Tag: বাঁধন

  • কেমন জীবনসঙ্গী খুঁজছেন বাঁধন

    বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। গত সোমবার অভিনেত্রীর ৪১তম জন্মদিনে ফের বিয়ে করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। 

    বাঁধন জানিয়েছিলেন, তার মেয়ে সায়রা চায় মায়ের জীবনে কেউ আসুক। সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নতুন করে নতুনভাবে পথচলা শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।

    বাঁধন বলেন, ‘এখন অনেক বেশি মনে করি যে একজন জীবনসঙ্গী থাকতেই পারে।’ 

    কেমন জীবনসঙ্গী চান? সেই বিষয়ে বলেন, ‘জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রে আমাকে আমার মতো যে গ্রহণ করবে, সেই জিনিসটা খুব জরুরি। জীবনসঙ্গী শব্দটা যে বুঝবে, সে রকম কেউ যদি আসে, নিঃসন্দেহে সঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে পথ চলা যাবে।’

    চল্লিশের কোটায় এসেও বিয়ের পরিকল্পনা সামনে আনার কারণ অকপটে তুলে ধরেছেন বাঁধন।

    অভিনেত্রীর কথায়- ৪০ বছর বয়স পার হয়ে গেছে তো, এখন অন্যরকম একটা জীবন লাভ করছি। নতুন জীবনে মনে হয়েছে, একজন সঙ্গী থাকতেই পারে। সঙ্গী ছাড়া তো মানুষ থাকতে পারে না। আমার পুরো জীবনটা সঙ্গী ছাড়াই কেটেছে, অলমোস্ট।

    অতীত নিয়ে আক্ষেপ করে বাঁধন বললেন, ‘বিয়ে হোক বা যাই হোক, আমার জীবনের পথচলায় কখনো সত্যিকারের একজন সঙ্গী পেয়েছি? সব সময় হয় একজন দানব পেয়েছি, না হলে যে আমাকে অত্যাচার করছে এ রকম মানুষ পেয়েছি। আমাকে অ্যাবিউজ করছে এ রকম মানুষই পেয়েছি। তাই ওই অর্থে আমি কোনো জীবনসঙ্গী পাইনি, এটা সত্যি। সব মিলিয়ে এখন মনে হয়েছে, পথচলার একজন সঙ্গী হতেই পারে।’

    ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার সুন্দরী প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন আজমেরী হক বাঁধন। 

    ২০১০ সালে ইলিয়াস কাঞ্চন ও চম্পার সঙ্গে নিঝুম অরণ্যে নামক একটি ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ হয় অভিনেত্রীর। এরপর বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। 

    ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাশরুর হোসেন সিদ্দিকীকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী। বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর একমাত্র মেয়ে মিশেল আমানি সায়রাকে নিয়েই কাটছে অভিনেত্রীর জীবন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়ের বিয়ে খেতে চান বাঁধন কন্যা সায়রা

    ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার সুন্দরী প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন আজমেরী হক বাঁধন। 

    ২০১০ সালে ইলিয়াস কাঞ্চন ও চম্পার সঙ্গে নিঝুম অরণ্যে নামক একটি ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ হয় অভিনেত্রীর। এরপর বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। 

    গত সোমবার ৪১তম জন্মদিন ছিল অভিনেত্রীর। বিশেষ এই দিনে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন এই তারকা। 

    ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাশরুর হোসেন সিদ্দিকীকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী। বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর একমাত্র মেয়ে মিশেল আমানি সায়রাকে নিয়েই কাটছে অভিনেত্রীর জীবন। 

    সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাঁধন বলেন, ‘আমার মেয়ে সায়রা চায়, তার মায়ের জীবনে কেউ আসুক, মা সুন্দর করে জীবনযাপন করুক। মেয়ে বড় হচ্ছে। আমাকে অনেক কাছ থেকে দেখে, ভালোবাসে। আমিও তাকে ভীষণ ভালোবাসি।’

    মেয়ের এমন আবদার বাঁধন আদৌ পূরণ করবেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘আসলে অতীতে এত ভয় পেয়েছি, আমার ওপর দিয়ে এত ট্রমা গেছে; এখনো ভয় কাটেনি। আমার মতো করে যে আমাকে বুঝবে, ভবিষ্যতে সেই আমার পথচলার সঙ্গী হবে।’

    আগামী মাসে শুটিংয়ে ফিরবেন বাঁধন। সানী সানোয়ার পরিচালিত ‘এষা মার্ডার’ সিনেমার কিছু দৃশ্যের কাজ এখনো বাকি। এই সিনেমায় পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে বাঁধনকে দেখতে পাবেন দর্শকেরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাঁধনকে নিয়ে যা বললেন পিনাকী ভট্টাচার্য

    ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছিলেন তিনি। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে।

    অন্যদিকে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে দেশের বাইরে থেকে এক অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে নিজের কিছু মন্তব্য প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী বাঁধনকে নিয়ে। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বাঁধন সাহসী অবদান রাখায় কৃতজ্ঞতাও জানালেন এই অ্যাক্টিভিস্ট।

    বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে পিনাকী উল্লেখ করেন, ‘আজমেরি হক বাঁধনের ওপরে আওয়ামী মহল মহা বিলা। তাকে নিয়ে যা খুশি তাই বলছে। কারণ বাঁধন পক্ষ ত্যাগ করেছে। বাঁধন নৌকার লোক বলে বিজ্ঞাপন করেছিল। আমি আমার ভিডিওতে সেটা দেখিয়ে তাকে গালমন্দও করেছিলাম। বলেছিলাম ইন্ডিয়াতে গিয়ে সিনেমা কর, বাংলাদেশে ঠাঁই হবে না।’

    পিনাকী লেখেন- ‘আওয়ামী সমর্থক এমন অনেকেই লড়াইয়ে সহযোদ্ধা হয়েছিল বলেই হাসিনাকে পালাতে হয়েছে। এই জন্যই ডাবল বিলা বাঁধনের ওপরে। ব্যাপার না, ওরা যত বেশি বিলা হবে বাঁধন ফ্যাসিবাদের বিরোধীদের কাছে তত বেশি আপন হবে।’

    এই অ্যাক্টিভিস্ট লেখেন, ‘জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবের ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণে বাঁধন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছিল। গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। ওই মুহূর্তেই বাঁধন মহৎ হয়ে ওঠে। বাঁধনের জন্য এই কাজটা খুবই কঠিন ছিল। বিপ্লব সফল না হলে বাঁধনকে পরিণতি ভোগ করতে হত। সে দ্বিধা করেনি জনতার পক্ষে দাঁড়াতে।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘ওরা যা খুশি বলুক। ভয় পেয় না, মন খারাপ করিও না। ইতিহাসের সঠিক দিকে থাকার হিম্মত আর সৌভাগ্য সবার হয় না।’

    পিনাকীর এই পোস্টটির নজর এড়ায়নি বাঁধনের। সেই পোস্টের মন্তব্য ঘরে পিনাকীকে ধন্যবাদও জানান বাঁধন, সঙ্গে পোস্টটি নিজের টাইমলাইনেও শেয়ার করেন।  

    তবে পিনাকী ও বাঁধন, একই পোস্টের উভয়ের মন্তব্য ঘরেই নেটিজেনরা অভিনেত্রীর এই অবস্থানের প্রতি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘স্বৈরাচারের চল্লিশায়’ অতিথি বাঁধন

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ৪০ দিন উপলক্ষে ‘স্বৈরাচারের চল্লিশা’ পালন করা হয়েছে। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে আজমল হাসপাতালের গলিতে এ আয়োজন করেন মিরপুরবাসী।

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালান শেখ হাসিনা। তার পতনের ৪০ দিন উপলক্ষে এই চল্লিশা আয়োজনে গরু জবাই ও বিরিয়ানি রান্না করা হয়। একইসঙ্গে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে এলাকাবাসীসহ সবার মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে ও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন এই অভিনেত্রী। আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মো. নাহী, মাসুদুর রহমান, ফারদিন হাসানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাধারণ শিক্ষার্থী, শ্রমিক, দিনমজুর ও এলাকাবাসী।

    আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল অভিনেত্রী বাঁধনকে। ইতোমধ্যে অভিনেত্রীর উপস্থিত হওয়ার একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    চল্লিশার আয়োজক মো. হাবিবুর রহমান জানান, আন্দোলনে এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল, বিশেষ করে আজমল হাসপাতালের গলিতে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে এ এলাকা হয়ে ওঠে এক অভেদ্য দুর্গ ও আন্দোলনকারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল। তাই স্বৈরাচার পতনের চল্লিশতম দিনে আমরা বাঙালি মুসলিমের ঐতিহ্য অনুযায়ী চল্লিশা পালনের মাধ্যমে এলাকাবাসীর অবদানের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তাদের আপ্যায়নের একটা চেষ্টা করলাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কার দাবিতে শিল্পীদের আলটিমেটাম

    টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে এই সংগঠনের নেতৃস্থানীয় শিল্পীদের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়েছেন সাধারণ শিল্পীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে বিবৃতি দেওয়ায় এই সংগঠন থেকে পদত্যাগও করেছিলেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। এছাড়া আলোচিত ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে অভিনয়শিল্পী সংঘের নেতাদের সম্পৃক্ততাও এখন প্রকাশ্য।

    সবমিলিয়ে অভিনয়শিল্পীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের আশু সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন শিল্পীরা। সংগঠনের সদস্য এবং সদস্য নন এমন শিল্পীরা একজোট হয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘের সংস্কারের দাবি তুলেছেন।

    তবে সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘের বর্তমান কমিটির সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইলে তারা সাড়া দেননি, উল্টো সংস্কার চাওয়া শিল্পীদের ‘অ-সদস্য’ বলে বৈষম্য তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ সাধারণ শিল্পীদের।

    এমন পরিস্থিতিতে শনিবার (৭ আগস্ট) সংগঠনের সদস্য এবং সদস্য নন এমন শিল্পীরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, বর্তমান কমিটিকে বিগত দিনের সব ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে কার্যনির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করতে হবে। এরপর নতুন নির্বাচন করতে হবে। এসব দাবি মেনে নেওয়ার জন্য ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা।

    শিল্পীদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-ইন্তেখাব দিনার, আজমেরী হক বাঁধন, এফ এস নাঈম, নাদিয়া আহমেদ, নাজিয়া হক অর্ষা, শ্যামল মাওলা, সুষমা সরকার, কাজী নওশাবা আহমেদ, মৌসুমী হামিদ, খায়রুল বাসার, শরিফ সিরাজ, মনোজ প্রামাণিক, সোহেল মন্ডল, আরেফিন জিলানী সাকিব, সিয়াম নাসির, ইমরান হাসো প্রমুখ।

    এ সময় অভিনেতা সোহেল মন্ডল বলেন, ‘আমরা কথা বলতে চাই। কীভাবে শিল্পীদের চলমান ক্রান্তিকাল কাটিয়ে নতুন রূপ রেখা দেওয়া যায় তা নিয়ে ভাবছি। সার্বিক পরিস্থিতি থেকে কথা বলতে চাই। নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছাতে চাই। সদস্য এবং অ-সদস্য এই বৈষম্য আর রাখতে চাই না। সকল শিল্পী এক। আমাদের সঙ্গে সংঘের সদস্যরাও সাড়া দিয়েছেন।’

    মনোজ প্রামাণিক বলেন, ‘শিল্পীদের এক হওয়ার কারণ একটাই, দেশে এই সময়টা যা যা ঘটে যাচ্ছে তার জন্য আমরা অনেক বেশি ব্যতীত। কিছু শিল্পীর আচারণ এবং তাদের কথাবার্তা অমানবিক। যা শিল্পী সমাজের জন্য লজ্জার। সেই দায় সকল শিল্পীকে নিতে হচ্ছে। অপরাধ না করেও এই দায় আমরা কেন নেব। আমরা সংস্কার চাই।’

    এ প্রসঙ্গে শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে আমরা অবগত না। আমরা সদস্যদের সঙ্গে বসতে প্রস্তুত। আমরাও বৈষম্য চাই না। ব্যক্তিগত ক্ষোপ থাকতেই পারে সেই দায় সংগঠনের না। সংগঠন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৮ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করে অভিনয়শিল্পী সংঘের বর্তমান কমিটি। তবে মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও নতুন নির্বাচনের কোনো তাগিদ নেই সংঘের নেতাদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী বাঁধনের ‘আসল পরিচয়’ ফাঁস! 

    আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন তিনি। আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও ছিলেন সরব। আন্দোলনের সময় কখনো তাকে ফার্মগেট, কখনো শাহবাগ আবার কখনো শহিদ মিনারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে তাকে দেখা গেছে। 

    বাঁধন ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিলেও তাকে নিয়ে চলছে না আলোচনা সমালোচনা। সমালোচনাকারীরা বলছেন, অভিনেত্রী বাঁধনকে আন্দোলনে দেখা গেলেও তিনি আসলে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সরকারের সুবিধভোগী ছিলেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন এই অভিনেত্রী। তবে পট পরিবর্তনের হাওয়া বুঝতে পেরে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই। 

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সঙ্গে একাধিক ছবিতে বাঁধনকে দেখা গেছে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও নওফেলের সঙ্গেও তাকে দেখা গেছে। তাছাড়া সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও তারানা হালিমের সঙ্গেও বাঁধনকেও দেখা গেছে। 

    শুধু তাই নয়, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন এই অভিনেত্রী। ২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলামের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন বাঁধন। তাছাড়া শেখ হাসিনার সরকারের রাষ্ট্রীয় একাধিক অনুষ্ঠানেও দেখা গেছে বাঁধনকে। 

    আবার কখনো বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও ভিপি নুরুল হক নুরের সঙ্গেও দেখা গেছে বাঁধনকে।    

    বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করার কারণে এই অভিনেত্রীকে সুযোগ সন্ধানী হিসেবে মনে করছেন অনেকেই।  এখন, নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন, দ্বাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করা বাঁধন কেন আওয়ামী লীগের বিপক্ষে অবস্থান নিলেন? 

    সম্প্রতি মুজিব একটি সিনেবার ব্যয় নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন বাঁধন।  তিনি বলেছেন, কোটি কোটি টাকা বাজেট নিয়ে টাকাগুলো কোথায় গেল? এতে নতুন করে আবার আলোচনায় এসেছেন আজমেরী হক বাঁধন।   

    এদিকে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচারের দাবিতে শেকলবাঁধা পদযাত্রা কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন বাঁধন। 
    তবে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় গণমাধ্যমকে বাঁধন বলেছিলেন, ‘আমি যেদিন থেকে ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনে মাঠে নামি, ওই দিন থেকেই আমাকে ফোনে, খুদে বার্তায়, ফেসবুকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল। অ্যাসিডও মারতে চেয়েছে। আমি ভয় পাইনি। 

    তিনি আরও বলেন, বলতেও খুব খারাপ লাগে, সহশিল্পীদের মধ্যে অনেকের সঙ্গে আমার কাজও হয়েছে, তারা ছাত্রদের পক্ষে মাঠে তো ছিলেনই না, উল্টো আমাকে ভয় দেখিয়েছেন, ব্যঙ্গবিদ্রূপ করেছেন।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ছাত্রদের আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় আমাকে হত্যার  হুমকি দেয়’

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শুরু থেকেই সরব ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে সরব ছিলেন তিনি। 

    rnrn

    ছাত্র-জনতার তোপের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও থেমে নেই বাঁধন। নিপীড়িত মানুষের হয়ে কথা বলে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

    rnrn

    তিনি জানিয়েছেন, ‘ছাত্রদের আন্দোলনে নামার পরে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।’

    rnrn

    এবার ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের প্রতিবাদ এবং অপরাধীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে নামার আহ্বান জানালেন বাঁধন। ‘শেকল ভাঙার পদযাত্রা’য় অংশ নেওয়ার জন্য সকল নারীদের আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শাহবাগে নারীদের অংশগ্রহণে এই পদযাত্রাটি যাবে সংসদ ভবনের অভিমুখে।

    rnrn

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নারীরা ‘শেকল ভাঙার পদযাত্রা’য় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ১৩টি দাবি উপস্থাপন করবেন। বিগত সরকারের আমলে নিপীড়িত, নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচারকার্য দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করার দাবিও তোলা হবে। শুধু তাই নয়, এই পথযাত্রায় দেশের সকল নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও তোলা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • একের পরে এক ‘হুমকি’ নিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী বাঁধন

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। আন্দোলনরত ছাত্র আবু সাঈদের মৃত্যুর পরই রাস্তায় নেমেছিলেন অভিনেত্রী। শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে যে আন্দোলন হয়েছিল, সেখানেও যোগ দিয়েছিলেন বাঁধন। 

    rnrn

    আর এজন্যই নাকি একের পরে এক খুন ও অ্যাসিড মারার হুমকি পেয়েছেন তিনি। সোমবার নিজের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক ভিডিওতে সেই অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন বাঁধন।

    rnrn

    ছাত্রদের ওপর চালানো গুলির ঘটনার পরের দিনই ফেসবুক প্রোফাইলের ছবি ব্ল্যাক করে দিয়েছিলেন বাঁধন। তারপর থেকেই নাকি নানা ধরনের বার্তা আসতে থাকে তার কাছে। 

    rnrn

    বাঁধন বলেন, ‘ফেসবুকে প্রোফাইল ও কভার ফটোর কালার কালো করার পরেই বলা হতে থাকে, আমি সরকারের বিরুদ্ধে। এর পর আমি একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বলি, নাগরিক হিসেবে আমি এ দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এটা লেখার পর থেকে নানা মহলের ফোন পাই। আমাকে এ নিয়ে বেশি কথা বলতেও নিষেধ করা হয়।’

    rnrn

    এর পরেও গত ১ আগস্ট রাজপথে নামেন বাঁধন। তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় তখন। ভিডিওতে বাঁধন বলেন, ‘বলা হয়েছিল, আমাকে গ্রেফতার করা হবে, কারণ আমি রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজ করেছি। এগুলো বলেও যখন লাভ হচ্ছিল না, তখন বলা হয় আমাকে গুলি করা হবে। এমনও বলা হয় যে, আমাকে অ্যাসিড ছুড়ে মারা হবে। আমি তো অভিনয় করি। তাই আমাকে মেরে ফেলে কোনো লাভ হবে না! বরং অ্যাসিড ছোড়ার কথা বললে আমি হয়তো ভয় পাব। এমনকি এও বলা হয়েছে যে, রাস্তায় আমাকে পোশাক খুলে উলঙ্গ করে দেওয়া হবে, আমার বাড়িতে হামলা করা হবে।’

    rnrn

    এসব হুমকির পরই বাড়ির নিরাপত্তা বাড়িয়েছেন বলেও জানান বাঁধন। 

    rnrn

    এদিকে এতসব বিপদ দেখেও বাঁধনকে আন্দোলনে শামিল হতে বলেন তার বাবা। অভিনেত্রীর কথায়, ‘বাবা বলেন যে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমার থাকা উচিত। কিন্তু হুমকি আসার পর থেকে বাবাও ভয় পেয়েছিলেন। মা এবং আমার মেয়ে খুব কান্নাকাটি করেছিল। ৪ আগস্ট কারফিউ শুরু হওয়ার পর রাতে আমি নিজেও অনেক কান্নাকাটি করেছিলাম। ভেবেছিলাম, তিনি (শেখ হাসিনা) হয়তো সবাইকে মেরে ফেলবেন, কিন্তু নিজে পালাবেন না।’

    rnrn

    মা-বাবা ভয় পাওয়ায় বোরকা পরে বের হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমাকে চিনতে পারলে তো আমার ওপর হামলা করবে। তাই ৫ আগস্ট বোরকা পরে অনেকটা দূর পর্যন্ত চলে যাই। রাস্তায় নেমে দেখি লাখ লাখ মানুষ। তখন বুঝতে পারি, ওরা  আর মানুষকে কিছু করতে পারবে না। তার কিছুক্ষণ পরেই তো আমরা সবটা জানতে পারি। সেনাপ্রধান বক্তব্য রাখেন। আনন্দে বোরকা খুলে পতাকা জড়িয়ে ধরি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কন্যা সায়রার পূর্ণ অভিভাবকত্ব পাওয়ার লড়াইয়ে অভিনেত্রী বাঁধন

    ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাশরুর সিদ্দিকীর সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। কিন্তু দাম্পত্যজীবনের মাত্র চার বছর পরই ভেঙে যায় সেই সংসার। এরপর থেকে একমাত্র মেয়ে মিশেল আমানি সায়রাকে নিয়ে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে থাকছেন এই অভিনেত্রী।

    তবে বিচ্ছেদের পর  থেকে লড়ছেন সন্তানের পূর্ণ অভিভাবকত্ব পাওয়ার জন্য। এ লক্ষে অবশ্য এক ধাপ এগিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    গত সোমবার নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব নির্ধারণে নীতিমালা প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

    আরও পড়ুন:

    আরও পড়ুন:

    মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে এই কমিটিকে নীতিমালা দাখিল করতে। 

    আজ থেকে ছয় বছর আগে কন্যা মিশেল আমানি সায়রার অভিভাবকত্ব পেয়েছিলেন বাঁধন।  এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, আইনটা পরিবর্তনের একটা প্রক্রিয়া শুরু হলো, এটা সবচেয়ে আনন্দের। যারা আপিল করেছেন, তাদের সাধুবাদ জানাই। আমার অর্জনটা শুধু আমারই থাকুক, তা চাই না। আমি চাই, বাংলাদেশের সব মেয়ের অধিকার থাকুক তার সন্তানের ওপর।’

    বাঁধন বলেন, বাচ্চাটাকে কাছে রাখতে চেয়েছি, যেহেতু ওর সব ভরণপোষণ আমিই করতাম। তাহলে আমি কেন তার অভিভাবক হতে পারব না। বাচ্চার বাবা কোনো দায়িত্ব পালন করেননি। আদালতে সেটি প্রমাণিত হয়েছে। তাই আমাকেই দেওয়া হয়েছিল।

    আইন সম্পর্কে তিনি বলেন, উনি (আইনজীবী সারা হোসেন) কিন্তু উল্লেখ করেছেন, সাধারণত মাকে কাস্টডি দেওয়া হয়, শারীরিক জিম্মা যেটাকে বলে। বাবা বেঁচে থাকতে মাকে অভিভাবকত্ব দেওয়া হয় না। যদি বাবা না পান, সে ক্ষেত্রে দাদা-চাচা, এমনকি নানা-মামারা অভিভাবকত্ব পান। অনেক পরে আসে মায়ের নাম। যে কারণে আমারটা ব্যতিক্রমী একটা রায় ছিল। আমাদের প্রচলিত আইনে একটা লুপ হোল কিন্তু আছে, মাকে অভিভাবকত্ব দেওয়া যাবে, তবে যে শর্তগুলো পূরণ করতে হবে, সেটা খুবই কঠিন। কাস্টডি আর অভিভাবকত্ব এক নয়। অভিভাবকত্ব পুরো ভিন্ন একটা বিষয়। আমাদের আইনে বাবা ন্যাচারাল গার্ডিয়ান, অভিভাবকত্বের প্রশ্নে দূরদূরান্ত পর্যন্ত মায়ের অস্তিত্ব নেই আসলে। এসব জায়গায় অনেক সংশোধনী আনা প্রয়োজন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুলিশ অফিসারের পর এবার ইউএনও হলেন বাঁধন

    নানা রকম চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করে চলেছেন রেহানা মরিয়ম নূর খ্যাত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি ‘এষা মার্ডার’ নামে একটি সিনেমায় পুলিশ অফিসার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। 

    আরও একবার সরকারি কর্মকর্তার ভূমিকায়। এবার বাঁধন উপজেলা নির্বাহী অফিসার-ইউএনওর চরিত্রে।

    সম্প্রতি টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়িতে গিয়ে শুটিং শেষ করেছেন। মাস্টার নামের সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত। সিনেমায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) চরিত্রে দেখা যাবে বাঁধনকে। চরিত্রটি ভালো মতো ফুটিয়ে তোলার জন্য তিনি সচিবালয়ে গেছেন, অফিসারদের কাজ দেখেছেন, ভিডিও ফুটেজ দেখেছেন এবং পরিচালকের সহযোগিতাও নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: 

    বাঁধন জানিয়েছেন,‘মাস্টার’ সিনেমার প্রধান চরিত্র কিন্ত নাসির ভাই করেছেন। গল্পটা দুর্দান্ত, এক কথায় অসাধারণ। এত ভালো গল্প যা বলে শেষ করার নয়। বারবার মনে হয়েছে এটার অংশ হতে চাই।
    বাঁধন আরও জানান, ইউএনও চরিত্রে প্রথমবার অভিনয় করেছি। দর্শকদের সিনেমাটি ভালো লাগবে। সত্যি কথা বলতে খুফিয়া করার পর মনে হয়েছে আরও একটি ভালো কাজ করলাম। এই সিনেমায় অনেক শিল্পী অভিনয় করেছেন। সবাই খুব ভালো করেছেন।

    পরিচালক সুমিত সম্পর্কে বাঁধন বলেন, সুমিত অসম্ভব ভালো একজন পরিচালক। এত ঠান্ডা মাথায় কাজ করেন, যা মুগ্ধ করে সব শিল্পীকে। তাছাড়া অসম্ভব ভদ্র ও বিনয়ী মানুষ তিনি।

    মাস্টার সিনেমার শুটিং করার জন্য বাঁধন বেশ কয়েকটি দিন থেকেছেন মধুপুরের ব্র্যাকের লার্নিং সেন্টারে।

    তিনি বলেন, ওখানকার পরিবেশটা সুন্দর। এত ভালো পানি, এত ফ্রেশ খাবার এবং চারদিকে সবকিছু সবুজ। মনটাই অন্যরকম ভালো ছিল কয়েকটি দিন।

    বাঁধন আরও বলেন, মধুপুরে গিয়েছি। প্রতিদিন সবাই মিলে আনারস খেয়েছি। ভ্যানগাড়িতে ঘুরেছি শুটিংয়ের অবসরে। আনারস বাগান দেখে মন ভরে গেছে। আনারস বাগান ছাড়াও জাতীয় উদ্যানে গিয়েছি। এছাড়া ধনবাড়ি থেকে শাড়ি কিনেছি। টাঙ্গাইলের বিখ্যাত শাড়ি। মধুপুর থেকে রূপার গয়না কিনেছি।

    বিনোদন ডেস্ক