। এখন সম্ভব না হলেও গত ন’বছরে আমি যত বাংলাদেশি শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছি, তারা নিশ্চয়ই আমাকে ভুলে যাবেন না। শান্তি ফিরে এলে, তাদের সঙ্গে কাজের সুযোগ হলে আমি নিশ্চয়ই আবার তাদের সঙ্গে কাজ করব। দুই বাংলা আবার একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।’

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতায় তৈরি হচ্ছে গুলশান কলোনি: বিজেপি

    বাংলাদেশিরা নাকি কলকাতায় গুলশান কলোনি তৈরি করছেন। বাংলাদেশিরা হু হু করে ঢুকে পড়ছেন কলকাতায়। কসবার গুলশান কলোনিতে ঘাঁটি গাড়ছেন রোহিঙ্গা মুসলিমরাও। 

    সম্প্রতি বাংলাদেশকে নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছে বঙ্গ বিজেপি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব উপস্থিতি বিজেপির সাংস্কৃতিক সেলের আহ্বায়ক অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তিনিও দাবি করে বলেছেন, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা মুসলমানরা ভারতে ঢুকে পড়ছে।

    অভিনেতা বলেন, ‘এড়িয়ে যাবেন না। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সত্যিটাকে ভয় পান। একটা অপদার্থ রাজ্যসরকার শুধু ক্ষমতা টাকা আর ভোটের লোভে কীভাবে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিয়েছে রাজ্যবাসী আর দেশকে ভাবুন। 

    তিনি বলেন, ২২০০ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ খোলা সীমান্ত দিয়ে হু হু করে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়ছেন অবৈধ বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গা মুসলমানরা। এই রোহিঙ্গাদের মুসলিমপ্রধান রাষ্ট্র পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের দেশ থেকেও তাড়াচ্ছে।

    রুদ্রনীল বলেন, এই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীতে ভরে যাচ্ছে আপনার গ্রাম ও শহর। এতে বাড়ছে তৃণমূলের বেআইনি অবৈধ ভোটব্যাংক। সঙ্গে বাড়ছে আমার দেশ রাজ্যের সর্বনাশ। তৃণমূল নেতারা ও রাজ্য সরকার তাদের বানিয়ে দিচ্ছে ভোটার কার্ড। তিনি বলেন, আসলাম খান হয়ে যাচ্ছে, অসীম খাঁ। সাবিনা হয়ে যাচ্ছে সাবিত্রী চক্রবর্তী। উন্নয়নের ঢেউতে মিশে যাচ্ছে সর্বনাশের বিষ। সব দেখে সব জেনেও চোখকান বন্ধ রেখেছে অনুপ্রাণিত, দলদাস পুলিশ। দখল হচ্ছে আপনার মাটি। দুর্নীতিবাজ তৃণমূলের ভোট আর টাকার লোভে। এই তৃণমূল সরকার আজ বাদে কাল বিদায় নেবে। ততক্ষণে যা সর্বনাশ হওয়ার তা নিশ্চিত সমাপ্ত! সল্টলেক রাজারহাট দক্ষিণ কলকাতা, হাওড়া, মেদিনীপুর,বারাসত, মধ্যমগ্রাম, উঃ ২৪ পরগনাসহ সব বর্ডার জেলা ভরে যাচ্ছে তৃণমূলের অবৈধ ভোটব্যাংকে। অবৈধ ভোটার কার্ড নিয়ে এরা ছড়িয়ে পড়ছে ভারতের সর্বত্র। বিপন্ন আপনি আমি আমাদের দেশ।

    তিনি আরও লিখেছেন—কদিন আগে দক্ষিণ কলকাতার যে কসবা অঞ্চলে (রুবি মোড় / অ্যাক্রোপলিস মলখ্যাত এলাকা) তৃণমূল কাউন্সিলার সুশান্ত গুলি খেতে খেতে বেঁচে গেল, সেই এলাকাতেই এই গুলশান কলোনি/মিনি বাংলাদেশ! (খিদিরপুর তো আগেই মন্ত্রী ববি হাকিম দ্বারা ঘোষিত মিনি পাকিস্তান।) আর এই কসবা বিধানসভার দাপুটে জমিনদার হলেন তৃণমূল মন্ত্রী জাভেদ খান। যার নির্দেশ ছাড়া ওই এলাকায় তৃণমূলের ছোট-বড় নেতা, কাউন্সিলর বা ক্রিমিনালরা সোনার দামের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ে না কাউকে, সেখানে অবাধে বিস্তীর্ণ হয়েছে অবৈধ রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের গুলশান কলোনি! 

    তিনি বলেন, নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন গুলশান শব্দটা এই মাটির চেনা শব্দ নয়! ও হ্যাঁ, এই গুলশান কলোনির অঘোষিত মালিক জাভেদ খান কিন্তু মমতা মন্ত্রিসভার খুব বিশ্বস্ত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী!

    রুদ্রনীল বলেন, দুর্যোগ আপনার-আমার দেশ ও রাজ্যের, ব্যবস্থাপনায় মমতার মন্ত্রী জাভেদ খান। এই বিষধর গুলশন ফুটেছে— একটা নয়,  শত শত। তার বিষ আপনার জন্য।

    এদিকে রুদ্রনীলের সেই স্ট্যাটাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরাও তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন নেটিজেন বলেছেন— বাংলাদেশ নিয়ে তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আরেক নেটিজেন বলেছেন— মুসলমানদের কেন্দ্র করে বিজেপি সবসময় এমন ধর্ম আর গুজবের রাজনীতি করে গেছে। কেউ আবার অভিনেতার শঙ্কার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক