Tag: ফারুকী

  • আসছে ৪২০-এর ডাবলআপ ৮৪০, জানালেন নির্মাতা ফারুকী

    ঘটনা ২০০৭ সালের। জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘৪২০’ আবার ফিরে আসছে টিভিপর্দায়। ঢালিউড নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের উত্থান-পতনের গল্প নিয়ে নির্মাণ করেছিলেন সিরিজটি। ১৭ বছর আগে ফারুকীর লেখা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়েছিল ‘৪২০’, যা ওই সময় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল দর্শকমহলে। আর এ সিরিজে অভিনয় করেই খ্যাতি অর্জন  করেছিলেন অভিনেতা মোশাররফ করিমসহ কয়েক তারকা।

    এবার দীর্ঘবিরতি কাটিয়ে ভিন্ন নামে ফের প্রচারে আসতে যাচ্ছে ছবিয়াল প্রোডাকশনের জনপ্রিয় সেই সিরিজ। তবে এবার আর পুরোনো নামে নয়, ‘৮৪০’ নামে ফিরে আসতে যাচ্ছে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ সুখবর দিয়েছেন নির্মাতা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে একটি রিলস পোস্ট করেছেন নির্মাতা ফারুকী। সেখানে দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকার একটি রাজপথের দৃশ্য। আর জানিয়েছেন, শিগগিরই প্রচারে আসছে জনপ্রিয় সিরিজটি।

    ক্যাপশনে নির্মাতা লিখেছেন— পলিটিক্যাল স্যাটায়ারের জন্য বাংলাদেশ সবসময় উর্বরমুখী। যে কারণে ২০০৭ সালে তৈরি হয়েছিল ‘৪২০’। কিন্তু গত ১৫ বছরে রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও তামাশা সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে। এবার তাই আসছে ‘৪২০’-এর ডাবলআপ ‘৮৪০’!

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘এখনও যারা উস্কানি দিচ্ছেন তাদের নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই’

    অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    গত ১০ নভেম্বর শপথ নেওয়ার পর থেকেই ফারুকীর অতীতের বিভিন্ন ফেসবুক স্ট্যাটাস ও আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠেছে। এ বিষয়ে একাধিকবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেও সমালোচনা বন্ধ করতে পারেননি বিতর্কিত এই নির্মাতা। 

    এসবের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেছেন- নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। 

    অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা লিখেন- শিল্পী সাহিত্যিকদের মধ্যে যারা এখনো খুনি হাসিনার পক্ষে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিকে হত্যার উস্কানি দিচ্ছেন তাদের নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নাই।

    হিটলারের সময় জন্ম হলে আপনারা নাৎসি হতেন উল্লেখ করে ফারুকী লিখেছেন, আমি জানি না শিল্পী দাবি করা একজন মানুষ কী করে আরেকজন মানুষের হত্যাযজ্ঞ লাইভ দেখার ইচ্ছা পোষণ করে। শেইম, হিটলারের কালে জন্ম হইলে আপনারা হইতেন নাৎসি।

    সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে লাবু কালাম লিখেছেন- এরা শিল্পী নয়, এরা সেফ ভার, এদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করলে তবেই এদের কুরুচিপূর্ণ মানুষিকতাকে নির্মূল করা যাবে, অন্যথায় মুক্তি নাই।

    সায়েদুল হাসানের ভাষ্য- হিটু ভাই সম্ভবত লজ্জিত। তিনি হয় তো মনে মনে খুশি। বলেন মানুষ খালি আমারে ঘৃণা করত, এখন আমার কাতারে আরও আসতেছে। 

    আরেকজন লিখেন- তাদের ন্যূনতম সেন্স অব হিউমার নেই, এখানে এসে হা হা রিয়েক্ট দিয়ে যাবে, এই রিয়েক্ট-ই তাদের ভার্চুয়াল অস্ত্র।

    বিনোদন ডেস্ক

  • উপদেষ্টা হওয়ায় ফারুকীকে অভিনন্দন মিশার

    অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এই নির্মাতাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি। শপথ নেওয়ার পরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে জায়গা পেয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় ফারুকীকে একের পর এক উষ্ণ বার্তা দিচ্ছেন দেশের শোবিজ তারকারা। 

    সোমবার সকালে ফারুকীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ঢাকাই সিনেমার খলনায়ক মিশা সওদাগর লেখেন, ‘আমাদের গোত্রের কথা বলার জন্য একজন নিজস্ব যোগ্যতা সম্পন্ন লোকের প্রয়োজন। ভালো ডিসিশন, অভিনন্দন ফারুকী ভাই।’

    ফারুকীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পরিচালক স্বপন আহমেদ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইকে নতুন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, এটা আমাদের জন্য সত্যিই গর্বের বিষয়। অভিনন্দন ফারুকী ভাই, আশা করি এখন থেকে শিল্পী, শিল্পপ্রেমী, মিডিয়া, নাটক, সিনেমা এবং এই অঙ্গনের মানুষদের জন্য কোনো বাধা থাকবে না। আমাদের কমিউনিটি থেকে তার চেয়ে যোগ্য প্রতিনিধি আর কে হতে পারে! আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলনে জামায়াত ছিল না এই কথা কে বলেছে, প্রশ্ন ফারুকীর

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। নানান বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এই নির্মাতা। সরকার পতনের পর সম্প্রতি জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে নেটদুনিয়ায়। এবারও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ফারুকী।

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে কিছু প্রশ্ন সামনে এনেছেন এই নির্মাতা।

    পাঠকদের জন্য ফারুকীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

    ‘২০২৪ সালে এসে কেউ যদি নিউটনের গতিসূত্র আবিষ্কার করে এবং সেই আবিষ্কারের আনন্দে ইউরেকা ইউরেকা বলে চিৎকার করতে থাকে, তাহলে কী বলা যাবে?

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জামায়াত ছিল না এই কথাটা কে বলেছে কবে? বাংলাদেশের সবাই জানে এই আন্দোলনের প্রথম থেকে বিএনপি, জামায়াত, বাম দলসহ দল-মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ ছিল। সবাই একটা জিনিসই চেয়েছে, শেখ হাসিনার পতন।

    আরেকটু পরিষ্কার করে বলি, শুধু এবারই প্রথম চেয়েছে, তা না। যখন নিরাপদ সড়কের দাবিতে কিশোর আন্দোলন হয়েছে তখনও প্রত্যেকে ওয়াটার টেস্ট করে দেখেছে, এটা কি সরকার পতনের আন্দোলনের দিকে নেওয়া সম্ভব কিনা। জিও পলিটিক্যাল বাস্তবতা এবং সেনাবাহিনীর বাস্তবতায় সেটা সম্ভব ছিল না বুঝতে পেরে আবার প্রত্যেকে দমেও গেছে।

    নুরুল হক নুরুদের নেতৃত্বে কোটা আন্দোলনে একই জিনিস টেস্ট করে দেখেছে বাংলাদেশ। যখন দেখল এটা সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে সফল হবে না, তখন সবাই আবার চেপেও গেছে।

    এবারও পুরো জাতি ওয়াটার টেস্ট করেছে এবং ২০ জুলাইয়ের মধ্যে বুঝতে পেরেছে, এই আন্দোলনে সরকার পতন সম্ভব। ফলে মানুষ সরকার পতন ঘটিয়েছে!’

    সবশেষ আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে এই নির্মাতা লেখেন, ‘আওয়ামী লীগের উচিত হবে ভাবা, কেন সবাই তাদের পতন চেয়েছে। ক্লিয়ার?’

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ড. ইউনূসের জাতির উদ্দেশে ভাষণ, যা বললেন ফারুকী

    ঢালিউড নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে তাদের উৎসাহ দিয়ে এসেছেন। সরকার পতনের পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেশ সংস্কারের কথা বলেছেন তিনি। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। 

    বুধবার রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারুকী এক পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে আক্রমণ আক্রমণ খেলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন এ পরিচালক।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ফারুকী লিখেছেন- ‘প্রফেসর ইউনুসের আজকের বক্তৃতা আমাকে অনেক বেশি আশ্বস্ত করেছে। তার কথার মধ্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল— ইনক্লুসিভনেসের। আজকে তাকে মনে হয়নি উনি কেবল একটি গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এটি এ মুহূর্তে আমার বিবেচনায় সিগনিফিক্যান্ট। কারণ আমি গত কিছু দিন অনুভব করছিলাম মানুষের একতার স্পিরিটটা একটু আলগা হয়ে আসছে।

    তিনি বলেন, যেদিন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে ছাত্রদের বের করে দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, সেদিন থেকে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী, বিএনপি, বাম দল, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দল, শ্রমিক, গৃহিণী, অভিভাবকসহ সবাই যে স্পিরিট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সেই স্পিরিটই ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন ঘটায়। এই স্পিরিটটা আমি বন্যা পর্যন্ত দেখেছি। সবাই তখন দেশটা ওন করছিল। কিন্তু এর পরেই ঘটে সাময়িক ছন্দপতন। কেমন সবাই হিজ হিজ হুজ হুজ হতে শুরু করল।

    ফারুকী বলেন, আমরা এখন নতুন সমাজ বানাতে চাই। ফলে আমাদের খোলাখুলি বলা উচিত— এই ছন্দপতন শুরু হয় আন্দোলনের কৃতিত্ব এবং মাস্টারমাইন্ডবিষয়ক বিতর্কে। সময় এসেছে, এই আত্মঘাতী কাজ থেকে বিরত থাকা। এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড আওয়ামী লীগ বাদে সবাই। 

    তিনি বলেন, বিভাজনের খেলা বন্ধ করি চলেন। মনে রাখবেন— বিপ্লব সফল হয় অন্তর্ভুক্তিতে। বিপ্লব ঝুঁকিতে পড়ে বিভক্তিতে। 

    এ নির্মাতা বলেন, আওয়ামী লীগ বাদে যারা আছেন, তারা একে অন্যকে আক্রমণ না করে, নিজেদের কর্মসূচি নিয়ে জনতার কাছে যান। জনতা যাদের ভোট দেবে তারা সরকার গঠন করবেন। যারা ভোট কম পাবেন, তাদেরও ভূমিকা থাকা উচিত নতুন সহনশীল বাংলাদেশ নির্মাণে। এ মূহুর্তে আক্রমণ আক্রমণ খেলা সবাই বন্ধ করা জরুরি। যারা রাজনৈতিক দলে আছেন অলরেডি এবং যারা দল করবেন— দুই পক্ষেরই। এবং সবাই সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনকে সাহায্য করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিয়াজকে তুলোধুনো করলেন ফারুকী

    ‘আলো আসবেই’ নামক শোবিজ অঙ্গনে আওয়ামী লীগপন্থি শিল্পীদের তৈরি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। 

    rnrn

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ‘রাজাকারদের আন্দোলন’ মন্তব্য করে তা প্রতিহতের ডাক দেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। প্রোফাইল লাল করা ফেসবুক ব্যবহারকারী ও আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার গায়ে গরম পানি ঢেলে দেখে নেওয়ার হুমকি চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ্বাসের। 

    rnrn

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আওয়ামীপন্থি শিল্পীদের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ মনোভাব ব্যক্ত করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট শিল্পী-কলাকুশলীরা। আওয়ামী কুশীলবদের রাজাকার উল্লেখ করে তারা বলেন, নিশ্চয়ই এদের বিচার হবে গণহত্যায় সমর্থক এবং উসকানিদাতা হিসাবে। 

    rnrn

    গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তার আগে ছাত্র-জনতার সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন শোবিজের একদল তারকাশিল্পী। তাদের নেতৃত্ব দেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। আলো আসবেই-হোয়াটসঅ্যাপ গ্র“পে ৩ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রিয়াজ লেখেন, বিএনপি-জামায়াত আর রাজাকার পুত্ররা আহ্বান জানাচ্ছে, দেশ বাঁচাতে এগিয়ে আসতে। কোন দেশ সেটা আর বুঝতে বাকি নেই। তাদের বাবারাও ’৭১ সালে দেশ বাঁচানোর ডাক দিয়েছিল। তবে সেটা বাংলাদেশ না, পাকিস্তান। আজ ’৭১ মুছে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে ২৪ দিয়ে। আগস্ট মুছে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে জুলাই দিয়ে, গুজব ছড়িয়ে রায়েরবাজার বধ্যভূমিকে ’৭১-এর বদলে ২৪ এর বধ্যভূমি বানানোর চেষ্টা চলছে। 

    rnrn

    গ্রুপে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের গায়ে গরম পানি ঢেলে দিতে বলেছেন। আন্দোলনের পক্ষে যারা প্রোফাইল লাল করেছিলেন তাদের চিনে রাখা এবং পরবর্তী সময়ে ‘সাইজ করার’ হুমকিও দিয়েছেন। 

    rnrn

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ‘হারামজাদা’, বিভিন্ন ব্যক্তিকে ‘রাজাকার’ তকমা দেওয়া, আবার শিল্পীদের স্ট্যাটাস-কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তাদের চিহ্নিত করে রাখতে বলেছেন এই অভিনেত্রী। এর মধ্যে ছাত্রদের পক্ষ নেওয়ায় একজন সংগীতশিল্পীকে উদ্দেশ করে অরুণা বিশ্বাসের একটি মেসেজ ছিল, ‘বয়স যদি কম থাকত, পিটাইতে পিটাইতে বাবা ডাক শিখাইতাম।’

    rnrn

    ‘আলো আসবেই’ নামের সেই গ্রুপে অভিনেত্রী জোতিকা জ্যোতি নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করেন। গ্রুপে নানা বিষয়ে মন্তব্য করে সরব ছিলেন ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, রোকেয়া প্রাচী, সোহানা সাবা। শিল্পীদের মাঠে নামানোর কার্যক্রমে সরব ছিলেন সাজু খাদেম-ফেরদৌস-তানভীন সুইটি ও শামিমা তুষ্টি। 

    rnrn

    ঢাকা-১০ আসনের সাবেক এমপি ও চিত্রনায়ক ফেরদৌসের নেতৃত্বে আগস্টের শুরুতেই রাজপথে নেমে আসেন আওয়ামীপন্থি ওই শিল্পীরা। গ্রুপে সক্রিয় ছিলেন সুবর্ণা মুস্তাফা-বদরুল আনাম সৌদ। গ্রুপের স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস হতেই অনেক তারকাই গা-ঢাকা দিয়েছেন। কেউ বা এরই মধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস আগস্টের শেষের দিকে কানাডা চলে গেছেন। সরকার পতনের পর একপ্রকার ‘নিখোঁজ’ চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও রিয়াজ। তাদের সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। নিজেদের ফোনও বন্ধ রেখেছেন তারা। 

    rnrn

    অভিনেতা মিলন ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রভাবের কারণে ওই গ্রুপে কী বলেছেন নিজেও বুঝতে পারছেন না। সেই গ্রুপে নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে এই অভিনেতা বলেন, দুঃখিত, সে সময়ে দেশের অস্থির পরিস্থিতির জন্য। কী যে কথা বলেছি, সত্যিই বলছি ‘মাথা ঠিক ছিল না’।

    rnrn

    এদিকে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের শিল্পীদের এ যুগের রাজাকার মন্তব্য করে বুধবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সেখানে তিনি বলেন, ‘এটা নিশ্চয়ই বেদনার যে আমাদের দেশে শিল্পীর সাইনবোর্ড নিয়ে এমন লোকজন ঘুরে বেড়াত যারা গণহত্যায় প্রত্যক্ষ উসকানিদাতা অথবা কেউ কেউ নীরব সমর্থক ছিল। এরা শুধু শিল্পী হিসাবে না, মানুষ হিসাবেও নীচু প্রকৃতির। তিনি বলেন, একাত্তরে জন্ম নিলে এরা রাজাকারের দায়িত্ব পালন করত। ফলে এদের এ যুগের রাজাকার বলতে পারেন। নিশ্চয়ই এদের বিচার হবে গণহত্যায় সমর্থন এবং উসকানি দেওয়ার অপরাধে। 

    rnrn

    আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাসের ‘গরম জল দিলেই হবে’ কথায় ঘৃণা উগড়ে দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিজের ফেসবুক পেজে পরীমনি লিখেছেন, ‘অমানুষ! হিংস্র! লোভী! এত হিংসা নিয়ে কখনই শিল্পী পরিচয় বহন করতে পারেন না আপনি। ধিক আপনাকে। থু…।’
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আন্দোলনকারীদের পক্ষে পোস্ট, ফারুকীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন সোহানা সাবা!

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকা নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, আশফান নিপুন, অভিনেতা সিয়াম আহমেদ, অভিনেত্রী নাজিফা তুষি, সাদিয়া আয়মানসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে ক্রোধ প্রকাশ করেছেন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের সদস্যদের কেউ কেউ। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নাজিফা তুষিদের কেউ এ গ্রুপে ছিলেন না।

    rnrn

    আওয়ামী লীগ নেতা ও আওয়ামী লীগপন্থী শিল্পীদের এই গ্রুপে লিমন আহমেদ নামের এক বিনোদন সাংবাদিককেও দেখা গেছে। আন্দোলনের পক্ষে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর একটি ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে দেন লিমন।

    rnrn

    মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে প্রকাশের অযোগ্য ভাষায় গালি দিয়েছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতিসহ আরও কয়েকজন।

    rnrn

    আন্দোলনের পক্ষে যারা প্রোফাইল লাল করেছিলেন তাদের চিনে রাখা এবং পরবর্তী সময়ে ‘সাইজ করার’ হুমকির কথাও এসেছে এই গ্রুপে। আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে প্রোফাইল ‘লাল’ করায় এক সংগীতশিল্পীকে নিয়ে অরুণা বিশ্বাস লিখেছেন, ‘বয়স যদি কম থাকত পিটাইতে পিটাইতে বাবা ডাক শিখাইতাম।’

    rnrn

    আন্দোলনের পক্ষে ‘এক দফা’ শীর্ষক ছবি কাভারে পোস্ট করেছিলেন তরুণ অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। সেই পোস্টের স্ক্রিনশট ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে দিয়ে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

    rnrn

    অপরদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে ‘টোকাই বলে ব্যঙ্গ করেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতিকে। 

    rnrn

    অভিনেত্রী জ্যোতিকে লিখতে দেখা গেছে, ‘বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগুন। ফায়ার সার্ভিস ও গণমাধ্যমকে ঢুকতে দিচ্ছে না টোকাই জামাত শিবিরের মেধাবী আন্দোলনকারীরা।’

    rnrn

    তখন আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস বলেছেন, ‘গরম জল দিলেই হবে।’

    rnrn

    মঙ্গলবার দুপুরে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের কয়েকটি স্ক্রিনশট প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের শিল্পীরা এ যুগের রাজাকার: ফারুকী

    ‘আলো আসবেই’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ কাণ্ডের বিষয়ে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী স্ক্রিনশট শেয়ার করেছিলেন। 

    rnrn

    যে গ্রুপে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত এবং সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে সবাইকে গ্রুপে অ্যাড করা হয় যারা মূলত আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে হয়েছে। 

    rnrn

    যেখানে অভিনয়শিল্পীদের একটি দল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দমানোর জন্য নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন। 

    rnrn

    এবার এ বিষয়ে আরেক পোস্ট দিয়ে ফারুকী এসব অভিনয়শিল্পীদের বলেন, একাত্তরে জন্ম নিলে এরা রাজাকারের দায়িত্ব পালন করত।

    rnrn

    এরা শুধু শিল্পী হিসাবে না মানুষ হিসাবেও নীচু প্রকৃতির উল্লেখ করে খ্যাতিমান নির্মাতা লিখেছেন, ‘এটা নিশ্চয়ই বেদনার যে আমাদের দেশে শিল্পীর সাইন বোর্ড নিয়ে এমন লোকজন ঘুরে বেড়াতো যারা গণহত্যায় প্রত্যক্ষ উসকানিদাতা অথবা কেউ কেউ নীরব সমর্থক ছিল। এরা শুধু শিল্পী হিসাবে না, মানুষ হিসাবেও নীচু প্রকৃতির। একাত্তরে জন্ম নিলে এরা রাজাকারের দায়িত্ব পালন করত। ফলে এদের এযুগের রাজাকার বলতে পারেন। নিশ্চয়ই এদের বিচার হবে গণহত্যায় সমর্থন এবং উসকানি দেওয়ার অপরাধে।’ 

    rnrn

    শেষাংশে ফারুকীর ভাষ্য, ‘কিন্তু আশার দিকটা আপনাদের বলি। দেখবেন এই গ্রুপের বেশিরভাগই আসলে কোনো শিল্পচর্চার সঙ্গে সেই অর্থে জড়িত না। আমাদের মেইনস্ট্রিম (মানে টেলিভিশন, ওটিটি, এবং ফিল্মে যারা প্রধান শিল্পী; তথাকথিত এফডিসি বোঝানো হয়নি মেইনস্ট্রিম শব্দটা দিয়ে) অভিনয় শিল্পী বা ফিল্মমেকারদের কেউই এদের সঙ্গে নাই। এরাই আমাদের প্রেজেন্ট অ্যান্ড ফিউচার।’

    rnrn

    খ্যাতিমান নির্মাতা আরও বলেন, ‘সহকর্মী এবং শিল্পীদের ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটগুলো উল্লেখ করে যারা অত্যাচারীর সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিল এবং আমাকে নিয়ে বাজে কথা বলেছিল। অত্যাচারী যদি বেঁচে যেত তাহলে আমার এবং তিশার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতি করত। সরকারের উচিত হবে ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটগুলো খতিয়ে দেখা, ১৪৬টি স্ক্রিনশট পাওয়া যায়। এই আন্দোলনের সময় যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি দিয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই তদন্ত করে বিচার করা উচিত।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, গ্রুপে সদস্যদের তালিকায় আরও যারা ছিলেন- সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অরুণা বিশ্বাস, ফেরদৌস ছাড়াও ছিলেন রিয়াজ আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, এস এ হক অলীক প্রমুখ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভ্যানে লাশের স্তূপের ভিডিও দেখে বাকরুদ্ধ ফারুকী

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা একের পর এক লাশ ভ্যানে তুলছেন। ময়লা চাদর আর ব্যানার দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন লাশগুলো। ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের এই ভিডিও দেখে শিউরে উঠছেন মানুষ। এমন নৃশংসতা দেখে বাকরুদ্ধ চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীও।

    ভিডিওটি দেখে শনিবার (৩১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। পোস্টে ফারুকী লিখেছেন, ‘মেরুদণ্ড শীতল করে দেয়া যেসব ডিটেইল বের হয়ে আসছে ধীরে ধীরে তাতে স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়।’

    এই নির্মাতা আরও লেখেন, ‘যে সরকারের শপথ ছিল নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার, সে সরকারই যদি ক্ষমতার জন্য লাশের স্তূপের উপর বসে নৃত্য করে, এর চেয়ে ভয়ংকর আর কি হইতে পারে? ভ্যানের ওগুলা যেনো মানুষের লাশ না, এক দলা মাংসপিণ্ড যেগুলা কোথাও বিলং করে না, কারো ভাই হয় না, সন্তান হয় না। যেনো তাদের অপেক্ষায় কোনো বাড়ীতে কেউ বসে নাই। কি বিভৎস ক্ষমতার এই লোভ!’

    ফারুকীর সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে এবং পোস্টটি শেয়ার করে নেটিজেনরা অপরাধীদের বিচার চেয়েছেন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

    জানা যায়, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সাভারের আশুলিয়ায় নির্মম এই ঘটনা ঘটে। সরকার পতনের আগমূহুর্তে ছাত্র-জনতা আশুলিয়া থানার সামনে জড়ো হলে পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি ছোড়ে। আন্দোলনকারীদের অনেকেই তখন ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। পরে পুলিশ নিহতদের একটি ভ্যানে করে অন্য স্থানে নিয়ে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেন্সর বোর্ড নামের অথর্ব জিনিসটা বাতিল করেন: ফারুকী

    চলচ্চিত্রে সেন্সর বোর্ডের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অনেক সময়ই নির্মাতারা প্রশ্ন তুলেছেন। দেশে ক্ষমতার পালাবদলের পর যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার হচ্ছে, তখন চলচ্চিত্রের সেন্সর বোর্ড ইস্যুতেও সংস্কার প্রত্যাশা করছেন তারা। এই প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক ওয়ালে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    সেন্সর বোর্ড সরিয়ে দিয়ে রেটিং সিস্টেম চালু করার ওপর জোর দিয়েছেন ‘টেলিভিশন’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’ এর মতো ব্যতিক্রমী চলচ্চিত্রের নির্মাতা ফারুকী। এছাড়া স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর জন্য ‘স্পষ্ট ভাষায়’ নীতিমালা প্রণয়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    ফেসবুক পোস্টে ফারুকী বলেছেন, ‘আপনি কি চান বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে ছবি হোক? মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে রক্ষী বাহিনীর অত্যাচার নিয়ে ছবি হোক? আপনি কি চান গুমের মতো নিষ্ঠুর এবং অমানবিক যে কাজটা হাসিনা-জিয়াউল-তারেক সিদ্দিকী মিলে করেছে সেটা নিয়ে ছবি হোক? ব্রিগেডিয়ার আজমি বা ব্যারিস্টার আরমানের হৃদয়বিদারক ঘটনা নিয়ে ছবি হোক? আপনি কি চান আমাদের ইতিহাস নিয়ে আওয়ামী গ্র্যান্ড ন্যারেটিভের বাইরে গিয়ে কেউ ফিল্ম করুক? কেউ তার ছবিতে প্রশ্ন করুক ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানীদের আত্মসমর্পনে আমাদের উপস্থিতি ছিলো না কেনো? অথবা চান উল্টা দিকে কেউ বিএনপি’র ন্যারেটিভের বাইরে গিয়ে ছবি করুক? তাহলে সেন্সর বোর্ড নামক অথর্ব জিনিসটা বাতিল করেন!’

    সেন্সরবোর্ড বাতিল করে রেটিং সিস্টেম চালুর পরামর্শ দিয়ে ফারুকী লিখেছেন, ‘একটা রেটিং সিস্টেম চালু করা উচিত, যেখানে বলে দেওয়া হবে কোনটা অ্যাডাল্টদের জন্য, কোনটার প্যারেন্টাল গাইডেন্স লাগবে।’

    এক্ষেত্রে কোনো সিনেমায় ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা হলে সেক্ষেত্রে কী করা যেতে পারে, তার উপায়ও বাতলে দিয়েছেন ফারুকী, ‘এই বিষয় ঠেকানোর স্পষ্ট বিধান রেখেও নিশ্চয়ই বিধিমালা করা যাবে। কী বিধান রাখতে চান, স্পষ্ট ভাষায় রাখুন। ভেইগ (অস্পষ্ট) টার্মে কিছু রাখা যাবে না, যেটার ব্যাখ্যা একশো রকম হতে পারে এবং এই সুযোগ নিয়ে সরকার কাউকে হয়রানি করতে পারে।’

    এছাড়া চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন নিয়ে ফারুকী অনুরোধ, ‘চলচ্চিত্র সেন্সর নীতি সংশোধনের আগপর্যন্ত আপাতত কাজ চালানোর জন্য সেন্সরবোর্ডটা পুনর্গঠন করতে হবে। কিন্তু দয়া করে প্রাগৈতিহাসিক এফডিসির ততোধিক প্রাগৈতিহাসিক পরিচালক বা প্রযোজকদের এই কমিটিতে ঢোকানোর যে আজব অভ্যাস, সেটা থেকে বের হয়ে আসেন। বাংলাদেশের নতুন দিনের ফিল্মমেকাররা প্রত্যেকেই এদের ঈর্ষার শিকার। কমিটিতে সেনসিবল লোকজন নিন। অনুদান কমিটিও একই রকমভাবে দলীয় প্রোপাগান্ডা মেশিনের হাত থেকে উদ্ধার করেন।’

    বিনোদন ডেস্ক