Tag: প্রযোজক

  • ১৮৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি কী ভাবে ভাগ করবেন আমির, কী কী রয়েছে?

    আমির খান হলেন বলিউডের একজন অন্যতম জনপ্রিয় এবং সফল অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক। তিনি অভিনয় এবং সিনেমার চয়েসের জন্য ব্যাপকভাবে প্রশংসিত এবং পরিচিত। আমির খানকে ‘পারফেকশনিস্ট’ বলা হয়, কারণ তিনি প্রতিটি সিনেমায় অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে কাজ করেন এবং দর্শকদের জন্য নতুন ও বৈচিত্র্যময় সিনেমা উপহার দেন। তিনি দুটি বিয়ে করেছেন। তাদের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে গেছে। তবে তাদের বিষয়ে তিনি সচেতেন।

    দুই সাবেক স্ত্রী, রিনা দত্ত ও কিরণ রাওয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক আমিরের। কিরণের সঙ্গে ২০২১-এ বিচ্ছেদের পরে আমিরের নাম জড়িয়েছিল ফাতিমা সানা শেখের সঙ্গে। তবে ফাতিমা নয়, গত এক বছর ধরে বেঙ্গালুরু নিবাসী গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। প্রথম দুই স্ত্রীর সঙ্গে সন্তানও রয়েছে আমিরের। তাই ভবিষ্যতে ১৮৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি কী ভাবে ভাগ করবেন, তা সময়ই বলতে পারবে।

    এ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মধ্যে কী কী রয়েছে দেখে নেওয়া যাক—

    ১. ক্যালিফোর্নিয়ার বেভার্লি হিলস অঞ্চলে আমিরের একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। এই অঞ্চলেই রয়েছে বেশ কিছু বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িটির দাম ৭৫ কোটি টাকা।

    ২. আমিরের সম্পত্তির মধ্যে অন্যতম হল তার বান্দ্রার সমুদ্রমুখী বাড়ি। পাঁচ হাজার বর্গফুটের এ দোতলা বাড়ি থেকে আরব সাগরের তীর দেখা যায়। বাড়ির একটি তলে আমির অফিস তৈরি করেছেন। সেখানে প্রযোজনা সংস্থার কাজও হয়। এ বাড়িটির মূল্য ৬০ কোটি। এই বাড়ির জন্যই মুম্বাইয়ের অন্যতম ধনী তারকা আমির।

    ৩. আমির নাকি পাহাড়প্রেমী। তাই মহারাষ্ট্রের পঞ্চগনি অঞ্চলে একটি বাড়ি কিনেছেন। শহরের যানজট ও ব্যস্ততা থেকে ছুটি পেতে এ বাড়িতে গিয়ে সময় কাটান তিনি। এ অঞ্চলে ২ একর জমিতে একটি বাগানবাড়ি রয়েছে আমিরের। পরিবারকে নিয়ে প্রায়ই এ বাড়িতে ছুটে যান তিনি। এ বাড়ি সাত কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিলেন তিনি।

    ৪. বিলাসবহুল গাড়ির শখও রয়েছে আমিরের। তারকার গাড়ির সংগ্রহের মধ্যে অন্যতম মার্সিডিজ়-বেঞ্জ এস৬০০। এ গাড়ির দাম ১০.৫০ কোটি টাকা।

    ৫. আমিরের গাড়ির সংগ্রহে আরও একটি দামি গাড়ি হল রোলস-রয়েস ঘোস্ট। এ গাড়ির সৌন্দর্যে মুগ্ধ চারচাকা-প্রেমীরা। বাজারে এ গাড়ির মূল্য ৬.৯৫ কোটি থেকে ৭.৯৫ কোটি টাকার মধ্যে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজকের নাম করে হোটেলে ডাক, অতপর…

    বিনোদন জগতের টালিউডে নতুন করে সক্রিয় জালিয়াত চক্র। প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতার নামে তৈরি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক প্রোফাইল থেকে টাকা চাইছে জালিয়াতরা। এরপর অভিনেত্রীদের শহরের হোটেলে ডাকা হচ্ছে অডিশনে। আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন টালিউড অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিত। 

    টালিউডের নামি প্রযোজনা সংস্থার অন্যতম কর্ণধার শ্রীকান্ত মোহতা। তিনি যদি কোনো অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তা হলে উল্টো দিক থেকে উত্তর আসাটাই স্বাভাবিক। মৌমিতাও উত্তর দিয়েছিলেন। কিন্তু ফাঁদে পড়ার আগেই ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী। আসলে সবটাই ছিল প্রতারণার ছক। সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হন মৌমিতা।

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শ্রীকান্তের নামের একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মৌমিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে সেটিকে আসল প্রোফাইল ভেবেই কথা বলেন অভিনেত্রী। ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচিত শিল্পীকে ওই প্রোফাইলের বন্ধু হিসাবে দেখেছেন বলে, প্রোফাইলটি যে ভুয়া তা তিনি বুঝতে পারেননি। অভিনেত্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সবার মোবাইল নম্বর থাকে না। অনেকে তাই সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ করতে চান। তাই প্রথমে সন্দেহ করিনি।

    মৌমিতা বলেন, ওই প্রোফাইল থেকে সরাসরি তাকে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। মেসেঞ্জারে কল করে নিজেকে প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা দাবি করে হিন্দিতে একজন ব্যক্তি কথাও বলেন। সেই মতো ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের সঙ্গে তাকে দেখা করতে বলা হয়।  তিনি বলেন, আমি সিড নামের একটি ছেলের সঙ্গে দেখা করি।

    মৌমিতা বাংলায় ‘কণ্ঠ’ ও ‘সূর্য’র মতো ছবির পাশাপাশি বলিউডেও কাজ করেছেন। একসময় বলিউডে পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। সাধারণত ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠিত প্রযোজনা সংস্থা অডিশন বা কাজের প্রস্তাব সংক্রান্ত আলোচনা তাদের অফিসেই করে থাকে। মৌমিতা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি কসবার একটি ক্যাফেতে তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু চিত্রনাট্যের ‘গোপনীয়তা’র স্বার্থে তিনি অভিনেত্রীর গাড়িতেই বসেন। সেই সময় গাড়িতে মৌমিতার গাড়ির চালকও উপস্থিত ছিলেন। মৌমিতা বলেন, রাস্তার পাশে গাড়িতে বসেই তিনি আমাকে চিত্রনাট্য শোনান। ছেলেটি যেভাবে কথা বলে, তাতেই বুঝতে পারি ইন্ডাস্ট্রির কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে সে ওয়াকিফহাল। অদিতি রায়ের পরিচালনায় আবীর দার (আবীর চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে একটি ছবির জন্য আমাকে অডিশন দিতে বলা হয়। প্রযোজনা সংস্থার নামাঙ্কিত চুক্তিপত্রেও মৌমিতাকে স্বাক্ষর করানো হয়। নেওয়া হয় তার সরকারি পরিচয়পত্রের প্রতিলিপিও।

    এই পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু তারপর অডিশনের জন্য নিকটবর্তী একটি হোটেলে মৌমিতাকে নিয়ে যাওয়া হয়। মৌমিতার দাবি, ততক্ষণে তিনি বুঝে গেছেন কোনো গোলমাল হচ্ছে। তাই হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন এবং বলেন, অডিশনের ভিডিও রেকর্ড করে পরে কাস্টিং ডিরেক্টরকে পাঠিয়ে দেবেন। মৌমিতা বলেন, তারপরও ইচ্ছে করেই কথোপকথন এগিয়ে নিয়ে যাই, যাতে আমার কাছে জলঘোলা এ বিষয় আরও পরিষ্কার হয়।

    মৌমিতার টালিপাড়ার ‘আর্টিস্ট ফোরাম’-এর সদস্যপদ নেই। ওই ব্যক্তি অভিনেত্রীর কাছে দাবি করেন, তিনি বিশেষ সূত্রে কার্ড করিয়ে দিতে পারবেন। কিন্তু তার জন্য টাকা দিতে হবে। কারণ সদস্যপদ না থাকলে তিনি নাকি ওই ছবিতে সুযোগ পাবেন না। অভিনেত্রী বলেন, এত বছর অভিনয় করছি, আর্টিস্ট ফোরামের কার্ড না থাকলে যে অভিনয় করতে পারব না, সেটি এই প্রথম শুনলাম।

    বুধবার সকালে শ্রীকান্তের ভুয়া প্রোফাইল থেকে মৌমিতার কাছ থেকে কার্ডের জন্য টাকা চাওয়া হয়। তারপর কিউআর কোড পাঠিয়ে ইউপিআই আইডির মাধ্যমে ৭ হাজার ৫০০ টাকা পাঠাতে বলা হয়। অভিনেত্রী প্রযোজনা সংস্থার দপ্তরে গিয়ে টাকা দিতে চাইলে তাকে ব্যাংকের মারফত টাকা পাঠাতে বলা হয়। মৌমিতা বলেন, টাকা দিতে অস্বীকার করায় তখন ওই প্রোফাইল থেকে আবার কল আসে। তখন আর হিন্দি নয়, বাংলায় আমাকে হুমকি দেওয়া হয় যে টাকা না দিলে ক্যারিয়ারের ক্ষতি করে দেওয়া হবে।

    মৌমিতা জানালেন, পুরো ঘটনাটি জানিয়ে বুধবার তিনি সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশের সাইবার অপরাধ দমন শাখাতেও বিষয়টি জানিয়েছেন। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতোমধ্যেই তদন্তে নেমেছে। মৌমিতা বলেন, আমার কাছে ছেলেটির কোনো ছবি নেই। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ওই ক্যাফে ও হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখবে। পুরো ঘটনায় টালিপাড়ার সুদীপ্তা চক্রবর্তী, দামিনী বেণী বসু, তানিকা বসুর মতো অনেকেই তাকে সাহায্য করেছেন বলে জানালেন মৌমিতা।

    উল্লেখ্য, ফেসবুকে শ্রীকান্তের নামে একাধিক ভুয়া প্রোফাইল রয়েছে। তার মধ্যে কোনো একটিকে জালিয়াতির উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছে টলিপাড়ার একাংশ। 

    মৌমিতা অভিনয় জগতে পরিচিত মুখ। নিয়মিত অভিনয় কর্মশালার আয়োজনও করে থাকেন। তার আশঙ্কা, তিনি একা নন, হয়তো একাধিক নতুন অভিনেতাই জালিয়াতদের শিকার হয়েছেন। মৌমিতা বলেন, আমার সঙ্গে যদি এটা ঘটতে পারে, তা হলে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতি দিন সুযোগের অপেক্ষায় থাকা নতুন শিল্পীদের সঙ্গে কী ঘটতে পারে, তা ভেবেই দুশ্চিন্তা হচ্ছে। 

    মৌমিতা ইতোমধ্যে বিষয়টি প্রযোজনা সংস্থাকে জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, প্রযোজনা সংস্থাও ভুয়া প্রোফাইলটি নিষ্ক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুই কিন্তু আসিফ নজরুলের খালা শাশুড়ি: সোহানা সাবাকে শাওন

    জনপ্রিয় নির্মাতা, প্রযোজক, অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন ও ছোটপর্দার অভিনেত্রী সোহানা সাবার মধ্যে বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। সেই বন্ধুত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও স্পষ্ট। দুজনেই ফেসবুকে অ্যাক্টিভ থাকেন। 

    সম্প্রতি সময় ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডের পর থেকে নিয়মিত ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন সোহানা সাবা। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরোক্ষভাবেই একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। যার ধারাবাহিকতায় গত কয়েক দিনে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের পুরোনো স্ট্যাটাস একের পর এক নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার দিতে দেখা গেছে সোহানা সাবাকে। 

    অনেকটা ‘খোঁচা’ দেওয়ার মতোই স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করে বিভিন্ন মজার ক্যাপশনজুড়ে দিচ্ছেন এ অভিনেত্রী। যেখানে সোহানা সাবা বলেন, তিনি আজকাল উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ‘ভক্ত’ হয়ে গেছেন! এর আগেই এ অভিনেত্রী আসিফ নজরুলের পুরোনো একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন—আজকাল স্যারের ফেসবুক পেজ ঘুরে দেখতে খুব ভালো লাগে। আমি তার ফ্যানগার্ল।

    আর তার এই পোস্ট নজর এড়ায়নি হুমায়ূনপত্নী শাওনের। তিনি কমেন্টবক্সে মেসেজ দিয়ে হুঁশিয়ার করেছেন সোহানা সাবাকে। তাকে উদ্দেশ্য করে শাওন লিখেছেন— আমার মেয়ের জামাইয়ের দিকে চোখ দিবি না, খবরদার। এ মন্তব্যে অবশ্য পাল্টা জবাবও দিয়েছেন সোহানা সাবা। এ অভিনেত্রী লিখেছেন—আপু, আমি স্যারের ফ্যানগার্ল মাত্র। 

    এখানেই শেষ নয়, গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে শাওনকে উদ্দেশ্য করে আরেকটি স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায় সোহানা সাবাকে। যেখানে এ অভিনেত্রী লিখেছেন— চীনের দুঃখ হোয়াংহো, আমার মেহের আফরোজ শাওন আপুর মেয়ের জামাই (আসিফ নজরুল) ওরফে স্যারের দুঃখ তার পুরোনো ফেসবুক স্ট্যাটাস। 

    ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে এসে শাওন আবার সোহানা সাবাকে মনে করিয়ে দেন— তুই কিন্তু খালা শাশুড়ি, হুমমম। জবাবে সাবা একটি গানের লিংক শেয়ার করে বলেন, আমার মনের বর্তমান অবস্থা। 

    প্রসঙ্গত, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। আর লেখকের প্রথম ঘরের সন্তান অভিনেত্রী শিলা আহমেদের স্বামী হচ্ছেন ড. আসিফ নজরুল। সেদিক থেকে সম্পর্কে অভিনেত্রী শাওনের মেয়ের জামাই হন এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়; প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের সিনেমা থেকে সরে এলেন ফারিণ, যা বললেন প্রযোজক

    মাত্র এক মাস আগেই ঘোষণা করা হয়— অভিজিৎ সেনের পরিচালনায় দেবের বিপরীতে ঢালিউড অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। কিন্তু সে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা এখনো কাটেনি। তাই এপার বাংলায় আসার ভিসা পাওয়া যাচ্ছে না। যার জেরে দেবের নায়িকা হচ্ছেন না তাসনিয়া ফারিণ। দেবের বিপরীতে নতুন নায়িকার খোঁজে প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, মাত্র এক মাস আগের কথা। সেই সময় আনন্দবাজার জানিয়েছিল— অভিজিৎ সেনের পরিচালনায় দেবের বিপরীতে প্রথম অভিনয় করবেন তাসনিয়া ফারিণ। সেই সময় কোটা আন্দোলন নিয়ে উত্তাল ওপার বাংলা। তার পর শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। সেই সময় অতনু বলেছিলেন, রোজ কথা হচ্ছে। আগস্টে ফারিণের কলকাতায় আসার কথা ছিল। আমাদের সঙ্গে বসে চিত্রনাট্য শুনবে। তার পর মহড়া দেবে। আপাতত সব বন্ধ। তারপরও তার আশা— নভেম্বরে শুটিং হলে হাতে সময় রয়েছে। তার আগে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যাবে।

    কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ভালো না। এপার-ওপার দুই বাংলার বিনোদন জগতের পরিস্থিতি খারাপ। দুই বাংলার সেতুবন্ধের চেষ্টা আপাতত স্থগিত। এ কারণে প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীর আগামী ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় দেখা যাবে না ঢালিউড অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণকে। 

    এ বিষয়ে আনন্দবাজারের প্রতিবেদক যোগাযোগ করেছিল প্রযোজকের সঙ্গে। প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, ভিসাঘটিত সমস্যার কারণে ভারতে কাজ করতে পারছেন না নায়িকা তাসনিয়া। আনন্দবাজার অনলাইন তার সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল। নায়িকা কোনো সাড়া দেননি।

    অতনু বলেন, আমাদের পাশাপাশি তাসনিয়াও ওর তরফ থেকে চেষ্টা করেছিল, যাতে আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ পালাবদলের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এমনিতেই ভিসা পেতে অনেক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এখন সেই প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে গেছে। ফলে তাসনিয়া আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারছে না। ওর মতো আমরাও অত্যন্ত ব্যথিত।

    দেবের নতুন নায়িকা কে হচ্ছে?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অতনু বলেন, আমি এখনো কিছুই ঠিক করে উঠতে পারিনি, পারেননি দেব-অভিজিৎও। তবে চিত্রনাট্য তৈরি। নায়িকা ঠিক হয়ে গেলেই বছরের শেষে তারা উড়ে যাবেন লন্ডনে। ‘প্রজাপতি’র পর এ ছবিতে আরও একবার দেবের সঙ্গে সমান গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে মিঠুন চক্রবর্তীকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পুনর্জন্ম’র প্রযোজক রূহানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    প্রযোজক মাসুদুল মাহমুদ রূহান আর নেই। বুধবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তরুণ নির্মাতা শ্যামল শিশির।

    জানা গেছে, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে রূহানের নিজ রুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল তার লাশ।

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকির জনপ্রিয় ‘রেডরাম’ সিনেমার প্রযোজনা করেছেন রূহান। এ ছাড়া ‘পুনর্জন্ম’, ‘চম্পা হাউজ’, ‘শুক্লপক্ষ’, ‘দ্য সাইলেন্স’, ‘আরারাত’র মতো জনপ্রিয় নাটক-সিরিজের নির্বাহী প্রযোজকও তিনি। নির্মাতা ভিকি জাহেদের অধিকাংশ কাজের প্রযোজনা করেছেন রূহান। তার মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ সহকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন তারা।

    এদিকে, ব্যক্তিজীবনে বিবাহিত ছিলেন রূহান। ২০২০ সালে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য, এরপর থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন রূহান।

    উল্লেখ্য, মাসুদুল মাহমুদ রূহানের বাড়ি রংপুরে। পড়াশোনা করেছেন সেখানকার পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রযোজনার পাশাপাশি পরিচালনাতেও যুক্ত ছিলেন তিনি। বানিয়েছেন ‘উস্কানি’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অসুস্থ হয়ে পড়লে মেকআপ রুমে আটকে রাখত’

    ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায়।তিনি ‘ইয়ে হ্যায় মহব্বত’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে নজর কাড়েন। এরপর শুভ সগুন ধারাবাহিকেও কাজ করেন। এই ধারাবাহিকে কাজ করার পর থেকেই আতঙ্কে দিন কাটাছে অভিনেত্রীর। 

    rnrn

    অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাকে মেকআপ রুমে আটকে রাখা হতো, এমনকি পাঁচ মাসের বকেয়া টাকাও দেওয়া হয়নি। এই বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। 

    rnrn

    ইনস্টাগ্রামে কৃষ্ণা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আমি কখনও আমার মনের কথাটা বলার সাহস পাইনি। কিন্তু আজ ঠিক করেছি আর চুপ করে থাকব না। আমি গত দেড় বছর ধরে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। আমি একা থাকলেই দুশ্চিন্তায় ভুগছি, আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি। অবসাদে ভুগছি। আমি যখন শেষবারের মতো দঙ্গল টিভির জন্য শুভ সগুন ধারাবাহিকে কাজ করছিলাম তখন থেকে শুরু। সেটা আমার জীবনের সব থেকে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রযোজক কুন্দন সিং আমায় প্রতিনিয়ত অপমান করতেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে মেকআপ রুমে আটকে রাখতেন। ওরা আমায় টাকা দিত না। আমি অসুস্থ ছিলাম বলে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। আমি যখন জামা-কাপড় বদলাতাম তখন তারা এমনভাবে দরজা ধাক্কা দিত মনে হতো যেন ভেঙে ফেলবে।’

    rnrn

    কৃষ্ণা আরও জানান, ‘আজ পাঁচ মাস হয়েছে আমি এখনও বকেয়া টাকা পাইনি। অনেকবার দঙ্গল টিভির অফিসে গিয়েছি, প্রযোজকের অফিসে গিয়েছি কিন্তু কেউ সহযোগিতা করেনি। আমার মনে হচ্ছে আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজকের কাছে ধর্ষণ থেকে বেঁচে ফেরার গল্প শোনালেন ইন্দ্রানী

    টালিউডের অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদার। শতাধিক জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। এই সফল অভিনেত্রীও হয়েছেন যৌন নির্যাতনের শিকার। ২০ বছর বয়সে ধর্ষণের ভয়াবহ একটি ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। সেই বিষয়ে দীর্ঘদিন পর মুখ খুললেন ইন্দ্রানী।

    জীবনের শুরুতেই বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদারকে। দক্ষতার জোরে মাত্র ২০ বছর বয়সে কাজ পেয়েছিলেন মুম্বাইয়ের একটি সিনেমায়। প্রযোজক ছিলেন মুম্বাইয়েরই একজন।

    এ ছবিতে কাজ পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন ইন্দ্রানী; কিন্তু এটিই যে তার জীবনে কালো অন্ধকারের ছাপ এঁকে দেবে তা বুঝতে পারেননি তিনি।

    ইন্দ্রানী বলেন, ‘সিনেমায় অনেক নামিদামি শিল্পী ছিলেন। শুটিং হয়েছিল মুম্বাইয়ে। প্রথম লটে আমার মা গিয়েছিলেন সঙ্গে। দ্বিতীয় লটের শুটিং হবে বলে আমার টিকিট কাটা হলো সকালের ফ্লাইটে। কিন্তু বাবারটা কাটা হলো বিকালে। আমি বুঝে উঠতে পারিনি কেন? প্রথমবার আমাদের রাখা হয়েছিল কম দামি একটা হোটেলে। কিন্তু দ্বিতীয়বারের শুটিংয়ের জন্য ঠিক হলো ফাইভস্টার হোটেলে।’

    তিনি বলেন, আমি পৌঁছালাম হোটেলে। সেদিন আমার কোনো কাজ নেই। তখন নতুন নতুন মোবাইল ফোন উঠেছে। হঠাৎ আমার রুমে ফোন এলো প্রডিউসার আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছেন। আমি তো ঘাবড়ে গেলাম। তিনি কেন রুমে আসবেন! আমি তখনই আমার ডিরেক্টরকে ফোন করলাম। উনি আমাকে অভয় দিলেন, কিছু হবে না।’

    ইন্দ্রানীর ভাষায়, ‘প্রডিউসার রুমে এলেন, কথা বলতে বলতে একপর্যায় উনি আমার গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলেন। আমি বাঁধা দিলে তিনি জোরপূর্বক আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে লাগলেন। এর পর উনার ফোনে একটি কল এলো। ফোনটি করেছিলেন উনার স্ত্রী। ফোনটি ধরতে ধরতে আমি বুদ্ধি করে দরজার লক খুলে দিলাম। তার স্ত্রীকে ভয়েস শোনানোর জন্য কাশতে শুরু করলাম। এভাবে একটি অন্ধকার পৃথিবী থেকে যেন বেঁচে ফিরলাম।’

    তিনি বলেন, ‘পরে অন্যান্য জায়গাতে ওই প্রডিউসারের সঙ্গে দেখা হয়েছে; কিন্তু উনি আমার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে কথা বলতে পারেনি। আমি উনার নাম বলতে চাই না। আর বলাটা উচিতও হবে না। উনি এখন প্রয়াত। তবে ওই কালো অভিজ্ঞতা আমার জীবনে কনফিডেন্ট তৈরি করতে সহায়তা করেছিল। কারণ উনি আমাকে বলেছিলেন— আমি কখনো ভালো কাজ পাব না। পরে আমি আমার জীবন দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছি— মানুষ সব পারে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজককে এসিড নিক্ষেপের হুমকি, চিত্রনায়িকা পলির বিরুদ্ধে জিডি

    ঢাকাই সিনেমার নব্বই দশকের নায়িকা রিয়ানা পারভীন পলি। বর্তমানে অভিনয় থেকে অনেক দূরে আছেন তিনি। সম্প্রতি পলি বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। বর্তমানে ব্যস্ত আছেন আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে লড়বেন তিনি।

    rnrn

    পলি এবার ভিন্ন কারণে আলোচনায়। নারী প্রযোজক জেনিফার ফেরদৌসকে হত্যার হুমকি ও এসিড নিক্ষেপের হুমকির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বনানী থানায় পলির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেছেন জেনিফার। জিডি নং ১৪৯৮।

    rnrn

    জিডিতে প্রযোজক জেনিফার উল্লেখ করেছেন, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ৭টার দিকে বিবাদী চিত্রনায়িকা রিয়ানা পারভীন পলি একজন অপরিচিত লোকসহ আমার বাসায় এসে ড্রইং রুমে ঢুকে আমার দুইজন অতিথি মো. ওসমান গনি বাপ্পি এবং মুরাদ চৌধুরীদের সামনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজসহ ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে এবং আমাকে জানে মেরে ফেলাসহ এসিড মারবে বলে হুমকি দেয়। এর ৩/৪ দিন আগে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে আমাকে একই রকম হুমকি দেয়। 

    rnrn

    ২০০১ সালে মোহাম্মদ হোসেনের ‘ফায়ার’ সিনেমায় প্রয়াত মান্নার নায়িকা হিসেবে অভিষেক ঘটে পলির। এরপর তিনি ১১৩টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিবের অভিনয় ভালো না, বিস্ফোরক মন্তব্য টালিউড প্রযোজকের

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন ঢালিউড সুপারস্টার চিত্রনায়ক শাকিব খান। ফলে এখনো ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব রয়েছে তার। নতুন লুকে মাতোয়ারা করছেন ভক্তদের। 

    আরও পড়ুন: 

    সর্বশেষ ‘প্রিয়তমা’ সিনেমা দিয়েও নতুন করে আলোচনায় এসেছেন শাকিব। আসন্ন ঈদে মুক্তি পেতে চলেছে তার ‘রাজকুমার’। ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে এই সিনেমাটির একটি পোস্টারও। এতেও নেটিজেনদের প্রশংসায় ভেসেছেন সুপারস্টার।

    এদিকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে শাকিব খান নাম লিখিয়েছেন টালিউডের সিনেমাতেও। কাজ করেছেন শ্রাবন্তী, শুভশ্রীসহ টালিউডের বহু নায়িকার সঙ্গে। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গেও পরিচিত এক নাম শাকিব। তবে সেই নায়কই কিনা অভিনয় পারেন না? এবার তাকে নিয়ে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন টালিউডের প্রযোজক রানা সরকার।

    এবার কথাটি বলেছেন টালিউডের নামকরা প্রযোজক রানা সরকার। গণমাধ্যমে দেওয়া এক অডিওবার্তায় শাকিব খান প্রসঙ্গে রানা বলেন, শাকিব জনপ্রিয় হলেও পশ্চিমবঙ্গে তার সিনেমার দর্শকপ্রিয়তা নেই। সুপারস্টারের সিনেমা যেমন চলা উচিত, যেমন দেব, জিৎ, সোহম—সে রকম চলে না। শাকিব খান হয়তো খুব জনপ্রিয়, কিন্তু অভিনয়ে অন্য যারা নাম করছেন, তাদের তুলনায় অতটা ভালো নয়।’

    বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় শাকিব খান সিনেমা করলেও হলগুলো এই নায়কের সিনেমায় ততটা আগ্রহী নয় বলে মন্তব্য রানা সরকারের। 

    তিনি বলেন, ‘শাকিব খানের সিনেমা হলে তো চলেই না, বাংলার কোনো স্যাটেলাইট চ্যানেলেও তাকে সেই দামটা দেয় না, যে দামটা দেব, জিতের মতো নায়কদের আছে।’

    শাকিব খান সুপারস্টার ঠিকই, তবে এই নায়ক যদি আরও অভিনয়ের দিকে মনোযোগ দিতেন, তা হলে ভালো হতো বলে মনে করেন রানা সরকার। 

    পশ্চিমবঙ্গের নায়কদেরও প্রায় সময় কটাক্ষ করেন টালিউডের এই প্রযোজক। তাদের অভিনয় পারা না–পারা এবং নানা দুর্বলতা নিয়ে তোলেন প্রশ্ন। এবার শাকিব খানের মতো জনপ্রিয় নায়কের অভিনয় দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এ প্রযোজক।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজকের বিরুদ্ধে আপত্তিকর প্রস্তাবের অভিযোগ অঙ্কিতার

    ভারতীয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডে কিছুদিন আগেই চর্চায় ছিলেন ‘বিগ বস’-এর ১৭তম সিজনে অংশ নিয়ে। এবার তিনি কথা বললেন গুরুতর বিষয়ে। অভিনেত্রী জানালেন, ১৯ বছর বয়সে প্রযোজকের কাছ থেকে আপত্তিকর প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। খবর এনডিটিভির

    rnrn

    সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম হটারফ্লাইয়ের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন অঙ্কিতা। সেখানেই যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঘটনা প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আনেন তিনি।

    rnrn

    ১৯ বছর বয়সে কাজ পাওয়ার জন্য ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রস্তাব পান তিনি। এখনো সেই ঘটনার কথা ভাবলে শিউরে ওঠেন অভিনেত্রী। অঙ্কিতা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই অভিনয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অডিশন দিতে থাকেন। একটি দক্ষিণি ছবির জন্য অডিশন দিতে গিয়েছিলেন অঙ্কিতা।

    rnrn

    পরে অঙ্কিতাকে ফোন করে জানানো হয়, অডিশনে তিনি পাস করেছেন। তাকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে আপত্তিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয় অভিনেত্রীকে।

    rnrn

    অঙ্কিতা বলেন, আমাকে ফোন করে জানানো হয়, আপনি অডিশন উতরে গিয়েছেন। আমি তো সেটা শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ি! আমাকে বলা হয়েছিল, সেখানে গিয়ে চুক্তিপত্রে সই করতে হবে। আমি চলে গিয়েছিলাম। ওখানে যাওয়ার পর আমাকে একটা আলাদা ঘরে ডেকে নিয়ে যান ছবির প্রযোজক। 

    rnrn

    এরপর আমাকে যা বলেছিলেন, তা শুনে আমার কান ঝাঁ ঝাঁ করে উঠেছিল। প্রযোজক বলেছিলেন, আমাকে কাজটা পেতে হলে আগে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে হবে, তবেই কাজ পাওয়া যাবে। এটা শোনার পর আমি দৌড়ে সেখান থেকে চলে এসেছিলাম। তবে সাক্ষাৎকারে ওই প্রযোজকের নাম প্রকাশ করেননি অঙ্কিতা।

    অনলাইন ডেস্ক