Tag: ফেরদৌস আরা

  • আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হলেন ফেরদৌস আরা

    আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন নজরুল সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। ১৯তম চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস ২০২৪ অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সোমবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলের আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে সংগীতের ১৯টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদেরও পুরস্কার দেওয়া হয়। 

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা, সংগীতজ্ঞ শেখ সাদী খান, ইমপ্রেস চ্যানেল আই এর পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, পরিচালক জহিরউদ্দিন মাহমুদ মামুন, রন্ধনবিদ কেকা ফেরদৌসী, শিল্পী রেবেকা সুলতানা, এম এ মান্নান, সালাউদ্দিন আহমেদ, ফেরদৌস ওয়াহিদ, রফিকুল আলম, মো. খুরশীদ আলম, প্রকল্প পরিচালক রাজু আলীমসহ প্রবীন-নবীন তরুণ প্রজন্মের সব খ্যাতিমান শিল্পীরা। 

    সংগীত পরিবেশন করেন শফী মন্ডল, ফেরদৌস ওয়াহিদ, সাগর বাউল, কোনাল, নুসরাত ইমরোজ তিশা, তরিক মৃধা, শারমিনসহ সেরাকণ্ঠ ক্ষুদে গানরাজের শিল্পীরা। 

    ১৯টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- আধুনিক গান-শ্রেষ্ঠ শিল্পী কর্ণিয়া, ইউটিউবে কমপক্ষে ১ লাখ বার ভিউ এবং কমপক্ষে ১৫০০ লাইক প্রাপ্ত গান থেকে আধুনিক গানের শ্রেষ্ঠ শিল্পী ক্যাটাগরিতে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন শারমিন রমা, আধুনিক গান-শ্রেষ্ঠ সুরকার মেহেদী, আধুনিক গান-শ্রেষ্ঠ গীতিকার লালন লোহানী, শ্রেষ্ঠ ব্যান্ড আর্টসেল, শ্রেষ্ঠ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আরিফ আল হক, শ্রেষ্ঠ দ্বৈত সংগীতশিল্পী সাব্বির জামান ও আফরোজা রুপা, শ্রেষ্ঠ লোকসংগীত শিল্পী (পল্লীগীতি ও মরমী) তরিক মৃধা, ইউটিউবে কমপক্ষে ১ লাখ ভিউ এবং কমপক্ষে ১৫০০ লাইকপ্রাপ্ত গান থেকে লোকসংগীত ক্যাটাগরিতে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন সাব্বির নাসির। 

    ছায়াছবির গান-শ্রেষ্ঠ শিল্পী রিয়াদ চলচ্চিত্র ঈশ্বর, ইউটিউবে কমপক্ষে ১ লাখ ভিউ এবং কমপক্ষে ১৫০০ লাইক প্রাপ্ত গান থেকে ছায়াছবির গান শ্রেষ্ঠ শিল্পী ক্যাটাগরিতে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন বালাম ও কোনাল চলচ্চিত্র প্রিয়তমা, ছায়াছবির গান-শ্রেষ্ঠ সুরকার প্রিন্স মাহমুদ (চলচ্চিত্র ঈশ্বর), ছায়াছবির গান- শ্রেষ্ঠ গীতিকার আসিফ ইকবাল (মেঘের নৌকা), শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও নির্মাতা রেজাউল করিম কাজল (চুড়ির তালে নুরির মালা), শ্রেষ্ঠ মিউজিক ভিডিও-শিল্পী ফেরদৌস আরা (চুড়ির তালে নুরির মালা)। শ্রেষ্ঠ নজরুল সংগীতশিল্পী সালাউদ্দিন আহমেদ (কেনো চাঁদনী রাতে), শ্রেষ্ঠ রবীন্দ্র সংগীত এটিএম জাহাঙ্গীর (যদি প্রেম দিলে না), শ্রেষ্ঠ নবাগত শিল্পী অনিরুদ্ধ শুভ (ভাল্লাগে না), শ্রেষ্ঠ অডিও কোম্পানি ধ্রব মিউজিক স্টেশন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন ফেরদৌস আরা

    জনপ্রিয় নজরুলসংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন। আগামী ১৯ মে ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠেয় চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে তিনি এ সম্মাননা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষ।

    আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের দুঃশাসনে সংগীতজগৎ থেকে বিতাড়িত ছিলেন জনপ্রিয় এ নজরুলসংগীতশিল্পী। গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকারের পতন হলে তিনি সংগীতাঙ্গনে ফিরে আসেন। এর পর থেকেই তিনি দেশের গণমাধ্যমের বিভিন্ন চ্যানেলে তার গান পরিবেশন করে যাচ্ছেন।  

    চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে ফেরদৌস আরা বলেন, শুধু সংগীত নিয়ে আমাদের এখানে কোনো আয়োজন হয় না। রবীন্দ্র, নজরুল, শাস্ত্রীয়, আধুনিক, চলচ্চিত্রের গানসহ সংগীতের বিভিন্ন পুরস্কার দেওয়াটা চ্যানেল আই ২০ বছর ধরে রেখেছে।

    তিনি বলেন, চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড সংগীতের নানা শাখার মানুষকে সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে সংগীতাঙ্গনের সবাইকে উদ্দীপ্ত ও উজ্জীবিত করে তোলে। ফেরদৌস আরা বলেন, যে দেশে সংস্কৃতি ও সংস্কৃতিজনকে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সম্মাননা এই অঙ্গন ও অঙ্গনের মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হিসাবে কাজ করে। 

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, এবার সেই আয়োজনে আমাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে— এই সম্মাননা আমার কাজের গতি আরও বাড়াবে বলে মনে করছি।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • ১৫ বছর বিটিভিতে ‘নিষিদ্ধ’ ছিলেন এই নজরুল সংগীতশিল্পী

    নজরুল সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরাকে অলিখিতভাবে ‘নিষিদ্ধ’ করেছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছর রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে সংগীত পরিবেশনের সুযোগ দেওয়া হয়নি তাকে।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে ‘বৈষম্যের শিকার’ হওয়া এই শিল্পী নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একজন শিল্পীকে এত বছর পারফর্ম করতে না দেওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। আমার জুনিয়ররা নিয়মিত বিটিভিতে গান করছেন, কিন্তু বিটিভি-বেতারের সব প্রোগ্রাম থেকে আমাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে তা আমি জানি না। আমার ধারণা, যারা আমাকে ‘না’ করেছেন, তারাও জানেন না কেন আমাকে অনুষ্ঠানে নেওয়া হয়নি।’

    বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বা বিরোধী মত পোষণ করেন এমন শিল্পীদের রাষ্ট্রীয় চ্যানেল থেকে একপ্রকার ব্রাত্যই করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকার পরও কেন তার প্রতি এমন বঞ্চনা, জানেন না ফেরদৌস আরা, ‘আমাকে কেন নিষিদ্ধ করা হলো? একজন শিল্পীকে কেন শাস্তি দেওয়া হল? সম্মানের বদলে কেন অসম্মান করা হবে? কেউ আমাকে বলতে পারেনি কেন আমাকে প্রোগ্রাম দেওয়া হচ্ছে না। কারা বাদ দিয়েছে, কেন দিয়েছে। এসব কারণ আমাকে জানানো হয়নি।’

    বিটিভির এমন অলিখিত নিষেধাজ্ঞার ফলে মারাত্মক সামাজিক ও মানসিক পীড়ার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাকে, ‘প্রোগ্রামের দিন জানতে পারি আমার গান বাতিল হয়েছে। সে সময় পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে অসম্মানিত হয়েছি। ফোন দিয়ে মানুষ জিজ্ঞেস করত আপা, আপনার প্রোগ্রাম নেই? আমার ফোবিয়া হয়ে গিয়েছিল’-যোগ করেন ফেরদৌস আরা।

    দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিটিভিতে আমন্ত্রণ পেয়েছেন এই নজরুল সংগীতশিল্পী। সেই অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিটিভিতে গাইতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। এটা একসময় আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান ছিল। কারণ শিল্পী তৈরিতে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বর্ণনাতীত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৫ বছর কেন নিষিদ্ধ ছিলাম, প্রশ্ন ফেরদৌস আরার

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। যিনি গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে গান গাইতে পারেননি। অংশ নিতে পারেননি কোনো অনুষ্ঠানে। ভিন্নমতের হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে অনেক শিল্পীই সেই কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন।

     রাষ্ট্রীয় বেতার ও টিভি চ্যানেলে কোন কোন শিল্পী পরিবেশন করতে পারবেন, আর কে কে পারবেন না— তা ছিল একটি অঘোষিত তালিকা। এমনকি একটি ‘কালো তালিকা’ও ছিল। সেই কালো তালিকায় নাম ছিল এ জনপ্রিয় নজরুলসংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরার। এমনটিই জানিয়েছেন এ শিল্পী।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এর পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবারও ফেরদৌস আরা বিটিভি ও বেতারের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কদিন আগে তার গাওয়া একটি আধুনিক গান প্রচার করা হয়েছে বিটিভিতে। মারজুক রাসেলের লেখা ‘আমি আমার মতোই আছি/তুমি তোমার মতো থেকো’ গানটি প্রচারের পর অনেকেই গানটির প্রশংসা করেছেন।

    এতদিন পর রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান প্রচার হওয়ায় কেমন লাগছে? —এমন প্রশ্নে ফেরদৌস আরা বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান বিটিভিতে গাইতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। শিল্পী তৈরিতে এ প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা বর্ণনাতীত। কিন্তু কী কারণে আমাকে দীর্ঘদিন কোনো অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি জানি না। শুনেছি অনেক শিল্পী রাজনীতি করার কারণে বিটিভি-বেতারে নিষিদ্ধ ছিলেন। কিন্তু আমি তো রাজনীতি করি না। আমাকে কেন এত বছর বঞ্চিত করা হয়েছে?

    বিএনপি সরকারের আমলে সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন ফেরদৌস আরার স্বামী ড. রফিকুল মুহাম্মদ। বিগত সরকারের অনুসারীরা ধরে নিয়েছিলেন— রাজনৈতিকভাবে তারা বিএনপিপন্থি ও দলটির অনুগত। এ কারণেও ফেরদৌস আরাকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান করতে দেওয়া হতো না বলে ধারণা অনেকের। 

    আক্ষেপ করে এই শিল্পী বলেন, আমার স্বামীর চাকরির কারণে যদি এমনটি হয়ে থাকে, সেটি কি কোনো যুক্তির কথা? আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করতেন না। এ কোন দেশে বাস করি আমরা? শিল্পী তো নির্দিষ্ট কোনো দলের হতে পারে না। শিল্পী সবার— সব মানুষের জন্য গান করে।

    অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে আমন্ত্রণ পেতে শুরু করেছেন ফেরদৌস আরা। সম্প্রতি নজরুল ইনস্টিটিউটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বাংলাদেশ বেতারের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে নজরুলসংগীতবিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।

    উল্লেখ্য, সব ধরনের গান গাইলেও নজরুলসংগীত শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ফেরদৌস আরা। চার যুগেরও বেশি সময় ধরে সংগীতচর্চা করছেন এ শিল্পী। উজবেকিস্তানে জাতিসংঘ আয়োজিত লোকসংগীত উৎসবে নজরুলসংগীত গেয়ে পুরস্কৃত হয়েছিলেন তিনি।

    ফেরদৌস আরা বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন অধ্যাপনা, নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুলসংগীতের প্রশিক্ষক, সংগীত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, লেখালেখি, প্লে-ব্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। সঠিকভাবে নজরুল ও উচ্চাঙ্গ সংগীতচর্চার জন্য এ শিল্পী ২০০০ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে গড়ে তোলেন সংগীত প্রতিষ্ঠান সুরসপ্তক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাস্টি বোর্ডে ফেরদৌস আরা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনের পর দেশের অনেক কিছুই নতুন করে পুনর্গঠন করা হচ্ছে অনেক কিছুই। তারই ধারাবাহিকতায় কবি নজরুল ইনস্টিটিউট পরিচালনায় ৮ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। সেখানে সদস্য হিসাবে রাখা হয়েছে বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরাকে। 

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি ভীষন সম্মানিত বোধ করছি আমাকে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসাবে বিবেচিত করায়। আধ্যাত্মিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ মানবিক কবি কাজী নজরুল ইসলামের জ্ঞানের মহাসমুদ্রের তেমন কিছুই আমার এখনো জানার সুযোগ হয়নি। প্রতিনিয়ত শেখার চেষ্টা করছি, জানার চেষ্টা করছি। কবির প্রতি পরম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা রেখেই আমি আমার দায়িত্ব আর কাজগুলো যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করব।’

    বিনোদন ডেস্ক