Tag: ফিল্ম

  • তিন বছর পর একসঙ্গে অপূর্ব-ফারিণ

    টিভি নাটক ও ওটিটি কনটেন্টের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। মাসখানেক আগে যুক্ত হয়েছিলেন ‘হাউ সুইট’ নামে একটি ওয়েব ফিল্মে। এবার এর শুটিং শুরু হচ্ছে। আগামী ২২ নভেম্বর থেকে ক্যামেরা ওপেন হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি।  

    ফিল্মটির শুটিং ঢাকা থেকে শুরু হয়ে বরিশালে দৃশ্যায়নের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। টানা ২০ দিনের মতো কাজ করে এর দৃশ্যধারণ শেষ করবেন বলে জানান নির্মাতা। এটি ওয়েব ফিল্ম হলেও পুরো সিনেমার আয়োজনেই হতে যাচ্ছে এর শুটিং। থাকবে অ্যাকশন ও একটি আইটেম গান। 

    এ ফিল্মের মাধ্যমে তিন বছর পর একসঙ্গে ওয়েবের কাজ করতে যাচ্ছেন অপূর্ব ও তাসনিয়া ফারিণ জুটি। এর আগে ‘ট্রল’ নামে একটি সিরিজে দেখা গিয়েছিল তাদের।  রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এ সিনেমাটির মধ্য দিয়ে পাঁচ বছর পর অপূর্বকে নিয়ে কাজ করছেন নির্মাতা অমি। 

    নির্মাতা জানান, এই ওয়েব ফিল্মের গল্প এমন যে, এতে অপূর্ব ছাড়া বিকল্প কাউকে ভাবতে পারেননি তিনি। তাই তাকে নিয়েই কাজ করছেন। 

    অপূর্ব বলেন, ‘অমির সঙ্গে আমার অনেক কাজ হয়েছে। সবগুলোই প্রশংসিত হয়েছে। এবার আরও একটি কাজ করতে যাচ্ছি। সব সময় চেষ্টা করি ভালো একটি গল্প দর্শকদের উপহার দিতে। এ ফিল্মটির গল্প অসাধারণ, আমরা সুন্দরভাবে এর কাজ শেষ করতে পারলে দর্শকদের জন্য দারুণ একটি উপহার হবে এটি।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • রামোজি ফিল্ম সিটির প্রতিষ্ঠাতা রামোজি রাও মারা গেছেন

    রামোজি ফিল্ম সিটি এবং তেলেগু ভাষার টিভি নেটওয়ার্ক ইটিভির প্রতিষ্ঠাতা রামোজি রাও মারা গেছেন। শনিবার ভোরে হায়দরাবাদের একটি হসপিটালে চিকিৎসাধীন ৮৭ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। এমনটিই জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

    rnrn

    টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে— রামোজি রাও একজন উদ্যোক্তা, সিনেমা প্রযোজক ও ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি রামোজি গ্রুপে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, যাদের সিনেমাসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা আছে।

    rnrn

    এসব উদ্যোগের মধ্যেই একটি রামোজি ফিল্ম সিটি। তেলেগু ভাষার সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক এনাডু, টিভি চ্যানেলের নেটওয়ার্ক ইটিভি, সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঊষা কিরাণ মুভিসও গ্রুপটির মালিকানাধীন।

    rnrn

    তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গণমাধ্যমে রামোজির ‘সমৃদ্ধ অবদানের’ কথা তুলে ধরেন।

    rnrn

    এক্স পোস্টে মোদি লিখেছেন, ‘শ্রী রামোজি রাওয়ের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি একজন স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন, যিনি ভারতীয় গণমাধ্যমে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তার সমৃদ্ধ অবদান সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্র জগতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে মিডিয়া ও বিনোদন জগতে তিনি উদ্ভাবনী চিন্তা ও শ্রেষ্ঠত্বের নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন।’

    rnrn

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘ভারতের উন্নয়নের প্রশ্নে রামোজি রাও অত্যন্ত আবেগী ছিলেন। আমার সৌভাগ্য যে আমি তার সঙ্গে কয়েকবার আলাপচারিতার সুযোগ পেয়েছি এবং তার প্রজ্ঞা থেকে উপকৃত হয়েছি। এই কঠিন সময়ে তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অগণিত অনুরাগীর প্রতি সমবেদনা জানাই। ওম শান্তি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পরিচালকের

    পাকিস্তানের শিল্প ও অভিনয় জগতের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশটির জনপ্রিয় অভিনেতা-পরিচালক ইয়াসির হুসাইন। 

    rnrn

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ভালো ইন্ডাস্ট্রি নয়, তাই আমি চাই না আমার ছেলে অভিনয়ে আসুক।’

    rnrn

    সম্প্রতি ইয়াসির হুসাইনের একটি সাক্ষাত্কার ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তাকে পাকিস্তানি টেলিভিশন শিল্পের প্রতি বিরক্ত প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

    rnrn

    সঞ্চালকের এক প্রশ্নের উত্তরে ইয়াসির হুসাইন বলেন, আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ভালো ইন্ডাস্ট্রি নয়, আমি চাই না আমার ছেলে এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসুক। সে এলে আমি তাকে কোনো কিছু থেকে আটকাবো না, কিন্তু আমি চাই না সে অভিনেতা হোক।   

    rnrn

    ইয়াসির হুসাইন তার অবস্থান ব্যাখ্যা করে উপস্থাপককে প্রশ্ন করেন, আপনি বলুন আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কী কাজ হচ্ছে? এগুলো কি কাজ? একজন অভিনেতার কাজ কী? একজন অভিনেতার কাজ হলো ভালো অভিনয় করা, শোবিজের জগতে নিজের প্রতিভা প্রমাণ করা, কিন্তু আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে আপনাকে প্রতিনিয়ত বাজে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।

    rnrn

    ভারতে পাকিস্তানি নাটকের জনপ্রিয়তা নিয়েও কথা বলেন ইয়াসির হুসাইন। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমাদের নাটক সারা বিশ্বে দেখা যাচ্ছে না।  ভারতে যেখানে নিম্নমানের নাটক চলে, তাদের নিজস্ব ভালো নাটক নেই, সেখানে তারা আমাদের নাটক দেখছে।
    rn 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • যেভাবে ‘মিয়া ভাই’ নামে পরিচিতি পান ফারুক

    স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যাদের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম আকবর হোসেন পাঠান। সিনেমা জগতে তিনি রুপালি পর্দার হিরো নায়ক ফারুক নামেই পরিচিত। তবে এর বাইরে তার আরেকটি পরিচয় রয়েছে। সেটি তিনি দর্শক ও ফিল্ম ইন্ড্রাস্টির সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পেয়েছেন।

    rnrn

    ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত জলছবি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে আগমন করেন। তার বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কবরী অভিনয় করেন। এর পরে বেশ অনেকগুলো ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দেন। 

    rnrn

    তবে ১৯৮৭ সালে মিয়া ভাই চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর তিনি চলচ্চিত্রাঙ্গনে মিয়া ভাই হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

    rnrn

    কিংবদন্তি এ অভিনেতা প্রায় পাঁচ দশক ধরে বড়পর্দা মাতিয়েছেন। চিত্রনায়ক ফারুক বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা হলেও তিনি একাধারে ছিলেন প্রযোজক, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ।

    rnrn

    পাঁচ বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে ফারুক ছিলেন সবার ছোট। ব্যক্তিজীবনে ফারুক ফারজানা পাঠানকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন পাঠান শরৎ।

    বিনোদন ডেস্ক