Tag: ফাঁস

  • ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস

    ভারতের মালায়লম ইন্ডাস্ট্রিজের মডেল ও অভিনেত্রী প্রজ্ঞা নাগরারে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছেন তিনি। 

    ২৬ বছর বয়সী এই তারকার সেই ভিডিওটি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল শুরু হয় নেটিজেনদের মাঝে। কারণ, ওই ভিডিওতে প্রজ্ঞাকে বেশ অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখতে পেয়েছেন নেটিজেনরা। তাদের মধ্যে অনেকে আবার মনে করছেন, প্রজ্ঞার নিজেদের কেউ ভিডিওটি ইচ্ছে করেই ফাঁস করেছেন।

    যদিও ভিডিওটির সত্যতা এখনো স্পষ্ট নয়; সেই নারী প্রজ্ঞা কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তবে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, ভিডিওটির মাধ্যমে প্রজ্ঞা ডিপফেকের শিকার হয়েছেন।

    তবে এখন পর্যন্ত অভিনেত্রী বিষয়টি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। তবে অনেক নেটিজেনই দাবি করেছেন যে ফাঁস হওয়া ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে প্রজ্ঞার!

    এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষদের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে অনেকে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন। কারণ, এর আগে মাস কয়েকের ব্যবধানে ৫ পাকিস্তানি টিকটক তারকার গোপন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় সেদেশের শোবিজ অঙ্গনে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়। কারণ, ঘটনাগুলো ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সেক্ষেত্রে ভারতেও এমন অবস্থা হবে কি না, তা নিয়েও চিন্তা অনেকের।

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালে তামিল মুভি ভারালারু মুক্কিয়ামে আত্মপ্রকাশ করেন প্রজ্ঞা নাগরা। সেখানে তিনি একজন মালয়ালি মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি তেমন সফল না হলেও প্রজ্ঞার অভিনয় দক্ষতা দর্শকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছিল।

    সূত্র: জি নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজেদের ‘গোপনীয়তা’ ফাঁস করলেন তারকা জুটি

    বলিউডে অভিনয় করতে গিয়ে পরিচয় হয় শাহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুতের। এরপর থেকে তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে। সেই সখ্যতা রূপ নেয় প্রেমে। সেই প্রেম থেকেই বিয়ে করে সংসারি হন তারা। 

    বিয়ের পর ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মীরা। বর্তমানে তিনি ব্যবসায় মন দিলেও স্বামী শাহিদ আগের মতোই বলিউড কাঁপাচ্ছেন।

    পর্দায় খুব রাগী চরিত্রে শাহিদকে অভিনয় করতে দেখা গেলেও বাস্তবে কেমন অভিনেতা- সেই প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমে জানান দেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে কবির সিং খ্যাত এই নায়ক জানালেন, তার বাড়ির দায়িত্ব নাকি সম্পূর্ণ মীরার; তার কথাতেই নাকি বাড়িতে সবকিছু হয়।

    একপর্যায়ে তাদের দাম্পত্য জীবনে বেডরুমের গোপন কথা শেয়ার করেন শাহিদ। মজা করে শাহিদ জানালেন, বেডরুমেও নাকি সবকিছু মীরার ইচ্ছাতেই হয়। তিনি ও তার স্ত্রী নাকি রাতে নগ্ন হয়েই ঘুমাতে যান! রাতে নাকি তারা এভাবেই ঘুমাতে পছন্দ করেন।

    এমন কথা ফাঁস হতেই লজ্জা পেলেও সম্মতি জানান মীরা। তবে একবার নয়, একাধিকবার এ তথ্য ফাঁস করেছেন শাহিদ কাপুর।

    একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা আর বিশ্বাসই তাদের সুখী দাম্পত্যের একমাত্র চাবিকাঠি। দুজনের বয়সের বেশ ফারাক থাকলেও শাহিদ-মীরার ভালোবাসা হার মানাবে বলিউডের রোমান্টিক ছবিকেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আলো আসবেই’র স্ক্রিনশট ফাঁস, ক্ষোভ ঝাড়লেন মৌসুমী 

    সাবেক তথ্যপ্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদের নেতৃত্বে ‘আলো আসবেই’ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কিছু স্ক্রিনশট সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস পরামর্শ দেন ছাত্রদের ওপর গরম পানি ঢেলে দিতে। ১৬০ সদস্যের ওই গ্রুপে আরও ছিলেন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, চিত্রনায়ক রিয়াজ, সাজু খাদেম প্রমুখ। স্ক্রিনশট ফাঁস হওয়ার পর থেকেই গ্রুপে যুক্তদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করছেন অন্য শিল্পীরা।

    বিষয়টি নিয়ে এবার ক্ষোভ ঝাড়লেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। গ্রুপে যুক্ত শিল্পীদের জন্য শিল্পী পরিচয়টা নিজের কাছে লজ্জার বলে মনে হচ্ছে অভিনেত্রীর। 

    মৌসুমী বলেন, ‘একজন শিল্পী রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় থাকবে কিনা তা নির্ভর করে তার মনস্তাত্ত্বিক ও ব্যক্তিসত্তার ওপর। তবে সাধারণ মানুষ বা শিল্পী কেউই রাজনীতিকে উপেক্ষা করতে পারে না। কোনো শিল্পী বা রাজনৈতিক দল যদি গণমানুষের কথা না বলে তাহলে সাধারণ জনগণ তাকে ছুঁড়ে ফেলবে এটাই স্বাভাবিক।’

    তিনি বলেন, রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ক্ষমতার দাপটে যেসব শিল্পীরা মানবতা লঙ্ঘন করে জাতির কাছে নিচুতার পরিচয় দিয়েছেন। তাদের জন্য আমার শিল্পী পরিচয় আজ লজ্জার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের ফাঁস হওয়া কথোপকথন নিয়ে যা বললেন সাদিয়া আয়মান

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষে ‘আলো আসবেই’ নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে আওয়ামী লীগ নেতা ও দলটির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শিল্পীদের কথোপকথন রয়েছে। তারা আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। এর পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    rnrn

    গ্রুপটিতে যাদের নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে সরব ছিলেন। এই অভিনেত্রী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি আন্দোলনের বিরুদ্ধে থাকা শিল্পীদের একহাত নেন।

    rnrn

    ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা গেছে, সাদিয়ার স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে দিয়েছেন অভিনেতা মিলন ভট্টাচার্য। সেখানে তিনি সাদিয়াকে ‘তথাকথিত জনপ্রিয় অভিনেত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপর থেকেই অনেকে অভিনেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝেড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।

    rnrn

    এবার এর জবাব দিয়েছেন সাদিয়া আয়মানও। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এই অভিনেত্রী নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে মিলন ভট্টাচার্যকে ট্যাগ করে লিখেছেন, ‘আপনাকে ধন্যবাদ দাদা, মানুষের মতো দেখতে, শিল্পী নামের শয়তান বেশধারীদের কাছে আমার মতো এই সময়ের তথাকথিত জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে চিনিয়েছেন, যে ভুলকে ভুল বলতে জানে, সত্যকে সত্য বলতে জানে। গ্রুপের নাম দিয়েছেন আলো আসবেই- তা বেশ ভালো, তবে আপনারা জানেন আপনাদের নিজেদের জীবনে, মস্তিষ্কে সত্যিকারের আলোর যে ভীষণ প্রয়োজন?’

    rnrn

    উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে ‘আলো আসবেই’ নামের ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়। ওই গ্রুপে আওয়ামীপন্থি শিল্পী ও সাংবাদিকেরা যুক্ত ছিলেন। 

    rnrn

    সেই তালিকায় ছিলেন অরুণা বিশ্বাস, সুবর্ণা মুস্তাফা, ফেরদৌস, সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, রিয়াজ আহমেদ, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, এসএ হক অলীক প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী বাঁধনের ‘আসল পরিচয়’ ফাঁস! 

    আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন তিনি। আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও ছিলেন সরব। আন্দোলনের সময় কখনো তাকে ফার্মগেট, কখনো শাহবাগ আবার কখনো শহিদ মিনারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে তাকে দেখা গেছে। 

    বাঁধন ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিলেও তাকে নিয়ে চলছে না আলোচনা সমালোচনা। সমালোচনাকারীরা বলছেন, অভিনেত্রী বাঁধনকে আন্দোলনে দেখা গেলেও তিনি আসলে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সরকারের সুবিধভোগী ছিলেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন এই অভিনেত্রী। তবে পট পরিবর্তনের হাওয়া বুঝতে পেরে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই। 

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সঙ্গে একাধিক ছবিতে বাঁধনকে দেখা গেছে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও নওফেলের সঙ্গেও তাকে দেখা গেছে। তাছাড়া সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও তারানা হালিমের সঙ্গেও বাঁধনকেও দেখা গেছে। 

    শুধু তাই নয়, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন এই অভিনেত্রী। ২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলামের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন বাঁধন। তাছাড়া শেখ হাসিনার সরকারের রাষ্ট্রীয় একাধিক অনুষ্ঠানেও দেখা গেছে বাঁধনকে। 

    আবার কখনো বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও ভিপি নুরুল হক নুরের সঙ্গেও দেখা গেছে বাঁধনকে।    

    বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করার কারণে এই অভিনেত্রীকে সুযোগ সন্ধানী হিসেবে মনে করছেন অনেকেই।  এখন, নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন, দ্বাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করা বাঁধন কেন আওয়ামী লীগের বিপক্ষে অবস্থান নিলেন? 

    সম্প্রতি মুজিব একটি সিনেবার ব্যয় নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন বাঁধন।  তিনি বলেছেন, কোটি কোটি টাকা বাজেট নিয়ে টাকাগুলো কোথায় গেল? এতে নতুন করে আবার আলোচনায় এসেছেন আজমেরী হক বাঁধন।   

    এদিকে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচারের দাবিতে শেকলবাঁধা পদযাত্রা কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন বাঁধন। 
    তবে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় গণমাধ্যমকে বাঁধন বলেছিলেন, ‘আমি যেদিন থেকে ছাত্রদের যৌক্তিক আন্দোলনে মাঠে নামি, ওই দিন থেকেই আমাকে ফোনে, খুদে বার্তায়, ফেসবুকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল। অ্যাসিডও মারতে চেয়েছে। আমি ভয় পাইনি। 

    তিনি আরও বলেন, বলতেও খুব খারাপ লাগে, সহশিল্পীদের মধ্যে অনেকের সঙ্গে আমার কাজও হয়েছে, তারা ছাত্রদের পক্ষে মাঠে তো ছিলেনই না, উল্টো আমাকে ভয় দেখিয়েছেন, ব্যঙ্গবিদ্রূপ করেছেন।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ফেরদৌস-আরাফাত-রিয়াজের গোপন কথোপকথন ফাঁস

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে-বিপক্ষে শোবিজের দুই দলই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথে সরব ছিলেন। এদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে  নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। 

    rnrn

    আন্দোলনের শুরু থেকেই এই দলটি শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে আওয়াজ তুলতে সক্রিয় ছিলেন। যে পরিকল্পনা থেকে ‘আলো আসবেই’ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সরব ছিলেন তারা। 

    rnrn

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আলো আসবেই’ নামক সেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কিছু স্ক্রিনশট ফাঁস হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা বলছেন শোবিজেরই কয়েকজন। 

    rnrn

    ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, ওই গ্রুপে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, সোহানা সাবাকে যাদের অবস্থান ছিল গেল জুলাইয়ে ঘটা ছাত্রদের আন্দোলনের বিপক্ষে তারা সেখানে যেভাবেই হোক আন্দোলন থামাতে হবে এমন মতামত দিচ্ছেন। 

    rnrn

    এর মধ্যে একজনকে আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর গরম পানি ঢেলে দেওয়ার মতো ভয়ংকর কথা বলতেও শোনা যায়। 

    rnrn

    ওই গ্রুপের বাকি সদস্যদের মধ্য অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, তানভীন সুইটি, সোহানা সাবা, অরুণা বিশ্বাস, অভিনেতা সাজু খাদেমসহ আরও অনেকেই ছিলেন। 

    rnrn

    বিষয়টি ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উঠেছে। এই গ্রুপে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে নিয়েও কথা হয়। ফলে ফারুকী বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেননি। এটিকে মানবতাবিরোধী আখ্যা দিয়ে তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক মাধ্যমে এর বিচার চেয়েছেন।

    rnrn

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ওই গ্রুপের বেশ কিছু কথোপকথনের স্ক্রিনশট নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করেছেন। একইসঙ্গে আন্দোলনকে ঘিরে কারা মানবতার বিপক্ষ শক্তি ছিল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানকে নিয়ে নিজের কোন কীর্তি ফাঁস করলেন জারিন খান

    কলেজজীবনে বেশ কয়েকবার বলিউড অভিনেতা সালমান খানের পিছু নিয়েছিলেন অভিনেত্রী জারিন খান। ভাইজানখ্যাত সালমান যখন মোটরবাইকে চেপে বের হতেন, সেই সময় তাকে নাকি ধাওয়াও করতেন বলে জানান জারিন খান। অবশ্য তাতে কোনো লাভ হয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই তারকার বিপরীতেই মেলে সিনেমা করার সুযোগ। 

    সম্প্রতি আনন্দবাজারের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান জারিন খান। কিন্তু যখন ‘হেট স্টোরি ৩’-এ অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছিল, তখন ভয় পেয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। ছবিটা যে তিনি করছেন, সে কথা সালমানকে বলতেও ভয় পান এ বলিউড অভিনেত্রী। 

    ‘হেট স্টোরি ৩’ ছবিতে একাধিক সাহসী দৃশ্যে দেখা যায় জারিন খানকে। এমনকি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করার কথা সালমানের থেকে অনেক দিন লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। 

    জারিন খান বলেন, অনেক দিন ধরে সালমান জানতেনই না যে, আমি ‘হেট স্টোরি ৩’ করছি। আমি খুব ভয়ে ছিলাম। ওর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করার সাহস ছিল না। কারণ ওর ভাবনাচিন্তা জানি। তিনি বলেন, জানতাম, এ কথা ওকে বলা ঠিক হবে না। সালমানকে খুব ভয় পাই। সালমান যখন আমার সামনে থাকে, আমি পুরো অন্য মানুষ হয়ে যাই। কথা হারিয়ে ফেলি।

    উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ‘বীর’ ছবিতে সালমানের হাত ধরে বলিউডে পা রেখেছিলেন জারিন খান। ২০১১ সালে ‘রেডি’ ছবিতে একটি গানে দেখা যায় তাকে। সালমানের ছবিতে যেসব নায়িকার অভিনয়ে প্রথম হাতেখড়ি হয়, তারা সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। কিন্তু এই প্রথ ভেঙে দিয়েছেন খোদ জারিন খান। ‘হেট স্টোরি ৩’ ছবিতে জারিনের সাহসিকতার পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে সালমানকে বড্ড ভয় পান বলেও জানান তিনি। 

    সূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফাঁস হওয়া বাথরুমের ভিডিও নিয়ে যা বললেন উর্বশী

    কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলার একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, বাথরুমে নিজের পোশাক পরিবর্তন করছেন এই অভিনেত্রী।

    ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ভিডিওর উৎস এবং এটি আসলেই উর্বশীর ব্যক্তিগত কোনো ভিডিও কিনা সে সম্পর্কে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন নেটিজেনরা। অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

    মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘ঘুসপেটিয়া’র ট্রেইলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিষয়টি খোলাসা করে ইনস্ট্যান্ট বলিউডকে উর্বশী বলেন, ‘ভিডিও ক্লিপ যেদিন ছড়িয়ে পড়ল, সেদিন কিছুটা মন খারাপ হয়েছিল। অবশ্যই এটা আমার ব্যক্তিগত জীবনের কোনো ভিডিও নয়। এটা ঘুসপেটিয়া সিনেমার একটি অংশ।’

    গত শুক্রবার প্রকাশিত ঘুসপেটিয়া সিনেমার ট্রেইলারে সে দৃশ্যটি রাখা হয়েছে। সুসি গানেশান পরিচালিত এই সিনেমায় উর্বশীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন বিনীত কুমার সিং ও অক্ষয় ওবেরয়। আগামী ৯ আগস্ট মুক্তি পাবে ঘুসপেটিয়া।

    ট্রেইলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উর্বশীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তার ব্যক্তিজীবনের কোনো ভিডিও এভাবে কখনো ছড়িয়ে পড়েছিল কিনা। এই প্রশ্নের জবাবে উর্বশী জানান, ‘না, না। কোনো মেয়ের সঙ্গে কখনো এমন কিছু হওয়া উচিৎ নয়।’

    তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ-হৃতিকের ‘গোপন কথা’ ফাঁস করলেন ফারাহ খান

    শাহরুখ ভক্তদের পছন্দের সিনেমার প্রথম সারিতে রয়েছে ‘ম্যায় হুঁ না’,কিন্তু জানেন কি এই ছবিতে কিং খানের ভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করার কথা ছিল হৃতিক রোশনের। কোরিওগ্রাফার তথা পরিচালক ফারাহ খান বিষয়টি জানিয়েছিলেন। 

    rnrn

    ফারাহ খান জানান, প্রথমে ‘ম্যা হুন না’ ছবিতে শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করার কথা ছিল হৃতিক রোশানের, কিন্তু বলিউড বাদশার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার বিষয়ে খুব নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন হৃতিক।

    rnrn

    তিনি জানান, ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’ করে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন হৃতিক। তারপর এই দুই অভিনেতাকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। খবর আসতে থাকে তাদের মধ্যে নাকি একটা ঠান্ডা লড়াই চলছে, হৃতিক নাকি শাহরুখের জায়গা নিতে পারেন। কিন্তু এই সব কিছুকে নস্যাৎ করে করণ জোহরের সহযোগিতায় শাহরুখ ও হৃতিককে ২০০১ সালে ‘কাভি খুশি কাভি গম’- এ দুই ভাইয়ের ভূমিকায় দেখা যায়।

    rnrn

    তবে ‘ম্যায় হুঁ না’-এর গল্পটা একটু আলাদা। রেডিও নাশাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বচ্চনের ‘ম্যায় হুন না’- তে ‘লক্ষ্মণ’-এর চরিত্রটি করার যে গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল তা সত্যি কিনা ফারহা খানের কাছে জানতে চাওয়া হলে, পরিচালক জানান, হৃতিককে প্রথমে এটি করার কথা বলা হয়েছিল কারণ, ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’-এর শ্যুটিংয়ের সময় ওর দেওয়া প্রথম শট দেখেই তিনি বুঝেছিলেন হৃতিক ভবিষতে একজন বড় তারকা হতে চলেছেন। একথা ফারহা হৃতিকের বাবা পরিচালক রাকেশ রোশনের কাছে গিয়েও বলেন যে, তার ছেলে একজন বড় তারকা হতে চলেছেন।

    rnrn

    আর এ সময় হৃতিককেও ফারহা জানান, তিনি যে একটি স্ক্রিপ্ট লিখেছেন, সেখানের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে হৃতিককে তিনি চান। এটা শুনে হৃতিক খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। শাহরুখ খানও সেই ছবিতে থাকছেন জেনে, হৃতিক জানাতে চেয়েছিলেন, ‘শাহরুখ আমার সঙ্গে কাজ করতে চাইবেন কি?’ এই প্রশ্নের উত্তরে ফারাহ হৃতিককে বলেছিলেন, ‘অবশ্যই।’ এবং তারপরই ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’ মুক্তি পায় এবং হৃতিক রাতারাতি একজন বিরাট মাপের তারকা হয়ে ওঠেন, তারপর বাকিটা তো ইতিহাস।

    rnrn

    এরপর ২০০১ সালে শাহরুখ ও হৃতিককে ‘কভি খুশি কাভি গম’- এ দেখা যায় কিন্তু তাদের নিয়ে বাড়তে থাকা গুঞ্জনের জন্য তারা দু'জনেই খুব সচেতন ভাবে এই ছবিতে কাজ করেন। আর এর প্রভাব পড়েছিল সেটেও। এই প্রসঙ্গে করণ জোহর একবার জানিয়েছিলেন, শাহরুখ সেটে হৃতিকের থেকে নিজের দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন। হৃতিক তার জায়গা নিতে পারেন বলে যে গুঞ্জন ছড়ানো হয়েছিল সেটা মোটেই ঠিক নয়, পাশাপাশি অন্যায়ও বটে।

    rnrn

    কারণ হৃতিক অনেক জুনিয়র ছিলেন শাহরুখের থেকে। যখন হৃতিক কাজ শুরু করেন তার বহু আগে শাহরুখ রীতিমতো বড় তারকা হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু এমন ভাবে পুরো বিষয়টি প্রচার করা হয়েছিল যে শাহরুখ ও হৃতিককের সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচকতা বাড়তে থাকে। যা খুবই দুঃখজনক। তাই ‘কভি খুশি কাভি গম’- এর শ্যুটিংয়ের সময় হৃত্বিক ও শাহরুখের মধ্যে একটা বন্ধুত্বের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা চলছিল, আর করণ জানান এই কাজে সাহায্য করেছিলেন নায়িকা কাজল।

    rnrn

    ২০০৭ সালে প্রকাশিত অনুপমা চোপড়ার লেখা ‘কিং অফ বলিউড: শাহরুখ খান অ্যান্ড দ্য সিডাক্টিভ ওয়ার্ল্ড অফ ইন্ডিয়ান সিনেমা’- তে এই দুই অভিনেতার মধ্যে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘এটা খুব ভুল ছিল’। 

    rnrn

    বইটিতে শাহরুখের উদ্ধৃতেও লেখা রয়েছে,‘আপনি আমার দশ বছরের কাজ কেড়ে নিতে পারবেন না। আপনি হঠাৎ একদিন সকালে এসে আমাকে বলতে পারবেন না, ‘আরে আপনি আপনার জায়গা হারিয়েছে, আপনার অনেক বয়স হয়েছে, আপনাকে দিয়ে আর হবে না।’ আসলে কেউ আমাকে জিজ্ঞাসাই করেননি। আমি হৃতিক রোশনকে নিয়ে কী ভাবছি সেটা কি কেউ জানতেন? তাই আমার ব্যাপারে এই লজ্জাজনক গুঞ্জন রটে গেল।'

    rnrn

    যার কারণে সেই সময় নানা কারণে হৃতিক আর ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবিতে কাজ করেননি হৃতিক। তারপর ‘লক্ষ্মণ’ চরিত্রটির জন্য অফার করা হয় জায়েদ খানকে। পরবর্তীতে তাকেই এই ছবিতে শাহরুখের ভাইয়ের ভূমিকায় দেখা যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফ-কারিনার বিচ্ছেদ নিয়ে নতুন তথ্য ফাঁস

    বলিউডের অন্যতম আদর্শ দম্পতি হিসেবে ধরা হয় সাইফ আলি খান ও কারিনা কাপুরকে। দুই ছেলে নিয়ে চলছে তাদের সুখের সংসার। সম্প্রতি শোনা যায়, তাদের নাকি বিচ্ছেদ হচ্ছে। আর এই জল্পনার কারণ ছিল সাইফের হাতের ট্যাটু। হঠাৎ অভিনেতার হাত থেকে উধাও হয়ে গেছে করিনার নাম লেখা ট্যাটুটি। আর সেখান থেকে শুরু হয়েছিল এই জল্পনার।

    কিন্তু সেই পুরোনো ট্যাটু আবার দেখা গেছে সাইফের হাতে। আর সেটা দেখেই খুশির হাওয়া ‘সাইফিনা’ ভক্তদের মধ্যে। অনেকেই অনুমান করেছিলেন যে সাইফ কাজের জন্যই হয়ত ট্যাটুটি ঢেকেছেন। আর এই ঘটনার পর মনে করা হচ্ছে তাদের সেই অনুমানই সঠিক।

    রোববার অভিনেতাকে তার বাড়ির বিল্ডিংয়ের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। তখনই তার হাতে স্ত্রী কারিনার নাম লেখা ট্যাটুটি আবার দেখা যায় তার হাতে। আর এই ট্যাটুকে নিয়েই যেহেতু জল্পনা-কল্পনা তা দ্রুত সাংবাদিকদের নজর কাড়ে সেটি। আর সেই ট্যাটুর ভিডিওটি স্যোশাল মিডিয়ায় তারা প্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তরা হার্ট ইমোজিসহ, নানা মন্তব্যে ভরিয়ে তোলেন কমেন্ট বক্স।

    ২০১২ সালে বিয়ে করেন করিনা কাপুর ও সইফ আলি খান। এটা সাইফের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে প্রায় ১২ বছরের বড় অভিনেত্রী অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা। ২০০৪ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। সাইফ ও অমৃতার দুই সন্তানও রয়েছে। একজন সারা আলি খান অন্যজন ইব্রাহিম আলি খান। সারাও বর্তমানে বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি সিনেমাতে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কেড়েছেন। অন্যদিকে, সাইফ ও কারিনারও রয়েছে দুই ছেলে তৈমুর আলি খান ও জাহাঙ্গীর আলি খান। ২০১৬ সালে জন্ম হয় তৈমুরের অন্যদিকে, ২০২১ সালে জন্মায় জাহাঙ্গীর।

    সাইফ ‘দেবারা’র মুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিনেমাটিতে জুনিয়র এনটিআর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি এই সিনেমার হাত ধরেই দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জাহ্নবী কাপুর পা রাখতে চলেছেন। তেলেগু ভাষার এই সিনেমাতে একজন পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করবেন সাইফ।

    বিনোদন ডেস্ক