Tag: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে কনকচাঁপার আবেগঘন বার্তা

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও দোয়া জানিয়ে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। 

    স্ট্যাটাসে কনকচাঁপা লেখেন, আল্লাহ আপনাকে ও আমাদেরকে সম্মানিত করলেন। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো পুরো পৃথিবী আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আপনার মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশকে সুরক্ষিত, আনন্দিত, সুখী, সমৃদ্ধ রাখুন। আমীন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। নির্বাচনের পর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রানি মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, কেন?

    প্রথমবারের মতো ভারত সফরে এসেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বুধবার (৮ অক্টোবর) মুম্বাইয়ে পৌঁছে তিনি ছুটে যান যশ রাজ স্টুডিও পরিদর্শনে। 

    এদিকে বলিউডের চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যশ রাজ ফিল্মস সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, আগামী বছর শুরুর দিকে তারা ব্রিটেনে তিনটি নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করবে। সেখানে যশ রাজ ভালো কন্টেন্ট তৈরির লক্ষ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে সই করে। এর মাধ্যমে ব্রিটেনে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এ সময় বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জিসহ একাধিক তারকার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। 

    এ সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, বলিউড ব্রিটেনে ফিরছে। এটি কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং নতুন সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করবে। এ অংশীদারি ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। এর ফলে দুই দেশের জনগণেরও সুবিধা হবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে যশ রাজ ফিল্মসের সিইও অক্ষয় বিধানী বলেন, ব্রিটেন সবসময়ই আমাদের কাছে স্পেশাল। কারণ আমাদের আইকনিক সিনেমা— ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র (ডিডিএলজে) শুটিং ব্রিটেনেই হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আমাদের স্টুডিওতে এসে সেই চুক্তিতে সই করায় আমরা সম্মানিত। ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে এই সম্পর্ক ভালো কন্টেন্ট তৈরিতে সাহায্য করবে বলে জানান অক্ষয় বিধানী।

    ডিডিএলজের ৩০ বছর উদযাপন ব্রিটেনে করা হবে জানিয়ে সিইও আরও বলেন, আমরা বর্তমানে ব্রিটেনে ‘কাম ফল ইন লাভ’ সিনেমার ইংরেজি নাটকের সংগীত প্রযোজনা করছি। আমরা এই সৃজনশীল সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে আগ্রহী।

    ভারত-ব্রিটেনের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিক খুলবে বলে মনে করছে যশ রাজ ফিল্মস। এটি দুই দেশের মধ্যে কেবল নতুন কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করবে না, বরং সৃজনশীল বিনিময়ের ক্ষেত্রেও নতুন প্রেরণা জোগাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাঠ্যবইয়ে ঠাঁই পেলেন র‌্যাপার হান্নান ও সেজান

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ উইনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এর আগে সাধারণ শিক্ষার্থী ও মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করতে দুই র‌্যাপার হান্নান ও সেজান গান করেছিলেন। সেই গানগুলো এবার পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    তরুণ র‌্যাপার হান্নান হোসাইন শিমুলের ‘আওয়াজ উঠা’। নারায়ণগঞ্জের এই তরুণ র্যাপারের গানটি প্রকাশ হওয়ার সপ্তাহখানেক পরই ২৫ জুলাই গ্রেফতার করা হয় তাকে। পরে ১২ দিন কারাগারে থাকার পর শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে মুক্তি পান তিনি। অন্যদিকে ১৬ জুলাই মোহাম্মদ সেজানের ‘কথা ক’ প্রকাশের পরই বিদ্রোহের অংশ হয়ে উঠে গানটি। এবং প্রতিবাদী গান করার কারণে ওই সময়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের রোষানলে পড়েন তারা। 

    এবার সেই গানের জন্যই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন হান্নান ও সেজান। সম্প্রতি এ নিয়ে দেশের একটি সংবাদ মাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে জায়গা করে নিয়েছে তরুণ দুই র‌্যাপার হান্নান ও সেজানের কথা। আর বইয়ে বলা হয়েছে―আপনি কি সেজানের ‘কথা ক’ গানটি শুনেছেন? আগের প্রজন্মের শিল্পীরা গানকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করতে ভয় পেলেও সেজান ও হান্নানের মতো শিল্পীরা সে সাহস দেখিয়েছেন।

    ইংরেজি বইয়ে ‘নতুন প্রজন্ম’ শিরোনামের সেই লেখায় আরও বলা হয়েছে— তাদের র‌্যাপ গানগুলো ২০২৪ সালের জুলাই বিদ্রোহের সংগীতে পরিণত হয়েছিল। নতুন প্রজন্ম আর ভয় পায় না, তারা সাহসী ও ব্যতিক্রম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিপদে আছেন তিশা, ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফোন নম্বর

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ উইনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। সেই অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। 

    এ মুহূর্তে এ নির্মাতার ‘৮৪০’ তথা ‘ডেমোক্রেসি প্রাইভেট লিমিটেড’ সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে চলছে। এবার টিভি পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। আগামীকাল ৩ জানুয়ারি দেশের তিনটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেখানো হবে রাজনীতিভিত্তিক এ স্যাটেয়ার। সেই উপলক্ষে গতকাল বুধবার (১ জানুয়ারি)  চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হন সিনেমার প্রযোজক-অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। 

    প্রথমবার সিনেমার প্রযোজক হিসেবে এসেছেন অভিনেত্রী। ২০ দিনে সিনেমাটি কতটা ব্যবসা হয়েছে— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রথম দিন থেকে মানুষ সিনেমাটি দেখছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা সিনেমাটি বেশি দেখছে। ব্যবসা নিয়ে আমরা খুব বেশি ভাবছি না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সিনেমাটি যেন মানুষের কাছে পৌঁছায়।

    তিশা বলেন, একটি সিনেমা মুক্তির পর সিনেমা হলের পাশাপাশি দেশের তিনটি চ্যানেলে একই দিন থেকে প্রচার হতে যাচ্ছে— এমনটা বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো ঘটেনি। দর্শকদের কথা বিবেচনা করে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ দর্শক সিনেমাটি দেখতে চায়।

    তিশা আরও বলেন, ৩ জানুয়ারি থেকে চ্যানেল আই, দীপ্ত টিভি ও আর টিভি-তে সম্প্রচার করা হবে। ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই সম্প্রচার। চ্যানেল আইতে দেখানো হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে, আরটিভিতে রাত ৮টায় এবং দীপ্ত টিভিতে প্রচার হবে রাত সাড়ে ১০টায়। পাশাপাশি সিনেমা ভার্সন চলবে দেশের সিনেমা হলগুলোতে।

    সেখানে তিশাকে প্রশ্ন করা হয়— আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের চিত্র নিয়ে তৈরি এই সিনেমা মুক্তির পর প্রযোজক হিসেবে কোনো হুমকি পেয়েছেন কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ পেয়েছি। দুঃশাসনের চিত্র নিয়ে তৈরি এ সিনেমাটি প্রচারের পর বিভিন্ন জায়গা থেকে হুমকি পাচ্ছেন তিনি।  সেই সঙ্গে আমার ফোন নম্বরটা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। 

    তিনি বলেন, আমি বলব— সিনেমা মুক্তির পর কী হয়েছে না হয়েছে, কে কতটা মন খারাপ করেছে, সেটি মাথায় ধরে রাখলে চলবে না। সিনেমাটা দর্শক পছন্দ করছে— এটিই আমার জন্য বড় বিষয়।

    প্রসঙ্গত, এ সংবাদ সম্মেলনে অভিনেত্রী তিশা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা নাসির উদ্দিন খান, মিলন শেখ, আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান, দীপ্ত টিভির সিইও তাসনুভা আহমেদ টিনা এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনমোহনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেননি শাহরুখ

    ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেননি বিনোদন জগতের অনেক তারকা। এমনকি বাদশাহ শাহরুখ খানও কোনো উচ্চবাচ্য করেননি। অথচ ৩০ ডিসেম্বর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ওয়েভস ২০২৫’ বিষয়ে মতপ্রকাশ করেছেন কিং খান। তা নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানান অভিযোগ। আর এ অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগেই শুরু হয়েছে শাহরুখের টুইটে ঝড়।

    অভিষেক অভিযোগ করলেও শচীন টেন্ডুলকার, পি ভি সিন্ধু, বীরেন্দ্র শেবাগ থেকে মাধুরী দীক্ষিতদের মতো ব্যক্তিত্বরা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তবে বলি বাদশাহ শাহরুখ খানের তরফে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি শব্দও দেখা যায়নি। বিষয়টি নজর এড়ায়নি তার ভক্ত-অনুরাগীদের। ফলে আক্রমণ ধেয়ে এসেছে নায়কের দিকে। ৫৯ বছরের অভিনেতাকে নিয়ে সারা বিশ্বে উৎসাহের অন্ত নেই। পৃথিবীর নানা দেশে ছড়িয়ে রয়েছেন শাহরুখ ভক্তরা। ফলে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি চালান অনেকেই।

    গত রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন— আগামী ৫ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ‘ওয়ার্ল্ড অডিও ভিজ্যুয়াল এন্টারটেনমেন্ট সামিট (ওয়েভস)’ আয়োজন করবে ভারত। এর পরিপ্রেক্ষিতে শাহরুখ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন— এটি এমন একটি অনুষ্ঠান, যা আমাদের চলচ্চিত্র জগতের সম্মান বাড়াবে এবং ভারতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্বের কথা বোঝাবে। সেই সঙ্গে এর শক্তি ও ক্ষমতার কথাও জানাবে। সর্বোপরি— এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা সৃজনশীলতা এবং সৃজনশীল মানুষের পৃষ্ঠপোষকতা করবে। এরপরই শুরু হয় তার ভক্তদের কটাক্ষ। অনেকেই দাবি করেছেন, এমন আচরণ তারা শাহরুখের থেকে প্রত্যাশা করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের প্রশ্নের কী জবাব দিলেন নরেন্দ্র মোদি

    সম্প্রতি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাপুর পরিবার সাক্ষাৎ করে কিংবদন্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে হাজির ছিলেন পরিবারের জামাই সাইফও।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বলিউড অভিনেতা অভিনেতা সাইফ আলি খান দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলেন। বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিশেষ আয়োজন করে কাপুর পরিবার। সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পৌঁছেছিলেন রণবীর, কারিনা ও কারিশমারা। বলিউডের ‘ফার্স্ট ফ্যামিলি’র ছোট জামাই হওয়ার সূত্রে হাজির ছিলেন সাইফ আলি খানও।

    মোদি সাক্ষাতে যে কাপুরদের প্রবীণ-নবীন প্রজন্ম বেজায় খুশি, সেসব মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে এসেছে নানান কথা। 

    প্রয়াত শোম্যান রাজ কাপুর স্মরণে আয়োজিত বিশেষ সভা সম্পর্কে এইচটি সিটির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাইফ আলি খান বলেন, ‘তিনি সংসদের কাজ সেরে হাজির হয়েছিলেন, তাই আমি ভাবছিলাম যে তিনি হয়তো ক্লান্ত থাকবেন, কিন্তু মোদিজির মুখের উষ্ণ হাসি ছিল অটুট। এবং আমাদের সবার প্রতি মনোযোগী ও মনোমুগ্ধকর ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত মঙ্গলবার মোদিজির সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর, কারিশমা কাপুর, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, নীতু সিং, আদর ও আরমান জৈনরা। সাইফ আরও বলেন, আমি খুশি যে কারিনা, কারিশমা ও রণবীরের মাধ্যমে আমিও এর অংশ হতে পেরেছি। রাজ সাহেবের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীজির সঙ্গে এ সাক্ষাৎ পরিবারের পক্ষে কতই না গর্বের।

    মা শর্মিলা ঠাকুর ও বাবা প্রয়াত নবাব মনসুর আলি খান পতৌদির কথাও বলেন সাইফ আলি খান। তিনি বলেন,  উনি (মোদি) আমার বাবা-মা সম্পর্কে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি ভেবেছিলেন— আমরা তৈমুর ও জাহাঙ্গীরকে তার সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে আসব। তিনি তাদের জন্য একটি কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন, যা কারিনা তাকে করতে বলেছিলেন। আমার কাছে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যে, তিনি দেশ চালাতে খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং এখনো এই স্তরে সংযোগ স্থাপনের জন্য সময় নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি মোদিজিকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আপনি কতটা বিশ্রাম পেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন— রাতে প্রায় তিন ঘণ্টা। 

    সাইফ বলেন, দিনটি ছিল আমার জন্য বিশেষ একটি দিন। আমাদের দেখার জন্য এবং পরিবারকে এত সম্মান দেওয়ার জন্য তার মূল্যবান কিছু সময় বের করার জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসিফের দীর্ঘ পোস্ট

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ উইনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কিছু দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বিনোদন জগতের সংগীতের যুবরাজ আসিফ আকবর।

    এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোণঠাসা ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। কোনো একটি দলের সমর্থনের কারণে দেশের টিভিচ্যানেলসহ কোনো অনুষ্ঠানে কোথাও তাকে গান করতে দেওয়া হয়নি। এখন তিনি উন্মুক্ত। কোনো বাধা নেই। সারা দেশে তার গান বাজছে। বিভিন্ন প্রোগ্রামে অনুষ্ঠান করছেন তিনি।

    সম্প্রতি আসিফ আকবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে তিনি সরকারের কাছে বিভিন্ন সংস্কারের দাবি জানিয়েছে বলেছেন, মিডিয়ায় বলেছিলাম— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ না হলে আলোচনা-সমালোচনায় যাব না। নতুন সরকারকে ১০০ দিন সময় দেওয়া এক ধরনের সৌজন্যতা। আমার তরফ থেকে সৌজন্যতা শেষ, এখন থেকে ভালো-মন্দ লিখতে হবে, পুরোনো অভ্যাস। 

    তিনি বলেন, শুরু করতে চাই আমার জেলা কুমিল্লা নিয়ে। আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ দুজনই কুমিল্লার সন্তান, দুজনেই সরকারের প্রভাবশালী সভাসদ, আপনাদের অভিনন্দন। 

    ১. এই মৌসুমে বিপিএল ক্রিকেটে কুমিল্লা নেই কেন? এই প্রশ্নের উত্তর তিন নম্বর আসিফ, অর্থাৎ আমার কাছে জানতে চায়, আমি নিজেও জানতে চাই। আসিফ মাহমুদ আপনি এই সহজ ব্যাখ্যাটা দিয়ে দিন প্লিজ। 

    ২. কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি এখনও কেন দেওয়া হয়নি? কেন এখনও অনিশ্চয়তা? মূল কমিটি তাহলে কবে হবে? খেলাধুলার ইয়ার ক্যালেন্ডার কীভাবে হবে? এদিকে লোকাল খেলাধুলা বন্ধ হয়ে আছে! 

    ৩. ঢাকার ফুটবল টিমকে কুমিল্লা স্টেডিয়াম বরাদ্দ দেওয়ার কারণ কি? তারা হোমগ্রাউন্ড বানিয়ে খেলবে আর কুমিল্লার খেলোয়াড়রা থাকবে মাঠের বাইরে— এটি কোন ধরনের যুক্তি। ক্রিকেট মৌসুম শুরু হয়ে গেছে, অথচ মাঠ দখল করেছে ঢাকার ক্লাব ফুটবল দল। কুমিল্লার খেলোয়াড় সৃষ্টিতে মহা প্রতিবন্ধক এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত কেন? 

    ৪. পতিত স্বৈরাচার হাসিনা কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে কলোরেক্টাল (Colorectal) অ্যালার্জিতে ভুগে শেষমেশ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হলো। আপনারা এবার কাইন্ডলি কুমিল্লাবাসীকে জানান— কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে বাঁধা কোথায়? অগ্রগতি কতদূর? 

    ৫. কুমিল্লা, ফেনী, চাঁদপুর নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া— এই ছয় জেলায় প্রবাসী আধিক্য বেশি। কুমিল্লা এয়ারপোর্ট পুনরায় চালু করার দাবি বহু আগে থেকেই সরব, আপনাদের পদক্ষেপ কি জানতে চাই? 

    আসলে স্বাধীনতার পর কুমিল্লা জেলাবাসী বিরাট বিরাট নেতা মন্ত্রী পেয়ে শুধু তৃপ্তির ঢেকুর তুলেছে। মেডিক্যাল কলেজ আর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কুমিল্লাবাসীর পক্ষ থেকে করা এই জরুরি প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফারুকীকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন জয়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যুক্ত হলেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান এ পরিচালক। তার সঙ্গে সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে আরও দুজন যুক্ত হয়েছেন। তারা হলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম ও ব্যবসায়ী সেখ বশির উদ্দিন।

    রোববার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন উপদেষ্টাদের শপথ পড়ান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।

    এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে জায়গা পাওয়ায় বিনোদন জগতের তারকারা ফারুকীকে অভিনন্দন জানান। প্রথম অভিনন্দন বার্তাটি পাঠিয়েছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। সন্ধ্যা ৭টায় এ নির্মাতা শপথগ্রহণের আগেই ফারকীর একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে তাকে অভিনন্দন জানান জয়। যেখানে তিনি লিখেছেন—অভিনন্দন ফারুকী ভাই। আমাদের মানুষ। আমাদের আস্থা। শান্তির বার্তা দিয়ে হোক শুরু আপনার নেতৃত্ব।

    জয়ের সেই স্ট্যাটাসে ভক্তরাও ফারুকীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তার হাত ধরে এবার দেশের শোবিজ অঙ্গনে বড় কিছু পরিবর্তন আসবে বলেও প্রত্যাশা করেছেন তারা।

    উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ওইদিনই বিলুপ্ত হয় মন্ত্রিসভা। পর দিন ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনারা খুনির ফোনালাপ শোনেন: ফারুকী

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ছাত্র-জনতার এ আন্দোলনে বিনোদন জগতের তারকারা ছিলেন বিভক্তিতে। এক দল শিল্পী ছিল আওয়ামী সরকারের দালালিতে, অন্যদিকে আরেক দল ছিল একদফা দাবিতে সরকার পতনের আন্দোলনে।

    আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ উইনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। কিন্তু এরপরও থেমে নেই একশ্রেণির শিল্পীদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সেই ষড়যন্ত্র। তাই ক্ষুব্ধ হয়ে ঢালিউড নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক হলেও একজন শিল্পী রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গণহত্যা, গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিস্টের পক্ষে কথা বলতে পারেন না। 

    তিনি বলেন, আপনি আওয়ামী লীগ সমর্থক হতে পারেন, বিএনপি সমর্থক হতে পারেন; কিন্তু শিল্পী হলে কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গণহত্যা, গুমের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিস্টের পক্ষে কথা বলতে পারেন না। ফ্যাসিজমের পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করতে পারেন না। এবার আপনারা গত ১৬ বছর এই তিনটি সংগঠনের সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক ভূমিকা কি ছিল, সেটা ভেবে দেখুন। তার মানে কি— এসব ফুট সোলজারদের আঘাত করতে হবে? বিপ্লবের পক্ষের ভাইবোনদের অসন্তুষ্টির আশঙ্কা মাথায় নিয়েও বলব— আমি ব্যক্তিগতভাবে এর বিরুদ্ধে।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে এ নির্মাতা আরও লিখেছেন— আমি এর আগেও অনেকবার লিখেছিলাম যে, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলন ‘সময়’ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। আওয়ামী লীগের বি-টিম হিসেবে খেলতে খেলতে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন এবং শর্ট ফিল্ম ফোরাম নতুন প্রজন্মের কাছে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে।

    হিটলারের সময় উল্লেখ করে ফারুকী লিখেছেন— একবার ভাবুন, হিটলারের আমলে কোনো শিল্পী হিটলারের মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবাদ তো দূরের কথা, তার গাছের গোড়ায় পানি ঢাললে তাকে ইতিহাস কি হিসেবে বিচার করত।

    ফারুকী বলেন, পাশাপাশি এটিও মাথায় রাখতে হবে— রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। খুনি-লুটপাটকারীর বিচার শুরু হয়নি। কিন্তু নানা জায়গায় উসকানি দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ডি-স্ট্যাবিলাইজ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনারা খুনির ফোনালাপ শোনেন। দেখেন সে অনুতপ্ত নাকি আরও খুন করার উসকানি দিচ্ছে।

    তিনি বলেন, বিপ্লবের পর কুলিং পিরিয়ডটা পার হতে দিতে হয়। না হলে এ অবস্থায় আমি লিবারেল ক্রিটিকের স্পেস কীভাবে আশা করব? এর উত্তর আমি জানি না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শেখ হাসিনা আমাকে একা করে দিয়েছেন: তাপসের মা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। আওয়ামী সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ উইনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়। 

    জুলাই-আগস্টে গণহত্যার ঘটনায় রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গান বাংলার প্রধান নির্বাহী কৌশিক হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। ইশতিয়াক মাহমুদ নামে একজন ব্যবসায়ী হত্যাচেষ্টার এ মামলাটি করেন। 

    মামলার এজাহারে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে থেকে গান বাজনার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী ক্যাডারদের উৎসাহ ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করেন গান বাংলার প্রধান নির্বাহী তাপস।

    গত ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে আসামিদের ছোড়া গুলিতে বাদীর পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে থেকে অপারেশনের মাধ্যমে তার পেটের গুলি বের করা হয়। এ ঘটনায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর ইশতিয়াক মাহমুদ বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১২৬ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় তাপস এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি।

    এরপর গত সোমবার (৩ নভেম্বর) উত্তরা থেকে তাপসকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক জাহান তাপসকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিকে তাপসকে গ্রেফতারে শেখ হাসিনাকে দায়ী করেছেন তার মা মেহের নিগার চঞ্চল। শেখ হাসিনা আমাকে একা করে দিয়েছেন বলেও জানান তাপসের মা।

    তিনি বলেন, ২০১২ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে একটি গানের অনুষ্ঠান থেকে তাপসকে তুলে নেওয়া হয়।  তারপর থেকে এই ১২ বছরে পাঁচ মিনিট করে ১২ বারও তার দেখা পাইনি আমি। সেই তখন থেকে শেখ হাসিনা আমাকে একা করে দিয়েছেন। ওই সময় তাকে তুলে নেওয়ার এক বছর পর যেখানে পেয়েছি, তা আর বলতে চাই না বলেও জানান মেহের নিগার চঞ্চল।

    তাপসকে গ্রেফতারের ব্যাপারে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চান তিনি। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের অপরাজনীতি নিয়েও কথা বলেছেন মেহের নিগার। তিনি বলেন, অপরাজনীতির জন্য ১৯৭৪ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে নেই আমি। এ ছাড়া হত্যা মামলার ব্যাপারে তাপসের মা বলেন, এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে তাপস জড়িত না। আর যতটুকু শেখ হাসিনার সঙ্গে জড়িত, আমি বলব— সে যদি বিপদগামী হয়েই থাকে তার জন্য শেখ হাসিনা দায়ী।

    যদিও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরাপূর্ব থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। কিন্তু শুনানির সময় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় শুনানির তারিখ পেছানোর আবেদন করে পুলিশ। পরে তাপসের রিমান্ড ও জামিন শুনানির জন্য বুধবার (৬ নভেম্বর) ধার্য করেন আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক