Tag: প্রিয়াংকা

  • ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যা বললেন শামীম

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার অভিনেতা শামীম হাসান সরকারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলতে থাকা বিতর্কের ঝড় যেন থামছেই না। অভিনেত্রী প্রিয়াংকা প্রিয়াকে গালাগাল, ধর্ষণের হুমকি এবং শুটিং সেটে নেশাদ্রব্য সেবনের অভিযোগ ওঠে অভিনেতার বিরুদ্ধে। প্রিয়াংকা ছাড়াও একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে বাজে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে অভিনেত্রীর আনা সব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করলেও শামীম হাসান এবার নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন।

    ‎বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিনয়শিল্পী সংঘের সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। যেখানে অভিনেতা শামীম তার শুভাকাঙ্ক্ষী ও নারী সহকর্মী প্রিয়াংকার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

    শামীম বলেন, সম্প্রতি অভিনেত্রী প্রিয়াংকা প্রিয়ার সঙ্গে আমার একটা খারাপ এক্সপ্রিয়েন্স হয়। আমি তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি। গালাগাল করেছি। সেই ঘটনার পর প্রিয়াংকার সঙ্গে আজ দেখা হয়েছে। আমি তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি, আমার ভুলের জন্য লজ্জিত।

    ‎অভিনয় জীবনে শুধু প্রিয়াংকাই নয়; বিভিন্নজনকে কষ্ট দিয়ে থাকতে পারেন। সে জন্য সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করে শামীম বলেন, ‘হয়তো রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কিছু বলেছি। তিনি বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, আমার দ্বারা এ রকম আর কখনো হবে না। খারাপ ব্যবহার বা খারাপ কথা কেউ পাবেন না। আমার কথার মাধ্যমে আপনারা যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমাকে মাপ করে দেবেন।

    ‎‎ওই ভিডিওবার্তায় শামীম আরও বলেন, ‘আমার শুভাকাঙ্ক্ষী যাদের কাছে অভিযোগটা গেছে, সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আপনাদের সবার কাছে কথা দিচ্ছি— আমি এমনটি কখনো করব না।

    ‎এদিকে অভিনয়শিল্পী সংঘ এক পোস্টে জানিয়েছে, শামীম হাসান সরকার অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সদস্য। সেহেতু সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার ভঙ্গ করায় অভিনেতাকে শেষবারের মতো সতর্ক করা হলো৷ পুনরায় এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শামীমের সদস্যপদ গঠনতান্ত্রিক নিয়মে খারিজ করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ প্রিয়াংকার, যা বললেন অভিনেতা শামীম

    ছোট পর্দার অভিনেতা শামীম হাসান সরকারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াংকা। মঙ্গলবার বিকালে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে হাজির হয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কথা বলেন শামীম হাসান। 

    অভিনেতার দাবি, প্রিয়াংকা তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, বিষয়টি সঠিক নয়।

    শামীম হাসান বলেন, ‘যিনি আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দিলেন, তিনি একটি নাটকের লটে আমার সঙ্গে আগেও কাজ করেছেন। আমাদের মধ্যে কোনো শত্রুতা নেই। গত পরশুদিন থেকে ওই নাটকের নতুন লটের শুটিং শুরু হয়েছে। তিনি সেটে এসেই রিলস ও টিকটক নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ সময় আমি অনেকটা রাগ করেই বলেছি, যদি রিলস বানাতেই হয় তাহলে বাইরে গিয়ে কারো, শুটিং সেটে এসব চলবে না। শুধু এতটুকুই।’

    শুধু ধর্ষণের হুমকি নয়, শামীম হাসানের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগও তুলেছেন প্রিয়াংকা। এ বিষয়ে শামীম হাসান বলেন, ‘মাদক সেবনের অভিযোগ আরও গুরুতর। আমাদের শুটিং হাউজের সব জায়গায় সিসি ক্যামেরা আছে, আপনারা চাইলে আমি সেগুলো আপনাদের দিতে পারি। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে আমি মিডিয়া ছেড়ে দেব।

    এছাড়া অভিনেত্রীর গায়ে হাত তোলার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার অভিনয় জীবনের ১০ বছর চলছে। এ জীবনে আমি কারও ওপর হাত তুলিনি। 

    শামীম হাসান বলেন, তিনি যদি কারও দ্বারা হ্যারেজমেন্টের শিকারই হয়ে থাকেন, তাহলে এই ঘটনা ঘটবে আমাদের আনোয়ার ভাইয়ের সঙ্গে। কারণ, তিনি তার সঙ্গেই টিকটক করছিলেন। আমার সঙ্গে তো এমন ঘটনা ঘটনার কথা না। তাহলে তিনি আমার বিরুদ্ধে এই ধরণের অভিযোগ তুললেন কীভাবে?

    পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, একটা মিথ্যা অভিযোগ যেহেতু উঠেছে আমাকে তো ব্যবস্থা নিতেই হবে। একটা মিথ্যা বিষয় আমি কখনো ছেড়ে দেব না। আগে আমার পরিবার শিল্পী ও সংগঠনের সঙ্গে কথা বলব, যদি তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে বলেন তাহলে সেটাই হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শেলি আহসান, অভিনেতা ও নির্মাতা সহীদ উন নবীসহ শুটিং ইউনিটের অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাহেলগাম নিয়ে দূরদেশ থেকে যা বললেন প্রিয়াংকা

    পাহেলগামওকাণ্ডের ঘটনায় স্তব্ধ পুরো ভারত। গত মঙ্গলবার নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বলেউডের তারকারাও। বিদেশ থেকে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়াও ফুঁসছেন এ ঘটনায়।

    মঙ্গলবারের হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রত্রিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রিয়াংকা চোপড়া। 

    অভিনেত্রী বলেন, পাহেলগামে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। মানুষ তো ওখানে ভ্রমণের জন্য গিয়েছিলেন। কেউ গিয়েছিলেন মধুচন্দ্রিমায়, কেউ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন, আবার কেউ বা কাশ্মীরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছিলেন।

    প্রিয়াংকা আরও বলেন, কতগুলো নিরীহ প্রাণ চলে গেল। ওরা কল্পনাও করতে পারেননি এমন হবে। চোখের সামনে প্রিয়জনদের হত্যালীলা চলল। এ ঘটনা থেকে আমরা এগিয়ে যেতে পারব। মানবিকতার দিকে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন এ নির্মম ঘটনা। বহু দিন পর্যন্ত এ ঘটনা আমাদের তাড়া করে বেড়াবে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছেন প্রিয়াংকা।

    প্রিয়াংকার মতোই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান, বলিভাইজান সালমান খান, অক্ষয় কুমার, সঞ্জয় দত্ত, অনুপেম খেররা।

    সালমান লিখেছেন—পৃথিবীর বুকে স্বর্গ যেন নরকে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমি সমব্যথি। মনে রাখবেন—একজন নির্দোষকে হত্যা করার অর্থ গোটা পৃথিবীকে হত্যা করা।

    শাহরুখ লিখেছেন, কতবার বন্ধুরা ডেকেছে। আমার পরিবার ছুটিতে কাশ্মীর বেড়াতে গেছে। অনেকসময় শুটিংয়ের সুযোগও এসেছে। আমি বাকি দুটি জায়গা ঘুরেছি। কেবল কাশ্মীরছাড়া। বাবা নেই যে আর, কার সঙ্গে কাশ্মীর যাব? ওখানে গেলে বাবাকে মিস করব। বাবার জীবনের অনেকটা সময় উপত্যকায় কেটেছে।

    অক্ষয় লিখেছেন—পাহেলগামে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনার খবর জেনে সত্যিই স্তম্ভিত। নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। তাদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘লজ্জা’ সিরিজের চরিত্রের সঙ্গে আমার জীবনের মিল খুঁজে পাই: প্রিয়াংকা

    বিনোদন জগতের টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা সরকার। মাঝে মধ্যেই গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে এসে নানা কথা বলেন তিনি। সবাই বলেন— ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছাড়া আমার কোনো হিট সিনেমা নেই। কেউ তো বলেন না, আরও একটা ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ কেন তৈরি হয় না? সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে ‘লজ্জা’ সিনেমা নিয়ে আবারও তার মনের কথা ভক্ত-অনুরাগীদের জানালেন অভিনেত্রী। 

    লাল সাহসের প্রতীক, শক্তিরও। লালের নানা স্তরবিন্যাস তার পোশাকে থাকে। সঙ্গে কাজ করা সাদা জ্যাকেট। খোঁপায় বাঁধা চুল, কাঁধ ছোঁয়া দুল, অল্প রূপটান— প্রিয়াংকা যেন একই সঙ্গে শান্তি ও শক্তির প্রতীক! ‘লজ্জা’ সিরিজের ‘জয়া’ বুঝি এমনই? প্রশ্ন রাখতেই গালে টোল পড়ল অভিনেত্রীর। তিনি বললেন, কাজ নিয়ে, নিজের জীবন নিয়ে এবং অভিনীত সিনেমা নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই— কোনো লজ্জাও নেই।

    প্রিয়াংকা সরকার দ্বিতীয়বার ‘লজ্জা’ দিতে আসছেন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে হেসে তিনি বলেন, খুব ভালো বলেছেন। হ্যাঁ, আর লজ্জা পেতে নয়, এবার লজ্জা দিতে আসছি।

    প্রিয়াংকা বলেন, আমি শুধু এখনকার কথা বলব না। ‘লজ্জা’র প্রথম পর্ব মুক্তির পর যেভাবে সামাজিক মাধ্যম ছেয়ে গিয়েছিল, যে কোনো অভিনেত্রীর কাছে সেটি গর্বের। অনেকে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিয়েছেন। কত কিছু জানতে পেরেছি। আমি কিন্তু এটাই চেয়েছিলাম। ‘লজ্জা’ যেন সব মানুষের মনের আগল খুলে দেয়। 

    এবারের পর্বে কী দেখানো হবে? অভিনেত্রী বলেন, আগের গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই পরের পর্বের সূচনা। অনেক বিষয় রয়েছে। যেমন— এই ‘ভার্বাল অ্যাবিউজ’ নিয়ে কথা তো রয়েইছে। আগের পর্বে দম্পতির অন্দরমহলের মান-অপমান প্রকাশ্যে এসেছিল। এবার সেই বৃত্ত আরও একটু বড় হয়েছে। সমাজ কীভাবে লাঞ্ছিতার সঙ্গে ব্যবহার করে, কোন তকমা সাঁটিয়ে দেয় তার গায়ে — এসব দেখানো হবে। লাঞ্ছিতা তার সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নেবে, পথে বন্ধু হিসাবে কার হাত ধরবে, কার হাত ধরবে না— সেটিও একই সঙ্গে বুঝতে হবে তাকে। এসব স্পর্শকাতর দিকগুলো দেখানো হয়েছে। 

    সমাজে প্রচলিত— লজ্জা নারীর ভূষণ, পুরুষের লজ্জা পেতে নেই? এ প্রসঙ্গে  প্রিয়াংকা বলেন, এই প্রচলিত ধারণাই বুঝিয়ে দিচ্ছে— সমস্যা কত গভীরে ছড়িয়ে গেছে। লজ্জা পুরুষেরও। কষ্ট হলে পুরুষেরও কান্না পায়, সেটিই স্বাভাবিক। 

    তিনি বলেন, যদিও সমাজ আমাদের শিখিয়েছে, চোখের জল, যন্ত্রণা, লজ্জা— সবটাই শুধু নারীর। একেবারেই তা নয়। আমরা প্রথম সিরিজ দেখানোর পর যা যা ফিডব্যাক পেয়েছি, অনেকের জীবনের যা যা ঘটনা জানতে পেরেছি— সেসব নিয়ে দ্বিতীয় পর্ব তৈরি হয়েছে। দর্শক দেখে বলবেন, আসলে লজ্জা কার। সম্পর্ক ততক্ষণই সুস্থ, যতক্ষণ সেখানে আত্মসম্মান বজায় থাকবে— এটিও দেখানো হবে। আমরা ভাবি, স্বার্থত্যাগ বুঝি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চাবিকাঠি এবং সেটা শুধুই মেয়েদের করতে হবে। একেবারেই না। নারী-পুরুষ উভয়কেই সম্পর্কের খাতিরে স্বার্থত্যাগ করতে হবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে তবেই না একটা সম্পর্ক আজীবন থেকে যায়। 

     ‘জয়া’ হতে গিয়ে নাকি প্রিয়াংকা খুব কষ্ট পেয়েছেন। ওর জীবন উঠে এসেছে। এমন প্রশ্নের উত্তরে একটু থেমে, বড় করে শ্বাস নিয়ে অভিনেত্রী বললেন, আমার অভিনীত প্রতিটি চরিত্রেই আমার জীবনের ছায়া পড়ে। অবশ্যই আমি কখনো ঘরে, কখনো পেশাজীবনে খারাপের মধ্য দিয়ে গেছি। পেশাজীবনে যতটা পাওয়ার কথা ছিল, ততটা পাইনি। মুখচোরা বলেই হয়তো। 

    তিনি বলেন, হ্যাঁ, জয়া হয়ে উঠতে গিয়ে তাই খুব কষ্ট হয়েছে। একটা সময় জয়ার চরিত্রের সঙ্গে আমার একাত্মতাও তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে, পর্দার মেয়ের সঙ্গে যখন মায়ের দৃশ্যগুলো করেছি। একই ভাবে যখন পর্দায় আমার আর আমার মায়ের দৃশ্যগুলো। একজন মুখচোরা মেয়েকে নিজের বেতরটা খুলে দেখাতে হচ্ছে! খুব যন্ত্রণার। কষ্টও পেয়েছি, সেই কষ্ট সহ্য করতে করতে দৃশ্যগুলোকে জীবন্ত করার চ্যালেঞ্জও নিয়েছি। 

    হেসে প্রিয়াংকা বলেন, ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখি। আমি খুব ঈশ্বরভক্ত। আসলে কী জানেন— জীবন কখনো মসৃণ, পেলব নয়। অনেক ওঠাপড়া সেখানে। এটা মেনে নিতে হবে। সেটি না থাকলেই বরং জীবন পানসে। কাজের জায়গা বলুন কিংবা সম্পর্ক— এই ওঠাপড়া না থাকলে একটা সময়ের পর আপনিও একঘেয়েমিতে ভুগবেন। এই ওঠাপড়া থেকে ভালো দিকটা আপনি নেবেন, না কি মন্দ দিকের ধাক্কায় অবসাদে ডুবে যাবেন, সেটি আপনার ওপর নির্ভর করছে। আমি অন্তত এই ওঠাপড়া থেকে ভালোটাই নেওয়ার চেষ্টা করি। 

    তিনি বলেন, খুব দুঃখের সময় আশায় বুক বেঁধেছি। এর পর ভালো কিছু হবে, হয়েওছে। খারাপ সময় থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করেছি— কীভাবে ওই সময় অতিক্রম করতে হয়। কোনো মানুষের জীবনে শুধু খারাপ বা শুধু ভালো হয় না। লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে। যখন খারাপ সময় আসে, মনে মনে বলি— এই সময়টাও কেটে যাবে। এই বিশ্বাস আঁকড়েই পথ চলছি। আমার অনুরাগীদেরও সেই বার্তাই দেব— ধৈর্য ধরতে হবে।

    সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন, অদিতি রায় বানালেন, আর প্রিয়াংকা সরকার অভিনয় করলেন— সিরিজ হিট। প্রিয়াংকা বলেন, কাহিনিকার সম্রাজ্ঞী, পরিচালক অদিতিদি ভীষণ স্পর্শকাতর। ওরা খুব খুঁটিয়ে বিষয়টি দেখেছেন। অভিনেত্রী বলেন, ভেবে দেখুন— একজন পুরুষকে গালাগাল দেওয়ার জন্য কিন্তু বেশি শব্দ তৈরি হয়নি। মেয়েদের জন্য বাছা বাছা গালাগালি রয়েছে। এই দিকটা সম্রাজ্ঞী গবেষণা করে জেনেছেন। তারপরও বলব, কিছু পুরুষ না থাকলে দর্শক দেখতে পেতেন না। যেমন— প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা ও মহেন্দ্র সোনি। ওরা মেয়েদের যন্ত্রণা অনুভব করেছেন। আর ছিলেন পুরুষ অভিনেতা ও চিত্রগ্রাহক। প্রচার ভিডিও তৈরি করেছেন যারা, তাদের মধ্যেও পুরুষ রয়েছেন। তিন নারীর পাশে পুরুষরাও ছিলেন, তাই সিরিজ সফল।

    মেয়েরা শুধুই মেয়েদের শত্রু নন। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, মেয়েরা পাশে থাকতে পারেন। সাপোর্ট সিস্টেম হয়ে উঠতে পারেন। আবার মেয়েরাই মেয়েদের বড় সমালোচক। সেই জায়গা থেকে বলব— মেয়েরা যদি মেয়েদের যন্ত্রণার কথা মন দিয়ে শোনেন, তাতেও অনেক সমস্যা লঘু হয়ে যায়।

    বাস্তবে মুখচোরা প্রিয়াংকা কতটা কথা বলতে শিখেছেন। প্রিয়াংকা বলেন, অনেকটা শিখেছি। প্রত্যেকটা চরিত্র থেকেই কিছু না কিছু শিখি। জয়া দেখিয়েছে, মুখ খুলতে না পারলে একজন মেয়েকে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়। যারা আমাকে জানেন, তারা বোঝেন— খুব মিশুকে নই আমি। এক দেখাতেই প্রচুর কথা বলতে পারি না। জয়া হয়ে উঠতে গিয়ে এর প্রয়োজনীয়তা বুঝেছি। শুধুই জয়া নয়, দর্শকের নানা মন্তব্য ও অনুপ্রেরণাও আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। তাদের জীবনের নানা ঘটনা পড়ে বুঝতে পেরেছি, কথা বলা খুব দরকার এবং একই সঙ্গে কথা শোনাটাও জরুরি।

    কর্মক্ষেত্র মানুষের দ্বিতীয় বাড়ি। সেখানেও কথার তীরে হৃদয় রক্তাক্ত। সেই পর্ব কি সিজন তিনে?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ওরে বাবা। আগে দ্বিতীয় সিজন মুক্তি পাক। অবশ্য ঠিকই বলেছেন, কথার তীর-ই বটে, যা একবার বেরিয়ে গেলে ফেরানো যায় না। এবারের সিহন দেখে দর্শক কী প্রতিক্রিয়া দেন সেটির ওপরেই নির্ভর করছে সিজন থ্রি। 

    যে অভিনেত্রীর অনুরাগীর সংখ্যা লক্ষাধিক, তার ঝুলিতে হিট সিনেমা বলতে—  ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’, প্রিয়াংকার খামতি কোথায়? একটু চুপ থেকে প্রিয়াংকা বলেন, হ্যাঁ, আমিও জানি সেটি। কিন্তু সবটা তো আমার হাতে নেই। আমি বরাবর দর্শককে ভিন্ন স্বাদের চরিত্র উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অভিনয়ের সময়েও নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। তারপরও সিনেমা দর্শকদের মন ছুঁতে পারে না। আমার চেষ্টার কমতি ছিল না। হয়তো কোনো চিত্রনাট্য বা সিনেমা সঠিক বাছাই করিনি, সেটিও হতে পারে। ঠিক জানি না। 

    এই খামতিই কি প্রিয়াংকার জীবনের ‘লজ্জা’? অভিনেত্রী বলেন, আমার কোনো লজ্জা নেই। কোনো আক্ষেপও নেই। ব্যক্তিজীবন বলুন বা পেশাজীবন— প্রত্যেক ভূমিকায় আমি আমার মতো করে সফল। মেয়ে হিসাবে, স্ত্রী হিসাবে, মা হিসাবে এবং অভিনেত্রী হিসাবে— ফাঁকি দিইনি। তাই যা পেয়েছি, যেভাবে আছি তাতেই খুশি। আমার হয়তো এটুকুই পাওনা। বাকিটা ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের ফোন থেকে প্রিয়াংকার প্রেম বার্তা, তিনি কে?

    এক নায়িকার কথা নাকি খুব মনে পড়ছে। এমন একটি বার্তা সেই নায়িকাকে সটান পাঠিয়েছিলেন অভিষেক বচ্চন। বর্তমানে তারা দুজনই নিজেদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু একটা সময় সেই নায়িকাকে অভিষেক লিখে পাঠিয়েছিলেন, ‘তোমার কথা আমার খুব মনে পড়ছে।’ তবে অভিষেকের এই বার্তার নেপথ্যে ছিল আরও একটি ঘটনা। সেই ঘটনা একটি সাক্ষাৎকারে প্রকাশ্যে আনেন প্রিয়াংকা চোপড়া।

    ‘ব্লাফমাস্টার’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন প্রিয়াংকা ও অভিষেক। ছবির সেটে প্রায়শই নানা ধরনের খুনসুটি করতেন অভিষেক। এমনই এক দিন প্রিয়াংকার ফোন লুকিয়ে রেখে দেন অভিষেক। তার পরেই অভিষেকের সঙ্গে পালটা খুনসুটি করার ফন্দি আঁটেন প্রিয়াংকা।

    অভিনেত্রী বলেছেন, ‘ও আমার ফোন প্রথমে চুরি করেছিল। ফোনের ওপর বসে পড়েছিল।’ এর প্রতিশোধ নিয়েছিলেন প্রিয়াংকা। অভিষেকের ফোন থেকে তিনি রানি মুখোপাধ্যায়কে লিখে পাঠিয়েছিলেন, ‘তোমার কথা খুব মনে পড়ছে। তুমি কোথায়?’ এই বার্তা পাঠিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেই ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। গোটা একটা দিন প্রায় ফোন খুঁজতে খুঁজতেই কেটে গিয়েছিল অভিষেকের। পরে রানি পালটা বার্তায় লিখেছিলেন, ‘তোমার কি কিছু হয়েছে অভিষেক?’ যদিও রানি জানতে পারেননি, এই খুনসুটি আসলে প্রিয়াংকা করেছেন।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ‘বান্টি অউর বাবলি’, ‘যুবা’র মতো ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন রানি ও অভিষেক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হতে চলেছেন কিয়ারা, দীপিকা-প্রিয়াংকার স্থান নিতে চলেছেন অভিনেত্রী

    বলিউডে প্রথম সারির অভিনেত্রী বলতে প্রথমেই উঠে আসে দীপিকা পাড়ুকোন ও প্রিয়াংকা চোপড়ার নাম। দ্বিতীয়জন বলিউড থেকে হলিউডে গিয়েও পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছেন। পারিশ্রমিকের দিক থেকেও দুই অভিনেত্রীই শীর্ষে। এবার এ তালিকায় জুড়তে চলেছে অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানির নাম। দিন কয়েক আগেই মা হতে চলার সুখবর দিয়েছেন অভিনেত্রী। কর্মজগতে আরও এক সাফল্য অপেক্ষা করে রয়েছে কিয়ারার জীবনে।

    কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কিয়ারার সিনেমা— ‘গেম চেঞ্জার’। দক্ষিণী অভিনেতা রামচরণের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী। ছবিটি বক্স অফিসে আলোড়ন ফেলতে পারেনি ঠিকই, কিন্তু এই ছবির জন্য বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন কিয়ারা আদভানি। এ ছবির পর থেকে দক্ষিণী সিনেমার জগতেও শক্ত ভিত তৈরি করেছেন অভিনেত্রী। এবার তাকে দেখা যাবে দক্ষিণী তারকা যশের বিপরীতে। ছবির নাম ‘টক্সিক’। এ সিনেমার জন্যও নাকি বিরাট অঙ্কের পারিশ্রমিক চেয়েছেন কিয়ারা আদভানি।

    জানা যাচ্ছে, এ সিনেমার জন্য ১৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিচ্ছেন অভিনেত্রী। এ সিনেমার মাধ্যমেই কন্নড় চলচ্চিত্রজগতে তিনি পা রাখছেন। ভারতে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের অধিকারী অভিনেত্রীদের মধ্যে নাম লেখাতে চলেছেন তিনি এ সিনেমার মাধ্যমেই। কিয়ারার আগে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। ‘টক্সিক’ ছাড়া হৃতিক রোশনের সঙ্গে ‘ওয়ার ২’ সিনেমাতেও দেখা যাবে কিয়ারা আদভানিকে।

    অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমার জন্য ২০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। প্রিয়াংকাকেও এবার দেখা যাবে দক্ষিণী সিনেমায়। এসএস রাজামৌলির পরবর্তী সিনেমায় তিনি নাকি ৩০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেমে বড় আঘাত পেয়ে ভাঙা মন নিয়ে যা করেছিলেন প্রিয়াংকা

    নেতিবাচক বিষয়কে কোনোভাবেই নিজের জীবনে জায়গা দেন না ‘দেশি গার্ল’খ্যাত অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। এর মধ্যেই বলিউড থেকে হলিউডে পাকাপাকি জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। বহু মানুষেরই অনুপ্রেরণা তিনি। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মেয়ের ভাবনা-চিন্তা ও জীবনবোধ নিয়ে কথা বললেন মধু চোপড়া।

    মেয়ের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে মধু বলেন, প্রিয়াংকা তার বাবার কাছ থেকে এই স্বভাব পেয়েছে। ওর বাবাও জীবনে নেতিবাচক বিষয়কে প্রশ্রয় দিত না। সংগীতের মধ্যে শান্তি খুঁজে নিত। প্রিয়াংকাও একই রকম বলে জানান তিনি। 

    নিজের জীবনে কোনো মানুষকে জায়গা দেবে, এ বিষয়ে নাকি ‘দেশি গার্ল’ খুবই সতর্ক থাকেন। নেতিবাচক মানুষের কোনো জায়গা নেই তার জীবনে। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর মা বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ থাকে, যারা আমাদের একেবারেই পছন্দ করে না। সেই নেতিবাচকতা জীবনে ডেকে এনে কী হবে।

    স্বভাবে বিনয়ী প্রিয়াংকা। প্রয়োজনে ক্ষমাও করে দেন। কিন্তু কাউকে অপছন্দ হলে  তাকে আর জীবনে প্রবেশ করতে দেন না তিনি। এ প্রসঙ্গে মধু চোপড়া বলেন, ওর কাউকে অপছন্দ হলে, জীবন থেকে ছেঁটে ফেলে দেয়। একবারই এমন হয়েছে যদিও। ওই মানুষটা যদিও এটারই যোগ্য ছিল। 

    ছয় বছরের এক সম্পর্কে মন ভেঙেছিল প্রিয়াংকার। অভিনেত্রী নিজেই পরে জানিয়েছিলেন তার মাকে। তবে ঠিক কোন সম্পর্কে কন্যা আঘাত পেয়েছিলেন, সে বিষয়ে কোনো কথা বলেননি প্রিয়াংকার মা মধু চোপড়া।

    সম্পর্ক নিয়ে প্রিয়াংকা নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, একসময়ে আমি পর পর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছিলাম আমার সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে। নিজেকে সেরে ওঠার কোনো সময়ই দিইনি। সম্পর্ক নিয়ে নিজের একটা ধারণা ছিল। সেই ধারণার সঙ্গে সেই প্রেমিকদের খাপ খাওয়াতে চাইতাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরিবার তুলে প্রিয়াংকাকেও প্রশ্ন করেন রণবীর, খেয়েছিলেন ধমক!

    ‘ইন্ডিয়াস গট ল্যাটেন্ট’-এ ইউটিউবার রণবীর আল্লাবাদিয়ার বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে থামছে না আলোচনা। আর এতে নেটিজেনদের পাশাপাশি সেলিব্রিটিরাও তার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করছেন। চোখের পলকে হারাচ্ছেন অনুসারীদেরও। কারণ, সেই শো-এ নিজের হাস্যরস দেখাতে গিয়ে এক প্রতিযোগীর বাবা-মায়ের গোপন মুহূর্ত প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বসেন ইউটিউবার রণবীর।

    তবে এ ঘটনা এবারই নতুন নয়! এর আগেও পরিবার প্রসঙ্গ তুলে বলি অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার কাছে ধমক খেয়েছিলেন রণবীর। কিন্তু কী এমন বলেছিলেন প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরীকে?

    জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ, অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে বহু ক্রিকেট তারকারাও আসতেন রণবীরের অনুষ্ঠানে। সেভাবেই বছর দেড়েক আগে রণবীরের অনুষ্ঠানে যান প্রিয়াংকা। তখন রণবীর তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি পারিবারিক অনুষ্ঠানে এখনো যেতে পারেন, এমন খ্যাতির পরও কি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন?

    এতেই খানিক বিরক্ত হন প্রিয়াংকা। ধমকের সুরে অভিনেত্রী বলেন, ‘তুমি কি বলতে চাইছো আমি খ্যাতি পেয়েছি বলে ভাইয়ের বিয়েতে নাচব না! পরিবার সবার আগে। খ্যাতিটা আমার কাজের অংশ। আমি কাজ করি জীবনে বেঁচে থাকার জন্য। আর তার সঙ্গে হাত ধরাধরি করে আসে নাম-যশ। টিভি পর্দায় কিংবা বিলবোর্ডে যতই তোমার মুখ থাকুক না কেন, এগুলো ছাড়াও বেশ কিছু মানুষ রয়েছেন জীবনে সেটা ভুললে চলবে না।’

    প্রিয়াংকা নিজে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থাকতে ভালোবাসেন। সম্প্রতি ভাইয়ের বিয়েতে শ্বশুর, শাশুড়ি-সহ উপস্থিত হয়েছিলেন। আবার কখনও ভ্রাতৃবধূর পোশাক ঠিক করতে দেখা গেছে তাকে। আবার কখনও দেখা গেছে বরযাত্রীদের সঙ্গে নাচতে— এক কথায় প্রিয়াংকা যেন আর সাধারণদের মতোই বাড়ির মেয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাই সিদ্ধার্থের বিয়েতে যা করলেন প্রিয়াংকা

    বলিউড-হলিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার ভাই সিদ্ধার্থ চোপড়া শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাত পাকে বাঁধা পড়েন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী নীলম উপাধ্যায়ের সঙ্গে।

    এর আগে দুবার বিয়ের পাকা কথা হলেও তা পরিণতি পায়নি সিদ্ধার্থের। তবে এবার আর বিয়ে ভাঙেনি— সাত পাকে বাঁধা পড়েন সিদ্ধার্থ ও নীলম। তারকাখচিত আসরে অগ্নিদেবকে সাক্ষী রেখে চার হাত এক হলো দুজনের। 

    অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার ছোট ভাই সিদ্ধার্থ চোপড়ার বিয়ের খবর গত কয়েক দিন ধরেই ছিল আলোচনায়। তাইতো সব কাজ ফেলে দিদির দায়িত্ব পালনে আমেরিকা থেকে ছুটে এসেছেন প্রিয়াংকা। সঙ্গী ছিলেন স্বামী নিক জোনাস ও অভিনেত্রীর শ্বশুর-শাশুড়িও। 

    এরই মধ্যে সিদ্ধার্থ চোপড়ার বিয়ের প্রচুর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিয়ের মণ্ডপ পর্যন্ত ভাইকে হাত ধরে পৌঁছে দিচ্ছেন অভিনেত্রী। পাপারাজ্জিদের আইডি থেকেই এসব ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে— ভাইয়ের হাত ধরে করিডোর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন প্রিয়াংকা। আকাশী নীল লেহেঙ্গায় ঝলমল করলেন দেশি গার্ল। জমিয়ে নাচলেন অভিনেত্রী। ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার ‘গল্লান গুডিয়ান’ গানে পরিবারের সঙ্গে মন খুলে নাচতে দেখা যায় তাকে।

    অন্যদিকে সিদ্ধার্থ বিয়ের জন্য একটি ক্রিম কালারের শেরওয়ানি বেছে নিয়েছিলেন। আর সিদ্ধার্থ ঘরনিকে দেখা যায় সাবেকি লাল লেহেঙ্গা-চোলিতে। মণ্ডপে পৌঁছে মালাবদল সারেন সিদ্ধার্থ-নীলম।  মালাবদল সেরে ইমোশনাল দুজনেই। নীলমকে স্নেহচুম্বনে ভরিয়ে দেন সিদ্ধার্থ চোপড়া।  সেই ইমোশন্যাল মোমেন্টের ভিডিও দেখে নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন—যাক এবার অন্তত বিয়েটা সারল সিদ্ধার্থ। 

    প্রিয়াংকার ভাইয়ের স্ত্রী দক্ষিণী সিনেমার পরিচিত মুখ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে নীলমের সঙ্গে রোকা হওয়ার পর আগস্ট মাসে আংটিবদল সেরেছিলেন সিদ্ধার্থ। আর বছর ঘুরতেই প্রেমের মাসে চার হাত এক হলো দুজনের। 

    এর আগে প্রিয়াংকার চেয়ে বয়সে ৭ বছরের ছোট সিদ্ধার্থ চোপড়া। নায়িকার ‘বেবি ব্রাদার’-এর আগেও দুবার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু দুবারই সেই বিয়ে পরিণতির দিকে এগোয়নি। কণিকা মাথুরের সঙ্গে ২০১৪ সালে বিয়ে ঠিক হয় সিদ্ধার্থের। কিন্তু আচমকাই সম্পর্কে ইতি টানেন সিদ্ধার্থ। এরপর ঈশিতা কুমার নামে এক তরুণীর সঙ্গে তিন বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন সিদ্ধার্থ। ২০১৯ সালে বাগদানও সারেন দুজনে। ঠিক হয় বিয়ের তারিখও। কিন্তু সেবারও বিয়ে থেকে সরে আসেন সিদ্ধার্থ।

    বিয়ের পর্ব মিটতেই শুক্রবার রাতে একদম ওয়েস্টার্ন লুকে মিডিয়ার সামনে ধরা দিলেন নবদম্পতি। উরু চেরা সবুজ গাউনে দেখা মিলল নববধূর। ওদিকে স্যুট-বুটে সুসজ্জিত প্রিয়াংকার সিদ্ধার্থ চোপড়া।

    এদিকে মামার বিয়েতে জমিয়ে এনজয় করেছে প্রিয়াংকা-নিক জোনাস দম্পতির একমাত্র কন্যা মালতি। এ ছাড়া  সিদ্ধার্থের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন ধনকুবের আম্বানিপত্নী নীতা আম্বানি, পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চাড্ডার প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজামৌলীর ছবিতে কত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন প্রিয়াংকা

    এসএস রাজামৌলী পরিচালিত ‘এসএসএমবি২৯’ ছবিব মাধ্যমে ফের বলিউড পা রাখছেন অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। এ ছবিটি বড় বাজেটে তৈরি হতে চলেছে। তাই নায়িকার পারিশ্রমিকও বেশি। নায়িকাও তেমন পারিশ্রমিকই দাবি করে বসেন। এ নিয়ে নাকি ছবির নির্মাতাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে একটি সমাধানে এসেছে। তাহলে পারিশ্রমিক কত পেলেন ‘দেশি গার্ল’?

    স্বপ্ন বাস্তবে কীভাবে পরিণত করতে হয়, তাই বারবার প্রমাণ করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। মডেলিং থেকে সফর শুরু করেছিলেন তিনি। পেয়েছেন বিশ্বসুন্দরী খেতাবও। আর এ খেতাব জেতার পর বলিউডে পা রাখেন অভিনেত্রী। এরপরেই আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ‘দেশি গার্ল’কে। 

    ছুটে চলেছেন বলিউড থেকে হলিউড। গড়ে তুলেছেন আন্তর্জাতিক অভিনেত্রী হিসেবে নিজের পরিচিতি। শুধু অভিনয় নয়, গানের জগতেও খ্যাতি অর্জন করেছেন প্রিয়াংকা চোপড়া। এবার নাকি ফের হলিউড থেকে দেশে ফিরছেন দেশি গার্ল। তবে এবার গন্তব্য বলিউড নয়;  দক্ষিণী ছবিতে দেখা যাবে নায়িকাকে। সেই ছবির জন্য বড় অঙ্কের পারিশ্রমিকও হাঁকিয়েছেন প্রিয়াংকা।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, এসএস রাজামৌলী পরিচালিত ‘এসএসএমবি২৯’ ছবির জন্য প্রিয়াংকা ৩০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পাচ্ছেন। তবে নাকি এর থেকে আরও বেশি পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন দেশি গার্ল। প্রথমে পারিশ্রমিক কমাতে রাজি ছিলেন না প্রিয়াংকা। পরে নির্মাতারা তার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে ৩০ কোটিতে অভিনেত্রীকে রাজি করিয়েছেন।

    আর সেই সঙ্গে ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক অভিনেত্রী হিসাবে নাম লেখাতে চলেছেন প্রিয়াংকা চোপড়া। পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনা চলছিল বলেই ছবির নাম ঘোষণার ব্যাপারেও সময় নিচ্ছিলেন নির্মাতারা। নায়িকার পর্ব শেষ, এবার খুব শিগগিরই ছবির কাজ শুরুর ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।

    উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত প্রিয়াংকার শেষ কাজ ওয়েব সিরিজ ‘সিটাডেল’। শেষ হলিউডের ছবি ‘লাভ অ্যাগেইন’। তার আগে ‘হোয়াইট টাইগার’ ছবিতে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক