Tag: প্রতিবাদ

  • নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে সরব তারকারা

    গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীর প্রতি সংহিসতা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দেশের মানুষ হতবাক। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছে। নিরব নেই শোবিজ অঙ্গনও। ধর্ষকের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শোবিজের তারকারা। 

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি নারীদের নিয়ে ব্যক্তি ও  অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে থাকেন। নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রায়ই কথা বলেন এ অভিনেত্রী। 

    তারই অংশ হিসাবে ‘নো মোর’ নামে একটি ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে জয়া বলেছেন, ‘নির্যাতন নয়, নারীর জন্য প্রয়োজন ভালোবাসা ও সম্মান। হতে পারে এই অত্যাচার যৌন নিপীড়ন। হতেই পারে মারধর, গৃহ নির্যাতন। অনন্তকাল ধরে এসব নীরবে সহ্য করে আসছেন নানা বয়সের মেয়েরা। এবার বলার সময় এসেছে, ‘আর না’।’

    সংগীতের যুবরাজখ্যাত শিল্পী আসিফ আকবর। যেকোনো অন্যায়-অবিচারে তিনি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুলেন। মাগুরার শিশু ধর্ষনের ঘটনায়ও চুপ থাকেননি এ শিল্পী। সামাজিক মাধ্যমে আওয়াজ তুলেছেন। 

    শিশুটিকে নিজের মেয়ের সঙ্গে তুলনা করে আসিফ বলেন, ‘সেই ছোট আছিয়া আমার মেয়ের (আইদাহ্) মতো। আমি এমন ঘটনায় বাকরুদ্ধ। কিছু বলার মতো নেই। লিখতেও পারছি না কিছু। চেষ্টা করছিলাম বিষয়টি নিয়ে কিছু লিখব, কিন্তু অসাড় আমি।’

    ঢাকাই সিনেমার নায়ক শাকিব খানকেও নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। ৮ বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষিত হওয়ার খবরে শুরুতে চুপ থাকলেও শেষে ফেসবুকে স্টেটাস দিয়ে আওয়াজ তুলেছেন এ নায়ক। তিনি ধর্ষকের বিচার দাবি করেছেন। দেরীতে হলেও নিরবতা ভেঙে শাকিবের এ প্রতিবাদে অনুরাগীরা বেশ খুশি হয়েছেন।

    ঢাকাই সিনেমার ব্যস্ততম নায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী। তিনিও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। নারীদের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে বুবলী বলেন, ‘একজন নারী আপনার মা, মেয়ে, স্ত্রী বা বোন। নারীদের অসম্মান করার আগে একবার ভাবুন। ধর্ষনের মতো ঘৃণিত একটি কাজ করার আগে নিজের ঘরের দিকেও একবার তাকান। আমি বিশ্বাস করি আপনার মনে বাস করা পশুটি শান্ত হবে। এরকম ঘটনার খবর আমরা আর শুনতে চাই না।’ 

    এ ঘটনায় মর্মাহত চিত্রনায়ক রুবেল। তিনি মনে করছেন ধর্ষণ থেকে রক্ষা পেতে নারীর কারাতে শিক্ষা জরুরী। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি নারীদের জন্য মার্শাল আর্ট অপরিহার্য। এমনকি প্রতিটি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় তরুণীদের শেখা উচিত। আমরা যদি নারীদের কারাতের শিক্ষাটা দিতে পারি তাহলে ধর্ষণ থেকে ৭০ ভাগ পরিত্রাণ পাব।’ 

    নাটক ও সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল কাজের ব্যস্ততার মাঝেও এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা নিয়ে কথা বলতে একটুও কার্পণ্য করেননি।  ধর্ষনের মতো অপরাধে একটি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দরকার বলে মনে করছেন তিনি। সজল বলেন, ‘আমার মতে ধর্ষণের ঘটনায় এমন আইন বা শাস্তি হওয়া উচিত যা আমাদের সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এবং খুব দ্রুত সেটা করা উচিত।’  

    ধর্ষকের মৃত্যু চেয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। 

    তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী কন্যা শিশু! কিন্তু এটি নতুন কোন ঘটনা নয়। এই অভাগা দেশে প্রতি বছর গড়ে ছ’শো থেকে হাজার খানেক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা মানে না বয়স, পোশাক, সামাজিক অবস্থান, ধর্ম, বর্ণ, জাত, পরিচয়। কখনো মানেনি, মানবেও না। তাই আমি ধর্ষকের মৃত্যু চাই! ধর্ষণের বিচার চাই।’

    অভিনেত্রী ও মডেল রুনা খান নারীদের সঙ্গে এমন ঘটনায় বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। 

    তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীদের প্রতি সহিংস আচরণ করা হয়। সেটা পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়ভাবেই। নারীদের প্রতি এই আচরণ খুব ভয়াবহ ব্যাপার। অন্য নারীরা নিরাপদ বোধ করেন কি না জানি না, অন্তত আমি আমি নিজে নিরাপদ বোধ করি না।’

    নাটক সিনেমার জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী মনিরা আক্তার মিঠু। তিনি বলেন, ‘নারীরা আগেও যেমন নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগেছেন এখনো ভুগছে। এখন যা হচ্ছে, অতীতেও এ রকম আমরা অনেক দেখেছি। এর জন্য আমি বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থাকে দায়ী করব। কারণ আমাদের দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা একেবারেই খারাপ।’

    নাটকের অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া সামাজিক মাধ্যমে ধর্ষকের ৪০ দিনের মধ্যে ফাঁসির দাবি জানিয়ে বলেন, ‘ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত মৃত্যুদন্ড। দুদিন পর ধর্ষক জামিন পেয়ে সমাজে ঘুরে বেড়াবে সেই সুযোগ যেন না দেওয়া হয়।’  

    অভিনেত্রী কাজী নওশাবা এমন ঘটনায় ব্যথিত এবং শঙ্কিত হয়ে বলেন, ‘মাগুরায় যে ঘটনা (শিশু ধর্ষণ) ঘটল এবং অন্যান্য জায়গায়ও যেসব ঘটনা ঘটছে, এসব শুনে বা দেখে ভালো থাকার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। দ্রুত এর  সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’ 

    এছাড়াও শোবিজের অনেক তারকা বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আওয়াজ তুলেছেন। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছেন ও ধর্ষণের মতো জগণ্যতম কাজ যেন পুনরায় আর না ঘটে, এ বিষয়ে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক একটি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন অনেকে।

    রিয়েল তন্ময়

  • ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাস্তায় শিল্পীরা

    দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ। তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (১০ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি)-তে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।

    শিল্পী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সব ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছেন শিল্পীরা।

    সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর মানববন্ধনে বলেন, আমরা সবাই জানি, কী ঘটেছে। এবং আমরা সবাই চাই, অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি হোক। আজকের এই সমাবেশ আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আমাদের একটাই দাবি— শিশু ধর্ষণসহ সকল ধর্ষণ ও নারীদের প্রতি সহিংসতার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হোক।

    তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অন্য কেউ এমন অপরাধ করার আগে একবার নয়, দশবার ভাবে। পাশাপাশি, প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে অপরাধীরা কোনোভাবেই রেহাই না পায়।

    শুধু কঠোর শাস্তি যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন মিশা সওদাগর। তিনি বলেন, সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধিও অপরিহার্য। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

    প্রতিবাদ সমাবেশে মিশা সওদাগর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রোজিনা, ডিএ তায়েব, রুমানা ইসলাম, শিপন মিত্র, জয় চৌধুরী, মুক্তি প্রমুখ।

    অনলাইন ডেস্ক

  • জাতীয় দিবস হিসেবে ৭ মার্চ বাতিলের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন শাওন

    দেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকসহ আটটি দিবস বাতিল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এমন খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্মাতা ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। 

    এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসাবে বাতিল করা হলো আজ! আমি মেহের আফরোজ শাওন, বাংলাদেশের একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে অন্তবর্তীকালীন সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করলাম। ’

    শাওন তার স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন, ‘কিছুদিন পর দেখা যাবে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বাদ, নতুন স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ৩৬ জুলাই পালিত হবে হয়তো!’

    এরপর নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দালাল উল্লেখ করে শাওন লেখেন, ৭ মার্চের পক্ষে বলার জন্য যদি আমাকে ‘দালাল’ উপাধি পেতে হয় তবে আমি দালাল। আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দালাল, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দালাল।

    প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানানো হয়– ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে উপদেষ্টা পরিষদ এসব জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৭ অক্টোবর তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে উদীচীর প্রতিবাদ

    জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়ে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

    rnrn

    শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীত পাশের সড়কে একসঙ্গে জাতীয় সংগীত কণ্ঠে তুলে কর্মসূচিতে অংশ নেয় উদীচী, জাতীয় খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন সংগঠন। এ আয়োজনে কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবেও অংশ নিয়েছেন।

    rnrn

    গত মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে ‘স্বাধীনতার অস্তিত্বের পরিপন্থি’ আখ্যা দিয়ে তা পরিবর্তনের দাবি জানান জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী।

    rnrn

    তিনি প্রশ্ন তোলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা নিয়েও। বাহাত্তরের সংবিধান ‘বৈধ নয়’ মন্তব্য করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করারও দাবি জানান সেনাবাহিনীর সাবেক এই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল।

    rnrn

    এর প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল প্রতিবাদ জানান অনেকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্মিলিত কণ্ঠে এই জাতীয় সংগীত গাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করে উদীচী।

    rnrn

    শুক্রবার সকালে দেশের সব জেলা ও বিদেশে উদীচীর শাখা সংসদের শিল্পী-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ একসঙ্গে এই জাতীয় সংগীত কর্মসূচি পালন করেছে বলেও জানায় সংগঠনটি।

    rnrn

    ঢাকায় কেন্দ্রীয় আয়োজনে সূচনা বক্তব্য দেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমান। সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে।

    rnrn

    পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন সবাই। এ সময় সাধারণ মানুষও শিল্পীদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান। জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা হয়।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • যেখানে অন্যায় সেখানেই প্রতিবাদ: মিথিলা

    শোবিজের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। অভিনয়ের পাশাপাশি ভালো গানও করেন তিনি। যুক্ত রয়েছেন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও। ইতোমধ্যে নিজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পা রেখেছেন ওপার বাংলায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় ফ্যাশন হাউস নীলাঞ্জনা পল্লীর সঙ্গে মডেলিং কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। 

    rnrn

    টেলিভিশন নাটক ‘শুনছেন একজন রেডিও জকির গল্প’ তে কাজের মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন আলোচিত-সমালোচিত এ অভিনেত্রী। নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ভ্ক্ত-অনুরাগীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।

    rnrn

    বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতিসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রাফিয়াত রশীদ মিথিলা। বাংলাদেশটা সাম্যের হোক বলে মিথিলা বলেন, ‘ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বন্যার এই সময়টাতে সবাই বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। আমি সাধ্যমতো যতটুকু পারছি অসহায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। যখনই বন্যা হয়, চেষ্টা করি কিছু করতে এবারও করছি।’

    rnrn

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সমর্থন করেছি, তাদের পাশে থেকেছি। শিক্ষার্থীরা মূল আন্দোলনটা করেছেন, ধন্যবাদ ও ভালোবাসা পাওয়ার কৃতিত্ব তাদেরই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে রাস্তায় নেমেছিলেন।’

    rnrn

    অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত বলে এ মিথিলা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের মারা হচ্ছে, এটা দেখে প্রতিবাদ করেছিলেন। সবারই অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। তাহলেই ভালো কিছু হবে বলে তিনি মনে করেন। 

    rnrn

    এ অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘যখন কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়, তখন আমাদের সংহতি জানানো দরকার। যেখানে অন্যায়, সেখানেই প্রতিবাদ করতে হবে তাহলেই দেশটা সুন্দর হবে। আমার প্রত্যাশা হচ্ছে-অন্যায় যেন না হয়। বিনা কারণে মানুষ যেন আর মারা না যায়। ক্ষমতার অপব্যবহার যেন না হয়। সাম্যের দেশ হোক। সবাই যেন সমান অধিকার পাই।’

    বিনোদন ডেস্ক