Tag: ফেসবুক পোস্ট

  • ‘এই পরিবর্তন শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য’ জানালেন লুবাবা

    বহুল আলোচিত-সমালোচিত শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা। শোবিজ জগতের চাকচিক্য জীবন ছেড়ে এবার হাঁটছেন শান্তির পথে। বহুদিন ধরেই নিজেকে এনেছেন ইসলামের ছায়াতলে। সম্প্রতি (রোববার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়ে নিজের সেই পরিবর্তনের কথাই জানালেন লুবাবা। 

    পোস্টে লুবাবা লিখেছেন, আমার এই পরিবর্তন এক বছরের মতো। আমি অনেক ভিডিওতে বলেছি, ‘দিস চেইঞ্জ জাস্ট ফর আল্লাহ’, লোক দেখানো না। আমি যেই ব্রান্ডগুলোর সঙ্গে কাজ করি তারা জানেন, যদি কখনো কাজের মাঝে নামাজের সময় হয়, আমি আগে নামাজ শেষ করি, তারপর কাজ করি। 

    তার কথায়, যেই ব্রান্ডগুলো আমাকে এই লুকে নিয়ে কাজ করতে রাজি হয়, আমি জাস্ট ওইসব ব্রান্ডের হয়েই কাজ করছি। আর আমি নিজেকে সামনে একজন ইসলামিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তৈরি করবো। যদি এটা নাও পারি, আমি এই মিডিয়া থেকেও একদিন লিফট নেব। আমি চাই না আমার থেকে কেউ খারাপ শিক্ষা নিক।

    অভিযোগ তুলে ১৪ বছরের এই তারকা আরও লিখেছেন, ‘আমি অনেক ছোট্ট একটি মেয়ে। এই আলো ঝলমলে লাইফ থেকে আজ আমি নিজেকে অনেক চেইঞ্জ করেছি। কিন্তু গুটি কয়েক মানুষ আমার পেছনে লেগেই আছে। যখন যা মন চায় আমাকে নিয়ে মিথ্যা বলে বেড়ায়। আমি সবসময় ইগনোর করে যাই। মাঝে মধ্যে বাধ্য হই কিছু লিখতে।’ 

    বিনয়ী লুবাবার ভাষায়, তাও আমার ভুল হলে আমাকে মাফ করবেন। আর আমাকে প্লিজ আমার মতো হয়ে চলতে দিন। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার লাইফ নিয়ে ভালো আছি।

    পোস্টের শেষদিকে বলেন, ‘ভুলে যাবেন না, এই দুনিয়া অস্থায়ী। একদিন আপনাকেও, আমাকেও, আমাদের সবাইকে নিজেদের কর্মের ফল ভোগ করতে হবে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করেন।’

    সিমরিন লুবাবা মূলত প্রয়াত অভিনেতা আব্দুল কাদেরের নাতনি। দাদার অনুপ্রেরণায় খুব ছোট বয়সেই শোবিজে পা রাখে ছোট্ট লুবাবা। সেই থেকে শিশুশিল্পী হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি। নিয়মিতই কাজ করে যাচ্ছে বিজ্ঞাপন, নাটক ও সিনেমায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘এখন যারা অন্যায় করবে তাদের ফলও ভালো হবে না’

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শুরু থেকেই সরব ছিলেন সংগীত ব্যক্তিত্ব প্রিন্স মাহমুদ। সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনের সময়ে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত দিয়েছেন তিনি। এছাড়া রাজপথেও দেখা গেছে তাকে। এবার নতুন এক পোস্টে প্রিন্স মাহমুদ বলেছেন, ক্ষমতা পেয়েছে মনে করে এখন যারা অন্যায় করবে তাদের ফলও ভালো হবে না।

    rnrn

    আজ শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘সাবধান হও। অতীত থেকে শিক্ষা নাও। ভুইলো না, ক্ষমতা চোখে ঢাকনি পরায় দেয়। কান মোহর করে দেয়।’

    rnrn

    প্রিন্স মাহমুদ তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘দখলের লোভ বড় নাছোড়বান্দা। মুখে বলবা রাস্তা ছেড়ে যাব না, আর অন্যায় করে আগামীর আরাম-আয়েশের জিন্দেগি বেছে নিবা, সেই চিন্তা স্বপ্নেও মাথায় এনো না। কে কী অবস্থায় আছো, সব ছবি তোলা আছে। তোমাদের আত্মীয়স্বজনকেও সাবধান করো। এটা দখল, ওইটা দখল, চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলো। চোখ-কান খোলা রাখো।’

    rnrn

    সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রিন্স মাহমুদ যোগ করেন, ‘কোনোভাবেই কোনো প্ররোচনায় আইন নিজের হাতে তুলে নিবা না। হিংসা ও প্রতিহিংসার পশু প্রবৃত্তিকে উসকে দিয়ে শয়তান মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে পৃথিবীকে অগ্নিকুণ্ডে পরিণত করে, প্রমাণিত হইছে। আর না…আর না। দেশপ্রেম কিন্তু হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না। ভুলবে না, নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাই দেশপ্রেম। দেশের প্রয়োজনে রাস্তায় থাকবে, ন্যায়ের পক্ষে থাকবে…।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আপনি আর বার্তা দিয়েন না আপা, আপনি নিজ পরিবার ছাড়া কাউকে ভালোবাসেন না’

    তীব্র জনরোষের মুখে দীর্ঘদিন সময় ধরে রাখা ক্ষমতা ছেড়ে দেশত্যাগে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। আশ্রয় নেন দিল্লীতে। এরই মধ্যে ১৭ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। যার প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। 

    এমন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বার্তা দিলেন জনপ্রিয় সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। সম্প্রতি শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিয়েছেন বার্তা। 

    তার এই বার্তা ভাইরাল হওয়ার পর প্রিন্স মাহমুদ সামাজিক মাধ্যমে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে নিজের তিক্ত অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
    ফেসবুকে এক পোস্টে প্রিন্স লিখেছেন, আপনি আর কোনো বার্তা দিয়েন না আপা, আপনি নিজ পরিবার ছাড়া কাউকে ভালোবাসেন না। আপনার দম্ভ, জিদ, অহংকার বাংলাদেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রেখে গেছে। আপনি আমাদের মৃত্যুকূপের মধ্যে ফেলে দিয়ে গেছেন। আপনি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধায় দিয়ে গেছেন। আপনার কান্না এখন ‘কুমিরের কান্না’ লাগে। আপনাকে বিশ্বাস করি না। আর কথা বইলেন না, আর না।

    পোস্টের মন্তব্যের ঘরে প্রিন্স মাহমুদ আরও লিখেছেন, নতুন প্রজন্মের হাতে দেশকে সমর্পণ করেছি বার্তা দেন, ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আর খেলবেন না।

    শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেমন নিয়মিত বার্তা দিয়েছেন, আবার রাজপথে নেমেও প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভক্তদের মনে ‘কষ্ট দিয়ে’ ক্ষমা চাইলেন ফারিন

    শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে মাঠে নেমেছেন দেশের বিনোদনজগতের অনেক শিল্পী-কলাকুশলী। তবে এতদিন এই বিষয়ে মুখ খোলেননি জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন। সেজন্য ‘ক্ষমা’ চেয়ে গতকাল ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্ট করেছেন তিনি।

    শনিবার (৩ আগস্ট) রাতে দেওয়া সে দীর্ঘ পোস্ট নিজের ‘ব্যর্থতা’ শিকার করে ফারিন লিখেছেন, ‘এতগুলো দিন পার হয়ে যাওয়ার পর আমার কিছু বলা বা না বলাতে কিছু আসে যায় না। তবু মনে হচ্ছে, আমার চুপ থাকাটাকে নিজের কাছে নিজের সহ্য হচ্ছে না। আমি আমার নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে নীরব ছিলাম। সাহসের অভাবে নীরব ছিলাম। নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে পারিনি। এ ব্যর্থতার দায় সম্পূর্ণ আমার।’

    তবে এখন সে ‘ভয়’ কেটে গেছে জানিয়ে ফারিন যোগ করেন, ‘আজকে (শনিবার) যখন হাজার হাজার মানুষ নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে শহীদ মিনারে জড়ো হলো ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদে, তখন নিজের বাসায় বসে নিজের নিরাপত্তার কথা ভাবাটাই হাস্যকর।’

    আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের আসল তারকা উল্লেখ করে তাদের কাছে অনেক কিছু শেখার আছে বলে মনে করছেন এই অভিনেত্রী, ‘কারও কোনো সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়া আপনারা সাধারণ মানুষ, যারা এত সুন্দর করে দেশ সংস্কারের কাজ করে যাচ্ছেন, তারাই আসল সেলিব্রিটি। আমার মতো স্বার্থপর মানুষদের অনেক কিছু শেখার আছে আপনাদের থেকে। হয়তো একদিন আপনাদের মতো আমারও সাহস হবে।’

    স্ট্যাটাসের শেষভাগে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ফারিন লিখেছেন, ‘আপনাদের মনে কষ্ট দিয়েছি। আমি ক্ষমাপ্রার্থী। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে চাই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক। কেউ পারলে আপনারাই পারবেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিটিভি ভবনে যাওয়া শিল্পীদের ধুয়ে দিলেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান

    তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাল প্রোফাইল ছবি দিয়েছেন। একইসঙ্গে সমালোচনা করেছেন বিটিভি ভবন পরিদর্শনে যাওয়া শিল্পীদের একাংশের।

    শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডি এবং পেজে প্রথমে যমুনা টিভির একটি কার্ড শেয়ার করে সে শিল্পীদের সমালোচনা করেন সাদিয়া আয়মান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেছিলেন, ‘বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’ কার্ডটি শেয়ার করে সাদিয়া লিখেছিলেন, ‘শেম অন ইউ গাইজ।’

    নিজের সে মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে শুক্রবার রাত ৯টার কিছু সময় পর দেওয়া এক পোস্টে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এতোগুলো ছাত্র, ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন?’

    ক্ষোভ জানিয়ে সে পোস্টে সাদিয়া আরও লিখেছেন, ‘কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।’

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সংসদ সদস্য এবং অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, সোহানা সাবাসহ আরও কয়েকজন শিল্পী বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কার উদ্দেশে মধ্যরাতে ওমর সানীর রহস্যময় পোস্ট

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের দর্শকপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। বর্তমানে অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বেশ সরব। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাকে। এবার মধ্যরাতে ফেসবুকে এক রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়ে ফের আলোচনায় তিনি।

    সোমবার মধ্যরাতে নিজেরে ভেরিফাইড ফেসবুকে এক রহস্যময় পোস্ট দিয়েছেন তিনি। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আজকে আমি কোর্টে যাচ্ছি, তোরে আমি…।’

    এমন রহস্যময় স্ট্যাটাস দেওয়ার পরই নেটিজেনরা তাকে বিভিন্ন প্রশ্নে জর্জরিত করছেন। অনেকের প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন তিনি। কারও ওপর রেগেও যেতে দেখা গেছে জনপ্রিয় এ অভিনেতাকে।

    মো. মুকসাদুল হাসান নামে একজন ওমর সানীর স্ট্যাটাসের কমেন্টে লিখেছেন, ‘ডিভোর্স দিয়ে দিলেন নাকি’। রিপ্লাইয়ে ওমর সানী লিখেছেন, ‘কাকে ভাই তোমার ওয়াইফ’।

    মোহাম্মদ আলাউদ্দিন নামে একজন লিখেছেন, ‘এত রাতে কোর্ট বন্ধ… মাথা ঠান্ডা করুন ভাইজান’। রিপ্লাইয়ে ওমর সানী লিখেছেন, ‘১২টার পর সকালের কথা বলা হয় বুইঝা কথা বললেন বোকা।’ 

    আসিফ বাবু নামে আরেকজন লেখেন, ‘কে সেই আসামি ভাই?’ রিপ্লাইয়ে ওমর সানী লিখেছেন, ‘তুমি তুমি’।

    নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রে দাপুটে অভিনেতা জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। ১৯৬৯ সালের ৬ মে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। চলচ্চিত্রে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে যিনি জয় করে নিয়েছেন কোটি দর্শক হৃদয়। পরিবারের উৎসাহ আর বাবার অনুপ্রেরণায় রুপালি দুনিয়ায় পথচলা শুরু করেন সানী। ১৯৯২ সালে নুর হোসেন বলাইর এই নিয়ে সংসার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র শিল্পে অভিষেক ঘটে। ১৯৯৪ সালে দিলীপ বিশ্বাসের ‘দোলা’ চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অবশেষে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস হতে পেরে ধন্য!’

    মাথায় অফ হোয়াইট পাগড়ি। গলায় মুক্তার মালা। আর পরিণীতি পরেছিলেন বেইজ রঙের লেহেঙ্গা। দিদি প্রিয়াংকা চোপড়ার মতোই মাথায় লম্বা ওড়না বা ভেইল।
    বিয়ের পর সোমবার সকালে প্রথমবার জুটিতে ধরা দিলেন রাঘব-পরিণীতি। 

    বিয়ের ছবি শেয়ার করে পরিণীতি লিখেছেন, ‘সকালের নাশতার টেবিলের প্রথম আড্ডা থেকেই আমাদের হৃদয় জানত এই দিনটির জন্য কতই না অপেক্ষা করলাম; অবশেষে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস হতে পেরে ধন্য! একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারতাম না, এখন থেকে আমাদের চিরকালের জার্নি শুরু হলো।’

    শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বোন প্রিয়াংকা চোপড়াও। কাজের জন্য বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারেননি বলিউড অভিনেত্রী। ছবির মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন— ‘আমার আশীর্বাদ আছে সব সময়।’

    পড়ন্ত সূর্যকে সাক্ষী রেখে রাজস্থানের উদয়পুরের পিচোলা হ্রদের তীরে অবস্থিত তাজ লীলা প্যালেসে রূপকথার বিয়ে সেরেছেন রাঘব-পরিণীতি। গোধূলিবেলায় ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’র ‘কাবিরা’ গানে বিদায় হলো নববধূ পরিণীতির।

    এদিন পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে চার হাত এক হলো দুজনের। 

    বলিউডের জনপ্রিয় ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রার ডিজাইনের পোশাক পরে রাঘবের সঙ্গে সাতপাক ঘুরলেন অভিনেত্রী।

    বিয়ে শেষে উদয়পুরের এই সাত তারা হোটেলেই বসেছে রাঘব-পরিণীতির রিসেপশনের আসর। সেখানে গোলাপি রঙা শিমারি শাড়ি আর ডিপ কাট ব্লাউজে ফ্রেমবন্দি পরিণীতি। হাতে গোলাপি রঙের চূড়া আর সিঁথি রাঙানো রাঘবের নামের সিঁদুরে।

    উদয়পুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল একটি ‘ওয়েলকাম লাঞ্চ’-এর মাধ্যমে। তার পরে গায়েহলুদ, সংগীত ও মেহেন্দি। রাঘব ও পরিণীতির সংগীতের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন গায়ক নবরাজ হংস। 

    সংগীতের অনুষ্ঠানের জন্য নব্বইয়ের দশকের নস্টালজিয়া জড়ানো থিম পার্টির আয়োজন করেছিলেন হবু দম্পতি। সেই পার্টিতেই ছিল ম্যাগি ও ক্যানডি ফ্লসের কাউন্টারও।

    আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য উপহারে ছিল গানের ক্যাসেট। সেই ক্যাসেটের প্লে লিস্ট নাকি তৈরি করেছিলেন পরিণীতি নিজে। 

    অন্যদিকে রাজনীতিক পাত্রের পক্ষে বরযাত্রীর দলে শামিল হয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ভগবন্ত সিংহ মানের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। উপস্থিত ছিলেন শিবসেনা নেতা আদিত্য ঠাকরেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বয়স নিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা লিখেন শ্রীলেখা

    নিজের জন্মদিনে ছোটবেলার তিনটি ছবি পোস্ট করে শ্রীলেখা লিখেছিলেন- ‘একসময় রোগা ছিলাম, শুভ জন্মদিন।’

    টালিগঞ্জের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র জন্মদিনের পরদিন ফেসবুক পোস্টে লিখেন- ‘শুনলাম, নায়িকাদের নাকি বয়স বাড়ে না। কেন, তারা কি অন্য গ্রহের প্রাণী?’

    অকপটে জানালেন নিজের বয়সটাও, ‘আমি তো ৫০ পূর্ণ করে ৫১ বছরে পা–হাত, মাথা, শরীর মন দিলাম, যদিও মনের বয়স ১৫। এই বয়সকে উপভোগ করে যেতে হবে।’

    এবারের জন্মদিনটা গৃহবন্দি অবস্থায় কেটেছে শ্রীলেখার। ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসা চলছে তার। 

    ‘ওয়ানস আপন অ্যা টাইম ইন কলকাতা’, ‘আশ্চর্য প্রদীপ’সহ বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাতা হিসেবেও নাম লিখিয়েছেন শ্রীলেখা। তার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এবং ছাদ’ নিয়ে ঢাকায়ও এসেছিলেন তিনি। এর আগে ‘বেটার হাফ’ নামের আরেকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

    শ্রীলেখা মিত্রের পূর্বপুরুষের বসত ছিল বাংলাদেশের মাদারীপুরের ঘটমাঝি গ্রামে। দেশভাগের সময় ভারতে পাড়ি জমিয়েছেন তারা। শ্রীলেখার জন্ম ভারতে হলেও বাবার মুখে ঘটমাঝি গ্রামের গল্প শুনে বেড়ে উঠেছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক