Tag: পোশাক

  • কানে নিষিদ্ধ খোলামেলা পোশাক

    ফ্রান্সে ৭৮তম ‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’ গত মঙ্গলবার (১৩ মে) থেকে শুরু হয়েছে। প্রতিবারের মতো এ বছরও লালগালিচায় দেখা যাবে বলিউড তারকাসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের জনপ্রিয় তারকাদের। এবার এ আসরে উপস্থিত থাকছেন হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজ, রবার্ট ডি নিরো, ওয়েস অ্যান্ডারসনের মতো বিশ্ব তারকা। প্রতিযোগিতায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে নির্বাচিত অসাধারণ ২২টি সিনেমা। ২৪ মে শেষ হবে বিশ্বের অন্যতম সেরা মর্যাদাপূর্ণ এ উৎসব। 

    এটি যতটা সিনেমার প্রতিযোগিতা, ঠিক ততটাই হয়ে ওঠে তারকাদের ফ্যাশন আর সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা। কানে উপস্থিত প্রত্যেক তারকা তার সবচেয়ে জমকালো ও সুন্দর পোশাক আর সৌন্দর্য নিয়ে উপস্থিত হন কানের লালগালিচায়।

    কার চেয়ে ফ্যাশনে এগিয়ে থাকবেন, তাই নিয়ে একপ্রকার প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন তারকারা। বিশেষ করে অভিনেত্রীরা এ আসরে একপ্রকার এক্সপেরিমেন্ট চালান পোশাক নিয়ে। অনেকে হাজির হন একেবারে খোলামেলা পোশাকে। কিন্তু এবার বদলে গেছে আগের নিয়ম। ‘নগ্নতা’ বা খোলামেলা পোশাক উপস্থাপন করা যাবে না।

    এবার কানের লালগালিচায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নগ্নতা’ ও ‘অতিরিক্ত লম্বা’ পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো নগ্ন পোশাকে নিজেকে উপস্থাপন করা যাবে না। ২০২২ সালে কানের লালগালিচায় একজন বিক্ষোভকারী টপলেস হয়ে হাজির হওয়ার ফলস্বরূপ এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ ছাড়া বছরের শুরুতে গ্র্যামিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন বিয়াঙ্কা সেনসোরি। তিনি অতিরিক্ত স্বচ্ছ পোশাক পরে হাজির হয়েছিলেন। যাতে তার শরীরের পুরো অবয়ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ক্ষেত্রে এটিও কারণ বলে জানা গেছে।

    উৎসবের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও ফরাসি আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কান উৎসব একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করেছে। কান চলচ্চিত্র উৎসব তার সনদে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা কার্যকর কিছু নিয়ম স্পষ্ট করে দিয়েছে। লক্ষ্য— পোশাক নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং অনুষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও ফরাসি আইন অনুসারে লালগালিচায় পূর্ণ নগ্নতা নিষিদ্ধ করা।

    যাদের পোশাক অন্যান্য অতিথির চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে কিংবা স্ক্রিনিং রুমে বসার ব্যবস্থা জটিল করে তুলতে পারে, তাদের প্রবেশাধিকারে বাধা দেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। এই দীর্ঘ ও অতিরিক্ত প্রশস্ত পোশাক অতিথিদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে এবং থিয়েটারে বসার ব্যবস্থা জটিল করে তোলে। এমনকি গালা স্ক্রিনিং চলাকালীন টোট ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক এবং বড় ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চারুর পোশাক ব্যবসা নিয়ে কোন সত্য প্রকাশ্যে আনলেন সুস্মিতা সেনের ভাই

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড সেনসেশন সুস্মিতা সেনের সাবেক ভ্রাতৃবধূ অভিনেত্রী চারু আসোপাকে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে পোশাক বিক্রি করতে দেখা গেছে। তিনি মুম্বাইয়ে পোশাক বিক্রি করতে গিয়ে ভীষণ কষ্টে জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছেন। তাই অভিনেত্রী মেয়ে জিয়ানাকে নিয়ে মুম্বাই ছাড়তে বাধ্য হন। আপাতত তিনি রাজস্থানের বিকানেরে ফিরে গেছেন। চারুর জন্ম ও  বেড়ে ওঠা সেই বিকানেরে শহরে।

    সাবেক বিশ্বসুন্দরীর ভাইয়ের বউ অনলাইনে রাজস্থানি পোশাক বিক্রি করছেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল বলিপাড়া। চর্চা বাড়তেই মুখ খুললেন চারুর সাবেক স্বামী রাজীব সেন। তিনিও সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, চারু যতটা দেখাচ্ছেন ততটা দরিদ্র তিনি নন। সুস্মিতার ভাইয়ের দাবি— প্রমোদতরীতে ভ্রমণের সামর্থ্য রাখে চারু।

    কেবল এই একটি মন্তব্য করেই চুপ করে থাকেননি রাজীব। তিনি বলেন, একমাত্র কন্যা জিয়ানাকে তার থেকে সরিয়ে রাখার কৌশলও রপ্ত চারুর। চারু মেয়েকে নিয়ে রাজস্থানে— এই খবর জেনে দিল্লি থেকে সাবেক স্ত্রীকে ফোন করেছিলেন তিনি। মেয়েকে দেখতে চেয়েছিলেন। চারু নাকি তাতে উচ্চবাচ্য করেননি। 

    অথচ সামাজিক মাধ্যমে চারু জানিয়েছেন, তার শহরে রাজীবকে স্বাগত। শুধু এদিন নয়, বিচ্ছেদের পর থেকেই মেয়েকে নাকি বাবার কাছে ঘেঁষতে দেন না তিনি। আফসোস করে রাজীব বলেন, মাঝখান থেকে আমাদের ছোট্ট মেয়েটা কষ্ট পাচ্ছে। ওর ছেলেবেলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    অভিনেত্রী চারু এখন অনলাইন পোশাক বিক্রেতা। এ বিষয়ে কী মত রাজীবের? এতে কি কোনোভাবে সেন পরিবারের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে?—এমন প্রশ্নেরও জবাব দেন সুস্মিতার ভাই। অভিনেতা বলেন, চারু পরিশ্রম করে উপার্জন করছে। দেখে খুব ভালো লাগছে। তিনি বলেন, চারু কিন্তু এর আগে তার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে প্রমোদতরীতে ভ্রমণ করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে তিনজনের খরচ একা দিয়েছিলেন চারুই। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া-কৃতি-অনন্যারা পোশাক নিয়ে সমালোচনায়

    আবুধাবিতে ‘উৎসব’ সেরে ফিরল বলিউড। সেই উৎসবে বলিউডের নক্ষত্র সমাবেশও হয়েছিল যারপরনাই।

    বলি বাদশাহ শাহরুখ খান থেকে শুরু করে জাহ্নবী কাপুরের মতো নব্য প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও জমকালো সাজে আলো ঝলমলে উজ্জ্বল ছিলেন পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চে।

    তবে বহু তারকাকে চেনা ছন্দে পাওয়াও গেল না। উৎসবের মঞ্চে পোশাক সমালোচকদের কটাক্ষের শিকার হতে হলো ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, কৃতি শ্যানন, অনন্যা পান্ড আর উর্বশী রাউতেলাদের। দেখে নিন ফ্যাশনের পরীক্ষায় কারা সমালোচকদের কাছে পাশ নম্বর পেলেন না।

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর সব অনুষ্ঠানে মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই হাজির হচ্ছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। প্যারিস হোক বা আবুধাবি— সর্বত্রই অভিষেককন্যা আছেন। সম্প্রতি প্যারিসে ঐশ্বরিয়ার পরনের রক্ত-লাল গাউন সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। কিন্তু আবুধাবিতে ঐশ্বরয়া মেয়ের হাত ধরে এলেন কালো রঙের লম্বা ঝুলের জ্যাকেট আর স্যুট পরে।

    ইদানীং ঐশ্বরিয়ার চেহারা সামান্য ভারি হওয়ায় তার বেশিরভাগ পোশাকেরই পেছন দিকে মাটিতে লুটিয়ে থাকে ‘কেপ’। কালো স্যুটেও তার ব্যত্যয় হয়নি। সঙ্গে জ্যাকেটে ছিল হালকা সোনালি ক্রিস্টালের নকশা, যা দেখে ফ্যাশন সমালোচকেরা বলছেন— বড্ড বেশি একঘেয়ে আর বড্ড বেশি কালো।

    অন্যদিকে কৃতি শ্যানন জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে ক্যারিয়ারে নতুন মোড় নিয়েছে তার। ঝুলিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ছবিও। আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কৃতির ফ্যাশনবোধ প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু এবার আবুধাবিতে প্রথম দিনে আঁটসাঁট ফিশনেট গাউন পরেছিলেন তিনি।

    পোশাকটির গলার অংশটি ছিল অত্যন্ত খোলামেলা, যা দেখে ফ্যাশন সমালোচকরা বলছেন— মনে হচ্ছে কিছুটা জোর করেই শরীর প্রদর্শন করছেন কৃতি। ব্যাপারটিকে ‘সস্তা মানসিকতা’ বলে কটাক্ষও করেছেন কেউ কেউ।

    আবার অনন্যা পান্ডের লাল রঙ দূর থেকে চোখে পড়ে। টুকটুকে লাল মিনি ড্রেসে অনন্যাও দূর থেকে চোখে পড়ছিলেন। কিন্তু ফ্যাশন সমালোচকরা বলছেন— অনন্যা শুধু চোখেই পড়ছিলেন, তাকে দেখতে মোটেও ভালো লাগছিল না।

    উরুর মাঝামাঝি থমকে যাওয়া লাল পোশাকটি অনন্যা পরেছিলেন লাল রঙের টাইটস আর লাল স্টিলেটো দিয়ে। জামায় দুই-একটা কালো রঙের গোলাপ ছাড়া অনন্যার পোশাকের গোটাটাই ছিল লালে লাল। সমালোচকদের কেউ কেউ নাকি জনান্তিকে অনন্যাকে ‘চলন্ত করোনাভাইরাস’ বলেও কটাক্ষ করেছেন!

    আরেক অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা। দুদিনের অনুষ্ঠান। দুদিনই সন্ধ্যায় উর্বশী রাউতেলা এমন সাজে হাজির হলেন যে, ফ্যাশন সমালোচকরা তার তুলনা টানলেন হলিউডের অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে।

    অবশ্য প্রশংসা নয়; সমালোচকরা বলছেন— উর্বশীকে জোলির অভিনীত চরিত্র ‘ম্যালেফিসিয়েন্ট’-এর মতো লাগছে। চরিত্রটিকে ছবিতে খলনায়িকা হিসাবেই উপস্থাপন করা হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পোশাক খুলে ছবি পাঠায় লোকজন: মুমতাজ

    সম্পর্কে ভাঙন ও বিবাহবিচ্ছেদের কারণ হিসাবে সামাজিকমাধ্যমকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী মুমতাজ। তিনি বলেন, আজকাল মানুষের মধ্যে প্রতিশ্রুতি রাখার প্রবণতা কমে গেছে। সামান্য কিছু ঘটলেই নেটিজেনরা সম্পর্ক ভাঙার রাস্তা খোঁজেন। 

    মুমতাজ বলেন, প্রথমবার একটা ঝগড়া হলো। সঙ্গে সঙ্গে নেটিজেনরা সম্পর্ক ভাঙতে উদ্যত হন। এর মধ্যে সামাজিকমাধ্যম বিষয়গুলোকে আরও খারাপ করে দিয়েছে।

    এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বলেন, ডিজিটাল যুগে আজকাল যুগলরা নিজেদের মধ্যে পরস্পরের নগ্ন ছবি আদান-প্রদান করেন। তিনি বলেন, জানি না, মানুষ আজকাল কী কী করে। কী সব লেখে। মন পাওয়ার জন্য পোশাক খোলার দরকার পড়ে না। বরং পোশাক পরা থাকলেই একটা মানুষকে চেনা ও জানার আকর্ষণ অনেক বেশি থাকে। 

    মুমতাজ বলেন, আজকাল সব কিছুই খুব সহজ হয়ে গেছে। বিয়ে করলেও তা স্থায়ী হচ্ছে না। অনায়াসেই দাম্পত্যে ঢুকে পড়ছে তৃতীয় জন। দিন দিন সম্পর্কের মেয়াদ কমছে বলেও জানান অভিনেত্রী মুমতাজ।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী মুমতাজ ৩১ জুলাই ৭৭ বছরে পা দেন। বলিউডে একশটিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এর আগেও একটি সাক্ষাৎকারে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। বিয়ে ও সম্পর্কে পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস রাখা কতটা জরুরি, সেসব নিয়েও কথা বলেছিলেন মুমজাত। অভিনেত্রীকে শেষ দেখা গেছে ১৯৯০ সালের ছবি ‘আঁধিয়া’তে। বিয়ের পর অভিনয় থেকে দূরে সরে যান তিনি।

    সূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • কানে খোলামেলা পোশাক, ভাবনাকে ধুয়ে দিলেন অঞ্জনা

    সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া ৭৭ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিজ উদ্যোগে অংশ নেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। বাহারি পোশাকে উৎসবের কয়েক দিন লাল গালিচায় আলো ছড়িয়েছেন তিনি।

    rnrn

    ভাবনার পোশাক নিয়ে যেমন আলোচনা হয়েছে, একই সঙ্গে তীব্র সমালোচনাও ধেয়ে এসেছে ভাবনার দিকে। এবার পোশাক নিয়ে ভাবনাকেই যেন খোঁচা দিলেন সিনিয়র অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। খোলামেলা পোশাক কখনোই বাঙালি সংস্কৃতির বাহক নয়, সামাজিক মাধ্যমে এমন মত দিয়েছেন অঞ্জনা।

    rnrn

    বুধবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে অঞ্জনা লেখেন, ‘কান ফেস্টিভ্যালে নিজেকে অত্যাধুনিকভাবে প্রেজেন্ট করতে গিয়ে, এ দেশের কয়েকজন নামধারী নায়িকা এমন পোশাকে নিজেকে জনসম্মুখে আবির্ভূত করেছেন। যেটা কখনোই একজন পরিপূর্ণ বাঙালি শিল্পী, যার মধ্য বিন্দু পরিমাণ শিল্পসত্ত্বা বিদ্যমান, তিনি এমন খোলামেলা পোশাকে নিজেকে এবং নিজের দেশীয় সংস্কৃতিকে অপমান করতে পারেন না। খোলামেলা পোশাক কখনোই বাঙালি সংস্কৃতির বাহক নয়। বাঙালি সংস্কৃতি–কৃষ্টির প্রতি যার কোনো মমত্ববোধ নেই, সে আবার কিসের শিল্পী।’

    rnrn

    ফেসবুক পোস্টে কারও নাম উল্লেখ না করলেও তিনি যে ভাবনাকেই খোঁচা দিয়েছেন তা বুঝতে সমস্যা হয়নি নেটিজেনদের।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের পর বিয়ের গাউন কেটে নতুন পোশাক বানালেন সামান্থা

    ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি নাগা চৈতন্য ও সামান্থা রুথ প্রভু। ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন তারা। ২০২১ সালে এ জুটির সংসার ভাঙার গুঞ্জন চাউর হয়। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে একই বছরের ২ অক্টোবর যৌথ এক বিবৃতিতে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন এই তারকা যুগল। তারপর দুজনার দু’টি পথ গেছে বেঁকে।

    rnrn

    একাধিক রীতিতে জাঁকজমক আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছিলেন সামান্থা-নাগা চৈতন্য। তার একটি ছিল খ্রিষ্টান রীতি। এ রীতিতে বিয়ে করতে গিয়ে সাদা রঙের গাউন পরেছিলেন সামান্থা। এবার বিয়ের সেই গাউন কেটে কালো রঙের নতুন পোশাক বানালেন এই অভিনেত্রী। আর সেই পোশাক পরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিষয়টি জানান তিনি।

    rnrn

    এ বিষয়ে সামান্থা রুথ প্রভু বলেন, আজ আমি যে পোশাকটি পরেছি, এটি আমার প্রিয় একটি গাউন ছিল। সেই গাউন দিয়ে নতুন পোশাকটি এই অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি তৈরি করেছে মেধাবি ক্রেশ বাজাজ। আমার অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য যে ক’টি পদক্ষেপ নিয়েছি, তার মধ্যে একটি হলো পুরোনো কাপড় পুনরায় ব্যবহার করা।

    rnrn

    সম্প্রতি ভারতীয় তারকাদের মধ্যে অনেকেই জামাকাপড়ের অপচয় বন্ধের কথা বলছেন। সামান্থা ছাড়াও এ তালিকায় রয়েছেন— আলিয়া ভাট, আনুশকা শর্মা প্রমুখ।

    rnrn

    তেলেগু ভাষার ‘ইয়ে মায়া চেসাভ’ নামের সিনেমার সেটে প্রথম পরিচয় নাগা-সামান্থার। তারপরই প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তারা। এরপর লুকিয়ে দীর্ঘদিন প্রেম করেন এই জুটি। তাদের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা-কল্পনাও কম হয়নি।

    rnrn

    সবকিছুর অবসান ঘটিয়ে ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ার একটি রিসোর্টে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন আলোচিত নাগা ও সামান্থা। ২০২১ সালের ২ অক্টোবর ডিভোর্সের ঘোষণা দেন এই তারকা দম্পতি।

    rnrn

    বিয়েবিচ্ছেদের পর সামান্থা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এরই মাঝে মায়োসাইটিস নামে এক জটিল রোগে আক্রান্ত হন; এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। তবে শারীরিকভাবে অনেকটা ফিট হওয়ায় ধীরে ধীরে কাজে ফিরছেন এই অভিনেত্রী।

    অনলাইন ডেস্ক

  • অনুষ্ঠান শেষ হলেই শাহরুখ ঐশ্বরিয়াদের পোশাক ‘কেড়ে’ নেন মণীশ!

    বলিপাড়ার নামজাদা পোশাকশিল্পী তিনি। মুকেশ আম্বানীর মতো শিল্পপতি থেকে শুরু করে শাহরুখ খানের মতো বলি তারকার সঙ্গে সখ্য রয়েছে তার। কিন্তু বাড়ির অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত অতিথিদের দিয়ে কি বিনামূল্যে নিজের সংস্থার প্রচার করিয়ে নেন মণীশ মালহোত্রা?

    rnrn

    দীপাবলি উপলক্ষ্যে বলিউডের তারকাদের বাড়িতে দেখা যায় আলোর রোশনাই। অনুষ্ঠানের আয়োজনে জমজমাট থাকে বলিপাড়া। তারকাদের বাড়ির পার্টিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন অন্য তারকারা।

    rnrn

    বলিপাড়ায় তারকাদের বাড়িতে দীপাবলি উপলক্ষ্যে পার্টির আয়োজন করা হলেও সবার নজর থাকে মণীশের পার্টির দিকে। সে পার্টি যেন নজরকাড়া।

    rnrn

    শুধু বলিপাড়ার তারকারাই নন, দেশের বহু খ্যাতনামা ব্যক্তির নামও মণীশের বাড়ির পার্টির অতিথিদের তালিকায় থাকে।

    rnrn

    মণীশের বাড়ির দীপাবলি পার্টি নিয়েই গোপন কথা ফাঁস করলেন বলিপাড়ার জনপ্রিয় নির্মাতা ফারহা খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মণীশের ব্যবসায়িক চিন্তাভাবনা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

    rnrn

    ফারহার দাবি, মণীশের বাড়ির দীপাবলি পার্টিতে যেহেতু তারকাদের ঢল নামে, সেহেতু সেখানে ছবি শিকারিদের ভিড়ও বেশি হয়। তাই নিজের সংস্থার প্রচার করার এত বড় সুযোগ হাতছাড়া করেন না পোশাকশিল্পী।

    rnrn

    সাক্ষাৎকারে ফারহা জানান, মণীশ তার পার্টিতে অতিথিদের নিমন্ত্রণ জানানোর পর সেই অতিথিদের জানিয়ে দিতে হয় যে, তারা সেই পার্টিতে আদৌ যেতে পারবেন কিনা।

    rnrn

    এমনকি মণীশের পার্টিতে কোন পোশাক পরে যাবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখেন অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রিত অতিথিরা।

    rnrn

    ফারহা জানান, নিজের ডিজ়াইন করা পোশাকই অতিথিদের পরতে দেন মণীশ। কিন্তু সে পোশাকগুলো উপহার হিসাবে দেন না তিনি।

    rnrn

    ফারহার দাবি, নিজের পার্টিতে পরে আসার জন্য অতিথিদের পোশাক ভাড়া দেন মণীশ। অতিথিদের জন্য সেই পোশাকের মেয়াদ মাত্র এক দিন।

    rnrn

    শুধুমাত্র দীপাবলি পার্টিতে পরে যাওয়ার জন্যই অতিথিদের সে পোশাক দেন মণীশ। পার্টিতে পরা হয়ে গেলেই সে পোশাকগুলো আবার ফেরত নিয়ে নেন পোশাকশিল্পী।

    rnrn

    ফারহার দাবি, দিওয়ালি পার্টি থেকে এভাবে নিজের সংস্থার প্রচার করেন মণীশ। বলিপাড়ার সব তারকা তার ডিজ়াইন করা পোশাক পরে বিনামূল্যে মণীশের পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থার প্রচার করেন।

    rnrn

    সাক্ষাৎকারে ফারহা বলেন, এ তো সুবর্ণ সুযোগ! বলিউডের সব নামজাদা তারকা মণীশের পোশাক পরে রয়েছেন। সবাই তা দেখছে। ফ্যাশন শোর চেয়ে কোনো অংশে কম নয় এসব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডিপফেকের শিকার কাজলও, পোশাক বদলানোর ভিডিও ভাইরাল!

    দক্ষিণী অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার বিকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। কয়েক দিন পর আবার একই ঘটনার শিকার হন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। এবার সেই একই ঘটনার শিকার হলেন কাজল আগারওয়াল।  

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনো অভিনেত্রী রাশমিকার ভিডিও চর্চা কমেনি। তার মধ্যেই কাজলের নকল ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছে। এটি একটি ডিজিটালি এডিট করা ভিডিও। যেখানে ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে— ক্যামেরার সামনে কাজলের মুখবিশিষ্ট এক নারী পোশাক বদলাচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: 

    এ ভিডিও ডিপফেক, যাতে কাজলের মুখ ব্যবহার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, বুমলাইভের মতো অনেক ফ্যাক্ট চেকিং প্ল্যাটফরম রিপোর্ট করেছে যে, এই ভিডিও আসলে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের। 

    ‘গেট রেডি উইথ মি’ ট্রেন্ডের সময় তিনি ‘টিকটক’-এ ভিডিওটি পোস্ট করেছিলেন, যা এখন ডিপফেক করে হাজির করা হয়েছে।
    কাজল সম্পর্কিত নকল ভিডিওটি কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছিল। যার পরে অনেকে এটিকে সত্য বলে ভেবেছিলেন। এর পরে বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং ওয়েবসাইট খতিয়ে দেখে। আর তাতেই আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। 

    ওয়েবসাইটগুলো বলছে, যে ভিডিওটি এআইয়ের সাহায্যে পরিবর্তন করা হয়েছিল। এ ধরনের টুল ব্যবহার করে, অন্য কারও মুখ ভিডিও বসানো যায়। এটি বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং অনেকেই এগুলোকে সত্যিকারের ভিডিও বলে ভাবেন।

    প্রকৃতপক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, যার নাম রোজি ব্রিন, এটি তার ভিডিও বলে জানা গেছে। ‘গেট রেডি উইথ মি’ ট্রেন্ডে যোগ দিতে তিনি এই বছরের ৫ জুন টিকটকে তার এ ভিডিও পোস্ট করেছেন। তার ভিডিওই এডিট করে ডিপফেকের মাধ্যমে কাজলের মুখ বসানো হয়েছিল। এ ভিডিও এখন ভাইরাল।

    ডিপফেক কী?

    ডিপফেক হলো একটি ডিজিটাল পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা সহজেই একজন ব্যক্তির ছবিতে তার শরীরে অন্য কারও মুখ প্রতিস্থাপন করতে পারেন। আর সেভাবেই একের পর এক সেলিব্রিটির মুখ ব্যবহার করা হচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সায়ন্তিকা শুটিংয়ের পোশাক নিয়ে গেছেন: প্রযোজক মনিরুল

    পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় নায়িকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘ছায়াবাজ’ সিনেমার শুটিং শেষ না করে মাঝপথে কলকাতায় ফিরে গেছেন। ফলে শুটিং বন্ধ রয়েছে তাজু কামরুল পরিচালিত সিনেমাটি। এ নিয়ে অভিযোগ পালটা অভিযোগ উঠে আসছে। 

    rnrn

    সায়ন্তিকার অভিযোগ প্রযোজক পেশাদার আচরণ করেননি। আর প্রযোজক মনিরুল ইসলামের অভিযোগ, সায়ন্তিকা ৫০ হাজার রুপি ও শুটিংয়ের পোশাক ফেরত দিয়ে যাননি। সেই সঙ্গে শুটিং শেষ করার পরও নায়ক-নায়িকার হোটেলকক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

    rnrn

    জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। চিত্রনায়ক জায়েদ খানের সঙ্গে ‘ছায়াবাজ’ নামে একটি সিনেমার শুটিং শুরু করেন তিনি।

    rnrn

    কথা ছিল ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুটিং করার; কিন্তু তিনি সেটি না করে ৭ সেপ্টেম্বর চলে যান। শোনা যায় সায়ন্তিকা শুটিং শেষ না করেই কলকাতায় চলে গেছেন।

    rnrn

    প্রযোজক মনিরুল ইসলামের দাবি, নৃত্য পরিচালক মাইকেল বাবুর সঙ্গে কাজ করবেন না বলেই ঢাকা ছেড়েছেন সায়ন্তিকা। মাইকেলের বিরুদ্ধে সায়ন্তিকা হাত ধরার যে অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয় বলে দাবি মনিরুলের।

    rnrn

    সায়ন্তিকা দাবি করেন, নৃত্য পরিচালক নয় বরং মূল সমস্যার নেপথ্যে সিনেমার প্রযোজক। কোনো ধরনের পরিকল্পনা ছাড়াই শুরু হয়েছে ছায়াবাজের শুটিং। বারবার চেষ্টা করেও টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান পাননি তিনি।

    rnrn

    সায়ন্তিকার এমন অভিযোগে রোববার প্রযোজক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সায়ন্তিকার সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হাস্যকর। হাত ধরা নিয়ে সায়ন্তিকার সমস্যা মাইকেল বাবুর সঙ্গে। তিনি পরিচালককে ফোন করে মাইকেল বাবুকে মারতেও চেয়েছিলেন। এখন আমার বিরুদ্ধে সায়ন্তিকা কেন অভিযোগ করছেন, সেটাই তো বোধগম্য নয়। আমার সঙ্গে তার সমস্যা হলে মাইকেলকে কেন বসিয়ে রাখবেন? একজন তারকা যদি নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে না পারেন, তাহলে আর কী বলার আছে।’

    rnrn

    শুটিংয়ে অব্যবস্থাপনার বিষয়ে মনিরুল বলেন, ‘কিভাবে শুটিং হবে, এটা ঠিক করেন পরিচালক। আগে থেকে পরিকল্পনা ছিল গানের দৃশ্য দিয়ে শুরু হবে শুটিং। অপেশাদারি আচরণ আমি নই, সায়ন্তিকাই করেছেন। চুক্তির বাইরে আমরা তাকে ৫০ হাজার রুপি দিয়েছি পোশাকের জন্য। অথচ তিনি কোনো পোশাক নিয়ে আসেননি। এরপর আবার ড্রেসম্যান মনিরকে দিয়ে পোশাকের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সেই পোশাকগুলোও সায়ন্তিকা ফেরত দিয়ে যাননি।’

    rnrn

    মনিরুল আরও বলেন, ‘মাইকেলের ডিরেকশনে গানের শুটিং করার সময় ড্রেস পরিবর্তন করার জন্য দুপুর ২টায় হোটেলে যান নায়ক-নায়িকা। ফিরে আসেন সন্ধ্যা ৬টায়। ড্রেস চেঞ্জ করতে চার ঘণ্টা সময় লাগে, এমনটা কখনো দেখিনি। এছাড়া যেদিন আমরা শুটিং প্যাকআপ করে পুরো ইউনিট নিয়ে চলে আসি, সেদিন নায়ক-নায়িকা হোটেলেই থেকে যান। ওই দিন তারা সেখানে কী করছিলেন? এ প্রশ্নের জবাব তারা কী দেবেন? এ কথাগুলো কখনো সামনে আনতে চাইনি। কিন্তু এখন আর চুপ করে থাকতে পারলাম না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে উরফিকে আবারও হত্যার হুমকি

    পোশাকের কারণে সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন উরফি জাভেদ। ছোট পোশাক নিয়ে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। খুন, ধর্ষণের হুমকিও পেয়েছেন। বুধবারও ঘটেছে সেই একই ঘটনা। 

    টুইটে পোস্ট করে উরফি জানান, তাকে আবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। যেখানে লেখা হয়েছে— ভারতীয় সংস্কৃতিকে দূষিত করার জন্য আপনাকে মেরে ফেলা হবে। মেইলটি করার সময় সাবজেক্ট হিসাবে লেখা হয়েছিল— খুব শিগগির তোকে গুলি মেরে দেওয়া হবে। 

    ওই ব্যক্তি আরও লেখেন, দেশে তিনি যে পরিমাণ নোংরামি শুরু করেছেন, সেই কারণেই তাকে মেরে ফেলা উচিত। 

    টুইটে এ হুমকির মেইল পোস্ট করে উরফি লেখেন, আমার জীবনের প্রতি দিনের ঘটনা। 

    তবে এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসামাত্রই উরফির অনুরাগী বেশ বিরক্ত।

    বেশিরভাগ দর্শকই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। একজন উত্তরে লিখেছেন, তুমি চিন্তা করো না, অবিলম্বে আইনি সাহায্য নাও। যিনি মেইল পাঠিয়েছেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ লিখিয়ে এসো। আবার অন্য একজনের বক্তব্য, এদের এত গুরুত্ব দিও না, তুমি আমার জীবনে দেখা অন্যতম সাহসী মেয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক